Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চম্পারণ আর এক গান্ধীর খোঁজে – বিশ্বজিৎ রায়

    ”দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরার পর দেশের রাজনীতিতে আমাকে কে চিনত? হিন্দুস্তানের সহেগ আমার পরিচয় করিয়ে দিয়েছে চম্পারণ। চম্পারণের কৃষক জেগে ওঠার পর তার সঙ্গে সঙ্গেই জেগে ওঠে গোটা দেশ।” উনিশশো সতেরোয় ইংরেজ নীলকরদের বিরুদ্ধে চম্পারণের কৃষক সত্যাগ্রহ আন্দোলনের দিনগুলো মনে রেখে গান্ধীজীর স্মৃতিচারণ। নীলকুঠির সাহেবদের অত্যাচারে জর্জর প্রথম যুদ্ধের দিনগুলি থেকে চৌত্রিশে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলা—বারংবার চম্পারণের পাশে ছুটে এসেছেন তিনি। নেপাল ও উত্তরপ্রদেশের কোল—ঘেঁষা, জঙ্গল ও পাহাড়ঘেরা উত্তর বিহারের এই জেলার মাটি, মানুষের কাছে ফিরে ফিরে এসেছেন মিস্টার গান্ধী—তাঁর ‘বাপু’তে রূপান্তরের বছরগুলোয়। গঙ্গার প্রবাহ থেকে অনেকদূরে হিমালয়ের তরাই—ছোঁয়া এই প্রান্তভূমির মানুষকে জাতীয় সংগ্রামের মূল ধারায় মেলানোর স্বপ্ন নিয়ে তিনি হেঁটেছেন বিশাল জেলার পূর্ব থেকে পশ্চিমে।

    স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে তাই প্রচারের আলো এসে পড়ছে চম্পারণের উপরও। ‘৭২ সালেই পূর্ব ও পশ্চিম দুই জেলায় বিভক্ত হয়েছে আদি চম্পারণ। কিন্তু তাতে আর ইতিহাস, ভূগোল, অর্থনীতি বা সমাজসংস্থান এতটুকুও বদলায়নি। আজাদির পঞ্চাশ বছরে আদতে কতটা বদলেছে ‘বাপু কি কর্মভূমি’? কেমন আছেন সেই অত্যাচারক্লিষ্ট রায়তদের আজকের প্রজন্ম? অন্ত্যজের অন্ত্যজ যে মানুষগুলির ম্লান, মূক মুখে ভাষা দিতে দুর্গম, প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে কস্তুরবাকে নিয়ে বুনিয়াদি স্কুলের বলয় গড়ে তোলেন গান্ধীজী, আজ তাঁদের শিক্ষা কত দূর এগোল? নেহরুর পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা থেকে রাও—মনমোহন—চিদম্বরমের বাজার অর্থনীতি কী পরিবর্তন এনেছে গান্ধীগ্রামগুলির আমজনতার জীবনে? এ সব সাতপাঁচ প্রশ্ন নিয়েই ছুটেছিলাম পটনা থেকে আড়াইশো কিলোমিটার দূরে চম্পারণের গভীরে।

    পশ্চিম চম্পারণের সদর বেতিয়া থেকে চম্পারণের শেষ বড় রেল স্টেশন নরকটিয়াগঞ্জ পর্যন্ত রাস্তার হাল তবু সহনীয়। কিন্তু নরকটিয়া থেকে ১৭ কিমি দূরে বিথিহারোয়ার গান্ধী আশ্রম যাওয়ার রাস্তায় অন্নাপ্রাশনের ভাত উঠে আসার জোগাড়। ক্ষতবিক্ষত খোয়া ওঠা রাস্তার মাঝে মাঝে পিচের কালি জানান দেয় কখনও এখানে অ্যাসফল্টের আস্তরণ ছিল। আদিগন্ত মানুষ সমান আখের খেত, মাঝে মধ্যে সবুজ ধানের ঢেউ। নেচেকুঁদে চলেছে ট্র্যাকটরের পর ট্র্যাকটর। মাঠে মাঠে ব্যস্ত কিসান—মজুর। দূরে শিবালিক পাহাড়ের ছায়া আর নেপাল সীমান্তের জঙ্গল। চতুর্দিক সবুজে মাখামাখি। হঠাৎ মনে হবে যেন পাঞ্জাব—হরিয়ানায় পৌঁছে গিয়েছি। ভুল ভাঙে ভয়বহ রাস্তাঘাট, মলিন ছিরিছাঁদহীন ইঁটের পাঁজরা বের করা বাড়ি আর খোড়ো ঘরের গ্রামগুলি দেখে। পাঁক আর আবর্জনায় বর্ষার গ্রাম নরককুণ্ড। সেখানে গা এলিয়ে মানুষ ও মহিষের সন্তান। দু’ জনেরই ক্ষয়াটে শরীর প্রমাণ দেয় চম্পারণ দেশের তথা বিহারের সবচেয়ে অনুন্নত জেলাগুলির তালিকার মাথার দিকে।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    বিথিহারোয়ায় গান্ধী পৌঁছন ‘১৭—র ১৬ নভেম্বর। চার দিন পর সেখানে আসেন কস্তুরবা। গ্রামের সম্পন্ন রায়ত মুকুটধারী প্রসাদ চৌহানের বাড়িতে থেকে রামনারায়ণ দাসের জমিতে আশ্রম আর পাঠশালার নির্মাণ শুরু করেন। খবর পেয়ে বেলবা কুঠির দুর্দান্ত কুঠিয়াল এ সি আমন সেই খোড়োঘরে আগুন লাগিয়ে দেন। অকুতোভয় গান্ধী ও তার সঙ্গীরা ফের সেই ঘর তৈরিতে হাত লাগান। আজ সেই আশ্রম প্রাঙ্গণে পাকা ঘর। গান্ধীর আবক্ষ মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণ করেছিলেন বর্ষীয়মান প্রয়াগলাল চৌরাশিয়া। তাঁক ঘিরে বিথিহারোয়া, শ্রীরামপুর, ভৈইরিয়া, মৌলওয়া—সহ আশাপাশের বিভিন্ন গ্রামের পথচলতি মানুষের ভিড় জমছিল।

    কেমন আছেন গান্ধীগ্রামের মানুষ? স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে কী পেলেন আপনারা? প্রশ্ন শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বৃদ্ধ প্রয়াগ প্রসাদ, ”স্রিফ নীলহা গয়া। বেট—বেগারি নেহি হ্যায়। বাকি কুছ নেহি পায়া। জুলুম কা রূপ বদলা। পরিবর্তন এহি হুয়া।” তল্লাটের মানুষ একথায় সমস্বরে সায় দিয়ে তাঁদের দুঃখের ঝাঁপি খুলে বসল। বিথিহারোয়া পঞ্চায়েতের ৯টি গ্রাম তো বটেই, ধনধাহা ব্লকের বহু গ্রামেই আজও বিদ্যুৎ নেই, জানালেন প্রাক্তন মুখিয়া জগন্নাথ প্রসাদ, ”বিদ্যুতের লাইন এসেছিল এই গ্রামে। কিন্তু ৮ বছর আগে তার চুরি যাওয়ার শাস্তিস্বরূপ আজও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে প্রশাসন। বহু মিনতি করেও লাভ হয়নি।” গ্রামের কাছে একটা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে বটে। কিন্তু সেটা নাম কা ওয়াস্তে। ডাক্তারবাবুকে কয়েক মাস চোখে দেখেননি গ্রামবাসীরা। গ্রাম থেকে কয়েক কিমি দূরেই গণ্ডকের নহর বা সেচ খাল। কিন্তু বিদ্যুতের অভাবে গ্রামের বড় নলকূপ বা বোরিং পাম্প অচল। সেচের অভাবে আজও ধুঁকছেন গান্ধীগ্রামের রায়ত। পানীয় জলের সঙ্কটে গোটা কয়েক সরকারি টিউওয়েল ভরসা। সেগুলিও প্রায়শই বিকল হওয়ায় নিজেদের খরচেই মেরামতি করার বিধান দিয়ে দেন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তারা।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা গল্প
    বই পড়ুন

    প্রত্যন্ত গ্রামের অনগ্রসর, নিম্নবর্ণের মানুষের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা ছড়ানোর তাগিদে প্রায় ৮০ বছর আগে যেসব বুনিয়াদি স্কুলের পত্তন করেছিলেন গান্ধী ও তাঁর সহযোগীরা, সেগুলির অবস্থা আজ শোচনীয়। বিথিহারোয়ার স্কুলের পাকাবাড়ি জুটলেও শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৪৫০ ছাত্রকে যেখানে পড়ানোর ব্যবস্থা, সেখানে নয় জন শিক্ষকের মঞ্জুরি থাকা সত্ত্বেও মাত্র একজন শিক্ষক দিয়ে কাজ চলছে। ”৭৪—৭৫ সাল থেকে এই অচল অবস্থা চলছে। গত ডিসেম্বরে দ্বিতীয় শিক্ষক চলে যাওয়ার পর এখন আমিই একা সামলাই,” অম্লান বদনে বললেন শিক্ষক রামকুমার সিংহ। দুপুরে খালি গায়ে গান্ধী আশ্রমে বসে তিনি যখন কথা বলেছিলেন, তখন দূরে স্কুলের ঘরে বসে থেকে হাপিত্যেশ ছাত্র বই বগলে বাড়ি ফিরে আসছে। এই গ্রামে বা আশেপাশে মাধ্যমিক স্কুল নেই। তার জন্য দু’ কিমি হাঁটতে হবে। কলেজ ১৭ কিমি দূরে নরকটিয়া বা আরও দূরের সিকটা, বাগহা বা বেতিয়ায়।

    নারীশিক্ষার জন্য ৮০ বছর আগেই গান্ধীজী উদ্যোগ নিলেও চম্পারণ বা বিহারের আজকের শাসকেরা সময়ের চাকাকে উল্টোদিকে ঘোরানোই পছন্দ করেন। সেই কারণেই বিথিহারোয়ার গান্ধী আশ্রমের অদূরেই কস্তুরবা গান্ধী গার্লস হাইস্কুলটিতে আজ ছাগল চরে। নামে হাইস্কুল হলেও আসলে পাঠশালা। খোড়ো চালের দেওয়ালবিহীন একটি চৌহদ্দিতে গুটিকয়েক বেঞ্চ পাতা। সরকারি অনুমোদন না মেলায় ক্লাসরুম বাড়ানো যায়নি। গুটিকয় ছাত্রী আসে কখনও। মাস্টাররা মধ্যে উঁকি দিয়ে যান। ”৮৬ সালে গ্রামের লোকেরা মিলে মেয়েদের স্কুলটা শুরু করি। রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী থেকে ব্লক অফিসার—দশ বছর ধরে লিখলেও কোন ফল পেলাম না। স্কুলটা কার্যত উঠেই গিয়েছে,” হতাশ গলায় জানালেন স্কুলের সংগঠক অনুপপ্রসাদ চৌরাশিয়া। অথচ এ গ্রামেই মেয়েদের পড়ানোর জন্য একদিন ছুটে এসেছিলেন আচার্য নরেন্দ্র দেব, বাবন গোখলে, তাঁর স্ত্রী অবন্তিকা বাই, গান্ধীপুত্র দেবদাস গান্ধীর সঙ্গে কস্তুরবাও। কস্তুরবা গ্রামে মেয়েদের রামায়ণ—মহাভারতের গল্প শোনাচ্ছেন, এই দৃশ্যটি আজও প্রবীণদের চোখে ভাসে।

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    Books
    বুক শেল্ফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কমিকস
    বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    ই-বুক রিডার

    বিথিহারোয়ার গান্ধী স্কুলটি তবু পাকাবাড়ি জুটেছে। কিন্তু বেতিলয়া শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে বৃন্দাবন গ্রামের বিশাল একতলা বেসিক স্কুলটি এখন প্রায় পোড়োবাড়ি। অধিকাংশ ঘরই ভগ্নস্তূপ। খোলার চাল, কড়িবরগা ভেঙে পড়েছে। বর্ষায় গজিয়ে ওঠা বুনো ঝোপে সাপের বাসা। গুটিকয়েক ঘরের মাথায় এখনও ছাদ থাকায় সেখানেই শখানেক ছাত্র আর জনা পাঁচেক শিক্ষকের ঠাঁই। বেলা তিনটা নাগাদ পৌঁছে অবশ্য তাঁদের কাউকেই দেখা গেল না। স্কুলের বিশাল চবুতরায় শিশম গাছ আর বুনো ঝোপের ফাঁকে মহিষ চরে বেড়াচ্ছে। ডাক বিলি করতে আসা পোস্টম্যান গঙ্গাবিষ্ণু মাহাতোর আক্ষেপ, ”তল্লাটের সবচেয়ে নামী স্কুল ছিল একসময়। এখন প্রায়দিনই স্কুল বসে না। মাস্টার নেই, ঘর নেই, পড়ুয়ারা এসে কী করবে।” সরকারি প্রহসন এমনই যে এই ভগ্নস্তূপ স্কুলের লাগায়ো বাড়িতেই রাজ্য শিক্ষা দফতরের সহকারী পরিদর্শকের অফিস।

    তার চেয়েও বড় পরিহাস বৃন্দাবনের মাটিতে নবোদয় স্কুল। পাঁচিল ও কাঁটাতার ঘেরা বড় বড় বাড়ির বিশাল স্কুল কম্পাউন্ডের দিকে তাকিয়ে বৃদ্ধ—ত্রিহুত রাউত ও ভোলা রাউতদের ম্লানমুখে আক্ষেপ, ”এই স্কুলে বৃন্দাবন বা আশেপাশের গ্রামের ছেলেমেয়েরা পড়তে পায় না। এখানে ভর্তি হতে গেলে অনেক টাকা লাগে। আমরা পাব কোথায়! সব শহরের ছেলেরা আসে পড়তে এখানে।” সবচেয়ে তিক্ত অশীতিপর মথুরা ভগতের মন্তব্য। গ্রামের একপ্রান্তে গান্ধীজীর একটি ছোট মূর্তিকে ঘিরে আধুনা নিশ্চিহ্ন তাঁর পর্ণকুটির প্রাঙ্গণের গাছপালার দেখভাল করেন অস্থিচর্ম বৃদ্ধ। নিজে থাকেন পাশের একটি ঝোপটিতে। কুটিরবাসী সস্ত্রীক গান্ধী তাদের ছাগলের স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে মথুরা ভগত যেন সেদিনের সেই দারিদ্র ও পীড়নক্লিষ্ট রায়তের প্রতিমূর্তি। রীতিমত রুষ্ট গলায় তাঁর ক্ষোভ, ”বাপুর তৈরি গরিবদের স্কুল ভেঙে নেতা—মন্ত্রী—আমলাদের কী যায় আসে। ওদের বাচ্চচাদের জন্য নেহরুর নাতির স্কুল তো চলছে রমরমিয়ে। আমাদের পড়াশুনো তো বটেই, জমিও কেড়ে নিয়েছে সরকার ভুলিয়ে ভালিয়ে।”

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা উপন্যাস

    গ্রামের লোকের সবার অভিযোগ, গান্ধী আশ্রমের জমি ও বাড়ি সরকারে ন্যস্ত হলেও তা তাঁদের পূর্বপুরুষের জমি। গান্ধীর ডাকে সাড়া দিয়ে তা তাঁকে তাঁরা দান করেন। সেই জমি গরিবদের মধ্যে বিতরণের বদলে সেখানে নবোদয় স্কুল গড়া হয়েছে। সেই বিচ্ছিন্ন এলিট শিক্ষার উজ্জ্বল দ্বীপকে ঘিরে আজ গান্ধীগ্রাম, বৃন্দাবনে অশিক্ষা, দারিদ্র্য আর হতাশার অন্ধকার। প্রত্যন্ত বিথিহারোয়ার মতো জেলা সদরের কাছাকাছি এই গ্রাম বা তার আশেপাশেও বিদ্যুৎ নেই। রাস্তাঘাট কদর্য। গ্রামের বুকে খাদি ভাণ্ডার ক্ষুদ্র শিল্প ভবন ইত্যাদির উপস্থিতি স্বাধীনতাপূর্ব বছরগুলোয় গান্ধী—অনুরাগীদের গ্রামোন্নয়নের প্রচেষ্টার মূক সাক্ষী হয়ে পড়ে আছে। বিশেষ করে গান্ধী প্রতিষ্ঠিত স্কুলগুলির মর্মান্তিক হাল দেখে বোঝা যায় কেন আজ দুই চম্পারণ বিহারের নিরিখেও সাক্ষরতায় এত পিছিয়ে। সাক্ষরতার প্রশ্নে জেলাগুলির মধ্যে তৃতীয় সারিতে ঠাঁই গান্ধীর চম্পারণের।

    ‘৪৭—এর অগস্ট মধ্যরাতের যেসব জাতক ভাগ্যের সঙ্গে অভিসারে বেরিয়েছিলেন, তাঁদের সারিতে ছিলেন রাজা রাম, জগদীশ রাম, নাগা মুশাহর, দশরথ মাঝি, অশোক মল্লিকদের পূর্ব প্রজন্মও। স্বাধীনতার সফল কতটা পৌঁছোল নিম্নবর্ণপ্রধান চম্পারণের ডোম—চামার—মুশাহরটোলিতে? বিথিহারোয়ার শ্রীরামপুরের রাস্তার ধারে একথা শুনে মুখিয়ে উঠলেন জনমজুর জগদীশ, ”কিছু পাইনি আমরা। শুধু গান্ধীর কল্যাণেই হোক বা চাপাকল কম থাকায়, ছুয়াছুঁত অনেক কমেছে।” বিথিরোয়ার চামারটোলিতে শখানেক ঘরের বসত হলেও গোটা পঁচিশেক কাচাবাচ্চচা পড়তে যায় কি না চল্লিশোর্ধ্ব জগদীশের যথেষ্ট সন্দেহ। মোটামুটি একই অবস্থা মারগাড্ডির মুশাহর টোলার, জানালেন নানা মুশাহর। কারণ জানতে চাইলে মাথা নিচু করে মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে ‘পাসি’ (রস সংগ্রাহক) চৌধুরির মন্তব্য, খেতে জোটে না দু’বেলা, পড়তে পাঠাব কী! সংসার চালানোই দুষ্কর। চতুর্দিকে সবুজ আখখেত এবং ট্রাকটরের ধুকপুকুনি যে সমৃদ্ধির চালচিত্র তা শুধু বহিরাগতের বিভ্রমের কারণ হয়ে ওঠে। কিন্তু চম্পারণের গরিবগুর্বোর কাছে তা এক মর্মান্তিক ব্যাঙ্গ। ”৮০ শতাংশ লোকই ভূমিহীন। বিথিহারোয়ার পঞ্চায়েতের ৯টি গ্রামের চামার—ডোম—মুশাহরদের অধিকাংশেরই একচিলতে জমি নেই।” জানালেন প্রাক্তন মুখিয়া জগন্নাথ সাউ। ”আর ক’দিন দিনমজুরি জোটে! ফি বছর গ্রাম কে গ্রাম ঝেঁটিয়ে চম্পারণিয়া মানুষ চলে যায় পঞ্জাব হরিয়ানা উত্তরপ্রদেশে জন খাটতে।” জগদীশ রামের একথায় সমস্বরে সায় জানালেন পথের ধারের মাঠে ব্যস্ত ভূমিহীন মজুরের দল। জগদীশের মতোই অনেকেই ভোট দেননি জীবনে। ভোট আসে যায়, তাঁরা ব্যস্ত রুটির জোগাড়ে। চার কেজি গম আর নগদ কুড়ি টাকা ওই মজুরি মেলাই তাঁদের সর্বোচ্চ স্বপ্ন। গ্রামে গম পেষাইয়ের কল না থাকায় জাঁতায় পিষে গমের খিচুড়ি খেয়েই রাত কাটে ধাঙড় মুশারটোলার।

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    ই-বুক রিডার
    সেবা প্রকাশনী বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    ভূমি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রয়ে গিয়েছে নির্বাচনী ইস্তাহারেই বন্দি। ”আরা ছাপরা বালিয়ার লোক এসে চম্পারণিয়াদের জমি দখল করেছে বহুকাল আগেই। আমরা তো আজ নিজভূমে পরবাসী।” মথুরা ভগতের এই ক্ষোভের প্রতিধ্বনি একের পর এক গান্ধীগ্রামে। বিথিহারোয়ার হাজার একরের মালিক রঘুনাথশরণ, শঙ্করশরণ সিংহের মতো ‘বহিরাগত’ রাজপুত জমিদাররা। একশো আট ঘর ডোডম—মুশাহরকে সরকারি খাসজমির ২ একর করে পাট্টা দেওয়া হয়েছিল বছর কয়েক আগে। ”পাট্টা পেলেও লাভ হয়নি। জমির দখল নিতে যেতে বন্দুক নিয়ে তাড়া করেছিলেন অরবিন্দপ্রসাদ চৌহানের লোকজন। এখন জনমজুরিই ভরসা।” রাজা রামের এই কাহিনীর পুনরাবৃত্তি টোলায় টোলায়।

    আজাদির ফসল উঠেছে আজকের শাসকদের গোলায়। এই অরবিন্দ চৌহানের বাবা মুকুটধারী চৌহানই এই গ্রামে গান্ধীজীর সবচেয়ে কাছের অনুরাগী ছিলেন। গান্ধী আশ্রমের চত্বরে তাঁরও আবক্ষ মূর্তি। বছর চারেক আগেও গান্ধীজীর কোনও মূতি সেখানে না থাকায় ‘আনপড়’ লোক তাঁর মূর্তিতেই গান্ধী—প্রতিকৃতি ভেবে মালা দিত। তিনি আজও নমস্য। কিন্তু তাঁর ছেলে প্রচুর ভূ—সম্পত্তির মালিক হওয়ার সুবাদে আজ গ্রামের মুখিয়া। বলা বাহুল্য রাজনীতির অন্দরমহলে তাঁর অবাধ গতিবিধি। ”বছরের অধিকাংশ সময়টাই দিল্লিতে থাকেন মুখিয়াজি।” তাঁর বাড়ির লোকের গর্বিত মন্তব্য। বিথিহারোয়া যে সংরক্ষিত কেন্দ্রের অধীন সেই ধনধাহার বিধায়ক অশীতিপর ভোলারাম তুফানি আজ পশুপালন কেলেঙ্কারির মামলায় লালুপ্রসাদের সহ—অভিযুক্ত হয়ে জেলবন্দি। দেশের ‘প্রথম ডোম মন্ত্রী’ হিসাবে নিজেকে যিনি পরিচয় দেন, সেই বৃদ্ধ একদা ভগৎ সিংহের সহযোগী হিসাবে ফাঁসির আদেশ শুনেছিলেন ইংরেজের আদালতে। মণ্ডল রাজনীতির কল্যাণে তিনি মন্ত্রী হলেও তুফানি আজ তাঁর শিকড় থেকে উৎপাটিত, ধাঙড়টোলি থেকে অনেক দূরে।

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বই
    PDF
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের

    স্বাধীনতার আগে বিহারের অন্যতম বৃহৎ জমি বেতিয়া রাজ এস্টেট—সহ ছটি বড় এস্টেট—এর জেলা চম্পারণ আজও বাস্তবে সামন্ততন্ত্রের গড়। মধ্য বিহারের তুলনায় এখানে বৃহৎ ভূস্বামীদের সংখ্যা অনেক বেশি। রাজনীতিতেও এঁদের নিয়ন্ত্রণ প্রবল স্বাভাবিকভাবেই। এঁদের কেউ কেউ জমিদার—জমানায় রাজ্য—রাজনীতিতে চম্পারণের ঔজ্জ্বলের কথা স্মরণ করে নানা দলও গড়েছেন। যেমন দিলীপ বর্মার চম্পারণ বিকাশ পার্টি। বেতিয়া রাজার ‘দেওয়ানজি’র বংশজ বলে পরিচিত শিকারপুর এস্টেটের অন্যতম উত্তরাধিকারী এই বিধায়ক দানধ্যানে প্রচুর সুনাম কুড়িয়াছেন। কিন্তু ভূমি সংস্কার সঙ্গত কারণেই তাঁর অগ্রাধিকারের তালিকায় নেই। নেই মুখ্য ধারার দাবিদার ‘জাতীয় দল’গুলির নেতাদেরও।

    তবে চম্পারণের রায়তদের আজকের প্রজন্মের জীবনে নীলকরদের ভূমিকা নিয়েছে দুই জেলার মানচিত্রে ছড়ানো নয়টি বিশাল চিনি মিল। দিগন্ত ছোঁয়া আখের খেত আর পাশের গ্রামগুলির অর্থনীতি ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে এই মিলগুলি। চম্পারণের মানুষ তাই বলেন, ”নীলহা গয়া, মিলহা আয়া।” নীল সাম্রাজ্যকে হঠিয়ে জায়গা নিয়েছে আখ সাম্রাজ্য। কিন্তু বদলায়নি সেই দাদন ব্যবস্থা, জবরদস্তি ঋণের জালে ফাঁসিয়ে রায়তের ফসল ও জমি বেদখলের ফন্দিফিকির।

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই
    বইয়ের
    Library
    বই পড়ুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    রাজকুমার বর্মা জানান, ”আশেপাশের সবই হরিনগরের রাজা সাহেবের জমি। ভবানীপুর ফার্ম, শ্রীরামপুর ফার্ম, হরিপুর ফার্ম—কমপক্ষে হাজার দুই একর জমি তাঁরই।” কে এই হরিনগরের রাজা?

    চম্পারণের রাজকাহিনীতে এমন কোনও বংশের কথা তো লেখা নেই। হেসে ভুল ভাঙালেন গ্রামে প্রবীণ শিবশংকর মাহাতো, ”আরে সে রাজা নয়, ইনি হলেন হরিনগর সুগার মিলের মালিক রামকৃষ্ণ নারায়ণ লাল পিতি। মারোয়াড়ি ব্যবসায়ী। মুম্বইতে থাকেন। এখানে লোকে ওঁকে রাজাসাহেব বলেই জানে।” মিল দুটো বিড়লাদের। সরকার অধিগৃহীত দুটি মিল আপাতত বন্ধ। চাকিয়া এবং চনপটিয়া মিল দুটিকে বিহার রাজ্য চিনি বিকাশ নিগম ব্যক্তি পরিচালনার হাতেতুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। সব ক’টা মিলই স্বাধীনতার আগে স্থাপিত। আজ উৎপাদনকারী কৃষকদের সঙ্গে মিলগুলির সম্পর্ক এবং এদের চিনি উৎপাদন ব্যবস্থা ও কারিগরি—সবটাই আধুনিকতা থেকে অনেক দূরে। ফলে শিল্পের বিকাশ রুদ্ধ।

    ”নীলকররা তিনকাঠিয়া তথা একবিঘা জমির মালিককেও তিন কাঠায় নীল চাষে বাধ্য করেছিল। গান্ধীজীর নেতৃত্বে কৃষকদের অনমনীয় সংগ্রাম ওই ব্যবস্থা রদ করতে ব্রিটিশ সরকারকে বাধ্য করে। কৃষকরা স্বাধীনভাবে নিজেদের ইচ্ছেমতো ফসল বোনার অধিকার পেলেন। কিন্তু স্বাধীন ভারতে চম্পারণের রায়তের সেই অধিকার আজ ফের খর্বিত।” সতেরোর ঝড়ের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র সাঠি গ্রামের মধ্য কৃষক ধনেরিলাল যৌবনে পটনায় কলেজে পড়তে জয়প্রকাশ নারায়ণের আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, ”গান্ধীজী আজ ফিরে এলে চম্পারণের কৃষকদের জন্য নিশ্চিত আন্দোলনে নামতেন। জানেন আমরা নিজেদের আখ ইচ্ছেমতো বেচতে পারি না। সরকারি আইনে বাধা আছে। মিলপ্রতি কমান্ড এরিয়া নির্দিষ্ট। এর বাইরে গিয়ে বিক্রির চেষ্টা করলেই হাজতবাস, জরিমানার সম্ভাবনা।”

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা কুইজ গেম
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    নগদি ফসল, তৈরি বাজার—স্বাধীনতার আগে থেকেই চম্পারণের কৃষিযোগ্য জমির অধিকাংশটাই ছেয়ে ফেলেছে আখের খেত। সেচের তুলনামূলক উন্নতি, গণ্ডক বুড়িগণ্ডকের পলির আশীর্বাদ, উচ্চফলনশীল বীজ আর রকমারি সার জমির উৎপাদনতাশীলতাও বাড়িয়েছে। পরিণতিতে আজ জোগান বেশি, বাজার কম। আর মিলের আমলা, ঘুষখোর সরকারি কর্মচারী এবং ভূস্বামীরা মিলে এরই সুযোগ নিয়ে ছোট চাষিদের নানা কায়দায় শোষণ চালিয়ে যাচ্ছে। এর প্রধান কায়দা হল ‘চালান বা পুরজি মাফিয়াচক্র’। জোগান বেশি বলে মিলে ভিড় এড়াতে খেতের আখ পৌঁছানোর দিনক্ষণ অগ্রিম জানিয়ে কৃষককে ‘পুরজি বা চালান’ দেওয়া হয়। সেই চালানে জালিয়াতি করে, ঘুষ দিয়ে অগ্রাধিকারের তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় পুরজি কালোবাজারি মহল। এঁদেরই যোগসাজশে চম্পারণের আখ চলে যায় রাজ্যের বা দেশের অন্যান্য চিনি মিলে। কিন্তু লাভের কড়ি খায় মধ্যস্বত্বভোগীরা। নরকটিয়াগঞ্জের লাইন ব্রডগেজ হয়ে গোরখপুর পৌঁছলেও চম্পারণের চাষিরা ফসল নিয়ে বৃহত্তর বাজারে পৌঁছতে পারেন না। পশ্চিম জেলার দুর্গম বাগহি মহকুমার গ্রামগুলির কৃষক গণ্ডকের উপর সেতুর অভাবে নেপাল অথবা উত্তরপ্রদেশে অভাবি বিক্রি করতে বাধ্য হন। ”তার উপর রয়েছে দাদন প্রথার আর সুদখোরি। সার বীজের জন্য মিল ঋণ দেয় আমাদের। টাকাটা আসলে ব্যাঙ্কের। তারা ১১ শতাংশ হারে সুদ দিলেও মিল কিষাণকে ১৩ থেকে ১৮ শতাংশ হারে কর্জ মেটাতে বাধ্য করে। গরিব কিসান ব্যাঙ্কে গেলেও বাবুরা হাঁকিয়ে দেয়। মিলের বাবুদের সঙ্গে ওদের দহরম মহরম।”— কুড়িয়াকোঠিতে ভগ্নস্তূপ নীলকুঠির পাশের মাঠে ভাড়ার ট্রাকটর চালাতে চালাতে বললেন বৈজনাথ চৌহান। তাঁর অভিযোগ মিলের ঋণ ঠিক সময়ে না শুধলে তাঁর ফসল ক্রোক থেকে ঘটিবাটি বিক্রিতে তৎপর প্রশাসন—মিল ও ব্যাঙ্কের বাবুরা। কিন্তু মিলের কাছে ফসলের দাম বাবদ পাওনা বকেয়া পেতে বছরের পর বছর জুতো ছেঁড়ে কৃষকের। ”কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা কৃষকরা পাবে মিলগুলির থেকে। তা শুধু গত তিন বছরের হিসাব।”—বেতিয়ার সাংবাদিক ও আইনজীবী অভয়মোহনের মন্তব্য। দিল্লির সেন্ট স্টিফেনস—এর ফসল অভয়মোহন ঋণের দায়ে জর্জরিত আর বকেয়া পাওয়া পেতে হয়রান কৃষকদের পটনা—মতিহার—বেতিয়ায় ছুটোছুটি দেখতে দেখতে তিক্ত। এতটাই যে, তাঁর সখেদ মন্তব্য, ”এ বোধহয় নীলকরদের অভিশাপ। কুঠির ভূতগুলো চম্পারণ ছাড়বে না কিছুতেই।”

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ভাষা
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    ই-বই ডাউনলোড
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা কমিকস

    রুখুসুখু, নগ্নগাত্র, হেঁটো ধুতি সম্বল গান্ধীর সাক্ষাৎ প্রতিমূর্তি মথুরা ভগত নিরে হারানো জমিও ফেরত চান না। আজকের শাসকদের কাছে তাঁর প্রার্থনা:”বাপুর তৈরি স্কুলটাকে বাঁচিয়ে দাও যাতে গাঁয়ের গরিব ছেলেমেয়েগুলো পড়তে পারে। টুকরো জমি জুটিয়ে দাও যাতে ভূমিহীন মানুষগুলো খেয়েপরে বাঁচতে পারে। আলো এনে দাও যাতে ঘামের সঙ্গে সেচের জলও পায় ফসল।” বৃদ্ধের আরও বিশ্বাস, বাপু বেঁচে থাকলে চম্পারণের মানুষের দুঃখ থাকত না। এই বিশ্বাস সত্যি হোক না হোক, গান্ধীপুত্র রাজামোহন বৃন্দাবন—দর্শনে এসে ভিজিটরস বুকে লিখে যান, কিতনা প্রেরণা, কিতনা পীড়া। মথুরা ভগত, আপকো ইনসাফ কব মিলেগা?

    উত্তর মিলবে হয়তো স্বাধীনতার একশো বছরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }