Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অস্পৃশ্যকে হরিজন বলায় গান্ধীর প্রবঞ্চনা ছিল না – হোসেনুর রহমান

    যুগে যুগে রাষ্ট্র, ব্যক্তি, স্বাধীনতা, বুদ্ধিজীবী মহলে বিতর্কের বিষয় হয়েছে। ব্যক্তি ও শাস্ত্রী, ব্যক্তি ও প্রাধিকার (authority), ব্যক্তি ও নীতি পরায়ণতা এমন বিতর্কে প্রাধান্য পেয়েছে। আমাদের দেশে উনিশ শতকী বাংলায় এ সব প্রশ্ন বাঙালি তরুণদের যথেষ্ট পরিমাণে আক্রমণ করেছিল। নাটের গুরু ছিলেন ডিরোজিও। রাজা রামমোহন এই জীবন জিজ্ঞাসার প্রথম পুরোহিত। প্রথম সার্থক আধুনিক মানুষ। তিনি শাস্ত্র, সমাজ, ব্যক্তির, পরিবর্তন চাইলেন। উদ্দেশ্য আগামিকালের পৃথিবীতে ভারতীয়রা যেন মানুষের পরিচয় নিয়ে মানুষের গড়া শাস্ত্র ও সমাজের আমূল পরিবর্তন চাইতে পারে। পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এ কাজ আরম্ভ করলেন প্রবল বিক্রমে। বঙ্কিমচন্দ্র সূতীব্র এক ব্যক্তিত্ব — যিনি নিজেই এক অনন্যসাধারণ প্রতিষ্ঠান। হিন্দু ধর্মের ও ব্যক্তির চূড়ান্ত সমালোচক। স্বাধীনতার প্রবল প্রবক্তা। রামকৃষ্ণ পরমহংস থেকে বিবেকানন্দ এ কাজ নতুন মাত্রা অর্জন করল। এখানে বলা সমীচীন যে রামকৃষ্ণ—বিবেকানন্দ শাস্ত্রী ও প্রচলিত সমাজকে আঘাত করলেন চুড়ান্ত। আজ অনেকেই মনে করেন যে রামকৃষ্ণ—বিবেকানন্দ গোঁড়া হিন্দুত্ববাদেরই আর এক নব প্রয়াস। এ ধারণা সর্বৈব ভ্রান্ত। জানি, যে কোন সাধু সম্প্রদায়কে কড়া নিয়মকানুন, বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়। এবং তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ গোঁড়া প্রকৃতির হতেই পারেন। কিন্তু রামকৃষ্ণ—বিবেকানন্দ আন্দোলন বলতে আমি স্পষ্টত বুঝি সেবা, শিক্ষা এবং স্বাধীনতা। এবং সেবা বলতে বিবেকানন্দ মানবপ্রেম ও মানবসেবা বুঝতেন। গো—রক্ষা কিংবা গো—সেবা বুঝতেন না। জগতে যা যাঁরা প্রচলিত আনুষ্ঠানিক বিশ্বাস ও প্রাধিকারকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য চিরকাল চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন এবং থাকবেন তাঁদের মধ্যে স্বামী বিবেকানন্দ অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।

    এই ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সার্থক উত্তরাধিকার মহাত্মা গান্ধী। তিনি স্পষ্টত আঘাত করেছেন শ্বেতাঙ্গ প্রাধিকারকে। আঘাত করেছেন আনুষ্ঠানিক হিন্দু ধর্মকে, সমালোচনা করেছেন বর্ণ—হিন্দুর অস্পৃশ্যতাবোধকে! এবং সবকিছুই করেছেন আদর্শ হিন্দু, আদর্শ ভারতীয় হিসেবে। আমার কৈশোর—যৌবন যাদে নিয়ে কেটেছিল তাঁদের মধ্যে প্রথমে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ও বিবেকানন্দ। এই সময় আর একজন মানুষ আমার কল্পনাকে পরাস্ত করেছিলেন, তিনি বাট্রান্ড রাসেল। এত বেশি করেছিলেন যে আশাভঙ্গের যন্ত্রণার মুহূর্তে রাসেল আমাকে নতুন করে আশাবীদ করেছেন। মুক্তি দিয়েছেন।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    ই-বুক রিডার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বুক শেল্ফ

    আজ রাসেল বেশি করে মনে পড়ছে। কারণ, আমি দেখতে পাচ্ছি, আজকের পৃথিবীতে রাসেলই একমাত্র পারফেক্ট। তিনি যথার্থ মহাপুরুষ আর সব সাধারণ। কেউ কেউ আবার কাপুরুষ। আজ দেশে গান্ধী—জিজ্ঞাসা প্রখর হচ্ছে। এতো ভালো কথা, প্রাণের লক্ষণ।

    আমাদের দেশে বিশ্বাসপ্রবণতা এত বেশি যে যুক্তি—তর্ক শেষ পর্যন্ত শিথিল হয়ে আসে। আমরা বিগ্রহ পূজায় (বৃহত্তর অর্থে খৃশ্চান ও মুসলমান কিছু কম বিগ্রহবাদী নয়) গা ভাসিয়ে দিতে ভালবাসি। কারণ শান্তিপ্রিয় আমরা। কারণ, আমরা নিত্য জীবনের সুনিয়ন্ত্রিত নিরাপত্তা শৃঙ্খলমোচন করতে চাই না। বর্তমান অবস্থা ভাঙতে পারি না। আর পারি না বলেই মহাপুরুষের কিংবা ক্ষমতাবান, ঈশ্বরনামধারী সাধু বাবাজীদের প্রশ্ন করতে পারি না, সমালোচনা তো দূরের কথা। একটা দৃষ্টান্ত দিই। বাট্রান্ড রাসেল আজীবন গণতন্ত্রের সমর্থক ছিলেন। গণতন্ত্রে ব্যক্তি ও স্বাধীনতা যুক্তি ও বিজ্ঞান সার্থকরূপে সুপ্রতিষ্ঠিত।

    আরও দেখুন
    PDF
    নতুন উপন্যাস
    পিডিএফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অডিওবুক

    আবার সেই রাসেলই আমেরিকার সমালোচনা করেছেন অকপটে। বিশ্বাস করেছেন আমেরিকার গণতন্ত্র সর্বাঙ্গীণ সার্থক হতে পারেনি। সীমিত অর্থে সেখানে গণতন্ত্র আছে। ‘দ্য গ্রিপ অব কনফরমিটি’ শীর্ষক আলোচনা পঞ্চাশের দশকে ‘রাসেল বনাম আমেরিকায়’ পর্যবসিত হয়। রাসেল বার বার বলেছেন ‘দ্য বেস্ট আনসার টু ফ্যানাটিসিজম — লিবারালিজম’। তিনি ম্যাকার্থিবাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন। কারণ ম্যাকার্থিবাদীরা ‘সিভিল লিবার্টিজ’কে আঘাত করেছে অহরহ। রাসেল এই বিতর্কে পরিষ্কার করে বললেন এ জীবনে সার্থকতার জন্যে ধর্মকর্ম চাই না, চাই স্পষ্ট কতগুলো নৈতিক সূত্র। এই সূত্রের প্রথম ও প্রধান হচ্ছে অন্যের অথরিটির প্রতি কোন শ্রদ্ধা প্রদর্শন নয়, আন্তর্জাতিক শান্তি ও মৈত্রী রক্ষার জন্যে চাই বিভিন্ন বিশেষ স্বার্থ ও দ্বন্দ্ব থেকে মুক্ত থাকা। আর এই দ্বন্দ্ব বেশিরভাগ সময় অযৌত্তিক শত্রুতা থেকে জন্ম নেয়। রাসেল সারা জীবন ব্যক্তিত্বেক বিকাশের জন্যে, ধর্ম নামক প্রতিষ্ঠানের অবসানের জন্যে, বিজ্ঞান ও দর্শনের জন্যে প্রাণপাত করেছিলেন।

    এই স্বল্প রাসেল আলোচনার একটাই যুক্তি। সাম্প্রতিক কালে আমরা বড় বেশি পরিমাণে এক পথের মাহাত্ম্য গান করতে ভালবেসেছি। ‘বহুমত বহুপথ’ জীবনে ধ্রুব সত্য বলে গ্রহণ করতে শিখিনি। আজ গান্ধী সমালোচনা হচ্ছে চারিদিকে। উত্তম প্রস্তাব। কিন্তু আগে গান্ধী আলোচনা হলে পরে সমালোচনা যথার্থ গঠনমূলক হতে পারত। আর ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে সেটাই ছিল মঙ্গল। কারণ দুটো মতে সংঘর্ষ ভাল। দুটো মনের সংঘর্ষ ভাল নয়। আমি গান্ধী দর্শন পছন্দ করি, তাঁকে বুঝতে চেষ্টা করি। বিশ্বাস করি তিনি অনেক ভুলত্রুটি এবং অসঙ্গতি পেরিয়ে তাঁর ঈপ্সিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছিলেন। তেমন আর কোন বিশ্ব ব্যক্তিত্ব পারেননি। রাসেলকে অনেক সময়ই গ্রেট ব্রিটেনের তথা সমগ্র পশ্চিমে ইউরোপের গান্ধী বলতে পারা যায়। তিনি অত্যন্ত বেশি পরিমাণে বুদ্ধি ও যুক্তির ওপর নির্ভর করেছেন। গান্ধী যুক্তিনিষ্ঠ মানুষ কিন্তু রাসেলের মত কট্টর বিজ্ঞানবাদী ও নিরীশ্বরবাদী ছিলেন না। যুক্তি ও বৃদ্ধির প্রয়োগের মাত্রাজ্ঞান নাকি রাসেলের থাকত না। তবু আমি রাসেলের একান্ত ভক্ত। আমার বিশ্বাস, ধর্ম ও রাষ্ট্রের সমালোচনায় কোন কোন সময় আপোষহীন, কাণ্ডহীন, ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠতেই পারেন রাসেলের মত মানুষ। আর তাইতেই মানবজাতির কল্যাণ। কিন্তু আমি বহু ক্ষেত্রেই একম অদ্বিতীয়ম জ্ঞান করেছি। তিনি সারাজীবন গীতা অথবা তুলসীদাসের রামায়ণের দ্বারা চালিত হয়েছেন। ঈশ্বর বলতে সত্য ও ন্যায়পরাণতা (Righteousness) বুঝেছেন। যথার্থ ধর্ম ও যথার্থ নৈতিকতা এক ও অভিন্ন এই বিশ্বাস তাঁকে সারাজীবন সমৃদ্ধ করেছে। গান্ধীর ব্যক্তিগত মত, সমস্ত ধর্মই সত্য। সব ধর্মেই অল্পবিস্তর ভুল—ভ্রান্তি আছে। সব ধর্মই আমাদের কাছে ততটাই প্রিয়তটা আমার নিজের ধর্ম। তাই ধর্মান্তরণ আমার কল্পনা বহির্ভূত। হিন্দু ভাল হিন্দু হোক, মুসলমান ভাল মুসলমান হোক। এই হল গান্ধীর মত। এখানে রাসেল বলবেন দু’জনই ভাল মানুষ হোন। এবং আমি রাসেলের মত সমর্থন করি। ধর্ম সম্পর্কে গান্ধীর স্পর্শকাররতা আমি পছন্দ করিনি কোনদিন। এবং ধর্মকে উপযুক্ত শাস্ত্র জ্ঞান করে তা পৃথিবীতে বহু বড়মানুষই প্রয়োগ করতে চেয়েছেন। গান্ধীও ব্যতিক্রম নন। এখানে গান্ধীর মর্মবেদনা বুঝি। কিন্তু তাঁকে সমর্থন করি না। এত কিছু বলার পরও গান্ধীপ্রেম আমার কমেনি। কারণ, ভারতবর্ষকে ভেতর থেকে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলতে সাম্প্রতিককালে আর কেউ তেমন করে চাননি যেমন করে তিনি চেয়েছেন। তিনি একটি শান্ত—বিপ্লব সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন। হিংসা, রক্তপাত, প্রতিহিংসা— এ সব অস্ত্র তিনি পরিহার করেছেন মনে প্রাণে। গান্ধীর প্রাণে রসের ধারা ছিল অফুরন্ত। ঠাট্টা করে প্রায়ই বলতেন বিপ্লবে তিনি বিশ্বাস করেন না। কারণ, বড় বেশি খরচা। পড়তায় পোষাবে না। এমন বিপ্লবে জীবন, অর্থ ও মূল্যবোধ— এ সব কিছুর মূল্যহ্রাস এতই হয় যে মানুষই যায় হারিয়ে, বড় হয়ে ওঠে কোন একটা তন্ত্র। তা ধর্ম হতে পারে, রাষ্ট্র হতে পারে। এমনকি ব্যক্তিও হতে পারে। গান্ধী বিপ্লবের পথে না গিয়ে ক্রমিক, স্বাভাবিক, উদ্বোধন, উত্তরণের পথ বেছে নিলেন। আত্মশক্তিই হল মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়। সেই জাগরণের জন্য মানুষকে তিনি প্রস্তুত করতে চেয়েছেন। মানুষের অখণ্ড চৈতন্যকে গান্ধী জ্যোতির্ময় পরম—শক্তি বলে জেনেছেন। মানুষের খণ্ডিত রূপ, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, বিচ্ছিন্ন সম্পর্ক তাঁকে বেদনার্ত করেছে। অস্পৃশ্য হিন্দু কিংবা দূরবর্তী মুসলমান তাঁকে সব সময় পীড়িত করেছে। তিনি বিচ্ছিন্ন মানবসমাজকে এক মানবজাতি রূপে দেখতে চেয়েছেন। এখানে তিনি নমস্য, অন্য কোন সর্বভারতীয় নেতা তাঁর সমগোত্রীয় নন। জিন্না বড় রাজনীতিবিদ ছিলেন। সৎ, নির্ভীক, সত্যনিষ্ঠ ছিলেন। কিন্তু তিনি কেবলমাত্র ভারতীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের এক বড় অংশের অবিসংবাদী নেতা ছিলেন। এবং তিনি যতটা বাইরে থেকে আধুনিক ছিলেন ততটাই ভেতর থেকে মৌলবাদী ছিলেন। এবং তিনি যতটা বাইরে থেকে আধুনিক ছিলেন ততটাই ভেতর থেকে মৌলবাদী ছিলেন। কারণ ভারতবর্ষের ইতিহাসে ধর্ম ও সম্প্রদায়কে আর কেউ ইতিপূর্বে এমন করে ব্যবহার করতে পারেননি। কোন কোন হিন্দু নেতা সাম্প্রদায়িক দল তৈরি করে তা করতে চাননি তা বলা যাবে না। কিন্তু ওই গান্ধীকে, তিনি একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়ালেন। গুজরাট থেকে বিহার, রাজস্থান থেকে উত্তরপ্রদেশ গান্ধী হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার ঘন জমিন ছিন্নভিন্ন করে দিলেন। হিন্দু সাম্প্রদায়িকতাবাদ গান্ধীর জন্যে সর্বভারতীয় স্তরে দানা বাঁধতে পারল না। আজ গান্ধীহীন ভারতবর্ষে তা বেশ ভাল করে বোঝা যাচ্ছে। অতীতে অবিভক্ত বঙ্গদেশও আজ পশ্চিমবঙ্গের ছবি ভিন্ন। কারণ রামমোহন, রবীন্দ্রনাথ, রামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দ। কারণ বাঙালির উনিশ শতকের ঐতিহ্য।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা
    বইয়ের
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই পড়ুন

    গান্ধীকে নৃবিজ্ঞানী নির্মলকুমার বসু প্রশ্ন করেছিলেন : কংগ্রেসের অস্পৃশ্যতা অবসানের কর্মসূচীতে অস্পৃশ্যদের সঙ্গে বসে বর্ণ—হিন্দুদের আহারাদির এবং তাদের সঙ্গে বিবাহদির কী কোন চিন্তা করা হয়েছে।

    গান্ধীর উত্তর, আমি যতদূর কংগ্রেসিদের মনের কথা জানি তাতে আজ হরিজনদের সঙ্গে খানা খেতে তাদের কোন আপত্তি নেই। আমার নিজের কথা, আমি বলেছি আমাদের সবাইকে হরিজন হতে হবে, নইলে অস্পৃশ্যতার এ দাগ মুছে যাবার নয়। আমি বিবাহে ইচ্ছুক এমন ছেলে মেয়েদের বলেছি সেবাগ্রাম আশ্রমে তোমাদের বিবাহ তখনই সম্ভব যখন দু’জনের মধ্যে একজন হরিজন হবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এমন বিবাহে তেমন সত্যকারের কোন বাধা নেই। আসলে যা দরকার তা হল দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।

    অস্পৃশতা সম্বন্ধে গান্ধী সারাজীবন লিখেছেন, বলেছেন। হিন্দু ধর্ম অস্পৃশ্যতাকে অনুমোদন করে পাপ করেছে। এই পাপ আমাদের অধঃপতিত করেছে, পারিয়ায় পরিণত করেছে। এমন কি মুসলমানরাও এই সংক্রামক ব্যাধির দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। গান্ধী একথাও বলেছেন ১৯৪৭ সালে : অস্পৃশ্যতা হিন্দু ধর্মের কেবল অংশ বিশেষ নয়, তাকে প্লেগ বলতে হয়। প্রতিটি হিন্দুর নৈতিক কর্তব্য এই ব্যাধির সঙ্গে লড়াই করে তাকে দূর করা। অস্পৃশ্যতা লাখ লাখ কোটি কোটি মানুষকে ক্রীতদাসে পরিণত করেছে। হিন্দু সমাজের মূল ব্যধি থেকে গান্ধী বিচ্ছিন্ন করে দেখেননি। পতিত, দূর্বল, নির্ধন নর—নারীকে সমাজে অর্থবান কী চোখে দেখেন তা গান্ধী স্বচক্ষে দেখেছেন, উপলব্ধি করেছেন। তাই তিনি বলেছেন অস্পৃশ্যতা অবসানের অর্থ হচ্ছে চারপাশের সকল মানুষের জন্যে ভালবাসা এবং সেরা। এবং তা সম্ভব হলেই অহিংসার সূচনা হবে। সেই অহিংসা সমস্ত জাতের মানুষের কল্যাণ করবে।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বইয়ের
    পিডিএফ
    PDF
    গ্রন্থাগার সেবা
    বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

    গান্ধীকে একথাও প্রশ্ন আকারে বলা হয়েছিল : বর্ণ—হিন্দু কী করে হরিজনদের দুঃখ মোচন করতে পারে। তারা কী করে হরিজনদের এই এতদিনের যন্ত্রণা, অত্যাচার, অপমান নিজেদের অভিজ্ঞতার অন্তর্গত করবে? সেক্ষেত্রে হরিজনদের দায়িত্ব দেওয়াই কি ভাল নয়— তারা নিজেরা নিজেদের রক্ষণাবেক্ষণ করবে। তাদের উন্নতি কোন পথে আসবে তারা নিজেরাই ভাল বুঝবে।

    এর উত্তরে গান্ধী বলেছিলেন : বর্ণ—হিন্দুদের একটা দায়িত্ব আছে— তথাকথিত অস্পৃশ্যদের প্রতি। বর্ণ—হিন্দুকে ভাঙ্গিতে পরিণত হতে হবে — কথা ও কাজে। এ কাজ যে দিন সম্ভব হবে সেদিন তথাকথিত অস্পৃশ্য এক মুহূর্তে সমাজে নিজের জায়গাটি পেয়ে যাবে এবং হিন্দুধর্ম পৃথিবীর কাছে একটি বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ওই এক কথা। মানুষের রূপান্তর চেয়েছেন গান্ধী। ছোটখাটো মেরামতিতে বিশ্বাস করেননি। মানুষ যা আছে তাতে পৃথিবীর মঙ্গল হচ্ছে না। এবং হবারও নয়। ইংল্যান্ডের উদাহরণ দিয়ে বলেছেন সেখানে সত্যিকারের ভাঙ্গি হল engineers and sanitarians । ভারতবর্ষে তা সম্ভব নয় যতক্ষণ না সমাজের মৃতবৎ, অচলাবস্থার আমূল পরিবর্তন হচ্ছে।

    গান্ধীকে আমরা কোনদিন বুঝতে চেষ্টা করিনি। জাতির জনক বলে পুজো করেছি নিশ্চয়ই। কিন্তু তিনি কী চেয়েছেন আমাদের কাছে। এই জরাজীর্ণ সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন চেয়েছেন। মানুষের মনের পরিবর্তন চেয়েছেন। স্বাধীন ভারতবর্ষে হিংসার নৈরাজ্যের প্রাণহীন প্রতিযোগিতার অবসান চেয়েছেন। ধনীর ধনের অহঙ্কারের অবসান চেয়েছেন। উৎপাদনের কথা উঠলেই সমবন্টনের প্রস্তাব করেছেন। ধর্মের প্রশ্ন উঠলে সত্য তাঁর একমাত্র ঈশ্বর বার বার ঘোষণা করেছেন। যে ধর্মে মানুষের কল্যাণ নেই সে ধর্ম তাঁর হতে পারে না। শিক্ষার কথা উঠলেই ‘জাতীয় শিক্ষা’ তিনি চেয়েছেন। বিদেশী—কালচার নির্ভর ইংরেজি শিক্ষা আমাদের কোন হিতসাধন করতে পারে না। এই ছিল গান্ধীর আজীবনের বিশ্বাস। সেই শিক্ষা সম্পূর্ণ শিক্ষা যে শিক্ষায় হাতের, হৃদয়ের এবং মস্তিষ্কের চর্চা হবে সমান পরিমাণ। যে শিক্ষা মানুষকেমানুষের কাছে নিয়ে যাবে, যে শিক্ষা পৃথিবীকে কাছে আনবে কিন্তু নিজেকে বিভ্রান্ত করবে না। গান্ধী ভাঙ্গি কুলোনিতে বাস করেছেন রাজনৈতিক মর্যাদা লাভের জন্যে নয়। আমাদের সকলের চিত্তশুদ্ধির জন্যে, চৈতন্যের জন্যে, মুক্তির জন্যে। এবং অস্পৃশ্য মানবসন্তানকে হরিজন বলে গান্ধী কাছে টেনে নিয়েছেন ভারতবর্ষ একদিন বৃহৎ মহাভারত হবে এই স্বপ্ন দেখেছেন বলে। গান্ধীর ঈশ্বর এই ‘হরিজন’ ভবিষ্যতে একদিন আমাদের সদগতি করবেন। এই বিশ্বাস গান্ধীর ছিল। এর মধ্যে আর অন্য কোন প্রবঞ্চনা ছিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }