Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গান্ধীজি : ফিরে দেখা

    বারিদবরণ ঘোষ এক পাতা গল্প665 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নোয়াখালিতে গান্ধীজির দিনগুলি : বিশেষ নিবন্ধ – সুখরঞ্জন সেনগুপ্ত

    ১৯৪৬’ এর ৬ নভেম্বর। বেলা এগারোটা নাগাদ সোদপুর স্টেশন থেকে গান্ধীজিকে নিয়ে একটি স্পেশাল ট্রেন গোয়ালন্দের দিকে রওনা হল। গান্ধীজি নোয়াখালি চলেছেন। শহিদ সুরাবর্দির নেতৃত্বাধীন বাংলার প্রাদেশিক সরকার গান্ধীজির কামরায় একটি মাইক্রোফোনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। ট্রেনটি কুষ্ঠিয়া স্টেশনে পৌঁছলে হিন্দু—মসুলমানের এক বিরাট জনতা গান্ধীজিকে দেখবার জন্য স্টেশন চত্বর ঘিরে ফেলে। প্ল্যাটফর্মে ভিড়ের জন্য গান্ধীজি কামরা থেকে নামতে পারলেন না। কামরায় বসেই তিনি অপেক্ষামান জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। সমবেত হিন্দু—মুসলমানদের তিনি বললেন, তিনি কেন নোয়াখালি যাচ্ছেন এবং নোয়াখালির কতগুলি প্রত্যন্ত গ্রামে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর কীভাবে নির্যাতন হয়েছে। সরকারি প্রশাসন ও পুলিশ কী ভূমিকা গ্রহণ করেছিল সেসব। তিনি তাঁর বাঙালি শ্রোতাদের বললেন, ‘আমার অসহযোগ আন্দোলনের সেই দিনগুলির কথা মনে পড়ছে, যে দিনগুলিতে আমি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের সঙ্গে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল সফর করেছিলাম। সেই দিনগুলি ছিল অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক ভাগ্যকে কংগ্রেসের সঙ্গে গ্রথিত করেছিলেন।’

    ঠিক ৪৭ বছর আগে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর রাতে নোয়াখালির তিনটি থানা রামগঞ্জ, বেগমগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুরের প্রত্যন্ত চর এবং উপকূলবর্তী গ্রামগুলির হিন্দুরা নির্বিচারে আক্রান্ত হল। গান্ধীজি তখন দিল্লিতে। অক্টোবরের (১৯৪৬) মাঝামাঝি খবরের কাগজের খবর এবং গান্ধীজির নিজস্ব সূত্র মারফত নোয়াখালির বিভীষিকার বিস্তৃত সংবাদ তিনি পেলেন। এর দু’মাস আগে (১৬ আগস্ট, ১৯৪৬) কলকাতায় মুসলিম লিগের ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসের’ ভয়াবহ দাঙ্গা ঘটে গিয়েছে। কলকাতার ওই দাঙ্গার নারকীয় বীভৎসতা ২০/২১ আগস্ট দেখতে এসে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অন্যতম সমর নায়ক ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড ওয়াভেলের নার্ভ ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু গান্ধীজি শহরের মানুষের এই দাঙ্গায় ভেঙে পড়েননি। কিন্তু নোয়াখালির দাঙ্গা কেন তাঁকে এত বিচলিত করেছিল?

    কলকাতার ১৬ আগস্টের দাঙ্গার বদলা বিহারে আরম্ভ হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় অন্তর্বর্তী সরকারের এক নম্বর মন্ত্রী হিসাবে জওহরলাল নেহরু নিখিল ভারত মুসলিম লিগের সভাপতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের মন্ত্রী মনির আবদুর রব নিশতারকে নিয়ে বিহারে গেলেন। নেহরু ও নিশতার দিল্লিতে ফিরে এসে বিহারের পরিস্থিতি নিয়ে গান্ধীজির সঙ্গে আলোচনা করলেন। আবদুর রব নিশতার চাইলেন গান্ধীজির অবিলম্বে বিহারে যাওয়া দরকার। কিন্তু গান্ধীজির কাছে তখন নোয়াখালির বিশদ রিপোর্ট এসে গেছে।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বই পড়ুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস
    অনলাইন বুক

    গান্ধীজি স্থির করলেন, আগে নোয়াখালি। তারপর বিহার। নোয়াখালির পথে তিনি ২৯ অক্টোবর (১৯৪৬) বেলা সাড়ে পাঁচটায় সোদপুর আশ্রমে পৌঁছলেন। গান্ধীজি সোদপুরে পৌঁছানোর প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এলেন প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ, অন্নদাপ্রসাদ চৌধুরি, সুরেন্দ্রমোহন ঘোষ, কিরণশঙ্কর রায় ও বরিশালের সতীন সেন। তাঁরা ত্রিপুরা ও নোয়াখালি সম্পর্কে গান্ধীজিকে রিপোর্ট দিলেন। সতীন সেন গান্ধীজিকে জানালেন, নোয়াখালি দাঙ্গার প্রতিক্রিয়া হিসাবে পূর্ববাংলার সংখ্যালঘু হিন্দুদের মনে আতঙ্ক ও ভীতি দেখা দিয়েছে. ১ নভেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী শহিদ সুরার্বদি প্রায় প্রতিদিনই সোদপুরে এসে গান্ধীজির সঙ্গে দেখা করে, তাঁকে নোয়াখালি না যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করলেন। গান্ধীজি তাঁর বক্তব্য শুনলেন এবং তাঁকে বললেন, ‘শহিদ, তোমার কি লুকোবার কিছু আছে? তবে তুমি কেন আমাকে নোয়াখালি না যেতে বলছ?’ ৩ নভেম্বর গান্ধীজি বাংলার গভর্নর রজার ফ্রেডারিক বারোজের সঙ্গে দেখা করে নোয়াখালির পরিস্থিতি নিয়ে কথা বললেন। এই আলোচনার সময় উপস্থিত ছিলেন ফোর্ট উইলিয়ামের সামরিক অধিনায়ক মেজর জেনারেল রয় বুচার।

    মেজর জেনারেল গান্ধীজি বললেন, তিনি নোয়াখালিতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে চান। গান্ধীজি তাঁকে সাফ জবাব দিলেন, সামরিক বাহিনী যদি প্রাদেশিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে থেকে কাজ করে, তাহলেই সামরিক সাহায্যের কোনও প্রয়োজন নেই। কারণ, তাতে কোনও ফল হবে না। ৪ নভেম্বর গান্ধীজি তাঁর নোয়াখালি যাত্রার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে ফেললেন এবং পরিকল্পনামাফিক সব কিছু করার জন্য তাঁর সেক্রেটারি নির্মলকুমার বসুকে নির্দেশ দিলেন। ৬ নভেম্বর সকালে ট্রেনে ওঠার আগে গান্ধীজি সোদপুর আশ্রম থেকে দু’খানা চিঠি লিখলেন। একখানা সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে এবং অন্যটি জওহরলাল নেহরুকে। সর্দারকে তিনি যে চিঠি দিলেন, তার বয়ান ছিল এরূপ : কলকাতার হিন্দুস্থান স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় বেরিয়েছে যে, তুমি এলাহাবাদে সাংবাদিকদের কাছে সুরাবর্দি ও মুসলিম লিগকে এই বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছ, যদি বাংলার প্রাদেশিক সরকার হিন্দু হত্যা বন্ধ না করে, তা হলে বিহারের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে এবং অন্য প্রদেশগুলিতেও এর প্রতিক্রিয়া পড়বে। তোমার এই বিবৃতি সত্য কি? জওহরলাল নেহরুকে লিখলেন : বিহারের ঘটনা সম্পর্কে খবরের কাগজগুলিতে যে সব খবর বেরিয়েছে তার একাংশ যদি সত্য হয়, তাহলে বিহারের প্রাদেশিক সরকারের সরকার পরিচালনার কোনও অর্থই থাকে না। সব অপকর্মের জন্য গুণ্ডারাই কেবল দায়ী, এটা আমি মানতে রাজি নই এবং এটা অসত্য।…

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা কমিকস
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সেবা প্রকাশনী বই

    ৬ নভেম্বর বেলা তিনটায় গান্ধীজি গোয়ালন্দ স্টিমারঘাটে পৌঁছলেন। গোয়ালন্দে দিগন্তবিস্তারী পদ্মা। একটু দূরেই ব্রহ্মপুত্রের প্রবল জলরাশি এসে মিশে পদ্মাকে করেছে আরও প্রমত্তা। ইংরেজ স্টিমার কোম্পানি গান্ধীজির জন্য একটি আলাদা স্টিমারের ব্যবস্থা করে রেখেছিল। এই স্টিমার গান্ধীজিকে চাঁদপুর নিয়ে যাবে। রেল স্টেশন থেকে একটু হেঁটে স্টিমার ঘাটে গিয়ে দেখা গেল হাজার হাজার ছোট বড় নৌকা পদ্মার বুকে ভাসছে। নৌকার গলুইতে ছইয়ের ভিতর লোকেরা বসে আছে গান্ধীজিকে দেখবার জন্য। এছাড়া আরও অসংখ্য নৌকা ঘিরে রয়েছে স্টিমারের দু’পাশে।

    স্টিমারের ওপর জেটির দু’পাশে কোম্পানির সাহেব ও ভারতীয় অফিসাররা দাঁড়িয়ে। দাঁড়িয়ে রয়েছে স্টিমারের সারেং ও খালাসিরা। তারা কেউ কেউ গান্ধীজিকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করল। গান্ধীজি স্টিমারের দোতলায় উঠে গিয়ে ডেকের উপর দাঁড়িয়ে নৌকায় অপেক্ষমান হাজার হাজার মানুষকে নমস্কার করলেন। জনতা তাঁর কথা শুনতে চাইল। তখন ডেকের উপর বসে তিনি তাঁদের বললেন : আমি নোয়াখালিতে যাচ্ছি কেবল একটি কথা হিন্দুদের বলতে। সেটি হল, হিন্দুর যেন বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে না যায়। নোয়াখালি জেলায় হিন্দুরা সংক্যায় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হলেও তাদের মুসলমানদের সঙ্গেই বাস করতে হবে। আত্মসম্মানের সঙ্গে কোনও আপস না করেই হিন্দুদের তা করতে হবে। চাঁদপুরে স্টিমার পৌঁছল সন্ধ্যায়।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার
    বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা কমিকস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বইয়ের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    ৭ নভেম্বর সকাল দশটায় চাঁদপুর থেকে ট্রেন ছাড়ল নোয়াখালির চৌমোহনির উদ্দেশ্যে। প্রতিটি স্টেশনে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। গাড়িতে বসেই প্রত্যেক স্টেশনে অপেক্ষমান জনতাকে গান্ধীজি বললেন, সাহস ও নির্ভীকতা নিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। ভয়কে ভয় করলে চলবে না। বাঙালির কাছে এটা যেন রবীন্দ্রনাথেরই কথা। লাকসাম জংশন স্টেশনে গান্ধীজিকে ট্রেন থেকে নামতেই হল। লাকসাম স্টেসনের কাছে নোয়াখালির শরণার্তীদের জন্য একটি বড় শরণার্থী শিবির স্থাপন করা হয়েছিল। নোয়াখালির উপদ্রুত গ্রামগুলি থেকে অত্যাচারিত কয়েক হাজার হিন্দু ওই শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল। গান্ধীজি প্ল্যাটফর্মে নেমে কিছু শরণার্থীর সঙ্গে কথা বললেন এবং সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিলেন। বিকালে ট্রেন চৌমোহনি পৌঁছলে গান্ধীজি ট্রেন থেকে নামলেন। এই চৌমোহনিতে যোগেন্দ্রনাথ মজুমদারের বাড়িতে গান্ধীজির কয়েকদিনের জন্যে থাকার ব্যবস্থা করা হল।

    চৌমোহনিতেও একটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে দাঙ্গা পীড়িতদের জন্য। এই শিবিরটি পরিচালনার দায়িত্ব সম্মিলিতভাবে গ্রহণ করেছে কংগ্রেস, আর এস পি এবং খাদি সংগঠন অভয় আশ্রমের কর্মীবৃন্দ। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় ত্রাণ শিবিরের কাছে গান্ধীজির প্রার্থনা সভার আয়োজন করলেন এই কর্মীরা। গান্ধীজি প্রার্থনাসভায় যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বেরিয়েই দেখলেন, দু’জন লোক ঘরের বাইরে একটি বেঞ্চে পাশাপাশি চিন্তিত মুখে বসে আছেন। তাঁদের মধ্যে একজন সাহেব। গান্ধীজিকে দেখেই তাঁরা উঠে দাঁড়লেন। ইংরেজ ভদ্রলোক গান্ধীজিকে নমস্কার করে বললেন, ‘আমি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ই এফ ম্যাকিনার্নি।’ পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতীয়কে দেখিয়ে ইংরেজ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বললেন, ‘ইনি এস এম আবদুল্লা, আমার জেলার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট।’ গান্ধীজি আবদুল্লার দিকে এগিয়ে গিয়ে সহাস্যে বললেন, ‘তুমি হলে সেই আবদুল্লা, তোমার কথা আমাকে অনেকে বলেছে। তারা বলেছে, তুমি একটি কুখ্যাত লোক। তুমি নোয়াখালিতে আক্রান্ত মানুষদের রক্ষা তো করোইনি; বরং অনেকক্ষেত্রে আক্রমণকারীদের উৎসাহ দিয়েছো। এটা কি সত্যি?’নোয়াখালির পুলিশ সুপার, এস এম আবদুল্লা গান্ধীজির সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলেন। গান্ধীজি আবদুল্লার কাঁধে হাত দিয়ে বললেন, ‘যা হোক এখন তো তুমি আমার সঙ্গে এসো।’ যে পুলিশ সুপার আবদুল্লার বিরুদ্ধে নোয়াখালির হিন্দুদের অভিযোগ পুঞ্জীভূত, সেই আবদুল্লাকেই সঙ্গে নিয়ে মহাত্মা গান্ধী প্রার্থনাসভায় এলেন। মহাত্মাজির সঙ্গে আবদুল্লাকে দেখে প্রার্থনাসভার শ্রোতাদের মধ্যে গুঞ্জন উঠল। গান্ধীজি আবদুল্লাকে তাঁর পাশে বসতে বললেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    PDF
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা কবিতা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    চৌমোহনিতে তিনদিন থাকার পর গান্ধীজি নোয়াখালির দত্তপাড়া গ্রামে প্রবেশ করলেন। এই গ্রাম থেকেই আরম্ভ হল নোয়াখালির উপদ্রুত গ্রামগুলিতে তাঁর ঐতিহাসিক যাত্রা। দত্তপাড়া, কাজিরখিল, শ্রীরামপুর, লক্ষ্মীপুর এই চারটি গ্রামে তিনি তাঁর আস্তানা করে নিলেন। যে গ্রামগুলিতে মেয়েরা বেশি নির্যাতিতা হয়েছিলেন সেই গ্রামগুলিতে পাঠিয়ে দিলেন সুশীলা নায়ার ও সুচেতা কৃপালনিকে। নোয়াখালি এমনি একটি জেলা যেখানে বছরে ন’ মাস জল ডুবে থাকে পথঘাট। নৌকা যেখানে বলতে গেলে প্রধান পরিবহন। জল কাদা ভেঙে বাঁশ ও সুপারি গাছের সাঁকো পেরিয়ে প্রায় সাড়ে চার মাস তিনি নোয়াখালি অবস্থান করেছিলেন। যে গ্রামগুলিতে গান্ধীজি শিবির স্থাপন করেছিলেন, সেখানকার আক্রান্ত ও আক্রমণকারী উভয় সম্প্রদায়ের বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন। আটকে রাখা ধর্মান্তরিত হিন্দুদের উদ্ধার করেছেন। যে সকল মৌলভী হিন্দুদের ধর্মান্তরিত হিন্দুদের উদ্ধার করেছেন। যে সকল মৌলবী হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করেছিলেন, তাঁদের বাড়ি গিয়ে তিনি কোরান চেয়েছেন। বলেছেন, ‘আমাকে দেখিয়ে দাও, এই ধর্মান্তরণ করে তুমি আল্লাহ’র কতখানি কাছে যেতে পারবে?’ সেইসব মুসলমানরা তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, অপরাধ স্বীকার করেছেন। গান্ধীজির সামনে আল্লাহের কাছে কৃতকর্মের জন্য প্রার্থনা করেছেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ভাষা
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই
    বাংলা অডিওবুক
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

    কেন গান্ধীজি নোয়াখালিতে এলেন, কেন নোয়াখালিকে সারা ভারতবর্ষের প্রেক্ষাপটে তিনি এত গুরুত্ব দিলেন?

    এর জবাব গান্ধীজি নোয়াখালিতে বসেই দিয়েছেন তাঁর ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময়কার সেক্রেটারি কৃষ্ণদাসকে। কৃষ্ণদাসকে তিনি বলেছেন, ‘আমি কেন বাংলার এই প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে এতদিন ধরে পড়ে আছি? এই জেলার হিন্দুরা এতই সংখ্যালঘিষ্ঠ যে তাঁদের অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হয়। কিন্তু কেন তাঁরা সন্মান ও মর্যাদা নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান প্রতিবেশীদের মতোই থাকতে পারবেন না?’

    নোয়াখালির পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট এস এম আবদুল্লা, যাঁকে ওই জেলার প্রতিটি হিন্দু ‘হিন্দু—বিদ্বেষী’ বলে মনে করত, সেই আবদুল্লা গান্ধীজির এক অনুগত ভক্তে পরিণত হলেন। তিনি গান্ধীজিকে জানিয়েছিলেন, কিভাবে মুসলিম লিগে নেতা ও সক্রিয়বাদীরা জেলার প্রশাসনকে কব্জা করে ফেলেছে। সদরে বসে পুলিশ সুপার এবং তাঁর অধস্তন অফিসাররা গ্রাম এলাকার পরিস্থিতির খবর পাচ্ছেন না। গান্ধীজির সঙ্গে আবদুল্লার এই মানসিক ও আত্মিক নৈকট্য মুখ্যমন্ত্রী সুরার্বর্দি খুবই অপছন্দ করলেন। তিনি ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একদিন টেলিগ্রামে আবদুল্লাকে নোয়াখালি থেকে মুর্শিদাবাদে বদলি করে দিলেন। সরকারি অফিসার হিসাবে তিনি ওই নির্দেশ মেনে নিয়ে গান্ধীজির আশীর্বাদ চাইলেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন বুক
    Books
    বাংলা অডিওবুক
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বইয়ের
    বাংলা ই-বুক রিডার
    পিডিএফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    দেশ ভাগ হতে চলেছে। কলকাতায় মুসলমানের আক্রান্ত হচ্ছেন। আগস্ট মাসের (১৯৪৭) প্রথম সপ্তাহে গান্ধীজি চলে এলেন সোদপুরে। মুর্শিদাবাদ থেকে সেই নোয়াখালির এস এম আবদুল্লা একদিন সোদপুর চলে এলেন। গান্ধীজি তাঁকে দেখে বিস্মিতভাবে প্রশ্ন করলেন, ‘সেকি তুমি ‘অপশন’ দিয়ে পাকিস্তান যাওনি?’ আবদুল্লা গান্ধীজিকে বললেন, তাঁর পাকিস্তান যাওয়ার ইচ্ছা নেই। তিনি কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। গান্ধীজির নির্দেশ নিতে তাই তিনি এসেছেন। গান্ধীজিকে তাঁকে বললেন, ”তুমি পাকিস্তানে ‘অপশন’ দাও। নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানে তোমার মতো অফিসারের প্রয়োজন আছে। সেখানকার হিন্দু সংখ্যালঘুরা আবার নিজেদের বিপন্ন বোধ করছে। তুমি তাদের সেবা ও সাহায্য করতে পারবে।’ এস এম আবদুল্লা গান্ধীজির অনুমতি নিয়ে পাকিস্তান ‘অপশন’ দিয়ে চলে গেলেন। এরপর গান্ধীজির সঙ্গে আবদুল্লার আর দেখা হয়নি। প্যারেলাল তাঁর ”গান্ধী দি লাস্ট ফেজ” গ্রন্থে লিখেছেন : গান্ধীজির হত্যার পর তাঁর স্মৃতিরক্ষার জন্য যে জাতীয় তহবিল গড়ে তোলা হল, সেই তহবিলে এক হাজার এক টাকার যে প্রথম মানিঅর্ডারটি এসেছিল সেটি হল ঢাকা থেকে এস এম আবদুল্লার।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ
    Next Article হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    Related Articles

    বারিদবরণ ঘোষ

    একশ বছরের সেরা ভৌতিক – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বারিদবরণ ঘোষ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }