Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধর্বী – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প330 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গান্ধর্বী – ৩

    ৩

    অবিকল বৃষ্টি-ধোয়া গন্ধরাজ ফুলের মতো সকাল। আকাশ এখন নিকোনো তকতকে, স্বয়ং গোপাল-গোবিন্দর গায়ের রঙটি চুরি করে পরে ফেলেছে। গাছপালাগুলোও যেখানে যা ছিল সব তেমনি সাবান মেখে নেয়ে-ধুয়ে দ্যুতিময় সবুজ পরিচ্ছদে সেজেছে। আশীর্বাদের মতো সকাল। অপ্রত্যাশিতভাবে প্রবাসী প্রিয়জনের ফেরার মতো সকাল। জানলার বাইরে থেকে গোছা গোছা রাধাচুড়োর ডাল ঘরের ভেতর অনুপ্রবেশ করবার চেষ্টা করছে। পর্দাগুলোও খুব সুন্দর একটা হালকা সবুজ। তাই সকালের এই বিশ্বজোড়া আলোর মধ্যেও ঘরের ভেতর কেমন একটা সবুজাভ অন্ধকার। অন্য দিন হলে এমন একটা সকালে জেগে উঠতে সোহমের দারুণ লাগত। পৃথিবী সকালের মুখ দেখারও কত আগে সে তার নিজস্ব, একদম একলার ঘরে তানপুরো নিয়ে ভৈঁরো সেধে যেত। আরম্ভ করত মন্দ্র সপ্তকে, ধীরে ধীরে বাড়িয়ে মধ্য-সপ্তকের পা পর্যন্ত বাস। আবার ফিরে আসা, আবার ভিন্ন পথে ভিন্ন মিড়ে সুরের ক্ষুরধার অলিতে গলিতে ঘোরাফেরা। কিন্তু আজ তার উঠতে ইচ্ছে করছে না। শরীরটা ভারী হয়ে আছে, মন ততোধিক ভারী। সে জানে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একবার মাস্টারমশাইয়ের বাড়ি যাওয়া দরকার। মাস্টারমশাই তো আশা করবেনই। উপরন্তু মিতুল অপেক্ষা করে থাকবে। কিরকম গান শুনল। কারটা কি রকম সব ক্যারিকেচার করে দেখাবে মিতুল। কিন্তু সোহম শুধু এপাশ থেকে ওপাশ ফিরে শুলো। একবার আধবোজা চোখ দিয়ে দেখে নিল মাথার কাছে রাখা টাইমপিসটাতে নটা বেজে গেছে। আরও কিছুক্ষণ সে গড়াবে। তাদের বাড়িতে কারুর প্রাইভেসি, স্বাধীনতা কেউ নষ্ট করে না। মা বেঁচে থাকলে হয়ত এসব অভিজাত নিয়ম মানত না। কিন্তু মা তার তেরো কি চোদ্দ বছর বয়স থেকে সামনে চুল ফেরানো মাথায় আধঘোমটা দেওয়া এক সারদাদেবী গোছের ছবি হয়ে তার পায়ের দিকের দেওয়ালে ঝুলছে। ঘুম ভাঙলেই প্রথম চোখ পড়ে এই ছবিটার ওপর। বউদিদের কারও এতো আগ্রহ বা সাহস নেই যে পরিবারের এই সৃষ্টিছাড়া ছেলেটিকে নিয়ন্ত্রিত করে। সকলেই অবশ্য তাকে ভালোবাসে, সমীহও করে। সমীহ করে তার এই বিশেষ গুণকে, যা পরিবারের আর কারো নেই। সোহম তার পরিবারের বিস্ময়। তাদের বংশানুক্রমিক প্রেসের ব্যবসা। কিন্তু তার বাবা নিজে তো উচ্চশিক্ষিত বটেই, তার তিন দাদাও রেডিওফিজিসিস্ট, অর্ডন্যান্সের বড় অফিসার এবং কেমিস্ট। মাঝখান থেকে সে-ই গানের সঙ্গে কেমিস্ট্রি ল্যাব চলবে না বলে সায়েন্স ছেড়ে দিয়ে এক বছর নষ্ট করে স্ট্রীম বদলালো। এবং হু হু করে গানের জগতে ওপরে উঠতে লাগল। ব্যাপারটা তার অ-শিল্পী কিন্তু উচ্চশিক্ষিত পরিবারে প্রথম প্রথম অস্বস্তি জাগাত, এখন সম্ভ্রম জাগায়। তার বাবা মনে মনে আত্মপ্রসাদের সঙ্গে ভাবেন—‘আমার সব ছেলেগুলিই ট্যালেন্টেড কে জানে ছোটটা সবচেয়ে বেশি কিনা।’

    দ্বিতীয়বার পাশ ফিরতে যাচ্ছে, ঘরে কে ঢুকছে মনে হল। মেজ বউ-দি নাকি? তার মাঝে মাঝে এ ধরনের সাহস এবং ইচ্ছে হয়। ভালো করে চোখ মেলে সোহম দেখল দীপালি। এরকম অবস্থায় তার পক্ষে শুয়ে থাকা সম্ভব নয়। ভেতরে ভেতরে ভীষণ লজ্জা পেয়ে—‘আরে দীপালি নাকি, বোসো, বোসো, প্লীজ, আমি বাথরুম থেকে আসছি।’ চোখ কচলাতে কচলাতে একদম এক লাফে সে বাথরুমে পৌঁছে গেল।

    দীপালি সোহমের বাড়ি প্রায়ই আসে। অপুর বাড়িও যায়। কিন্তু সোহমের বাড়িতে যে ধরনের অবারিত দ্বার, স্বাধীনতা, আধুনিক রুচি-মেজাজ ও আতিথ্য তা তো অপুর বাড়ি নেই। এখানে তুমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা সোহমের সঙ্গে গল্প করো, গান করো, কেউ না ডাকলে উঁকি দিয়েও দেখতে আসবে না, সোহমের ফরমাশ মতো খাবার পৌঁছে যাবে হোটেলের ক্ষিপ্রতায় এবং কেতায়। ওদিকে অপু তার খুব প্রিয় হলেও অপুর তো নিজস্ব একটা ঘরই নেই। নেই দীপালিরও। তারা তিন বোন এক ঘরে শোয়। কিন্তু তিনজনেই বোন তো! অপুর যা কিছু নির্জনতা তার চিলেকোঠায় ঘরে। সে ঘর তার দাদার। স্বভাবতই তার দাদা এবং দাদার বন্ধুরাও অনেক সময়েই ঘরখানা অধিকার করে থাকে। তার জ্যাঠামশায়ের শেয়ারে অবশ্য দুখানা ঘর—একখানা শোবার, একখানা বসবার। কিন্তু সেদিকে অপু কেন বাড়ির কেউই পারতপক্ষে যায় না। বাকি রইল একখানা ঘর। যেটাতে অপু তার মায়ের সঙ্গে শোয়। সে ঘরে খাট, আলনা, বাড়তি বিছানার মাচা, খাটের তলায় হাঁড়ি-কুঁড়ি, চৌকিতে সেলাই-কল, কি আছে আর কি নেই হিসেব করতে প্রাণ বেরিয়ে যাবে। একতলার এক দিকটা ভাড়া। সেদিকের উঠোনের অংশটা তো প্রায়ই খুব অপরিষ্কার হয়ে থাকে। এদিকে রান্নাঘর। সামনে দাওয়া, আর একটা ছোট্ট ঘর, যেটাকে ওরা গুদোম ঘর বলে ব্যবহার করে। বাথরুমে যেতে হলে উঠোন পার হয়ে যেতে হবে। দোতলাতেও অবশ্য একটা ছোটমতো আছে, জ্যাঠামশাইয়ের অংশের লাগোয়া, তাতে তোলা-জল থাকে। জলের হিসেবে কম পড়লেই, কাউকে না কাউকে নিচ থেকে এনে ঢাউস বালতিটা ভর্তি করে রাখতে হবে।

    অপুকে ভালো লাগলেও অপুর বাড়ি যেতে ভালো লাগে না দীপালির। তারা পাঁচ বোন। অপুর মতোই পিতৃহীন। কিন্তু মা এবং পাঁচ বোন মিলে তাদের ফাটা সিমেন্টের মেঝে, চৌপাল্লার জানলা, জায়গায় জায়গায় আগড়হীন দরজা এবং সাবেক কালের আলমারি, পা-মেশিন, ট্রাঙ্ক-বাক্স, দেরাজ-আয়না এতো গুছিয়ে রাখে যে অল্প জায়গাকেও অল্প বলে মনে হয় না। তার বড়দি পাশ করা নার্স, মেজদি স্কুলের সেলাই-টিচার, সেজ জন একদিকে নাচ শেখে আর একদিকে রাজ্যের পুঁচকে পুঁচকেকে নাচ শেখায়, চতুর্থ সে। সে-ও গান শিখিয়ে ভালোই উপার্জন করে। ছোট এখনও স্কুলে, কিন্তু হলে হবে কি এতো ভালো সাজাতে পারে, আলপানা দিতে পারে যে বিয়ের মরশুমে তাকে নিয়ে রীতিমতো কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। এবং কোনটাই সে একেবারে বিনা দক্ষিণায় করে না। ফলে তাদের সংসার মৌচাকের মতো বিন্দু বিন্দু মধু দিয়ে ভরা। সবার ওপরে রানী মৌ মা। সংসারের কর্তৃত্ব এবং তাদের পাঁচ বোনের পরিচালনার দায়িত্ব মোটামুটি তাঁরই হাতে। সকলেই স্বাবলম্বী। সকলেই হিসেবী, গোছালো। তাই তাদের পয়সা-কড়ির অভাবও তেমন কিছু নেই। যদিও প্রত্যেককেই অসম্ভব খাটতে হয়। মা চান, এইবার একটি একটি করে মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিতে। কিন্তু কিছুতেই, একটা মেয়েরও বিয়ে হচ্ছে না, অথচ প্রত্যেকে গুণী, প্রত্যেকে স্মার্ট, গৃহকর্মনিপুণা। দেখতে-শুনতেও অল্পবিস্তর সুশ্রী। দীপালি হেসে বলে—‘ব্যাপারটা কি জানিস অপু হবু জামাইরা এতগুলো শালী দেখে ভড়কে যায়, ভাবে সব গুলোই বুঝি ঘাড়ে চাপবে।’

    সোহম এই বাড়ির এক চতুর্থাংশের অধিকারী। দোতলায় তার শোবার ঘর এবং পড়া ও গানের ঘর পাশাপাশি। এছাড়াও আছে, ঘরের সঙ্গে টয়লেট, চমৎকার একটি ব্যালকনি এবং ছোট্ট একটু কিচেনেট। সোহমদের বাড়ির তিন চারটি কাজের লোকের মধ্যে একটি বনমালী। তাকে আদেশ করলেই সে ছোটবাবুর ফরমাশমতো খাবার-দাবার ঐ ছোট্ট রান্নাঘরে বানিয়ে দেয়। বউদিদের কাউকেও ফরমায়েশ করতে হয় না। আর নানা ধরনের মজলিশ সোহমের ঘরে যখন তখনই হয়। তার কলেজের বন্ধু, গানবাজনার জগতের বন্ধু, পাড়াতেও সে অঢেল পপুলারিটি পায়।

    দীপালি দক্ষিণের দিকে তাকালো চমকে। চমৎকার একটা গন্ধ ফুরফুরে হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওদিক থেকে ভেসে এলো। ওদিকেই সুন্দর ঝুলবারান্দাটা। সবুজ-পর্দাগুলো লেসের, সরু সরু, ছোট্ট ছোট্ট কাঁচুলির মতো। তাদের ওপর দিয়ে, ভেতর দিয়ে হাওয়া আসছে। মাথার ওপর ঘুরছে বাজারের সবচেয়ে দামী ফ্যান। খাটের উল্টোদিকে দেওয়াল জোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘার ছবি। কোনও আর্টিস্টের আঁকা তেলরঙ। এই পাহাড় দেখতে দেখতে রোজ ঘুমোয় সোহম। খাটের পায়ের দিকে ওর মায়ের রঙিন ছবি। বেশ ভালো করে রি-টাচ্‌ করা।

    এর আগে কখনও ঠিক এই ঘরটিতে এসে বসেনি দীপালি। পাশের ঘরটাই সোহমের আড্ডাখানা। সেটাকে গানঘরও বলা যায়। মেহগনি কাঠের, কাচের পাল্লা বসানো দেরাজে পর পর শোয়ানো আছে তানপুরো তানপুরো আর একটা, বাঁয়া তবলা, একটা সারেঙ্গি। শখ করে এটাও মাস্টারমশায়ের কাছে শিখছে সোহম। আজকে বাড়িতে ঢুকতে প্রথমেই মেজ বউদির সঙ্গে দেখা। ইনি বেশ মাই-ডিয়ার গোছের বউদি। ফিজিক্স-বউদি অর্থাৎ বড়বউদির মতো গম্ভীর-গাম্ভার অল্পভাষী নয়। ওকে ঢুকতে দেখে মেজ-বউদি বললেন ‘ওমা, দীপালি, তুমি এতো সকালে?’ দীপালিকে এঁরা সবাই পছন্দ করেন। সে সপ্রতিভ, সে পরিচ্ছন্ন, ফ্যাশনদুরস্ত। তার সাজপোশাক, কথাবার্তা চালচলন দেখলে কেউ স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারবে না সে ভবানীপুরের একটা বারো ফুট গলিতে এক তলার দুখানা ঘর, এক চিলতে উঠোন, একটা টিনঘেরা কলঘর নিয়ে থাকে। এতো সকালেই দীপালির প্রসাধন সারা। আসলে দীপালি যখনকার যা তখনকার মতো প্রসাধন ছাড়া বেরোনোর কথা কল্পনাই করতে পারে না। অপুর মতো তেল চকচকে মাথা, নাকের ডগা লাল, মুখে পাউডার নেই, ব্লাউজে সেফটি-পিন—এসব তার চিন্তার বাইরে। সে রঙ মিলিয়ে নীল রঙের হালকা, সিনথেটিক শাড়ি-ব্লাউজ পরেছে। দেশীই কিন্তু দেখলে মনে হবে বাইরের। তার চোখে কাজল, ঠোঁটে ঈষৎ লিপস্টিক, হাতে দামী বিদেশী ঘড়ি—এসব কোথায় কম দামে পাওয়া যায়, তার নাড়ি-নক্ষত্র দীপালির জানা। পায়ের চটিটি পর্যন্ত নেভিব্লু রঙের, রঙ মেলানো, সে মেজবউদির কথার উত্তরে হেসে বলেছিল—‘কেন, বুঝতে পারছেন না বউদি? সোহমকে কংগ্রাচুলেট করতে, আবার কি? আর খুব সকালও নেই। নটা বেজে গেছে, গাইয়েদের সকাল অনেক আগে হয়। আপনি রেজাল্ট জানেন না?’

    —‘কি করে জানবো ভাই? কাল মাঝরাত্তিরে কেলে হাঁড়ির মতো মুখ করে এসে শুয়ে পড়ল, কিছু খেল না, দেলো না, বাবা বললেন,—“অতবড় কম্পিটিশন। নিশ্চয়ই খাইয়েছে। ওকে এখন বিরক্ত কর না।”

    দীপালি বলল—‘কোনও মানেই হয় না। সোহম থার্ড এসেছে। পুরো ইস্টার্ন রিজিওনের ট্যালেন্ট সার্চ কম্পিটিশন করেছে সুরলোক। একেবারে কনফারেন্স স্টাইল। সেখানে খেয়ালে থার্ড হওয়া ইয়ার্কি নাকি?’

    —‘তাই বলো’—মেজ বউদি লম্বা চুলের তলায় গিঁট বাঁধতে বাঁধতে বললেন। তাকিয়ে তাকিয়ে দীপালি ভাবল—অন্তত রঙে সে সোহমের মেজবউদির কাছে হারছে না। চুলও তার একটু একটু কোঁকড়া, মেজবউদির গুলো একেবারে সোজা।

    —‘তাই বাবুর রাগ হয়েছে।’ মেজ বউদির মুখে হাসি, ‘ফার্স্ট কে হল? অপালা মিত্র?’

    —‘নাহ!’ দীপালি হতাশ ভঙ্গিতে বলল—‘অপালাও না। সাদিক হোসেন বলে কে একটি আসামের ছেলে, কোনদিন নামও শুনিনি। অপালা সেকেন্ড এসেছে।’

    মেজ বউদি বললেন—‘তুমি সোজা ওর ঘরে চলে যাও। বেলা নটা পর্যন্ত পড়ে পড়ে ঘুমোচ্ছে। আমি চা-টা সব পাঠিয়ে দিচ্ছি। কাল রাত-উপোসী আছে, উঠেই খাই খাই করবে।’

    বউদির অনুরোধ এবং অনুমতির সূত্র ধরেই দীপালির প্রথম এই ঘরে ঢোকা। পর্দা দুহাতে সরিয়ে ঘরে ঢুকতে তার কেমন গা শিরশির করছিল। ছেলেরা কেমন করে শুয়ে থাকে কে জানে! কে জানে খালি গায়ে নাকি? সোহমের বুকে সামান্য চুল আছে, তার খোলা শার্ট বা পাঞ্জাবির মধ্যে দিয়ে মাঝে মাঝে দেখা যায়। অনেক কষ্টে নিজের ভেতরের শিরশিরোনি থামিয়ে সে ঘরে ঢুকেছে এবং ঢুকে অবাক হয়ে গেছে। এতে পরিচ্ছন্ন, এতো সুবাসিত, এতো সুন্দর ও শালীন যে একটা এই বয়সের ছেলের ঘর হতে পারে সে ভাবতেও পারেনি। উত্তর-দক্ষিণ মুখোমুখি জানলা খোলা, মাথার ওপর তা সত্ত্বেও ফ্যান ঘুরছে। সোহম তার ডোরা-কাটা নাইটড্রেস পরে দুটো বালিশের ওপর একরকম উপুড় হয়ে শুয়ে রয়েছে। তার অবিন্যস্ত অজস্র চুল বালিশ ছাড়িয়ে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। দীপালি একটা দোলনা চেয়ার টেনে বসেছিল। সে বসে থাকাকালীনই সোহম তিন-চারবার ওল্টালো পাল্টালো, দীপালির বুক দুরদুর করছিল, কিন্তু কোনও অশালীন অশোভন উন্মোচন ঘটল না। অবশেষে তার উপস্থিতি বুঝতে পেরে সোহম ধড়মড় করে উঠে বসল এবং তারপর একলাফে বাথরুমের দরজায়।

    একটু দেরি হল সোহমের। সে একেবারে স্নান সেরে বেরিয়েছে। কোনও একটা ও-ডি-কালোন, না-কি বাথসল্ট ফল্ট ব্যবহার করেছে বোধহয়। ঘরময় মৃদু সুবাস ছড়িয়ে যাচ্ছে। সোহম মেয়েদের মতো শেখিন। পাটভাঙা সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি পরে, চুল উল্টে আঁচড়ে বেরিয়েছে। একটু তাড়াহুড়োর ছাপ। চোখগুলো ওর এমনিতেই একটু রক্তাভ। রাত-জাগা বা বেশি ঘুমোনোর জন্যে আরও বেশি লাল হয়ে উঠেছে। ঘুমন্ত এবং অবিন্যস্ত থাকার ক্ষতিপূরণ স্বরূপই বোধহয় সে আজ একটু বেশি সেজেছে। পাঞ্জাবিতে নীল কাজ। সৌরভটা একটু বেশি রকমই ঢেলেছে।

    বিছানাটা দ্রুত হাতে গুছিয়ে ফেলতে ফেলতে সে বলল— ‘ওয়েট এ মিনিট।’

    দীপালি বলল— ‘আমি একটু হাত লাগালেই···’

    —‘ক্ষেপেছিস!’

    —‘কংগ্র্যাট্‌স্‌ সোহম।’

    —‘টু হেল উইথ ইয়োর কংগ্র্যাট্‌স্‌।’

    —‘অত রাগছিস কেন বাবা? মনে রাখিস এটা কোনও সাধারণ কম্পিটিশন নয়। এরকম আগে হয়নি। পরে হবে কিনা তাই বা কে বলতে পারে।’

    সোহম এবার কোমরে হাত দিয়ে ঘুরে দাঁড়াল।

    —‘যেতে দে ওসব কথা। গানটা অবশ্য আমি একেবারেই খারাপ গাইনি। ওয়ান অফ মাই বেস্ট দীপু।’

    —‘তুই কি করে ভাবিস মাস্টারমশাই থাকতে তুই অপালাকে ছাড়িয়ে যাবি?’

    —‘সেটা তো আরও বড় প্রশ্ন আমার। অপালা কাল যা গেয়েছে, আমি ওর গলাতেও অদ্যাবধি অমন গান শুনিনি। আর ওইরকম বাগ-বিতণ্ডার পর। ও যে অত স্মার্টলি জবাবগুলো দেবে ভাবতে পেরেছিলি? তানপুরো হাতে নিলেই অপালা মিত্র আর মনুষ্যলোকে থাকে না। কিভাবে নিজেকে কালেক্ট করল! যে রাগ তৈরি করে এসেছিল, সেটা ছাড়া অন্য সাজেশন এলো অমনি মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে। অথচ অবলীলায় গেয়ে গেলো, আহা! সু প্‌নো মে আওয়ে পিয়া’, সুর করে গেয়ে উঠল সোহম। বলল—‘মধ্যলয় থেকেই তো আমার ওড়িশি নাচতে ইচ্ছে করছিল। প্রতিটি গান্ধারে আর নিখাদে যেই থামছিল আমার দীপু সত্যি মনে হচ্ছিল কোণার্কের টপ-ফেজের সেই যক্ষিণী না সুরসুন্দরী বলে তাদের কথা। যেন নাচতে নাচতে কেউ ঠিক অমনি ভাবে ত্রিভঙ্গ পোজে থেমে গেল।’

    দীপালি বলল—‘তুই কি আজকাল নাচও শিখছিস নাকি?’

    —‘শিখছি না, তবে দেখছি, দেখেছি, ভালো প্রোগ্রাম থাকলে একটাও মিস করি না। আর কোণার্ক দেখেছি অলরেডি বার চারেক, ভবিষ্যতেও কতবার দেখব বলতে পারছি না।’

    দীপালি বলল— ‘দ্যাখ সোহম, তোরা একটু বাড়াবাড়ি করিস। ভয়ানক ইমোশন্যাল, ইম্পালসিভ। প্রথমত, অপালা ভালো গাইলেও অত বড় ওস্তাদকে ওভাবে বলবার সাহস পায় কোথা থেকে রে? “সকালের রাগ কখন গাইব?” পাণ্ডিত্য ফলানো হচ্ছে চন্দ্রকান্তজীর সামনে? মার্গসঙ্গীতের জগতে সহবৎ একটা মস্ত জিনিস তা জানিস?’

    —‘কি জানি, আমার তো ওকে কোথাও বে-সহবৎ মনে হয়নি। অপালার বিনয় নিয়ে বোধহয় কোনও দ্বিমত নেই। আমি তো শ্রোতাদের মধ্যেই ছিলুম। অনেককেই তারিফ করতে শুনেছি।’

    দীপালি বিরক্ত হয়ে বলল— ‘এটাও জেনে রাখিস সমস্ত জিনিসটা মাস্টারমশাইয়ের শিখিয়ে দেওয়া। গিমিক। নইলে আমরা এতোজন সন্ধের রাতের রাগ তৈরি করে গেলুম, ও হঠাৎ তোড়ি আরম্ভ করল কেন? ওরা কিছু নিয়ম-কানুন করেনি ঠিকই। কিন্তু এটা তো কমনসেন্স! জানবি তোড়ি দিয়ে আরম্ভ, সওয়াল-জবাব যে কোনও রাগ গাইতে চাওয়া এ সমস্তই মাস্টারমশাইয়ের শেখানো। ওর রেঞ্জ দেখানোর চেষ্টা। ভোরের রাগে আলাপটা ও তো সত্যিই বেশি ভালো করে! দেখলি না পুরিয়াতে চট করে গান ধরে দিল!’

    সোহম বলল—‘যদি ওর ভালো তৈরি নয় এমন কোনও রাগ গাইতে বলতেন পন্ডিতজী, কী করত ও?’

    দীপালি মৃদু হেসে বলল—‘দ্যাখ সোহম, কিছু মনে করিস না আমরা প্রয়াগ, চন্ডীগড় এ সব পরীক্ষাগুলোয় ছাত্র-ছাত্রী বসিয়ে বসিয়ে ঘুণ হয়ে গেছি। আমরা পরীক্ষকদের সাইকলজি পরিষ্কার বুঝি। পণ্ডিতজীর প্রিয় রাগ পুরিয়া, লোকে বলে উনি পুরিয়ায় আর শুধ্‌ কল্যাণে সিদ্ধ। নিজেই সময়ের প্রশ্ন তুলেছেন, এটা এখন অনুমান, কিন্তু নাইনটিনাইন পার্সেন্ট অভ্রান্ত অনুমান যে উনি ওকে পুরিয়া গাইতে বলবেন। আর গাইলও তো দেখলি ওঁরই বন্দিশ, ওঁরই প্যাটার্নে।’

    —‘এটা কিন্তু ঠিক বললি না দীপু। পণ্ডিতজীর স্টাইল সাংঘাতিক ভিরাইল, গমকে হলক তানে ভর্তি। অপু ওঁর কিছু কিছু জিনিস করেছে। ওঁর ছোট ছোট তান, মুরকি, ফিরৎ, কিন্তু গেয়েছে সম্পূর্ণ নিজস্ব এবং ফেমিনিন স্টাইলে। অ্যান্ড হোয়াটেভার ইট ইজ, ও গেয়েছে প্রাণের সমস্ত আবেগ দিয়ে, দুর্দান্ত। ইন ফ্যাক্ট আমি বহু লোককে বলতে শুনেছি সুবিচার হয়নি। সাদিক কি গেয়েছে, বল? একদম স্টিরিওটাইপ্‌ড্‌। ইমপ্রোভাইজেশন, তান, শুনলেই বোঝা যায় সব তৈরি। খুব রেওয়াজি গলা, তৈরিও করেছে ভালো, কিন্তু নো অরিজিন্যালিটি। কোনও তুঙ্গ মুহূর্ত পেলুম না। পেয়েছিস?’

    ‘তানগুলো তুবড়ির মতো করছিল সোহম। তা সত্ত্বেও আমার মতে তোরই ফার্স্ট হওয়া উচিত ছিল। অপালা সেকেণ্ড। সাদিক থার্ড।’

    —‘আমি ফার্স্ট অপালা থাকতে? অপালা ওইরকম গাইতে? আমি আশাও করি না। হলে আমার চেয়ে দুঃখিতও কেউ হত না। তোর জাজমেন্ট বায়াজ্‌ড্‌ বলতে বাধ্য হচ্ছি।’

    —‘হতে পারে’, দীপালি দাঁতে নখ কাটল। ‘তবে অপালার মতো ব্যাকিংও তো তুই পাস না!’

    —‘এটা বলিস না দীপু! মাস্টারমশাই আমাদের তিনজনের সঙ্গে হারমোনিয়াম সঙ্গত করে গেছেন। অপুর নেবার ক্ষমতা বেশি, অনেক বেশি তো কী করা যাবে? একে তো কিন্নর কণ্ঠ, তারপর গলাটা আপনি ঘোরে, মনে হয় না তার জন্যে ওকে আলাদা করে কোনও এফর্ট দিতে হচ্ছে।’

    —‘যাই বলিস সোহম। অপালা কিন্তু ঠিক খেয়াল গাইল না। ওর দ্রুত গানটা তো একেবারে ঠুংখেয়াল হয়ে গেল।’

    —‘ও যে খেয়ালের মেজাজে গাইতে পারে সেটা ও ওর তোড়ির আলাপেই দেখিয়ে দিয়েছে। আর দীপু, এক এক জনের একেকটা স্টাইল আছে। তুই নারায়ণ রাও ব্যাসের রেকর্ডগুলোর কথা মনে কর, বড়ে গোলাম আলি সাহেবের স্টাইলের কথা মনে কর। যাক গে, বাজে কথা ছাড়, কত তো বুঝি! আমার প্রধান দুঃখ অপু ফার্স্ট হল না। আমি সেকণ্ড এলাম না। আর দ্বিতীয় দুঃখ তুই নিজেকে বড্ড নেগলেকট করছিস। ছুকরিগুলোকে শেখানো একটু বন্ধ কর এবার। শেখাতে শেখাতে তোর নিজের রেওয়াজ হচ্ছে না। মাস্টারমশাইয়ের জিনিসগুলো গলায় তোল। অত হেলফেলা করিসনি।’

    বনমালী কফি এবং খাবার নিয়ে এসেছে। প্রচুর। লুচি, ঘুগনি, মাংস, চাটনি, মিষ্টি।

    সোহম বলল—‘কি রে বনমালী? রাতের ডিনার নিয়ে এলি নাকি? সাত সক্কালবেলা? মার-ধোর খাবি মনে হচ্ছে?’

    বনমালী দাঁত বার করে হেসে বলল— ‘মেজ বউদিমণি বলে পাঠিয়েছে এক টুকরো পড়ে থাকলে কর্তাবাবুর কাছে খবর যাবে। কাল রাতে দাঁতে কুটো কাটোনি।’

    দীপালি বলল—‘জানিস তো সোহম, গান একরকমের কুস্তি। কালোয়াতি গান। আগেকার ওস্তাদরা পুরী, হালুয়া, মালাই, রাবড়ি এসব না খেয়ে গানে বসতেন না। অনেকে আবার তার আগে কতকগুলো ডন বৈঠক সেরে নিতেন। খেয়ে নে।’

    সোহম বলল— ‘খিদে অবশ্য পেয়েছে ঠিকই। যাকগে কি বলছিলুম। গান শেখানো বন্ধ কর।’

    দীপালি বলল— ‘আমার গান শেখানো বন্ধ করাও হবে না, কোনও কম্পিটিশনে স্ট্যান্ড করাও হবে না। আমি রব চিরদিন নিষ্ফলের, হতাশার দলে।’

    —‘ছাড় তো। যত বাজে চিন্তা। দীপালি তোর কিন্তু খুব ন্যাচার‍্যালি সুরেলা গলা। বাজে গান গেয়ে খারাপ হয়ে যাচ্ছে। খেয়ে নে। খেয়ে নিয়ে চল মাস্টারমশায়ের কাছে যাই। উনি নিশ্চয়ই এক্সপেক্ট করছেন। আমাদের তিনজনের সঙ্গে সমানে হারমোনিয়াম সঙ্গত করেছেন। ভাগ্যিস ওরা হারমোনিয়ামটা অ্যালাউ করেছিল। নাহলে অত জমাটি হত না। কাল বড্ড রাগ হয়েছিল। সারা রাত ঘুমোতে পারিনি। আজ তুই আসাতে মেজাজটা ভালো হয়ে গেল। আফটার অল এক গুরুর দুই ছাত্র-ছাত্রীকে ওরা প্লেস দিয়েছে। দ্যাট ইজ সামথিং।’

    দীপালি বলল— ‘সকালে গিয়ে লাভ নেই। মাস্টারমশাই নিশ্চয়ই অপুকে খবরটা এবং সান্ত্বনা দিতে গেছেন।’

    সোহম বলল— ‘তা হোক, মিতুল তো আছে। মিতুলও এক্সপেক্ট করবে।’

    দীপালির মুখ একটু চীনেধাঁচের। খুব ফর্সা, ছোট ছোট ফুলো ফুলো বাঁকা চোখ। গোলগাল চ্যাপ্‌টা মুখ এবং শরীরের গড়ন। এ ধরনের মুখে মনের ভাব চট করে ফোটে না। সে শুধু বলল— ‘মিতুল? মিতুল কি করবে? মিতুল তো তোমার খবর জেনেই গেছে। তা ছাড়া মিতুল নিশ্চয় এতক্ষণে স্কুলে চলে গেছে।’

    সোহম একটু অপ্রস্তুত গলায় বলল— ‘তা অবশ্য। তা অবশ্য। ঠিক আছে, বিকেলের দিকেই যাবো। তবে তখন তো মাস্টারমশাই ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন কিনা! তোর এখন কী প্রোগ্রাম?’

    দীপালি হাত উল্টে বলল— ‘আমার আবার কি প্রোগ্রাম হবে? খাড়া বড়ি থোড়, আর থোড় বড়ি খাড়া। তোকে কংগ্র্যাচুলেট করতে এসেছিলুম। এবার বাড়ি চলে যাবো। অনেক কাজ বাকি। সকালে এক ব্যাচ আসার কথা ছিল। ফাঁকি মেরেছি। কিন্তু দুটো মেয়ে আসে ইনডিভিজ্যুয়ালি। তাদের আমায় অ্যাটেন্ড করতেই হবে। বেসুরো-বেতালার দল সব। কিন্তু তাদের মা-বাবারা তাদের সঙ্গীতপ্রভাকর করে তুলবেই। আমি তাদের জন্যেই বলিপ্রদত্ত ভাই।’

    সোহম অন্যমনস্ক গলায় বলল— ‘ঠিক আছে। আমি আজ সকালটা রিল্যাক্স করি। কিম্বা ‘ক্রিটিক অব পিওর রীজন’ বলে একখানা পাঠ্য বই আছে। দেখি উদ্ধার করতে পারি কিনা। কর্তাবাবুর কড়া হুকুম, ভীষ্মদেবই হও আর তারাপদ চক্কোত্তিই হও, এম এ হতেই হবে।’

    দীপালিকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে, দক্ষিণের বারান্দায় গিয়ে একটা সিগারেট ধরালো সোহম। দীপালি বাঁক ফিরছে। মুখ পেছনে ফিরিয়ে একবার হাতটা নাড়ল। তারপর প্রিয়নাথ মল্লিক রোড়ের বাঁক ফিরে অদৃশ্য হয়ে গেল। বড় ভালো মেয়ে দীপালি। এমন সেতারের মতো সুরেলা মিঠে আওয়াজ নিয়েও আজ কতগুলো বচ্ছর একই জায়গায় আটকে আছে। তবু কোনও নালিশ নেই। সোহম, অপালা, বিশেষত সোহমের জয়েই যেন ওর জয়। এই ধরনের ঈর্ষাহীন পরিবেশের জন্যেই মাস্টারমশাই-এর কাছে শিখতে আরও ভালো লাগে তার। আরও অনেক সফল শিক্ষক আছেন। তাঁরা গলায় সব কিছু করে দেখান। মাস্টারমশাই যখন গলায় পারেন না হার্মোনিয়মে, এসরাজে, সেতারে দেখান। ফলে হয়ত আরও সূক্ষ্ম কাজ, আরও লম্বা লম্বা মিড় আরও তড়িৎগতি তান তাদের গলায় এসে যায়। মিতুল কি হয়ে উঠবে কে জানে? শী ইজ সুইট সিক্সটিন। ওর মা নাকি খুব সুন্দরী ছিলেন। মিতুল নিশ্চয়ই তাঁর মতনই হয়েছে। আহা! তার মার মতো ওর মা-ও ওর মাত্র পাঁচ বছর বয়সে হঠাৎ হার্ট-অ্যাটাকে মারা যান। বাবার গলার সুর ও পায়নি। কিন্তু মাস্টারমশাই অসীম ধৈর্যে ওকে নিয়ে পড়ে আছেন। বলা কিছু যায় না। চার পাঁচ বছর পর হয়ত ওর ওই ধরা ধরা গলা দিয়ে অন্যরকম সুর বেরোবে। ওর ঝোঁক আপাতত লাইট ক্ল্যাসিক্যালের দিকে। গায়। প্রচুর শোনে। সবচেয়ে ঝোঁক অবশ্য নাচে। ওর কাছে কিছু-কিছু নাচ দেখেছে সোহম। সম্পূর্ণ অশিক্ষিত পটুত্ব থেকে যে এ ধরনের নাচ হওয়া সম্ভব তা সোহম না দেখলে বিশ্বাস করত না। কিন্তু ভারী চঞ্চল প্রকৃতির মেয়ে। ধৈর্য কম। ঠিক তৈরি হয়ে উঠতে পারছে না।

    দীপালি চলে যাবার আধঘণ্টা পর সোহম চুলটা আঁচড়ে শার্ট প্যান্ট পরে নিল। বনমালীকে ডেকে বলল—‘বউদিকে বলে দিস আজ কলেজ যাচ্ছি না। দুপুরে এসে ভাত খাবো। বেলা হতে পারে।’

    সে প্রেমচাঁদ বড়াল স্ট্রিটের মুখে যাচ্ছে। মাস্টারমশাইয়ের বাড়ি। আজ শনিবার। মিতুলের স্কুল ছুটি থাকে। যাবার সময়ে সে একটা মনোহারি দোকান থেকে বেছে বেছে কিছু ভালো চকলেট কিনল। মিতুল চকলেট খেতে দারুণ ভালোবাসে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু
    Next Article উজান-যাত্রা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }