Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গান্ধী ও ঈশ্বর – অম্লান দত্ত

    কৈশোরে নাস্তিক্যের প্রান্ত ছুঁয়ে পরবর্তীকালে গান্ধী প্রবেশ করেছিলেন তীব্র আধ্যাত্মিক আকুলতায়। তবে যে—ভাবে কোনো কোনো পুরুষ ঈশ্বরের সাক্ষাৎ দর্শন লাভ করেন বলে আমরা শুনেছি, গান্ধীর জীবনে সে রকম অভিজ্ঞতার কথা জানা যায় না। এ বিষয়ে তাঁর দাবী ছিল সংযত এবং বিনীত। ”তাঁকে আমি দেখিনি, তাঁকে আমি জানি না; তাঁর প্রতি বিশ্বের যে বিশ্বাস, সেই বিশ্বাসকে আমি আপন করে দিয়েছি।” কথাগুলি পাই গান্ধীর আত্মজীবনীতে।

    ঈশ্বরের ব্যক্তিস্বরূপে তাঁর আস্থা ছিল কি না সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। যদিও তিনি মানুষের ভিতর ভগবানকে অনুভব করেছেন, তবু একথাও তিনি বলেছেন, ”ঈশ্বরকে আমি ব্যক্তিরূপে ভাবি না। আমি মনে করি, সত্যই ঈশ্বর, ঈশ্বর এবং তাঁর নিয়ম অভিন্ন। তিনি ও তাঁর নিয়ম সর্বত্র বিরাজ করছে এবং সব কিছু চালিত করছে।” এসব বিষয়ে দুয়েকটি উদ্ধৃতি দিয়ে অবশ্য কিছু প্রমাণ করা কঠিন। একই ব্যক্তি জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এমন অনেক কথা বললেন যার নানা অর্থ করা সম্ভব। তবু এ কথাটা ধরে নিলে ভুল হবে না যে গান্ধীর কাছে ঈশ্বরের অন্বেষণ মানেই হল ঈশ্বরের নিয়মের অন্বেষণ। তিনি চাননি শুধু এক মুহূর্তের কোনো দৈবী অভিজ্ঞতা; তিনি চেয়েছিলেন সেই নিয়ম, সেই অনন্য পন্থা সম্বন্ধে সম্যক বোধ, যার দ্বারা জীবনের সকল কর্মে চালিত হওয়া সম্ভব।

    কী সেই অনন্য পন্থা? গান্ধী এই প্রতীতিতে উপনীত হয়েছিলেন যে, ঈশ্বরের নিয়ম মানেই প্রেমের নিয়ম, সত্যের আহ্বান। তিনি লিখেছেন, ”এই প্রেমের বিধান মানেই হল সত্যের বিধান।” তাঁর দৃষ্টিতে প্রেম এবং সত্য অভিন্ন। তবু সত্য শব্দটিকেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন। কেন?

    তিনি নিজেই তার ব্যাখ্যা দিয়ে গেছেন। মানুষের ভাষায় প্রেম শব্দটির অর্থের হেরফের বড় বেশি। ঈশ্বর এবং তাঁর নিয়ম বলতে নিঃসংশয় এমন দুটি বোঝায় যা সঙ্কীর্ণ নয়, সীমাবদ্ধ নয়। সত্য শব্দটিতে সেই দ্যেতনা আছে। সত্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তবে প্রেম পরম মহত্ব লাভ করে। সত্য থেকে যে—প্রেম বিছিন্ন সাতে সেই অবিশুদ্ধতা নেই, আছে বন্ধন। গান্ধীর পছন্দ ছিল ‘অহিংসা’ শব্দটি। ঐ শব্দটিতে পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে, কারো প্রতি বিদ্বেষ থাকা চলবে না। প্রেমে এই ভাবটা যতো না পরিস্ফুট, অহিংসায় আরো বেশি। ঐতিহ্যের গুণেই হোক, অথবা যে—কারণেই হোক, অহিংসার তেমন অর্থবিকার ঘটেনি ভাব প্রকাশের বাহন হিসেবে ঐ শব্দটি আরো নিরাপদ। গান্ধীর এই রকম মনে হয়েছিল। যাই হোক, সঠিক ভাবটি প্রকাশ করাই হল উদ্দেশ্য। একবার যদি অর্থ পরিষ্কার হয় তারপর প্রেম, অহিংসা, সত্য সব নামই সমান। এর পরও প্রশ্ন উঠতে পারে, সত্যের সঙ্গে ঈশ্বরকে সমার্থক করা হল কেন? গান্ধীর অন্বিষ্ট ছিল সেই সত্য যাতে জীবনের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা যায় আর উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপায় উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়। যাকে আমরা জড় জগৎ বলে জানি তার নিয়ম নিয়ে জীবনের পরম লক্ষ্য স্থির করা যায় না। যে অনুভূতির গভীরে সেই লক্ষ্যকে উপলব্ধি করা যায় সেইখানে যোগ ঈশ্বরের সঙ্গে গান্ধীর সত্যের।

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বই
    ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার সেবা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Books
    বাংলা কবিতা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

    নিরীশ্বরবাদীদের সঙ্গে গান্ধীর পার্থক্য এখান থেকেই বোঝা সহজ। গান্ধী তো ঈশ্বরের দর্শনলাভ করেননি; নিরীশ্বরবাদীরা বলবেন, তবে তার ঈশ্বরের কথা টেনে আনা কেন? ঈশ্বরকে বাদ দিলে থাকে প্রকৃতি। যে প্রেম প্রকৃতি থেকে সঞ্জাত, প্রকৃতির স্পর্শে সে বার বার মলিন হয়ে যায়। গান্ধী একটা আদর্শ প্রেমের কথা বলছিলেন। তাকে কখনও আমরা সম্পূর্ণ করে পাব না। তবু তাকেই আমরা লক্ষ্য বলে মেনে নেব। এটা যেন দেহী মানুষের দেহকে অতিক্রম করে যাবার সংগ্রাম। আমরা কখনও সম্পূর্ণ জয় হতে পারব না। তবু এই সংগ্রামেই মহত্ত্ব। সেই বিশুদ্ধ প্রেম, সেই সত্যকে, গান্ধী নাম দিয়েছিলেন ঈশ্বর। যাঁকে তিনি কখনও সম্পূর্ণ দেখেননি, কিন্তু যাঁকে তিনি জীবনের চেয়েও মূল্যবান বলে জেনেছেন। দুটি কথা একসঙ্গে মনে রাখতে হবে। ঈশ্বরকে প্রেম থেকে আলাদা করে ভাবলে ঈশ্বরও হয়ে পড়েন শীতল, কঠিন, প্রেরণাহীন। আবার প্রেমকে ঈশ্বর থেকে বিচ্ছিন্ন করলে প্রেম হারায় তার শুদ্ধ দিব্যতা।

    গান্ধী বলছেন, জ্যামিতিতে এমন কিছু ধারণা আছে, যেমন বিন্দু, যাকে ছোঁয়া যায় না কিন্তু যা কাজে লাগে; ঈশ্বরও সেই রকমই। গান্ধীর ঈশ্বর—ভাবনার একটা বৈশিষ্ট্য এই থেকে ভালোভাবে বোঝা যায়। গান্ধীর আগ্রহ ছিল মূলত তত্ত্বে নয়, প্রয়োগে। ঈশ্বর অথবা ঈশ্বরের নিয়মকে গান্ধী জানতে চেয়েছিলেন কোনো দার্শনিক সমস্যার সমাধানের জন্য নয়, বরং আমৃত্যু অনুশীলনের ভিত্তি হিসেবে. দার্শনিকরা ব্যাখ্যা খুঁজেছেন; গান্ধী চেয়েছেন প্রয়োগ। একবার কোনো এক খ্রীষ্টান যাজক গান্ধী সঙ্গে দেখা করে এদেশে কী ভাবে কাজ করা ভালো হবে সে বিষয়ে পরামর্শ চান। গান্ধী বলেন, আপনার ধর্ম আপনি পুরোপুরি অনুসরণ করে যান। কিন্তু দেখবেন প্রেমকে যেন করে তুলতে পারেন একটা কার্যকরী শক্তি”। প্রেমই খ্রীস্টধর্মের অথবা সব ধর্মের মূল তত্ত্ব, একথা বলে তিনি থেমে যাননি। প্রেমকে করে তুলতে হবে একটা চালক শক্তি, এই কথাটার উপর তিনি জোর দিয়েছিলেন। গান্ধীর আগ্রহ ছিল কর্মে।

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বই
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ই-বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কুইজ গেম

    খ্রীস্টান ধর্মযাজকদের সঙ্গে গান্ধীর কোনো কোনো বিষয়ে মতবিরোধ ছিল। সে কথাটা এখানে সংক্ষেপে সেরে নেওয়া যাক। মানুষের সেবার জন্য মিশনারী যাজকের যে কাজ করতেন শিক্ষা অথবা নিরাময়ের ক্ষেত্রে, গান্ধী সে কাজকে মূল্য দিয়েছেন। কিন্তু ধর্মান্তকরমের ব্যাপারে তাঁর সংশয় এমন কি আপত্তি ছিল। রামমোহনের সঙ্গে গান্ধীর এখানে মিল আছে। ইংরেজ তখন ক্ষমতার অধিকারী। শাসকশ্রেণী যে ধর্মাবলম্বী তার প্রতি একটা আকর্ষণ থাকে শাসিতদের মধ্যে যার সঙ্গে ঐহিক প্রলোভন জড়িত। ধর্মের মূল বস্তুর চেয়ে সেটাই অনেক সময় বড় হয়ে ওঠে। ধর্মান্তকরণ যেখানে ঈশ্বরের নামে অথচ ঈশ্বরের জন্য নয়, সেখানে তাকে সমর্থন করা যায় না। সামাজিক এবং রাজনৈতিক ভেদাভেদ এবং অন্যান্য জটিলতাও এর ফলে বেড়ে যাওয়া সম্ভব।

    গান্ধীর আরো একটা বক্তব্য ছিল এ বিষয়ে। তিনি মনে করতেন, সব বড় ধর্মের ভিতরই সত্য ও প্রেমের কথা আছে। মূল আদর্শের খোঁজে অন্য কোনো ধর্মে যাবার প্রয়োজন হয় না। অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রক্ষা করতে হবে। কিন্তু নিজের ধর্মের ভিতর থেকেই খুঁজে নিতে হবে সেই আদর্শ যাকে ভিত্তি করে মানুষের সেবা করে যাওয়া সম্ভব। সত্যের অধিকার নিয়ে বিভিন্ন ধর্মের ভিতর প্রতিদ্বন্দ্বিতার কোনো অর্থ নেই। বলা বাহুল্য যে, এ ব্যাপারে গান্ধীর সঙ্গে মিশনারিরা সম্পূর্ণ একমত হতে পারেননি।

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কুইজ গেম
    PDF
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বই

    মিশনারি প্রসঙ্গ ছেড়ে আবার মূল কথায় ফিরে আসা যাক। গান্ধী জোর দিয়েছিলেন তত্ত্বকথার ওপর নয়, কর্মের ওপর। তিনি যে ঈশ্বরজ্ঞান চেয়েছিলেন তাকে তিনি পরীক্ষা—নিরীক্ষার ভিতর দিয়ে প্রয়োগ করতে আগ্রহী ছিলেন নিজের জীবনে এবং সামাজিক ক্ষেত্রে। জ্ঞানই মুক্তি, এই রকম যাঁরা বিশ্বাস করেন তাঁদের তাঁদের কাছে জ্ঞানের সার্থকতা তার নিজেরই ভিতর। অন্য একটা সুর স্পষ্ট করে শোনা গেল আধুনিক যুগের শুরু থেকে। ফ্রান্সিস বেকন বললেন, জ্ঞানই শক্তি। বিজ্ঞানের ফল প্রযুক্তি। বিজ্ঞান মানুষকে দেয় সেই ক্ষমতা যার দ্বারা প্রকৃতিকে সে ইচ্ছামতো কাজে লাগাতে পারে। গান্ধীর কাছেও জ্ঞান অথবা সত্যই শক্তি। কিন্তু এ হল অন্য এক জ্ঞান, অন্য এক শক্তি।

    অবশ্য এদেশে আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে শক্তির কল্পনা এবং পরীক্ষা—নিরীক্ষার ওপর নির্ভর নতুন কথা নয়। যোগ এবং তন্ত্রে সেটা মূল কথা। কিন্তু যোগীরা অনেকেই চেয়েছেন ব্যক্তিগত মুক্তি। গান্ধী তাঁর বোধিলব্ধ শক্তিকে ব্যবহার করতে চেয়েছেন মানুষের বৃহত্তর সমাজে। বুদ্ধের সঙ্গে তাঁর মিল খুঁজে পাওয়া যায়। তবে গান্ধী যে যুগে কাজ করেছেন, যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন, সেই সবই অন্যজাতীয়। কোনো পূর্বসুরীর সঙ্গে তাঁকে তুলনা করা কঠিন। যাকে তিনি সত্যের নিয়ম বলেছেন, সামাজিক ক্ষেত্রে তার প্রয়োগ করতে গিয়ে অনেক সময়েই তাঁকে নতুন পথ তৈরি করে নিতে হয়েছে। এজন্য নিজের জীবন নিয়ে তিনি করেছেন পরীক্ষা—নিরীক্ষা। এটা কিছু আকস্মিক নয়, যে তাঁর আত্মজীবনীর নামকরণ হল, ”সত্য নিয়ে আমার পরীক্ষা”। নিজে পীরক্ষা না করে আপ্তবাক্য গ্রহণ করবার মানসিকতা গান্ধীর ছিল না।

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    ই-বুক রিডার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    সত্যের নিয়ম তিনি কীভাবে বুঝেছিলেন, কীভাবে সেটা প্রয়োগ করতে চেয়েছিলেন, সেই আলোচনাতে এবার আসা যাক।

    গান্ধী চেষ্টা করেছিলেন প্রেম অথবা অহিংসার শক্তিকে নানাভাবে কাজে লাগাতে। প্রেমের একটা আদর্শ রূপ আছে। তার কথা আরম্ভেই বলেছি। সত্যাগ্রহীকে সেটার সঙ্গে পরিচিত হতে হয়, নিজের অনুশীলনের ভিত্তি হিসেবে। কিন্তু প্রেমের যেটা লৌকিক রূপ তা থেকেও তার শক্তি সম্বন্ধে আমরা সচেতন হতে পারি। সমস্ত অপূর্ণতা নিয়েও সেই প্রেমই সমাজকে বেঁদে রেখেছেন। জীবনের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে স্নেহপ্রীতি। আমরা নানা বস্তুর প্রলোভনে আন্দোলিত থাকি বলে প্রেমের শক্তি সম্বন্ধে এই গোড়ার কথাটাও নতুন করে শিখবার প্রয়োজন হয়।

    অথচ বিদ্যুতের মতই প্রেমের এই মৌলিক শক্তির কার্যকারিতা বিষয়ে প্রমাণ দেওয়া কঠিন নয়। একটি শিশুকে যদি জন্মের মুহূর্ত থেকে বঞ্চিত করা যায় স্নেহে স্পর্শ থেকে, তবে তার পক্ষে জীবনধারণ করা অসম্ভব হয়ে ওঠে, আর যদি সে বাঁচে তবু মানুষ হয়ে বাঁচে না। বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রেও এটাই পরীক্ষিত সত্য। তাই সমস্ত দণ্ডের ভিতর এক অসহনীয় দণ্ড নিঃসঙ্গ কারাবাস। সেই ভাগ্যহত ব্যক্তিকে জীবনধারণের অন্যান্য উপকরণ অসহনীয় দণ্ড নিঃসঙ্গ কারাবাস। সেই ভাহ্যহত ব্যক্তিকে জীবনধারণের অন্যান্য উপকরণ যতোই দেওয়া হোক না কেন, মানুষের ঘনিষ্ঠতা, স্পর্শ এবং কণ্ঠস্বর থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়ে তার পক্ষে মনের স্থৈর্য অথবা সুস্থতা রক্ষা করা কঠিন। প্রেমহীন পরিবারও কারাবাসের মতো। প্রেমের শক্তিতেই সমাজ রক্ষা পায়। বহু হিংসা ও বঞ্চনা আমরা চারিদিকে দেখি বটে। কিন্তু হিংসা অথবা বঞ্চনার জোরে সমাজ বেঁচে নেই। যদিও কারো কারো ভিতর প্রেমের শক্তি নির্জীব, তবু এটাই মেনে নিতে হবে, মানবতার একটি মূল উপাদান ভালোবাসা। এই প্রেম কল্পনা নয়, একে সত্য বলে জানতে হবে।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা গল্প
    বাংলা বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Library
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    সব মানুষের ভিতরই একটা তেজ থাকে, শক্তি থাকে। সাধারণত তাকে আমরা শুদ্ধরূপে পাই না, বহু অশুদ্ধ উপাদানের সঙ্গে মিশ্রিত হয়ে প্রবাহিত হয় সেই শক্তি। কিন্তু তাকে অনুশীলনের ভিতর দিয়ে ক্রমে শুদ্ধ করে নেওয়া যায়। এই শুদ্ধ তেজকেই গান্ধী বলছেন আত্মার শক্তি অথবা সত্যের শক্তি। আবার একেই বলা যায় প্রেমের শক্তি। এটাই সঙ্কল্পের শক্তি হয়ে আমাদের নিযুক্ত করতে পারে নানা কাজে। গান্ধী একে প্রয়োগ করতে চেয়েছেন প্রধানত দুই ধারায়; এক, গঠনমূলক কাজে; দ্বিতীয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে। গঠনমূলক কাজের উদাহরণ পাওয়া যাবে শিক্ষায় এবং গ্রামসেবায়। এর উদ্দেশ্য সহযোগিতা এবং আত্মনির্ভরতার ভিত্তি নির্মাণ। গঠনমূলক কাজ আর অন্যায়ের প্রতিরোধ, এ দুয়ের ভিতর গান্ধীর দৃষ্টিতে একটা ঘনিষ্ঠ যোগ আছে। একটিকে বলা যেতে পারে অন্যটির জন্য প্রস্তুতি। কিন্তু সে আলোচনায় এখন আমরা যাব না। অন্যায়ের প্রতিরোধের জন্য গান্ধী যে পদ্ধতি সৃষ্টি করেন, সেটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। এই পদ্ধতির নাম দেওয়া হয়েছে, সত্যাগ্রহ। অন্যায়ের প্রতিরোধের জন্য আত্মার শক্তিকে সংগ্রহ ও প্রয়োগ করার পদ্ধতি সহ্যাগ্রহ।

    সত্যাগ্রহের একটি মূল কথা হল অন্যায়ের সঙ্গে অসহযোগ। যদি অন্যায়ের সঙ্গে সহযোগিতা করাও অন্যায়, তবু অন্যায়কারীর প্রতিও আমাদের ভালোবাসা রক্ষা করতে হবে। অহিংসার নিয়ম এই যে, কারো প্রতি হিংসা করা চলবে না, অন্যায়কারীর প্রতি নয়। এটা হঠাৎ অসম্ভব মনে হতে পারে, আমরা সবাই কিন্তু একটা ছেটো সীমার ভিতর করে থাকি। মা যখন ছেলের অন্যায়ের পথ রোধ করে দাঁড়ান তখন ভালোবাসা রক্ষা করেই প্রকাশ পায় তাঁর সেই বিরোধিতা। আমরা যাদের যথার্থ ভালোবাসি তাদের প্রতি এই রকম আচরণই করে থাকি। এটা মনুষ্যত্বের নীতি। ক্রোধকে অক্রোধের দ্বারা জয় করার কথা বুদ্ধ বলেছেন। খ্রীস্টের প্রেমের বাণীর সঙ্গেও আমরা পরিচিত। গান্ধীর বৈশিষ্ট্য এইখানে যে পরিবারের অথবা সম্প্রদায়ের ছোটো সীমা থেকে উদ্ধার করে তিনি সমাজের বৃহৎ ক্ষেত্রে সেই নীতি প্রয়োগ করতে চেয়েছেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    ই-বুক রিডার
    PDF
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    সত্যাগ্রহীর দৃষ্টিভঙ্গীতে তিনটি মূল ধারণাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এক, অন্যায় আত্মনির্ভর নয়, সে পরজীবী। দ্বিতীয়, কোনো মানুষই মানবশূন্য নয়। তৃতীয় মানুষের নির্জীব মানবতাকে জাগিয়ে তোলা যায় ত্যাগের ‘ভিতর দিয়ে, স্বেচ্ছায় আঘাত গ্রহণের ভিতর দিয়ে। এই কথাগুলির সামান্য ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

    গান্ধী বলেছেন, ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আমরা অন্যায়ের সঙ্গে সহযোগিতা করি বলেই অন্যায় সম্ভব হয়। শোষণ সম্ভব হয় না যদি শোষিত সবাই শোষণকারীর আজ্ঞা পালন করতে দৃঢ়ভাবে অস্বীকৃত হয়। এই অর্থেই বলা হয়েছে যে, অন্যায় পরজীবী। সত্যাগ্রহীর প্রথম কর্তব্য অন্যায় শর্ত গ্রহণ না করা, অন্যায় পরজীবী। সত্যাগ্রহীর প্রথম কর্তব্য অন্যায় শর্ত গ্রহণ না করা, অন্যায় নিয়ম অমান্য করা, তাতে যত আঘাতই আসুক না কেন। অসহযোগ অনেক ক্ষেত্রে কঠিন কাজ। কিন্তু অসহযোগ যদি সম্পূর্ণ হয় তবে সাফল্য সুনিশ্চিত। অন্যয়াকারীর ইচ্ছা সেখানে ব্যর্থ হতে বাধ্য। কারণ সেই ইচ্ছাকে সাফল্য সুনিশ্চিত। অন্যায়কারীর ইচ্ছা সেখানে ব্যর্থ হতে বাধ্য। কারণ সেই ইচ্ছাকে কার্যকরী করবার উপায় আর তখন থাকে না।

    সব মানুষের ভিতরই মানবতা, অর্থাৎ মানবিক প্রেম ও সহানুভূতির সম্ভাবনা বর্তমান। এ বিষয়টা একটু আগেই একবার আলোচনা করা হয়েছে। মানুষ মানুষের দুঃখ বেদনায় সহানুভূতির বোধ করে এটাই স্বাভাবিক, এটাই মানুষের ধর্ম। সত্যাগ্রহী দুঃখ বরণের দ্বারা অন্যায়কারীর ভিতরও সেই মানবতাকে উজ্জীবিত করেন। সত্যাগ্রহীর মনে যদি হিংসা থাকে তবে স্বভাবই তিনি একাজে সফল হবেন না। ভয়ে নয় নির্ভয়ে, হিংসায় নয় অহিংসভাবে, সত্যাগ্রহী সংগ্রাম চালিয়ে যান। অন্যায়ের সঙ্গে অসহযোগ ও দুঃখবরণই হল তাঁর অস্ত্র। এটাও একরকম যুদ্ধ, তবে এ যুদ্ধ ত্যাগ এবং অহিংসার শক্তি নিয়ে।

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    Library
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা লাইব্রেরী
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা কমিকস

    প্রশ্ন উঠেছে, সত্যাগ্রহীরও তো বিচারে ভুল থাকতে পারে। যেটাকে তিনি অন্যায় মনে করছেন, এমন তো হতে পারে যে সেটার তাঁরই বোঝার ভুল। গান্ধী স্বীকার করছেন যে, সব মানুষেরই ভুল হতে পারে, সত্যাগ্রহীরও। তিনি বলছেন যে, অহিংস প্রতিরোধ এই কারণেও শ্রেষ্ঠ। যদি কোনো ভুল থাকে তবু সত্যাগ্রহীর প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে তিক্ততা থাকে না। জয়ে এবং পরাজয়ে উভয় ক্ষেত্রেই একটা সদিচ্ছার সৌন্দর্য থাকে।

    আবার বলা হয়েছে যে, অহিংস প্রতিরোধেও এক ধরনের জুলুম আছে; এতে প্রতিপক্ষের উপর দৈহিক বলপ্রয়োগ করা হয় না সত্য, কিন্তু মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। কথা বিচার করে দেখা যেতে পারে। অহিংস প্রতিরোধও যেহেতু এক ধরনের যুদ্ধ, অতএব এতে শক্তির প্রয়োগ আছে। তবে গান্ধী এটাও বলেছেন যে, বিবাদ থাকলে প্রথমেই অসহযোগের দিকে যাওয়া উচিত নয়, আলোচনার পথেই যথাসম্ভব বিবাদের মীমাংসা করে নেওয়া সমীচীন। অন্য সব উপায় ব্যর্থ হলে তবেই সত্যাগ্রহী ব্যবহার করবে তাঁর শেষ অস্ত্র। যদি সত্যাগ্রহী সত্যের নিয়ম অনুযায়ী নিজেকে চালিত করতে সক্ষম হন তবে প্রতিপক্ষের হৃদয়ের পরিবর্তন হবে। সেই পরিবর্তনে প্রতিপক্ষেরও কোনো হীনতা নেই। তবে মানুষের সব প্রচেষ্টার মতোই এখানেও সত্যাগ্রহীর কোনো ত্রুটি থেকে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আন্দোলনের পরিণামেও সেই ত্রুটি প্রতিফলিত হবে। পরবর্তী কোনো পর্যায়ে তারই সংশোধনের জন্য হয়তো নতুন করে সংগ্রাম শুরু হবে। মূল কথাটা তা হলে এই। অন্যায়ের প্রতিরোধের জন্য অস্ত্র চাই। কিন্তু সে অস্ত্র এণন হওয়া চাই যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ তার পরিণামে আবার নতুন অন্যায়ের সৃষ্টি না হয়। হিংসার চক্র হিংসা দিয়ে শেষ করা যায় না। গান্ধী অহিংস প্রতিরোধের পথ ও পদ্ধতি তৈরি করলেন। তাতে কতটা সাফল্য আসবে সেটা নির্ভর করবে পরিপার্শ্ব এবং প্রয়োগকর্তার যোগ্যতার ওপর। যেমন সমাজকে তেমনি নিজেকেও সত্যাগ্রহী ক্রমশ শোধন করে চলেন। সব সত্যশোধনেরই এটা স্বাভাবিক নিয়ম।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা কুইজ গেম
    বই পড়ুন

    গান্ধী বলেছেন, তাঁর জীবনই তাঁর বাণী। ভাষা দিয়ে বাণী রচনা তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন না এমন নয়। বস্তুত তাঁর ভাষায় এমন পরিচ্ছন্নতা, এমন দার্ঢ্য এবং মাধুর্যের সমন্বয় ছিল যে, অনেকের কাছেই সেটা বিস্ময়ের বস্তু। তবু তিনি বলবার অধিকারী ছিলেন যে, ভাষ্য নয়, তাঁর জীবন দিয়েই তিনি বাণী রচনা করেছেন। অহিংস যুদ্ধের তিনি শুধু তাত্ত্বিক অথবা ব্যাখ্যাতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন অন্তত অর্ধশতাব্দীকালব্যাপী তার অক্লান্ত প্রয়োগকর্তা। সেই অহিংস যুদ্ধেই তিনি প্রাণদান করেছিলেন। এমন নির্ভীক যোদ্ধা বড় দেখা যায় না। কিন্তু সেটাও প্রধান কথা নয়। প্রধান কথাটা বুঝতে হয় আমাদের যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে।

    হিংসার যুদ্ধে মানুষ বহু শতাব্দী ধরে অভ্যস্ত। যতদিন মানুষের হাতে অস্ত্র ছিল সামান্য, ততদিন সেই যুদ্ধ ভয়াবহ হলেও মানুষের পক্ষে মারাত্মক হয়ে ওঠেনি। ক্রমে মানুষের হাতে এল হিংসার এমন অস্ত্র যে, তার ব্যবহারে যদি সংযম না আসে, যদি শতাব্দীব্যাপী হিংসায় অভ্যস্ত মনের সঙ্গে সংযোগ ঘটে নব আযত্ত ধ্বংসের শক্তির, তবে মানুষের সভ্যতার আয়ু শেষ হয়ে এসেছে বলা ছাড়া উপায় থাকে না। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে এলেন গান্ধী। হিংসার পথ ছাড়া কি অন্য পথ আছে? গান্ধী বললেন, আছে। তাঁর জীবন দিয়ে তিনি পরীক্ষা করে দেখালেন যে, হিংসাই একমাত্র পথ নয়। আণবিক বোমা যখন ধ্বংসের মূর্তি নিয়ে দেখা দিল ইতিহাসের ভয়ার্ত রঙ্গমঞ্চে, গান্ধী তখন মানুষের কাছে তুলে ধরলেন বহু কষ্টে অর্জিত তাঁর এই মৃত্যুঞ্জয়ী আশার বার্তা, অন্য পথ আছে। ভিন্ন দেশের ভিন্ন ধর্মের নেতারা বলেছেন, এ যেন ভগবানের বাণী। তাঁর জীবন মানুষের কাছে দৈব আশীর্বাদ। গান্ধী ঈশ্বরকে দেখেননি। কিন্তু বহু মানুষের এই বিশ্বাস, ঈশ্বরই তাঁর ভিতর দিয়ে মানুষকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা উপন্যাস
    Books
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা বই
    সাহিত্য পত্রিকা

    গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ (১৯৮৬)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }