Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঘনাদা সমগ্র ২ – প্রেমেন্দ্র মিত্র

    প্রেমেন্দ্র মিত্র এক পাতা গল্প884 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভেলা

    অবিশ্বাস্য! অভূতপূর্ব! কল্পনাতীত!

    ঠিকানা–বাহাত্তর নম্বর বনমালি নস্কর লেন।

    স্থান-দোতলার আড্ডাঘর।

    সময়—শুক্রবার সন্ধ্যা ছটা।

    কুশীলব—শিব শিশির গৌর আমি রামভুজ।

    না, হল না। ঘনাদার নামটাই বাদ নাকি? তাঁর নাম তা হলে যাবে কোথায়? শেষে?

    হ্যাঁ, পুজো সংখ্যার বিজ্ঞাপনে নামকরা কোনও কোনও লেখককে মাথার ওপরে না তুলে আরও খাতির বাড়াতে একটি এবং-এর নকিবের পেছনে যেমন সকলের শেষেই আলাদা করে রাখা হয়, ঘনাদার নামটাও তেমনই আমাদের ক-জন গার্ড অফ অনার-এর পেছনে ভিন্ন সারিতে একেশ্বর হয়েই থাক।

    কিন্তু এ পর্যন্ত যা বলেছি তাতে অনেকের ভুরুই কুঁচকে উঠেছে বুঝতে পারছি। বাহাত্তর নম্বর বনমালি নস্কর লেনের দোতলার আজ্ঞাঘরে শুক্রবার ছটায় ঘনাদার সঙ্গে আমরা চারজন উপস্থিত থাকব এ তো নেহাত মামুলি রুটিন মাফিক ব্যাপার। অদ্ভুত কিছু তো নয়!

    কিন্তু রামভুজ সেইসঙ্গে কেন?

    হিঙের কচুরির ঝুড়ি কি ট্রে-তে করে মাংসের শিঙাড়ার প্লেট নিয়ে নিশ্চয়।

    না, হল না।

    কচুরির ঝুড়ি মাংসের শিঙাড়া আনবার জন্য বনোয়ারি থাকতে রামভুজ আসবে কেন?

    ঘটনাটা তা হলে কী? ঘটনাটা একেবারে অবিশ্বাস্য! অভূতপূর্ব! কল্পনাতীত! রামভুজকে নিয়ে আমাদের পাঁচজোড়া চোখ বিস্ফারিত বিস্ময়ে ঘনাদার কোলের ওপর রাখা দক্ষিণ হস্ত আর সে হাতের একটি কাগজের দিকে নিবদ্ধ হয়ে আছে।

    কেন? কীসের কাগজ সেটা? সিমলা প্যাক্টের খসড়া? নিকসন-চৌ-এনলাই-এর গোপন চুক্তির দলিল?

    না, সে সব কিছু নয়।

    ঘনাদার হাতে একটি নতুন ঝকঝকে মেটে সিঁদুরের রঙের কুড়ি টাকার নোট!

    তা কুড়ি টাকার নোট ঘনাদার হাতে একটা থাকতে পারে না?নতুন কী রকম নোট বেরিয়েছে দেখাবার জন্য শিশিরই হয়তো সেটা তাঁর হাতে দিয়েছে।

    না। এবারও হল না।

    ঘনাদা নিজের পকেট থেকেই নোটটা বার করেছেন আর বার করে রামভুজকেই ডেকে পাঠিয়ে তাকে হুকুম দিচ্ছেন।

    কী হুকুম?

    অতি সাদাসিধে ক-টা ফরমাশ। বলছেন, তুমি বিরিয়ানি পোলাওই বানাও রামভুজ, আর চিংড়ির মালাইকারি, নিউমার্কেটে গেলে এই বিকেলেই একেবারে পয়লা নম্বর গলদা চিংড়ি পাবে। দামের পরোয়া কোরো না। এ কুড়ি টাকায় না হয় আরও যা লাগে নিয়ে যাও–

    ঘনাদা পকেট থেকে অকাতরে আর-একটা কুড়িটাকার নোট বার করে আগেরটার সঙ্গে রামভুজের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন, তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়। না হয় আসবার সময় একটা ট্যাক্সি নিয়েই এস। ট্রাম-বাসের যা অবস্থা।

    যেন দম দেওয়া পুতুলের মতো হাঁ করা মুখে ঘনাদার হাত থেকে টাকা নিয়ে চলে যেতে গিয়ে রামভুজকে আবার দাঁড়াতে হল।

    ঘনাদা ডেকেছেন।

    হ্যাঁ, শোনো, রামভুজ। সোনাই যখন হল তখন সোহাগাটা বাকি থাকে কেন? সেমুই পায়েসের ব্যবস্থাও কোরো। কিসমিস বাদাম পেস্তা—কিছুর যেন খামতি না হয়। পেস্তার আজকাল আবার সোনার চেয়ে পায়া ভারী। বাজারে সরেস পেস্তা পাওয়াই ভার। যা দাম চায় দিয়ে নিয়ে আসবে। বুঝেছ?

    হাঁ, হুজুর বলে যেরকম চেহারা করে রামভুজ বেরিয়ে গেল তাতে সরিষার বেল দুটো পাকা তেল নিয়ে ফিরলে খুব আশ্চর্য হব না।

    বিবরণ যা দিলাম তা কি স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে?

    না, স্বপ্ন নয়, একেবারে নির্ভেজাল সত্য।

    বাহাত্তর নম্বর বনমালি নস্কর লেনে সত্যিই পৃথিবী ওলটপালট হয়ে গেছে। ঘনাদা নিজের পকেট থেকে টাকা বার করে ভুরিভোজের বাজার করতে পাঠিয়েছেন আর তারপর যা করেছেন তা মাথায় চরকি-পাক লাগাবার মতো।

    টাকার পকেট নয়, অন্য পকেট থেকে সিগারেটের একটা আস্ত টিন বার করে এয়ারটাইট ঢাকনা খুলতে খুলতে বলেছেন, হিটা শুনতে পেলে?

    গোড়াতেই যে বিশেষণগুলো দিয়ে এ গল্প শুরু এবার সেগুলো লাগসই মনে হচ্ছে কি না?

    কার চোখ কতখানি ছানাবড়া হতে পারে তার নমুনা দেখিয়ে আমরা এবার একেবারে বোবা বনে গেছি।

    শিশিরই সকলের মহড়া নিয়ে ঘনাদার বেপরোয়া বদান্যতায় তাঁর ওপর প্রথম। দরদ দেখালে।

    দমকা এত বাজে খরচ কিন্তু না করলেও পারতেন। সব ভূত-ভোজন বই তো কিছু নয়।

    ভুতেরাও শিশিরের সঙ্গে জুড়ি গাইতে দেরি করলে না।

    ঠিক, ঠিক, শিবু বিজ্ঞের মতো মাথা নেড়ে বললে, বিরিয়ানি হচ্ছিল হচ্ছিল, তার ওপর ওই সেমুই পায়েসের কী দরকার ছিল?

    আর পায়েসই না হয় হল, তাতে আবার পেস্তা কেন? গৌর তার চরম আপত্তির কারণ জানালে, কাজু কুচি কুচি করে দিলে সোয়াদ কিছু কম হত?

    ঘনাদার ওই তো দোষ! আমি ঘনাদার আখের ভেবে চিন্তিত হয়ে উঠলাম, পয়সার মায়া করতে কোনওদিন শিখলেন না। দু হাতে এমন করে খরচ করলে কুবেরের ভাঁড়ারেও যে টান পড়ে। না, হঠাৎ যেন সংকল্প স্থির করে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াবার উপক্রম করলাম, রামভুজ এখনও বেশিদূর যেতে পারেনি বোধহয়। তাকে ফিরিয়েই আনি।

    থাক, থাক। শিবু, শিশির, গৌর—-তিনজনেই শশব্যস্ত হয়ে আমাকে থামালে, ঘনাদাকে মিছি মিছি কষ্ট দিয়ে লাভ কী? ওঁর চিরকেলে খরচের হাত আমরা একদিন সামলে আর কত বাঁচাব!

    বেশ, তোমরা বলছ যখন তখন বসছি।—-আমি যেন নেহাত অনিচ্ছাভরে আবার বসলাম—কিন্তু উনি দিলদরিয়া বলে ওঁর মাথায় এমন করে হাত বুলিয়ে এতগুলো টাকা খসানো কি উচিত হল? আজই বোধহয় ব্যাঙ্ক থেকে তুলে এনেছেন।

    ব্যাঙ্ক শুনে একটু কাশির ছোঁয়াচ লাগবার উপক্রম হয়েছিল। ঘনাদার মৃদু হাসির সঙ্গে মাথা নাড়াতেই তা থেমে গেল।

    না, ব্যাঙ্ক থেকে তোলবার দরকার হয়নি।—ঘনাদা হেসে আমাদের আশ্বস্ত করলেন—ওই তোমাদের উতাদো কার্লসের চিঠিটা আজ এল কিনা!

    হুর্তাদো কার্লসের চিঠি!—একটু অবাক হবার পরই তামাদের স্মরণশক্তি আবার যেন ফিরে পেয়েছি—হ্যাঁ, হ্যাঁ, আজ কী একটা চিঠি যেন সকালে এসেছিল বটে।

    ব্ৰেজিলের কনসালেট থেকে পিন বই-এ পাঠিয়েছিল, না?—শিশির

    আমাদের সমর্থন চাইলে।

    ডাকে এলে তবু স্ট্যাম্পগুলো পেতাম। আমরা আবার বলাবলি করলাম। গৌর ঘটনাটা সঠিক ভাবে স্মরণ করল।

    তা সেটা বুঝি এই উদো বুধো কী নাম বললেন, হুতাদো না কী, তারই চিঠি? সে-ই ব্রেজিল থেকে লিখেছে? উত্তরটা ঘনাদার কাছেই চাইলাম—কিন্তু ব্রেজিল থেকে লেখা চিঠি সোজা ডাকে না এসে কনসালেটের মারফত এল কেন?

    কেন এল তা বুঝিস না? শিবু আমায় ধমকালে, ঘনাদার কাছে কি কেমন আছো, ভাল আছি গোছের চিঠি আসে? আসে সব অত্যন্ত গোপন জরুরি চিঠি। ডাকে মারা কি চুরি যাবার ভয়েই সেগুলো সরকারি জিম্মায় পাঠানো হয়। বুঝলি?

    বুঝতেই হল সসম্ভমে। জিজ্ঞেস করতেও হল ঘনাদাকে-সেইরকম দামি চিঠি বুঝি? খুব গোলমেলে আন্তর্জাতিক ফ্যাসাদ-ট্যাসাদ বোধহয়?

    না। ঘনাদা যেন আমাদের হতাশ করতে পেরে খুশি—দামি চিঠি হলেও কোনও ফ্যাসাদ-ট্যাসাদের ব্যাপারে লেখা নয়। বরং ফ্যাসাদ কেটে যাবার তারিখটা স্মরণ করে কৃতজ্ঞতা জানাবার।

    ওঃ! কৃতজ্ঞতা জানাবার চিঠি!—গৌরের গলায় একটু যেন সংশয়ের খোঁচা– সে চিঠিও এমব্যাসি মারফত পাঠিয়েছে পাছে মারা যায় বলে!

    না, মারা যাবার ভয়ে নয়।—ঘনাদা আমাদের সংশোধন করলেন—আমার টাকা ভাঙাবার হ্যাঙ্গামা বাঁচাবার জন্য।

    টাকা ভাঙাবার হ্যাঙ্গামা!—আমরা যতখানি সম্ভব হাঁদা সেজে হাঁ করে করে রইলাম ঘনাদার দিকে তাকিয়ে।

    ঘনাদা ব্যাখ্যা দিয়ে সে হাঁ বোজাবার ব্যবস্থা করলেন—এ তারিখটায় একটু উৎসব করবার জন্য উর্তাদো কিছু টাকা পাঠিয়েছে কিনা! ব্রেজিলের কারেন্সি ভাঙাতে পাছে অসুবিধা হয় তাই এখানকার এমব্যাসিকেই ভারতীয় মুদ্রায় বদল করে সে টাকা আমার কাছে তার চিঠিটার সঙ্গে পৌঁছে দিতে লিখেছে।

    খুব বুঝদার বন্ধু তো আপনার ওই হুর্তাদো!—আমরা তারিফ করে তারপর আমাদের আশাটা জানিয়েছি—সব দিক ভেবে তার মুশকিল আসানের তারিখ স্মরণ করে উৎসব করতে মোটা কিছু আপনাকে পাঠিয়েছে নিশ্চয়?

    হ্যাঁ, পঞ্চাশ টাকা তো দেখছি, বলেছেন ঘনাদা খুশি মুখে বেশ একটু গর্বভরেই।

    পঞ্চাশ টাকা?-ছি-ছি-ছি-টা স্পষ্ট না উচ্চারণ করলেও আমার গলার স্বরে আর মুখের চেহারায় গোপন থাকেনি।

    পঞ্চাশ?—শিবুর যেন অপমানে গলাটা বুজে এসেছে!

    মাত্র পাঁচ দশে পঞ্চাশ সেই ব্রেজিল থেকে?—শিশিরের গলায় ধিক্কার।

    ওই টাকা ভাঙাবার হ্যাঙ্গামা বাঁচাতে আবার এমব্যাসির মারফত পাঠানো? আর গৌরের গলায় বিদ্রুপ।

    ঘনাদাকে একটু দিশাহারা করা গেছে কি? আহ্লাদে গদগদ মুখটা একটু চুন?

    না, তা আর পারা গেল কই!

    ঘনাদার মুখে তখন একটু ক্ষমা আর প্রশ্রয়ের হাসি।

    আমাদের সব আক্রমণের বাণ ভোঁতা করে দিয়ে করুণাভরে বললেন, পঞ্চাশ টাকার বেশি পাঠাবে উর্তাদো! ওই পঞ্চাশই যে পাঠিয়েছে, তাই বলতে গেলে তার পাঁজরার ক-টা হাড় খুলে দিয়ে। মানুষটা ভাল হলে কী হয়, হাড়কঞ্জুস যে।

    নিজেই সে কথা সে জানে। ঠিক এই তারিখে সে রাত্রে আমার কাছে নিজের এই মজ্জাগত দোষ নিয়ে কী তার আফশোস!

    কেন আমি ক-টা টাকা বাঁচাতে একটা মোটর বোট ভাড়া করলাম না, দাস! সে তখন ড়ুকরে উঠে বলছে, কাজ হাসিলের আশা তো ছেড়েই দিলাম, তার আগে প্রাণগুলোই নির্ঘাত যে দিতে হবে বেঘোরে!

    তা অবস্থাটা উর্তাদো কিছু বাড়িয়ে বলেনি।

    ঝড়ের রাতে দক্ষিণ আটলান্টিকের অকূল সমুদ্রে একটা ওলটানো ভেলা ধরে কোনওরকমে আমি আর উর্তাদো তখনও ভেসে আছি। এক-একটা পাহাড়-প্রমাণ ঢেউ যেন একেবারে পাতালে পৌঁছে দেবার জন্য থেকে থেকে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে আসছে। কী ভাগ্যি যে শনগাদা মানে যে ভেলা আমরা আঁকড়ে ধরে আছি। তা কখনও ডোবে না। কিন্তু ঢেউয়ের প্রচণ্ড ঘায়ে সে ভেলার শোলার মতো হালকা কাঠগুলোর, কাঠের গজাল-ঠোকা বাঁধন আলগা যদি না-ও হয়ে যায়, আমাদের হাতই তো অবশ অসাড় হয়ে খুলে আসতে পারে।

    এক একটা বড় ঢেউয়ের ধাক্কা সামলাবার ফাঁকে ফাঁকে সামান্য দু-একটা কথা ওই ভাবে আমাদের হচ্ছিল। তাও দুজনেই ভেলার একদিকে একেবারে গায়ে গা লাগিয়ে ভাসছিলাম বলেই ঝড়ের গর্জন আর ঢেউয়ের কল্লোল ছাপিয়ে কথাগুলো কিছুটা কানে যাচ্ছিল।

    একটু ফাঁক পেলেউ উর্তাদো তখন ওইরকম নিজেকে ধিক্কার দিয়ে আর্তনাদ করছে।

    কয়েকবার শোনবার পর ধমক দিয়ে বললাম, একটু চুপ করে দমটা বাঁচাও তো! তুমি কঞ্জুস ঠিকই, কিন্তু মোটর বোট-এর বদলে শনগাদা নিয়ে পাড়ি আমি ইচ্ছে করেই দিয়েছি। শক্ত করে যদি শেষ পর্যন্ত ধরে থাকতে পারো তা হলে এই শনগাদাই বাঁচাবে, এটুকু বলতে পারি।

    একদমে এতগুলো কথা অবশ্য বলিনি। বার চারেক বড় ঢেউয়ের ফাঁকে ফাঁকে ভাগ-ভাগ করে উর্তাদোকে এ আশ্বাস দিতে হয়েছে।

    আশ্বাস পাকনা-পাক উর্তাদো চুপ হয়ে গেছে তারপর। পুবের আকাশ লাল হয়ে অন্ধকার ফিকে হয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঝড় থেমে গিয়ে ঢেউগুলো শান্ত হয়ে এসেছে।

    ঝড় থেকে বাঁচলেও উর্তাদের তখন আর-এক কাঁদুনি শুরু।

    সভয়ে চারিদিকে একবার চেয়ে দেখে বলেছে, আমাদের অবস্থাটা এখন কী তা বুঝতে পারছ, দাস?

    খুব বুঝতে পারছি। মাথার এনামেল করা টুপিটা এক হাতে খুলে তা থেকে একটা বড়ি বার করে উর্তাদোর মুখে একরকম জোর করেই পুরে দিয়ে বলেছি, যে দিকে চাই, কূল নেই কোথাও একটা ওলটানো শনগাদা ধরে ভাসছি। মাথায় একটা টুপিই শুধু ভরসা।

    এখনও তুমি ঠাট্টা করতে পারছ! উর্তাদো প্রায় ককিয়ে উঠল।

    ঠাট্টা নয়, উর্তাদো! গম্ভীর হয়েই তাকে বললাম এবার, সত্যিই, মাথার এই টুপি আমাদের সবচেয়ে বড় ভরসা। যা ধরে এখনও টিকে আছি সেই শনগাদা নিয়ে। ব্রেজিলের এই উত্তর-পুবের রাক্ষুসে সমুদ্রের সঙ্গে মাছের জন্য যারা লড়ে সেই দুর্ধর্ষ শনগাদেইরোদের শেষ সহায় এই টপি। কোমরে বাঁধা ছোরা আর মাথার এই টপির জোরে তারা শনগাদার এই খুদে ভেলায় সমুদ্রের যে কোনও কুটিকে তুড়ি দিয়ে অগ্রাহ্য করে।

    কিন্তু টুপি থেকে তুমি আমার মুখে দিলে কী? উর্তাদো সন্দিগ্ধভাবে জিজ্ঞাসা করলে।

    দিলাম একটা ভয়-ভাবনা কাটাবার বড়ি।

    আমার কথাটা শেষ না হতেই উর্তাদো আবার কাতরে উঠল—তোমার ওটা জাদুর টুপি বুঝলাম। সব ও থেকে তুমি বার করতে পারো, কিন্তু ওষুধের বড়িতে কি সত্যকার ভয় কাটবে? চারিদিকে একবার চেয়ে দেখো। সমুদ্র ঠাণ্ডা হয়ে এসেছে, কিন্তু তেকোনা ফলার মতো হাঙরের ডানাগুলো দেখতে পাচ্ছ? জল কেটে আমাদের দিকেই পাক দিতে দিতে ক্রমশ এগোচ্ছে।

    উর্তাদো ভুল কিছু বলেনি। ডানা দেখেই বোঝা যায়, সত্যিই দুটো বাঘ-হাঙর তখন আমাদেরই তাক করে কাছাকাছি চক্কর দিচ্ছে।

    কিন্তু হাঙরের ডানা শুধু নয়, আরও কিছু আমি তখন দেখেছি। উর্তাদোকে সেই কথাই জানালাম। বললাম, তোমার ভয় নেই, উর্তাদো। ভেলা উলটে তুফানের সমুদ্র থেকে বেঁচেছ, এ বিপদ থেকেও বাঁচবে। হাঙরেরা অন্তত তোমায় আমায় ছুঁতেও পারবে না।

    ছুঁতেও পারবে না? উর্তাদো ভয়ে হতাশায় খিঁচিয়ে উঠল আমাকে, হাঙর দুটো আমাদের পাক দিতে দিতে কত কাছে এসে পড়েছে, দেখেছ?

    দেখেছি! তাকে সাহস দিয়ে বললাম, সেই সঙ্গে সমুদ্রের শুশুক ওই পরপয়সগুলোকে দেখেছ কি! সমুদ্রের ওই সেপাইরা যখন এসে পড়েছে তখন আর ভাবনা নেই। সমুদ্রের প্রাণী হয়ে মানুষের ওপর কেন যে ওদের এত দরদ সেটা একটা রহস্য, কিন্তু ওরা কাছে থাকলে কোনও হাঙরের সাধ্যও হবে না আমাদের ছুঁতে।

    যা বলেছি বেদবাক্যের মতো চোখের সামনে তা ফলতে দেখা গেল এবার। কোথা থেকে একটা শুশুক এসে গুতো দিলে একটা হাঙরের পেটে। তারপরেই আরেকটা। অন্য হাঙরটারও শুশুকদের গুঁতোয় সেই দুরবস্থা। একটা দুটো নয়, এক পাল পরপয়স তখন এসে হাঙর তাড়াবার দায় নিয়েছে। দেখতে দেখতে নাস্তানাবুদ হয়ে হাঙর দুটো চম্পট দিলে। শুশুকের পাল আমাদের সঙ্গেই রইল যেন পাহারা দিতে।

    মাথামোটা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর-পুবের প্রায় সবটা জুড়ে ব্রেজিল। ব্রেজিলের উত্তর-পুবে আটলান্টিক সাগর। সাধারণ মানচিত্রে দেখলে সে সমুদ্রে আফ্রিকার কূল পর্যন্ত গোনাগুনতি কটা দ্বীপের ফুটকি ছাড়া আর কিছু দেখা যাবে না। ম্যাপে দাগ ফেলবার যোগ্য না হলেও ছোট ছোট দ্বীপও সমুদ্রে কিছু আছে। ব্রেজিলেরই একটি নেহাত নগণ্য বন্দর কাবেদেলা থেকে মাইল পঞ্চাশ দূরের অমনই একটি অতি ছোট দ্বীপের সেদিন যেন কপাল ফিরে গেছে।

    সাধারণত যে দ্বীপে বছরের পর বছর ছাগল ভেড়া আর তাদের ক-জন রাখাল ছাড়া আর কাউকে দেখা যায় না সে দ্বীপের মাঝখানে সে দিন সরকারি তাঁবু পড়েছে। সিয়ারার জেলা সদর থেকে বহু অফিসার এসেছে নিলাম ডাকতে। সাত বছর বাদে বাদে এ সব দ্বীপ আগের মালিক এসে আবার না চাইলে নিলাম ডেকে ইজারা দেওয়া হয়।

    সেই নিলাম ডাকার দিন সকালেই আমি ঘুরতে ঘুরতে ভুল করেই যেন সরকারি তাঁবুর সামনে এসে পড়েছি।

    প্রথমেই সেখানে দেখা হয়েছে উর্তাদোরই এক জ্ঞাতিভাই দে দিয়স-এর সঙ্গে।

    দে দিয়স আমায় দেখে হয়তো অবাক। কিন্তু বাইরে তা বুঝতে দিলে না, বরং টিটকিরি দিয়ে বললে, কী দাস, তোমায় একলা দেখছি যে? লেজুড়টি মানে আমার ভাই উর্তাদোকে কোথায় রেখে এলে?

    যেখানে রাখলে সুবিধে হয় সেখানে! যেন নিজের রসিকতায় এক গাল হেসে বললাম, এ সব কাজে সঙ্গী না রাখাই ভাল নয় কি? তুমিও তো একলা এসেছ। দেখছি।

    তা না এসে কী করি, বলো? দে দিয়স আগের সুরটা পালটে যেন আন্তরিকতার সঙ্গে বললে, হাজার হলেও আমাদের পরিবারের সম্পত্তি তো ছিল। উর্তাদোর যখন গরজ নেই তখন আমাকেই ডেকে নিতে হয়।

    তোমার এ দ্বীপটার ওপর লোভ কিন্তু আগেও যেন ছিল দিয়স! সন্দেহটা মুখে ফুটতে দিয়েই বললাম, উর্তাদো একবার আমায় বলেছিল মনে হচ্ছে।

    বলেছিল? দে দিয়সের চোখদুটো যেন ছুরির ফলা হয়ে উঠল, তা লোভ থাকলে হয়েছেটা কী? লোভ আছে বলেই তো ডেকে নেব আজ!

    ও! তাই তুমি এখানে! আমি যেন অনেক দেরিতে বুঝে আমার ভুলটা স্বীকার করলাম, আমি ভেবেছিলাম, তোমার ভায়ের হয়েই বুঝি আবার দ্বীপটার ইজারা চেয়ে নিতে এসেছ! একটু থেমে তারপর বললাম, কিন্তু ধরো, উর্তাদো যদি নিলামের ডাকের আগে এসে পড়ে?

    এসে পড়বে উর্তাদো? দে দিয়স একেবারে খোলাখুলিই মুখ বাঁকিয়ে বললে, এলে তার ভূতটাই আসবে, তাকে জ্যান্ত আর আসতে হবে না।

    হ্যাঁ, আসা শক্ত বটে! আমি মুখটা হতাশ করে স্বীকার করলাম, দ্বীপটার চারিধারে তোমার দু-দুটো মেশিনগান বসানো-লঞ্চ পাহারা দিয়ে ঘুরছে দেখে এলাম বটে। এ দ্বীপে যে বোট আসবে, গুলিতে ঝাঁঝরা করে ড়ুবিয়ে দেবে।

    আমার কথা শুনতে শুনতে দে দিয়সের চোখদুটো হঠাৎ ছোট হয়ে উঠল। সেই সঙ্গে মুখটাও ছোটলোকের মতো। আমাকে যেন চোখের সড়কিতে ফুটো করার চেষ্টায় বললে, তুই! তুই কী করে এলি এখানে?

    ভূত হয়ে ছাড়া আর কী করে আসব বলো! তার দিকে চেয়ে একটু ভুতুড়ে হাসি হাসলাম।

    ভূতই তোকে বানিয়ে ছাড়ব! আমার গলাটা এক হাতে টিপে ধরে বিড়ালছানার মতো শূন্যে ঝুলিয়ে ধরে দে দিয়স বললে, সত্যি করে বল, কেমন করে এসেছিস।

    বলব কেন শুধু! ঝোলানো অবস্থাতেই মাথার শনগাদেইরো টুপিটা খুলে তা থেকে একটা ভাঁজ করা কাগজ বার করে দে দিয়সের হাতে দিয়ে বললাম, সব তো লিখে এনেছি। তুমি চোরাচালানের একটা বড় ঘাঁটি বানাবার জন্য এ দ্বীপটার ইজারা চাও, আর উর্তাদো চায় পশুপালনের একটা গবেষণা-কেন্দ্র বসাতে। তার উদ্দেশ্যটাই ভাল মনে হল বলে তাকে সঙ্গে করে আনলাম।

    তুই নিজে শুধু আসিসনি, উর্তাদোকেও সঙ্গে করে এনেছিস? দে দিয়স রাগে। আমার গলাটা যেন নিংড়োবার মতো করে প্রাণপণে চেপে ধরল।

    কাতুকুতু লাগছে। ছাড়ো! বলে এবার তার হাতটা এক ঝটকায় সরিয়ে মাটিতে নেমে বললাম, তোমার যা এখন অবস্থা কাগজের লেখা মগজেই ঢুকবে না। কীসে কেমন করে উর্তাদোকে নিয়ে এলাম চলো দেখিয়ে দিই।

    চুলের মুঠিটা একটু আলতো করে ধরে তাকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে তাই দেখালাম। দেখাতে দেখাতে বুঝিয়েও দিলাম সব। যা বোঝালাম তার মোদ্দা কথাটা হল এই—

    শনগাদা নামে ওই ভেলা পোর্তুগিজরা কলম্বাসের পর প্রথম ব্রেজিলে এসে ডাঙায় নামবার সময় দেখেছিল। মাঝারি একটা টেবিলের মাপের কটা হালকা গুঁড়ি-জোড়া-দেওয়া একটা ভেলায় বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচির মতো অতি মিহি কাপড়ের ঢাউস পাল খাটিয়ে ওদেশের জেলেদের বারদরিয়ায় পাড়ি দেওয়ার সাহস দেখে তারা অবাক।

    পুরুষানুক্রমে সে বিদ্যা আর সাহস এখনও এ অঞ্চলের জেলেদের আছে। তারা এই যন্ত্রের যুগেও মাছ ধরার জন্য ওই বিপজ্জনক ভেলাই পছন্দ করে।

    উর্তাদোকে নিলামের ডাকের দিন তার দ্বীপে নামতেই না দিয়ে তার মালিকানা ফাঁকি দিয়ে নেবার একটা ষড়যন্ত্র হচ্ছে বুঝে মোটর লঞ্চ স্টিমারের বদলে ওই ভেলাই আমি বাহন হিসেবে ঠিক করি। ভেলায় আসার জন্যই দে দিয়সের পাহারাদার বোট দুটো আমাদের হদিস পায়নি।

    দে দিয়সের সব শয়তানি ফন্দিও ব্যর্থ হয়েছে তাইতো যে তারিখে দ্বীপটার ইজারা আবার পেয়েছিল তারই মান রাখতে উৎসব করবার জন্য উর্তাদোর টাকা ্পাঠানো। কম হোক বেশি হোক, ভালবেসে যখন পাঠিয়েছে তখন খরচ করো প্রাণ খুলে!

    ঘনাদা গোটা সিগারেটের টিনটা শিশিরের হাতেই তুলে দিলেন।

    কিন্তু ওই আপনার হুয়ার্তো–শিবু যা বলতে যাচ্ছিল তা আর বলা হল না।

    বানানে এইচ থাকলেও উচ্চারণটা হুর্তাদো নয়, উর্তাদো! বলে শিবুকে থামিয়ে ঘনাদা টিনটা ভুলেই যেন ফেলে উঠে পড়লেন।

    তারপর ঘর থেকে বেরুতে বেরুতে আর একবার পিছু ফিরে শেষ রাত্রের মারটি ছেড়ে গেলেন।

    ও, উর্তাদো নামটা আবার ব্রেজিলেরও নয় পেরুর। মিউনিখ অলিম্পিকের কুস্তি লড়নেওয়ালাদের তালিকা খুঁজলেই দেখতে পেতে।

    ঘনাদা সামনে থাকলে আমরা অধোবদনই হতাম। তার বদলে পরস্পরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করলাম একটু অপ্রস্তুতের মতো হেসে।

    কিন্তু অপ্রস্তুত বা কেন? অত ফন্দি-ফিকির, অত মুসাবিদা, শিশিরের ওই পঞ্চাশটা টাকা নেহাত ভেস্মে ঘি ঢালা হযেছে কি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানপত্র সত্যজিৎ রায় | Maanpotro Satyajit Ray
    Next Article ঘনাদা সমগ্র ১ – প্রেমেন্দ্র মিত্র

    Related Articles

    প্রেমেন্দ্র মিত্র

    প্রেমের প্রান্তে পরাশর – প্রেমেন্দ্র মিত্র

    October 13, 2025
    প্রেমেন্দ্র মিত্র

    ঘনাদা সমগ্র ১ – প্রেমেন্দ্র মিত্র

    October 13, 2025
    প্রেমেন্দ্র মিত্র

    ঘনাদা সমগ্র ৩ – প্রেমেন্দ্র মিত্র

    September 24, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }