Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গীতা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    কালীপ্রসন্ন সিংহ এক পাতা গল্প67 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গীতা – অধ্যায় ০২ – বিষাদনাশক সাংখ্যযোগ, কর্মযোগ প্রশংসা

    দ্বিতীয় অধ্যায় – বিষাদনাশক সাংখ্যযোগ

    সঞ্জয় কহিলেন, “ভগবান্‌, বাসুদেব কৃপাবশংবদ, অশ্রুপূর্ণলোচন, বিষন্নবদন অর্জুনকে কহিলেন, ‘অর্জুন! ঈদৃশ বিষম সময়ে কি নিমিত্ত তোমার এই অনার্য্যসেবিত, স্বর্গপ্রতিরোধক (স্বর্গগমনে বাধাজনক), অকীর্তিকর মোহ উপস্থিত হইল? হে পার্থ! তুমি ক্লীবতা (কাপুরুষতা–দৌর্বল্য) অবলম্বন করিও না; ইহা তোমার উপযুক্ত নয়। হে পরন্তপ! অতিতুচ্ছ হৃদয়দৌর্বল্য দূরীভূত করিয়া উত্থিত হও।’
    “অর্জুন কহিলেন, ‘ভগবন্‌! আমি কী প্রকারে পূজনীয় ভীষ্ম ও দ্রোণের সহিত শরজাল দ্বারা প্রতিযুদ্ধ করিব? মহানুভব গুরুজনদিগকে বধ না করিয়া যদি ইহলোকে ভিক্ষান্ন ভোজন করিতে হয়, তাহাও শ্রেয়ঃ; কিন্তু ইহাদিগকে বধ করিলে ইহকালেই রুধিরলিপ্ত অর্থ ও কাম উপভোগ করিতে হইবে। ফলতঃ এই যুদ্ধে জয় ও পরাজয়ের মধ্যে কোন্‌টির গৌরব অধিক, তাহাও বুঝিতে পারিতেছি না, কেন না, যাঁহাদিগকে বিনষ্ট করিয়া আমরা স্বয়ং জীবিত থাকিতে অভিলাষ করি না, সেই ধার্ত্তরাষ্ট্রগণই সম্মুখে উপস্থিত। কাতরতা ও অবশ্যম্ভাবী কূলক্ষয়জনিত দোষে আমার স্বাভাবিক শৌর্য্যাদি অভিভূত ও আমার চিত্ত ধর্মান্ধ (ধর্মানুরোধে বহির্দৃষ্টিরহিত) হইয়াছে। এই নিমিত্ত তোমাকে জিজ্ঞাসা করিতেছি, যাহা আমার পক্ষে শ্রেয়স্কর হয় বল, আমি তোমার শিষ্য, তোমার শরণাপন্ন হইয়াছি, আমাকে উপদেশ প্রদান কর। ভূমণ্ডলে অকণ্টক (বাধাবিহীন) সুসমৃদ্ধ রাজ্য ও সুরগণের আধিপত্য প্রাপ্ত হইলেও আমার ইন্দ্রিয়গণ এই শোকে পরিশুষ্ক হইবে। আমি এমন কিছুই দেখিতেছি না, যাহাতে আমার শোকাপনোদ হইতে পারে’।” সঞ্জয় কহিলেন, “অতএব আমি যুদ্ধ করিব না’ শত্রুতাপন গুড়াকেশ (ইন্দ্রিয়জয়ী) অর্জুন হৃষীকেশ-সম্মুখে এই বলিয়া তূষ্ণীম্ভাব অবলম্বন করিলেন।
    “হে ভারত! তখন হৃষীকেশ সহাস্য-আস্যে উভয় সেনার মধ্যবর্তী বিষণ্ণবদন অর্জুনকে কহিলেন, ‘হে অর্জুন! তোমার মুখ হইতে পণ্ডিতগণের ন্যায় বাক্য সকল বিনির্গত হইতেছে, অথচ তুমি অশোচ্য বন্ধুগণের নিমিত্ত শোক করিয়া মূর্খতা প্রদর্শন করিতেছ। পণ্ডিতগণ, কি জীবিত, কি মৃত কাহারও নিমিত্ত অনুশোচনা (শোকের অযোগ্য) করে না। আমি পূর্বে যে কখনও ছিলাম না, এমন নহে; এই রাজগণও ছিলেন না, এমন নহে; অতঃপর আমরা সকলে থাকিব না, এমনও নহে। এই দেহ যেমন কৌমার, যৌবন ও জরা প্রাপ্ত হয়, জীবাত্মাও তদ্রূপ দেহান্তর প্রাপ্ত হইয়া থাকেন; ধীরব্যক্তি তদ্বিষয়ে মুগ্ধ হয়েন না। বিষয়ের সহিত ইন্দ্রিয়গণের যে সম্বন্ধ, তাহাই শীত, উষ্ণ ও সুখ-দুঃখের কারণ; সেই সম্বন্ধ কখন উৎপন্ন হয়, কখন বিনষ্ট হয়, অতএব তুমি এই অনিত্য সম্বন্ধ-সকল সহ্য কর। এই সম্বন্ধ-সকল যাঁহাকে ব্যথিত করিতে পারে না, সেই সমদুঃখসুখ (সুখ-সুঃখে তুল্যজ্ঞানী) ধীর পুরুষ মোক্ষলাভের যোগ্য। যাহা কখন ছিল না, যাহা কখন হয় না এবং যাহা বিদ্যমান আছে, তাহারও কখন অভাব হয় না, তত্ত্বদর্শী পণ্ডিতগণ ভাব ও অভাবের এইরূপ নির্ণয় করিয়াছেন। যিনি এই দেহাদিতে ব্যাপ্ত হইয়া আছেন, তাঁহার বিনাশ নাই; কোন ব্যক্তি সেই অব্যয় পুরুষকে বিনাশ করিতে সমর্থ হয় না। হে ভারত! তত্ত্বদর্শীপণ্ডিতগণ কহিয়াছেন, এই সকল শরীর অনিত্য; কিন্তু শরীরী জীবাত্মা নিত্য, অবিনাশী (বিনাশহীন) ও অপ্রেমেয়; অতএব তুমি যুদ্ধ কর। যিনি মনে করেন, এই জীবাত্মা অন্যকে বিনাশ করে এবং যিনি মনে করেন, অন্যে এই জীবাত্মাকে বিনাশ করে, তাঁহারা উভয়েই অনভিজ্ঞ; কেন না, জীবাত্মা কাহাকেও বিনাশ করেন না এবং জীবাত্মাকেও কেহ বিনাশ করিতে পারে না। ইঁহার জন্ম নাই, মৃত্যু নাই; ইনি পুনঃ পুনঃ উৎপন্ন ও বর্দ্ধিত হয়েন না; ইনি অজ (জন্মরহিত), নিত্য, শাশ্বত (অক্ষয়) ও পুরাণ; শরীর বিনষ্ট হইলে ইনি বিনষ্ট হয়েন না। যে পুরুষ ইঁহাকে অবিনাশী, নিত্য , অজ ও অব্যয় বলিয়া জানেন, তিনি কি কাহাকে বধ করেন, না বধ করিতে আদেশ করেন? যেমন মনুষ্য জীর্ণ বস্ত্র পরিত্যাগ করিয়া নূতন বস্ত্র গ্রহণ করে, সেইরূপ দেহী (আত্মা) জীর্ণ দেহ পরিত্যাগ করিয়া অভিনব (নূতন) দেহান্তর পরিগ্রহ করেন। ইহা শস্ত্রে ছেদিত (ছিন্ন), অগ্নিতে দগ্ধ, জলে ক্লেদিত (ক্লিণ্ণ–ক্লেদযুদ্ধ) বা বায়ুতে শোষিত (শুষ্ক) হন না। ইনি নিত্য, সর্বগত, স্থিরভাব, অচল ও অনাদি; অতএব অচ্ছেদ্য, অদাহ্য, অক্লেদ্য ও অশোষ্য। ইনি চক্ষুরাদির অগোচর, মনের অবিষয় (অনুভব) ও কর্মেন্দ্রিয়ের অগ্রাহ্য। অতএব তুমি এই জীবাত্মাকে এবম্প্রকার (এইরূপ) অবগত হইয়া অনুশোচনা পরিত্যাগ কর।
    “হে মহাবাহো! যদি জীবাত্মা সর্বদা জন্মগ্রহণ ও মৃত্যুমুখে প্রবেশ করিয়া থাকেন বলিয়া তাঁহাকে জাত ও মৃত বোধ কর, তাহা হইলে ত ইহার নিমিত্ত শোক করা কর্তব্যই নহে; কেন না, জাত ব্যক্তির মৃত্যু ও মৃত ব্যক্তির জন্ম অবশ্যম্ভাবী ও অপরিহার্য্য; অতএব ঈদৃশ বিষয়ে শোকাকুল হওয়া তোমার উচিত নয়। ভূতসকল উৎপত্তির পূর্বে অব্যক্ত (অপ্রকাশ) ছিল; ধ্বংসসময়েও অব্যক্ত হইয়া থাকে; কেবল জন্মমরণের অন্তরালসময়ে (মধ্যাবস্থায়–মধ্য সময়ে) প্রকাশিত হয়; অতএব তদ্বিষয়ে পরিবেদনা (শোক) কী? কেহ এই জীবাত্মাকে বিস্ময়ের সহিত বর্ণন করেন, কেহ বিস্ময়ের সহিত শ্রবণ করেন, কেহ শ্রবণ করিয়াও বুঝিতে পারে না। হে ভারত! জীবাত্মা সর্বদা সকলের দেহে অবধ্যরূপে অবস্থান করেন, অতএব কোন প্রাণীর নিমিত্ত শোক করা উচিত নয়।
    “তুমি স্বধর্মের প্রতি দৃষ্টিপাত করিলে আর এ প্রকার বিকম্পিত (বিচলিত) হইবে না; ধর্মযুদ্ধ ব্যতীত ক্ষত্রিয়ের আর শ্রেয়স্কর কর্ম নাই। হে পার্থ! যে সকল ক্ষত্রিয় যদৃচ্ছাক্রমে (স্বেচ্ছায়) উপস্থিত অনাবৃত(মুক্ত) স্বর্গদ্বারস্বরূপ ঈদৃশ যুদ্ধ লাভ করে, তাহারাই সুখী। যদি তুমি এই ধর্মযুদ্ধ (ধর্মসঙ্গত যুদ্ধ) না কর, তাহা হইলে স্বধর্ম ও কীর্তি হইতে পরিভ্রষ্ট ও পাপভাগী হইবে; লোকে চিরকাল তোমার অকীর্তি কীর্তন করিবে; সম্ভাবিত (প্রথিতযশা–সম্মানিত) ব্যক্তির অকীর্তি মরণ অপেক্ষাও অধিকতর দুঃসহ। যে সকল মহারথ তোমাকে বহুমান (যথেষ্ট সম্মান) করিয়া থাকেন, তাঁহাদিগের নিকট তোমার গৌরব থাকিবে না; তাঁহারা মনে করিবেন, তুমি ভয়প্রযুক্ত সংগ্রাম-পরাঙ্মুখ হইয়াছ। তাঁহারা তোমার কত অবক্তব্য কথা কহিবেন এবং তোমার সামর্থ্যের নিন্দা করিবেন; ইহা অপেক্ষা অধিকরত দুঃখ আর কী আছে? সমরে বিনষ্ট হইলে স্বর্গ প্রাপ্ত হইবে; জয়লাভ করিলে পৃথিবী ভোগ করিবে; অতএব যুদ্ধের নিমিত্ত কৃতনিশ্চয় (কর্তব্য-বিষয়ে) হইয়া উত্থান (উদ্যম) কর; সুখ-দুঃখ, লাভ-অলাভ ও জয়-পরাজয় তুল্য জ্ঞান করিয়া যুদ্ধে প্রবৃত্ত হও; তাহা হইলে পাপভাগী হইবে না।

    কর্মযোগ প্রশংসা

    “হে পার্থ! যে জ্ঞান দ্বারা আত্মতত্ত্ব সম্যক্‌ প্রকাশিত হয়, তাহা তোমার নিকট কীর্ত্তন করিলাম; এক্ষণে কর্মযোগবিষয়িণী (কর্মযোগসম্পর্কিত) বুদ্ধি অবগত হও; এই বুদ্ধি প্রাপ্ত হইলে তুমি কর্মরূপ বন্ধন হইতে বিমুক্ত হইবে। কর্মযোগের অনুষ্ঠান বিফল হয় না। তাহাতে প্রত্যাবায়ও (পাপ) নাই, ধর্মের অত্যল্প অংশও মহদ্‌ভয় হইতে পরিত্রাণ করে। হে কুরুনন্দন! কর্মযোগবিষয়ে সংশয়রহিত বুদ্ধি একমাত্র (একাগ্র–একরূপ) হইয়া থাকে; কিন্তু প্রমাণজনিত (বেদোক্ত কর্মকাণ্ডত্মক বিধিনিষেধের অধীন) বিবেকরহিত ব্যক্তিদিগের বুদ্ধি অনন্ত ও বহুশাখাবিশিষ্ট। যাহারা আপাত-মনোহর (বর্তমান রম্য–উপস্থিত উপাদেয়) শ্রবণরমণীয় বাক্যে অনুরক্ত, বহুবিধ ফলপ্রকাশক বেদবাক্যই যাহাদিগের প্রীতিকর, যাহারা স্বর্গাদি ফলসাধন কর্ম ভিন্ন অন্য কিছুই স্বীকার করে না, যাহারা কামপরায়ণ, স্বর্গই যাহাদিগের পরমপুরুষার্থ, জন্ম, কর্ম ও ফলপ্রদ, ভোগ ও ঐশ্বর্য্যলাভের সাধনভূত নানাবিধ ক্রিয়াপ্রকাশক বাক্যে যাহাদিগের চিত্ত অপহৃত হইয়াছে এবং যাহারা ভোগ ও ঐশ্বর্য্যে একান্ত সংসক্ত (অত্যন্ত আসক্ত), সেই বিবেকবিহীন মূঢ় ব্যক্তিদিগের বুদ্ধি সমাধি বিষয়ে সংশয়শূন্য হয় না। হে অর্জুন! বেদসকল সকাম ব্যক্তিদিগের কর্মফল-প্রতিপাদক; অতএব তুমি শীতোষ্ণ ও সুখদুঃখাদি-দ্বন্দ্বসহিষ্ণু (রাগ-বিরাগ সহনশীল) ধৈর্য্যশালী, যোগক্ষেমরহিত ও অপ্রমাদী নইয়া নিষ্কাম হও। যেমন কূপ, বাপী, তড়াগ প্রভৃতি জলাশয়ে যেমন প্রয়োজন সিদ্ধ হয়, একমাত্র মহাহ্রদে সেই সকল প্রয়োজন সম্পন্ন হইয়া থাকে, সেইরূপ সমুদয় বেদে সে সকল কর্মফল বর্ণিত আছে, সংশয়রহিত বুদ্ধিবিশিষ্ট ব্রহ্মনিষ্ঠ ব্রাহ্মণ একমাত্র ব্রহ্মে তৎসমুদয়ই প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। কর্মেই তোমার অধিকার হউক, কর্মফলে যেন কামনা না হয়; কর্মফল যেন তোমার প্রবৃত্তির হেতু না হয় এবং কর্মপরিত্যাগে তোমার আসক্তি না হউক। হে ধনঞ্জয়! তুমি আসক্তি পরিত্যাগ পূর্ব্বক একান্ত ঈশ্বরপরায়ণ (ঈশ্বরনিষ্ঠ) হইয়া সিদ্ধি ও অসিদ্ধি উভয়ই তুল্য জ্ঞান করিয়া কর্মসকল অনুষ্ঠান কর, পণ্ডিতেরা সিদ্ধি ও অসিদ্ধি উভয়ের তুল্যজ্ঞানই যোগ বলিয়া নির্দ্দেশ করিয়াছেন। সংশয়রহিত বুদ্ধি দ্বারা অনুষ্ঠিত কর্মযোগই শ্রেষ্ঠ; কাম্যকর্মসমুদয় সাতিশয় অপকৃষ্ট (হীন), অতএব তুমি কর্মযোগের অনুষ্ঠান কর; সকাম ব্যক্তিরা অতি দীন। যাঁহার কর্মযোগ বিষয়িণী বুদ্ধি উপস্থিত হয়, তিনি ইহজন্মেই পরমেশ্বরপ্রসাদে সুকৃত ও দুষ্কৃত উভয় পরিত্যাগ করেন। অতএব তুমি কর্মযোগের নিমিত্ত যত্ন কর। ঈশ্বরের আরাধনা দ্বারা বন্ধনহেতু কর্মসকলের মোক্ষসাধনতাসম্পাদক (মুক্তি-সাধনশক্তি সংসাধক) চাতুর্য্যই (নিপূনতাই) যোগ। কর্মযোগবিশিষ্ট মনীষিগণ (বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিগণ) কর্মজনিত ফল পরিত্যাগ করেন; সুতরাং জন্মবন্ধন হইতে বিনির্ম্মুক্ত হইয়া অনাময়পদ (দুঃখাদিরহিতপদ) প্রাপ্ত হয়েন। যখন তোমার বুদ্ধি অতি গহণ (দুস্ত্যজ্য) মোহ হইতে উত্তীর্ণ হইবে, তখন তুমি শ্রোতব্য (শ্রবণযোগ্য) ও শ্রুত বিষয়ে বৈরাগ্য লাভ করিবে; তৎসম্বন্ধে তোমার আর কিছুই জিজ্ঞাস্য থাকিবে না। তোমার বুদ্ধি নানাবিধ বৈদিক ও লৌকিক বিষয়শ্রবণে উদ্‌ভ্রান্ত হইয়া আছে; যখন উহা বিষয়ান্তরে আকৃষ্ট না হইয়া স্থিরভাবে পরমেশ্বরে অবস্থান করিবে, তখনই তুমি তত্ত্বজ্ঞান লাভ করিবে।’
    “অর্জুন কহিলেন, ‘হে কেশব! সমাধিস্থ (পরমেশ্বরে নিবিষ্টচিত্ত) স্থিতপ্রজ্ঞ (স্থিরবুদ্ধি) ব্যক্তির লক্ষণ কী? তাঁহার বাক্য, অবস্থান ও গতি কী প্রকার?’
    “কৃষ্ণ কহিলেন, ‘হে পার্থ! যিনি সর্বপ্রকার মনোগত কামনা পরিত্যাগ করেন, যাঁহার আত্মা আত্মাতেই সন্তুষ্ট থাকে, তিনিই স্থিতপ্রজ্ঞ। যিনি দুঃখে অক্ষুব্ধচিত্ত, সুখে স্পৃহাশূন্য এবং অনুরাগ, ভয় ও ক্রোধ-বিবর্জিত, সেই মুনি স্থিতপ্রজ্ঞ। যিনি পুত্র, মিত্র প্রভৃতি সকলের প্রতি স্নেহশূন্য, যিনি অনুকূল বিষয়ে অভিনন্দন (অনুরাগ) ও প্রতিকূল বিষয়ে দ্বেষ করে না, তাঁহারই প্রজ্ঞা নিশ্চলা ও তিনিই স্থিতপ্রজ্ঞ। কূর্ম (কচ্ছপ) যেমন আপন অঙ্গসকল সঙ্কোচন করে (ভিতরের দিকে গুটাইয়া লয়), সেইরূপ যিনি বিষয় হইতে ইন্দ্রিয়গণকে প্রত্যাহরণ (প্রত্যানয়ন) করেন, তাঁহারই প্রজ্ঞা নিশ্চলা ও তিনিই স্থিতপ্রজ্ঞ। যিনি ইন্দ্রিয়দ্বারা বিষয় গ্রহণ না করেন, বিষয়সকল তাঁহার নিকট হইতে নিবৃত্ত হইতে পারে; বিষয়াভিলাষ নিবৃত্ত হয় না; কিন্তু স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তি পরমেশ্বরকে দর্শন করিয়া বিষয়বাসনা হইতে বিনির্মুক্ত হইয়া থাকেন। হে কৌন্তেয়! ক্ষোভজনক ইন্দ্রিয়গণ যত্নশীল বিবেকী পুরুষের চিত্তকেও বলপূর্বক হরণ করে; এই নিমিত্ত যোগশীল ব্যক্তি তাহাদিগকে সংযমপূর্বক মৎপরায়ণ (ভগবানে একান্ত নিষ্ঠ) হইয়া থাকিবেন। এইরূপে ইন্দ্রিয়গণ যাঁহার বশীভূত থাকে, তাঁহারই প্রগা নিশ্চলা ও তিনিই স্থিতপ্রজ্ঞ। প্রথমে বিষয়চিন্তা, চিন্তা হইতে আসক্তি, আসক্তি হইতে অভিলাষ, অভিলাষ হইতে ক্রোধ, ক্রোধ হইতে মোহ, মোহ হইতে স্মৃতিভ্রংশ, স্মৃতিভ্রংশ হইতে বুদ্ধিনাশ, বুদ্ধিনাশ হইতে বিনাশ উপস্থিত হয়। যিনি আত্মাকে বশীভূত করিয়াছেন, তিনি রাগদ্বেষবর্জ্জিত আত্মপ্রসাদ লাভ করেন, আত্মপ্রসাদ থাকিলে সকল দুঃখ বিনষ্ট হয়। প্রসন্নাত্নার বুদ্ধিই আশু নিশ্চল হইয়া উঠে। অজিতেন্দ্রিয় ব্যক্তির বুদ্ধি নাই; সুতরাং সে চিন্তা করিতেও পারে না; চিন্তা করিতে না পারিলে শান্তি হয় না; শান্তিহীন ব্যক্তির সুখ কোথায়? যে চিত্ত স্বেচ্ছাচারী ইন্দ্রিয়গণের বশীভূত হয়, সেই চিত্ত বায়ু কর্তৃক সমুদ্রে ইতস্ততঃ-বিঘূর্ণিত নৌকার ন্যায় জীবাত্মার বুদ্ধিকে বিষয়ে বিক্ষিপ্ত করে। অতএব হে মহাবাহো! যাঁহার ইন্দ্রিয়গণ বিষয় হইতে নিগৃহীত (সংযমবলে বিমুখ) হইয়াছে, সেই ব্যক্তিরই প্রজ্ঞা নিশ্চলা ও তিনিই স্থিতপ্রজ্ঞ। অজ্ঞান-তিমিরাবৃতমতি ব্যক্তিদিগের নিশাস্বরূপ ব্রহ্মনিষ্ঠাতে জিতেন্দ্রিয় যোগিগণ জাগরিত থাকেন এবং প্রাণিগণ যে বিষয়নিষ্ঠাস্বরূপ দিবায় প্রবোধিত থাকে, আত্মতত্ত্বদর্শী যোগীদিগের সেই রাত্রি। (রাত্রিতে নিদ্রা ও দিনে জাগরণ, ইহা লোকের স্বাভাবিক। অজ্ঞানরূপ অন্ধকারে যাহাদের বুদ্ধি আবৃত, ব্রহ্মনিষ্ঠা তাহাদের পক্ষে রাত্রি, তাহাতে তাহারা নিদ্রিত, সুতরাং দেখিতে পায় না। যোগিগণের তথাবিধ রাত্রি দিবাস্বরূপ হয়, তাহাতে তাঁহারা জাগরিত; সুতরাং দর্শনে সমর্থ। প্রাণিগণ বিষয় নিষ্ঠারূপ দিবাতে জাগরিত–বিষয়ভোগে ব্যাপৃত থাকে; আর আত্মদর্শীরা তাহাতে নিদ্রিত, ভোগবিরত থাকেন।) যেমন নদী-সকল সর্বদা পরিপূর্ণ স্থিরপ্রতিষ্ঠ (চাঞ্চল্য রহিত) সমুদ্রে প্রবেশ করে, ভোগ সকল সেইরূপে যাহাকে আশ্রয় করিয়া লীন হইয়া যায়, তিনিই মোক্ষ লাভ করেন; ভোগার্থী ব্যক্তি তাহা প্রাপ্ত হইতে পারে না। যিনি কামনা-সকল পরিত্যাগপূর্বক নিস্পৃহ, নিরহঙ্কার ও মমতাবিহীন হইয়া ভোগ্য বস্তুসমুদয় উপভোগ করেন, তিনি মুক্তিলাভ করিয়া থাকেন। হে পার্থ! ব্রহ্মজ্ঞাননিষ্ঠা এই প্রকার; ইহা প্রাপ্ত হইলে সংসারে আর মুগ্ধ হইতে হয় না। যিনি চরমসময়েও এই ব্রহ্মজ্ঞাননিষ্ঠায় অবস্থান করেন, তিনিও পরব্রহ্মে লয় প্রাপ্ত হয়েন।’”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহুতোমপ্যাঁচার নক্সা – কালীপ্রসন্ন সিংহ
    Next Article মহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)

    Related Articles

    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    মহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)

    July 28, 2025
    কালীপ্রসন্ন সিংহ

    হুতোমপ্যাঁচার নক্সা – কালীপ্রসন্ন সিংহ

    July 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }