Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধর্বী – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প330 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গান্ধর্বী – ২৬

    ২৬

    মিতুলের মন আজ খুব খুশি। ভারত সরকার ওদের প্রথমে রাশিয়ায় যেতে বাধ্য করেছিলেন। রাশিয়ায় প্রধানত মস্কো ও কিয়েভে অনুষ্ঠান করে ওরা দারুণ সাফল্য পায়। বিষয় ছিল সমুদ্রমন্থন এবং মহাপ্রলয়। সমুদ্রমন্থনের বিপুল তরঙ্গের আলোড়ন থেকে ঊবশী উঠছেন, লক্ষ্মী উঠছেন এই দুটি ভূমিকাতেই নৃত্যাভিনয় করেছে মিতুল। সামান্য একটু সাজপোশাকের এবং মেকাপের বদলে এবং উন্নত আলোক শিল্পের মহিমায় কেউ বুঝতে পারেনি। যে লক্ষ্মী সেই উর্বশী। নারায়ণের লক্ষ্মীলাভের অংশটুকু শেখরণের সঙ্গে তার দ্বৈত নৃত্য। আবার শিবের কণ্ঠে বিষধারণেও শেখরণ। এখানেও সেই একই মেকাপের অদল-বদল এবং আলোর কায়দা। দুটি মিথ্ই রাশিয়ান ভাষায় অনুবাদ করে বিলি করা হয়েছিল দর্শকদের মধ্যে। কিন্তু মিতুলের আসল লক্ষ্য ছিল পারী। পারী যাবার আগে রাশিয়া ছাড়াও ওদের যেতে হল রোমানিয়ায়। সেখানে ওরা মঞ্চস্থ করল ‘চার-অধ্যায়’। এগুলোই ওদের আপাতত তৈরি হয়েছে। গতকাল লা বুফ দ্যু নর-এর বিখ্যাত মঞ্চশালায় সমুদ্রমন্থন ও মহাপ্রলয় হয়েছে আরও অনেক পরিণত। শেখরণ নিজেই বলেছে পার্ফেক্ট। ‘মহাপ্রলয়ে’ হুড় হুড় করে ভেঙে পড়া জলের দৃশ্যে, শুধু একটি মাত্র দৃশ্যে আলোর কেরামতির সাহায্য নিয়েছে। সেটি চমক, বৈজ্ঞানিক চমক, যদিও তারও সঙ্গে কুটোর মতো ভেসে যাওয়া মনুষ্য স্রোত ছিল। তাদের হাতের মুদ্রা, পায়ের কাজ, চোখের অভিনয় ছিল অসাধারণ। কিন্তু মহাপ্রলয়ের একটি দৃশ্য তারা করেছে শিল্পীদের থাকে থাকে সাজিয়ে, তাদের আঙুলে ও মাথায় সমুদ্র সবুজ, ফেনশুভ্র, ছাই-ছাই রঙের বড় বড় রুমাল উড়িয়ে। উদয়শংকরের ‘সামান্য ক্ষতির’ আগুন-জ্বলে ওঠার দৃশ্য পরিকল্পনা থেকে শেখরণের মাথায় এসেছিল এ জিনিস। সেই সঙ্গে নানারকম পাকশিন ইনস্ট্রুমেন্ট ও গং-এর বাজনা। এবং মিতুলের বাণীহীন সুরের আলাপ। সমুদ্রমন্থন ওরা প্রথম দেখায়, তারপর ‘মহাপ্রলয়’, কারণ মহাপ্রলয়ের অভিঘাতের পর আর কিছু চলে না। আধুনিক সভ্যতার সব মিনার, সব যন্ত্র, অত্যাধুনিক পোশাক পরিহিত মানুষ, তাদের নানা ধরনের বিকৃতি, এমনকি সম্পূর্ণ নগ্নতাও তারা হাজির করেছে প্রথম পর্বে। তারপর আসে আকাশ থেকে মেঘ গর্জনে দৈববাণী। তাকে মানুষের ভাষা বা কণ্ঠ বলে বোঝার কোনও উপায় নেই। খালি বোঝা যায় এক ভৈরব আসছে। এ অংশটার রাশিয়া-পর্বে এতো উৎকর্ষ ছিল না। রিহার্স্যাল, রিহার্স্যাল, রিহার্স্যাল, শেখরণ, মিতশ্রী এবং অন্যান্য শিল্পীদের মহড়া চলেছে দিনের পর দিন, বাতানুকূল ঘরের মধ্যে ঘেমে চকচকে হয়ে গেছে সবাই। তবুও করেছে, করে চলেছে। তার ফল মিলল লা বুফ-এর প্রযোজনায়। মনে হচ্ছে এই নাট্যনৃত্য এখন বহুদিন ধরে চলবে। ভেঙে পড়ছে দর্শক, মফস্বল থেকে, অন্যান্য প্রদেশ থেকে। টিকিট না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে দর্শক আসছে। ইংলন্ড থেকে আমন্ত্রণ। কদিন পর মঁমাত্রের এক পেভমেন্টের কাফেতে শেখরণ এবং ওদের গ্রুপের আরও কিছু শিল্পীর সঙ্গে পারীর লোকজনের খুব আড্ডা চলছে। খালি মিতুল একটা কোণের টেবিলে বসে স্কেচবুক নিয়ে নকশা আঁকছে। লক্ষ্মী-নারায়ণের নৃত্যের আরও নানা নকশা। একটি বৃদ্ধ, তালিমারা জামাকাপড় পরা দন্তহীন সাহেব, হয়ত ফরাসীই, এসে বিনা ভূমিকায় তার সামনের চেয়ারটাতে বসে পড়ল। লোকটাকে ভিখারির মতো দেখতে। মিতুল একবার চোখের কোণ দিয়ে দেখেই আবার নিজের নকশায় মনোনিবেশ করেছে। হঠাৎ মনে হল লোকটি বিড়বিড় করে তাকে কিছু বলছে! অনেক চেষ্টা করে সে উদ্ধার করল লোকটি বলছে ‘ভোয়ালা মাদমোয়াজেল’। অর্থাৎ সে এবার কথাবার্তা বলতে চায়। মিতুল ফরাসীভাষার ন্যূনতম বাক্যগুলোও রপ্ত করতে পারেনি। তার আর যে প্রতিভাই থাক, ভাষা শেখার প্রতিভা নেই, যে প্রতিভা শেখরণের বিস্ময়কর। কাজ চালানো কয়েকটা বাক্য সে শিখে রেখেছে বটে, কিন্তু বললে ফরাসীরা বোঝে না, ফরাসীরা বললে সে বোঝে আরও কম। কাজেই বৃদ্ধ যখন তাকে ফরাসীতে জিজ্ঞাসা করলেন—সে ফরাসী বোঝে কি না। সে বিনা দ্বিধায় বলে দিল ‘না’। তখন বৃদ্ধ ইংরেজি আরম্ভ করল। সে না-ছোড়। অনেক দূরের দিকে সে এক একবার তাকায় আবার তাকায় মিতুলের মুখের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে। অবশেষে সে বলল—‘আই হ্যাভ এ স্ত্রং ফীলিং দ্যাত আই হ্যাভ সীন য়ু সামহোয়্যার।’ মিতুল কাজে মগ্ন, সে তার ছবিতে টান টোন দিতে দিতে বলল—‘আই অ্যাম অ্যান ইন্ডিয়ান, দিস ইজ দা ফার্স্ট টাইম আই অ্যাম ট্র্যাভলিং অ্যাব্রড, হাউ ক্যান ইউ সি মি? আই ডান্সড লাস্ট নাইট অ্যাট ‘লা বুফ’, ইউ মে হ্যাভ সীন মি দেয়ার।’ বৃদ্ধ বলল, না, সে লা বুফের প্রোগ্রাম দেখেনি। হঠাৎ সে প্রায় ভিক্ষে করার ভঙ্গিতে মিতুলের কাছ থেকে তার স্কেচ বুক ও পেনসিল চাইল। মিতুল খুব বিরক্ত ভাবে যখন জিনিস দুটো এগিয়ে দিল, তখন কাফের আরেকপ্রান্ত থেকে তাদের বাঙালি বন্ধু অনীক হালদার এগিয়ে এসে বললেন-‘মিতশ্রী, মিতশ্রী এই ভদ্রলোকটি এক অসাধারণ পেইন্টার। প্রতিকৃতি আঁকতেন, শুদ্ধু প্রতিকৃতি। শিল্পজগতের নানা নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উনি ভেড়েননি। বেচারি ভেসে গেছেন। এখানকার সবাই ওঁকে দয়া করে খাওয়ায়, সরকারি সাহায্যও উনি কিছু পান। কিন্তু সেগুলো যথেষ্ট নয়। ইনি খুব সম্ভব ভারতেও গিয়েছিলেন ছবি আঁকতে। দ্যাখো উনি নিশ্চয়ই তোমার একটা স্কেচ করছেন।’

    এক পলক তাকিয়ে সত্যিই মিতুল দেখল স্কেচবুকের পাতায় দু-চারটে টানে তার নাক চোখ, চুলের ফের ফুটে উঠছে। সে বলল, ‘ওঁর নাম কী?’ ‘পোল মাসো। অখ্যাত, অবহেলিত একেবারে।’ ততক্ষণে বৃদ্ধ স্কেচবুক আর পেন্সিলটা মিতুলকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। তাতে বলিষ্ঠ রেখার আঁচড়ে মিতুলের আবক্ষ মূর্তি। যেমন সে কাঠের চেয়ারে বসে আঁকছে ঠিক সেইভাবে। বিড়বিড় করে ‘মের্সি, মের্সি’, বলতে বলতে বৃদ্ধ ভিড় কাটিয়ে চলে গেলেন, মিতুলের ইচ্ছে থাকলেও তাঁকে কিছু খাওয়াতে পারল না। অনীক বলল ‘অদ্ভুত যাযাবর লোক। হয়ত এখন আর পারীতেই থাকবে না। চলে যাবে পাহাড়ে, গ্রামে, রাস্তার ধারে শুয়ে শুয়ে ফুলের মেলা দেখবে। এই রকম স্কেচ-টেচ করে কিছু রোজগার করবে তা দিয়ে একটু রুটি, একটু পনীর আর একটু মদ।’

    এর দিনকয়েক পর লুভ্‌র্ দেখে ফিরে এসে মিতুল একটা পার্সেল এবং একটা চিঠি পেলো। চিঠিটা রামেশ্বরের। তিনি জানিয়েছেন অপালার সহসা গলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। অত্যন্ত আকুল হয়ে জানিয়েছেন। নানা চিকিৎসা করেও উন্নতি হচ্ছে না। মিতুল কি এ বিষয়ে ভাববে? কিছু করবে? আর কোনও কথা নেই রামেশ্বরের চিঠিতে। তিনি কেমন আছেন। মিতুল কেমন আছে। তাদের প্রোগ্রাম কিরকম হচ্ছে। কিছু না। চিঠিটা শুধু একটা দীর্ঘ তীব্র মিড়, মুদারার কোমল রেখাব থেকে ষড়জ পর্যন্ত। প্রথমেই মিতুলের মাথাটা একদম গুলিয়ে গেল। প্রথম ভয়ংকর কথাটাই মনে হল—‘ক্যানসার, ক্যানসার নয় তো!’ সে সঙ্গে সঙ্গে এয়ার-লেটার বার করে উত্তর লিখল, সংক্ষেপে—‘বাবা, অপালাদির খবর শুনে আমি বড্ড বিচলিত হয়ে পড়েছি। পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে, যত বড় ডাক্তার বা হসপিট্যালই হোক, যত টাকাই লাগুক যেন একটুও দেরি এবং দ্বিধা করা না হয়। আমি এদিক থেকে খোঁজ নিতে থাকছি। তোমার আমার জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে যা টাকা আছে তা থেকে এখন যত দরকার খরচ করো, আমি শিগ্‌গিরই ডলারের ড্রাফট্ পাঠাচ্ছি।

    মিতুল।’

    পার্সেলটার কথা তার মনেই ছিল না। শেখরণ ঘরে নক করে ঢুকল। সে কোনিয়াকের কথা বলেছে, এখুনি আসবে। বললোলুভর—লুভ্‌র্ দেখতে অন্তত এক মাস লাগবে আমার। মিতুল তুমি কি বলে!

    মিতুল ভীষণ উদ্বিগ্ন মুখে চিঠিটা দেখিয়ে দিল। সে কথা বলতে পারছে না। চিঠিটা পড়ে শেখরণ মিতুলের জলভরা চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—‘এ কি কাঁদছো কেন? অসুখ করেছে। চিকিৎসা হবে!’

    মিতুল ধরা গলায় বলল—‘অপুদির নিশ্চয়ই ক্যানসার হয়েছে!’

    শেখরণ বলল—‘গলায় ব্যথা নেই, খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন। চেহারায় কোনও কষ্টের ছাপ নেই লিখছেন। আই ডোন্ট থিংক ইট ইজ ক্যানসার।’

    মিতুল বলল—‘বলছো? সত্যি তোমার তাই মনে হচ্ছে?’

    শেখরণ বলল—‘অফ কোর্স, এতো ভেঙে পড়ার কী আছে!’ সে মিতুলের ভিজে চোখের ওপর সুদীর্ঘ চুম্বন দিল। কিন্তু মিতুল আজ মেতে উঠতে পারছে না। শেখরণ বলল—‘মিতুল এ পার্সেলটা খোলোনি? খোলো?’

    মিতুল বলল—‘বাবাইয়ের চিঠিটা পাওয়ার পর আমার আর…’

    নিজেই খুলে ফেলল শেখরণ পার্সেলটা। ওপরেই একটা খামের চিঠি। মিতুল খুলে পড়তে লাগল।

    প্রিয় মিতুল,

    ভেবেছিলাম এই দরকারি কাগজপত্রগুলো অপুর হাত দিয়ে তোকে দেওয়াবো। কিন্তু অপুকে এখন কিছুর মধ্যে জড়াতে ইচ্ছে করছে না। শোন, ক্যালিফর্নিয়ায় একটা প্রোগ্রাম করতে হয় আমাকে একটা ওল্ড পীপল্‌স্ হোম-এর জন্য, সেখানে আমার পূর্ণ পরিচয় দেবার পর আমি গান আরম্ভ করি। যেমন সর্বত্র করে থাকি। গান শেষে যখন চলে আসছি, তখন ওঁদের কর্তারা আমাকে জানান একজন জু ভদ্রমহিলা, ওখানকারই স্থায়ী বাসিন্দা আমার সঙ্গে বড্ড দেখা করতে চাইছেন। আমি যদি তাঁকে এবং তাঁদের বাধিত করি।

    মিতুল, এই জ্যুয়িশ মহিলা খুব মৃদু আলোয় নিজেকে অন্ধকারে এবং আমাকে আলোতে রেখে বসেছিলেন। তিনি আমাকে খুব চমকপ্রদ একটি গল্প শোনান সেটি আমি তাঁর জবানিতেই তোকে শোনাচ্ছি: ‘আমি জু নই। আমার নাম, প্রকৃত নাম, সিতারা। আমি বেনারসে এক বাঈজীর ঘরে জন্মাই। মা যখন আমাকে নাচ গানের তালিম দিয়ে তৈরি করে দিয়েছেন, এবং আমি আমার বাঈজী জীবন শুরু করে দিয়েছি, সেই সময়ে এক সাহেব কাস্টমারের সঙ্গে আমার ভারী আলাপ হয়ে যায়। সে কথায় কথায় জানায় সে আমাকে মডেল করে ছবি আঁকতে চায়, আমি রাজি হয়ে যাই। তার সঙ্গে আমি বেনারসের নানান জায়গায় ঘুরতে থাকি। এমনকি চলন্ত নৌকার বুকেও সে আমার ছবি আঁকতো। এবং যথেষ্ট টাকা দিত। এর নাম জাঁ পোল মাসো। এই ফরাসী চিত্রকরকে আমি ভালোবেসে ফেলি। মিতশ্রী এরই সন্তান। মা আমার সন্তান সম্ভাবনার কথা জানতে পেরে আমাদের মেলামেশা বন্ধ করে দ্যান। তিনি আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেবার চেষ্টাও করেন। কিন্তু আমি আমার সঙ্গীত শিক্ষক কেদারনাথজীর কাছে অনেক কাকুতি-মিনতি করে আশ্রয় জোগাড় করি। ক্রমে হয়ে গেলাম কেদারনাথজীর স্ত্রীর মতো। মিতুল জন্মালো। মায়ের ভয়ে আমি বাড়ি থেকে বেরোতে পারতুম না। কেদারনাথ কথা দিয়েছিলেন। পোল-এর খোঁজ এনে দেবেন। দ্যাননি। সেখান থেকে অতএব পালালাম তোমার গুরু রামেশ্বরকে অবলম্বন করে, খোঁজ করতে থাকলাম। তারপর ইমদাদ বিদেশ যাচ্ছে শুনে তার সঙ্গেই ভেসে পড়ি। এদের কাউকেই আমি আমার আসল উদ্দেশ্যর কথা বলিনি। কিন্তু সারা আমেরিকা ইয়োরোপ ঘুরেও আমি জাঁ পোল মাসোর দেখা পাইনি। সৌন্দর্য ছিল, নাচ-গানের শিক্ষা ছিল, অনেক উপার্জন করেছি। ভেবেছিলাম, যে বৃদ্ধাবাস আমাকে শেষ আশ্রয় দিল তাকেই ডোনেশন হিসেবে সব দিয়ে যাবো। কিন্তু এখন যখন নিজের সন্তানের খোঁজ পেয়েছি, তখন আমার যা কিছু সব তারই।’—মিতুল, তোর মা-বাবা দুজনেরই সন্ধান এনে দিলাম। এবার আমায় মাফ করবি তো!

    সোহম্

    চিঠিটা পড়ে মিতুল ঠিক একটা পাথরের মূর্তির মতো হয়ে গেল। তার শুকনো মুখ, স্তব্ধতা দেখে শেখরণ বলল—‘এ চিঠিটা কার? পড়তে পারি?’ মিতুল শুধু ঘাড় নাড়ল। চিঠি পড়া শেষ করে শেখরণ, অনেকক্ষণ চুপ করে রইলো, তারপর আস্তে আস্তে বলল—‘মিতুল, তুমি বিধাতার এক অনবদ্য সৃষ্টি, ফরাসী চিত্রকর তোমার পিতা, কাশীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যসম্পন্ন নৃত্যগীত-পটিয়সী রূপসী তোমার মাতা, তোমাকে পালন করেছেন অসাধারণ গীতকোবিদ কেদারনাথ চৌবে আর রামেশ্বর ঠাকুর, তুমি সত্যিই উর্বশী। এসো মিতুল আমরা লক্ষ্মী নারায়ণের মহড়াটা আজ কমপ্লিট করি। করবে না?’ মিতুল খুব অনিচ্ছুক ভাবে আস্তে আস্তে উঠল। তারপর ঘরের মাঝখানে খুব ধীর গতিতে তার পদসঞ্চার আরম্ভ হলো। মুদ্রাগুলি অনেক সময় নিয়ে বন্ধ হচ্ছে খুলছে, যেন এক একটা ফুল সূর্য ওঠার সময়ে খুব আস্তে সবার অলক্ষ্যে ফুটে উঠছে আবার সূর্যাস্তের পর খুব আস্তে সবার অলক্ষ্যে মুদে যাচ্ছে। ব্যালের অনুকরণো যেখানে শেখরণ তাকে উঁচুতে তুলে ধরে, সেখানেও সে এইরকম দীর্ঘায়িত ছন্দের ভঙ্গিমা হয়ে রইল। নাচ শেষ হলে, শেখরণ বলল—‘আজ একটা নতুন আইডিয়া এলো। লক্ষ্মী নারায়ণের নাচটা করতে করতে হঠাৎ আমরা এরকম স্লো-মোশন হয়ে যাবো। অদ্ভুত হবে।’

    মিতুল কোনও কথা বলল না। পার্সেলের বাকি অংশগুলো এবার সে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল। অনেক বিবর্ণ ফটোগ্রাফ। কিছু স্কেচ, একটি নূড, সবই তার মতো দেখতে একটি তরুণীর। ফটোগ্রাফগুলির ভেতর থেকে শনাক্ত করা যায় একটি তরুণ স্পর্শকাতর বিদেশী মুখ, সুন্দর, খুবই সুন্দর। তার সঙ্গে কদিন আগে দেখা ওই জীর্ণ-শীর্ণ ভিখারি আর্টিস্টকে মেলানো যায় না। উইলের কপি রয়েছে ভেতরে। রয়েছে তার মায়ের বিভিন্ন সময়কার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি।

    শেখরণ বলল— ‘সর্বাগ্রে তোমার খোঁজ করা দরকার তোমার মার।’ মিতুল এখনও কোনই কথা বলছে না।

    পরদিন শেখরণই পার্সেলে প্রদত্ত ঠিকানার ফোন নম্বরে যোগাযোগ করে জানল— বৃদ্ধা মিশেল ক্লেয়ার্স মাস তিনেক হল মারা গেছেন। যা কিছু আইনগত কাজ কারবার আছে সেগুলি মেটালেই মিতশ্রী ঠাকুর পেয়ে যাবে মিশেল ক্লেয়ার্সের সঞ্চিত অর্থ সুদে-আসলে সতের লক্ষ ডলার।

    খবরটা পাওয়ার পর মিতুল আস্তে আস্তে বলল— ‘এই টাকাটা ওই শিল্পী জাঁ পোল মাসোকে দিয়ে দেওয়া যাক।’

    শেখরণ বলল— ‘উনি মদ খেয়ে ও টাকা ওড়াবেন। ওঁর জন্য কিছু টাকার ব্যবস্থা আমরা অনীকের সঙ্গে আলোচনা করে করতে পারি। কোনও না কোনওদিন তো উনি মঁমাত্রের ওই কাফেতে আসবেনই। অপালাদির চিকিৎসার জন্য খরচও এর থেকে করা যায়।’

    মিতুল বলল— ‘না। অপুদির চিকিৎসার খরচ আমার। এ টাকা দিয়ে অন্য কিছু করার প্ল্যান করো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু
    Next Article উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }