Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গাব্বু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প101 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭-৮. মাথায় ঠাণ্ডা পানি

    পরদিন সকালে মাথায় ঠাণ্ডা পানি না ঢেলেও গাব্বুকে ঘুম থেকে তুলে ফেলা গেল। বাথরুমে গিয়ে গাব্বু টুথপেস্ট দিয়ে মুখ ধোয়া যায় কি না পরীক্ষা করে দেখল। পাশে টুনি দাঁড়িয়ে ছিল, অন্যদিন হলে চিৎকার করে বাসা মাথায় তুলে ফেলত, আজকে কিছুই করল না। নাস্তা খাওয়ার সময় গাব্বু যখন পানির গ্লাসে চায়ের পাতা ফেলে সারফেস টেনশনের একটা ছোট এক্সপেরিমেন্ট করে ফেলল, তখনো কেউ তাকে কিছু বলল না।

    নাস্তা খেতে খেতে আব্বু খবরের কাগজ পড়ছিলেন, হঠাৎ মাথা তুলে বললেন, “এই যে, রিফাত হাসানের ছবি।”

    সবাই ঘুরে তাকাল। প্রথম পৃষ্ঠায় নিচের দিকে তার হাসিমুখের একটা ছবি। টুনি জিজ্ঞেস করল, “কী লিখেছে আব্বু?”

    মিঠু বলল, “ভাইয়ার সাথে দেখা হয়েছে সেইটা কি লিখেছে?”

    টুনি মুখ ভেংচে বলল, “আর ভাইয়া যে তার সাথে একশ রকম বেয়াদবি করেছে সেটা লিখেছে?”

    আব্বু হাসলেন, বললেন, “না সেইগুলো কিছু লিখেনি। লিখেছে যে আজকে বিকেলে চলে যাবেন!”

    টুনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “ইশ! একটুর জন্যে দেখা হল না।”

    .

    স্কুলে পৌঁছানোর পর গাব্বু তার ব্যাগটা জানালার কাছে রেখে যখন বের হবে তখন শুনল তাদের ক্লাসের মিলি আর লিটন ঝগড়া করছে। গাব্বু এ ধরনের ঝগড়াঝাটিকে কোনো গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু আজকে গুরুত্ব দিল। কারণ ঝগড়ার বিষয়বস্তুটা বিজ্ঞানবিষয়ক। গাব্বু শুনতে পেল লিটন বলছে উত্তল লেন্স দিয়ে কোনোকিছু ছোট দেখা যায়, আর মিলি বলছে বড় দেখা যায়। এরকম বৈজ্ঞানিক একটা আলোচনায় পাশে দাঁড়িয়েও সে অংশ নেবে না সেটা তো হতে পারে না।

    গাব্বুকে দেখে লিটন আর মিলি দুজনেই থেমে গেল, কারণ তারা দুজনেই জানে গাব্বু এই আলোচনাটাকে টেনে এত লম্বা করে ফেলবে যে তারা সেখান থেকে আর বের হতে পারবে না। গাব্বু বলল, “তোদের সমস্যাটা কী?”

    লিটন তাড়াতাড়ি বলল, “কোনো সমস্যা নাই।”

    মিলিও মাথা নাড়ল, “নাই। সমস্যা নাই।” তারপর দুইজনই ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে যেতে শুরু করল।

    গাব্বু বলল, “আমি তোদের কথা শুনেছি। উত্তল লেন্স দিয়ে কোনোকিছুকে বড় দেখা যায় না ছোট দেখা যায় সেটা জানতে চাচ্ছিস।”

    মিলি বলল, “এখন আর জানতে চাচ্ছি না।” তারপর ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে গেল।

    গাব্বু পেছন পেছন হেঁটে গিয়ে বলল, “উত্তল লেন্স হচ্ছে কনভেক্স লেন্স। কনভেক্স লেন্স দিয়ে একটা জিনিস বড়ও দেখা যায়, আবার ছোটও দেখা যায়।”

    মিলি এবার দাঁড়িয়ে গেল, ভুরু কুঁচকে পেছনে তাকিয়ে বলল, “একটা লেন্স দিয়ে একইসাথে একটা জিনিস বড় আর ছোট কেমন করে দেখা যাবে? আমার সাথে ফাজলেমি করিস?”

    “মোটেই ফাজলেমি করছি না। বড় দেখা যায় যদি জিনিসটা ফোকাল লেংথের ভেতরে থাকে। ফোকাল লেংথের বাইরে হলে ছোট হতে পারে।”

    মিলিকে লেন্স নিয়ে উৎসাহী হতে দেখা গেল না, সে হেঁটে চলে গেল। লিটন জিজ্ঞেস করল, “সত্যি?”

    “হ্যাঁ। ক্যামেরায় ছবি তোলে কীভাবে? কনভেক্স লেন্স দিয়ে। আমরা আমাদের চোখে দেখি কেমন করে? কনভেক্স লেন্স দিয়ে।”

    লিটন বলল, “ও।”

    “টেলিস্কোপের অবজেক্টিভ লেন্স সবসময় কনভেক্স লেন্স দিয়ে তৈরি করতে হয়। আইপিস কনভেক্সও হতে পারে, কনকেভও হতে পারে।”

    লিটন বলল, “ও।”

    “আইপিস যদি কনভেক্স হয় সেই টেলিস্কোপে সবকিছু উল্টো দেখা যায়।”

    লিটন বলল, “ও।”

    “আমাদের বাইনোকুলার আমরা সোজা দেখি। তার মানে কী?” গাব্বু লিটনের উত্তরের জন্যে অপেক্ষা করল না, নিজেই বলে দিল, “তার মানে হচ্ছে বাইনোকুলারের আইপিস হচ্ছে কনকেভ লেন্স।”

    লিটন বলল, “ও।” গাব্বু বলল, “আমার ব্যাগে লেন্স আছে। দেখবি?”

    লিটন দুর্বলভাবে বলল, “দেখা।”

    গাব্বু তখন তার ব্যাগ খুলে সেখান থেকে লেন্স খুঁজে বের করতে থাকে। ব্যাগে শুধু লেন্স নয়, সেখানে দুই ধরনের চুম্বক, কয়েলের তার, কয়েকটা ব্যাটারি, কাঁচের স্লাইড, ক্রু ড্রাইভার, এলইডি, লিটমাস পেপার, ফিল্মের কৌটা, ভিনেগার, শুকনো পোকামাকড়-এরকম অনেক কিছু আছে। গাব্বু যখন লেন্সটা খুঁজে বের করছে তখন লিটন কেটে পড়ার একটা সুযোগ পেল, বলল, “গাব্বু তুই খুঁজে বের কর। আমি আসছি।” তারপর সেও সটকে পড়ল।

    গাব্বু শেষ পর্যন্ত তার লেন্সটা খুঁজে পেল, লেন্সটা সে জানালার ওপর দাঁড় করিয়ে লিটনকে খুঁজতে বের হল। সে তখনো জানতো না এই লেন্সটা তার কপালে কত বড় বিপদ ডেকে আনবে।

    ক্লাসরুম থেকে বের হয়েই গাব্বু দেখল রবিন মাঠে পড়ে আছে এবং তাকে ঘিরে ছোট একটা ভিড়। রবিন একটু দুষ্টু টাইপের, সারাক্ষণই ছোটাছুটি করছে এবং আছাড় খেয়ে পড়ে ব্যথা পাচ্ছে। কাজেই তার জন্যে এটা মোটেই নতুন ব্যাপার না। গাব্বু কাছে গিয়ে দেখে আসলেই তাই, পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে, নাক-মুখ কুঁচকে যন্ত্রণার শব্দ করছে।

    রত্না বলল, “নাক চেপে ধর তা হলে ব্যথা কমে যাবে।”

    মিলি বলল, “ঠাণ্ডা পানি খাইয়ে দে।”

    লিটন বলল, “গরম সরিষার তেল দিলে ব্যথা কমবে।”

    গাব্বু এরকম অবৈজ্ঞানিক কথা শুনে খুবই বিরক্ত হল, কাছে গিয়ে বলল, “ব্যথা কী? ব্যথা হচ্ছে নার্ভ দিয়ে ব্রেনে পাঠানো একটা অনুভূতি। তাই ব্যথা কমানোর একটাই উপায়, সেটা হচ্ছে নার্ভ দিয়ে ব্যথার অনুভূতিটা পাঠাতে বাধা দেওয়া।”

    মিলি বলল, “সেটা কীভাবে করা যায়? কক্ষনোই করা যাবে না।”

    গাব্বু গম্ভীর হয়ে বলল, “অবশ্যই করা যায়। এই নার্ভ দিয়ে সবরকম অনুভূতি যাচ্ছে। কাজেই পায়ে আরও অনেক রকম অনুভূতি তৈরি করতে হবে যেন সবগুলো পাঠাতে গিয়ে ব্যথার অনুভূতিটা কমে যায়।”

    “কীভাবে?”

    “হাত বুলাতে থাক। সবচেয়ে সোজা।”

    রবিন এমনিতেই হাত বুলাচ্ছিল, এবারে আরও কয়েকজন হাত বুলিয়ে দেয়। গাব্বু গম্ভীর গলায় বলল, “রবিন? ব্যথা কমেছে না?”

    রবিন মাথা নাড়ল। গাব্বু রাজ্য জয় করার ভঙ্গি করে বলল, “দেখেছিস?”

    মিলি ঠোঁট উল্টে বলল, “কচু।”

    গাব্বু মুখ শক্ত করে বলল, “আমার কথা বিশ্বাস করলি না? আয় কাছে আয়। দেখাই।”

    মিলি জিজ্ঞেস করল, “কী দেখাবি?”

    “তোর হাতটা দে।”

    মিলি হাতটা এগিয়ে দেয়, গাব্বু খপ করে হাতটা ধরে সেখানে একটা চিমটি দিল, সাথে সাথে মিলি”আউ আউ” করে চিৎকার করে লাফাতে থাকে। গাব্বু এমন কিছু জোরে চিমটি দেয়নি, কিন্তু মিলি এমন ভাব করতে লাগল যে সে ব্যথায় মরে যাচ্ছে।

    গাব্বু বলল, “যেখানে চিমটি দিয়েছি সেখানে হাত বুলা, দেখবি ব্যথা কমে যাবে। নার্ভ দিয়ে–”

    মিলি দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে বলল, “কচু। এত জোরে চিমটি দিয়েছিস, এই দেখ লাল হয়ে গেছে–”

    গাব্বু দেখল, মোটেও সেরকম লাল হয়নি। মিলির গায়ের রঙ ফর্সা আর ফর্সা গায়ের রঙ হলে অল্পতেই লাল হয়। গাব্বু বলল, “লাল হওয়া মানে বুঝেছিস তো? তার মানে রক্ত জমা হচ্ছে।”

    মিলি পা দাপিয়ে বলল, “কচু।” তারপর রেগেমেগে চলে গেল।

    তাপস নামে একটা ছেলে পুরো ব্যাপারটা দেখেনি, সে জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে?”

    লিটন বলল, “গাব্বু মিলিকে চিমটি দিয়েছে।”

    তাপস অবাক হয়ে বলল, “কেন? মিলিকে চিমটি দিল কেন?”

    রত্না বলল, “ব্যথা দেওয়ার জন্যে।”

    তাপস আরও অবাক হল, “ব্যথা দেওয়ার জন্যে? গাব্বু কেন মিলিকে ব্যথা দিচ্ছে?”

    গাব্বু বলল, “আমি মোটেও মিলিকে ব্যথা দেই নাই। আমি মিলিকে দেখাচ্ছিলাম নার্ভের ভেতর দিয়ে ব্যথার অনুভূতি যাওয়ার সময় কীভাবে সেটাকে কমানো যায়।”

    “কীভাবে?”

    “তোর হাতটা দে।”

    তাপস তার হাত বাড়িয়ে দিল, গাব্বু সেটা ধরে এক জায়গায় চিমটি দিল। তাপসও”আউ” করে ছোট একটা চিৎকার করল, কিন্তু মিলির মতো লাফঝাঁপ শুরু করে দিল না। গাব্বু তখন তাকে দেখাল কেমন করে ব্যথার ওপর হাত বুলিয়ে ব্যথা কমানো যায়।

    তাপসের দেখাদেখি আরও কয়েকজন তখন গাব্বুর দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়। সবাই যে গাব্বুর কথা বিশ্বাস করল তা না, সেটা নিয়ে গাব্বু অবশ্যি মাথা ঘামাল না। সে অনেকদিন থেকে দেখেছে, বিজ্ঞানের আবিষ্কার সবাই ব্যবহার করে কিন্তু অনেকেই বিজ্ঞানকে বিশ্বাস করে না। তাদের ক্লাসেই অনেক গাধা আছে যারা ডারউইনের বিবর্তন বিশ্বাস করে না, ভাগ্যিস গাব্বুর গায়ে সেরকম জোর নেই আর সে খুব মারপিট করার মানুষ না, তা না হলে ক্লাসে এই নিয়ে খুনোখুনি হয়ে যেত।

    .

    আজকের দিনটি অন্যরকম। কারণ ক্লাসরুমের দরজার আড়ালে গাব্বু একটা গগাবদা মাকড়সা পেয়ে গেল, বহুদিন থেকে সে একটা বড় মাকড়সা খুঁজছে। ব্ল্যাক উইডো স্পাইডার নামে এক ধরনের বিষাক্ত মাকড়সা আছে যার কামড় খেলে মানুষ মরে পর্যন্ত যায়, কিন্তু এই দেশের মাকড়সা সেরকম না। মাকড়সার আটটা পা, চোখও অনেকগুলো, বিষয়টা সে এখনো নিজে ভালো করে দেখেনি।

    গোবদা মাকড়সাটা একবারও সন্দেহ করেনি যে কেউ তাকে ধরে ফেলবে, তাই সেটা পালানোর চেষ্টা করল না, গাব্বু খপ করে সেটাকে ধরে ফেলল। গাব্বুর হাতের মাঝে মাকড়সাটা কিলবিল করতে লাগল, ছুটে পালানোর চেষ্টা করল, গাব্বু ছাড়ল না। পথে-ঘাটে এরকম মহামূল্যবান জিনিস পেলে সেগুলো রাখার জন্যে তার ব্যাগে নানারকম শিশি বোতল কৌটা থাকে, কাজেই গাব্বু ক্লাসরুমে ঢুকে তার ব্যাগের কাছে গেল। ঠিক তখন তার সাথে রত্নার দেখা হল এবং গাব্বু বুঝতে পারল সে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা এক্সপেরিমেন্ট করার সুযোগ পেয়েছে।

    রত্না মাকড়সাকে অসম্ভব ভয় পায়। ছোট থেকে ছোট মাকড়সা দেখেও সে ভয়ে-আতঙ্কে চিৎকার করতে থাকে, গাব্বু যে গোবদা মাকড়সাটাকে ধরেছে সেটা দেখলে রত্না নির্ঘাত হার্টফেল করবে। গাব্বু যে মাকড়সাটাকে ধরে রেখেছে রত্না তখনো সেটা দেখেনি। গাব্বু মাকড়সা ধরে রাখা হাতটা পেছনে রেখে জিজ্ঞেস করল, “রত্না, তুই পাইয়ের মান কত পর্যন্ত জানিস?”

    “পাই?”

    “হ্যাঁ।”

    “বেশি না, তিন দশমিক এক চার পর্যন্ত।”

    “তুই কি আরও বেশি জানতে চাস?”

    রত্না ঠোঁট ওল্টাল, বলল, “আমি কিছু মনে রাখতে পারি না।”

    “আমি তোকে দশমিকের পর নয় ঘর পর্যন্ত শিখিয়ে দেব।”

    “কীভাবে?”

    “তুই শিখতে চাস কি না বল?”

    রত্না মাথা নাড়ল, বলল, “ঠিক আছে।”

    গাব্বু তখন মাকড়সা ধরা হাতটা রত্নার সামনে নিয়ে আসে, আর রত্না আতঙ্কে রক্তশীতল করা একটা চিৎকার দিল। রত্নাকে দেখে মনে হল সে বুঝি ভয়ের চোটে মারাই যাবে, পেছনে ছুটে যেতে গিয়ে সে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেল।

    গাব্বু মাকড়সাটাকে রত্নার নাকের সামনে ধরে বলল, “তিন দশমিক এক চার এক পাঁচ নয় দুই ছয় পাঁচ চার।”

    রত্না চিৎকার করে ওঠে। গাব্বু ঠাণ্ডা গলায় বলল, “চিৎকার করবি না, আমি কী বলি মন দিয়ে শোন, তিন দশমিক এক চার এক পাঁচ নয় দুই ছয় পাঁচ চার… তিন দশমিক এক চার এক পাঁচ নয় দুই ছয় পাঁচ চার…”

    মানুষ যেভাবে মন্ত্র পড়ে গাব্বু সেইভাবে দশমিকের পর নয় ঘর পর্যন্ত পাইয়ের মান উচ্চারণ করতে লাগল। ক্লাসের সবাই কিছুক্ষণ এই বিচিত্র দৃশ্যটি দেখল, তারপর গাব্বুকে টেনে সরিয়ে নিয়ে রত্নাকে উদ্ধার করল।

    গাব্বু তার ব্যাগে একটা কৌটার মাঝে আধমরা মাকড়সাটাকে রেখে কৌটার মুখ বন্ধ করল। ফারিয়া মুখ বিকৃত করে জিজ্ঞেস করল, “কী করছিস? এই মাকড়সাটাকে কৌটার মাঝে ঢুকালি কেন?”

    “পালব।”

    “পালবি? মাকড়সা পালবি?”

    “হ্যাঁ।”

    “এর মাঝে ছিঃ এর কী আছে?”

    “মাকড়সাও একটা পালার জিনিস হল?”

    “তুই যদি তোর শরীরে কোটি কোটি ব্যাক্টেরিয়া পালতে পারিস তা হলে আমি একটা মাকড়সা পালাতে পারব না?”

    ফারিয়া রেগেমেগে বলল, “আমি কখনো আমার শরীরে ব্যাক্টেরিয়া পালি না।”

    “পালিস।”

    “পালি না।”

    “সবাই পালে। মানুষের শরীরে যতগুলো কোষ তার থেকে অনেক বেশি আছে ব্যাক্টেরিয়া।”

    “সত্যি?” ফারিয়া অবাক হয়ে বলল, “আমাদের শরীরে ব্যাক্টেরিয়া থাকে?”

    “হ্যাঁ, ভালো ভালো ব্যাক্টেরিয়া আমাদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।”

    ফারিয়া বলল, “তাই বলে মাকড়সা তো থাকে না–” তারপর মাথা ঝটকা দিয়ে চলে গেল এবং ফারিয়া যখন মাথা ঝটকা দিল তখন গাব্বু দেখল ফারিয়ার মাথায় কত লম্বা চুল। হাইগ্রোমিটার বানানোর জন্যে সে যদি একগোছা এরকম লম্বা চুল পেত কী চমৎকার হত। সে ফারিয়ার পিছু পিছু গেল, “ফারিয়া। ফারিয়া।”

    “কী হয়েছে?”

    “তোর কী সুন্দর লম্বা চুল।”

    ফারিয়া জানে তার সুন্দর লম্বা চুল, মেয়েরা সেটা সবসময় লক্ষ করে, কিন্তু কোনো ছেলে কখনো সেটা লক্ষ করেনি। ফারিয়া অবাক হল যে শেষ পর্যন্ত সেটা একটা ছেলের চোখে পড়েছে এবং কী আশ্চর্য সেই ছেলেটা হচ্ছে গাবু!

    ফারিয়া একটু লাজুক ভঙ্গিতে হেসে বলল, “হ্যাঁ। আমার চুল অনেক লম্বা।”

    “আমাকে একটু দিবি?”

    ফারিয়া গাব্বুর কথা ঠিক বুঝতে পারল না, বলল, “কী দিব?”

    “তোর চুল।”

    “চুল? চুল দিব? চুল কীভাবে দেয়?”

    “কেটে?”

    গাব্বু তার সুন্দর লম্বা চুল লক্ষ করেছে শুনে একটু আগে তার ভেতরে যে একটু ভালো অনুভূতি হয়েছিল, এখন তার পুরোটা দূর হয়ে সেখানে একটা খাট্টাভাব তৈরি হল। ফারিয়া রেগেমেগে বলল, “তুই জানিস যে তোর মাথা খারাপ?”

    “দে না। প্লীজ। একটু।”

    “দূর হ।”

    গাব্বু দূর হল না, সে ফারিয়ার পিছনে লেগে রইল, আর শেষ পর্যন্ত ত্যক্তবিরক্ত হয়ে ফারিয়া তাকে কয়েকটা চুল দিতে রাজি হল। সাথে সাথে গাব্বু এক দৌড়ে তার ব্যাগ থেকে একটা কাঁচি নিয়ে চলে আসে।”

    ফারিয়া চোখ কপালে তুলে বলল, “কাঁচি কেন?”

    “চুল কাটার জন্যে।”

    “কতগুলো কাটবি?”

    “বেশি না, গুনে গুনে দশটা।”

    চুল গুনে গুনে কাটা যায় কি না সেটা এখনো কেউ জানে না এবং আট নম্বর চুলটা কাটার সময় ফারিয়া আবার মাথায় একটা ঝটকা দিল আর তখন তার মাথার একগোছা চুল কাটা পড়ল।

    ফারিয়ার মাথায় অনেক চুল, কাজেই যেখানে একগোছা চুল কাটা পড়েছে সেই জায়গাটা সহজেই ঢেকে রাখা যায় কিন্তুচুল একটু সরালেই ফাঁকা জায়গাটা চোখে পড়ে। ফারিয়ার মেজাজ যা খারাপ হল সেটা বলার মতো না, কিন্তু তখন কী করবে!

    ক্লাসের ঘণ্টা পড়ার পর রত্না ভয়ে ভয়ে ক্লাসে ঢুকল। গাব্বু তার ব্যাগের ভেতর একটা জ্যান্ত মাকড়সা রেখে দিয়েছে, সেটা চিন্তা করেই তার বুক ধুকধুক করছে। গাব্বুর বেঞ্চ থেকে অনেক দূরে গিয়ে বসে সে চিৎকার করে বলল, “গাব্বু, তোকে আমি খুন করে ফেলব।”

    গাব্বু একটু অবাক হয়ে বলল, “কেন?”

    “তুই জানিস না কেন? তুই জানিস না আমি মাকড়সাকে ভয় পাই? আমাকে মাকড়সা দিয়ে ভয় দেখাস?”

    গাব্বু আরও একটু অবাক হয়ে বলল, “কিন্তু আমি তো ভয় দেখানোর জন্যে মাকড়সা দেখাইনি। মানুষ ভয় পাওয়ার সময় তার সামনে যেটা হয় সেটা মনে রাখে। সেই জন্যে দশমিকের পর নয় ঘর পাইয়ের মান বলছিলাম, লক্ষ করিসনি?”

    পাইয়ের মান নিয়ে রত্নার খুব একটা মাথা ব্যথা দেখা গেল না। সে হিংস্র গলায় বলল, “আমি প্রিন্সিপাল স্যারের কাছে নালিশ করব।”

    গাব্বু বলল, “কিন্তু কিন্তু–”

    “আমি থানায় তোর বিরুদ্ধে মামলা করব।”

    গাব্বু বলল, “কিন্তু আমি–”

    “তোর আব্বু-আম্মুর কাছে নালিশ করব।”

    গাব্বু বলল, “আসলে হয়েছে কী জানিস, মানুষের ব্রেনের মাঝে-”

    ভয় পেলে মানুষ কেমন করে সেটা মনে রাখে বিষয়টা গাব্বু ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছিল, কিন্তু তার মাঝে ক্লাসে রওশন ম্যাডাম ঢুকে গেলেন বলে সে আর ব্যাখ্যা করতে পারল না।

    ক্লাস শুরু হওয়ার পর গাত্তু হঠাৎ করে বুঝতে পারল একদিনের জন্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণা বেশি হয়ে গেছে, সত্যি সত্যি যদি রত্না কিংবা ফারিয়া কিংবা মিলি কিংবা আর কেউ স্যার-ম্যাডাম কিংবা প্রিন্সিপালের কাছে নালিশ করে দেয় তা হলে সে বিপদে পড়ে যাবে।

    গাব্বু তখনো জানত না যে সে আসলে বিপদে পড়ে গিয়েছে।

    .

    ০৮.

    সকালবেলা গাব্বু ক্লাসরুমে মিলি আর লিটনকে কনভেক্স লেন্স নিয়ে জ্ঞান দান করছিল এবং বিষয়টা হাতে কলমে দেখানোর জন্যে তার বিশাল লেন্সটা জানালার ওপর রেখে তাদের খুঁজতে গিয়েছিল। বাইরে নানা ধরনের উত্তেজনার কারণে তার আর লেন্সটার কথা মনে নেই। ধীরে ধীরে বেলা হয়েছে এবং সূর্যটা উপরে উঠেছে এবং মনে হয় ঠিক গাব্বুকে বিপদে ফেলার জন্যেই বিশাল কনভেক্স লেন্সের ঠিক ফোকাল পয়েন্টে জানালার পর্দাটা বসানো হয়েছে।

    রওশন ম্যাডামের ক্লাস যখন মাঝামাঝি পৌঁছেছে ঠিক তখন সূর্যের আলো কনভেক্স লেন্সের কারণে কেন্দ্রীভূত হয়ে জানালার পর্দায় আগুন লাগিয়ে দিল। সস্তা সিনথেটিক কাপড়, কিছু বোঝার আগে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে উঠল। ক্লাসের ছেলেমেয়েরা চিৎকার করতে করতে বের হয়ে আসে, গাব্বু সাথে সাথে বুঝে গেল কী হয়েছে, তাই লেন্সটা না নিয়ে সে বের হতে চাইছিল না, কিন্তু তাকেও ঠেলে বের করা হল। মাঠে সব ছেলেমেয়েরা গাল্লুকে ঘিরে দাঁড়াল, চিৎকার করে বলল, “গাব্বু! তুই এখন কী করেছিস? কী করেছিস বল।”

    এরকম একটা আগুন যে গাব্বু ছাড়া আর কেউ লাগাতে পারে না সেটা নিয়ে কারও মনে এতটুকু সন্দেহ ছিল না। গাব্বু আমতা আমতা করতে করতে বলল, “আমার কনভেক্স লেন্সটা জানালার ওপর রেখেছিলাম। মনে হয়, মনে হয়”

    সূর্যের আলোকে কেন্দ্রীভূত করে আগুন ধরিয়ে ফেলার মতো তাপ সৃষ্টি করে ফেলা যায় বিজ্ঞানের এত সুন্দর বিষয়টা কারও চোখে পড়ল না। মাঠে সব ছেলেমেয়েরা যখন চেঁচামেচি করছে ঠিক তখন দেখা গেল গাব্বুদের ক্লাসরুমের আগুন নিভিয়ে প্রিন্সিপাল স্যার বের হয়ে আসছেন, ডান হাতে যে জিনিসটা ধরে রেখেছেন গাব্বু দূর থেকেই সেটাকে চিনতে পারল, তার বড় কনভেক্স লেন্সটা, যেটা সে জানালার উপর রেখে এসেছিল।

    খাটো প্রিন্সিপাল লম্বা লম্বা পা ফেলে তাদের দিকে এগিয়ে এলেন, লেন্সটা উপরে তুলে জিজ্ঞেস করলেন, “এটা কার?”

    এমনভাবে জিজ্ঞেস করলেন যে শুনে মনে হল হাতে যেটা ধরে রেখেছেন সেটা একটা গ্রেনেড কিংবা মেশিনগান কিংবা আধা কেজি পটাশিয়াম সায়নাইড।

    গাব্বু বলল, “আমার।” নিজের জিনিসটা নেওয়ার জন্যে সে হাত বাড়াল, প্রিন্সিপাল স্যার লেন্সটা ফেরত না দিয়ে হাত সরিয়ে নিয়ে বললেন, “ও! আমাদের রেগুলার ক্রিমিনাল! তোমার?”

    “জি স্যার।”

    “ঘরে আগুন লাগানোর জন্যে জানালায় ফিট করেছ?”

    “না স্যার। মিলি আর লিটন কনভেক্স লেন্স নিয়ে কথা বলছিল-”

    “খবরদার।” প্রিন্সিপাল স্যার খেঁকিয়ে উঠলেন, “নিজের বদমাইশির সাথে অন্যদের জড়াবে না। আর কী কী করেছ তুমি?”

    “কিছু করি নাই স্যার।”

    “নিশ্চয়ই করেছ। বল কী করেছ?”

    “কিছু করি নাই।”

    প্রিন্সিপাল স্যার এবারে ক্লাসের ছেলেমেয়েদের দিকে তাকালেন, বললেন, “কী করেছে তোমরা বল।”

    কেউ কোনো কথা বলল না। প্রিন্সিপাল স্যার এবার ধমক দিয়ে বললেন, “কী করেছে বল?”

    লিটন একটু ইতস্তত করে বলল, “গাব্বু তো একটু পাগল কিসিমের, তাই সবসময়েই কিছু না কিছু করছে।”

    “কী করেছে?”

    “এই তো–”

    “এই তো মানে?”

    মিলি বলল, “যেমন চিমটি কাটা–”

    প্রিন্সিপাল স্যার চিৎকার করে বললেন, “চিমটি কেটেছে? এই মিচকি শয়তান চিমটি কাটে? কত বড় সাহস? আর কী করে?”

    গাব্বু আবিষ্কার করল প্রিন্সিপাল স্যার ধমকাধমকি করে কিছুক্ষণের মাঝে ফারিয়ার চুল কাটা থেকে শুরু করে রত্নাকে মাকড়সা দিয়ে ভয় দেখানো পর্যন্ত সবগুলো ঘটনা বের করে ফেললেন। তার মুখে এবারে কেমন যেন একটা আনন্দের ছাপ পড়ল, তার মুখের দুই পাশের ধারালো কেনাইন দাঁত দুটো বের করে হিংস্র মুখে বললেন, “মিচকে শয়তান! তোমার দিন শেষ! ফিনিস।”

    গাব্বু বলল, “আ-আমার?”

    “হ্যাঁ। তোমার কত বড় সাহস, তুমি আমাকে হাইকোর্ট দেখাও? এখন আমি তোমাকে হাইকোর্ট দেখাব।”

    গাব্বু বলল, “হাইকোর্ট? আমাকে?”

    প্রিন্সিপাল স্যার মাথা ঝাঁকালেন, কিন্তু যেহেতু তার গলা নেই, শরীরের ওপর মাথাটা সরাসরি বসানো, তাই মাথাটা খুব বেশি নড়ল না। সেই অবস্থায় হিস হিস শব্দ করে বললেন, “আমি তোমার বাবা-মা’কে ডেকে পাঠাচ্ছি, তারপর তাদের হাতে তোমাকে তুলে দিব। তারা তোমাকে নিয়ে যা ইচ্ছা তাই করতে পারবেন।”

    গাব্বু বলল, “যা ইচ্ছা?”

    “হ্যাঁ। যা ইচ্ছা।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগ্রামের নাম কাঁকনডুবি –- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article একটুখানি বিজ্ঞান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }