Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গ্লানির্ভবতি ভারত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প278 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গ্লানির্ভবতি ভারত – ২৫

    ২৫

    “মানে! এরকম লোকজন সত্যিই আমেরিকাতে আছে?” হতভম্বমুখে বলল প্রিয়ম।

    রুদ্র ল্যাপটপে হুমড়ি খেয়ে কী দেখছিল আর একটা খাতায় নোট নিচ্ছিল, “আছে কী বলছ! শুভাশিসবাবু না বললে জানতেই পারতাম না! প্রায় দু’লাখের ওপর আমীশ লোক আছে আমেরিকায়। যারা মনে করে, আধুনিক সভ্যতা সমাজের জন্য অভিশাপ। তাই তারা প্রায় মধ্যযুগের মতো থাকে। কোনো মোটরগাড়ি ব্যবহার করেনা, ভিক্টোরিয়ান যুগে যেমন ঘোড়ার গাড়ি চলত, তাতে করে যাওয়া আসা করে। ছেলেরা পুরনোদিনের স্টাইলের লম্বা ওভারকোট আর টুপি পরে, মেয়েরা পরে সর্বাঙ্গ ঢাকা গাউন। ফোন বা ইলেক্ট্রিসিটি ব্যবহার তো দূর, এরা দেশের কারেন্সিও ব্যবহার করে না।”

    “মানেটা কী!” প্রিয়ম হাঁ করে শুনছিল, “খাওয়াদাওয়া পায় কোত্থেকে? বেঁচে থাকে কী করে?”

    “এরা বিশাল কোনো অঞ্চল জুড়ে থাকে। সেখানে নিজেরাই চাষবাস করে, গরু পোষে, ভেড়া পোষে। নিজের ক্যাটল, নিজেদের ফার্ম। কেউ ঘোড়ার নাল তৈরি করে, কেউ পোশাক তৈরি করে। টাকাপয়সার কোনো ব্যাপার নেই, পুরোটাই চলে বিনিময় প্রথায়। অর্থাৎ তুমি আমাকে দুধ দাও, আমি তোমায় জামা দেব, এইরকম আর কী। বাচ্চাদের জন্য ওই অঞ্চলের মধ্যেই স্কুল আছে। তাতে প্রধানত পড়ানো হয় বাইবেল। ধর্মীয় পাঠ দেওয়া হয়। তাও তেরো-চোদ্দো বছর বয়স পর্যন্ত। তারপর আর পড়িয়ে কি হবে, সবাই তো নিজেদের মধ্যেই থাকবে।”

    প্রিয়ম বলল, “কী অদ্ভুত! কেন, এরা কেন করে এরকম?”

    রুদ্র নোটবুকে কী লিখতে লিখতে বলল, “এরা মনে করে, সমাজ যত আধুনিক হচ্ছে, প্রযুক্তি, যান্ত্রিকতা তত বেশি গিলে খাচ্ছে মানুষকে। পারিবারিক সময় কমে যাচ্ছে। তাই এরা কম্পিউটার তো দূর, টেলিফোনও ব্যবহার করে না। এমনকি ইলেক্ট্রিসিটিও নয়। আর একটা আধটা জায়গা নয়, আমেরিকার পেনসিলভ্যানিয়া, নিউ ইয়র্ক, ওহিও, মেরিল্যান্ড, মিশিগান এরকম বহু জায়গায় নিজেদের ক্লোজড এরিয়ায় বাস করে এই আমীশরা। এদের বার্থ রেটও ভীষণভাবে বেশি। একটা আমীশ দম্পতির গড়ে ছ’ থেকে সাতটা করে সন্তান। গোঁড়া ক্যাথলিক বলে এরা গর্ভপাতকেও পাপ মনে করে। আর নিজেদের মধ্যেই বিয়ে হয় বলে এদের মধ্যে বামন বা ওইজাতীয় জিনগত সমস্যা অনেক বেশি। এরা আধুনিক কোনো ওষুধও ব্যবহার করে না। কোনো মানুষের আয়ু শেষ হওয়ার সময় এলেও ওষুধ দিয়ে তাকে বাঁচিয়ে রাখাকে এরা তীব্র পাপ মনে করে। শারীরিক কোনো অসুস্থতায় কষ্ট পাওয়াটাও এদের কাছে পুণ্য। একবার এক ডাক্তারের ওপর ওরা হামলাও চালিয়েছিল। পঞ্চাশ বা ষাটের দশকে আমীশ সমাজে বিনা চিকিৎসায় একেকজনকে মেরে ফেলার খবর নিয়ে গোটা আমেরিকায় অনেক ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু কিছু হয়নি। এখন সরকারও এদের বেশি ঘাঁটায় না। ওদের জন্য অনেকরকম ছাড়ও রয়েছে। গোটা সমাজের দণ্ডমুণ্ড কর্তা হয় চার্চের ধর্মযাজক। তাঁর কথাই একটা আমীশ সম্প্রদায়ে শেষ কথা।”

    প্রিয়ম ততক্ষণে নিজের ফোন ঘাঁটতে শুরু করেছিল, “সত্যিই তো। এই তো আমীশদের ছবি। মাঝে মাঝে দেখছি তাদের দু-একজন আধুনিক সমাজে পালিয়েও আসে। খুব অদ্ভুত!”

    “অদ্ভুত হতে পারে।” রুদ্র বিড়বিড় করল, “কিন্তু এই অদ্ভুত বিষয় ধরেই আমি অনেকটা আলো দেখতে পাচ্ছি, প্রিয়ম! তোমার ওই শুভাশিসবাবু আমাকে যে সাহায্য করলেন, তা বলে বোঝাবার নয়।”

    “কীভাবে?” প্রিয়ম বলল, “আমেরিকার আমীশ সম্প্রদায়ের সঙ্গে তোমার এই সিরিয়াল কিলিং এর কী সম্পর্ক?”

    রুদ্র বলল, “তর্কপঞ্চাননের ফ্যামিলিতে তিন প্রজন্ম আগে একজনকে দত্তক নেওয়া হয়। শুভাশিসবাবুরা তাঁকে ডাকতেন নকল দাদু বলে। সেই দত্তকপুত্র অল্প বয়সেই আমেরিকায় চলে যান। পড়াশুনো করতে। সেখানে গিয়ে কোনভাবে একটা আমীশ সম্প্রদায়ের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। সাধারণত আমীশরা বাইরের জগতের সঙ্গে তেমন মিশতে চায় না, কিন্তু ইনি কোনোভাবে তাদের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। বলা ভালো, আমীশদের জীবনযাত্রায় তিনি বেশ আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। এটা গত শতকের মাঝামাঝি সময়ের কথা।”

    “ইন্টারেস্টিং!” প্রিয়ম মন দিয়ে শুনছিল। রুদ্র থামতেই বলে উঠল, “তারপর? তিনি কি ক্যাথলিক ধর্মগ্রহণ করেছিলেন?”

    “সেই ব্যাপারে শুভাশিসবাবু আর কিছু বলতে পারলেন না। তবে বললেন, একবার দেশে এসে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। তাও প্রায় চল্লিশ বছর আগেকার কথা। তারপর তিনি আবার আমেরিকায় ফিরে গিয়েছেন, না কী করেছেন, কেউ জানে না।”

    “তো? তার সঙ্গে তোমার এই খুনগুলোর কি সম্পর্ক?”

    “সম্পর্ক আমি একটা পেয়েছি। কিন্তু, সেটা কতটা জোরালো, তা বুঝতে সময় লাগবে। বাসুদেব ভবন নার্সিং হোমের মালিক ড. সুবল ভট্টাচার্য খুন হওয়ার পরই সেটা আরও বেশি করে মাথায় এল। বোঝাচ্ছি, দ্যাখো।” রুদ্র টেবিল থেকে একটা খাতা টেনে নিল।

    “এই যে সাতজন খুন হয়েছে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় যোগসূত্রটা কী জানো প্রিয়ম? আমাদের চোখের সামনেই জ্বলজ্বল করছে, অথচ আমরা কেউ ধরতে পারিনি! কখনো হুগলী, কখনো ব্যবসায়ী এইসব উলটোপালটা লিঙ্কে বিভ্রান্ত হয়েছি।” রুদ্র বলল।

    “কী?”

    “এরা প্রত্যেকেই এমন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, যেগুলো আধুনিক সভ্যতার অঙ্গ। তুমি দ্যাখো। সাইবার ক্যাফে, মোবাইল, ইনভার্টার, চশমা, রিয়েল এস্টেট। সব! এমনকি হাসপাতালও। যেখানে অসুস্থকে সুস্থ করে তোলা হয়। যেখানে অপারেশন করে কৃত্রিমভাবে সারিয়ে তোলা হয়। আমীশরা এইসবকিছুকে ঘৃণা করে। এই সব ক’টাকে জিনিসকে তারা মনে করে প্রাকৃতিক নিয়মের পরিপন্থী!”

    প্রিয়ম মন দিয়ে দেখছিল। তারপর বলল, “তার মানে তুমি বলছ, শুভাশিসদা’র ওই নকলদাদু এখানে এসে আমীশ সমাজের শাখা খুলেছেন?”

    “সেটা বলার মতো সময় এখনো আসেনি, প্রিয়ম।” রুদ্র বলল, “তবে আমার মনে হচ্ছে, এদের মধ্যে একটা বিরাট সুতো রয়েছে। সেই সুতোটাকে খুঁজে বের করতে হবে। আর তার জন্য আমায় আবার যেতে হবে বাগডাঙার ওই আশ্রমে। যেতে হবে বদনপুর বলে একটা গ্রামেও।”

    “বাগডাঙার আশ্রম মানে যেখানে ওই স্বপন সরকার আর হৃষীকেশ জয়সোয়াল একসঙ্গে যেতেন?” প্রিয়ম বলল, “সেটা আবার পিকচারে আসছে কী করে!”

    “পিকচারে আসছে কারণ, বাগডাঙার সেই আশ্রমের বইয়ের তাকে আমি একটা বহু পুরনো বই দেখতে পেয়েছিলাম।” রুদ্র বিড়বিড় করল, “বিবাদভঙ্গার্ণব! আমি নিঃসন্দেহ, এই গোটা ব্যাপারটার সঙ্গে জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন বিরাটভাবে জড়িয়ে আছেন। দেখি, সব শুনে এস পি স্যার কী বলেন!”

    ২৬

    বদনপুর গ্রামের একেবারে নদীর ধারে যে চণ্ডীমন্দিরটা রয়েছে, তা কতকালের পুরনো কেউ জানেনা। মন্দিরের একদিক ভেঙে ভেতরের হাড়পাঁজরা বেরিয়ে এসেছে। সেই গর্তের মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বট অশ্বত্থের ঝুরি। মন্দিরের চূড়াটা এককালে বেশ উঁচু ছিল বোঝা যায়। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মাঝে মাঝেই ইট খসে পড়ে সেখান থেকে।

    ভেতরের গর্ভগৃহের মাঝখানে থাকা মা চণ্ডীর বিগ্রহটি পাথরের। পর্যাপ্ত সূর্যালোকের অভাবে মা সেখানে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    যে গ্রামে মানুষই পেট পুরে খেতে পায় না, সেই গ্রামে আবার মন্দিরের সংস্কার কে করে?

    অথচ বছর পঞ্চাশ আগেও বদনপুর গ্রাম বেশ সচ্ছল ছিল। চৌধুরীরা ছিল উচ্চবংশজাত পরিবার। এখানকার সাবেক ভূম্যধিকারী, তাদের প্রচুর জমিজমার ওপর ভিত্তি করে মূলত চলত বদনপুরের গরিব কৃষিজীবী পরিবারগুলো। চৌধুরীদের ঠাটবাট, দুর্গাপুজোর আশনাই গোটা হুগলীর লোকেদের চোখ ট্যাঁরা করে দিত। ছোটবড় জমিদাররা তো বটেই, শোনা যায়, সাহেবসুবোরাও নাকি নিয়মিত আসত চৌধুরীবাড়ির নাচমহলের আসরে।

    কিন্তু চৌধুরীরা এখানকার পাট চুকিয়ে কলকাতা চলে গিয়েছে বহুবছর হল। তারপর থেকেই গ্রামটা আস্তে আস্তে শ্মশান হয়ে যাচ্ছে।

    এখন গ্রামে সাকুল্যে ত্রিশ ঘর লোক বাস করে। অধিকাংশই দিন আনে দিন খায়। আর যারা একটু পয়সার মুখ দেখে, চলে যায় চুঁচুড়া বা চন্দননগরের দিকে। এইভাবেই গত অর্ধশতকে বদনপুর প্রায় ফাঁকা হয়ে গিয়েছে।

    কিন্তু একটা মানুষ শতকষ্টেও বদনপুর ছাড়ার কথা ভাবতে পারে না।

    সে হল চণ্ডী মন্দিরের বংশপরম্পরায় পুরোহিত কানু চক্রবর্তী। প্রায় ছয় প্রজন্ম ধরে কানু চক্রবর্তীর পরিবার চণ্ডী মন্দিরের পুজো করে আসছে। চৌধুরীরা গ্রামে থাকাকালীন তারাই এই মন্দিরের সেবাইত ছিল, তাদেরই বেতনভুক পুরোহিত হিসেবে কানু চক্রবর্তীর পূর্বপুরুষরা চণ্ডী মন্দির দেখভাল করত।

    কিন্তু এখন আর ওসবের কোনো পাট নেই। কানু চক্রবর্তী নিজেও ওসবের পরোয়া করেনা। সে একটু খ্যাপাটে গোছের লোক, বিয়ে থা করেনি। বয়স ষাটের ঘরে হলেও খিটখিটে স্বভাবের জন্য তাকে আরও অনেক বেশি বয়স্ক দেখায়। মন্দির থেকে কয়েক গজ হাঁটা পথে তার বাপঠাকুরদার আমলের একচিলতে কুঁড়েঘর। সেখানে অবশ্য সে শুধু রাতটুকু থাকে। দিনের বাকি সময়টা পুরোটাই সে কাটায় চণ্ডী মন্দিরে আর নদীর ধারে। সপ্তাহে শুধু একদিন ঢোকে গ্রামের ভেতরে। গরিবগুর্বো মানুষরা এই ‘ক্ষ্যাপা পুরুত’কে চালডাল যেটুকু সামান্য পারে, দেয়। কানু চক্রবর্তী একাহারী, ওতেই হয়ে যায়।

    সবসময় সপ্তমে চড়ে থাকে তার মেজাজ। গ্রামের লোকেরা তার সেই তিরিক্ষি মেজাজের ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেনা, দুষ্টু ছেলেছোকরারা কেউ কখনো এসে চণ্ডী মন্দির তল্লাটে খেলতে চেষ্টা করলে চোদ্দোপুরুষ উদ্ধার করে অকথ্য গালাগালি করে তাদের পালাতে বাধ্য করে কানু চক্রবর্তী।

    গ্রামের লোকেরাও তাই তাকে ঘাঁটায় না। একেই সব দীনদরিদ্র, রোজ মন্দিরে আসার সময় কোথায়? তার ওপর নামেই চণ্ডী মন্দির, এতকালের অযত্নে যেন পোড়োবাড়িতে পরিণত হয়েছে মন্দিরটা। পাশেই সরু নদী, সেই নদীর হাওয়া গায়ে মেখে এক প্রাচীন আত্মার মতো দাঁড়িয়ে আছে।

    গোটা চত্বরটাই যেন কেমন ভূতুড়ে!

    গ্রামের সবাই জানে, কানু চক্রবর্তী মরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই মন্দিরও মরে যাবে।

    কানু চক্রবর্তী নিজের মনেই থাকে। ভোরবেলা উঠেই সে চলে আসে মন্দিরে। তারপরের কয়েকঘণ্টা ধরে চলে পুজোর আয়োজন, উপাচার। সে নিজেই পূজারি, নিজেই দর্শক, নিজেই ভক্ত। প্রায়ান্ধকার গর্ভগৃহে একাকী ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে সে কী করে জানে!

    দিনান্তে সব মিটে গেলে কিছু মুখে দেয়, তারপর চুপচাপ গিয়ে বসে থাকে নদীর পাড়ে।

    গ্রামের সবাই নদী বলে বটে, আসলে এটা একটা খাল। গঙ্গা থেকে পশ্চিমমুখে বয়ে এসেছে। তবে গভীর, গ্রীষ্মকালেও বেশ জল থাকে। খালের একটা দিক আবার গিয়ে মিশেছে রুগণ সরস্বতী নদীতে।

    সূর্য পশ্চিমে ধীরে ধীরে হেলতে থাকে, পাখিরা ক্লান্ত দেহে ঝাঁক বেঁধে ফেরে বাসায়, কানু চক্রবর্তী একা উদাস মুখে বসে থাকে। বসে বসে সে কী যে ভাবে! তার কাঁচাপাকা দাড়ি নেমে এসেছে গলার নীচ পর্যন্ত, ঘাড় পর্যন্ত চুল আর সাদা ধুতি ফতুয়ায় তাকে কেমন যেন অরণ্যের প্রাচীন ঋষি বলে মনে হয়। তারপর একসময় ঝুপ করে নেমে আসে সন্ধ্যা। অন্ধকার গভীর হলে কানু চক্রবর্তী ধীর পায়ে ফিরে যায় নিজের বাসস্থানে। তার চোখদুটো তখন থাকে অন্যমনস্ক।

    সেদিনও সে এইভাবে বসে ছিল নদীর চরে। বসে বসে কত কী ভাবছিল। তার গোটা শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিতে উজ্জ্বলভাবে রয়েছে গ্রামের আলোকিত ছবি। চৌধুরীবাড়ির দুর্গাপুজো, নদীর চরে মায়ের বিসর্জন, নানারকমের পুজোপার্বণ।

    সব মুছে গিয়েছে। শুধু সে একা বেঁচে রয়েছে অতীতের গৌরবের জীবাশ্ম হয়ে। হাজার ঘটনা বুকে চেপে। তার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে মুছে যাবে সেইসব স্মৃতি। বিলুপ্ত হয়ে যাবে অনেক ঘটনা।

    ভাবতে ভাবতে হঠাৎ একটা কাতড়ানোর শব্দে বর্তমানে ফিরে এসেছিল কানু চক্রবর্তী। এই নির্জন নদীর চরে হঠাৎই যেন শুনতে পেয়েছিল কারুর গুমড়নোর আওয়াজ।

    একটু খুঁজতেই দেখতে পেয়েছিল ছেলেটাকে। চরের কাদামাটিতে মাখামাখি হয়ে পড়েছিল সে। চোখ প্রায় দেখা যাচ্ছিল না। পাড়ের লাল পিঁপড়েগুলো কামড়ে সে’দুটোকে ফুলে ঢোল করে দিয়েছে। হাতপায়ে ছড়ে যাওয়ার অজস্র দাগ।

    প্রচণ্ড জ্বরে ছেলেটা বেহুঁশ, ওই অবস্থাতেই তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসছে যন্ত্রনার গোঙানি।

    কান পেতে খুব মনোযোগ দিয়ে শুনলে বোঝা যায়।

    “উঃ মাগো কী কষ্ট! … ওকে ছেড়ে দাও … বাইরে … বাইরে চলে যাওয়াই ভাল … আহ! লাগছে … আমাকে ছাড়ো!”

    কানু চক্রবর্তী কোনোমতে টেনে হিঁচড়ে ছেলেটাকে সরিয়ে আনতে যেতেই থমকে গিয়েছিল।

    ছেলেটার ঘাড়ের কাছটায় দগদগে ঘা, অনেকটা জায়গা যেন খুবলে খেয়েছে কোনো বন্য জন্তু! রক্ত আর মাংস ডেলা পাকিয়ে আছে সেখানটায়।

    কানু চক্রবর্তী সাময়িক থমকালেও অবাক হয়নি।

    কারণ কাদায় মাখামাখি হয়ে পড়ে থাকলেও ছেলেটার মুণ্ডিত মস্তক ও পেছনের লম্বা টিকিটা ততক্ষণে ওর চোখে পড়ে গিয়েছিল।

    ২৭

    আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ। একটু আগেই একপশলা বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে এদিকে। চারপাশের সবুজ গাছপালা, শস্যখেত ভিজে গিয়ে ঝকঝক করছে। ভিজে মাটিতে সোঁদা গন্ধ। পাখির কিচিরমিচির। বাগডাঙা গ্রামের হাট, বসতি এলাকা একটু দূরে। এদিকটা শুধুই বিঘের পর বিঘে খেত। তারই মধ্যে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে সরলাশ্রম। নিস্তব্ধ, নীরব হয়ে।

    রুদ্র গাড়ি থেকে নেমে সোজা এগিয়ে গেল আশ্রমটার দিকে। সঙ্গে এসেছেন লোকেশ ব্যানার্জি আর জয়ন্ত। রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে আল বরাবর হাঁটছিল ওঁরা।

    আগেরদিন গাড়ির শব্দ পেয়েই যেমন বাইরে বেরিয়ে এসেছিলেন সেই ভর্তৃহরি মহারাজ, আজ তেমন কেউ এল না। বাইরে একটা সাধারণ কচি বাঁশ দিয়ে তৈরি করা গেট। রুদ্ররা সেটা খুলে ঢুকল আশ্রমের মধ্যে।

    আগেরদিন সামনের দালান দিয়ে মাঝে মাঝেই হেঁটে যাচ্ছিল ধুতি ফতুয়া পরিহিত মুণ্ডিত মস্তক আবাসিক ছাত্ররা। আজ তারাও কেউ নেই।

    জয়ন্ত ফিসফিস করল, “কোনদিকে যাবেন ম্যাডাম?”

    রুদ্র উত্তর না দিয়ে এগিয়ে গেল সেইদিকে, যেদিকে আগের দিন ওকে নিয়ে গিয়েছিলেন মহারাজ। চাতাল পেরিয়ে সেই উপাসনাগৃহ। কিন্তু বাইরে বড় তালা ঝুলছে।

    “ভাঙব?” জয়ন্ত বলল।

    “না।” রুদ্র চাপাস্বরে বলল। ওয়্যারান্ট ছাড়া এভাবে প্রাইভেট প্রপার্টি ভেঙে ঢুকে সার্চ করা যায় না, সেটা আইনবহির্ভূত। ও ভেতরে ঢোকার চেষ্টা ছেড়ে দিয়ে গোটা আশ্রমটা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগল।

    আশ্রমের আয়তন খুব বড় না হলেও ভেতরে বেশ বৈচিত্র্য রয়েছে। একদিকে উপাসনাঘর, অন্যদিকে দুটো ছোট ছোট একতলা বাড়ি। বোধ হয় ছাত্রদের থাকার আবাস। মাঝখানটা বেশ কিছুটা খোলা জায়গা, তাতে বেশ যত্ন করে ফুলের চাষ করা হয়েছে।

    “অদ্ভুত ব্যাপার!” লোকেশবাবু বললেন, “গোটা আশ্রম পড়ে রয়েছে, সব গেল কোথায়?”

    আশ্রমের একেবারে পেছনদিকে চলে গেল রুদ্র। সেদিকে একটা ঘাট। সামনে সরু একটা খাল।

    “এই খালটা কোথায় গিয়ে মিশেছে?” রুদ্র জিজ্ঞেস করল।

    “কী জানি, বুঝতে পারছি না।” জয়ন্ত ঠোঁট উলটোল। দশমিনিটের মধ্যে ও আশ্রমের বাইরে গিয়ে রাস্তায় পৌঁছে একটা স্থানীয় লোককে ডেকে আনল।

    রুদ্র তখন হাঁটু গেড়ে বসে রয়েছে ঘাটে। ঘাটটা বাঁধানো হলেও বেশ ভগ্নদশা। সিঁড়ির ধাপের ওপর আশপাশের নারকেল গাছের ডালপালা পড়ে রয়েছে।

    প্রায় আটটা ধাপের পর ছলাত ছলাত এসে পড়ছে খালের জল।

    স্থানীয় লোকটির নাম পরেশ। সে বাগডাঙা হাটের দিকে থাকে।

    রুদ্রর প্রশ্নের উত্তরে বলল, “এই আশ্রম অনেক পুরোনো দিদিমণি। তা প্রায় বছর পঁচিশ তো হবেই। কিন্তু আমরা বিশেষ আসি না। আসলে আশ্রমের সন্ন্যাসীরা কারুর সঙ্গে মেশেন না। নিজেদের মতো থাকেন।”

    “বাইরে থেকে যারা আসেন, তাঁরা?”

    পরেশ হকচকিয়ে বলল, “সবাই তো আশ্রমের নৌকোতে করেই আসেন, দিদি। খুব কমই গাড়িতে করে আসেন।”

    “আশ্রমের নৌকো?” রুদ্র ভ্রূ কুঁচকে বলল, “কোথায় সেই নৌকো?”

    পরেশ আঙুল তুলে বলল, “এখানেই বাঁধা থাকে। আজ তো দেখছি না।”

    “এই খাল কোথায় গিয়েছে?”

    “আজ্ঞে, এঁকেবেঁকে অনেকটা গিয়েছে, তারপর গিয়ে মিশেছে সরস্বতী নদীর সঙ্গে। সেই নদীও এখন সরু, অ্যাত্তটুকুন।” লোকটা হাত দিয়ে দেখাল, “সেই সরস্বতী বরাবর গেলেই গঙ্গা।”

    “গঙ্গা!” বিড়বিড় করল রুদ্র। তারপর বলল, “এদিক থেকে সুগন্ধা কতদূর?”

    “সুগন্ধা?” লোকটা মাথা চুলকোল, “বলতে পারব না দিদি। এদিক থেকে পুবদিক বরাবর গেলে পরপর অনেকগুলো গ্রাম পড়বে। জারুরা, ভুশনারা, বদনপুর …।”

    লোকেশবাবু রুদ্রর দিকে জ্বলজ্বলে চোখে তাকাতেই রুদ্র চোখের ইশারায় চুপ করতে বলল।

    ২৮

    নবদ্বীপাধিপতি রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় গুণগ্রাহী যুবাপুরুষ। তিনি নিজে সংস্কৃত ও ফারসি ভাষায় সুপণ্ডিত, সুযোদ্ধা এবং সংগীতজ্ঞ। মুঘল সম্রাট আকবরের মতো তাঁর রাজসভাতেও নবরত্নের সমাহার।

    নবদ্বীপের শ্রেষ্ঠ নৈয়ায়িক শঙ্কর তর্কবাগীশ, পণ্ডিত গোস্বামীপাদ গোপালকৃষ্ণ বিদ্যাবাচস্পতি, কবি বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার, হরিরাম তর্কালঙ্কার ছাড়াও তাঁর রাজসভার শোভাবর্ধন করে থাকেন কালীভক্ত কবি রামপ্রসাদ সেন এবং রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র। এছাড়া ছায়ার মতো সভা আলোকিত করেন ঘূর্ণি গ্রামের গোপাল চন্দ্র ভণ্ড।

    রাজা কৃষ্ণচন্দ্র দ্বৈত চরিত্রের সমাহার। একদিকে তিনি প্রজাবৎসল, বিদ্যা ও শিল্পকলার পরম পৃষ্ঠপোষক, সমগ্র রাঢ়বাংলার অসংখ্য পণ্ডিত তাঁর বৃত্তিভোগী। অন্যদিকে তিনি অত্যন্ত প্রাচীনপন্থী, কূটকৌশলী ও আদিরসাত্মক রচনায় উদগ্রীব। নৈতিক মূল্যবোধ বিসর্জন দিয়ে কারুর সম্পত্তি গ্রাসে তাঁর হৃদয় কাঁপে না। অন্নদামঙ্গলের মতো অনন্য রচনার পর তাঁরই প্ররোচনায় ভারতচন্দ্র লিখেছেন বিদ্যাসুন্দর। যার ছত্রে ছত্রে অশ্লীলতার ছড়াছড়ি আহত করেছে পাঠককুলকে।

    আজ কৃষ্ণচন্দ্রের আয়োজিত সুবিশাল বাজপেয় যজ্ঞের অন্তিম দিবস। বিদেশের সমস্ত স্বনামধন্য পণ্ডিতদের উপযুক্ত পারিতোষিকসহ স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করানো হচ্ছে। তাঁর যজ্ঞ সার্থক হয়েছে। যজ্ঞের আয়োজনে হৃষ্টচিত্ত হয়ে তামাম পণ্ডিতকুল তাঁকে ভূষিত করেছেন বহুকাঙ্ক্ষিত ও অতিসম্মানীয় উপাধি ‘অগ্নিহোত্রী বাজপেয়ী’তে।

    কিন্তু তা সত্ত্বেও কোনো অজ্ঞাত কারণে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র বিমর্ষ চিত্তে বসেছিলেন নিজের রাজসভায়। তাঁর মুখমণ্ডল থেকে ঝড়ে পড়ছিল হতাশা।

    রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার দুটি ভাগ। প্রথমার্ধে তিনি শুধুই রাজকার্যে ব্যস্ত থাকেন। থাকেন মন্ত্রী, দেওয়ান, সেনাপতি ও অন্যান্য অমাত্যরা। প্রজাদের অভাব-অভিযোগ শোনা, আদেশনামা জারি করা, দলিলে স্বাক্ষর করা এইসব প্রশাসনিক কাজ চলে। সেইসব কাজ সমাপ্ত হলে একদণ্ডের বিরতি। রাজা তখন পার্শ্ববর্তী কক্ষে প্রাতঃরাশ সারেন। প্রশাসনিক কর্মচারীরা প্রস্থান করেন, আগমন হয় পণ্ডিত, সংগীতজ্ঞ ও কবিদের।

    আজ অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে রাজসভা প্রায় জনশূন্য। সভাসদরা সকলেই গিয়েছেন বাজপেয় যজ্ঞে অভ্যাগতদের বিদায় জানাতে। কয়েকদিন সভা বন্ধ থাকার পর আজই খুলেছে, কাজ বিশেষ নেই। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র, পণ্ডিত শঙ্কর তর্কবাগীশ, কবি বাণেশ্বর বিদ্যালংকার ও রামপ্রসাদ ছাড়া কেউ নেই সভায়। তিনজনে আলোচনা করছিলেন যজ্ঞ উপলক্ষ্যে সংঘটিত হওয়া সাম্প্রতিক নানা শাস্ত্রবিচার সম্পর্কে।

    কৃষ্ণচন্দ্রের মুখ যদিও ম্লান। কাশী, মিথিলা, কান্যকুব্জ, এমনকি সুদূর দ্রাবিড় থেকে বহু অর্থব্যয়ে তিনি একাধিক পণ্ডিতকে সমাদরে নিয়ে এসেছিলেন নবদ্বীপে। সমানে সমানে হওয়া তর্কযুদ্ধ দেখার বাসনায়।

    কিন্তু তাঁর সেই বাসনা পূর্ণ হয়নি বললেই চলে। যজ্ঞের প্রথম চারদিন সব ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু তাঁকে স্তম্ভিত করে পঞ্চম দিনে এসে প্রায় একশো ছাত্র নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন ত্রিবেণীর জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন। বিনা আমন্ত্রণে আগমনে রাজা প্রথমে হতভম্ব হয়ে গেলেও সৌজন্যবশত তিনি আতিথেয়তা করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন। ব্যবস্থা করতে গিয়েছিলেন পণ্ডিতের আহারাদি-বাসস্থানেরও। রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে দুটি বিশাল ইমারত গড়ে তোলা হয়েছে পণ্ডিতদের জন্য। সেখানে আরো একজন পণ্ডিতের ব্যবস্থা করা একেবারেই কঠিন নয়।

    কিন্তু রোমশ পণ্ডিত সেসবের ধার মাড়াননি। কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে কোনরকম বাক্যবিনিময় না করে তিনি সটান উপনীত হয়েছিলেন শাস্ত্রবিচার মণ্ডপে। স্মৃতি থেকে ন্যায়, বেদান্ত থেকে অদ্বৈতবাদ, সভামণ্ডপে একের পর এক অনুষ্ঠিত হওয়া তর্কযুদ্ধে পরাস্ত করতে শুরু করেছিলেন দেশ বিদেশের সমস্ত পণ্ডিতকে। জগন্নাথতোড়ে ভেসে গিয়েছিলেন আসমুদ্রহিমাচলের সব পণ্ডিত।

    তাঁর পাণ্ডিত্যপ্রতিভার সামনে, অবিশ্বাস্য স্মৃতিশক্তির সামনে কেউ সেভাবে দাঁড়াতেই পারেননি। দর্শকমণ্ডলী পর্যন্ত ক্রমাগত জগন্নাথ পণ্ডিতের নামে জয়ধ্বনি দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল।

    এখানেই শেষ নয়। দিনান্তে কৃষ্ণচন্দ্র আবার গলবস্ত্রে আতিথেয়তা গ্রহণ করার অনুরোধ নিয়ে গিয়েছিলেন। অন্তর থেকে সেই ইচ্ছা না থাকলেও লোকনিন্দার ভয়ে তাঁকে যেতে হয়েছিল। জগন্নাথ তর্কপঞ্চাননের সামনে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেছিলেন অনেক কায়ক্লেশে বাজপেয় যজ্ঞ করছেন, পণ্ডিতও তাতে যোগদান করলে রাজা আহ্লাদিত হবেন।

    আর তখন পণ্ডিত কী বললেন?

    ভাবলেই এখনো শরীরে রক্তসঞ্চালন দ্রুত হয়ে উঠছে কৃষ্ণচন্দ্রের। নিঃশ্বাস পড়ছে দ্রুত। স্তম্ভিত হচ্ছেন একজন ব্রাহ্মণের ঔদ্ধত্যে।

    জগন্নাথ পণ্ডিত প্রকাশ্য সভায় রাজার কাতর অনুরোধে শ্লেষসূচক হেসে বলেছিলেন, “বাজপেয় যজ্ঞ? হাসালেন রাজা। যে যজ্ঞে স্বয়ং জগন্নাথ রবাহূত, সে আবার কীসের যজ্ঞ?”

    কথাটা বলে সদর্পে প্রস্থান করেছিলেন রাজমণ্ডপ থেকে। অদূরে কোন এক ব্রাহ্মণ আবাসে তিনি নিজেই সশিষ্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছিলেন।

    তারপর যজ্ঞের অবশিষ্ট প্রতিটি দিন এসেছেন, সমস্ত অতিথি পণ্ডিতের দর্পচূর্ণ করেছেন, আবার ফিরে গিয়েছেন।

    এইভাবে গোটা যজ্ঞের পরিবেশ পণ্ড করার পর অবশেষে জগন্নাথ পণ্ডিত কাল নদীয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন।

    সঙ্গে ভূলুণ্ঠিত করে দিয়ে গিয়েছেন কৃষ্ণচন্দ্রের সম্মান। এক কলসি দুগ্ধে একফোঁটা গোমূত্রের মতোই।

    এত দম্ভ? এত দার্ঢ্য? কৃষ্ণচন্দ্র স্বয়ং নদীয়াধিপতি, হিন্দুকুলপতি, শাস্ত্রচূড়ামণি তাঁর প্রতি কোনো সম্মান প্রদর্শন নেই?

    পণ্ডিত শঙ্কর তর্কবাগীশ বললেন, “আর বিমর্ষ হয়ে থাকবেন না রাজামশাই। অতিথিরা একে একে প্রস্থান করছেন, তাঁদের বিদায় সম্ভাষণ করার জন্য আপনার সেখানে উপস্থিতি একান্তই প্রয়োজন। অন্যথায় বড় দৃষ্টিকটু দেখায়।”

    কৃষ্ণচন্দ্র রক্তাভ চোখে তাকালেন। এখনো অবধি এই প্রসঙ্গে সভাসদদের সকলেই তাঁকে সমর্থন করেছেন, একযোগ হয়ে প্রত্যেকে নিন্দা করেছেন তর্কপঞ্চাননের এই মাত্রাহীন ঔদ্ধত্যের।

    ব্যতিক্রম শুধু একজন। রামপ্রসাদ সেন একটি মাত্রও কথা বলেননি। সেই কারণটিও তাঁর জানা।

    রাজা ব্যাঙ্গাত্মক হেসে বললেন, “আপনারা সবাই যতই সমালোচনা করুন, সাধক রামপ্রসাদ যে কিছুতেই রোমশ পণ্ডিতের সমালোচনা নিতে পারেন না! তাই তিনি মৌন। তাঁর কালী মায়ের গাত্রবর্ণের সঙ্গে পণ্ডিতের বড় মিল কিনা, হা হা!”

    রামপ্রসাদ কী যেন ভাবছিলেন। রাজার কথায় সম্বিৎ ফিরে পেলেন। বললেন, “না তা নয়, রাজামশায়। তবে এটা তো মানবেন, জগন্নাথ পণ্ডিত একাই বাংলার মান রক্ষা করল। নাহলে আমাদের রাঢ়বাংলার পণ্ডিতরা তো বিদেশিদের যুক্তির সামনে দাঁড়াতেই পারছিলেন না! আমার মনে হয়, আপনি আর উনি, দুজনেই সমান বিদ্বান, নিজেদের মধ্যে আর এমন কলহ করে আমাদের বেদনার উদ্রেক করবেন না।”

    “তুমি ভোলাভালা মানুষ, রামপ্রসাদ!” কবি বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার বলে উঠলেন। জগন্নাথ তর্কপঞ্চাননের জন্য তাঁর সেই হেনস্থার কথা তিনি এখনো বিস্মৃত হননি। উষ্মাভরা কণ্ঠে বললেন, “ত্রিবেণীর জগন্নাথ পণ্ডিত অত সোজা মানুষ নয়। সে রাজার যজ্ঞে নিমন্ত্রণ না পাওয়ার অপমান এত সহজে ভুলবে বলে মনে হয় না। দেখবে, এর প্রতিশোধ সে নেবেই!”

    “প্রতিশোধ?” শঙ্কর তর্কবাগীশ ভ্রূ কুঞ্চিত করলেন, “নদীয়াধিপতির প্রতি?”

    “অসম্ভব কিছু নয়।” বাণেশ্বর স্বগতোক্তি করলেন, “ইংরেজরা বলুন কিংবা মুর্শিদাবাদের নবাব সকলেই তর্কপঞ্চাননের পরম অনুরাগী। তার ওপর মুর্শিদাবাদের দেওয়ান নন্দকুমার জগন্নাথ পণ্ডিতের পরম সুহৃদ। আর নবাব নিজে নন্দকুমারের কথায় অন্ধ আস্থা রাখেন। ক্ষতি করতে চাইলে রোমশ পণ্ডিতকে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।”

    ২৯

    লোকেশবাবু সামান্য ইতস্তত করে বললেন, “ম্যাডাম, আমাকে এক সপ্তাহ ছুটি দিতে হবে।”

    রুদ্র সামনে ড্রাইভারের পাশে বসেছিল। ওদের গাড়ি প্রায় দেড়ঘণ্টা ছোটার পর এখন বদনপুরের কাছাকাছি এসে গিয়েছে।

    চুঁচুড়া মহকুমার পোলবা দাদপুর ব্লকের এক প্রত্যন্ত গ্রাম বদনপুর। অজ পাড়া গাঁ বললেও অত্যুক্তি হয়না। গ্রামে ঢুকতে ঢুকতে রুদ্র অবাক হয়ে ভাবছিল, সরকারের এত ধরনের প্রকল্পের পরেও এখনো এত মাটির বাড়ি এই গ্রামে?

    একদিকে যতদূর চোখ যায়, সবুজ চোখ জুড়নো খেত। অন্যদিকে ছোটবেলায় আঁকা ছবির মতো মাটির কুঁড়েঘর, বড় বড় নারকেল গাছ। গরু ছাগলের নির্বিচারে আনাগোনা। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছে।

    লোকেশবাবুর কথায় রুদ্র ঘাড় ঘোরাল। বলল, “এক সপ্তাহ! এই ডেলিকেট সময়ে? কী ব্যাপার, লোকেশবাবু? বাড়িতে সব ঠিক আছে তো?”

    জয়ন্ত একদিন কথায় কথায় বলেছিল, লোকেশবাবুর স্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত। নিঃসন্তান দম্পতি। লোকেশবাবুকে প্রায়ই স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ছুটি নিতে হয়।

    কিন্তু লোকেশবাবু একদিকে ঘাড় হেলিয়ে বললেন, “হ্যাঁ। আসলে সামনের সপ্তাহে শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি। আমরা বৈষ্ণব, এইসময়টা মায়াপুরে যাই। খুব ধুমধাম করে পালন হয় ওখানে। তিনদিন ধরে উৎসব চলে। আমরা গোটা সময়টায় ওখানে ভলান্টারি সার্ভিস দিই।”

    রুদ্র কিছু বলার আগেই প্রিয়াঙ্কা ঈষৎ প্রগলভ সুরে বলল, “আচ্ছা লোকেশদা, কী হয় এইসময় মায়াপুরে? সবাই মিলে দু-হাত তুলে হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে করে নেচে বেড়ান?”

    লোকেশবাবু বিরক্তস্বরে বললেন, “নেচে বেড়াব কেন? জন্মাষ্টমীতে ওখানে অনেকরকম অনুষ্ঠান হয়। সারা পৃথিবী থেকে ভক্তরা আসেন। কোনোদিনও তো যাওনি, একবার গেলে বারবার যেতে ইচ্ছে করবে। শুধু জন্মাষ্টমী কেন, দোলপূর্ণিমা, রথযাত্রা। দোলে তো একবার আমার সঙ্গে এস পি সাহেবের দেখা হয়েছিল, জানো!”

    প্রিয়াঙ্কা বলল, “তাই নাকি?”

    “হ্যাঁ। এস পি সাহেব ওখানকার কমিটিতেও আছেন। উনি তো খুব বনেদি বংশের ছেলে।” লোকেশবাবু বলে চলেছিলেন, “নিশ্চয়ই প্রচুর টাকা ডোনেট করেন। একেবারে প্রথম সারিতে বসেছিলেন। আমি আর ডাকিনি। একবার তো যেতে পারো ঘুরতে। বাড়ির এত কাছে।”

    “আচ্ছা, সে না হয় যাব।” প্রিয়াঙ্কা বলল, “আপনি আগে বলুন না, কী হয় ওখানে? খুব জানতে ইচ্ছে করছে।”

    লোকেশবাবু এবার একটু নরম গলায় বললেন, “তিনদিন ধরে উৎসব চলে। জন্মাষ্টমীর আগের দিনকে বলা হয় অধিবাস, পরের দিনটা নন্দোৎসব। প্রথমদিন কীর্তনমেলা চলে, তারপর মধ্যরাতে রাধামাধব মন্দিরে মহা অভিষেক হয়। জন্মাষ্টমীর দিন ভোর থেকে একে একে চলে মঙ্গল আরতি, নানারকম যজ্ঞ, ভজন কীর্তন। তারপর অনুকল্প প্রসাদ বিতরণ। সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। হাজার হাজার লোক একসঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের নাম করছে, ভজন করছে, বিশাল চত্বরে একসঙ্গে খাচ্ছে। এত ভালো লাগে! গায়ে কাঁটা দেয়। ওই যে খুন হলেন ড. সুবল ভট্টাচার্য, উনি তো প্রতিবছর থাকতেন, মহারাজদের সঙ্গে মিলে সব তদারক করতেন। তোমার বউদি তো অসুস্থ শরীর নিয়েও প্রতিবছর ছোটেন, মনটা এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরে যায়।”

    রুদ্র এবার মাঝপথে গলাখাঁকারি দিল, “বদনপুর ঢুকে গেছি। মন্দিরটা কোনদিকে লোকেশবাবু? পাঁচুকে একটু গাইড করুন।”

    পরম বৈষ্ণব লোকেশবাবু মায়াপুরের উৎসবের কথা বলতে বলতে কেমন ভাবাবিষ্ট হয়ে পড়েছিলেন, হঠাৎ আদেশে একটু হকচকিয়ে গিয়ে বললেন, “সোজা গ্রামের ভেতর দিয়ে যেতে হবে। একেবারে শেষ প্রান্তে, নদীর ধারে।”

    মন্দিরের সামনে গাড়ি ব্রেক কষে দাঁড়ানো মাত্র একজন বৃদ্ধ বেরিয়ে এলেন। পরনে ধুতি, ফতুয়া। কাঁচাপাকা দাড়ি গলা ছাড়িয়ে প্রায় বুক পর্যন্ত নেমেছে। মাথার চুলও সাদা। রোগাটে গড়ন। কিছুক্ষণ চোখ কুঁচকে জরিপ করার চেষ্টা করলেন রুদ্রদের।

    লোকেশবাবু চাপাগলায় বললেন, “ইনি মন্দিরের পূজারি। কী যেন চক্রবর্তী নাম। পল্টু বলে গ্রামের একটা ছেলে তারেকের ছবি দেখে চিনতে পেরেছিল, তারপর সে-ই আমাকে এখানে নিয়ে এসেছিল।”

    “পল্টুকে আসতে বলুন এখানে।” চাপা গলায় বলল রুদ্র।

    লোকেশ বাবু বললেন, “বলেছিলাম। কিন্তু সে এখন শহরে গেছে কাজ করতে।”

    “আমার নাম কানু চক্রবর্তী।” গম্ভীর কণ্ঠে বললেন বৃদ্ধ।

    রুদ্র বলল, “আপনি কি এখানেই একাই থাকেন?”

    “হ্যাঁ।” কিছুটা রুক্ষস্বরে বললেন কানু চক্রবর্তী, “আমি তো আগের দিনও বলেছি, পল্টু যখন নিয়ে এল ওঁকে। সেই ছেলেটা কয়েকদিন এই মন্দিরে ছিল, তা প্রায় দু’বছর আগে। তারপর একদিন হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যায়। এর বেশি আমি আর কিছু জানি না।”

    রুদ্র বলল, “এই মন্দিরটা কতদিনের পুরোনো?”

    এই অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নে কানু চক্রবর্তী কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে কথার খেই হারিয়ে ফেললেন। তারপর বললেন, “একশো বছরের বেশিই হবে। এই গ্রামের জমিদার চৌধুরীরা বানিয়েছিল।”

    রুদ্র সামান্য ঘাড় নেড়ে ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগল। চারপাশে জঙ্গল, আগাছায় ভরতি। রুদ্র জুতো খুলে উঠতে লাগল মন্দিরের সিঁড়িতে। সিঁড়ি অবশ্য নামেই, ধাপগুলো অযত্নে এতটাই ভেঙে গিয়েছে, আর ঝোপঝাড় এতই গজিয়েছে যে সাপখোপ থাকা বিচিত্র নয়।

    কানু চক্রবর্তী আর লোকেশবাবু নীচে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন। প্রিয়াঙ্কা রুদ্রর পেছন পেছন উঠে এসেছিল মন্দিরের ওপরে। গর্ভগৃহের ভিতরটা একেবারে অন্ধকার। বিগ্রহ বোঝা যাচ্ছে, তবে খুব অস্পষ্ট। রুদ্র চারপাশ জরিপ করতে করতে বলল, “আপনি থাকেন কোথায়?”

    “পাশেই।” কানু চক্রবর্তী এবারেও বিরস গলায় বললেন।

    “পাশে বলতে?”

    কানু চক্রবর্তী এবারে খুবই অনিচ্ছার ভঙ্গিতে হাত তুলে দূরের একটি কুঁড়েঘরের দিকে নির্দেশ করলেন।

    “দু’বছর আগে হলেও আপনার নিশ্চয়ই ঘটনাটা মনে আছে।” রুদ্র পায়ে পায়ে নেমে এল সিঁড়ি দিয়ে, “আরেকবার একটু বলুন না! ছেলেটি খুন হয়েছে।”

    কানু চক্রবর্তীর চোখের পাতা একবার সামান্য কেঁপেই স্থির হয়ে গেল। বললেন, “একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, ছেলেটা এই চাতালে ঘুমোচ্ছে। গা বেশ গরম। তিনদিন ওইভাবে ছিল। তারপর একদিন হাওয়া।”

    লোকেশবাবু এবার একটু রুষ্টগলায় বললেন, “আপনি পুরোটা কেন খুলে বলছেন না কানুবাবু? আগেরদিন তো পল্টু বলল, ছেলেটা এই সিঁড়িতে বসে কৃষ্ণনাম জপ করত। আর আপনি তাই নিয়ে রেগে যেতেন? বলতেন, চণ্ডী মন্দিরে বসে কৃষ্ণের নাম করা মহা পাপ?”

    কানু চক্রবর্তী হঠাৎ ক্ষেপে উঠল। বলল, “অতদিন আগের কথা, আমার ভাল করে মনে নেই। পল্টুর যখন সব মনে আছে, তাকে গিয়েই জিজ্ঞেস করুন না। আমায় কেন করছেন?”

    লোকেশবাবু পুলিশসুলভ ধমকানি দিলেন এবার, “বেশি তড়পাবেন না একদম। পুলিশ কাকে কী জিজ্ঞেস করবে, তার জন্য কি আপনাকে কৈফিয়ত দিতে হবে নাকি? যা জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, উত্তর দিন। নাহলে সোজা লক আপে পুরে দেব।”

    “পুরে দিলে দিন। কানু চক্কোত্তি কোনো জেলখানা বা পুলিশকে ডরায় না।”

    লোকটা ঝাঁঝিয়ে কথাগুলো বলল বটে, কিন্তু রুদ্র লক্ষ্য করল, তারপর কেমন যেন মিইয়ে গেল। শুকনো ঠোঁটটা কিছু দুর্বোধ্য শব্দ বিড়বিড় করতে লাগল। চোখদুটোও বুজে গেল ধীরে ধীরে।

    লোকেশবাবু কড়াগলায় আরও কিছু বলতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রুদ্র ইশারায় থামিয়ে দিল। চুপচাপ ও ফিরে যেতে লাগল গাড়ির দিকে।

    গাড়িতে উঠেই প্রিয়াঙ্কা উত্তেজিত গলায় বলল, “ম্যাডাম, লোকটা বলল বটে একা থাকে, কিন্তু …!”

    “দেখেছি।” রুদ্র বলল, “লোকেশবাবু, লোকাল থানার সঙ্গে কথা বলে এই কানু চক্রবর্তীর পেছনে লোক লাগান। ওরা সারাদিন ফলো আপ করুক। লোকটার সঙ্গে আরও কেউ রয়েছে এখন। কানুবাবু তো ধুতি ফতুয়া পরেন দেখছি, কিন্তু ওর কুঁড়েঘরের সামনের তারে দুটো হাফপ্যান্ট ঝুলছে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলিলি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article মৃত্যুমেডেল – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }