Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ওয়ানম্যান বাউন্ডারি ফোর্স – সুখরঞ্জন সেনগুপ্ত

    লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভয় পাচ্ছিলেন যদি গান্ধীজি এ সময় হঠাৎ দিল্লি এসে পড়েন। ততদিনে ভারতবর্ষের শেষ ব্রিটিশ ভাইসরয় মাউন্টব্যাটেন সুকৌশলে মহাত্মা গান্ধীকে দেশ বিভাগ ও স্বাধীনতার রাজনীতির মূলস্রোত থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পেরেছিলেন। মাউন্টব্যাটেন কিছুতেই চাইছিলেন না যে গান্ধীজি দিল্লি এসে এমন কিছু বলে কিংবা করে ফেলুন যাতে ভারতকে বিভক্ত করার জন্য তাঁর পরিকল্পনা বানচাল হয়ে যায়। কিন্তু গান্ধীজি দিল্লি এসে গেলেন এবং তিনি পরের দিনই ভাইসরয়ের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে গেলেন। মাউন্টব্যাটেন গান্ধীজির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক টুকরো কাগজ তাঁর চোখের সামনে ধরলেন। মহাত্মাজি দেখলেন, কাগজে মাউন্টব্যাটেনের লেখা ”এই দিনটি আমার মৌন পালনের দিন!” গান্ধীজি বুঝতে পারলেন, মাউন্টব্যাটেন তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা করতে চান না। তিনি সরাসরি ভাইসরয়ের চোখের উপর তাঁর দৃষ্টি নিবদ্ধ করলেন। বললেন, ”বুঝতে পারছি আপনি চান না যে আমি কিছু বলি!” দিনটি ছিল ১ মে, ১৯৪৭। মাউন্টব্যাটেনর সঙ্গে মহাত্মাজির প্রথম সাক্ষাতের দিনটি এভাবেই কাটল।

    গান্ধীজির কাছে ওই দিনগুলি ছিল হারানোর ও হেরে যাওয়ার। তিনি নোয়াখালি থেকে বিহার রওনা হলেন। ফেনি থেকে ডাউন চিটাগাং এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠলেন। ৩ মার্চ (১৯৪৭) রাত নটায় ট্রেন থেকে সোদপুর খাদি আশ্রমে। আশ্রমে এসেই তিনি তাঁর লোকদের বললেন একটি নির্দিষ্ট ফাইল তাঁকে দিতে। কিন্তু ফাইলটি পাওয়া গেল না। পরের দিন কলকাতার সব কয়টি খবরের কাগজের প্রথম পাতায় নোটিশ ছাপা হল : লাল মলাটের গান্ধীজির একটি ব্যক্তিগত জরুরি ফাইল হারিয়ে গেছে। কেউ খোঁজ পেলে যেন তা সোদপুর আশ্রমে জানিয়ে দেন। ফেনি থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত রেল লাইনের সর্বত্র, চাঁদপুর, গোয়ালন্দ পর্যন্ত যে স্টিমারে তিনি চড়েছিলেন এবং গোয়ালন্দ থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত জায়গা সরকারি ও বেসরকারি লোকেরা ফাইলটির জন্য সন্ধান চালালেন। কিন্তু পাওয়া গেল না। ফাইলটি চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেল। সোদপুর থেকে গান্ধীজি বিহার গেলেন। সেখানে দাঙ্গাবিধ্বস্ত গ্রামে তাঁকে পেয়ে আর্ত মানুষেরা তাঁর পায়ে লুটিয়ে পড়লেন। আরম্ভ হল প্রচণ্ড ভিড় ও ধাক্কাধাক্কি। আগের রাতে বৃষ্টি হওয়ায় সারা জায়গা ছিল কাদায় ভরা। এই ধাক্কাধাক্কিতে গান্ধীজির কোমর থেকে তাঁর ট্যাঁকঘড়িটি পড়ে হারিয়ে গেল। এই হারানোগুলি যেন অশনি সংকেত।

    পাটনা থেকে মহাত্মাজি দিল্লি পৌঁছলেন। পৌঁছেই বুঝতে পারলেন, তাঁর সংগ্রামী জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ ভারতবর্ষ, অবিভক্ত ভারতবর্ষও তাঁর কাছে আর নেই। হারিয়ে গেছে। ১৯৪৭—এর ৯ মে তিনি তা বুঝতে পারলেন। ততদিনে চুড়ান্ত পরিণতির দিনগুলি চোখের সামনে এসে পড়েছে। স্বাধীনতার মঞ্চে ২৫ কোটি হিন্দু, ৯ কোটি মুসলমান, ১ কোটি খ্রিস্টান এবং ৫০ লাখের বেশি শিখকে বিভক্ত করার সব পরিকল্পনা সম্পূর্ণ। মানচিত্রে দেশকে ভাগ করার জন্য র‌্যাডক্লিফ ৯ জুলাই দিল্লি এলেন। মাউন্টব্যাটেন তাঁকে নির্দেশ দিলেন, পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে ভারত বিভাগের কাজটি শেষ করতে। র‌্যাডফ্লিকের রায়ের দিন যত এগিয়ে আসছে, পাঞ্জাব ধিকধিক জ্বলতে আরম্ভ করছে। কিন্তু মাউন্টব্যাটেনের উদ্বেগ ছিল সবচেয়ে বেশি বাংলার জন্য। কারণ মাত্র বছর আগেই সেখানে কলকাতা ও নোয়াখালির দাঙ্গা সংঘটিত হয়েছে।

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা লাইব্রেরী
    Library
    বইয়ের
    বাংলা কবিতা

    পাঞ্জাবে গভর্নর স্যার ইভান জেনকিন্স (Evan Jenkins) মাউন্টব্যাটনকে চাপ দিলেন পাঞ্জাবের জন্য একটি শক্তিশালী বাউন্ডারি ফোর্স গঠন করতে। ভাইসরয় রাজি হলেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্রিটিশ, মুসলমান ও অ—মুসলমানদের মধ্যে থেকে ৫৫ হাজার সৈন্য বাছাই করে গঠন করা হল জয়েন্ট পাঞ্জাব বাউন্ডারি ফোর্স। সর্বাধিনায়ক হলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় বর্মার রণাঙ্গনের খ্যাতিমান সৈনিক মেজর জেনারেল রিজ। সহকারী হিসাবে তিনি পেলেন হিন্দু কে এস থিমায়া ও মুসলমান আয়ুব খানকে। তাঁরা দু’জনেই তখন ব্রিগেডিয়ার। মাউন্টব্যাটেন কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ামে লেঃ জেনারেল টুকারকে ( জি. ও. সি বেঙ্গল) লিখলেন যে তিনিও পাঞ্জাবের মতো জয়েন্ট বেঙ্গল বাউন্ডারি ফোর্স চান কি না। জেলারেল টুকার সঙ্গে সঙ্গে ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন। কারণ, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে যদি এক ভয়ানক ধর্মীয় দাঙ্গা বাংলায় আরম্ভ হয়, তা হলে ৫৫ হাজার সৈন্য, কামান ও সাঁজোয়া গাড়ি কোনও কাজেই আসবে না। তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছবার আগে তিনি জেনে গিয়েছিলেন যে সবচেয়ে শক্তিশালী সৈন্য মহাত্মা গান্ধী এই সময় বাংলায় উপস্থিত থাকবেন।

    দেশ বিভাগের দিন যতই এগিয়ে আসছে, নোয়াখালি আবার অশান্ত হয়ে উঠতে আরম্ভ করল। গান্ধীজি কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। সেখানেই তিনি নোয়াখালির উদ্বেগজনক খবর পেলেন। তিনি কাশ্মীর থেকে লাহোর ফিরে এলেন। লাহোর থেকে সরাসরি কলকাতার ট্রেন ধরলেন। ৮ আগস্ট সকালে কলকাতায় পৌঁছলেন। হাওড়ায় ট্রেন থেকে নেমে সোজা সোদপুরে চলে গেলেন। বাংলা সরকারের প্রশাসনের বেশিরভাগ মুসলমান অফিসার তখন তাঁদের নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের পথে রওনা দিয়েছেন। মুসলমানদের মধ্যে যারা মাত্র এক বছর আগে কলকাতার রাস্তায় পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করার লড়াই করেছিলেন, অথচ পাকিস্তানে যেতে পারছেন না, তাঁর খুবই ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লেন। গান্ধীজি সোদপুর আশ্রমে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে বহু মুসলমান নেতা তাঁর কাছে ছুটে গেলেন। তাঁকে তারা অনুরোধ করতে লাগলেন তিনি যেন তাঁদের কলকাতায় অরক্ষিত রেখে নোয়াখালি চলে না যান। অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী শাহিদ সুরাবার্দি তখন করাচিতে। গান্ধীজির কলকাতা পৌঁছনোর খবর পেয়ে তিনি কলকাতায় ফিরে এলেন। তিনিও গান্ধীজিকে অনুরোধ করলেন তিনি যেন তখন নোয়াখালি না যান। গান্ধীজি বললেন, ”শাহিদ, আমি তোমার কথায় রাজি আছি। কিন্তু যদি নোয়াখালিতে খারাপ কিছু ঘটে, তাহলে তোমাকে আমার অনশনের মৃত্যুর দায়িত্ব নিতে হবে। আর তোমাকেও আমার সঙ্গে থাকতে হবে। মনে রেখো শাহিদ, তোমাকে ও আমাকে রক্ষা করার জন্য পুলিশ ও মিলিটারি থাকবে না।” সুরার্বদি গান্ধীজির প্রস্তাবে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হলেন। এরপরই সুরাবর্দি নোয়াখালিতে শান্তি বজায় রাখতে তাঁর অনুগত এম এল এ গোলাম সারওয়ারকে টেলিগ্রাম পাঠালেন। কারণ, তিনি জানতেন, নোয়াখালিতে কিছু হলে গান্ধীজিকে হয়তো বাঁচানো যাবে না।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন বুক
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    ই-বুক রিডার
    ই-বই ডাউনলোড
    বিনামূল্যে বই

    পনেরোই আগস্ট দিল্লি ও করাচিতে ৩১ বার তোপধ্বনি দিয়ে স্বাধীনতার দিবসটিকে ঘোষণা করা হল। কিন্তু গান্ধীজির কাছে এটা আনন্দের ও উৎসবের দিন ছিল না। তিনি সারাটি দিন বেলেঘাটার বস্তিতে চরকা কেটে ও উপোস করে কাটালেন। তিনি তাঁর বাণীতে বললেন, ”আমার হৃদয় শুকিয়ে গিয়েছে। অন্যেরা আনন্দ—উৎসব করুক। আমাকে একা চোখের জল ফেলতে দাও।’

    ওই দিনটিতে কলকাতা ও সারা বাংলা থেকে সাম্প্রদায়িক তিক্ততা মুছে গেল। কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় স্লোগান উঠল ”হিন্দু—মুসলমান ভাই ভাই।”ফোর্ট উইলিয়ামে বসে জেনারেল টুকার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। কিন্তু তাঁর মন ভারাক্রান্ত হল জয়েন্ট পাঞ্জাব বাউন্ডারি ফোর্সের অধিনায়ক মেজর জেনারেল রিজ ও তাঁর ৫৫ হাজার সৈন্যদের কথা ভেবে। তবে চরম বিভীষিকার খবর তিনি তখনও পাননি। ২০ আগস্ট তারিখে জানা গেল আকাশপথ ছাড়া পাঞ্জাবের সঙ্গে বহির্বিশ্বের সব সম্পর্ক ছিন্ন। ১৭ আগস্ট গান্ধীজি লাহোর থেকে ভয়ঙ্কর খবর পেলেন। ‘লাহোরের পথে পথে শত শত মৃতদেহ ছড়িয়ে রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বীভৎসতা রাওয়ালপিণ্ডির ঘটনাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। সারা লাহোর জ্বলছে। আটকে পড়া শিখ ও হিন্দুদের পুলিশ ও মিলিটারি গুলি করে মারছে। আপনি এখনই লাহোরে চলে আসুন।’ গান্ধীজি আর থাকতে পারছিলেন না। তাঁর মানসিক স্থৈর্য ভেঙে পড়ার মুখে। জয়েন্ট পাঞ্জাব বাউন্ডারি ফোর্সের ৫৫হাজার সৈন্য, মেশিনগান, টমিগান, ব্রেনগান ও সাজোয়া গাড়ি প্রতিহত করতে পারল না পাঞ্জাবের নারকীয় ঘটনাবলী। আগস্ট মাসের মাত্র শেষ দু’সপ্তাহেই ওই বিপুল সৈন্যের উপস্থিতিতে পাঞ্জাবে খুন হল ৬ লাখ মানুষ ১৪ লাখ লোক দেশান্তরী হতে বাধ্য হল। ১ লাখ কিশোরী ও তরুণী ধর্ষিতা হল, অপহৃতা হল বা বিক্রি হল। ২০ আগস্ট সন্ধ্যায় বেলেঘাটায় গান্ধীজির প্রার্থনা সভায় চার লাখ লোক সমবেত হল। গান্ধীজির ভাষণের পর সুরাবর্দি বক্তৃতা করতে উঠলেন। তিনি পাঞ্জাব্রে পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলার পরিস্থিতির তুলনা করলেন এবং বললেন, ‘এটা কেবল মহাত্মাজির জন্যই সম্ভব হয়েছে। আমি এখন মহাত্মাজির মহত্ত্ব বুঝতে পারছি।’ শ্রোতাদের মধ্য থেকে কেউ একজন বলে উঠলেন, ‘অনেক আগেই তোমার ওটা বোঝা উচিতল ছিল।’ সুরাবর্দি জবাব দিলেন, স্বাধীনতাই আমার মধ্যে এই উপলব্ধি এনে দিয়েছে।

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের

    এ সময় বেলেঘাটার ঠিকানায় লর্ড মাউন্টব্যাটেন গান্ধীজিকে চিঠি লিখলেন, ‘পাঞ্জাবে আমাদের ৫৫ হাজার সৈন্য থাকা সত্ত্বেও সেখানে ভয়ানক দাঙ্গা চলছে। কিন্তু বাংলায় রয়েছেন আমাদের একজনের একটি বাহিনী এবং সেখানে কোনও দাঙ্গা নেই। একজন কর্মরত অফিসার এবং একজন প্রশাসক হিসাবে আমি কি ওয়ান ম্যান বাউন্ডারি ফোর্সকে আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি ও অভিবাদন জানাতে পারি!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }