Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গালিভারস ট্রাভেলস – জোনাথন সুইফট

    জোনাথন সুইফট এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লিলিপুটদের দেশে – ২

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    [ লিলিপুটদের সম্রাট কয়েকজন অমাত্যসহ লেখককে তার বন্দী অবস্থায় দেখতে এলেন । সম্রাটের চেহারা ও স্বভাবের বর্ণনা। লেখককে দেশের ভাষা শেখাবার জন্যে পণ্ডিত নিযুক্ত। তার অমায়িক ব্যবহারের জন্যে রাজানুগ্রহ লাভ। লেখকের পকেট সার্চ এবং তার তলোয়ার ও পিস্তল বাজেয়াপ্ত ।]

    আমি উঠে দাঁড়িয়ে আমার চারদিক দেখলাম এবং স্বীকার করতেই হবে যে চারদিকের দৃশ্য দেখে আমি মুগ্ধ। সারা দেশটাই মনে হল একটা বাগান আর ঘেরা জায়গাগুলো যা চল্লিশ বর্গ ফুট মতো হবে যেন এক একটি ফুলের কেয়ারি। মাঝে মাঝে বড় বড় গাছ তবে সবচেয়ে লম্বা গাছগুলো সাত ফুটের বেশি নয়। আমার বাঁ দিকে শহর ঠিক যেন মঞ্চে আঁকা দৃশ্য । যাহোক আমার প্রাকৃতিক ক্রিয়া সম্পাদনের চাপ অসহ্য হয়ে উঠছিল ।

    এসব কাজগুলো দুদিন বন্ধ আছে। আমি বাধ্য হয়ে গুঁড়ি মেরে আমার বাড়ির মধ্যে ঢুকে কাজটা শেষ করলাম বটে কিন্তু মনে মনে বেশ বুঝলাম অন্যায় হয়েছে। পরদিন প্রত্যুষে লোকজন আসবার আগেই আমি বাইরে আমার শেকলের গণ্ডির মধ্যেই কাজটা সেরে ফেলতাম এবং দুজন লোক ঠেলাগাড়ি এনে সব পরিষ্কার করে নিয়ে যেত। এসব বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং আমি মানুষটা যে অবিবেচক বা অপরিষ্কার নই তা বোঝাবার জন্যেই এই অনভিপ্রেত প্রসঙ্গের অবতারণা করতে হল।

    দুঃসাহসিক কাজটা শেষ করার পর আমি আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলাম এবং কিছু তাজা বাতাস অনুভব করলাম। ইতোমধ্যেই সম্রাট সেই গম্বুজ থেকে নেমে এসেছেন এবং ঘোড়ায় চেপে আমার দিকে এগিয়ে আসছেন। ঘোড়াটি সুশিক্ষিত হলেও আর একটু হলেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারত কারণ ঘোড়াটি চলন্ত পাহাড় দেখতে অভ্যস্ত নয়, অতএব অভূতপূর্ব এক দৃশ্য দেখে সে পিছনের দুপায়ে ভর দিয়ে, খাড়া উঠে দাঁড়াল। সম্রাট নিজেও সুকৌশলী অশ্বারহী, ঘোড়ার পিঠ থেকে তিনি ছিটকে পড়লেন না। অবিলম্বে রক্ষীরা ছুটে এসে ঘোড়ার লাগাম ধরে তাকে চার পায়ের উপর দাঁড় করাল এবং সম্রাট ঘোড়া থেকে অবতরণ করলেন। ঘোড়া থেকে অবতরণ করে তিনি সপ্রশংস দৃষ্টিতে আমাকে পর্যবেক্ষণ করলেন। অবশ্য আমার শেকল থেকে নিরাপদ দূরত্বে থেকে।

    তারপর সম্রাট তাঁর পাচক ও সুরাভাণ্ডারীকে আদেশ দিলেন, আমাকে খাদ্য ও পানীয় পরিবেশন করতে। সব কিছু প্রস্তুত ছিল, তারা অবিলম্বে আদেশ পালন করল। চাকাওয়ালা ঠেলাগাড়ির উপর খাদ্য ও পানীয় সম্ভার থরে থরে সাজিয়ে তারা গাড়িগুলো আমার দিকে ঠেলে দিল। কুড়িটি গাড়িতে ছিল আমিষ খাদ্য আর দশটিতে সুরা । দুটি বা তিনটি গাড়ির খাবার দ্বারা আমি মুখ ভর্তি করতে লাগলাম আর সেই দশ পাত্র ভর্তি সুরাও শেষ হল । সুরা ভর্তি করা হচ্ছিল মাটির পাত্রে। এক এক পাত্র এক চুমুকেই শেষ । রাজকুমার রাজকুমারী ও কয়েকজন অভিজাত মহিলাসহ রানিও এসেছেন। তাঁরা দূরে চেয়ারে বসে আছেন কিন্তু ঘোড়া ক্ষেপে যাওয়ার পর তারা চেয়ার ছেড়ে উঠে রাজার কাছে এসেছিলেন।

    রাজাকে দেখতে কেমন? তাঁর সভাসদ অপেক্ষা রাজা বেশ লম্বা, শরীরের গঠন মজবুত ও পুরুষোচিত। অস্ট্রিয়ানদের মতো তাঁর ঠোঁট এবং ধনুকের মতো নাক, অলিভের মতো দেহবর্ণ, উন্নত কপাল, অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মধ্যেও বেশ একটা সামঞ্জস্য আছে । চলন বলন রাজসিক কিন্তু একটা মাধুর্য আছে। বয়সে যৌবন উত্তীর্ণ, আটশ বছর পার হয়েছে। তার মধ্যে তিনি সাত বছর সগৌরবে রাজ্য শাসন করছেন। তাঁকে ভালো করে দেখবার জন্যে আমি মাটিতে শুয়ে তাঁর দিকে পাশ ফিরলাম যাতে আমি তাঁর মুখ ভালো করে দেখতে পাই। তিনি তিন গজ দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে অবশ্য আমি তাঁকে অনেকবার আমার হাতের উপর তুলে নিয়েছিলাম এবং তাঁকে ভালো করে লক্ষও করেছি ও তাঁর নিখুঁত বর্ণনাই পেশ করেছি। তাঁর পোশাকটি না এশীয় না ইউরোপীয় । মাথায় ছিল রত্ন-খচিত স্বর্ণমুকুট যার শীর্ষে পালক শোভা পাচ্ছিল। যদি আমি আক্রমণ করি এই আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্যে হাতে রেখেছিলেন খোলা তলোয়ার। তলোয়ারটি প্রায় তিন ইঞ্চি লম্বা । তলোয়ারের হাতল এবং খাপ যা কোমরে ঝুলছিল তা সোনার, ওপরে উজ্জ্বল হীরে বসানো। তাঁর কণ্ঠস্বর তীক্ষ্ণ কিন্তু উচ্চারণ বেশ স্পষ্ট ও সাবলীল এবং আমি উঠে দাঁড়ালেও তাঁর কথা বেশ শুনতে পাচ্ছিলাম। মহিলা ও সভাসদদের পোশাক বেশ আড়ম্বরপূর্ণ। তারা সকলে যেখানে দাঁড়িয়েছিল সে জায়গাটি মনে হচ্ছিল যেন সোনা রুপোর কাজকরা মহিলাদের রঙিন সায়া বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মহামান্য সম্রাট প্রায়ই আমার সঙ্গে কথা বলছিলেন, আমিও উত্তর দিচ্ছিলাম কিন্তু আমরা কেউ কারও কথা এক বর্ণও বুঝতে পারছিলাম না। কয়েকজন পুরোহিত ও আইনবিদও (তাঁদের পোশাক দেখে আমি অনুমান করলাম) ছিলেন। রাজা তাঁদের আদেশ করলেন আমার সঙ্গে কথা বলা জন্যে এবং আমিও কখনো উচ্চস্বরে, কখনো কোমল স্বরে নিজের ভাষায় এবং আমার যত ভাষা জানা ছিল যথা ডাচ, ল্যাটিন, ফরাসি, স্পেনীয়, ইটালিয়ান ভাষায় কথা বললাম কিন্তু বৃথা । প্রায় দু ঘণ্টা পরে সপারিষদ সম্রাট চলে গেলেন এবং কিছু অতি কৌতূহলী দর্শকদের হাত থেকে আমাকে রক্ষা করবার জন্যে কড়া পাহারা রেখে গেলেন। তবুও দর্শকদের ঠেকানো যায় না। কয়েকজন বেশ খানিকটা এগিয়ে এসে আমাকে লক্ষ্য করে তীর ছুঁড়তে লাগল, একটা তীর তো আর একটু হলেই আমার বাঁ চোখে বিধে যেত।

    রক্ষীবাহিনীর কর্নেল ওদের ছ জনকে ধরে ফেললেন। তিনি ভাবলেন আমার হাতে ছেড়ে দিলেই ওদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। এই মনে করে সে সেই ছ’জনকে আমার হাতের কাছে নিয়ে এল তার বর্শার খোঁচা দিতে দিতে। আমি আমার ডান হাত দিয়ে তাদের খপ করে ধরে ফেললাম, পাঁচজনকে আমার পকেটে রাখলাম এবং একজনকে আমার হাতে তুলে নিয়ে আমার মুখের সামনে এনে এমন ভঙ্গি করলাম যে তাকে বুঝি জ্যান্ত খেয়েই ফেলব। বেচারা ভীষণ ভয় পেয়ে চেঁচাতে লাগল। তারপর আমি পকেট থেকে যখন আমার পেনসিলকাটা ছুরি বার করলাম তখন তো কর্নেল ও তার সঙ্গীরা সত্যিই ভয় পেয়ে গেল। কিন্তু আমি তাদের ভয় ভেঙে দিলাম। বন্দীর বাঁধন খুলে দিয়ে তাকে আস্তে আস্তে নামিয়ে দিতেই সে ছুটে পালাল। পকেটে যারা ছিল তাদেরও একে একে বার করে আমি ছেড়ে দিলাম। লক্ষ করলাম যে আমার রক্ষীগণ ও সমবেত জনতা আমার এই দয়া দেখে বেশ প্রীত হল এবং তারা এই ঘটনাটি আমার অনুকূলে রাজসভায় জানিয়েছিল।

    রাত্রে মার বাড়িতে ঘুমোতে অসুবিধে হত তবুও পনের দিন আমাকে স্রেফ মাটির উপর মেঝেতে বেশ কষ্ট করে শুতে হয়েছিল। ইতোমধ্যে রাজামশাই আমার জন্যে বিছানা তৈরি করার হুকুম দিয়েছিলেন। গাড়ি বোঝাই করে ওদের মাপের ছশ বিছানা আনা হল এবং দেড়শটি করে বিছানা প্রথমে আমার মাপ অনুযায়ী সেলাই করে চারভাঁজ করা হল। তারপর সেই মাপে বিছানার চাদর, ঢাকা ও গায়ে দেবার কম্বলও তৈরি করে দেওয়া হল। এ মন্দের ভালো হল কারণ আমাকে কষ্ট করে শুতে হচ্ছিল পাথরের মেঝেতে।

    আমার আগমনবার্তা সারা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং ধনী দরিদ্র, অলস বা কৌতূহলী মানুষ শয়ে শয়ে আমাকে দেখতে আসতে লাগল। ফলে গ্রাম খালি হয়ে যেতে লাগল, চাষ ও ঘর গেরস্থালী কাজের ক্ষতি হতে লাগল। তখন সম্রাট ঘোষণা করলেন কাজের ক্ষতি করে এভাবে দলে দলে আসা চলবে না। আমাকে দেখতে হলে রাজসভায় সচিবের কাছে ফি জমা দিতে অনুমতি পত্র নিতে হবে এবং আমার বাড়ির পঞ্চাশ গজের মধ্যে আসা চলবে না।

    ইতোমধ্যে সম্রাট তাঁর মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘন ঘন পরামর্শ করছেন আমাকে নিয়ে কী করা হবে। পরে আমি আমার এক বিশিষ্ট বন্ধু যিনি রাজসভার অনেক গুপ্ত খবর জানতেন তাঁর কাছে শুনেছিলাম যে আমাকে নিয়ে ওরা বেশ অসুবিধেয় পড়েছেন। তাঁদের ভয় আমি যে কোনো সময়ে আমার শেকল ছিঁড়ে বেরিয়ে পড়তে পারি। তারপর আমাকে খাওয়ানো এক বিরাট সমস্যা, খরচ তো অনেক বটেই উপরন্তু দেশে দুর্ভিক্ষ হয়ে যেতে পারে আমাকে খাওয়াতে যেয়ে। এক সময়ে ওরা স্থির করেছিল আমাকে অনাহারে রেখে মেরে ফেলবে কিংবা আমার মুখ ও হাতে বিষাক্ত তীর মেরে আমাকে হত্যা করবে। কিন্তু আর এক সমস্যা । মরে গেলে আমার বিরাট মৃতদেহ নিয়ে কী করবে? সেটা তো পচবে, শহরে মড়ক দেখা দেবে। সারা রাজ্যেও মড়ক ছড়িয়ে যেতে পারে। আমাকে নিয়ে যখন এই আলোচনা চলছে তখন সৈন্যবাহিনীর কয়েকজন অফিসার মন্ত্রণাসভার দ্বারে উপস্থিত হলেন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হল। তাঁরা আমার বিষয়ে একটা বিবৃতি দেন। বিশেষ করে আমি যে ছ’জন অপরাধীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছি তা শুনে মহামান্য সম্রাট এবং তাঁর সভাসদ বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়ে মত পরিবর্তন করেন । সম্রাট সঙ্গে সঙ্গে এক ঘোষণা জারি করেন যে রাজধানীর ন’শ গজের মধ্যে যে সমস্ত গ্রাম আছে তাদের আমার আহারের জন্যে প্রতিদিন সকালে ছ’টি গরু, চল্লিশটি ভেড়া এবং অন্যন্যা আহার্য দ্রব্য সরবরাহ করতে হবে এবং সেই সঙ্গে উপযুক্ত পরিমাণে রুটি, সুরা ও অন্যান্য পানীয়ও দিতে হবে। এইসবের যথাযোগ্য দাম দেবার জন্যেও সম্রাট তাঁর কোষাগারকে নির্দেশ দিলেন।

    রাজার নিজস্ব খাস ভূসম্পত্তি থেকে আয় আছে কিন্তু তা সত্ত্বেও জরুরি সময়ে প্রজাদের উপর এরকম চাপ মাঝে মাঝে পড়ে, যেমন যুদ্ধের সময়ে। আমার ঘরগেরস্থালী কাজের জন্যে একটি সংস্থা গঠিত হল যেজন্যে ছ’শ ব্যক্তি নিযুক্ত করা হল । তাদের থাকবার জন্যে আমার সুবিধামতো আমার বাড়ির দুধারে তাঁবু ফেলা হল এবং তাদের রক্ষণাবেক্ষণ ও বেতনেরও ব্যবস্থা করা হল। দেশর ফ্যাশন অনুযায়ী আমার পোশাক তৈরির জন্যে তিনশ দর্জি নিয়োগ করা হল। সম্রাটের সেরা ছ’জন পণ্ডিতকে নিয়োগ করা হল আমাকে দেশের ভাষা শেখাবার জন্যে। সম্রাট আরো নির্দেশ দিলেন যে তাঁর এবং মান্যবর ব্যক্তিদের ও সম্রাটের রক্ষীদের অশ্বারূঢ়বাহিনী এখন থেকে আমার সামনে কুচকাওয়াজ করবে যাতে পরস্পরের সঙ্গে পরিচয় সহজ হয় এবং আমিও তাদের রীতিনীতি জানতে পারি। সম্রাটের সমস্ত আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হতে থাকল এবং আমিও প্রায় তিন সপ্তাহের মধ্যে তাদের ভাষা অনেকটা শিখে ফেললাম। এই সময়ের মধ্যে সম্রাট কয়েকবার আমার কাছে এসে আমাকে সম্মানিত করেছেন এবং ভাষা শিক্ষাদানে আমার শিক্ষকদের সঙ্গে তিনি যোগ দিয়ে আমাকে উৎসাহিত করেছেন ।

    আপাতত আমরা উভয়ে কাজ চালানো ভাষায় কথাবার্তা বলতে আরম্ভ করেছিলাম। প্রথম যে শব্দগুলো আমি আয়ত্ত করেছিলাম তার দ্বারা আমি প্রতিবারই নতজানু হয়ে রাজার কাছে আবেদন করতাম তিনি যেন আমাকে মুক্তিদান করেন। তিনি বললেন আমার মুক্তিদানের ব্যাপারটা সময় সাপেক্ষ, মন্ত্রিসভার সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে এবং তার আগে আমাকে অবশ্যই তাঁর প্রতি এবং তাঁর রাজ্যের প্রতি আমার তরফ থেকে শান্তির প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। তিনি আরো বললেন যে আমার প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হবে এবং ইতোমধ্যে আমি যেন ধৈর্য সহকারে তাঁর এবং তাঁর প্রজাদের সম্বন্ধে উচ্চধারণা পোষণ করতে শিখি। তিনি এহেন ইচ্ছাও প্রকাশ করলেন যে আমাকে যদি সার্চ করার আদেশ দেওয়া হয় তাহলে আমি যেন কিছু মনে না করি কারণ আমার কাছে যেসব অস্ত্র আছে সেগুলো বিপজ্জনক। বুঝলাম যে প্রজাদের ভয় থেকে মুক্তি দেওয়াই রাজার উদ্দেশ্য। আমি কথায় ও ইশারায় রাজাকে বললাম যে তাঁকে সন্তুষ্ট করার জন্যে আমি আমার পোশাক খুলে ফেলতে প্রস্তুত আছি এবং আমার পকেটগুলো উলটে তাঁকে দেখাতে পারি । কিন্তু বললেন যে, রাজ্যের আইন অনুসারে আমাকে তাঁর দুজন অফিসার সার্চ করবেন তবে এজন্যে তাঁরা আমার অনুমতি নেবেন ও আমার সহযোগিতা চাইবেন ।

    আমার উদারতা ও বিচার বুদ্ধির উপর তাঁদের বিশ্বাস জন্মেছে এবং তিনি আমাকে সার্চ করবার জন্যে নির্ভয়ে অফিসার প্রেরণ করতে পারেন কারণ আমি তাদের কোনো ক্ষতি করব না। অফিসাররা যদি আমার কোনো জিনিস আটক করে তাহলে আমি যখন এই দেশ ছেড়ে চলে যাব তখন সেগুলো আমাকে ফেরত দেওয়া হবে অথবা আমি যে দাম বার্য করে দেব তারা সেই মতো দাম মিটিয়ে দেবেন। দুজন অফিসার এলেন, আমি তাঁদের আমার হাতের চেটোয় তুলে নিলাম তারপর প্রথমে আমি তাদের আমার কোটের পকেটে এবং অন্য পকেটে নামিয়ে দিলাম কিন্তু আমার যে ঘড়ির বা চোরা পকেট ছিল সেগুলো তাদের দেখতে দিলাম না কারণ সেইসব পকেটে আমার একান্ত ব্যক্তিগত কিছু সামগ্রী আছে যা কারো কাজে লাগবে না। ঘড়ির কেটে আমার রুপোর ঘড়ি ছিল এবং একটি চোরা পকেটে একটা থলেতে কিছু সোনা ছিল। ভদ্রলোকদের সঙ্গে কালি, কলম ও কাগজ ছিল। আমাকে সার্চ করে তারা যা দেখেছে তার একটা বিস্তারিত তালিকা লিখে ফেলল । তালিকাটি তারা সম্রাটকে দেখাবে। ওদের তালিকা দেখে আমি সেটি যথাযথ ইংরেজিতে অনুবাদ করে নিলাম।

    তালিকাটি এরকম :— প্রারম্ভে। বিশাল মানুষপাহাড়ের (ওদের ‘কুইনবাস ফ্লেক্ট্রিন’ শব্দ দুটির অনুবাদ) ডান দিকের কোটের বুকপকেট খুঁটিয়ে সার্চ করে আমরা এমন একটা চৌকো মোটাকাপড় পেলাম যেটি মহামান্য সম্রাটের স্টেটরুমে বিছিয়ে দেওয়া যায়। বাঁদিকের পকেটে পাওয়া গেল রুপোর একটি মস্ত বড় বাক্স যার ঢাকনাটিও ঐ একই ধাতুর তৈরি কিন্তু আমরা অনুসন্ধানকারীরা ঢাকনাটি তুলতে পারছিলাম না। আমরা সেটি খুলতে চাই কিন্তু পারছি না। অবশেষে বাক্স খোলা গেল তখন আমাদের একজন বাক্সের মধ্যে নামতেই একটা নরম গুঁড়ো পদার্থের মধ্যে তার হাঁটু পর্যন্ত ডুবে গেল এবং সেই গুঁড়ো পদার্থ কিছুটা ছিটিয়ে পড়তে আমাদের নাকে মুখে লাগল এবং আমরা হাঁচতে আরম্ভ করলাম। তার ওয়েস্টকোটের ডান দিকের পকেটে কোনো সাদা পাতলা পদার্থের বেশ পুরু একটা বান্ডিল । বান্ডিলটি তার দিয়ে বাঁধা এবং কালো সংখ্যা দ্বারা চিহ্নিত। বোধহয় কিছু লেখা আছে। প্রতিটি অক্ষর আমাদের হাতের চেটোর সমান। বাঁদিকে ইঞ্জিনের মতো কী একটা রয়েছে যা থেকে লম্বা লম্বা দাড়া বেরিয়েছে। আমাদের অনুমান এইটি দিয়ে মানুষ পাহাড় তার চুল আঁচড়ায় । অনুমান এই জন্যে যে আমরা তাকে বার বার প্রশ্ন করে বিরক্ত করি নি কারণ আমাদের কথা তাকে বোঝাতে বেগ পেতে হচ্ছিল। তার কোমরের নিচে পরিহিত রানফুলো (ব্রিচেস)-এর ডান বড় পকেটে এক মানুষ সমান লম্বা ফাঁপা লোহার তৈরি একটা স্তম্ভ পেলাম আর সেই স্তম্ভের সঙ্গে কাঠ ও লোহার তৈরি কিছু লাগানো রয়েছে। এটি কী বস্তু আমরা বুঝতে পারলাম না। বাদিকের পকেটে অনুরূপ একটি ইঞ্জিন ছিল । ডানদিকে একটি ছোটো পকেটে কতকগুলো সাদা ও লাল ধাতু নির্মিত চাকতি রয়েছে, কয়েকটা সরু বা মোটা কিংবা ছোটো ও বড়, নানা আকারের। সাদা চাকতিগুলো বোধহয় রুপোর তৈরি কিন্তু এত ভারী যে সেগুলো আমরা তুলতেই পারছিলাম না। বাঁদিকের পকেটে বিচিত্র আকারের দুটো কালো থামের মতো বস্তু ছিল কিন্তু আমরা পকেটের নিচে থাকায়, উপরটা দেখতে পারছিলাম না তবু আমাদের মনে হয়েছিল সে দুটি বিপজ্জনক কিছু হবে। তখন আমরা তাকে প্রশ্ন করলাম। সেদুটি সে বার করে আমাদের খুলে দেখিয়ে বলল যে একটি দিয়ে সে দাড়ি কামায়, আর অপরটি দিয়ে মাংস কাটে। তার সেই রানফু-লো-এর ওপরে কোমরে দুটো ছোটো ছোটো পকেট রয়েছে যার মধ্যে আমরা প্রবেশ করতে পারি নি। ডান দিকের পকেট থেকে ঝুলছিল রুপোর একটা চেন। চেনের শেষে কী আছে তা দেখবার জন্যে আমরা সেটি বার করতে বললাম। চেনটিতে টান দিয়ে সে বেশ বড় গোলাকার একটি বস্তু বার করল যার এক পিঠ ধাতু নির্মিত আর অপর পিঠ কোনো স্বচ্ছ পদার্থ দিয়ে ঢাকা। সেই স্বচ্ছ পদার্থের ভেতর দিয়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে গোলাকার পদার্থটির ভেতর কিনারা বরাবর একই মাপ বজায় রেখে বেশ বড় দাগ আর ফাঁকে ফাঁকে ছোটো দাগ। দাগগুলো আমরা হাত দিয়ে স্পর্শ করতে গেলাম কিন্তু সেই স্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারলাম না। বস্তুটি যে আমাদের কানের কাছে নিয়ে এল। ভেতরে ক্রমাগত একটা শব্দ হচ্ছে যেন ওয়াটার মিল চলছে। আমরা অনুমান করলাম এটা কোনো অচেনাপ্রাণী অথবা তার পুজো করবার নিজস্ব কোনো দেবতা।

    দেবতাই হবে বোধহয় কারণ আমরা তাকে প্রশ্ন করতে সে বলল ওরই নির্দেশে সে চলে তার সঙ্গে পরামর্শ না করে সে কিছু করে না এবং তার জীবনের সব কাজের সময় সে ঠিক করে দেয়। বাঁ দিকের ছোটো পকেট থেকে সে একটা জালের থলে বার করল। সেটা আমাদের জেলেদের জালের মতো বড় হবে। থলেটা বেশ খোলা ও বন্ধ করা যায় । থলের ভেতর থেকে সে কতকগুলো বেশ ভারী হলদে ধাতব পদার্থ বার করল । সেগুলো যদি সোনা হয় তাহলে তো অনেক দাম।

    মহামান্য সম্রাট আপনার অনুসারে পাহাড়-মানুষের সমস্ত পকেট সার্চ করে দেখলাম তার কোমরে পুরু চামড়ার একটা কোমরবন্ধনী রয়েছে। কোমর বন্ধনীটা বিরাট একটা পশুর চামড়া থেকে তৈরি নিশ্চয়। কোমর বন্ধনীর বাঁ দিক থেকে ঝুলছে একটা তলোয়ার যা লম্বায় আমাদের মতো পাঁচটা মানুষের সমান হবে। কোমর বন্ধনীর ডান দিকে রয়েছে একটা ব্যাগ যার দুটো ভাগ। প্রতি ভাগে সম্রাটের তিন প্রজার স্থান হতে পারে ।

    একটি ভাগে অনেকগুলি ধাতব বল বা গুলি রয়েছে। এক একটা বল আমাদের মাথার সমান । বেশ ভারী, তুলতে শক্তির দরকার। ব্যাগের অপর ভাগে গুঁড়ো গুঁড়ো দানার মতো কিছু পদার্থ রয়েছে, কালো রং তবে দানাগুলো ভারী নয়। আমরা আমাদের হাতে পঞ্চাশটি পর্যন্ত দানা তুলতে পারছিলাম। পাহাড়-মানুষের দেহ সার্চ করে আমরা যা পেয়েছি তার তালিকা পেশ করলাম। উনি মহামান্য সম্রাটের আদেশ পালন করেছেন এবং আমাদের প্রতি যথেষ্ট সৌজন্যে প্রদর্শন করেছেন। মহামান্য সম্রাটের শাসনারম্ভ থেকে ঊননব্বইতম চন্দ্রের চতুর্থ দিবসে আমাদের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা সীল মোহরাঙ্কিত করে পেশ করা হল ।

    ক্লেফরেন ফ্রেলক, মারসি ফ্রেলক এই তালিকা সম্রাটকে শোনালো হল, তিনি আমাকে নির্দেশ দিলেন কতকগুলো সামগ্রী দাখিল করতে, প্রথমে চাইলেন আমার তলোয়ারটি। ইতোমধ্যে তিনি তাঁর বাছা বাছা তিন হাজার সৈন্যকে আদেশ দিয়েছেন যে তারা যেন আমাকে ঘিরে ফেলে এবং তাদের ধনুক নিয়ে প্রস্তুত থাকে, আদেশ পেলেই তীর ছুঁড়বে। কিন্তু আমার দৃষ্টি সেদিকে ছিল না, আমি পুরোপুরি সম্রাটের দিকেই চেয়েছিলাম। সম্রাট বললেন তলোয়ারটি বার করতে । সমুদ্রের জল লেগে তলোয়ারটির কোনো কোনো জায়গায় মর্চে পড়ে গলেও প্রায় সবটাই খুব ঝকঝকে ছিল। আমি খাপ থেকে সড়াৎ করে তলোয়ারটা বার করে নাড়বার সঙ্গে সঙ্গে সৈন্যরা ভয়ে চমকে উঠল। চকচকে তলোয়ারের উপর থেকে সূর্যকিরণ প্রতিফলিত হয়ে তাদের চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছিল। ভেবেছিলাম সম্রাটও ভয় পাবেন কিন্তু তাঁর সাহস আছে । তিনি অবাক হলেও ভয় পান নি। আমাকে বললেন তলোয়ারটি খাপে পুরে মাটিতে আস্তে আস্তে নামিয়ে রাখতে। আমি আমার পায়ে বাঁধা শেকল থেকে ছ’ফুট দূরে সেটি নামিয়ে রাখলাম। তারপর তিনি চাইলেন লোহার ফাঁপা থামওয়ালা যন্ত্রটি অর্থাৎ আমার পিস্তলটি। তাঁর ইচ্ছানুসারে আমি পিস্তলটি বার করলাম এবং সেটি কী করে ব্যবহার করতে হয় তা দেখিয়ে দিতে চাইলাম। আমি পিস্তলে আপাতত শুধু বারুদ ভরলাম। সমুদ্রের পানিতে কিছু বারুদ ভিজে গিয়েছিল তবুও অধিকাংশ শুকনো ছিল।

    আমি শুকনো বারুদই ভরলাম এবং সম্রাটকে বললাম এবার যা ঘটবে সেজন্যে যেন তিনি ভয় পান না । তারপর আমি আকাশের দিকে লক্ষ্য করে পিস্তল ছুঁড়লাম। আমার তলোয়ার দেখে তাদের যতখানি চমক লেগেছিল তার চেয়ে পিস্তলের আওয়াজ ওদের অনেক বেশি চমকিত করল । কয়েকশ মানুষ তো এমনভাবে মাটিতে পড়ে গেল যেন তারা মরে গেছে।

    রাজা যদিও প্রকাশ করলেন না তবুও বোঝা গেল তিনি বেশ ভয় পেয়েছেন। আমি যেভাবে তলোয়ারটি দিয়েছিলাম ঠিক সেইভাবে পিস্তল এবং বারুদ ও বুলেটের ব্যাগ নামিয়ে রেখে রাজাকে সতর্ক করে দিয়ে বললাম ব্যাগটি যেন তিনি আগুন থেকে দূরে রাখেন কারণ এতে একটি স্ফুলিঙ্গ লাগলেই যে বিস্ফোরণ ঘটবে তাতে সম্রাটের প্রাসাদ উড়ে যাবে। আমার ঘড়িটিও আমি একইভাবে নামিয়ে রাখলাম। ঘড়িটি সম্বন্ধে রাজাকে যথেষ্ট কৌতূহলী মনে হল। তিনি তাঁর দুজন দেহরক্ষীকে বললেন ঘড়ি মাথার রিংএর মধ্যে একটা ডাণ্ডা ঢুকিয়ে ঘড়িটা তুলে ধরতে ইংল্যান্ডে এইভাবে মদের পিপে বয়ে নিয়ে যায়। ঘড়ির অবিরত টিক টিক শব্দ রাজাকে অবাক করে দিল। ঘড়ির মিনিটের কাঁটার দিকে তিনি একদৃষ্টে চেয়ে রইলেন, ওদের দৃষ্টিও খুব প্রখর। মিনিটের কাঁটাটি আপনা আপনি এগিয়ে যাচ্ছে দেখে তিনি অবাক। ঘড়ি সম্বন্ধে তিনি তাঁর পণ্ডিতদের মতামত জিজ্ঞাসা করলেন তবে তারা নিজেদের মধ্যে কী বলাবলি কলতে লাগল তা আমি ভালো শুনতেও পেলাম না, বুঝতেও পারলাম না। তারপর আমি আমার রুপোর ও তামার মুদ্রাগুলো, ন’টি বড় ও কিছু ছোটো সোনার টুকরো সমেত থলেটি, ছুরি ও ক্ষুর, চিরুনি, রুপোর নস্যদানি, রুমাল এবং দিনলিপির খাতা রাজার সামনে একে একে রাখলাম।

    তলোয়ার পিস্তল এবং বারুদ ও বুলেটের পাউচ সম্রাট তাঁর ভাণ্ডারে তুলে রাখবার নির্দেশ দিলেন কিন্তু বাকি জিনিসগুলো আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হল। আমার আর একটি গুপ্ত পকেট ছিল সেটি অনুসন্ধানকারীরা দেখতে পায় নি। সেই পকেটে আমার চশমা ছিল। আমার দৃষ্টির কিছু ত্রুটি আছে তাই মাঝে মাঝে সেটি পরি, একটি পকেটে দূরবীন এবং আরো কয়েকটা টুকিটাকি। এগুলো রাজার কোনো কাজে লাগবে না তাই আমি আর ওগুলো পকেট থেকে বার করলাম না। তাছাড়া আমার ভয় ছিল যে ওগুলো আমার হাতছাড়া হলে ভেঙে বা হারিয়ে যেতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈগল ইন দ্য স্কাই – উইলবার স্মিথ
    Next Article অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }