Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গ্লানির্ভবতি ভারত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প278 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গ্লানির্ভবতি ভারত – ৫০

    ৫০

    জনাপনেরোর দলটা গোটা ক্যাম্পাসটা পাক দিচ্ছিল। দু-হাত ওপরে তুলে মাঝেমাঝেই ‘হরেকৃষ্ণ’ বলছিল, তারপর আবার হাঁটছিল। তাদের কারুর কারুর হাতে খঞ্জনি। সেগুলোর মিলিত শব্দে বেশ লাগছিল শুনতে।

    দলের পেছনে অনেক সাধারণ ভক্তও হাঁটছিলেন, যারা জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে এসেছেন এই পুণ্যধামে। উচ্চৈঃস্বরে হরেনাম না করলেও তাঁরা গলা মেলাচ্ছিলেন।

    প্রিয়াঙ্কা ঢিমেতালে হাঁটছিল। সঙ্গে লোকেশবাবুর স্ত্রী। লোকেশবাবুর স্ত্রীর নাম কাকলি। তিনি বেশ সাধাসিধে মহিলা। হাঁটতে হাঁটতে মায়াপুরে প্রতিবছর আসার নানা টুকরোটাকরা অভিজ্ঞতার গল্প করছিলেন প্রিয়াঙ্কার কাছে।

    “এখন কী ভিড় দেখছ, রাতের বেলা যখন মহাপ্রসাদ বিতরণ হবে, তখন ভিড় উপচে পড়বে। আমি তো সেই ছোট্টবেলা থেকে বাবার হাত ধরে আসতাম। এখন লোকেশ প্রতিবছর আসতে পারুক না পারুক, আমি ঠিক কাউকে না কাউকে সঙ্গে করে চলে আসি। বছরে দোলপূর্ণিমা আর জন্মাষ্টমী, এই দুটো তিথিতে এখানে না এলে মনটা বড় খারাপ লাগে, জানো!”

    স্বামীর সহকর্মীর সঙ্গে কাকলি নিজের মনে বকে চলেছিলেন। প্রিয়াঙ্কাও হু—হা করছিল। ইচ্ছে করেই ও লোকেশবাবুর স্ত্রীকে নিয়ে হাঁটছে, এতে কেউ লক্ষ্য করলেও সন্দেহ করবে না।

    ওর ভেতরটা আফশোসে পুড়ে যাচ্ছে।

    ছেলেটা কোথায় গেল? কিছুদূর গিয়ে যেন উবে গেল ভিড়ের মধ্যে। আসলে চারপাশে একই পোশাক, একই ধরনের কিশোর স্বেচ্ছাসেবকের ছড়াছড়ি। প্রিয়াঙ্কা গুলিয়ে ফেলেছে।

    ছেলেটা কি ওকে চেনে? ওরা এত কড়া নিরাপত্তায় গোটা ক্যাম্পাস মুড়ে রেখেছে, তবু কি সেই আমীশ সমাজের লোকেরা এখানে সাধারণ লোকদের মাঝে লুকিয়ে রয়েছে?

    একদিকে জনা চার পাঁচ শাড়ি পরিহিতা বিদেশিনী কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হয়ে ‘হরেকৃষ্ণ’ গাইছিলেন। তাদের ঘিরে রয়েছে কিছু স্থানীয় ভক্তের জটলা।

    কাকলি সেদিকে এগিয়েও হঠাৎ থেমে গেলেন। বললেন, “আমি একটু বাথরুম যাব। তুমি যাবে?”

    “না।” প্রিয়াঙ্কা বলল, “আপনি ঘুরে আসুন। আমি এখানেই থাকব।”

    কাকলি মাথা নেড়ে প্রস্থান করতেই প্রিয়াঙ্কা ছেলেটাকে আবার দেখতে পেল। বিদেশিনীদের সেই নাচের দলের পেছনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পরনে সেই ধুতি-ফতুয়া। মুখটা ঢলোঢলো, চোখদুটোয় বুদ্ধি ঝকঝক করছে। অন্যদের মতো এর মাথা চকচকে করে কামানো নয়। অল্প অল্প চুল রয়েছে।

    ছেলেটার হাতে একটা পেতলের থালা। তার ওপর যে ফুলগুলো রাখা রয়েছে, সেগুলো সম্ভবত প্রসাদী। প্রত্যেক ভক্তের কাছে ধীর মন্দ্র পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে সে। প্রত্যেক ভক্ত সেই থালা থেকে একটু বা দুটি ফুল তুলে নিলে সে আবার চলেছে পরের জনের কাছে।

    এদিকটা অন্ধকার বেশ ঘনিয়ে এসেছে। প্রিয়াঙ্কা চুপিসারে গিয়ে একেবারে পেছনদিকে দাঁড়াল, যাতে ছেলেটা একেবারে শেষে ওর কাছে আসে। ওর আশেপাশে ওই পোশাকের আর কাউকে দেখা যাচ্ছে না।

    ছেলেটা ওর কাছে আসতেই ও মিষ্টি করে হাসল। চাপা গলায় আন্দাজে একটা ফাঁকা প্রশ্ন ছুঁড়ল, “আমায় চিনতে পারছ তুমি?”

    “হ্যাঁ।” লম্বা করে মাথা হেলালো ছেলেটা, “কানুখুড়োর মন্দিরে এসেছিলে না তুমি? তোমার সঙ্গে আরেকজন ছিল। দুজনেই ছেলেদের মতো জামা পরেছিলে। আমি জানলা দিয়ে দেখেছিলাম।”

    “ঠিক বলেছ তুমি।” প্রিয়াঙ্কা বলল, “তুমি কানুখুড়োর ওখান থেকে কবে এলে?”

    ছেলেটার মুখটা কালো হয়ে গেল। চারপাশ একবার দেখে নিয়ে বলল, “কালই। নিজে থেকে আসিনি গো। জোর করে ধরে এনেছে।”

    “জোর করে ধরে এনেছে? কেন?”

    ছেলেটা চোখ নামাল। বলল, “গুরুদেবের আদেশ। কানুখুড়োকে খুব মেরেছে গো।”

    ৫১

    রুদ্রর গাড়ি ঝড়ের গতিতে ছুটছিল দিল্লি রোড ধরে। গাড়ি চালাচ্ছে জয়ন্ত। সামনের আসনে বসে রুদ্র টেনশনে বারবার নখ কাটছে। পেছনে রয়েছে রাধানাথ রায়ের দেহরক্ষী অর্জুন ও তিনজন কনস্টেবল।

    সঙ্গে আসছে একটা পুলিশ জিপ। তাতে দশজন কনস্টেবল। বাকিদের নিয়ে কমিশনার সুনীত বসু নিজে আসছেন একটু পেছনে।

    জয়ন্ত বলল, “কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম, আমাদের এই আমীশ সমাজ খুঁজতে যাওয়ার থেকে কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ মায়াপুরে থাকা ছিল না? আপনি নেই, ওরা যদি বাই চান্স সিচুয়েশন কন্ট্রোল করতে না পারে, পুরো রেসপন্সিবিলিটি আপনার ঘাড়ে পড়ে যাবে। লোকেশবাবু কি সব সামলাতে পারবেন?”

    রুদ্র বলল, “কথাটা তুমি ঠিকই বলছ, জয়ন্ত। কিন্তু কিছু কিছু সময় এমন আসে, যে কিছু করার থাকে না। এটা তো বুঝতে পারছ, মায়াপুরের সঙ্গে ওই সমাজের সবসময় যোগাযোগ রয়েছে। যতই ওরা নতুন টেকনোলজিকে ঘৃণা করুক, নিজের লোকদের এইসব ব্রেইন ওয়াশ করুক, এস পি স্যার নিজে দরকারে যে মোবাইল ব্যবহার করেন, তা আমরা সবাই জানি। আমরা সবাই একই জায়গায় থাকলে এইদিকটায় ভয়ংকর কিছু ঘটে যেতে পারে। সেটাও তো ভুললে চলবে না।”

    জয়ন্ত চুপ করে রইল।

    “আর লোকেশবাবু সিনিয়র বলে তাঁকে বলে এসেছি, কিন্তু আসল কাজ তো করবে প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কা কমপিটেন্ট অফিসার। ওর ওপর আমার ভরসা রয়েছে।” রুদ্র আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল, হঠাৎ ফোন বাজতে শুরু করল। কমিশনার সুনিত বসু আবার ফোন করছেন।

    “হ্যাঁ স্যার, বলুন। আমরা অন দ্য ওয়ে রয়েছি।”

    “রুদ্রাণী, কয়েকটা কথা মন দিয়ে শোনো। রাধানাথ রায়ের দাদা শেখর চৌধুরী গত কয়েক বছর ধরে একটা মোটা টাকা মায়াপুরে ডোনেট করেন। যদিও দাদার নামে, আমি শিওর, এর পেছনে রাধানাথ রায়ই রয়েছেন।”

    “হ্যাঁ স্যার।” রুদ্র বলল, “লোকেশবাবুও বলছিলেন, উনি আগে দু’একবার স্যারকে ওখানে দেখেছেন। আপনি কি একবার লোকেশবাবুর সঙ্গে কথা বলবেন?”

    “রুদ্রাণী, আমার কথা এখনো শেষ হয়নি। এইবছর গোটা মন্দিরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে যে মহাপ্রসাদ ভক্তদের খাওয়ানো হবে, সেই ভোগ রান্নার কন্ট্রাক্ট পেয়েছে চন্দননগরের বাগডাঙা সরলাশ্রম। এই কন্ট্রাক্টে গ্যারান্টর হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন শেখর চৌধুরী।”

    তীব্র এক ঝাঁকুনি। রুদ্রর নিশ্বাস যেন বন্ধ হয়ে এল।

    “রুদ্রাণী, ক্যান ইউ হিয়ার মি? তুমি তো ওই আশ্রমে গিয়েছিলে, রিপোর্টে দেখলাম।”

    রুদ্রর মাথা কাজ করছিল না। তার মধ্যেই ওর মনে হল, এই মুহূর্তে মায়াপুর মন্দিরে কত সংখ্যক ভক্ত রয়েছেন?

    দশ হাজার? পনেরো হাজার?

    ভোগের প্রসাদে বিষ মিশিয়ে যেভাবে একসঙ্গে এতজনকে হত্যা করা যায়, তেমন কোনো সুযোগ আর কোন পন্থায় আছে কি? এতক্ষণ কেন একবারও এই সম্ভাবনাটা মাথায় আসেনি?

    ও উদ্ভ্রান্তের মতো বলল, “স্যার, উইথ ডিউ রেসপেক্ট, আমি আপনাকে একটু পরে ফোন করছি।”

    ফোনটা কেটে দিয়ে ও ফোন করল প্রিয়াঙ্কাকে। ওর বুকের মধ্যে জোরে জোরে শব্দ হচ্ছে।

    প্রিয়াঙ্কার ফোন বেজে বেজে কেটে গেল। কেউ তুলছে না। রুদ্র ঘড়ি দেখল। রাত সাড়ে দশটা।

    ক’টায় বিতরণ হয় মহাপ্রসাদ?

    রুদ্র আবার ডায়াল করল। এবার লোকেশ বাবুর নম্বরে। বেশ কিছুক্ষণ রিং হওয়ার পর ফোন রিসিভ করলেন ভদ্রলোক, “ইয়েস ম্যাডাম!”

    “প্রিয়াঙ্কা কোথায়?”

    লোকেশবাবু কী বলছেন, ভালো করে শোনাই যাচ্ছে না। পাশেই প্রচণ্ড জোরে চলছে হরিনাম সংকীর্তন। খোল কর্তালের আওয়াজে কিছু বোঝা যাচ্ছে না।

    রুদ্র চেঁচিয়ে বলল, “হ্যালো, শুনতে পাচ্ছেন? প্রিয়াঙ্কা কোথায়?”

    “কে? প্রিয়াঙ্কা ম্যাডাম? উনি আর আমার স্ত্রী একটু প্রধান মন্দিরের দিকে গিয়েছেন। কিছু বলতে হবে, ম্যাডাম?”

    রুদ্র বলল, “আপনি ইমিডিয়েটলি ওকে বলুন, রাত বারোটায় যে ভোগ বিতরণ হবে, সেই খাবারের রান্নাঘর যেন সিজ করে। এনশিওর করুন, একজন লোকও, অ্যাই রিপিট একজন লোকও যাতে সেই ভোগ না খায়।”

    “কী বলছেন ম্যাডাম?” খোল কর্তালের আওয়াজ ছাপিয়ে লোকেশবাবু প্রচণ্ড জোরে চিৎকার করছেন, “ওহ এখানে এত আওয়াজ, কিচ্ছু শোনা যাচ্ছে না! কী বলছেন, রোগ নির্ধারণ? না, এখানে তো কেউ অসুস্থ নেই!”

    রুদ্র বিরক্ত হয়ে ফোনটা কেটে দিল। ঘড়িতে রাত এগারোটা। যত দ্রুত সম্ভব মায়াপুর মন্দিরের রান্নাঘর সিল করতে হবে। কমিশনার স্যারকে ফোন করে নদীয়ার টাস্ক ফোর্স যারা এই মুহূর্তে ওখানে ডিউটি করছে, তাদের বলাটাই ঠিকঠাক হবে।

    যথাসম্ভব সংক্ষেপে গোটা বক্তব্য বুঝিয়ে ফোন রাখল ও। ঘড়িতে রাত এগারোটা পনেরো। দিল্লি রোড দিয়ে সাঁই সাঁই করে লরি ছুটে চলেছে। উলটোদিক থেকে আসা গাড়ির সার্চলাইট চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে।

    রুদ্রর বুকের ভেতরটা কেমন করছে। কী অপেক্ষা করছে আজ সেই অজানা ফার্মহাউজের অন্তরালে?

    চাকরিতে যোগদানের পর থেকে যে মানুষটিকে দেখে এসেছে কর্মক্ষেত্রে নিজের আদর্শ হিসেবে, সেই মানুষটিই কিনা শেষে অপরাধের মূল নায়ক সাব্যস্ত হয়েছেন?

    কিন্তু কেন?

    কমিশনার সাহেবের কথায় ‘কেন এতগুলো খুন করাবেন তিনি?’

    প্রিয়মের কথায়, ‘মোটিভ কী?’

    ভাবতে ভাবতে রুদ্র যেন কেমন আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছিল। জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন থেকে ক্ষমা, মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র থেকে সরলাশ্রমের ভর্তৃহরি মহারাজ, কানু চক্রবর্তী থেকে আমেরিকার শুভাশিসবাবু, সবাই যেন ছেঁড়া ছেঁড়া স্বপ্নের মতো আসছিল ওর ভাবনার মধ্যে।

    যেন একটা প্রকাণ্ড দরজা। সেই দরজার পাল্লায় লাগানো রয়েছে অসংখ্য ছোটবড় তালা। ওর হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে একটা চাবির গোছা। কাজ শুধু সঠিক তালায় সঠিক চাবি লাগানো।

    সময় খুব কম। সব তালা ঠিকমতো না খুলতে পারলে খোলা যাবে না দরজা। ঘটে যাবে ভয়ংকর বিপদ।

    ৫২

    হঠাৎ পেছন থেকে জয়ন্তের কথায় রুদ্রর চিন্তার জাল ছিঁড়ে যায়। চলন্ত গাড়িতে চমকে তাকায় ও, “কী হয়েছে?”

    “ম্যাডাম, অনেকক্ষণ থেকে আপনার ফোন বাজছে!”

    সত্যিই তো! ফোন বেজে চলেছে, ও খেয়ালই করেনি। অজানা নম্বর দেখে তড়িঘড়ি রিসিভ করে ও, “হ্যালো!”

    “কাজটা ভালো করলে না রুদ্রাণী। তোমার প্রোবেশন পিরিয়ডের মধ্যেই কেরিয়ারটাকে শেষ করে ফেললে!”

    এস পি রাধানাথ স্যারের হিমশীতল কণ্ঠে বলা কথাগুলো কানে প্রবেশ করা মাত্র রুদ্র স্থির হয়ে গেল।

    রাধানাথ স্যার নিজে ফোন করেছেন ওকে। এটা কোন নম্বর?

    ও কিছু বলার আগেই স্যার বললেন, “কী ভাবছ, আমাকে জেলে পুরবে? কোনো প্রমাণ আছে তোমার কাছে? কোর্টে গিয়ে কি তোমার ইতিহাসের গালগল্প শোনাবে? না অন্য কোনো ছেঁদো গল্প জুড়বে?”

    রুদ্র স্তব্ধ হয়ে শুনছিল। যে স্যারকে ও এতদিন দেখে এসেছে, তার সঙ্গে ফোনের ওপারের কণ্ঠস্বরকে যেন মেলাতে পারছিল না কিছুতেই।

    শ্রদ্ধার আগলটা যখন ভেঙে যায়, তখন আর মানুষটি শ্রদ্ধেয় থাকেন না। নেমে আসেন নিজেরই স্তরে। কিংবা নিজের থেকেও নীচে।

    রুদ্র হেসে বলল, “কেন স্যার? আপনার ফার্ম হাউজের নাম শম্ভল, দেবদত্ত আপনার ঘোড়ার নাম, আপনি তো সাক্ষাৎ শ্রীকৃষ্ণের অবতার!”

    বিপরীত প্রান্তে রাধানাথ রায় একটু থমকে গেলেন। কর্কশ কণ্ঠে বললেন, “মানে?”

    “মানে তো স্পষ্ট স্যার।” রুদ্র মিহিস্বরে বলল, “আপনি নিজেকে অন্তিম অবতার কল্কি মনে করেন। কল্কির গ্রামের নাম শম্ভল, ঘোড়ার নাম দেবদত্ত। সেইজন্যই তো আপনি এই নামকরণগুলো করেছেন। আপনার হাতেই তো কলিযুগের বিনাশ! আপনিই তো ত্রাতা।”

    ওপাশে রাধানাথ স্যার সম্পূর্ণ চুপ। কোনো শব্দ নেই।

    রুদ্র বলল, “কিন্তু এই নিরপরাধ লোকগুলোকে মেরে কীভাবে আপনি সত্যযুগ প্রতিষ্ঠা করবেন, স্যার?”

    “নিরপরাধ? কারা নিরপরাধ?” রাধানাথ রায় এবার চিৎকার করে উঠলেন, “তোমার ওই স্বপন সরকার? যে নিজে শূদ্র হয়ে ব্রাহ্মণ চাকর রাখার দুঃসাহস করে? না ওই শিবনাথ? যে এই পবিত্র বৈদিক সমাজ ছেড়ে পালিয়ে যায় পাপের জগতে? নাকি ওই ডাক্তার সুবল ভট্টাচার্য, যার আসল রোজগার অ্যাবরশন করে পৃথিবীর আলো দেখার আগেই শিশু খুন করা?”

    “এতই যদি পাপের জগৎ হয়, তবে আপনিই বা কেন এখানে থাকেন?” রুদ্রর রাগ ক্রমেই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

    “আমি কেন থাকি? শুনতে চাও?” ফোনের পর্দা ছাপিয়ে রাধানাথ অট্টহাস্য করে উঠলেন, “চতুর্থ অবতার কে ছিলেন জানো নিশ্চয়ই? নৃসিংহ। পাপী রাজা হিরণ্যকশিপুর অত্যাচারে পৃথিবী তখন জর্জরিত। হিরণ্যকশিপু কৌশলে ব্রহ্মার থেকে বর আদায় করে নিয়েছিলেন। দিনে বা রাতে তাঁকে হত্যা করা যাবেনা, পশু, মানুষ বা দেবতা কেউই তাকে হত্যা করতে পারবে না, এমনকি ভূমিতে বা আকাশেও হিরণ্যকশিপু ছিলেন অবধ্য। তাই সুপুত্র প্রহ্লাদ যখন দুরাচারী পিতার প্রশ্নে বললেন, বিষ্ণু বিরাজমান সবজায়গায়, এমনকি রাজসভার ওই থামেতেও, হিরণ্যকশিপু তখন প্রচন্ড দম্ভে লাথি মেরে ভেঙে চাইলেন সেই থাম। আর সেই থাম ভেঙে আবির্ভূত হলেন নৃসিংহ অবতার। তিনি পশু, মানুষ, দেবতা কোনোটাই নন, মধ্যবর্তী অর্ধ-মনুষ্য অর্ধ-সিংহাকার। তিনি হিরণ্যকশিপুকে বধ করলেন দিন ও রাত্রির সন্ধিস্থল গোধূলি লগ্নে, হিরণ্যকশিপু ভূমি বা আকাশ, কোথাওই বধ্য নন, তাই নৃসিংহ তাঁকে নিজের জঙ্ঘার ওপর স্থাপন করে নখরাঘাতে বধ করেন।”

    রুদ্র শুনছিল। ইচ্ছে করেই ও আরও বেশি দীর্ঘায়িত করতে চাইছিল এই কথোপকথন। নিজের বক্তব্য মিউট করে রেকর্ডার অন করে নিঃশব্দে শুনে চলেছিল ও। রাধানাথ স্যার যে উদ্দীপ্ত স্বরে টানা বলে চলেছিলেন, সেই রাধানাথ রায়কে চেনে না ও। এ যেন সম্পূর্ণ এক অন্য মানুষ!

    গাড়ি রুদ্রর নির্দেশমতো দিল্লিরোড দিয়ে সোজা ছুটছিল, এমনসময় পেছন থেকে অর্জুন চেঁচিয়ে উঠল, “বাঁদিক নিন, বাঁ দিক নিন, খোশলাপুরের রাস্তা এইটাই!”

    ড্রাইভার বিভ্রান্ত হয়ে পড়লেও রুদ্র সঙ্গে সঙ্গে সামাল দিল, “না। সোজা চলো। দোগাছিয়ার রাস্তা দিয়ে ঢুকবে। বদনপুর হয়ে যাব আমরা।”

    জয়ন্ত বলল, “বদনপুর! সে তো ওই ফার্ম হাউজের উলটোদিকে। এই রাতদুপুরে নদী পেরোবেন কী করে ম্যাডাম?”

    “কমিশনার স্যার সব ব্যবস্থা করে রেখেছেন। লোকাল থানাও থাকবে। বদনপুরের চণ্ডীমন্দিরের ঘাট পেরিয়ে ওপারে যাব আমরা। নাহলে ফার্ম হাউজ দিয়ে সোজা ঢুকতে গেলে এই রাত্রিবেলা ওই দুর্ভেদ্য জঙ্গল পেরোতে হবে। যা রিস্কি।” কোনমতে কথাগুলো বলে রুদ্র আবার টেলিফোনে মনোযোগ দিল।

    রাধানাথ স্যার এখনো বলে চলেছেন, “তাহলে বুঝতে পারছ? যে কারণে নৃসিংহ অবতারকে পাপিষ্ঠ হিরণ্যকশিপুর রাজসভায় উপস্থিত থাকতে হয়েছিল, আমাকেও সেই কারণেই তোমাদের ওই পাঁকে নিমজ্জিত জগতে থাকতে হয়। বৃহত্তর প্রয়োজনে শত্রুর বন্ধু হতে হয়।”

    রুদ্র বলল, “কী চান আপনি?”

    রাধানাথ স্যার বললেন, “এখনো বুঝতে পারছ না? সব কিছু ধ্বংস করে নতুন করে সত্যযুগ প্রতিষ্ঠা করতে। আর এই কল রেকর্ড করে কোনো লাভ নেই। ক্রিপ্টেড সার্ভার থেকে স্পুফ করা এই কল কোথাও ট্র্যাক করা যাবে না।”

    “যাক! দরকারে আপনি তাহলে প্রযুক্তি ঠিকই ইউজ করেন! আর ট্র্যাক না করা যাক, মিথ্যে বলাটা বন্ধ করুন, স্যার!” রুদ্র ফিসফিস করে বলল, “ওসব আপনার আমীশ সমাজের ওই ব্রেইন ওয়াশ করা লোকজনকে বোঝাবেন। আপনি তো চান মায়াপুর মন্দিরটা দখল করতে।”

    “মানে?” একটু যেন থমকে গেলেন রাধানাথ রায়।

    “মানেটা তো খুব সোজা। আজ রাতে মন্দিরের মহাভোগ খেয়ে যে হাজার হাজার মানুষ অসুস্থ হবে কিংবা মারা যাবে, তার দায়টা গিয়ে পড়বে বাগডাঙা সরলাশ্রমের ওপর। যার গ্যারান্টর হিসেবে সই করিয়েছেন দাদা শেখর চৌধুরীকে। যে দাদা ভাইয়ের সব অন্যায়ে সাধ দিয়েছেন শুধুমাত্র স্নেহের বশে। সেই দাদাকেই ফাঁসিয়ে জেলে ঢোকাতে আপনার হাত কাঁপবে না। যে আশ্রমের গোটা প্রপার্টিটা জয়েন্টলি কেনার পরই আপনি খুন করেছেন স্বপন সরকার আর হৃষীকেশ জয়সোয়ালকে। যিনি উইটনেস ছিলেন, সেই ড. সুবল ভট্টাচার্যকেও সরিয়ে দিয়েছেন। আপনার দাদা এমনিতেই এখন মায়াপুর মন্দিরের গভর্নিং বডিতে একজন হোমড়াচোমড়া। এত বড় কাণ্ডের পর বর্তমান প্রেসিডেন্টকে সমস্ত দায়ভার মাথায় নিয়ে সরে যেতে হবে। সরতে হবে আপনার দাদাকেও। সেই পদে ঢুকবেন আপনি। বেশ সুন্দর প্ল্যান। বন্ধু কানু চক্রবর্তী আপনাকে ভালোবাসেন, সেই ভালোবাসার সুযোগ নিয়ে তাঁকে বাধ্য করেছেন মুখ বন্ধ রাখতে, দাদা শেখর চৌধুরীকেও তাই। অথচ কাজ মিটে গেলে এদের সর্বনাশ করতে আপনার বিবেকে একফোঁটাও বাধবে না। আসলে কল্কি টল্কি কিস্যু না, আপনি একজন প্রচণ্ড স্বার্থপর মানুষ।”

    রুদ্র ধীরে ধীরে সত্যি মিথ্যে মেশানো, জানা অজানায় মেলানো কথাগুলো বলছিল।

    রাধানাথ স্যার এখনো নবদ্বীপে আছেন না ওই শম্ভল ফার্ম হাউজে, তা ও জানেনা। কিন্তু যেখানেই থাকুন, কথোপকথন দীর্ঘায়িত করে তাঁকে ব্যস্ত রাখলে ক্ষতির চেয়ে লাভই বেশি।

    এদিকে গাড়ি এসে পৌঁছেছে বদনপুরের চণ্ডীমন্দিরে। নিস্তব্ধ রাত। দূরে কোথাও শিয়ালের আওয়াজ যেন খানখান করে দিচ্ছে সেই নৈঃশব্দ্য। তবু চণ্ডীমন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন থানার ওসি আশুতোষ তরফদার। সঙ্গে বেশ কয়েকজন কনস্টেবল।

    রাধানাথ গর্জন করে রুদ্রর কথার প্রতিবাদ করতে যাচ্ছিলেন, রুদ্র ফোনটা কেটে দিল।

    গাড়ি থেকে নেমে ওসিকে বলল, “নৌকো?”

    “সব রেডি আছে ম্যাডাম।” ওসি আশুতোষ তরফদার স্যালুট করলেন।

    রুদ্রর ইনফরমার মিন্টুও এসে হাজির হয়েছে। সে চাপা গলায় বলল, “কানু চক্রবর্তীর সঙ্গে যে ছেলেটা থাকত, তার কোনো খোঁজ পাওয়া গেল, ম্যাডাম?”

    “না।” রুদ্র সংক্ষেপে বলল, “এই ঘাট কি চৌধুরীরাই বানিয়েছিল?”

    “হ্যাঁ ম্যাডাম। নীলকন্ঠ চৌধুরীর ঠাকুরদার আমলে বানানো।”

    ওসি এগিয়ে এলেন, “ম্যাডাম, আপনার কথামতো তিনটে নৌকোর অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছি। আমাদের বাকি ফোর্স ফার্ম হাউজের সামনে দিয়ে ঢুকবে। এদিকে আসুন।”

    ৫৩

    প্রিয়ম ফোনে সব শুনে বলল, “একজন সিনিয়র আই পি এস অফিসার হয়ে শেষে কল্কি হওয়ার মতো পাগলামি?”

    রুদ্র বলল, “পাগলামি বলছ কেন?”

    “কারণ মাঝেমাঝেই এরকম একেকজন নিজেকে কল্কি বলে দাবি করে। বিশেষত উত্তরভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরুরা। তবে হ্যাঁ, সেই পাগলামি থেকে এতগুলো মার্ডার, আস্ত একখানা অলটারনেট ইকোনমি গড়ে তুলে অতগুলো লোককে নিয়ে দল গড়ে তোলা, এমন নজির নেই। তবে এমনিতে কল্কি অবতার নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে।”

    রুদ্র ঘাটে দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে নিকষ কালো অন্ধকার। মনে হচ্ছে নির্জন এই চরাচর যেন পৃথিবীর বাইরের কোনো জায়গা। নৌকোর মাঝিরা কাজ করছে চুপচাপ।

    ও ফিসফিস করে বলল, “কী বিতর্ক? হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী কল্কি অবতার তো এখনো জন্মায়ইনি! রাধানাথ স্যার নিজেকে কল্কি ভেবে সবকিছু ধ্বংস করতে চাইছেন। হয়তো মায়াপুর মন্দিরে পুরো জাঁকিয়ে বসার পরে তাঁর আরও কোন প্ল্যান রয়েছে।”

    “বললাম তো, তোমার ওই এস পি স্যারই প্রথম নন, যিনি নিজেকে কল্কি ভাবেন। এটা কি জানো, অনেকে মনে করেন হজরত মহম্মদ আসলে কল্কি অবতার ছিলেন?”

    “হজরত মহম্মদ?” রুদ্র অবাক গলায় বলল, “তিনি মুসলিম ধর্মের প্রবর্তক। তিনি হিন্দু অবতার হবেন কেন?”

    “কেন’র উত্তর যদি সবসময় থাকত, তবে তো কোনো বিতর্কই কখনো মাথাচাড়া দিত না। একটু দাঁড়াও, এই ব্যাপারে লাইব্রেরিতে একটা বই আছে। কী যেন ভদ্রলোকের নাম, খুব হইহই হয়েছিল বইটা নিয়ে। একবার এয়ারপোর্ট থেকে কিনেছিলাম।” প্রিয়মের কথার মাঝেই রুদ্র সিঁড়ি দিয়ে নামার আওয়াজ শুনল।

    প্রিয়ম একতলায় লাইব্রেরি ঘরে যাচ্ছে।

    ও ফোনটা কানে চেপে ধরে ঘাটের দিকে এগিয়ে এল। ঘাট অবশ্য নামেই, কোনোকালে বাঁধানো শান ছিল, এখন ভেঙে সব জলে মিশে গেছে। বদনপুর থানার ওসি বেশ কাজের, জোরালো সাত-আটটা টর্চ জ্বেলে রেখেছে তাঁর স্টাফেরা। নাহলে এই অন্ধকারে পিচ্ছিল কাদায় যে কেউ হড়কে পড়ত।

    উত্তেজনায় রুদ্র নখ ছিঁড়ছিল। রাধানাথ স্যারের এই কর্মকাণ্ডের পেছনে বৈষয়িক কোনো উদ্দেশ্য নেই বলেই মনে হয়। তবে এইভাবে স্যার যদি মায়াপুর মন্দির দখলও করেন, তারপর কীভাবে তাঁর লক্ষ্যপূরণ করবেন? মায়াপুর মন্দির ক্যাম্পাসের সমাজ, শিক্ষাব্যবস্থা, সংস্কৃতি সবই কি ধীরে ধীরে পালটে যাবে? মুক্তমনা উদারতার বদলে জায়গা দখল করবে মধ্যযুগীয় আমীশ সম্প্রদায়?

    কিন্তু দেশে আইন শৃঙ্খলা আছে, গণতান্ত্রিক শাসন আছে, সেসব সামলে কীভাবে স্যার এগোবেন?

    পরক্ষণে ওর মনে পড়ে গেল শুভাশিসবাবুর কথাগুলো। আমেরিকার মতো প্রথম বিশ্বের দেশে যদি তারা বহাল তবিয়তে বাস করতে পারে, সরকার যদি তাদের প্রতি নরম মনোভাব নিয়ে চলে, এখানে তা অসম্ভব কেন? এখনো রুদ্র এটাই জানতে পারেনি যে, স্যারের এই বাংলা আমীশ সমাজে কতজন রয়েছে? তবু সেই সংখ্যাটা একলাফে কয়েকগুণ বেড়ে যাবে মায়াপুর দখলের পর। এখনই সমূলে বিনষ্ট করতে না পারলে হয়তো বাংলায় আবার ফিরে আসবে সামন্ত্রতান্ত্রিক শাসন, কুসংস্কার। সরকার তখন চাইলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য সেভাবে দমন করতে পারবে না। সুর নরম করতেই হবে।

    প্রায় সাত-আটমিনিট পর প্রিয়মের গলা শোনা গেল, “হ্যাঁ পেয়েছি। ভদ্রলোকের নাম ড. বেদপ্রকাশ উপাধ্যায়। তিনি মনে করেন, হিন্দুরা কলিযুগে যে কল্কি অবতার জন্মানোর অপেক্ষায় রয়েছে, হজরত মহম্মদই সেই অবতার। কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন কল্কি অবতারের বাবা-মা, ঘোড়া, গ্রাম, আরও অনেক কিছুই মহম্মদের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে।”

    “কীরকম?” রুদ্র জিজ্ঞেস করল। একটা নৌকো কাদায় আটকে গেছে, মাঝিরা টানাটানি করছে। এখনো কিছুটা সময় লাগবে। তার মধ্যে শুনে নেওয়াই যায়। তাতে টেনশনও কম হবে।

    “আমি বই থেকে পড়ছি শোনো। হিন্দুধর্মের পরিভাষায় রসুলকে অবতার বলা হয়। ঈশ্বরের পক্ষ থেকে যাকে অবতীর্ণ করা হয় তিনিই অবতার। সে হিসেবে যিনি সর্ব শেষে আসবেন তিনি অন্তিম অবতার। অন্তিম অর্থ শেষ এবং অবতার অর্থ রসূল অর্থাৎ শেষ রসুল। হিন্দুধর্মে যুগ চারটি। সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর, কলি।”

    “আরে এসব জানি। মহম্মদ কেন কল্কি, সেই ব্যাপারে কী লেখা আছে?” রুদ্র বাধা দিয়ে বলল।

    “পড়ছি একে একে। শোনো।

    ১। ঋগ্বেদে লেখা আছে অন্তিম অবতার বা শেষ রসুলের নাম হবে ‘নরাশংস’।

    নরাশংসং সৃধৃষ্টমমপশ্যং সপ্রথস্তমং দিবো ন সদ্মম খস।।১

    ‘নরাশংস’ —এর অর্থ ‘প্রশংসিত ব্যক্তি’। যার আরবী অর্থ হল ‘মুহাম্মদ’।

    ২। অন্তিম অবতারের পিতার নাম হবে ‘বিষ্ণুযশা’।

    সুমত্যাং বিষ্ণুযশা গর্ভমাধত্ত বৈষ্ণবম২

    ‘বিষ্ণুযশা’ অর্থ ‘মালিকের দাস’। যার আরবী অনুবাদ হল ‘আবদুল্লাহ’। আর হজরত মুহাম্মদের পিতার নাম ছিল আবদুল্লাহ।

    ৩। কল্কিপুরাণে লেখা আছে যে, কল্কি অবতারের মাতার নাম ‘সুমতি’।

    সুমত্যাং মাতরি বিভো। কন্যায়াংত্বন্নিদেশতঃ।।

    ‘সুমতি’-র অর্থ ‘সুবুদ্ধিসম্পন্না’। যার আরবী অনুবাদ ‘আমেনা’। আর হজরত মুহাম্মদের মায়ের নাম ছিল আমেনা।

    ৪। অন্তিম অবতারের জন্মস্থান সম্পর্কে কল্কি পুরাণে লেখা আছে, তিনি জন্ম গ্রহণ করবেন, ‘শম্ভল’ নামক স্থানে।

    শম্ভলে বিষ্ণুযশসো গৃহে প্রদুর্ভবাম্যহম।

    ‘শম্ভল’ শব্দের অর্থ ‘শান্তির স্থান’। যার আরবী অনুবাদ ‘বালাদুল আমিন’। আর মক্কার আরেক নাম হলো, বালাদুল আমিন। আর হজরত মহম্মদ মক্কায় জন্মগ্রহণ করেছেন।

    ৫। অন্তিম অবতার ‘মাধব মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বাদশ তারিখে জন্মগ্রহণ করবেন।

    দ্বাদশ্যাং শুক্লপক্ষস্য মাধবে মাসি মাধবঃ।

    মাধব অর্থ বৈশাখ মাস, বিক্রমী ক্যালেন্ডার মতে বৈশাখকে বসন্তের মাস বলা হয় যার আরবী অর্থ ‘রবি’।

    শুক্ল পক্ষ, অর্থাৎ ‘প্রথম অংশ’ যার আরবী অনুবাদ ‘আউওয়াল’। একত্রে হল ‘রবিউল আউওয়াল’ দ্বাদশ তারিখ অর্থাৎ ১২ তারিখ।

    হজরত মহম্মদ ‘রবিউল আউওয়াল মাসের ১২ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন।

    এরকম আরো ব্যাখ্যা আছে। আবার আরেকটা বইও পড়েছিলাম, যেখানে যিশুখ্রিস্টকে কল্কি অবতার বলা হয়েছে। আসলে হিন্দু ধর্ম হল সবচেয়ে প্রাচীন ধর্ম, তাই পরবর্তীকালে নানা ধর্ম থেকেই তার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। যেমন বুদ্ধকেও অনেকে নবম অবতার বলেন।”

    প্রিয়ম একটানা বলে একটু দম নিল। তারপর বলল, “তবে নিজেদের যারা এইরকম অবতার টাইপ ভেবে অবসেশানে ভোগে, তারা একরকমের মানসিক রোগগ্রস্থ। তাই তোমাদের উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাধানাথ রায়কে আটকানো। এই জাতীয় লোকেরা যখন তখন ভয়ংকর কিছু করে ফেলতে পারে।”

    রুদ্র এতক্ষণ মন দিয়ে শুনছিল। বিষ্ণুযশা, সুমতী, শম্ভল, সবকিছু মাথায় গেঁথে নিচ্ছিল। বহুকাল আগে ও কল্কি অবতার সম্পর্কে পড়েছিল, এখন আর অত বিশদ মনে নেই।

    “আমার মনে হয়, স্যারের মামা ওই গোপালকৃষ্ণ ভট্টাচার্যই ছোট থেকে স্যারের এই মগজ ধোলাইটা করেছিলেন। আর এই কারণেই কানু চক্রবর্তী মাঝপথে ফিরে এসেছিল বদনপুরে।” রুদ্র ফোনটা বন্ধ করে এগিয়ে গেল।

    সকলে নৌকোয় একে একে উঠছে।

    নৌকোয় উঠে মাঝি দাঁড় টানা শুরু করতে করতে আরও পাঁচ মিনিট চলে গেল। এই নিস্তব্ধ রাতে কেউ কোন কথা বলছে না, নিশ্চল প্রেতমূর্তির মতো বসে রয়েছে নৌকোর ওপর।

    রুদ্র ছটফট করছিল অজানা এক অস্থিরতায়। জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন, কৃষ্ণচন্দ্র, শ্রীকৃষ্ণ, কল্কি, আমীশ, লক্ষ লক্ষ ভাবনার জাল যেন কিলবিল করছিল, জটলা পাকাচ্ছিল ওর মনের মধ্যে। মনে হচ্ছিল, এত বছর ধরে যে ভয়ংকর উদ্দেশ্যে রাধানাথ রায় গড়ে তুলেছেন ওই আমীশ সমাজ, তা কি এত সহজে বন্ধ করা যাবে?

    যদি না করা যায়? যদি এর মধ্যেই মায়াপুর মন্দিরের হাজার হাজার ভক্ত খেয়ে থাকেন ওই মহাভোগ?

    রুদ্র ঘড়িতে সময় দেখল। বারোটা বাজতে ঠিক পনেরো মিনিট বাকি। পাক্কা বারোটায় পরিবেশিত হবে মহাভোগ।

    কী হচ্ছে ওদিকে?

    _____

    ১ (ঋগ্বেদ ১/১৮/৯)

    ২ কল্কিপুরাণ, ১১/২/১

    ৫৪

    প্রিয়াঙ্কা পাগলের মতো ছুটছিল। ও এতক্ষণ ছিল প্রধান মন্দিরের দিকে।

    সেখানে জন্মাষ্টমীর অন্যতম প্রধান অনুষ্ঠান মহা অভিষেক চলছিল। মন্দিরের প্রধান সন্ন্যাসীরা সকলে মিলে নিষ্ঠাভরে আরতি করছিলেন রাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তিকে। হাজার হাজার অনুরাগী সেই পবিত্র দৃশ্য দেখতে ভিড় করে ছিল সেখানে। হরেকৃষ্ণ-র উচ্চৈঃস্বরে গান আর কলরোলে ওর ফোন বেজে বেজে কেটে যাচ্ছিল, ও টেরই পায়নি।

    সেই ভিড়ের মধ্যে সুষ্ঠু পরিচালনা করতে করতে যখন ক্লান্ত, তখন প্রিয়াঙ্কা হঠাৎই দেখতে পেয়েছিল, লোকেশবাবু ভিড় ঠেলে ওর কাছে আসার চেষ্টা করছেন আপ্রাণ। কিন্তু সাধারণ পোশাকের লোকেশবাবুকে কিছুতেই আসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। ভিড়ের মধ্যে তিনি হারিয়ে যাচ্ছেন ক্রমাগত।

    প্রিয়াঙ্কা নিজেই তখন বেরিয়ে এসেছিল। আর তারপর লোকেশবাবুর মুখে সব শোনামাত্র এক সেকেন্ডও সময় নষ্ট না করে বেরিয়ে এসেছিল সেখান থেকে।

    ঘড়িতে এখন রাত বারোটা বাজতে ঠিক দশ মিনিট বাকি। প্রিয়াঙ্কার বুকের ভেতর ধড়াস ধড়াস শব্দ হচ্ছে। আর আফশোসে নিজের ওপর রাগে ঠাস ঠাস করে দুটো চড় মারতে ইচ্ছে হচ্ছে।

    একঘণ্টা আগেও যখন সেই অচ্যুত বলে এগারো বারো বছরের বাচ্চা ছেলেটা ওকে নিয়ে যাচ্ছিল রন্ধনশালার দিকে, ও ধারণাও করতে পারেনি ছেলেটা আসলে কী বলতে চেয়েছিল! অথচ একটু চিন্তা করলেই ও বুঝতে পারত।

    ছেলেটা তখন হাসিমুখে ধীরপায়ে হাঁটছিল। প্রিয়াংকাও একটু তফাত রেখে পেছন পেছন চলেছিল। ছেলেটা ঘাড় ঘুরিয়ে একবার বলল, “আজ রাতটার পর এই গ্রামটা পুরো পালটে যাবে, জানো!”

    “পালটে যাবে মানে?” প্রিয়াঙ্কা ভ্রূ কুঁচকে জিজ্ঞেস করেছিল। ছেলেটা এই মন্দির ক্যাম্পাসটাকে গ্রাম বলছে কেন? এই ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে এই ছেলেটা বাংলার ওই আমীশ সমাজের একজন। তার মানে এর মতো আরো অনেক আমীশ সমাজের মানুষ এই ভিড়ের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে সকলের অলক্ষ্যে।

    ছেলেটা আর কিছু বলেনি, খুব সন্তর্পণে হেঁটে চলেছিল। হাঁটতে হাঁটতে একসময় ঘাড় ঘুরিয়ে বলেছিল, “আমি যাই। কেমন?”

    “কোথায় যাবে তুমি?” প্রিয়াঙ্কা দেখেছিল, ওরা উপস্থিত হয়েছে মন্দিরের ভাঁড়ারঘরের পেছনদিকে। ভোগ রান্নার বিশাল আয়োজন চলছে ভেতরে।

    ভেসে আসছে সুগন্ধ। রান্নাঘরের পেছনদিকের এই দরজার বাইরে এদিক ওদিক ফেলে রাখা হয়েছে প্রকাণ্ড আকারের সব কড়াই, হাতা, খুন্তি।

    ছেলেটা আরও কী বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু ওই দরজা দিয়ে একটা লোককে বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখেই ও ফ্যাকাশে মুখে দ্রুত পায়ে ঢুকে গিয়েছিল ভেতরে।

    ওহ, প্রিয়াঙ্কা যদি তখন একবারও আন্দাজ করতে পারত যে আসল ব্যাপার লুকিয়ে রয়েছে ওই রান্নাঘরেই!

    একদিকে মহা অভিষেক, অন্যদিকে মহাভোগ বিতরণ, এই দুই কারণে মন্দির চত্বর এখন প্রায় ফাঁকা।

    প্রিয়াঙ্কা মোবাইলে নদীয়া টাস্ক ফোর্সের একজন অফিসারকে সংক্ষেপে পুরোটা জানাতে জানাতে পৌঁছল ভোজনশালায়।

    একজন তরুণ সাধক বাইরে দাঁড়িয়ে তদারক করছিলেন। ও বলল, “ব্যাচ কি শুরু হয়ে গিয়েছে?”

    সাধক মিষ্টি হাসলেন। দু’হাত জড়ো করে বললেন, “দুঃখিত, প্রথম ব্যাচে আর একটিও আসন নেই। আপনাকে দ্বিতীয় ব্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। হরেকৃষ্ণ।”

    সাধক সরে যাওয়া মাত্র প্রিয়াঙ্কা দেখতে পেল, বিশাল বড় একটা হলঘর। একটা ছোটোখাট ফুটবল খেলার মাঠ ঢুকে যেতে পারে তার মধ্যে। সেই ঘরে সার সার দিয়ে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা। লম্বা শতরঞ্জি পেতে সেখানে বসানো হয়েছে মানুষদের।

    কতজন হবে? প্রিয়াঙ্কা চোখ সরু করে দেখতে লাগল। অন্তত এক হাজার জন তো হবেই। সকলে বসে নিজেদের মধ্যে গল্পগুজব করছেন আর প্রতীক্ষা করছেন মহাভোগের।

    এই তরুণ সাধকের মতো আরও অনেক সন্ন্যাসী ঘুরে বেড়াচ্ছেন গোটা ঘরে। এরা সবাই মন্দিরের নিজস্ব স্বয়ংসেবক। ভক্তরা তো দূর, এঁরাও কল্পনা করতে পারছেন না, এই ভোগবিতরণের পর কী হতে চলেছে।

    ইতিমধ্যে এখানে এসে উপস্থিত হয়েছে নদীয়া টাস্ক ফোর্সের বেশ কিছু পুলিশ। প্রত্যেকে সিভিল পোশাকে। প্রিয়াঙ্কা বলল, “এই খাবার পরিবেশন বন্ধ করতে হবে। এখুনি।”

    “কিন্তু তা কীভাবে সম্ভব?” একজন বললেন, “মায়াপুর মন্দিরের মহাপ্রসাদ বলে কথা। আমরা এমন দুমদাম বন্ধ করতে পারি না। অর্ডার লাগবে।”

    প্রিয়াঙ্কা চিনতে পারল। ভদ্রলোক নদীয়া পুলিশের একজন অফিসার। ও বলল, “আমাদের কমিশনার কথা বলছেন আপনাদের হায়ার অথরিটির সঙ্গে। অর্ডার চলে আসবে। কিন্তু সেইজন্য দেরি করা যায় না। খাবারে বিষ আছে।”

    “অ্যাঁ! সেকি!” ভদ্রলোকের মুখের অভিব্যক্তি সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল।

    “হ্যাঁ। আমাদের যেভাবে হোক, খাবার পরিবেশন আটকাতেই হবে।”

    “আমি এখুনি আমাদের স্যারকে এই মন্দিরের প্রধানকে ফোন করতে বলছি।” ভদ্রলোক হন্তদন্ত হয়ে চলে গেলেন।

    প্রিয়াঙ্কা ঘড়ি দেখল। বারোটা বাজতে ঠিক আর তিন মিনিট বাকি।

    খাবারে যদি বিষ সত্যিই থেকে থাকে, সেটা কোন খাবারে? বিষক্রিয়া শুরু হতে কতক্ষণ সময় লাগবে? দ্বিতীয় বা তৃতীয় ব্যাচ যখন খাবে, তখনই যদি প্রথম ব্যাচের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে? সেই ঝুঁকি কি ওই বাগডাঙা সরলাশ্রমের লোকেরা নেবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলিলি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article মৃত্যুমেডেল – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }