Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গান্ধীজীর পাঠ-চর্চা – চিত্তরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

    গান্ধীজীর পাঠ-চর্চা – চিত্তরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

    গান্ধীজী তাঁর আত্মকথায় বলেছেন: ”বিদ্যাভ্যাস কালে আমি পাঠ্য—পুস্তকের বাইরে কিছুই পড়ি নাই বলা যায়। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করিবার পরও খুব কম পড়িয়াছি। এমনকি আজও এ—কথা বলা যায় যে, আমার পুস্তকের জ্ঞান খুবই কম। এই অনায়াসলব্ধ বা বাধ্যতামূলক সংযম দ্বারা আমার ক্ষতি হয় নাই বলিয়াই আমি মনে করি। যে অল্পস্বল্প পুস্তক পড়িয়াছি তাহা আমি ভাল রকম হৃদগত করিয়াছি এ—কথা বলা যায়।”

    গান্ধীজী জীবন ও জগৎ সম্বন্ধে জ্ঞানলাভের জন্য প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার পক্ষপাতী ছিলেন। তাই তিনি নিজের জীবনকে দেখেছেন সত্যের পরীক্ষা হিসাবে। নিজের অভিজ্ঞতা অথবা চিন্তাধারারর সমর্থন কোনো বই থেকেপেলে তিনি নতুন প্রেরণা লাভ করতেন। ভালো বই তাঁর কাছে ছিল প্রতিভার দীপশলাকা। মহৎ চিন্তার সংস্পর্শে এসে পাঠকের মন উজ্জীবিত হয়; চারপাশে যখন সংশয় ও অবিশ্বাস তখন একটি ভালো বই প্রত্যয়ের সঞ্জীবনী নিয়ে আসে। যেসব বই গান্ধীজীর চিন্তা ও কর্ম প্রভাবান্বিত করেছে তাদের ঋণ তিনি স্বীকার করতে কুণ্ঠিত হননি। এইসব বই—এর কথা আলোচনা করলে গান্ধীজীর চিন্তাধারার ক্রমবিবর্তনের ইতিহাস স্পষ্টতর হবে। তাছাড়া চিন্তাক্ষেত্রে গান্ধীজীর সমধর্মী কারা ছিলেন তা—ও পাঠপঞ্জি থেকে জানা যেতে পারে। এ কথা মনে রাখা প্রয়োজন, যে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে যেসব লেখকের মিল আাছে শুধু তাঁদের বই—ই প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গান্ধীজীর মনের ক্ষেত্র পূর্ব থেকেই প্রস্তুত ছিল; তাই রাস্কিন কিংবা টলস্টয়ের বই তাঁকে আকৃষ্ট করতে পেরেছে। এছাড়াও কত ভালো বই হয়তো গান্ধীজীর হাতে কাছেই ছিল। কিন্তু তারা গান্ধীজীকে প্রভাবান্বিত করতে পারেনি। দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যেতে পারে ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গান্ধীজী মার্কস—এর ‘ক্যাপিটাল’ পড়েননি। সরে পড়েছেন বলে শুনেছি; কিন্তু এ বই নিয়ে বিশেষ আলোচনা করেননি।

    তবে গান্ধীজী যত কম বই পড়েছেন বলে জানিয়েছেন গ্রন্থজগতের সঙ্গে তাঁর পরিচয় প্রকৃতপক্ষে তত কম ছিল না। তাঁর পিতার বই—এর জ্ঞান অপেক্ষা ব্যবহারিক জ্ঞান ছিল অধিক। তাই ছেলেবেলায় পাঠ্যপুস্তকের বাইরে অন্য বই—এর প্রতি তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করবার কেউ ছিল না। লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়বার সময় (১৮৮৮—১৮১৯) নানা লোকের সংস্পর্শে আসেন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ের বই পড়তে আরম্ভ করেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকবার সময়ও তাঁর বই পড়বার সুযোগ হয়েছে। ভারতে ফিরে তিনি কর্মস্রোতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তখন থেকে দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা সম্পর্কিত পুঁথিপত্রই তিনি প্রধানত পড়েছেন। সময়ের অভাবে অন্যান্য বইপত্র বিশেষ পড়তে পারেননি। জেলে যখন বাধ্যতামূলক অসবরলাভ করেছেন তখন কিছু কিছু বই পড়বার সুযোগ পেয়েছেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কুইজ গেম
    Library

    বিচিত্র ধরনের বই সম্বন্ধে যে গান্ধীজীর আগ্রহ ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় মহাদেব দেশাই—এর দিনলিপি থেকে। ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে যখন য়ারবেদা জেলে ছিলেন তখন গান্ধীজী জানতে চান জেল লাইব্রেরিতে স্কট, মেকলে, জুলে ভার্ন, ভিক্টর হুগোর বই এবং কিংসলির ‘ওয়েস্টওয়ার্ড হো’ এবং গ্যেটের ‘ফাউস্ট’ আছে কিনা। লাইব্রেরি থেকে এডওয়ার্ড কার্পেন্টার—এর ‘অ্যাডামস পিক টু এলিফ্যান্টা’ এবং নিবেদিতার ‘ক্র্যাডল টেলস অব হিন্দুইজম’ তাঁকে এনে দিতে বলেন। গান্ধীজী আরো বলেন যে, আফ্রিকার জেলে তিনি প্রথম স্টিভেনসনের ‘দি স্ট্রেঞ্জ কেস অব ডাঃ জেকিল অ্যান্ড মিঃ হাইড’ পড়েছেন। জেল লাইব্রেরিতে স্টিভেনসনের ‘ভার্জিনিবাস পুয়েরিস্ক’ (বালক—বালিকাদের জন্য প্রবন্ধের বই) আছে জেনে গান্ধীজী বললেন, এই বই নিশ্চয়ই পড়বার যোগ্য।

    ছেলেবেলায় সাধারণ স্কুলপাঠ্য বই ছাড়া অন্য কিছু পড়বার আগ্রহ গান্ধীজীর ছিল না। পাঠ্যতালিকায় বাইরে যে বই সর্বপ্রথম তাঁক আকৃষ্ট করে সেটি হল ‘শ্রবণের পিতৃভক্তি’ এই নাটকটি তাঁর বাবা কিনেছিলেন। বইটি তিনি পড়েছিলেন বিশেষ আগ্রহের সঙ্গে। এর পরে আর কি কি বই তিনি পড়েছিলেন তা জানা যায় না।

    নতুন অধ্যায় আরম্ভ হয় লন্ডনে। ইংলন্ড প্রবাসের এক বছর পরে গান্ধীজীর দু’জন থিয়োসফিস্টের সঙ্গে আলাপ হয়। তাঁরা গান্ধীজীকে গীতা পাঠের জন্য আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু তিনি তখনও মূল সংস্কৃত অথবা গুজরাটি অনুবাদে গীতা পাঠ করেননি। এই থিয়োসফিস্ট ভ্রাতৃদ্বয়ের সঙ্গে তিনি প্রথম গীতা পাঠ আরম্ভ করেন। ক্রমশ গীতা তাঁর নিত্যসঙ্গী হয়ে পড়ে। গান্ধীজীর জীবনে গীতার প্রভাব অসামান্য। তিনি বলেছেন, ”তখন আমার মনে হইল যে, ভগবদগীতা অমূল্য গ্রন্থ। তত্ত্বজ্ঞান সম্বন্ধে উহাকেই আমি সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ বলিয়া মনে করি। আমার নিরাশার সময় ঐ গ্রন্থ হইতে অমূল্য সাহায্য পাইয়া থাকি।”

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বই পড়ুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    সাহিত্য পত্রিকা
    উপন্যাস সংগ্রহ

    গান্ধীজী গীতার প্রায় সকল উল্লেখযোগ্য ইংরেজি অনুবাদই পড়ে ফেললেন। এডুইন আর্নল্ডের অনুবাদ Song Celestial তাঁর নিকট শ্রেষ্ঠ মনে হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে গীতার প্রতি তিনি আকৃষ্ট হয়েছিলেন আর্নল্ডের অনুবাদের মাধ্যমে। কারণ প্রথমে তাঁর সংস্কৃত জ্ঞান মূল গ্রন্থের মর্ম গ্রহণের পক্ষে যথেষ্ট ছিল না।

    এডুইন আর্নল্ডের ‘বুদ্ধচরিত’ বা ‘দি লাইট অব এশিয়া’ কাব্য জীবনীও এই সময় তিনি পড়েন। গান্ধীজী বলেছেন, এই বই তিনি ভগবদগীতার চেয়ে অধিক আনন্দেদর সঙ্গে পড়েছেন, এবং বই হাতে নিয়ে শেষ না হওয়া পর্যন্ত থামতে পারেননি।

    আর্নল্ডের অন্যান্য বইও গান্ধীজী পড়েছিলেন মনে হয়। তাই দেখি তিনি মীরা বেনকে আর্নল্ডের ‘ইন্ডিয়ান ইডিলস’ ও ‘পার্লস অব ফেথ’ পড়তে উপদেশ দিয়েছেন।

    উপরে যে থিয়োসফিস্ট ভ্রাতৃদ্বয়ের কথা বলেছি তাঁদের অনুরোধে গান্ধীজী মাদাম ব্লাভাটস্কির ‘কী টু থিয়োসফি’ পড়েন। এই বই পড়বার ফলে গান্ধীজী হিন্দুধর্ম সম্বন্ধীয় বই পড়তে ইচ্ছা হয়। এই ইচ্ছার পরিণামস্বরূপ তিনি একে একে রামায়ণ, মহাভারত, ভাগবত, উপনিষদ, মনুস্মৃতি প্রভৃতি আত্মস্থ করে ফেললেন। অবশ্য সবই তিনি লন্ডনে পড়েননি। তবে পড়ার সূত্রপাত হয় ঐ সময় থেকেই। তুলসীদাসের রামায়ণ ভগবদগীতার মতোই গান্ধীজীর নিকট ছিল আধ্যাত্মিক প্রেরণার উৎস। এছাড়া পড়েছেন পুরাণ। গান্ধীজীর মতে পুরাণের মধ্যে আছে আমাদের প্রকৃত ইতিহাস। রমেশচন্দ্র দত্তের রামায়ণ ও মহাভারতের সংক্ষিপ্ত অনুবাদ এবং গ্রিফিথের রামায়ণের অনুবাদ পাঠ করবার জন্য গান্ধীজী মীরা বেনকে উপদেশ দিয়েছিলেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    হিন্দুধর্মের শাস্ত্র—গ্রন্থের প্রতি দৃষ্টি আকৃষ্ট হবার সঙ্গে সঙ্গেই বাইবেলও পড়তে আরম্ভ করলেন গান্ধীজী। ওল্ড টেস্টামেন্ট তাঁর বিশেষ ভালো লাগেনি। কিন্তু নিউ টেস্টামেন্ট তাঁর মনের উপর প্রভাব বিস্তার করল। ‘সারমন অন দি মাউন্ট’—এর শিক্ষা তাঁর হৃদয়ে সাড়া জাগালো। এক গালে মারলে আর এক গাল এগিয়ে দেবার উপদেশ গান্ধীজী সর্বান্তঃকরণে সমর্থন করলেন। তিনি উপলব্ধি করলেন, গীতা আর্নল্ড এর বুদ্ধ চরিত এবং যিশুর উপদেশের মধ্যে ঐক্য সুস্পষ্ট। সকল ধর্মেরই মূল কথা ত্যাগ।

    এর পর মুসলমান ধর্ম সম্বন্ধে জানবার জন্যও গান্ধীজীর আগ্রহ হয়। টমাস কার্লাইল—এর ‘অন হিরোজ’ (On Heroes, Hero-worship, and the Heroic in History) পড়ে জানতে পারলেন মহম্মদের বীরত্ব, মহত্ত্ব ও সাধনার কথা। ওয়াশিংটন আরভিং রচিত Mehomet and his successors পড়ে গান্ধীজী মহম্মদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন। সেল কর্তৃক অনূদিত কোরান কিনে পড়তে আরম্ভ করেন। পিকথলের অনুবাদও তিনি পরে পড়েছিলেন। পরবর্তী জীবনে গান্ধীজী মুসলমান ধর্ম ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে অনেক বই পড়েছেন। গ্রাহামের সৈয়দ আহমেদ খাঁ—র জীবনী; হান্টারের ‘ইন্ডিয়ান মুসলমানস’, ক্যান্টওয়েল স্মিথ—এর ‘মডার্ন ইসলাম ইন ইন্ডিয়া’ প্রভৃতি কয়েকটি বই—এর নাম উল্লেখ করা যায়। আমীর আলির ‘স্পিরিট অব ইসলাম’ গুজরাটিতে অনুবাদ করবার ইচ্ছাও গান্ধীজীর হয়েছিল।

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    PDF
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা কমিকস
    বুক শেল্ফ
    নতুন উপন্যাস
    ই-বুক রিডার

    পার্শীদির ধর্ম বিশ্বাসের সঙ্গে পরিচিত হবার জন্য এই সময় তিনি ‘জরথুস্ট্রের বাণী’ নামে এই বই পড়েছিলেন। কয়েকজন খ্রিস্টান বন্ধুর অনুরোধে তাঁকে পড়তে হয়েছিল কয়েকটি প্রচারধর্মী খ্রিস্টধর্ম বিষয়ক বই। এদের মধ্যে পিয়ার্সন—এর Many Infallible Proofs তাঁর ভালো লেগেছিল। বিভিন্ন ধর্ম নিয়ে আলোচনা করবার ফলে গান্ধীজী জোসেফ বাটলার—এর ‘দি অ্যানালজি অব রিলিজিয়ন’ আগ্রহের সঙ্গেই পড়েছিলেন।

    লন্ডনে নিরামিষাশী হবার ফলে অনেকেরই তাঁর উপর দৃষ্টি পড়ে। বন্ধু—বান্ধব এবং পরিচিত অনেকেই তাঁকে খাদ্য পরিবর্জন করতে বলেন। মাংস খাবার সমর্থনে কেউ কেউ বেন্থামের ‘থিয়োরি অব ইউটিলিটি’ তাঁকে পড়তে বলেন। তাঁর কাছে বেন্থামের ভাষা খুব কঠিন বলে মনে হয়েছিল। গান্ধীজী নিজেও খাদ্য নিয়ে ভাবতে আরম্ভ করেন। তিনি নিরামিষ আহার এবং খাদ্যতত্ত্ব সম্বন্ধে সল্ট, হাওয়ার্ড উইলিয়ামস ও অন্না কিংসফোর্ড—এর বই পড়েছিলেন। খাদ্য ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা নিয়ে গান্ধীজী সারা জীবন নানানা পরীক্ষা—নিরীক্ষা করতে ভালবাসতেন। পরবর্তী সময়ে এই বিষয়ে তিনি আরো অনেক বই পড়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধীজী জাস্টের ‘রিটার্ন টু নেচার’ বইটি পড়ে প্রাকৃতিক চিকিৎসার মূল নীতিগুলি নিজের উপর প্রয়োগ করেছিলেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Books
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গল্প
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    পিডিএফ
    Library

    গান্ধীজীর ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও ভাবজীবনের ভিত্তি রচিত হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। নানা সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর জীবনদর্শন গড়ে উঠেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার জীবন ভারতে তাঁর ভবিষ্যৎ সংগ্রামের প্রস্তুতিপর্ব। এই প্রস্তুতিপর্বে তিনি কয়েকটি পুস্তকের দ্বারা বিশেষরূপে প্রভাবান্বিত হয়েছিলেন।

    ম্যাক্সমূলারের ‘ভারত আমাদের কী শিক্ষা দিতে পারে’ বইটি পড়ে ভারতীয় সভ্যতার শাশ্বত বাণী সম্বন্ধে নতুন তরে তিনি আগ্রহান্বিত হন। বিবেকানন্দের ‘রাজযোগ’ও তিনি দক্ষিণ আফ্রিকাতেই পড়েন। লন্ডনে থাকতেই গান্ধীজী কনজারভেটিভ দলের মিঃ পিওকাটের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন সকল বিষয়ে কিছু কিছু জ্ঞান না থাকলে আইন ব্যবসায়ে সাফল্যলাভ করা যায় না। মিঃ পিওকাট তাঁর সঙ্গে কিছুক্ষণ আলাপ করে বললেন, তোমার সাধারণ পড়াশোনা খুবই কম। …ভারতের ইতিহাস পর্যন্ত তুমি পড়োনি।

    মিঃ পিওকাট ম্যালিসন রচিত ১৮৫৭ বিপ্লবের ইতিহাস পড়বার উপদেশ দিয়েছিলেন। গান্ধীজী তা পালন করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। এই বই থেকে তিনি কিছু তথ্য জেনেছেন, কিন্তু তাঁর মনে প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধীজী হেনরি ডেভিড থোরো, জন রাস্কিন এবং লিও টলস্টয়ের রচনার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবান্বিত হন। এই প্রভাবের চিহ্ন তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের কর্মধারার মধ্যে সুস্পষ্টরূপে দেখা দিয়েছে।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা উপন্যাস
    Library
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা বই
    পিডিএফ

    থোরোর ‘সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স’ পড়ে গান্ধীজী সত্যাগ্রহের সমর্থন পান। থোরোর মূল কথা হল এই যে, যে গভর্নমেন্ট সবচেয়ে কম শাসন করে সেই গভর্নমেন্ট সবচেয়ে ভালো। থোরো কর দিতে অস্বীকার করায় কারারুদ্ধ হয়েছেন। তিনি সম্পূর্ণরূপে অহিংসায় বিশ্বাসী ছিলেন না বলে গান্ধীজীর মনে হয়েছে। তাছাড়া থেরো সংকীর্ণ ক্ষেত্রে অসহযোগের নীতি কার্যকর করতে প্রয়াসী হয়েছিলেন। তথাপি থোরোর পুস্তিকাটি সত্যাগ্রহের আদর্শ প্রচারে বিশেষরূপে সহায়ক হয়েছে। গান্ধীজী ‘সিফিল ডিসওডিবিয়েন্স’—কে ‘মাস্টার্লি টিটিজ’ বলে অভিমত করেছেন।

    কেউ কেউ বলেছেন, গান্ধীজী সত্যাগ্রহের আদর্শ পেয়েছেন থোরোর কাছ থেকে। কোদণ্ড রাও—এর নিকট লিখিত এক চিঠিতে গান্ধীজী এর প্রতিবাদ করেছেন। তিনি বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার আইন অমান্য আন্দোলন অনেকদূর অগ্রসর হবার পর থোরোর বই তাঁর হাতে এসেছে।

    টলস্টয়ের ‘দি গসপেল ইন ব্রিফ’, ‘হোয়াট টু ডু’ এবং ‘দি কিংডম অব গড উইদিন ইউ’ গান্ধীজীর মনের উপর স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করেছিল। গান্ধীজী বলেছেন: টলস্টয়ের ‘ঈশ্বরের রাজ্য তোমার অন্তরে’ বইটি পড়ে আমি অভিভূত হয়েছি। এই বই আমার মনে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করেছে।

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা কুইজ গেম
    Books
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা লাইব্রেরী

    কিন্তু রাস্কিনের ‘আনটু দিস লাস্ট’ বইটি গান্ধীজীকে সর্বাপেক্ষা বেশি প্রভাবান্বিত করেছে। সর্বোদয় কর্মসূচীর মধ্যে এ বইয়ের প্রভাব দেখা যায়। রাস্কিনের জীবনাদর্শ এখনও সর্বোদয় কর্মপন্থার প্রেরণাস্বরূপ।

    গান্ধীজীর আত্মচরিতের ‘পুস্তকের যাদুমন্ত্র’ অধ্যায়টি পড়লেই দেখা যাবে ‘আনটু দিস লাস্ট’ তাঁর মনে কি গভীর আলোড়ন এনেছিল। নাটালের পথে গাড়িতে পড়বার জন্য পোলক গান্ধীজীর হাতে দিলেন ‘আনটু দিস লাস্ট’। এই বই প্রথম থেকেই তাঁকে এমন মুগ্ধ করল যে, শেষ না করা পর্যন্ত তিনি থামতে পারলেন না।

    ”আনটু দিস লাস্ট’ চারটি প্রবন্ধের সংকলন (১৮৬০—৬২); প্রবন্ধগুলির বিষয়বস্তু শ্রমিকদের চাকরি ও বেতন সম্পর্কিত সমস্যা। ‘কর্নহিল ম্যাগাজিন’—এ ধারাবাহিকরূপে প্রকাশিত হবার সঙ্গে সঙ্গে এমন প্রতিবাদ উঠল যে সম্পাদক প্রবন্ধ ছাপা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলেন। তখন সম্পাদক ছিলেন থ্যাকারে। গান্ধীজীর মতে ‘আনটু দিস লাস্ট’—এর মূল কথা তিনটি: (ক) সমাজের কল্যাণেই ব্যক্তির কল্যাণ; (খ) উকিল ও নাপিতের বাঁচবার অধিকার সমান, সুতরাং তাদের পারিশ্রমিকের হার একই নীতিতে নির্ধারিত হওয়া উচিত; (গ) যারা কায়িক পরিশ্রম করে তাদের জীবনই আদর্শ জীবন।

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ইসলামিক বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    সেবা প্রকাশনী বই
    নতুন উপন্যাস

    এই আদর্শ স্বার্থের বিরোধী বলেই ধনী ও অভিজাত সম্প্রদায় রাস্কিনের বিরোধিতা করেছে। তখন যদিও রাস্কিনের মত অসম্ভব কল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়ে হয়েছিল, তথাপি পরবর্তী সময়ে প্রস্তাবিত অনেক সংস্কার কার্যকর করা হয়েছে।

    গান্ধীজী ‘সর্বোদয়’ নাম দিয়ে ‘আনটু দিস লাস্ট’ গুজরাটিতে অনুবাদ করেছিলেন। দেশ স্বাধীন হবার পর জনগণের সর্বাত্মক উন্নতির জন্য গান্ধীজী সর্বোদয় কর্মপন্থার উপর জোর দিয়েছিলেন।

    দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতবর্ষে প্রত্যাবর্তন করে গান্ধীজী কংগ্রেসের কাজে আত্মনিয়োগ করলেন। তখন তাঁর পড়াশোনা করবার মতো সময় ছিল কম এবং একটি বিশেষ কাজে আত্মনিয়োগ করায় প্রধানত ঐ সম্পর্কিত বই সম্বন্ধেই তাঁর আগ্রহই ছিল বেশি। অবশ্য গীতা প্রভৃতি কয়েকটি ধর্মপুস্তক ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। একমাত্র রবীন্দ্রনাথের বই ছাড়া অধিকাংশ বই পড়তে হয়েছে কংগ্রেসের আন্দোলন, ভারতের ইতিহাস, জনসাধারণের অবস্থা ইত্যাদি জানবার জন্য। মিস মেয়োর ‘মাদার ইন্ডিয়া’, ব্রেলসফোর্ডের ‘সাবজেক্ট ইন্ডিয়া’, কেসির ‘অ্যান অস্ট্রেলিয়ান ইন ইন্ডিয়া’ প্রভৃতি বই তিনি পড়েছেন ভারত সম্বন্ধে বিদেশী লেখকদের মতামত জানবার জন্য জেলে নিজের রুচি অনুযায়ী বই পড়ার সুযোগ পেয়েছেন।

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    নতুন উপন্যাস
    PDF
    Books
    ই-বুক রিডার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের

    ভারতের জেলে গান্ধীজী পড়েছেন কার্লাইলের ‘ফরাসি বিপ্লবের ইতিহাস’। গিবনের ‘রোম সাম্রাজ্যের পতনের ইতিহাস’—ও তিনি পড়েছেন জেলে,—১৯২২ কি ১৯২৩ সালে।

    ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে গান্ধীজী যখন য়ারবেদা জেলে ছিলেন তখন সেখানে কী কী বই পড়েছেন তার কিছু কিছু বিবরণ পাওয়া যায়। এখানে তিনি মৈথিলীশরণ গুপ্তের কয়েকটি বই, কার্পেন্টারের ‘অ্যাডামস পীক টু এলিফ্যান্টা’ এবং এডওয়ার্ড টম্পসনের ‘দি আদার সাইড অব দি মেডাল’ প্রভৃতি বইগুলি পড়েছেন। টম্পসনের উপর বল্লভভাই প্যাটেল বিশেষ সন্তুষ্ট ছিলেন না। গান্ধীজী তাঁকে বুঝিয়ে বললেন, টম্পসন ‘দি আদার সাইড অব দি মেডাল’—এ এমন সব তথ্য উদঘাটিত করেছেন যা এতদিন ইংরেজ ইতিহাসিকরা গোপন করে রেখেছিল।

    এই জেলে তিনি যেসব বই পড়েছেন তার মধ্যে দু’টি বই তাঁকে বিশেষ করে আকৃষ্ট করেছিল। একটি হল রাস্কিনের Fors Clavigera (Fortune, the club-bearer)। দারিদ্র্যের প্রতিকার সম্বন্ধে রাস্কিন ব্রিটিশ শ্রমিকদের উদ্দেশ্য করে ৯৬টি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছিলেন। সেই চিঠিগুলির সংকলন এ বই। গান্ধীজীর অভিমত এই যে, এই বই বার বার পড়েও মন ক্লান্ত হয় না।

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    পিডিএফ
    Library
    বাংলা কবিতা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বই

    আর একটি বই হল আপটন সিনক্লেয়ারের We parade। সিনক্লেয়ার এই উপন্যাসে আমেরিকায় মদ্যপানের সামাজিক দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। কাহিনীর আবেদন গান্ধীজীর অন্তর স্পর্শ করে। গান্ধীজী মন্তব্য করেছেন, ”সিনক্লেয়ার সমাজের বিশেষ কল্যাণ করছেন। তিনি একটির পর একটি সামাজিক পাপের উপর আলোকপাত করে চলেছেন।” এই উপন্যাস তাঁর এত ভালো লেগেছিল যে তিনি বল্লভভাই প্যাটেল ও পুত্র দেবদাসকে পড়তে বলেছিলেন। রাজাজীর কিন্তু ‘ওয়েট প্যারেড’ ভালো লাগেনি। তাঁর মতে এই বই শিল্পকর্ম নয়, শুধু প্রচার। গান্ধীজী তার উত্তরে লিখলেন, ”মনে হয় রাজাজীর আমেরিকান লেখকদের সম্বন্ধে বিরূপতা আছে। আমি হার্ডি বা জোলার লেখা পড়িনি। কিন্তু আপটন সিনক্লেয়ারও অবজ্ঞা করবার মতো লেখক নন। শুধু প্রচার আছে বলেই কোনো উপন্যাসকে উপেক্ষা করা যায় না।…. ‘আঙ্কল টমস কেবিল’—এ প্রচারের উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট; কিন্তু এর শিল্পের দিকটি অননুকরণীয়।”

    গান্ধীজীর বই পড়া সম্বন্ধে আমরা উপরে মোটামুটি পরিচয় দিয়েছি। যত কম বই তিনি পড়েছেন বলে বিভিন্ন স্থানে উল্লেখ করেছেন প্রকৃতপক্ষে তার চেয়ে অনেক বেশি বই পড়েছেন। যেসব বই তিনি পড়েছেন তার সবগুলির নাম পাওয়া যায় না।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা গল্প
    অনলাইন বুক
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    Library
    PDF
    বাংলা বই
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    পাঠক হিসাবে গান্ধীজীর দুটি বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়। প্রথমত, পুস্তক নির্বাচনের জন্য তিনি নিজের মানসিক প্রবণতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। অর্থাৎ তাঁর চিন্তাভাবনার সঙ্গে যে বইয়ের যোগ আছে সে বই পড়তেই আগ্রহ ছিল। নিছক পড়বার জন্য উৎসাহে ছিল না। তাই রাস্কিনের শিল্প—সম্বন্ধীয় বিখ্যাত রচনা বাদ দিয়ে তিনি পড়েছেন ‘আনটু দিস লাস্ট’। টলস্টয়ের ক্লাসিক উপন্যাসগুলি অপেক্ষা তাঁকে আকৃষ্ট করেছে কয়েকটি স্বল্প পরিচিত ছোট রচনা। এই রচনাগুলির মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন তাঁর জীবনাদর্শের সামঞ্জস্য। দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হল, পঠিত পুস্তকের অন্তনির্হিত ভাবধারা তিনি হৃদগত করে নিতেন। থোরো, রাস্কিন এবং টলস্টয়ের জীবনাদর্শের সঙ্গে পরিচিত হয়েই তিনি ক্ষান্ত ছিলেন না; নিজের জীবন ও কর্মে তাদের প্রয়োগ করেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }