Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গান্ধীবাদ ও কুটীরশিল্প – মনকুমার সেন

    ‘বাদ” বা ”ইজম” বলতে আমরা কোন ব্যক্তি দল বা গোষ্ঠীবিশেষের যে বিশেষ মতবাদ বুঝে থাকি, ”গান্ধীবাদ” এরূপ কোন ”বাদ” নয়। আগত ও অনাগত কালের সর্বদেশের সকল মানুষের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য সত্য, প্রেম ও অহিংসার শাশ্বত ভিত্তির উপর পৃথিবীতে তাহাই ”গান্ধীবাদ” নামে খ্যাত। মহাকর্মী গান্ধীই এই কর্মনীতির দ্রষ্টা ও স্রষ্টা, তাই আমরা একে ”গান্ধীজম” বলে থাকি, নতুবা এই কর্মনীতিকে আমরা ‘হিউম্যানিজম’ বা ”মানবতাবাদ” বলে আখ্যাত করলেও, কিছু মাত্র ভুল হবে না। আধুনিক সভ্যতার ও অভ্যস্ত চিত্রাধারাকে গন্ডীমুক্ত করে মানবজীবনকে প্রকৃত সুখ ও কল্যাণের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই গান্ধীবাদের উদ্দেশ্য। যন্ত্রের উন্মাদনা থেকে মুক্ত হয়ে মানুষ সত্যিকারের মানুষ হয়ে উঠুক, তার প্রতিভা তার মানবীয় বৃত্তিগুলো স্বভাব—স্ফূর্ত হবে তার জীবনকে সর্বতোভাবে কল্যাণমুখী করে তুলুক গান্ধী—দর্শনের ইহাই গোড়ার কথা। মহাভারতের ইতিহাসের সত্য, প্রেম, অহিংসা কিছু নূতন কথা না হলেও মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে সর্বদাই তার বাস্তব প্রয়োগ সম্ভব এবং সে প্রয়োগের কল্যাণময় পদ্ধতিমানুষের সহিত মানুষের ব্যবহারে, জাতির সহিত জাতির সম্পর্কে রাজনীতি, অর্থনীতি প্রভৃতি সকল বিষয়ে শাশ্বত কল্যাণের প্রতিষ্ঠা করতে পারে— এই অভিনব কলা কৌশলের প্রথম প্রবর্তক ও সার্থক প্রয়োগকারী গান্ধী। এই পদ্ধতির, এই পথের গতিভঙ্গী, রীতি, কর্মকৌশল সকলেই চিরাচরিত পথ থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। তাই চলতি মাপকাঠিতে সেই পদ্ধতিকে বুঝতে গেলে, সেই পথের হিসাব নিতে গেলে সেটা শুধু হেঁয়ালীরাজ হয়েই দাঁড়াবে এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। তাই ‘গান্ধীবাদ’ অনেকের কাছেই একটা হে’য়ালী, একটা অতি অসম্ভব এক্সপেরিমেণ্ট ছাড়া আর কিছুই নয়। গান্ধীজী ছিলেন কর্মযোগী, ‘গান্ধীবাদ’ আগাগোড়া কর্মের সুরে গাঁথা। এই কল্যাণ কর্মসাধনা করতে হলে ত্যাগ চাই, ভোগীর মোহ ছাড়িয়ে ত্যাগীর উদারদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়া চাই। আজিকার দিনের জগতে মানুষের কর্ম—চাঞ্চল্য, জ্ঞান—বিজ্ঞানের নব নব বিকাশ, সৃষ্টির বহুতর বৈচিত্র্য সব কিছুর দৃষ্টি ভোগের প্রতি নিবদ্ধ। ভোগ্যবস্তুর পরিমাণ বাড়িয়ে মানুষের নিত্য নুতন চাহিদা মিটানোই আধুনিক কর্ম—প্রচেষ্টার অন্তিম লক্ষ্য। সেখানে মানুষের চাইতে মানুষের ভোগের ও বিলাসের উপকরণ, জীবনের চাইতে জীবনযাত্রার মান— ‘স্ট্যান্ডার্ড অব লাইফ—এর চাইতে স্ট্যান্ডার্ড অব লিভিং প্রেয় ও শ্রেয়ঃ। সুতরাং এ যুগের দৃষ্টিতে ‘গান্ধীজম’ স্বভাবতঃই একটি অতিঅসম্ভব হেঁয়ালী।

    গান্ধীজীর অর্থনৈতিক মতবাদ আধুনিক নীতিবিবর্জিত অর্থনীতির আপোষহীন প্রতিবাদ। মানুষের শাশ্বত আপোষহীন প্রতিবাদ। মানুষের শাশ্বত সুখ ও কল্যাণের পথ আধুনিক অর্থনীতি নির্দেশ করতে পারে নি, করেছে চবখাকেন্দ্রিক গান্ধীজীর গঠন—কর্মসূচী!

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    সেবা প্রকাশনী বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বই
    Books
    অনলাইন বুক

    আধুনিক অর্থনীতির মূল কথা মুনাফা। অগ্রে পণ্যের উৎপাদন করে তৎপর তার চাহিদার সৃষ্টি করা এবং এমনি করে বহুলোক বহুতর পণ্যের বিশেষ করে মুনাফা করা আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থার লক্ষ্য। এ ব্যবস্থায় প্রয়োজনানুযায়ী পণ্যের উৎপাদন হয় না, উৎপাদন করে প্রয়োজন বা চাহিদার সৃষ্টি করা হয়। জাপানের দৃষ্টান্ত নেওয়া যাক। বিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে শিল্পোন্নতজাপান তার শিল্পপণ্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিক্রত করতে থাকে। যতই দিন যেতে থাকে জাপান বুঝতে পারে রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তগত করতে না পারলে পণ্যের বাজার আশানুরূপ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না! তখুনি তার লুব্ধ হিংস্র দৃষ্টি পড়ল চীনের উপর—কারণ চীনই ছিল তার পণ্যের প্রধান বাজার। কাজেই দেখা যাচ্ছে বিদেশী পণ্য ক্রয় করার অর্থ হচ্ছে বিদেশী শাসনশক্তিকে আমন্ত্রণ করা। একই সময়ে আমরা বিদেশী পণ্য চাইব কিন্তু বিদেশী শাসন চাইব না এ অসম্ভব। গলিত শব যেখানে শকুনি সেখানে ঘুরে ফিরে আসবেই, কাজেই সর্বোত্তম পন্থা হল শব পুঁতে ফেলা। বিদেশী পণ্য এই গলিত শবমাত্র। প্রশ্ন হবে, তাহলে কি দেশ—বিদেশের মধ্যে পণ্যের আদান—প্রদান হবে না? হবে নিশ্চয়ই, তবে সেটুকু শুধুই উদ্বৃত্ত পণ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে ভারতের প্রয়োজন অনুযায়ী রেখে বাকিটুকু আমরা বিদেশে রপ্তানি করতে পারি, তার নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে তবেই উদ্বৃত্ত চাল বিদেশে রপ্তানী করতে পারে। এমনি করে বাড়তি ও ঘাটতি দেশগুলোর মধ্যে বাণিজের আদান—প্রদান হবে শুধুই পারস্পরিক সুবিধার জন্যে, লাভের জন্য নয়।

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা কমিকস
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বই

    অগ্রিম উৎপাদন করে উৎপন্ন পণ্যের জন্য চাহিদা সৃষ্টির কথা আমরা বলেছি। সাধারণতঃ চাহিদা সৃষ্টির কথা আমরা বলেছি। সাধারণত প্রচার বা বিজ্ঞাপনের দ্বারা এই চাহিদা সৃষ্ট হয়ে থাকে। সুতরাং এই প্রচার অভিযানে অনেক ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জন বা অসত্যের আশ্রয়—গ্রহণ করা হয়ে থাকে। এতে প্রত্যক্ষভাবে হিংসার উদ্ভব হয়না সত্য, কিন্তু মিথ্যার উপর ভিত্তি বলেই এই ব্যবস্থা সর্বথা পরিত্যাজ্য।

    ভোগ্য পণ্য ছাড়াও যে মানবজীবনের কাম্য কিছু থাকতে পারে— এবং প্রকৃতপক্ষে জীবনের আর কোন মহত্ত্ব উদ্দেশ্যও যে আছে—আমরা তা’ ভুলে গেছি। এই উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তিত্বের বিকাশ। যে মানুষের ব্যক্তিত্ব নেই, তার চরিত্রও নেই —সে মৃত, জীবন্মৃত। মানুষের প্রতিভা সহজাত মানবীয় বৃত্তিগুলোর স্বাভাবিক স্ফুরণের মধ্য দিয়েই মানুষের ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে, গড়ে ওঠে তার সত্যিকারের মনুষ্যত্ব। প্রতিভার ও সহজার বৃত্তির এই স্বাভাবিক বিকাশের জন্যে নিত্য নূতন রূপ অভাব পূরণের প্রয়োজন নেই; বস্তুতঃ জীবনযাপন প্রণালী হতো সহজ সরল ব্যক্তিত্ব লাভের এই সাধনাও ততোই সুসাধ্য হয়ে ওঠে। জীবনযাত্রার মাপ নয় ‘জীবনে’র মাপ উঁচু করাই এই সাধনার লক্ষ্য। ‘স্টান্ডার্ড অব লাইফ’ ও ‘স্টান্ডার্ড অব লিভিং—এর এই মূলগত বৈষম্যটুকু স্মরণ রাখা দরকার। আমাদের মত দেশে যেখানে খেয়ে পরে বেঁচে থাকবার মতো নূন্যতম উপাদানটুকুও মিলছে না, সেখানে লিভিং বা বেঁচে থাকাটাই প্রধান কথা, লিভিং—এর স্ট্যান্ডর্ড উঁচু করবার প্রশ্ন গৌণ প্রশ্ন। আর লিভিং—এর স্ট্যান্ডার্ড উন্নততর করার অর্থেও আমরা বুঝে থাকি ভোগ্যবস্তুর পরিমাণ বৃদ্ধি, জীবনের গুণগত অবস্থা নয়। সুতরাং ‘স্ট্যান্ডার্ড’ এর কথা না তুলে ”সহজ জীবন” ও ”জটিল জীবন” বলাই সঙ্গত। ভোগ্যবস্তুর পরিমাণ ও সংখ্যা দিয়েই যদি জীবনের ”স্ট্যান্ডার্ড’ যাচাই করতে হয় তাহলে তো মিঃ চার্চিলের ‘স্ট্যান্ডার্ড’ অব লিভিং গান্ধীজীর চাইতে কতো বেশী উন্নততর। সুতরাং আমাদের কাম্য হচ্ছে সহজ সরল উন্নততর, স্ট্যান্ডার্ডের জীবন। শত সহস্রাধিক পণ্যের বেড়াজালে যে জীবন আবদ্ধ তাকেই আমরা জটিল জীবন বলব। এরূপ জটিল জীবনের মানুষের প্রতিভা স্ফূর্ত হতে পারে না, মনুষ্যত্বের স্বাভাবিক বিকাশ তাতে ব্যাহত হয়ে পড়ে।

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা গল্প
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কমিকস

    সকল মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের পূর্ণ ব্যবস্থা করাই গান্ধী পরিকল্পিত অর্থনীতির উদ্দেশ্য। এগুলি আমাদের অত্যাবশ্যক এবং আন্তরিক চেষ্টার দ্বারা সহজলভ্য। প্রকৃত কল্যাণমূলক কোন পরিকল্পনার ভিন্নতর কোন উদ্দেশ্য থাকা সম্ভব নয়।

    এই পরিকল্পনার অর্থনীতি হবে এমন, এরূপ প্রণালীতে কাজ চালাতে হবে, যাতে করে উৎপাদন ও বন্টন সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে সমান—তাহলেই চলতে থাকবে। তা না হলেই একদিকে সম্পদ স্তূপীকৃত হতে থাকবে অপর দিকে দেখা দেবে চরম দুঃখ ও দারিদ্র্য।

    উৎপাদনের দুটি উপায় আছে, অধিক যন্ত্র ও অল্প কায়িক শ্রম এবং অধিক শ্রম ও অল্প যন্ত্রপাতি। আমাদের দেশে ‘মূলধন’ বা ‘যন্ত্রপাতি’ বা দুটিরই অভাব কিন্তু শ্রমশক্তির কিছুমাত্র অভাব নেই। আমাদের টাকা নেই লোক আছে। আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের অবস্থা হচ্ছে সম্পূর্ণ বিপরীত। সেখানে লোক শক্তিরই অভাব মূলধন বা যন্ত্রের অভাব নেই সুতরাং ওদেশগুলোর সঙ্গে তুলনামূলক বিচার করবার আগে ওদের। সঙ্গে ভারতের এই মৌলিক পার্থক্যটা ভেবে দেখা দরকার। কাজে কাজেই এদেশের শিল্প—পরিকল্পনা সার্থক করতে হলেও ভিন্নতর দৃষ্টিভঙ্গী নিদেই সেই পরিকল্পনা রচনা করতে হবে।

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    PDF
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বিনামূল্যে বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    Library
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন গ্রন্থাগার

    ভারতের কোটিপতির সংখ্যা ধরে নেওয়া যায় এক সহস্র। সম্পদশালী এই এক সহস্র কোটিপতিকে দিয়ে ভারতবাসীর ভারতকে যাচাই করা চলে না। সুতরাং আমাদের সমস্যা হচ্ছে দেশের সম্পদ এই বিশকোটির মধ্যে সুসমবন্টন করা। এমন কি সুসমবন্টনের দ্বারা উৎপাদন ছাড়াও সম্পদের মূল্য বাড়ানো চলে। একটা সহজ দৃষ্টান্ত ধরা যাক। লক্ষপতির হাতে একটি টাকা আর দৈনিক মজুরের হাতে একটি টাকা এই দুটি টাকার মূল্যে প্রভেদ অনেক। লক্ষপতির টাকাটি দিয়ে যে সিগার কেনা হবে মজুরের হাতে পড়লে তার দ্বারা সে তার উপবাসী স্ত্রী পুত্রের ক্ষুন্নিবৃত্তি করাবে। কাজেই টাকার চলতি মূল্য আর মানবিক মূল্য (human value) সম্পূর্ণ আলাদা। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করেই নিখিল ভারত গ্রাম শিল্প সংঘের সভাপতি অধ্যাপক জে সি কুমারাপ্পা বলেছেন যে, সরকারী নীতি এমনভাবে নির্ধারণ হওয়া উচিত যাতে গরীবের কাছ থেকে সংগৃহীত কর ধনীর সুখ—সুবিধার্থে ব্যয়িত না হতে পারে। পক্ষান্তরে ধনীর স্ফীত তহবিল দরিদ্রের জন্যে বণ্টিত হলে সমাজে ধনসাম্য আসবে। এবং এমনি করে উৎপাদন না বাড়িয়েও জাতীয় সম্পদ বাড়ানো সম্ভব হবে।

    কেন্দ্রীভূত উৎপাদন ব্যবস্থা আধুনিক অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য। এই ব্যবস্থায় যে প্রচুর মূলধনের প্রয়োজন সেটা দেশের মোট অর্থেরই একটা আবদ্ধ অংশ। অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবে চলতি মুদ্রা থেকে টাকা আটকে রেখেই ক্রমে এই বিরাট তহবিল সৃষ্টি করা হয়েছে। সে প্রবাহে সৃষ্টি করার ন্যায় মুদ্রার স্বাভাবিক গতি রুদ্ধ করে, সুসম বণ্টন ব্যাহত—করেই মূলধনের সৃষ্টি। সময় সময় মন্দা বাজার বা চড়া—বাজার বলে আমরা যা শুনে থাকি এবং অনুভব করে থাকি সেটা শুধু এই মূলধনেরই কলাকৌশল। মূলধন বলতে এ স্থলে শুধু টাকা নয় টাকার দ্বারা ক্রয়যোগ্য দ্রব্য সামগ্রীও বুঝতে হবে। কালোবাজারের এবং চোরাবাজারের কল্যাণে এই আবদ্ধ সম্পদের গতি প্রকৃতি আমরা গত মহাযুদ্ধের সময় থেকেই হাড়ে হাড়ে বুঝতে পেরেছি।

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা গল্প
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বইয়ের
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা কুইজ গেম
    পিডিএফ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার সেবা

    যে মিল মালিকের মিলে দশ হাজার টাকার কাপড় তৈরী হয়, মজুরী বেতন ইত্যাদিতে তিনি হয়ত ব্যয় করলেন তিন হাজার টাকা, অর্থাৎ বাজারে দশ হাজার টাকা মূল্যের কাপড় ছাড়া হলেও ক্রয়শক্তি ছাড়া হল মাত্র তিন হাজার টাকার। স্বভাবতঃই সে মাল আর সম্পূর্ণ কাটতি হতে পারে না। এমনি করে বিভিন্ন মিলে, বিভিন্ন স্থানে মাল স্তূপীকৃত হতে থাকে এবং মন্দার বাজার বা depression—এর সৃষ্টি হয়। এ depression থেকে অব্যাহতি লাভের জন্যই হয় যুদ্ধ। সুতরাং পাশ্চাত্য অর্থনীতির এই কেন্দ্রীভূত উৎপাদন ব্যবস্থায় যুদ্ধ একটা প্রয়োজনীয় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। উৎপাদনের এই প্রণালী যতদিন থাকবে যুদ্ধ কোনক্রমেই এড়ানো যাবে না।

    কেন্দ্রীভূত শিল্পপণ্যের উৎপাদন ব্যয় কুটীর শিল্পজাত পণ্যের চাইতে কম এ যুক্তি যাঁরা প্রদর্শন করেন তাঁদের বাস্তব—বিচারের অভাব রয়েছে। কেন্দ্রীভূত শিল্পোৎপাদনে আমরা মূল্য হ্রাসের কথাই বলব কিন্তু কুটির শিল্পের ক্ষেত্রে মূল্য বৃদ্ধিই প্রয়োজন। পণ্যের মূল্য হ্রাস করা যেতে পারে দুই প্রকারে যথা (১) কাঁচা মালের মূল্য হ্রাস করে, এবং (২) কর্তৃপক্ষের মুনাফা নিয়ন্ত্রিত করে। কাঁচামালের মূল্য হ্রাস করা আদৌ সমীচীন নয়, সুতরাং মূল্য হ্রাস করতে হলে মুনাফাই নিয়ন্ত্রিত হওয়া দরকার। একশত টাকা মূল্যের গহনা যে ব্যক্তি চুরি করে এনেছে তার পক্ষে সেটা পনেরো টাকায় বিক্রী করেও পনেরো টাকা লাভ করা সম্ভব কারণ গহনার কোন ব্যয়ই তাকে বহন করতে হয়নি।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন বুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা কমিকস

    সীমাবদ্ধ বাজারে কুটীর শিল্পজাত পণ্যের লেনদেন হয়ে থাকে। সুতরাং বর্ধিত মূল্যের দ্বারা কুটিরশিল্পী ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, কারণ মূল্যস্ফীতির জন্য যে অর্থের প্রাচুর্য ঘটবে সেটা কোন ব্যক্তি বিশেষের মুনাফা হবে না, সহজ সরল প্রক্রিয়ায় জনসাধারণের মধ্যে সে অতিরিক্ত অর্থ হস্তান্তরিত হবে। চরখার মূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং বর্ধির মজুরী পেলে বর্ধিত মূল্যে আহার্য পরিধের সংগ্রহ করতেও তাদের কষ্ট হবে না। সুতরাং স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে কুটীর শিল্পজাত যে সম্পদ সেটা বর্ধিত মূল্যের মাধ্যমে জন—সাধারণের মধ্যে বণ্টিত হয়ে গেল।

    গান্ধীজী পরিকল্পিত এই মানবিক অর্থনীতির আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রামের সম্পদ গ্রামেই সীমাবদ্ধ রেখে লোকশক্তির পূর্ণ নিয়োগ করা। নিষ্কর্মা অলস মানুষের বৃত্তিগুলো ক্রমেই নিষ্ক্রিয় ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে, তার অধোগতি হয়, নৈতিক অধঃপতন ঘটে। গান্ধীজী বলেছেন, ”তিন কোটি মানুষের শ্রমের স্থলে যদি মাত্র ৩০,০০০ মানুষের মেহনতের দ্বারা আমার দেশের সমস্ত প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপন্ন হয় তাতে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু ঐ তিন কোটি মানুষকে যেন বেকার বসে থাকতে না হয়।” ভারতের লক্ষ লক্ষ গ্রামে লোকশক্তির কত অপচয় হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। ভারতীয় কৃষক বৎসরের প্রায় ৬ মাস অলস বসে থাকে, গান্ধীজী এই লক্ষ লক্ষ অলস জীবন্ত যন্ত্রগুলোকে সক্রিয় করতে চেয়েছেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা কুইজ গেম
    গ্রন্থাগার সেবা
    PDF

    নোয়াখালীর একটি প্রার্থনান্তিক সভায় তিনি বলেছিলেন, ”কোন পরিকল্পনা যদি দেশকে তার কাঁচামাল থেকে বঞ্চিত করে এবং শ্রেষ্ঠ যে লোকশক্তি তাকে উপেক্ষা করে তবে সে পরিকল্পনা ধ্বংসশীল এবং তার দ্বারা মানব—সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা হতে পারে না।” পৃথিবীর সর্বপ্রধান শিল্পোন্নত দেশ আমেরিকাও যে সম্পূর্ণ রূপে দারিদ্র ও অবনতি দূর করতে পারেনি তার কারণ এঅ সর্বজনীন লোকশক্তির উপেক্ষা।

    শিক্ষক, ছাত্র, উকিল, ব্যারিষ্টার, ব্যবসায়ী লেখক— সকল শ্রেণীর সকল লোকের কায়িক শ্রম করা উচিত বলে গান্ধীজী মনে করেন। এই শ্রমের দ্বারা শুরু যে বস্তুর উৎপাদন হল তাই নয়, শ্রমিকের মনেও তার এক কল্যাণময় প্রভাব বিস্তার হয়ে থাকে। বাস্তবিকপক্ষে বস্তুর চাইতেও মানুষের উপর শ্রমের এই শুভ প্রভাব অধিকতর মূল্যবান।

    অনেকের কাছেই আজও একথা অস্পষ্ট যে সত্য ও অহিংসার প্রতিষ্ঠাই গান্ধী পরিকল্পিত কুটীরশিল্পের—উদ্দেশ্য। আধুনিক শোষণমূলক উৎপাদন ব্যবস্থায় মানুষ যেভাবে দূর্নীতি পরায়ণ হয়ে পড়ছে এবং দ্রুত সত্যের পথ থেকে সরে যাচ্ছে তাতে কুটীরশিল্পের সম্প্রসারণ ও ধ্বসংপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এর প্রতিরোধের একমাত্র উপায়। অনেকের ধারণা, অর্থনীতিতে নীতিবাদের কোন স্থান নেই। কিন্তু ভাল—মন্দের বিচার করবার ও অন্যের প্রতি কর্তব্যকর্ম করবার প্রবৃত্তি আছে বলেই মানুষ মনুষ্যত্বের দাবী করতে পারে, তা না হলে পশুর সঙ্গে ভাব পার্থক্য কোথায় আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য আছে বলেই মানুষ, মানুষ। মানুষের কল্যাণের জন্য রচিত অথনৈতিক পরিকল্পনায়ও এই বৈশিষ্ট্য অপরিহার্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }