Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গান্ধীজীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের প্রাণময় বিকাশ – পণ্ডিত জওহললাল নেহরু

    গান্ধীজী প্রথমে কংগ্রেসে ঢুকেই সঙ্গে সঙ্গে তার শাসনতন্ত্রে পুরোপুরি পরিবর্তন সাধন করেছিলেন। তিনি কংগ্রেসকে গণতান্ত্রিক গণ—প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিলেন। কংগ্রেস পূর্বেও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ছিল, কিন্তু তার ভোটাধিকার সীমাবদ্ধ ছিল এবং সে ভোটের অধিকারী ছিল উচ্চশ্রেণীর লোকেরা। এখন দলে দলে কৃষকরা যোগ দিতে লাগল এবং নতুন অবস্থায় কংগ্রেসকে মনে হতে লাগল একটা বিরাট কৃষক প্রতিষ্ঠান বলে—অবশ্য তার মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বহুল সংমিশ্রণ ছিল। কংগ্রেসের এই কৃষক প্রতিষ্ঠানসুলভ রূপ ক্রমশ বেড়ে চলল। শ্রমিকসমাজও কংগ্রেসে যোগ দিল, তবে স্বতন্ত্র সঙ্ঘবদ্ধভাবে নয়, ব্যক্তিগতভাবে।

    এই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি ও মূলনীতি হল সংগ্রাম—শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংগ্রাম। এ পর্যন্ত নিম্নোক্ত দুটি পদ্ধতিতেই কাজ চলে আসছিল — নিছক কথা বলা ও প্রস্তাব পাশ করা, নতুবা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। এ দুটি কর্মপদ্ধতিকেই বাতিল করে দেওয়া হল— বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদকে কংগ্রেসের মূলনীতির বিরোধী বলে নিন্দা করা হল। সংগ্রামের একটি নতুন পথ বের করা হল; সে পথ সম্পূর্ণ শানিপূর্ণ হলেও তার মধ্যে ছিল অন্যায়ের কাছে নতি স্বীকার না করার নির্দেশ এবং ফলে সংশ্লিষ্ট দুঃখ যন্ত্রণাকে স্বেচ্ছায় বরণের নির্দেশ। গান্ধীজী অদ্ভূত ধরণের শান্তিবাদী ছিলেন — কেন না তিনি ছিলেন জীবন্ত কর্ম—শক্তির পরিপূর্ণ আধার। ভাগ্যের কাছে কিংবা যাকে তিনি অন্যায় বলে মনে করতেন তার কাছে কোনদিন নতি—স্বীকার তিনি করতেন না; তিনি পরিপূর্ণরপে তার প্রতিরোধ করতেন যদিও তাঁর প্রতিরোধ ছিল শান্তিপূর্ণ ও সৌজন্যপূর্ণ।

    সংগ্রামের আহ্বান ছিল বিবিধ। বিদেশী শাসনকে ‘রণং দেহি’ বলে প্রতিরোধ করার সংগ্রাম তা ছিলই — সেই সঙ্গে আমাদের সমাজ ব্যবস্থার অন্যায় অনাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামও ছিল। শান্তিপূর্ণ উপাসে ভারতের স্বাধীনতা অর্জন— কংগ্রেসের এই ‘মূল নীতি ছাড়াও কংগ্রেসের কর্মসূচীতে প্রধান স্থান দখল করেছিল জাতীয় সংহতি অর্থাৎ মাইনরিটি সমস্যার সমাধান, অবনত শ্রেণীর উন্নতি সাধন ও অস্পৃশ্যতারূপ পাপ বর্জন।

    ভয়, মর্যাদাবোধ, ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছআয় প্রদত্ত জনগণের সহযোগিতা এবং ব্রিটিশ শাসনের ফলে যারা কায়েমী স্বার্থের মালিক এমন কতকগুলি শ্রেণী— ব্রিটিশ শাসনের প্রধান স্তম্ভ— একথা বুঝতে পেরে গান্ধীজী ভিত্তি শুদ্ধ নাড়া নিয়েছিলেন। খেতাব বর্জনের নির্দেশ দেওয়া হল। যদিও খেতাবধাবীবা তাতে কম সংখ্যায়ই সাড়া দিলেন, তবু জনগণের মন থেকে এইসব ব্রিটিশ প্রদত্ত খেতাবের প্রতি শ্রদ্ধা বিলুপ্ত হল এবং খেতাব হবে দাঁড়াল অধঃপতনের প্রতীক বিশেষ। জীবন সম্বন্ধে নতুন মান ও গুণবোধের সৃষ্টি হল। যে বড়লাটের দরবার ও দেশীয় নৃপতিদের জাঁকজমক লোকের মনে এত প্রভা বিস্তার করত, জনগণের দারিদ্র্য ও দুঃখে পরিবেষ্টিত হয়ে সেগুলোকে সহসা মনে হল হাস্যকর, নীচ রুচির পরিচায়ক এবং অনেকটা যেন ঘৃণ্য। ধনীরা আর ধনের প্রাচুর্য দেখাতে উৎসুক নয়; অন্ততপক্ষে বাহ্যিক দিকে তারা অনেকে সহজতর জীবনযাত্রা গ্রহণ করল — পোষাকে পরিচ্ছেদে তাদের আর সাধারণ লোক থেকে আলাদা কবে বোঝাব উপায় ছিল না।

    সম্পূর্ণ ভিন্ন ও নিস্তরঙ্গ ঐতিহ্যে মানুষ কংগ্রেসের প্রবীণ নেতারা সহজে এইসব নতুন প্রথা পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হতে পারলেন না এবং জনগণের এই নতুন অভ্যুদয়ে তাঁরা বিব্রতই হয়ে পড়লেন। তবু দেশের উপরে যে অনুভূতি ও আবেগের তীব্র বন্যা এসেছিল তা কিছু পরিমাণে তাদেরও ছুঁয়ে গেল। সামান্য কয়েকজন দলত্যাগ করলেন এবং তার মধ্যে মিঃ এম এ জিন্না ছিলেন অন্যতম। তিনি হিন্দু মসুলমান প্রশ্নে মতভেদের দরুণ কংগ্রেস ছেড়ে যাননি, তিনি কংগ্রেস ছেড়ে গিয়েছিলেন নিজেকে নতুন এবং অধিকতর অগ্রগামী আদর্শবাদের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন নি বলে। তিনি কংগ্রেস ছেড়েছিলেন আরও বেশী করে এই কারণে যে পারিপাট্যবিহীন বেশবাসধারী হিন্দুস্থানীভাষী জনগণে কংগ্রেস ভর্তি হয়ে উঠেছিল এবং এটা তাঁর বিতৃষ্ণতার উদ্রেক করেছিল। রাজনীতি সম্বন্ধে তাঁর যে ধারণা ছিল সেটা ছিল উন্নততর ধরণের — আইন সভা কিংবা কমিটি রুমের উপযোগী কংগ্রেস ছাড়ার পর কয়েক বৎসর তিনি একেবারে যবনিকার আড়ালে চলে গিয়েছিলেন এমনকি এক সময় তিনি চিরদিনের মতন ইংল্যান্ড যাত্রার সিদ্ধান্ত করেছিলেন। ইংল্যান্ডে গিয়ে তিনি কয়েক বৎসরের জন্যে সেখানে বসবাসও করেছিলেন।

    নির্বিকা রত্ব ভারতীয় মানব অভ্যাস— একথা বলা হয়ে থাকে এবং আমার মনে হয় এর মধ্যে সত্য আছে। হয়তো প্রাচীন জাতি মাত্রেরই মধ্যে এ মনোভাবের বিকাশ দেখা যায় এবং দীর্ঘস্থায়ী দার্শনিক এই পথের দিকে মনকে টেনে নিয়ে যায়। তবু গান্ধীজী ভারতীয় সংস্কৃতির খাঁটি প্রতিরূপ হয়েও এ মনোভাবের বিপরীত ধর্মের বিপরীত ধর্মের প্রতিভূঃ তিনি শক্তি ও কার্যক্ষমতার অস্বাভাবিক উদাহরণ — তিনি শুধু নিজে নড়েই ক্ষান্ত হন না — অপরকেও নাড়ান। আমি যতটা জানি তাতে ভারতীয় জনমানসের নির্বিকারত্ব দূরীকরণে তাঁর মত কৃতিত্ব আর কেউ দেখাতে পাবেন নি।

    তিনি আমাদের গ্রামে পাঠিয়ে দিলেন এবং নব কর্মপ্রেরণায় অসংখ্য দূতের কর্মপ্রবাসে গ্রামাঞ্চল মুখর হয়ে উঠল। কৃষকদের মনে সাড়া জাগল এবং তারা তাদের নির্বিকারভাবে খোলস ঝেড়ে ফেলে জেগে উঠতে লাগল। আমাদের মনের উপর ভিন্ন প্রতিক্রিয়া হলেও সে প্রতিক্রিয়া ছিল সমান ব্যাপক— কেনা এই যেন সর্বপ্রথম ঘনিষ্ঠভাবে মাটির তৈরী কুটিরবাসী ও ক্ষুৎপীড়িত গ্রামবাসীকে আমরা দেখলাম… এবং পান্ডিত্যপূর্ণে বক্তৃতার চেয়ে এইসব ভ্রমণের থেকেই ভারতীয় অর্থনীতি সম্বন্ধে বেশী জ্ঞানার্জন করলাম। অনুভূতিজনিত বা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমরা ইতিপূর্বেই গিয়েছিলাম তা আরও স্পষ্ট স্পষ্ট এবং দৃঢ়তর হয়ে উঠল এবং এর পর আমাদের মতবাদ যতই বদলাক আমাদের পক্ষে আর পুরাতন জীবনে কিংবা জীবন সম্বন্ধীয় পুরাতন মানে ফিরে যাবার উপায় ছিল না।

    অর্থনৈতিক সামাজিক ও অন্যান্য বিষয়ে গান্ধীজীর দৃঢ় মতবাদ ছিল। নিজের রচনাবলীর মধ্যে দিয়ে সে মতবাদের বিবর্তন এবং পরিবর্তন …. থাকলেও তিনি কখনও জোর করে কংগ্রেসের উপর সব মতবাদ চাপাতে চেষ্টা করেননি। কোন কোন মতবাদ তিনি কংগ্রেসের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। এ বিষয়ে তিনি ছিলেন সাবধানী, কেন না তিনি জনগণকেও নিজের সঙ্গে অগ্রগতির পথে নিয়ে যাবার প্রয়াসী ছিলেন। এক এক সময় তিনি হয়তো কংগ্রেসের চেয়ে বেশী দূর এগিয়ে যেতেন এবং তখন তাঁকে আবার পা গুণে ফিরে ফিরে আসতে হবে। তাঁর মতবাদকে পুরোপুরি গ্রহণ করার মত লোক বেশি ছিলেন না — কেউ কেউ তাঁর মূল নীতির সঙ্গেও একমত ছিলেন না। কিন্তু পরিবর্তিত আকারে কংগ্রেসের পৌঁছে … মতবাদ, আনত তা অনেকে এই বলে গ্রহণ পুরাতন যে তৎকালীন পরিবেশের পক্ষে সে মতবাদ উপযোগী। দুটি দিক থেকে তাঁর চিন্তাজগতের পটভূমিকা অস্পষ্ট হলেও গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল: যে কোন কাজের মূল্য বিচারে করা হত তারস্বরে জনগণের কতটা উপকার হবে তাই দিয়ে এবং কাজ কষার উপায়টাকেও সব সময় গুরুত্ব দেওয়া হত। উদ্দেশ্য সাধু হলেও উপাষকে অবজ্ঞা করা চলত না— কেন না উপায় উদ্দেশ্যকে নিয়ন্ত্রিত করে এবং তার পরিবর্তন সাধনও করে।

    গান্ধীজি মূলত ধর্মবোধসম্পন্ন মানুষ ছিলেন— তাঁর সত্ত্বেও গভীরতম বিষয়েও তিনি ছিলেন হিন্দু —তবু তাঁর ধর্মবোধের সঙ্গে সংস্কার বা ধর্মীয় রীতি পদ্ধতির কোন সংযোগ ছিল না। সে ধর্মবোধন মূল ভিত্তি ছিল নৈতিক বিধি সম্বন্ধে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাসের উপর — একেই তিনি বলেছেন সত্য কিংবা প্রেমের বিধি। সত্য এবং অহিংসা তাঁর কাছে একই জিনিস কিংবা একই জিনিসের ভিন্ন ভিন্ন দিক মাত্র এবং তিনি প্রাণ সমার্থবোধক অর্থেই এই কথাগুলি প্রয়োগ করেছেন। তার দাবী ছিল যে হিন্দুধর্মের মূল সূত্র ছিল তিনি বোঝেন এবং তাঁর আদর্শবাদী ব্যাখ্যা অনুসারে সেই ধর্ম যা হওয়া উচিত তার সঙ্গে কোন শাস্ত্রোক্তি বা প্রথার যদি সামঞ্জস্য না হত তবে তিনি তাকে বলতেন পরবর্তী যুগের অনুলিখন বা সংযোজনা। তিনি বলেছেন: ”যেসব উদাহরণ বা প্রথা আমি বুঝতে পারি না কিংবা নীতিগত দিক থেকে সমর্থন করতে পারি না তাদের দাসত্ব করতে আমি রাজি নই।” কার্যত দেখি তিনি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তীব্র মনোমত পথ বেছে নেন নিজেকে ইচ্ছামত পরিবর্তিত করেন, তাঁর জীবনদর্শন ও কর্মপদ্ধতির বিবর্তন সাধন করেন। এসব ব্যাপারে তিনি নৈতিক বিধিকে যেভাবে বুঝেছেন তার বাঁধন ছাড়া অন্য কোন বাধন মানেন না। তাঁর এ দর্শন সত্য কি ভ্রান্ত তা নিয়ে তর্ক চলতে পারে, কিন্তু তিনি বিষয়ে, বিশেষ করে নিজের ব্যাপারে, এই একই মূল মাপকাঠি প্রয়োগ করার, উপর জোর দেন। রাজনীতিতে এবং জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও এর ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে অসুবিধার সৃষ্টি হয় এবং প্রায়ই ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি হয়। কিন্তু কোন অসুবিধাই তাঁকে তাঁর বেছে নেওয়া সরলরেখা …. পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারে না — যদিও একটা বিশেষ সীমার মধ্যে পরিবর্তিত পারিপার্শ্বিকের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য তিনি প্রতিনিয়তই নিজেকে বদলাম। যে সংস্কার তিনি করতে চান, যে উপদেশ তিনি অপরকে দেন সেটা সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের উপর প্রয়োগ করেন। তিনি সর্বদা নিজেকে দিয়েই কাজ শুরু করেন এবং হাতের সঙ্গে যেমন দস্তানার মিল তেমনি তাঁর কথা ও কাজের মধ্যে পরিপূর্ণ সাদৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। কাজেই যাই ঘটুক না কেন তাঁর চারিত্রিক নিষ্ঠা তিনি কখনও হারান না এবং তাঁর কথা ও কাজের মধ্যে সর্বদাই একটা প্রাণময় সম্পূর্ণতা দেখতে পাওয়া যায়। আপাতত যেটাকে তাঁর ব্যর্থতা বলে মনে হয়ে তার মধ্যে দেখি তিনি অনেক বড় হয়ে উঠেছেন।

    তিনি নিজের ইচ্ছা ও আদর্শ অনুসারে যে ভারতকে গড়ে তুলতে চাইছিলেন তার সম্বন্ধে তাঁর ধারণা কি ছিল? ”আমি এমন ভারত সৃষ্টির জন্যে কাজ কবে যাব যেখানে দীনতম জনসাধারণও অনুভব করবে যে এটা তাদের দেশষ এক গড়ে তোলার কাজে তাদের পূর্ণ অধিকার আছে। সে হবে এমন ভারত যেখানে উচ্চ শ্রেণী ও নীচ শ্রেণীর মানুষ থাকবে না যেখানে সমস্ত সম্প্রদায় পরিপূর্ণ শান্তিতে বাস করবে। সে ভারতে অস্পৃশ্যতা রূপ অভিশাপের কোন স্থান থাকবে না কিংবা মত্ততা সৃষ্টিকারক পানীয়াদিরও কোন স্থান থাকবে না।… নারীরা পুরুষদের সঙ্গে সমানাধিকার ভোগ করবে।… এই হল আমার কল্পলোকের ভারতবর্ষ।” নিজের হিন্দু উত্তরাধিকারের জন্যে তাঁর গর্ববোধ ছিল, হিন্দুত্বকে তিনি একটা সার্বজনীনতার আবরণে আবৃত করার চেষ্টা করতেন এবং তাঁর সত্যবোধের সীমার মধ্যে সকল ধর্মের স্থান ছিল। তিনি তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে সঙ্কীর্ণতার মধ্যে ধরে রাখতে সম্ভব ছিলেন না। তিনি লিখেছিলেন: ”ভারতীয় সংস্কৃতি পুরোপুরি হিন্দু, ঐসলামিক কিংবা অন্য কোন জাতির নয়। এ সংস্কৃতি হল সব কিছুর সমন্বয়ে গঠিত।” তিনি আরও বলেছেন,: ”আমার গৃহের চতুর্দিকে যতটা সম্ভব মুক্তভাবে সকল দেশের সংস্কৃতির চাপে আমি নিজেকে হারাতে রাজি নই। অপরের গৃহে অনধিকার প্রবেশকারী রূপে তা সে ভিক্ষুকরূপেই হোক আর দাসরূপেই হোক, আমি বাস করতে অসম্মত।” আধুনিক চিন্তাধারাগুলির প্রভাব তাঁর উপরে ছিল; কিন্তু মূলকে তিনি কখনও ছাড়েন নি বরং সজোরে আঁকড়ে ধরেই ছিলেন।

    জনগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ঐক্য পুনঃ সংস্থাপন করতে সমাজের শীর্ষদেশবাসী পাশ্চাত্যধর্মী ক্ষুদ্র একদল নবনারী ও অগণিত জনগণের ক্ষুদ্র একদল নরনারী ও অগণিত জনগণের মধ্যবর্তী প্রাচীর ভেঙে দিতে, প্রাচীন মূলের মদ্যে জীবনীশক্তি আবিষ্কার করে তার ভিত্তিতে নতুন কিছু গড়ে তুলতে, জনগন মোহগ্রস্ত অচল থেকে …. তাদের প্রাণময় করে তুলতে — তিনি কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তাঁর একমুখী অথচ বহু—বিচিত্র প্রকৃতির যে ভাবটি মনের উপর গভীর প্রভাব বিস্তার করত সে স্থল জনগণের সঙ্গে তাঁর একীভূত ভাব, তাদের সঙ্গে ভাবগত বহু সাদা শুধু ভারতের নয় সারা বিশ্বের সর্বহারা ও দারিদ্র্যপীড়িতদের সঙ্গে বিস্ময়কর ঐক্যবোধ। নিষ্পেপত জনগণের উন্নতিসাধনের যে তাঁর স্পৃহা তাঁর মনে ছিল তার কাছে অন্য সব কিছুর মত ধর্মের স্থানও ছিল গৌণ। ”অর্ধাশনক্লিষ্ট জাতির ধর্ম, শিল্প কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে না।” ”অনশনক্লিষ্ট কোটি কোটি নবনারীব জীবনে যা—কিছু উপকারী আমার মতে তাই হল সুন্দর। আজ যদি প্রথমেই আমরা জীবনের অস্তিত্বের পক্ষে অতিপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলি জোগাতে পারি তবে জীবনের সকল সৌন্দর্য ও লাবণ্য আপনা থেকেই আসবে।… আমি চাই এমন শিল্প ও সাহিত্য যা কোটি কোটি নরনারীর মনে সাড়া জাগাতে পারে।” এই অসুখী সর্বহারা দল তাঁর জীবনের সব কিছুই ঘুরত তাদের কেন্দ্র করে। ”কোটি কোটি নরনারীর জন্যে আছে হয় অনন্ত জাগরণ নয়তো অনন্ত মোহনিন্দ্রা।” তিনি বলতেন যে তাঁর মনের স্বভীপ্সা হল ”প্রত্যেক চোখের প্রতি ফোঁটা জল মুছে দেওয়া।”

    এই যে বিস্ময়কর ধরণের প্রাণবন মানুষটি যিনি পরিপূর্ণ আত্মবিশ্বাস ও অস্বাভাবিক রকমের ক্ষমতার অধীশ্বব, প্রতিটি ব্যক্তির সমানাধিকার ও স্বাধীনতা যাঁর দাবি, কিন্তু এ সব কিছুরই যিনি পরিমাপ করেন দীনতম মানুষকে দিয়ে, তিনি যে ভারতের জনগণকে মুগ্ধ করবেন এবং চুম্বকের মতন তাদের আকর্ষণ করবেন — এর মধ্যে বিস্ময়ের কিছু নেই। তিনি তাদের কাছে ছিলেন অতীত ও ভবিষ্যতের যোগসূত্রের প্রতীক বিশেষ এবং নৈরাশ্যপূর্ণ বর্তমানকে তিনি ভাবে চোখে আশা ও প্রাণপরিপূর্ণ ভবিষ্যতের সিঁড়িরূপে প্রতিভাত করাতে পেরেছিলেন। আর শুধু জনগণই নয় বুদ্ধিবাদীরাও মুগ্ধ হয়েছিল যদিও তাদের মন সময়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে সুলভ এবং আজীবনের অভ্যাস ত্যাগ করে তাদের পক্ষে নতুন জীবনে অভ্যস্ত হওয়া অধিকতর কষ্টদায়ক হয়ে উঠত।। এইভাবে শুধু নিজের অনুগামীদের মধ্যে নয়, বিরোধীদের মধ্যে এবং অসংখ্য মধ্যপন্থীদের মধ্যে, যারা কোন চিন্তা বা কারো সম্বন্ধে মনস্পিত করে উঠতে পারেনি— তাদের সকলের মধ্যে তিনি একটা বিরাটি মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব সাধন করতে পেরেছিলেন।

    কংগ্রেস গান্ধীজির প্রভাবাচ্ছন্ন হয়ে পড়ল অথচ সে এক অদ্ভুত প্রভাব, কেন না কংগ্রেস …একটি সক্রিয়, বিদ্রোহী, বহুমুখী প্রতিষ্ঠান, বহু ধরণের মতবাদে পূর্ণ এক যে কোন মতের দ্বারা তাকে সহজে এদিকে ওদিকে চালাবার উপায় ছিল না। অনেক সময় গান্ধীজি অন্যের ইচ্ছার মূল্য দেবার জন্যে নিজের মতবাদকে নরম করে আনতেন, আবার তখনও বা তিনি বিপরীত সিদ্ধান্তকেই মেনে নিতেন। নিজের সম্বন্ধে কতকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি ছিলেন বজ্রের মত কঠিন এরই এজন্যে একাধিকবার কংগ্রেসের সঙ্গে তংাকে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছিল। কিন্তু সবসময়েই তিনি ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা ও সংগ্রামী জাতীয়তার মূর্ত প্রতীক, যারা ভারতকে দাসত্বশৃঙ্খলে আবদ্ধ করতে চাইত তাদ্রে অপরাজেয় বিরোধী। তিনি স্বাধীনতার এমন প্রতীক ছিলেন যে অন্যান্য বিষয়ে তাঁর সঙ্গে মতভেদ হলেও এ ব্যাপারে মানুষ তাঁর কাছেই ছুটে যেত এবং তাঁর নেতৃত্ব মেনে নিত। প্রত্যক্ষ সংগ্রাম যখন থাকত না তখন তাঁর নেতৃত্ব সবাই সর্বদা মানত না, কিন্তু সংগ্রাম যখন অনিবার্য হয়ে উঠত তখন তার প্রতীকটিই নব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াত— আর সব কিছুই হয়ে পড়ত গৌণ।

    এইভাবে ১৯২০ সালে কংগ্রেস এবং বহুল পরিমাণে সমগ্র দেশ এই নতুন ও অনাবিষ্কৃত পথে যাত্রা কবল এবং বার ব্রিটিশ শাসক শক্তির সঙ্গে তার সংঘর্ষ হতে লাগল। এই সব উপায়ের মধ্যেও যে নতুন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল তার মধ্যে এই সংঘর্ষ অন্তনির্হিত ছিল, তবু এসব কিছুর পিছনে নিছক রাজনৈতিক কৌশল ও ঘুঁটি চালাচালি ছিল না— ছিল ভারতবাসীরদের শক্তিশালী করে তোলার আগ্রহ, কেননা একমাত্র এই শক্তির দ্বারাই তাদের পক্ষে স্বাধীনতা অর্জন করে লক্ষ্য করা সম্ভব। একটির পর একটি আইন অমান্য আন্দোলন এসেছে— তাতে অনেক দুঃখ—যন্ত্রণা ছিল আমাদের আমন্ত্রিত, কাজেই শক্তিদায়ী— যে ধরণের দুঃখ—যন্ত্রণা অনিচ্ছুকদের অভিভূত করে ফেলে, হতাশা ও পরাজিতসুলভ মনোভাবের দিকে নিয়ে যায় — সে ধরণের দুঃখ—যন্ত্রণা এটা নয়। সরকারি নির্যাতনের বহু বিস্তৃত জালে পড়ে অনিচ্ছুকদের ভুগতে হয়েছে, এমন কি স্বেচ্ছায় যারা দুঃখ—যন্ত্রণা বরণ করে নিয়েছিল তারাও সময় সময় ভেঙে পড়েছে। কিন্তু অনেকেই সত্যাশ্রয়ী ও দৃঢ় ছিল এবং লব্ধ অভিজ্ঞতা তাদের আরও দৃঢ়তর করে তুলেছিল। কখনও এমন কি চরম দুর্দিনেও, কংগ্রেস কোনদিন উচ্চতর শক্তির কাছে কিংবা বৈদেশিক শাসকদের কাছে নতি স্বকীর করে নি। ভারতের স্বাধীনতা লাভের তাঁর স্পৃহা এবং বিদেশি শাসন প্রতিরোধের উচ্ছ্বাস প্রতীক হয়েই সে বরাবর ছিল। এই জন্যেই ভারতের অগণিত নরনারী কংগ্রেসের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন ছিল এবং নেতৃত্বের আশাষ তার দিকেই তাকাতো — যদিও তারের মধ্যে অনেকে এত দূর্বল বা এভাবে পারিপার্শ্বিক ঘটনায় অবরুদ্ধ ছিল যে ব্যক্তিগতভাবে তাদের কিছু করাব উপায় ছিল না। কোন কোন দিক থেকে কংগ্রেস ছিল একটি রাজনৈতিক দল; আবার কয়েকটি দলের মিলিত প্ল্যাটফর্মও ছিল কংগ্রেস, কিন্তু মূলত কংগ্রেস ছিল এরও চেয়ে বেশি কিছু, কেন না কংগ্রেস ছিল অগণিত জনগণের মনোগত অভীপ্সার প্রতিনিধি। কংগ্রেসের সদস্যদের তালিকাভুক্ত নামের সংখ্যা খুব বেশী হলেও তা দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপক প্রতিনিধিমূলক; চরিত্রে পরিমাপ করে কঠিন, কেননা সদস্যভুক্ত হওয়াটা জনগণের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল ছিল না, সেটা নির্ভরশীল ছিল দূরতম পল্লী পর্যন্ত আমাদের পৌঁছানোর শক্তির উপর। বহুবার কংগ্রেসকে অবৈধ প্রতিষ্ঠান বলে ঘোষণা করা হয়েছে, আইনের চোখে তার কোন অস্তিত্বই তখন থাকেনি এবং পুলিশ আমাদের খাতাপত্র সব নিয়ে চলে গেছে।

    যখন কোন প্রত্যক্ষ আইন অমান্য আন্দোলন থাকত না তখনও ভারতে ব্রিটিশ শাসনযন্ত্রের সঙ্গে অসহযোগিতার সাধারণ মনোভাব থাকত, যদিও সে মনোভাব হত আক্রমণাত্মক নীতি বিবর্জিত। তার অর্থ অবশ্য ইংরেজদের সঙ্গে অসহযোগিতা…. অনেক প্রদেশে গভর্ণমেন্ট স্থাপিত হবার পেরে অফিস ও সরকারী কাজকর্মের ব্যাপারে যতেষ্ট সহযোগিতা সম্পর্কই বিদ্যমান ছিল। তখনও কিন্তু পটভূমিকা বিশেষ বদলায় নি এবং অফিসঘটিত কাজকর্ম ছাড়া অন্যান্য ব্যাপারে কংগ্রেসপন্থীদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সামগ্রিক আপোষ ও সামঞ্জস্য বিধান সময়ে সময়ে অনিবার্য হলেও ভারতীয় জাতীয়তাবাদ ও বৈদেশিক সাম্রাজ্যদের মধ্যে চূড়ান্ত শান্তি স্থাপিত হতে পারে না। এক—মাত্র স্বাধীন ভারতই সমান শর্তে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সহযোগিতা করতে পারে।

    মহাত্মাজী কর্ণপাত করেন নাই, তিনি জানিতেন এ যুক্তি সত্য নয়, ইহার মধ্যে একটা মস্তবড় ভুল প্রচ্ছন্ন হইয়া আছে। বস্তুতঃ একথা কিছুতেই সথ্য নয় জগতে যাহা কিছু অন্যায়ের পথে অধর্মের পথে একদিন প্রতিষ্ঠিত হইয়া গেছে আজ তাহাকে ধ্বংস করাই ন্যায় যেমন কবিতা হোক তাহাকে বিদূরিত করাই আজ ধর্ম। যে ইংরাজ রাজ্যকে একদিন প্রতিহত করাই ছিল দেশের সর্বোত্তম ধর্ম, সেদিন তাহাকে ঠেকাইতে পারি নাই বলিয়া আজ যে—কোন পথে তাহাকে বিনাশ করাই দেশের একমাত্র শ্রেয়ঃ একথা কোন মতেই জোর করিয়া বলা চলে না। অবাঞ্ছিত জারজ সন্তান অধর্মের পথেই জন্মলাভ করে অতএব ইহাকে বধ করিয়াই ধর্ম—হীনতার প্রায়শ্চিত্ত করা যায় তাহা সত্য নয়।

    [নারায়ণ, বৈশাখ ১৩২৯]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }