Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাত্মা – অতুলচন্দ্র গুপ্ত

    মানুষের ইতিহাসে হঠাৎ কখন এমন মানুষের আবির্ভাব হয় যাঁর জীবন মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্বন্ধের ধারণা ও অনুভূতিকে প্রচলিত স্তর থেকে অন্য স্তরে নিয়ে উপনীত করে। পশুর বংশে মানুষের জন্ম। এবং আদিম মানুষ বুদ্ধিমত্তা ও শারীরিক গড়নের বিশেষত্ব ছাড়া যে উঁচু শ্রেণির পশু থেকে আরও কিছুতে খুব ভিন্ন রকমের ছিল তা অনুমান করার কারণ নাই। মনের যেসব প্রবৃত্তি ও প্রেরণাকে সভ্য মানুষ সংক্ষেপে বলে হৃদয়বৃত্তি, তার অভাব দলবদ্ধ পশু ও দলবদ্ধ আদিম মানুষের সমান ছিল। নিতান্ত জৈবিক প্রয়োজনে যেসব সহজাত হৃদয়বৃত্তি, যেমন শিশু—অপত্যপরায়ণতা, কি দলের মধ্যে একটা সীমাবদ্ধ অবৈরতা আদিম মানুষের সমাজে অবশ্য ছিল। পশুর সমাজেও ছিল এবং আছে। তার বাইরে ছিল অবাধ নিষ্ঠুরতা—জীবনের প্রয়োজনে প্রকৃতির দান। এবং এ প্রয়োজনে প্রকৃতি যা দেয় তা প্রয়োজনের অতিরিক্ত করেই দেয়। তার বুদ্ধির সঙ্গে যোগ হয়ে মানুষের কৌশলী ক্রুরতা পশুর উগ্র ক্রুরতার চেয়ে ভীষণতর ছিল। আদিম মানুষের এই সমাজ দেশে দেশে সভ্য সমাজে পরিণত হয়েছে বহু হাজার বছরে। জৈবিক নিষ্ঠরতা মানুষ দমন করতে চেয়েছে গোপন করতে চেয়েছে, রূপান্তর করতে চেয়েছে বহু উপায়ে। মানুষের মানুষে শুধু অবৈধ ভাব নয়, মৈত্রী ও প্রীতি মনে জাগাতে চেয়েছে, শেষ পর্যন্ত বলেছে ‘মা হিংসীঃ সর্বভূতনাম’—কোনও প্রাণীকেও হিংসা করবে না, সকল প্রাণীর সঙ্গেই সম্পর্ক মৈত্রী ও প্রীতি সম্পর্ক। কেমন করে সম্ভব হল? ধীরে ধীরে এ পরিবর্তন এসেছে, অনেক হাজার বছর ধরে। কিন্তু সুদীর্ঘকাল আদিম মানুব সমাজের অবশ্যম্ভাবী অপৌরুষেয় পরিণতি এ নয়। এ পরিবর্তন এসেছে একদল অসাধারণ জীবন ও কর্মের ফলে। যখন কোনও সমাজের ধর্মবুদ্ধি অন্য সামাজিকের প্রতি কর্তব্যবুদ্ধির মান এক গ্রাম উপরে উঠে তার মূল্যে থাকে সে সমাজের কোন্য অসাধারণ মানুষের কল্পনা, কর্ম ও জীবন। ধর্ম ও কর্তব্যের নূতন আদর্শ তাঁর মনেই উদয় হয় এবং তাঁর কথায়, কর্মের ও জীবনে রূপ নেয়। এ নূতন আদর্শকে সাধারণ মানুষ তাদের জীবনে কতক নিতে পারে, কতক পারে না। কখনও তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। গদানুগতিকতার শত্রু ও শান্তিঘাতী এ আদর্শকে পিষে মারতে চায়। কিন্তু এ নূতন আদর্শ একবার প্রকট বলে পূরাতন জীবনের দ্বিধাহীন অঙ্গীকার অসম্ভব হয়। ধীরে বা ত্বরায় এ আদর্শের শ্রেষ্ঠত্ব সমাজের বহুজন মেনে নেয়, সে আদর্শ পালনের চেষ্টায় ত্রুটি যতই থাকুক। নানা সমাজের এইসব অসাধারণ মানুষের পরম্পরা আদিম নিষ্ঠুরতাকে ঘুচিয়ে সমাজকে ধাপে ধাপে নিয়ে গেছে মৈত্রী ও প্রীতির পথে;সমাজের মনে জাগিয়েছে নূতন নূতন ধর্মবোধ ও কর্তব্যবুদ্ধি। মানুষের সভ্যতার সুদীর্ঘ ইতিহাসে যাঁরা অপেক্ষাকৃত নবীন সেসব অসাধারণ মানুষের নাম ও পরিচয় আমরা কতক জানি। মহান তাঁদের মহাত্মা—প্রসারের প্রাচুর্যে ও অনুভূতির গভীরতায়। তাঁর আত্মা। মহাত্মা গান্ধী এই অসাধারণ মানুষ পরম্পরার একজন। সেই বংশে তাঁর জন্ম। তাঁর লৌকিক বংশ পরিচয় অবাস্তব।

    সে যুগ মহাত্মা গান্ধীর জন্মকাল ও কর্মকাল সকল সভ্য সমাজে স্বীকৃত হয়েছে। তোমার প্রতিবেশীকে ভালবাসবে নিজেকে যেমন ভালোবাসো; তার সঙ্গে তোমার সম্বন্ধ মৈত্রীর সম্বন্ধ। এ আদর্শ পালনে সভ্য মানুষের বিচ্যুতির অন্ত নেই। কিন্তু এ আদর্শের শ্রেষ্ঠত্বকে অস্বীকার স্বাভাবিক অবস্থায় অল্প লোকেই করে। একে সম্পূর্ণ পালনের সামর্থ্যকে স্বীকার করে স্বার্থ ও প্রবৃত্তির ভিন্নমুখী টানকে প্রতিরোধের ইচ্ছার দুর্বলতার ফল বলেই। কিন্তু এ যুগে মানুষে মানুষে সম্বন্ধের যে আদর্শের দৈন্য প্রকট হয়ে উঠেছে এবং মানুষকে যা ভয়চকিত করছে সে হচ্ছে একদল মানুষের সঙ্গে অন্যদল মানুষের সম্বন্ধের আদর্শ, ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির নয়, দলের সঙ্গে দলের সম্বন্ধের আদর্শ। মানুষ নানা দল বাঁধতে বাধ্য হয়েছে—গোষ্ঠী, রাষ্ট্র, মহারাষ্ট্র, ধর্মমণ্ডল, ধর্মমহামণ্ডল পৃথিবীতে টিকে থাকার প্রয়োজনে, পশুর জীবনকে সভ্য মানুষের জীবনে পরিণতির জন্যে। কিন্তু দাম না দিয়ে কিছু পাওয়া যায় না। দল বাঁধা অর্থই অন্য দল থেকে পৃথক হওয়া, তাকে দূরে রাখা প্রতি দলের মানুষের দলের মধ্যে সম্বন্ধের আদর্শ মৈত্রী। এক দলের সঙ্গে অন্য দলের সম্বন্ধের আদর্শ কি? আমাদের দেশের ধর্ম শাস্ত্রকার সর্বদলের আচরিত এ আদর্শ সরল কথায় প্রকাশ করেছে—স্বরাষ্ট্রে হবে ন্যায়বৃত্ত আর পররাষ্ট্রকে করবে পীড়ন। ”স্বরাষ্টে ন্যায়বৃত্তঃ স্যাদভৃশদণ্ডশ্চ শত্রুষু”। ভাষ্যকার বলে দিয়েছেন শত্রু অর্থ পররাষ্ট্র। দলের সঙ্গে দলের এই শত্রুতাকে অবলম্বন করে কবিরা মহাকাব্য রচনা করেছেন, চারণেরা বীরগাথা গেয়েছেন, ঐতিহাসিক ইতিহাস লিখেছেন, জনসাধারণ বিজয়ীকে জয়মাল্য পরিয়েছে, তাকে মাথার মুকুট করে রেখেছে। মানুষের আদিম নিষ্ঠুরতার এই রূপান্তরকে পরম সম্মানের আসনে মানুষ বসিয়েছে।

    কিন্তু এই কবিত্ব, গাথা ও জয়ধ্বনির মধ্যে আজকের মানুষকে থমকে দাঁড়াতে হয়েছে। মানুষের বুদ্ধি দলের সঙ্গে দলের দূরত্বকে কমিয়ে কমিয়ে পৃথিবীতে অতি ছোট করে এনেছে এবং অনেক দলের হাতেই এমন মারণ অস্ত্র দিয়েছে যে, যুধ্যমান দুই দলের পরস্পর পরস্পরকে প্রায় নিশ্চিহ্ন করার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উপায় কি? নানা দলের যারা রাষ্ট্রনেতা তারা পরামর্শ সভা ডাকছেন। জটিল নিয়ম ও শৃঙ্খলার সমিতি গড়ছেন যাতে দলের সঙ্গে দলের স্বার্থের বিরোধ অস্ত্র সংঘাতের সীমায় যেয়ে না পড়ে। তার ভীষণ পরিণামের কথা সকলে সকলকে বোঝাচ্ছেন। নানা দলের এক বড় দল নানা দলের অন্য বড় দলকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রচণ্ড শাস্তির কথা স্মরণ করিয়ে সাজাচ্ছেন। ভয়ের ভয়ে যাতে সব দল শান্তি রক্ষা করে। এই সমস্যায় মহাত্মা আনলেন দলের সঙ্গে দলের সম্বন্ধের নূতন আদর্শ। যে সম্বন্ধ শত্রুতার নয়, সর্বনাশের ভয়ে অবৈরতার নয়, যে সম্বন্ধ মৈত্রীর সম্বন্ধ। দূরদর্শী স্বার্থের হিসাব নিকাশের সম্বন্ধ নয়, হৃদয়ের প্রীতির সম্বন্ধ। তত্ত্ব হিসাবে এ আদর্শ হয়তো একেবারে নূতন নয়। কিন্তু আদর্শ যতদিন তত্ত্বমাত্র থাকে ততদিন তা থাকে দার্শনিকের চিন্তার বস্তু, সাহিত্যিকের সাহিত্যের উপাদান। মানুষের ইচ্ছাকে তখনই তা প্রবাহিত করে যখন কোনও অসাধারণ মানুষের জীবনে ও কর্মে তা রূপ নেয়। এ আদর্শ মূর্তি নিয়েছে মহাত্মা গান্ধীর জীবনের সাধনায়, তাঁদের প্রতি কর্মানুষ্ঠানে। বুদ্ধিমান এ আদর্শকে বলেছে অব্যাবহারিক। আজকের বাস্তব জগতে প্রয়োগের অযোগ্য। অত্যন্ত স্বাভাবিক। কারণ এ আদর্শ হচ্ছে সভ্যতার এক স্তর থেকে মানুষকে সভ্যতার অন্য স্তরে ওঠার চেষ্টার আহ্বান। নিশ্চয়ই পূর্ব পূর্ব কালে যখন মহাত্মারা সামাজিকের সঙ্গে সামাজিকের সম্বন্ধের অবৈরভাব বাহ্য আচরণকে অন্তরের মৈত্রীতে পরিণতির আদর্শের কথা বলেছেন তখন বুদ্ধিমানেরা তাকে বলেছেন অবাস্তব। মানুষের সমাজে যা কিছু নূতন এসেছে আসার পূর্বে তা ছিল অবাস্তব। বস্তুরূপে তার অস্তিত্ব ছিল না। মহাপুরুষের কল্পনায় ও ধ্যানে মাত্র তারা ছিল। কিন্তু বর্তমানের চেয়ে মানুষের সম্বন্ধের শ্রেষ্ঠতর আদর্শ যখন মহামানুষের জীবনে রূপ পরিগ্রহ করে তখন তাহাকে অগ্রাহ্য করে মানুষ আর শান্তি পায় না। মহাত্মা গান্ধী দলের সঙ্গে দলের যে নূতন আদর্শকে তাঁর জীবনে রূপ দিয়েছেন তাকে অসম্ভব বলে দূরে রাখা মানুষের আর সম্ভব নয়। মানুষের মনে ও ইচ্ছায় তার ক্রিয়া আরম্ভ হয়েছে। সে আদর্শে পৌঁছিবার অক্ষমতা ও তা থেকে বিচ্যুতি মানুষের মনকে পীড়া দিতে থাকবে।

    মহাত্মা গান্ধী মানুষের মানুষের সম্বন্ধ সম্পর্কে নানা উপলক্ষে একটা কথা বলেছেন—Change of heart, মনের অনুভূতিকে নূতন গড়ন দেওয়া। যাঁরা মহাত্মা মহামানব সভ্যতার ইতিহাসে এইটি তাঁহাদেরই দান। বাহ্যিক কর্তব্যনিষ্ঠায় ও সম্যক আচরণে তাঁদের তৃপ্তি নেই। তাঁরা চান মানুষের অন্তরকে পরিবর্তন করতে যাতে কর্তব্যপালন ও সদাচার হয় মনের স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ। বাইরের কোনও শক্তির সমাজের কি রাষ্ট্রের বাধ্যকর নিয়মের অনুবর্তিতা নয়। রাষ্ট্রের মধ্যে ব্যক্তিগত যে অহিংসা আচরণ আজ সকল সভ্য সমাজের স্বাভাবিক অবস্থায় মোটের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার একটা বড় কারণ রাষ্ট্রের শাসন, ব্যতিক্রমে দণ্ডময়। আমাদের ধর্মসংহিতাকর রাষ্ট্রের এই অতন্ত্র উদ্যত দণ্ডকে স্তুতি করেছেন। ব্রহ্মতেজোময় এই দণ্ডের ভয়েই লোকে স্বধর্ম থেকে বিচলিত হয় না। এই দণ্ড না থাকলে বলবান দুর্বলকে পুড়িয়ে মারত, শূলে যেমন মাছ পোড়ায়। এই দণ্ডই সকলকে সুপথে রাখে, কারণ স্বভাবতই শুচি এরকম মানুষ দুর্লভ। ”সর্বোদণ্ডজিতো লোকো দুর্লভো হি শুচির্ণরঃ।” পৃথিবীর যাঁরা মহাপুরুষ মহাত্মা তাঁরা চেয়েছেন মানুষের মনকে এই স্বভাবশুচিতার দীক্ষা দিতে। তাঁদের জীবন ও কর্মের ফলে যদি সমাজের বহুমানুষের মধ্যে চিত্তের এই শুচিতা অল্পবিস্তর না আসত তবে রাষ্ট্রের দণ্ড ব্রহ্মতেজে তৈরি হলেও সামাজিক মানুষকে অহিংস্র পথে রাখার চেষ্টা ব্যর্থ হত মহাত্মা গান্ধী মানুষকে এই স্বভাব—শুচিতায় দীক্ষা দিতে চেয়েছেন ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সম্বন্ধে ক্ষেত্রেই নয় দলের সঙ্গে দলের সম্বন্ধের ক্ষেত্রে। মানুষের উপর এত বড় দাবি ইতিপূর্বে হয়নি, মানুষের স্বভাবের উপর এত বড় ভরসা পূর্বে কেউ পোষাণ করেনি। এ আদর্শের বাস্তব সম্ভাবনার পরীক্ষা মানুষের ইতিহাসে অবশ্য হবে। কিন্তু সে পরীক্ষায় কিছুটা উত্তীর্ণ না হলে কোন বিশ্ব—সমিতি, কোনও নিয়ম—শৃঙ্খলার কৌশল, কোনও সর্বনাশের ভয় দলের সঙ্গে দলের সংঘর্ষ, যার পরিণাম আজ সবাই জানে জিতজেতা নির্বিশেষে ভয়াবহ, তাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।

    মহাত্মা জন্মেছেন ভারতবর্ষে। তাঁর প্রথম জীবন ছাড়া বাকি জীবনের কর্মস্থল এই ভারতবর্ষ। বিদেশির শাসন থেকে ভারতবর্ষকে মুক্ত করা তাঁর কর্মজীবনের সবচেয়ে প্রত্যক্ষ বড় কাজ। মহাত্মা ইংরেজকে বলেছেন—Quit India। কিন্তু তাকে ভারতবর্ষ ছাড়তে যে বলের প্রয়োগ করেছেন, যে পথ ভারতবাসীকে দেখিয়েছেন, তা সহজেই মানুষের ইতিহাসে অভূতপূর্ব। ভারতবর্ষের ইংরেজ শাসন থেকে মুক্তি কতটা মহাত্মার প্রদর্শিত পথে চলার ফল, কতটা অন্য নানা অবস্থার ষড়যন্ত্রের ফল, কতটা অধীন দেশ বিদেশি শাসকের বিরুধে চিরাচরিত যেসব উপায় প্রয়োগ করে তার প্রয়োগের ফল—এ নিয়ে অনেক তর্কের অবসর আছে। এই ঐতিহাসিক ঘটনার কার্যকারণের সূক্ষ্ম বিচার নানা দেশের ভবিষ্য ঐতিহাসিকেরা অবশ্য করবেন। এবং বহুরকম পরস্পর বিরুদ্ধ সিদ্ধান্তে পৌঁছবেন। কিন্তু এক বিষয়ে তর্কের অবসর নেই। সে হচ্ছে এ ব্যাপারে মহাত্মার নিজের আদর্শ—সম্বন্ধে। তিনি বর্জিত জাতির লোক, বলদর্পিত জেতাকে বলেছেন দেশ ছেড়ে যেতে। কিন্তু ইংরেজ জাতির উপর তাঁর ক্রোধ নেই, ঘৃণা নেই, তাঁর অহিত কামনা নেই। অক্রোধ দিয়ে ক্রোধকে জয় করার ব্যক্তিগত নীতিকে তিনি সবচেয়ে কঠিন রাষ্ট্রনীতিতে প্রয়োগ করেছেন—পরাধীন দেশের স্বাধীনতাহারী দেশের সঙ্গে মুক্তির যুদ্ধে। এর চেয়ে অসম্ভব ও অবাস্তব আর কী হতে পারে? কিন্তু এ অবাস্তবকে আমরা দেখেছি চোখের সামনে মূর্তি নিতে—মুক্তি—যুদ্ধের স্বয়ং সেনাপতির মধ্যে।

    মহাত্মার ছোট বড় সকল কাজের মূলমন্ত্র দলের গণ্ডি ভাঙার মন্ত্র, ছোট বড় সকল গণ্ডি। রাষ্ট্রের গণ্ডি ধর্মের গণ্ডি, বর্ণের গণ্ডি, ধনবৈষম্যের গণ্ডি, বলী—দুর্বলের গণ্ডি। গণ্ডি দূর হলেই থাকে মানুষ, গণ্ডির আবরণ মুক্ত ঠিক অন্য গণ্ডির মানুষের মতো একই মানুষ, যার সঙ্গে স্বাভাবিক সম্বন্ধ। মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্বন্ধ—মৈত্রীর ও প্রীতির সম্বন্ধ। মহাত্মার রাষ্ট্রনীতি, সমাজনীতি, ধনতন্ত্র এই গণ্ডিমুক্ত মানুষকে ঘিরে। কোন নীতির কী ফল ফলবে গণ্ডিনিরপেক্ষ মানুষের জীবনে তাই দিয়ে তার বিচার। তত্ত্বকথা দিয়ে নয়, জনসমষ্টি নাম দিয়ে, দেশ না নাম দিয়ে কল্পনাকে মানুষের জায়গায় দাঁড় করিয়ে নয়। মানুষ সত্য, তাকে ঢেকে তার উপরে দল বলে কোনও বড় সত্য নেই।

    মহাত্মা গান্ধী ভারতবর্ষে জন্মেছিলেন। আমরা ভারতবাসী তাঁর স্বদেশি। আমাদের বহু পুণ্যের ফল, আমরা তাঁকে চোখে দেখেছি, তাঁর কথা কানে শুনেছি। হাজার বছর পরের লোক আমাদের এ সৌভাগ্যকে ঈর্ষা করবে। কিন্তু মহাত্মার ভারতর্ষের জন্ম একটা ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক ঘটনা মাত্র। মানুষের সমস্ত সভ্যতার ইতিহাসের মধ্যে তাঁর প্রতিষ্ঠা। যেখানে তাঁর মৈত্রীর আদর্শ মানুষকে অনুপ্রেরণা অনুপ্রেরণা দেবে, সভ্যতাকে এক ধাপ উঁচুতে তুলবে সেইখানেই তাঁর যথার্থ—স্বদেশ। ভারতবাসী ছিলেন বলে ভারতবাসীর তাঁর উপর স্বতন্ত্র দাবি নেই। পৃথিবীর সভ্যতার প্ররিক্ষেপিতে তাঁকে দেখাই যথার্থ দেখা। আমাদের নিজের ঘরের কোনও ঘরোয়া মাপে তাঁকে মাপার চেষ্টা করে নিজেরা যেন ছোট না হই।

    ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮

    সংগঠন। ১ম বর্ষ। দশম সংখ্যা। ১৩৫৪

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }