Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঘড়ির কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প113 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘড়ির কাঁটা – ৩

    ৩

    হোটেল থেকে বার হবার মুখেই একটা কথা কানে গেল বাসু-সাহেবের। ঘুরে দেখলেন, তিন-চারজন দাঁড়িয়ে আছে প্রবেশ-পথের বাইরে। একজন লাউঞ্জ থেকে বার হয়ে এসে ওদের উদ্দেশ করে বললে, কমলেশ না পাত্তা। লাউঞ্জে নেই। এখন কী করবে বল? কাউন্টারে গিয়ে খোঁজ করব? বাসু এগিয়ে এলেন দলটির দিকে। বললেন, আপনারা কমলেশ মিত্রের নিমন্ত্রণে এখানে এসেছিলেন?

    একটি যুবক বলেন, হ্যাঁ আপনিও কি তার নিমন্ত্রণে এসেছিলেন?

    —না। আমার নাম পি. কে. বাসু। আমি ব্যারিস্টার। আপনারা কেউ আমার নাম জানেন?

    যুবকটি বলে, বিলক্ষণ। আপনি তো স্বনামধন্য ব্যক্তি। আমরা সবাই আপনাকে চিনি। আসুন, পরিচয় করিয়ে দিই–ইনি নবীন চ্যাটার্জি, বিজনেসম্যান; ইনি মিস মীনাক্ষী মজুমদার, আর আমার নাম সুদীপ লাহিড়ী।

    বাসু বলেন, ইতিমধ্যে একটা বিশ্রী ব্যাপার ঘটে গেছে হোটেলের ভিতর। পুলিশি তদন্ত হচ্ছে। বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা। আপনারা আসুন—আমরা বরং সামনেই ওই রেস্তোরাঁয় গিয়ে বসি।

    দলটিকে এক কোনায় বসিয়ে এসপ্রেসো কফির অর্ডার দিয়ে বাসু বললেন, আমি এসেছিলাম একটা তদপ্তে, যাতে আপনাদের বন্ধু কমলেশ মিত্রও ইনভল্ভড্ হতে পারে! মিস মজুমদার, আপনি কখন জানতে পারেন, কমলেশ প্রাইজটা পেয়েছে?

    —সকাল প্রায় সাড়ে নটায়। কমলেশ ফোনে জানিয়েছিল।

    —কোথা থেকে ফোন করছে তা সে বলেছিল?

    —হ্যাঁ, এই হোটেল থেকেই।

    —আপনাকে সে কখন আসতে বলেছিল?

    —সন্ধ্যা ছয়টায়। বলেছিল, আরও দু-চারজন বন্ধুকে সে নিমন্ত্রণ করছে। রাত্রে সে আমাদের ডিনারে নিমন্ত্রণ করেছিল।

    —এই চারজনকেই

    —তাই তো দেখছি এখন।

    —আমি শুনেছি, ডাঃ প্রকাশ সেনগুপ্ত আর রবীন বোস ওর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাদের নিমন্ত্রণ ছিল না?

    —কী জানি! থাকলে ওঁরাও হয়তো এখনই এসে পড়বেন।

    —আপনি কমলেশের তরফে এদের দু’জনের কাউকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন?

    —কমলেশের তরফে। নিশ্চয় নয়। কমলেশ আমার বন্ধু, যেমন এঁরাও তার বন্ধু। কমলেশের তরফে আমি কাউকে নিমন্ত্রণ করতে যাব কোন অধিকারে? কেন বলুন তো?

    বাসু-সাহেব এবার সুদীপকে বলেন, আপনাকে সে কখন নিমন্ত্রণ করে?

    সুদীপ সে প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বললে, ব্যারিস্টার সাহেব, এবার আপনি আমাদের একটা প্রশ্নের জবাব দিন। হোটেলে কী ঘটেছে? আর কমলেশের সঙ্গে তার কী সম্পর্ক?

    বাসু-সাহেব চুরুটের ল্যাজ কাটতে কাটতে বললেন, কমলেশ যে ঘরটা ভাড়া নিয়েছিল তার নম্বর 528। আজ বিকাল পাঁচটা নাগাদ সেই ঘরের বাথরুমে একটি মৃতদেহ আবিষ্কৃত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ। কমলেশ কোথায় তা কেউ জানে না, অফকোর্স যদি মৃতদেহটা তারই না হয়।

    মনে হল, ভূকম্পনে টেবিলটা নড়ে উঠল। আধ মিনিট সবাই নির্বাক। তারপর নবীনবাবু বললেন, এ-ক্ষেত্রে সবার আগে গিয়ে মৃতদেহটা আমাদের শনাক্ত করা উচিত। তাই নয়?

    —হ্যাঁ, তাই—কিন্তু তৎক্ষণাৎ পুলিশের জেরার সম্মুখীন হতে হবে আপনাদের জবাবে কে কী বলবেন তা স্থির করে রেখেছেন তো?

    সুদীপ বললে, জবাবে আবার কী বলব? যা সত্য কথা তাই বলব। মৃতদেহ আবিষ্কৃত হবার অনেক পরে আমরা এসেছি,–

    বাসু বলেন, সেইটাই হবে পুলিশের প্রথম প্রশ্ন। আপনারা সদন, কি এ হোটেলে আজ এখনই প্রথম এলেন?

    নবীন তৎক্ষণাৎ বললে, নিশ্চয়ই!

    সুদীপ কোনও জবাব দিল না।

    মীনাক্ষী আর সুদীপ পরস্পরের দিকে তাকায়।

    বাসু বলেন, ঠিক আছে। এবার আপনারা হোটেলে খান। মৃতদেহ শনাক্ত করুন। সম্ভবত আপনাদের বন্ধুই মারা গেছে। অটোপ্সি-সার্জেন মৃত্যুর কী সময় নির্ধারণ করেন সেটা দেখুন।

    মৃতদেহ শনাক্ত করে ওরা তিনজন যখন বেরিয়ে এল তখন কলকাতার রাস্তায় আলো জ্বলেছে। বাইরে বেরিয়ে এসে ওরা যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। নবীন বললে, এমন একটা বিশ্রী ব্যাপার ঘটে যাবে তা কি আজ সকালেও ভেবেছিলাম? কমলেশটা…

    মীনাক্ষী বাধা দিয়ে বললে, ও সব কথা ভেবে লাভ নেই নবীনবাবু। যাক, আমাকে একটা ট্যাক্সি ধরে দিন।

    সুদীপ বললে, বাড়ি ফিরবে? তার চেয়ে চল না-

    নবীনকে খুব অন্যমনস্ক মনে হচ্ছিল। সে বাধা দিয়ে বলে, আমাকে তাহলে বাদ দাও ভাই। আমার কিছু ভালো লাগছে না। আমি বাড়ি যাব।

    নবীন বাস ধরে রওনা হয়ে যাবার পর মীনাক্ষী বললে, কোথায় যাবার কথা বলছিলে তখন?

    —কোন ফাঁকা জায়গায়। চল, ভিক্টোরিয়ার সামনের ময়দানে গিয়ে বসি।

    পায়ে পায়ে দু’জনে সরে এল ময়দানের দিকে। এ-সময়ে ও জায়গাটা মোটেই নির্জন নয়। তবু ওরই মধ্যে একটু ফাঁকা জায়গা দেখে দু’জনে বসল।

    সুদীপই নীরবতা ভেঙে প্রথম কথা বলল : মীনু, তুমি কি আশঙ্কা করছ এই ব্যাপারটা নিয়ে পুলিশ আমাদের ঝামেলায় ফেলতে পারে?

    —তোমাকে না ফেললেও আমাকে ফেলতে পারে। মার্ডার চার্জ অবশ্য আমার উপর আসবার কোনও কারণ নেই, কিন্তু কেঁচো খুঁড়তে অনেক সাপই বেরিয়ে পড়তে পারে। তুমি তো জান—কমলের সঙ্গে আগামীকালই আমার দার্জিলিং যাবার কথা ছিল।

    —তা ছিল। তাতে কী? সে কথা বলছি না; আমি বলছি, হত্যা মামলায় কি তোমাকে বা আমাকে জড়ানোর কোনো সম্ভাবনা আছে?

    মীনাক্ষী তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ওকে দেখে নিয়ে বললে, এ কথা বলছ কেন?

    —বাসু-সাহেবের কথা থেকে মনে হল, মৃত্যুর সময় বেলা দুটোর পর এবং বিকাল চারটার আগে। ওই সময়টুকুর জন্যে তোমার কি কোনও অকাট্য ‘অ্যালিবাই’ আছে?

    আরও গম্ভীর হয়ে যায় মীনাক্ষী। সরাসরি জবাব না দিয়ে বলে, কেন? তোমার নেই?

    —বিকাল পৌনে চারটে পর্যন্ত আছে। তারপর নেই। তোমার?

    —কী আমার?

    —বেলা দুটো থেকে চারটে পর্যন্ত তুমি কোথায় ছিলে, তার অকাট্য প্রমাণ দিতে পারবে? মীনাক্ষী অনেকক্ষণ কী ভাবল; তারপর বললে, কিছু মনে পড়ছে না। এত নার্ভাস লাগছে!

    —মনে করতে হবে মিনু, মনে করা দরকার! নেহাৎ যদি মনে না পড়ে আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি…

    —তুমি কীভাবে?

    —তুমি ঠিক তিনটে সাতচল্লিশ মিনিটে হোটেল হিন্দুস্থানের লাউঞ্জে ছিলে!

    মুখটা সাদা হয়ে গেল মীনাক্ষীর। আমতা আমতা করে বললে, মানে! তুমি কী বলতে চাইছ?

    —আমি বলতে চাইছি যে, তুমি যে বেলা পৌনে-চারটে নাগাদ এ হোটেলে এসেছিলে তার অকাট্য প্রমাণ আছে। সেটা অস্বীকার করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। তোমাকে একজন দেখে ফেলেছিল। যে তোমাকে চেনে!

    দু-হাতে মুখ ঢেকে মীনাক্ষী অনেকক্ষণ বসে রইল। তারপর ধীরে ধীরে মুখ তুলে বললে, সুদীপ! তুমি কেন এসেছিলে বলত?

    —আমি! আমি কোথায় এসেছিলাম? কখন?

    —ঠিক তিনটে সাতচল্লিশ মিনিটে হোটেল হিন্দুস্থানের লাউঞ্জে?

    এবার জবাব দিতে সুদীপই ইতস্তত করছিল।

    মীনাক্ষী বললে, তুমিই আমাকে দেখতে পেয়েছিলে; না হলে এখনই এভাবে ও-কথা বলতে পারতে না। তাই না?

    —হ্যাঁ, তাই।

    —আমার মনে হয়—আমরা দুজনেই পরস্পরের কাছে সত্য ঘটনা খুলে বললে ভালো হয়। আমার নিজের কথা আগে বলি—হ্যাঁ, আমি এসেছিলাম—কমলেশই আমাকে আসতে বলেছিল। সাড়ে-তিনটে নাগাদ। একটা বিশেষ কারণে। কারণটা কী, তা এ-ক্ষেত্রে অবান্তর—আসল কথা হচ্ছে এই যে, আমি এসেছিলাম—তুমি যখন আমাকে দেখতে পেয়েছ তখনই। ওই পৌনে চারটে নাগাদ। কমলেশ আমাকে আসতে বলেছিল, অথচ সে নিজে ঘরে ছিল না। অন্তত তখন তাই মনে হয়েছিল আমার। এখন মনে হচ্ছে ওর রুদ্ধদ্বার কক্ষের ভিতরেই ও পড়ে ছিল, বাথরুমের মেঝেতে!

    —রিসেপশন কাউন্টারে কোনও কথাবার্তা বলেছিলে?

    —হ্যাঁ, বলেছিলাম। তাতেই বুঝে উঠতে পারছিলাম না—কী ‘স্ট্যান্ড’ নেব!

    —পুলিশ যদি জানতে চায়, তবে আদ্যন্ত সত্য কথা বলাই ভালো। তুমি এসেছিলে, নক করেছিলে, কাউন্টারে কথা বলেছিলে, ফিরে গিয়েছিলে-

    —আর তুমি?

    —আমিও অস্বীকার করব না। কারণ একই সময়ে আমি ওই হোটেলে এসেছিলাম এক বন্ধুর গাড়িতে। সে আমাকে হোটেলের সামনে নামিয়ে দিয়ে যায়। কমলেশকেও সে চেনে। ফলে আমি যে এখানে এসেছিলাম এটা চেপে যাওয়া ঠিক হবে না।

    —তুমি কখন কোথায় আমাকে দেখতে পেয়েছিলে?

    —তুমি তখন রিসেপশন কাউন্টারে দাঁড়িয়ে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলছিলে। তুমি আমার দিকে পিছনে ফিরে ছিলে। তুমি আমাকে দেখতে পাওনি, আমি পেয়েছিলাম।

    —তাহলে তুমি এগিয়ে এসে আমার সঙ্গে কথা বললে না কেন?

    —সত্যি কথা বলব?

    —সত্যকথা বলতে তো আমরা দুজনেই প্রতিশ্রুত, সুদীপ।

    —আমি কমলেশের ঘরের সামনে গিয়ে দেখি, বাইরে একটা ‘ট্যাগ’ ঝুলছে ‘Do not disturb’ (বিরক্ত করবেন না)। আমি অনাহুত এসেছিলাম, সন্ধ্যায় আমার নিমন্ত্ৰণ ছিল—কিন্তু তার আগেই আমি এসেছিলাম ওকে একান্তে পেতে। আমি ওর কাছে কিছু টাকা ধার চাইতাম। কিন্তু ওর ঘরের সামনে বিরক্ত করবেন না’ বিজ্ঞপ্তিটা দেখে ফিরে আসি। কাউন্টারে তোমাকে দেখেই বুঝতে পারলাম, কেন ওই বোর্ডটা টাঙানো আছে। অর্থাৎ কমলেশ তোমার প্রতীক্ষাতেই আছে।

    —আই সি! এতক্ষণে বুঝলাম।

    —আমি কিন্তু এখনও সবটা বুঝতে পারিনি মীনু!

    —কী বুঝতে পারনি?

    —আবার জিজ্ঞাসা করি; সত্য কথা বলব?

    —বার বার ভণিতা করছ কেন?

    —বিকাল তিনটে সাতচল্লিশে তোমাকে যখন দেখি, তখন তোমার পরিধানে ছিল একটা লাল রঙের মুর্শিদাবাদী। অথচ সন্ধ্যা ছয়টায় যখন আবার এলে, অর্থাৎ এখন তোমার পরিধানে একটা নীল রঙের জর্জেট! কেন মীনাক্ষী? এত দ্রুত তোমাকে শাড়ি পাল্টাতে হল কেন?

    মীনাক্ষী প্রথমটা অবাক হয়ে যায়। তারপর সামলে নিয়ে বলে, হোয়াট ডু য়্যু মিন? আমার সেই শাড়িটায় কোন রক্তের দাগ লেগেছিল বলতে চাও?

    —আমি কিছুই বলতে চাই না মীনাক্ষী। আমি শুধু তোমাকে মনে করিয়ে দিতে চাই, এ মামলায় ওই প্রশ্নটাও তো উঠে পড়তে পারে। সাক্ষীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কী জবাব দেবে তা ভেবে রাখা উচিত নয় কি?

    মীনাক্ষী একটুক্ষণ চুপ করে কী ভেবে নেয়। তারপর হঠাৎ সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে বলে, আমাকে কেন সন্দেহ করছ সুদীপ? কমলেশকে আমি….তুমি তো সবই জান! আমার কী মোটিভ থাকতে পারে?

    —নী মীনু। তুমি ভুল করছ। তোমাকে আমি আদৌ সন্দেহ করছি না। তোমার কোনও ‘মোটিভ’ খুঁজে পাচ্ছি না বলে নয়, তার কারণ কে কমলেশকে খুন করে এসেছে তা আমি জানি। শুধু তোমাকেই নয়, তাকেও ঠিক একই সময়ে হোটেল হিন্দুস্থানে আমি দেখতে পেয়েছিলাম। বোধকরি মার্ডার ওয়েপন সমেত!

    মীনাক্ষী উৎসাহে ওর হাতটা চেপে ধরে। বলে, কে? কাকে? কাকে দেখেছ তুমি?

    সে-কথা এখন আমি বলব না। প্রয়োজন হলে পুলিশকেই বলব। তাই তোমাকে আড়ালে ডেকে এনেছিলাম। তোমাকে সাবধান করে দিতে চেয়েছিলাম যে, তুমি যে একই সময়ে হোটেল হিন্দুস্থানে এসেছিলে এই সত্যটা পুলিশের কাছে গোপন কোরো না। আমার ‘ডিপজিশানে’ তোমার কথাও থাকবে। তোমাকে আমি দেখেছি তা আমি বলব। আমি চাই না সেটা তুমি অস্বীকার করে বিপদগ্রস্ত হও! আর কেউ না জানলেও তুমি তো জান মীনু—আমি তোমাকে…..

    মুহূর্তমধ্যে রূপান্তর ঘটে মীনাক্ষী মজুমদারের। স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়ে তার। বলে, জানি! তাহলে এস না সুদীপ, আমার দুজনে দুজনের অ্যালিবাই হই। পুলিশকে বলি, আমরা দুজনে একই সঙ্গে…

    —না! আদালতে দাঁড়িয়ে আমি মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে পারব না! তাছাড়া আমি এসেছিলাম অন্য এক বন্ধুর গাড়িতে। কোথা থেকে কী বিপর্যয় হয়ে যাবে! ঠিক যা যা ঘটেছে তাই বলব আমরা। তুমি আর আমি।

    —বেশ তুমি যা চাইছ তাই হবে।

    —আমি কি শুধু এইটুকুই চাইছি মীনু?

    এক মুহূর্ত বিলম্ব হল মীনাক্ষীর। তারপর বললে, আজকে আমায় মাপ কর সুদীপ আজ নয়। কমলেশের মৃতদেহটা আমাকে এখনও ‘হন্ট’ করছে!

    —আই নো! আজই জবাব দিতে বলছি না। চল, এবার ওঠা যাক। তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসি।

    —প্লিজ সুদীপ! আমাকে একটু একা থাকতে দাও। একটা ট্যাক্সি ধরে দাও শুধু।

    সুদীপ শ্রাগ করল। উঠল ট্যাক্সির খোঁজে। আবার মনে হল ওর—তার সিদ্ধান্ত কি ভুল? যে লোকটাকে লিফটে নামতে নামতে এক লহমার জন্য দেখতে পেয়েছিল সেই কি হত্যা করেছিল কমলেশকে? সেই কি টাঙিয়ে দিয়ে এসেছিল ওই বোর্ডটা : ‘বিরক্ত করবেন না।’ তাহলে মীনাক্ষী মজুমদার মাত্র দুঘণ্টার মধ্যে লাল রঙের শাড়িটা পাল্টে এল কেন? প্রথমবার লালরঙের শাড়িই বা বেছে নিয়েছিল কেন? তাতে রঙের দাগ সহজে নজর পড়ে না বলেই?

    .

    লীটন হোটেলে ফিরে বাসু-সাহেব প্রথম সাক্ষাতেই প্রকাশকে বললেন, এই নিন ধরুন। উইশ্ য়ু বেস্ট অব্ লাক! আমি হাত ধুয়ে ফেলেছি।

    বাসু-সাহেবের প্রসারিত হাতে একটি এক-টাকার অঙ্ক লেখা চেক। প্রকাশ অবাক হয়ে বলে, মানে? আপনি কেসটা নেবেন না?

    —না। আমার বিবেক বাধা দিচ্ছে।

    —তার মানে আপনি বিশ্বাস করছেন, কমলশকে আমিই খুন করেছি? বাসু-সাহেব হেসে বললেন, দেড়সেকেন্ড আগেও কিছুটা সন্দেহ ছিল। এখন নেই। কারণ আপনার জানার কথা নয়, কমলেশ খুন হয়ে পড়ে আছে ওর ঘরে। বস্তুত আপনার জবানবন্দি অনুসারে ডিসচার্জড্ বুলেটের সঙ্গে কমলেশের কোনো সম্পর্ক নেই।

    মাথাটা নিচু হয়ে গেল প্রকাশের। বললে, আপনি আর একটু বলবেন? তাহলে আপনাকে সব কথা খুলে বলি।

    বাসু-সাহেব বলেন। বলেন, আপনার প্রথম স্টেটমেন্ট শুনেই বুঝতে পেরেছিলাম, আপনি ‘হোল-টুথ’ বলছেন না। আসল কথাটা বাদ দিয়ে যাচ্ছেন। কেন জানেন?

    —না। কেন?

    —আপনার জবানবন্দি অনুসারে আপনি আতঙ্কগ্রস্ত হতে পারেন গাড়ির সিটের নিচে রিভলভারটা আবিষ্কারের পরমুহূর্ত থেকে। তার পূর্বেই কিন্তু আপনি বলেছেন—ঘর থেকে বেরিয়ে আসার সময় আপনি কাউকে লক্ষ করেননি! সেটা কেন লক্ষ করবেন আপনি? বলেছেন, লিফটে না নেমে আপনি সিঁড়ি দিয়ে নেমেছেন। আর সব চেয়ে বড় কথা, খোলা মনে চাবিটা কাউন্টারে জমা দিয়ে আপনার গাড়ির কাছে যাবার কথা, সুতরাং খুন নিজে করুন বা না করুন, এ-কথা সুর্যোদয়ের মতো স্পষ্ট যে, ঘর ছাড়ার আগে আপনি জানতেন—বাথরুমে কমলেশ মরে পড়ে আছে।

    প্রকাশ অসহায়ের মতো বলে ওঠে, বিশ্বাস করুন। খুন আমি করিনি। তবে আপনার ও-কথা সত্য। বাথরুমের দরজা খুলে আমি দেখেছিলাম।

    —বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসার পর রুমাল দিয়ে হাতলটা মুছে দিয়েছিলেন নিশ্চয়ই।

    —না তো! কেন?

    বাসু ওর চোখের দিকে পুরো এক মিনিট একদৃষ্টে চেয়ে রইলেন। তারপর চেকটা কুচি কুচি করে ছিঁড়ে ফেলে বললেন, আই উইথড্র! না! আপনি খুন করেননি! বলুন। সব কিছু আবার বিস্তারিত বলে যান। টাইম-ফ্যাক্টারটা ঠিক রেখে আজকের সকাল থেকে শুরু করুন। ঘুম থেকে ওঠা দিয়ে শুরু করে

    —আমি কাল রাত্রে আদৌ ঘুমাইনি। বলি শুনুন—

    সারা দিনের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত বলে গেল সে। বাসু মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে জেনে নিচ্ছিলেন।

    —প্রথম বলুন, রবি বসুকে কেন মিথ্যা কথা বলে ডেকে পাঠালেন?

    —কমলেশের প্ররোচনায়। সেই পৌনে পাঁচটার সময় আমাকে পত্রিকা অফিস থেকে ফোন করে এই পরিকল্পনার কথা বলে। আমি আপত্তিও করেছিলাম। ও শোনেনি। বলেছিল, পত্রিকা অফিস থেকে সে সোজা মেডিকেল কলেজ আসবে। রবির আগেই। রবির ঠেলা সেই সামলাবে। তাই এপ্রিল ফুল করতে রবিকে ফোন করি-

    —তাহলে তখনও আপনি জানতেন না যে, তার পনেরো মিনিটের ভিতরেই অমল সোম আহত হয়ে হাসপাতালে আসবে?

    —তা কেমন করে জানব? ওটা নিতান্ত কাকতালীয় ঘটনা। কমল আর অমল নাম দুটো শুনতে এক রকম। তাই ওরা ভেবেছিল—

    —বুঝলাম। মীনাক্ষী মজুমদারের কণ্ঠস্বর আপনি চেনেন?

    —না। তার সঙ্গে কখনও কথা হয়নি আমার। চোখেও দেখিনি কখনও।

    —তার মানে আজ পৌনে-দুটো নাগাদ যে মেয়েটি আপনাকে ফোন করে, সে যে মীনাক্ষী মজুমদার এ কথা হলপ নিয়ে আপনি বলতে পারেন না?

    —নিশ্চয় নয়! কেন? সে কি অস্বীকার করেছে?

    বাসু-সাহেব ওর কাছ থেকে কমলেশের বাসার ঠিকানা, তার পৈতৃক বাড়ির পাত্তা, সুদীপ ও রবির টেলিফোন নম্বর নোটবুকে টুকে নিয়ে উঠে পড়লেন। বললেন, পারতপক্ষে হোটেল ছেড়ে বার হবে না। আমি অনেক কষ্টে পুলিশের নজর এড়িয়ে এসেছি। কাউকে এখান থেকে ফোন করবেন না। পুলিশ আপনাকে খুঁজছে। কাল আপনাকে সকাল সাড়ে নটার সময় তুলে নিয়ে যাব। থানায়। সেখানে সমস্ত ঘটনা আদ্যন্ত সত্য বলবেন। কিছু গোপন করবেন না। বুঝেছেন?

    —রিভলভারের কথাটাও?

    —নিশ্চয়! রিভলভারটা নিয়ে যাবেন। জমা দিতে হবে।

    —ওঁরা যদি জানতে চান, মৃতদেহ আবিষ্কার করা মাত্র কেন পুলিশে জানাইনি?

    —বলবেন, আপনার সন্দেহ হয়েছিল—কেউ অপরাধটা আপনার ঘাড়ে চাপাতে চাইছে। তাই তৎক্ষণাৎ আপনি আমার কাছে চলে আসেন। আমাকে সব কথা খুলে বলেন। আমি আপনাকে জানিয়েছিলাম—পুলিশে আমিই খবর দেব। ফলো?

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকুলের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article রূপমঞ্জরী – ১ম খণ্ড – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }