Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঘোরানো সিঁড়ি – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প109 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘোরানো সিঁড়ি – ৪

    চার – আমি, দাদা, বউদি

    এ কাহিনী লিখে চলা যেত, যদি লেখক হতেন গণেশ। আমি তো কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস। কালো, পেশল, লোমশ, লম্বা, ব্যাসই বটি।

    কিন্তু নেউগীদের বাসগৃহ বানিয়ে অমরত্ন লাভের মহাভারত তো সংক্ষেপে করে আনতে হয়। অন্ত্যপর্ব লিখব আমি, আমাকে দিয়ে।

    ভাঙা বাড়ির জিনিসপত্র কেনার কাজ স্বাধীনভাবে করতে পারি, এজন্য ডাটসাহেব, আমাকে দশ হাজার টাকাও হাওলাত দিতে রাজি ছিলেন।

    আমি বললাম, না। আপনিই আমার মাল কিনবেন যখন, সেই সময়ে যা মার্জিন থাকবে, আমি তাতেই সন্তুষ্ট থাকব।

    —তোমার উচ্চাশা নেই?

    —সময় নেই।

    —সে কী হে, তুমি তো ছোকরা! আমার অরূপ কেন, অমিতের চেয়েও ছোট।

    —ওরা আপনার কোম্পানি দেখবে, আমি কার জন্যে কী করব?

    —বিয়ে তো করলে না।

    —শেয়ালদার হোটেল খুব ভাল।

    —দাদার ছেলে মেয়ে আছে তো।

    —তারা তো দাদার। এখনও ছোট। আর ওদেরকে দাদা সরকারি কাজেই ঢোকাতে চাইবেন।

    —যাক! তোমার এ কাজটা চালিয়ে যাও। একদিন মানুষ এসব খুঁজবে হে!

    —কোথায়! এখন বেশি জায়গা, বড় বাড়ির যুগ তো নেই। যত ঘুরি, বিগত শতকের জীর্ণবাড়িই দেখি। খারাপ লাগে।

    মূলধন নিই প্রতাপদাদার কাছে হাওলাত। কিনতাম, বেচতাম, মার্জিন বউদিকে দিতাম। মাসে দু’একবার না গেলে দাদা দুঃখ পেত, চিন্তা করত।

    ততদিনে স্বাধীন আর সুভাষও জন্মেছে। স্বাধীনতার পরে জন্মালে ছেলেদের নাম স্বাধীন আর সুভাষ রাখা খুব চল হয়েছিল। দাদা ও বউদি তার ব্যতিক্রম নয়।

    ওদের আরেকটি সদভ্যাসের প্রশংসা করি। ডাকনামের ব্যাপার রাখেনি। যার যা নাম, তাকে সেই নামেই ডাকত।

    একবার বলেওছিলাম সে কথা। বউদি ঈষৎ হেসে বলল, অদের মা চিরকালই মিরনাল। আদর দিবার মানুষও ছিল না, মায়ের সময়ও আছিল না। নাই কাজ তো বাড়ির ডাল বাট,—নয় মশলাপাতি রোদে দে,—নয় ঠাকুরের বাসন মাজ। কমে চলে তো বাড়াই ক্যান? এক নামই থাক।

    এক নাম, যতির জুতো জামা স্বাধীন পরে। বড় জোর তিন বা চারটে জামা ঊর্ধ্বাঙ্গে, অধোবাসও তাই। শীতবস্ত্র? কিছুদিনেই বউদি বুনতে শিখেছিলেন। আমি উল কাঁটা এনে দিতাম।

    পরপর চারটি সন্তানের জননী হয়ে বউদির শরীর ভেঙেই যাবার কথা। দাদা কাজের লোক অন্তত দু’জন রাখতেন, ছেলে মেয়ের জন্য কোনও প্রৌঢ়াকে। গিরিবালা অনেক কাল ছিল।

    দাদা তখন এই শহরে বদলি হয়েছে, বউদিরা তখনো পশ্চিম দিনাজপুরে।

    এমন সময়েই দাদা ঠাণ্ডা লেগে, বুকে কাসি বসে অসুস্থ হ’ল। আমি দৌড়ে এলাম। খুবই আশ্চর্য, এতখানি বয়সে দাদাকে হাঁপানিতে ধরল।

    খুব, খুব কষ্ট পেল দাদা। বউদি এলেন ছেলে মেয়ে নিয়ে। দাদা দু’মাস ছুটিও নিল। এই বাসা বাড়ি কিন্তু খারাপ ছিল না। দাদার আগেও মহকুমা—জরিপ বিভাগের অফিসাররা ও বাড়িতেই থেকে গেছেন।

    বেশ বাড়ি, তিনখানা ঘর। বারান্দায় বসলে খেলার মাঠে উৎসাহী ছেলেদের বল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায়। দাদা তাই দেখত।

    .

    একদিন বলল, সইতা! এহানেই সেটেল করি। জল হাওয়া সুট করতেয়াছে। ইস্কুল ভাল, পরিবেশ ভাল, তুই কী ক’স!

    —মহারানি কী ক’ন?

    —আমি তো রাজি।

    বউদি আমাকে বললেন, এই বয়সে হাঁপানি… রোগেই ভয় ধরাইছে। আপনেও বলেন, বয়েস থাকতে বাড়ি করো, বসবাস কইরা লও। এ কথা তো সত্য, যে যতিনাথ জলপানি পাইছে যেমুন, অরে হস্টেলে দিয়া খরচও বাড়ছে কিছু।

    —সে টিউশানি করে কেন?

    —ক্যান করবে না? আপনে কলকাতায় যোগাযোগ রাখেন। কিন্তু একটা টিউশানি করলে ওর ক্ষতি হইত না। অরা কষ্ট কইরা পরুক ঠাকুরপো! অদের বাপ কাকায় কম কষ্ট করে নাই।

    —আর মা!

    —মা’র তো কষ্টে অবভাস আছিলই। কষ্ট কমছে তো বিয়ার পর। ছাড়েন মায়ের কথা! দেখেন, আপনের দাদা কই, আপনের নাখাল নয়, আমার নাখালও নয়। সংসারে তপ্ত খোলায় ভাইজা ভাইজা অর কিছু রাখে নাই। আপনের পাইছে থ’নে সহজে ডরায়, দ্যাহও সবল নয়। মন লইছে বাড়ি করুক।

    —আপনে যা করেন!

    আগেই বলেছি এ শহরের একটা বনেদিয়ানা ছিল। মহকুমা সদর যেমন, সম্পন্ন জমিদারের দানে ধ্যানেই পথ, স্কুল, বাঁধানো ঘাট ও পুকুর, খেলার মাঠ, শরীর চর্চার ক্লাব, ফুটবল শেখার সুবিধা, এসব ছিল। এ শহরই রাজ্যকে কয়েকটি ভাল খেলোয়াড় উপহার দিয়েছিল।

    বউদি গভীর উদ্বেগে বললেন, আমি যা কমু তাই হইব? ক্যান, আপনে কি আলদা মানুষ? দেহেন, জমি কিনতে আপইত্য কি! অহনেও সুবিধায় পাইবেন। বাড়িও কম খরচ হইব। মাধবীরেও বাইরে পাঠাইতে হইব।

    —তারেও?

    —নিচ্ছয়। সুযোগ পাইলে হেও উপরে উঠব। কুমুদবাবুর মাইয়া শান্তা ডাক্তারি পরে না? মালদা’র উকিল যোগেশবাবু তো পয়সার সাগর! তিনি মাইয়ারে ল’পড়াইতেছেন না? অহন দিনকাল অন্য রকম। আমার পোলা মাইয়ারে কষ্ট কইরাই দাঁড়াইতে হইব। মাধবীরে দেখেন না? মাইয়া য্যান ঘোড়া! এই গাছে উঠে, এই সাতার কাটে।

    —ঘরের কামও করেন।

    —না কইরা যাইত কোথায়?

    —আপনে দারোগা হইতে পারতেন!

    —থো’ন ফালাইয়া ছিরা কথা! ল্যাখাপড়ি তো আপনের মায়ের কাছে। পরে আপনের দাদাও খুব বই পরাইছে। বিয়ার পাঁচ বছর বাদে যতি হয়। পাঁচ বছর বই ধইরা পাকসাক করছি।

    —বেশ! আপনে আর দাদায় কইলে…

    —আপনাগো পঁয়তাল্লিশ বৎসর বয়স! আমি আধবুড়া। বাড়ি কি হইত বুড়া বয়সে? আর এ বয়সে হাঁপানি ধরল, তাতেই….

    এভাবেই জমি কেনা হয়, পাঁচিল দিয়ে গাছ বসানো হয়। আর ভয়ংকর জেদাজেদি করে বউদি একটা কাজ করে বসেন, যে জন্য দাদার সঙ্গেও তাঁর প্রথম ও শেষ তর্ক বাধে।

    মুহুরি রামরতনবাবু বউদিকে ”মা” বলতেন এবং সত্যিই স্নেহ করতেন। বলতেন, মা আমার সর্ব সুলক্ষণা। যিনি গাছ বসাইলে সে গাছে ফল ধরে, তিনির লক্ষণ খুবই ভাল।

    জমিদারি সেরেস্তায় মুহুরি ছিলেন, জমিজমার ব্যাপার ভাল বুঝতেন। আরেক জায়গায় ছয় কাঠা ভাল জমির কথা তিনিই বউদিকে বলেন।

    —”সম্পত্তি একটা মা! কিছু না করেন, তো পরে বেচলে দাম পাবেন।”

    দাদা বলল, আমার সম্পত্তি বাড়াইবার দরকার নাই রামরতনবাবু।

    —নয় বেইচা দিবেন।

    —থাক না।

    বউদি বললেন, চলেন, আমারে একদিন দেখাইয়া আনেন।

    কী দেখেছিলেন বউদি? জমি মানে তখন চোর কাঁটা ও শিয়ালকাঁটায় আচ্ছাদিত এক ভূখণ্ড। জমি মানে বড় বড় শ্বেতআকন্দের গাছ। একমাত্র ইতিবাচক যা, পশ্চিমে রাস্তা আছে।

    বউদি ফিরে এসে বললেন, ওই জমির দাম এ জমি হইতে অনেক কম। আমি কই, ছয় কাঠা নিমু কইয়া আসছি।

    আমি বললাম, কী হইব বউদি?

    —পাঁচিল দিমু কইলাম।

    —গোসাঘর বানাইবেন?

    —অত সওয়ালের জবাব দিতে পারি না। মাধবী তো গিছিল, অরে শুধান।

    মাধবী বলল, ভালই তো।

    দাদা বলল, কিন্তু ক্যান মিরনাল?

    বউদি বললেন, জীবনে পরথম কিছু চাইত্যাছি, তোমরা যে উকিলের সওয়াল শুরু করলা? যদি একখানা গয়না চাইতাম, দিতা না?

    দাদা বলল, দিতাম।

    —তয় এ জমি কিনবা।

    তারপরের বিস্ময়, জমি আমার নামে রেজেস্ট্রি হওয়া।

    দাদা বলল, ক্যান, এ বাড়ি সইতারও নয়?

    মাধবী বলল, কাকা। কলকাতায় একটা বাড়ি করো। বেশ আমরা থাকব, পড়তে যাব।

    —চুপ যা মাধবী। তরে শুধাইছে কে?

    আমি বললাম, আমারে তো কইবেন?

    বউদি বললেন, আপনের দাদারে কই? যেদিন জেল থিকা বারাইছে, সেদিন থ’নে যা পারে, যহন পারে, আমারে দেয়। ওই টুক তার নিজস্ব থাক।

    —আমার পোলারা কি…

    —কেউ কারে ফালায় না গো! আবার ভবিষ্যৎও দেখা যায় না। ধরো, যদি বুড়া বয়সে ঠাকুরপো বিয়াই করেন?

    —ভালই বলছেন বউদি। কোনো বুড়ি দেইখা রাখছেন না কি?

    —ওইটুক তার নামে থাউক। ঠাকুরপো কিছু নাই করেন, নয় আমি গোসাঘর বানামু।

    পরাস্ত করে ছাড়ালেন বউদি। কত সামান্য টাকায় সেদিন জমি কিনি, কী বলব!

    দাদার স্বপ্নের বাড়ির খানিকটা হতে না হতে ওই ঘোরানো সিঁড়িটা নিয়ে আসি। বলি, বাড়ির এও একজন সদস্য। ইয়ার থাকার প্রভিশান কইরা বাড়ি বানাইতে হইব।

    বউদি বললেন, ঘুরাইন্যা সিঁড়ি!

    দাদা বলল, ভিত দোতলায়। কুনোদিন দোতলা উঠাইতে কি পারুম না? তখন এই সিঁড়ি বাগানের দিক বসামু। সিধা ছাতে উঠব গিয়া। কী মজবুত, দেখ মিরন্যাল। একশৎ বৎসর টিকব। টাউনে কারও বাড়িতে নাই। সকলে কইবে, দেখছ নি ঘুরাইন্যা সিঁড়ি? কোথা আছে? না নেউগী বাড়ীতে।

    .

    দাদার চোখের অসম্ভব স্বপ্ন বউদিকে নির্বাক করে দিয়েছিল, আমাকেও।

    স্বাধীন আর সুভাষ ইস্কুলে সকলের কাছে গল্প করেছিল। ফলে কয়েকদিন ধরে ওদের সহপাঠীরা সে সিঁড়ি দেখতে আসত।

    মাধবী আমাকে বলেছিল, কাকা! ”নিশির ডাক” ছবিতে এ রকম সিঁড়ি আছে। কিন্তু বাবা তো সিনেমা দেখেন না?

    —না, হলে গেলে ঘুমাইয়া পরে।

    —তোমাদের দেশের বাড়িতে এ রকম সিঁড়ি ছিল বুঝি?

    —না রে মা! তর বাপে অনেক কষ্ট করছে। আমার লগে ঘুরতে ঘুরতেই এ সিঁড়ি দেখছিল। যেমুন দেখল, মনে ধইরা গেল।

    —মা’দের বাড়িতে ছিল?

    —না। নদীর ধারে গ্রাম, সেখানে পাকা বাড়িও অন্য রকম হইত।

    —ও বাবা! পাঁচটা বাজে!

    —যা, চা বসা। নয় তো মায়ে দিব!

    .

    ইট, কংক্রিট, লোহার শিক, সিমেণ্ট, বালি, চুন ও অবাস্তবতা নিয়ে তৈরি হয় বাড়িটা।

    গেট দিয়ে ঢুকলে, পাঁচিলের গায়ে গেট। যথেষ্ট উঁচু পাঁচিল, সাদা রং করা। গেটের মাথায় অর্ধচন্দ্রাকৃতি লোহার ফ্রেম। তাতে মাধবীলতা।

    গেট, ওই ফ্রেম, দরজা, জানলা, মুখ ধোবার বেসিন, সবই আমি ডাট সাহেবের গুদাম থেকে শস্তা দরে আনি।

    ডাট সাহেব কি হাসা হেসেছিলেন। দেখ, সতীনাথের পাগলামি দেখ! ও এসব কেনে, আমি কিনি ওর কাছে। আবার আমার কাছ থেকেই …. সতীনাথ! গিফট নিন একটা। দারুণ একটা আলমারি কিনেছি। এটা নিন অন্তত।

    —ওটা নয়। গিফট দেবেন তো ছোট্ট রাইটিং টেবিলটা দিন।

    —আপনি এক আশ্চর্য মানুষ বটে! সতেরো বছর ধরে সম্পর্ক, কোনও দিন বিগ প্রফিটে গেলেন না। স্বচ্ছন্দে কলকাতাতেই বাড়ি করতে পারতেন!

    —দাদা বউদির ”কলকাতা” নামে অ্যালার্জি।

    —একদিন তো আসতেই হবে!

    —দেখা যাক!

    —কলকাতা প্রপার না হোক, কল্যাণী, বেহালা, যাদবপুর, গড়িয়া, সবুজের সমারোহ।

    —১৯৬৫—৬৬—তে। বিশ বছর বাদে সব কংক্রিট হয়ে যাবে।

    —সে জন্যেই তো পিতৃদেব বালিগঞ্জ সার্কুলারে অত জমির মধ্যে বাড়ি করেছিলেন। তখনকার স্ট্রাকচার।

    ডাট সাহেব দেখে যাননি, সেখানে এক বহুতল বাড়ি এখন। অরূপ এবং অমিতের দুটো করে ফ্ল্যাট ছিল। আছে কি না জানি না। ডাট অ্যানড ডাট অ্যানড ডাটের মালিকানা এক অনাবাসী বাঙালির, যে নাকি আরেক ‘ভারতে বাস করেও অনাবাসী” মানুষের শিখণ্ডী। এমনই সব শুনি ও কাগজে ”তদন্তমূলক” রিপোর্টে পড়ি। ডাট সাহেব বলতেন, কয়েক জেনারেশান তো নামটা থাকবে!

    প্রতাপদাদাদের বাড়ি তিন শরিকে ভাগ হয়ে গেছে। ওঁর ভাইপোর ছেলে এখন কংগ্রেস নেতা। তার নাম লোকে বেশি জানে। আমি তো কলকাতার কাছে বহুদিন মৃত। গেলেও পালিয়ে আসতাম, এখন আর যাই না।

    আমাদের এ বাড়িতে যথেষ্ট বড় ও উঁচু কয়েকটি ঘর। বিশ ইঞ্চি গাঁথনির দেয়াল, সুভাষ বলে, জায়গার অপচয়।

    গেট দিয়ে উঠে একটি ঢাকা বারান্দা, তারপর লম্বাটে হলঘর। তার দু’দিকে দুটি করে চারটি শোবার ঘর। তারপর একটি ”আমার ঘর” সংযুক্ত হয়, অ্যাপেনডিকসের মতো।

    দোতলা অবধি সিঁড়ি আছে, যা ছাতেই শেষ। দাদার স্বপ্নের দোতলা অবশ্যই ওঠেনি।

    .

    গৃহপ্রবেশের দিনটা মনে থাকবে। পূজা হ’ল, লোকজন খেল। পঁয়ত্রিশ হাজার সাতশো ঊনষাট টাকাতেই এ বাড়ি হয়েছিল। আজ এ টাউনে এ খরচে এমন বাড়ি তৈরি এক স্বপ্ন কথাই বটে।

    ১৯৬৫ সালে জমি খরিদ।

    ১৯৭০ সালে বাড়ি তৈরি শেষ হয়।

    একখানা ঘর, পাকশালা, বাথরুম, জল ব্যবস্থা হলেই উঠে আসা যেত। কিন্তু দাদার হাঁপানি আরেকবারও হয়। বউদির ভয় হল, চুন, সিমেন্ট, বালির দৌরাত্ম্যে দাদার আবার হাঁপানি হতে পারে।

    যতিনাথ ১৯৬৫ সালে, মাধবী ১৯৬৮ সালে কলকাতা চলে যায় পড়তে। বাড়িতে স্বাধীন, সুভাষ ও বউদি।

    এটা বলতে হবে, যে বউদির ছেলেমেয়েদের পড়াশোনায় এত ভাল হবার কোনও ব্যাখ্যা পাই না। বিপুলা এ পৃথিবীর যতটুকু জানি,—(অনেকদিন যাবৎ ”ভ্রমণ” পত্রিকা কিনি এবং এখন ভারতে মানসভ্রমণ করি),—নেউগী বংশ বিষয়ে তার চেয়েও কম জানি।

    কেউ কি মেধা উজ্জ্বল, বিদ্যা ও জ্ঞানপিপাসু ছিলেন? প্রমাণ পাই না। বাবা আই. এ. ফেল, দাদা গ্র্যাজুয়েট। আমি ”সেলফ—টট” ব্যক্তি। সে সময়ে জেলে না গেলে, অনেক ভাল লোকের সাহচর্য না পেলে, অনেক বই না পড়লে, অগামুর্খই থাকতাম।

    মায়ের দিক থেকে পেয়েছিল মেধা?

    প্রমাণ অযোগ্য। বউদির মা অল্প বয়সে মেয়ে নিয়ে বিধবা। বউদি সে বাড়িতে এক আশ্রিতার মেয়ে মাত্র। পাঠশালে গিয়েছিল, লিখতে পড়তে শিখেছিল, আমার মায়ের কাছে পড়তে আসত। পড়ার পিপাসা তার ছিল। মা এবং দাদা ওর পাঠোৎসাহকে লালন করেন।

    তার পাঠের নেশা খুবই ছিল। তা মেধার পরীক্ষা তো হয়নি। পড়াশোনার সুযোগ পেলে তবে না বলা যেত।

    ছেলেমেয়েদের ”পড়াশোনা করেই দাঁড়াতে হবে”, একথা দাদাও বলত, বউদিও বলতেন। দাদা বলতেন, পড়াশুনা করলে সার্ভিস করতে পারবি। সরকারি সার্ভিস মানে সিকিউরিটি।

    বউদি বলতেন, দেখ! মাথা যখন আছে, স্কুলেও তাই কয়, তখন ল্যাখাপড়ায় আগাইয়া পথ কইরা নাও। বাবা আর কাকা জমিদার নয়, ব্যবসায়ীও নয়। কাকা ঠিকাদারি করে বটে, কিন্তু সে পয়সা নয়। এটাও মনে রাখবা, তোমাগো’ কই, সৎ বংশ,—আর তোমাদের কাকা স্বাধীনতা সংগ্রাম করছে।

    ওরা মনে করত, যত বাধাবন্ধ সব মফঃস্বলে। যত সুযোগ সব কলকাতায়।

    যতিনাথটা হাবা, ও বলেই ফেলেছিল, মফঃস্বলে হাঁপ ধরে যায়, তোমরা বুঝবে না।

    বউদি বলতেন, এমুন খোলা বাতাসে হাপ ধরে? আমার তো ধরে না।

    আমি আড়ালে বলতাম, নটাকোলের পর জেলায় জেলায় পোস্টিং, তোদের বাবা—মা কলকাতায় থাকেও নাই, সেজন্য দুঃখও নাই। অহন তো তোদের বাবা এমন জায়গাতেই ভাল থাকব।

    তা, ওরা এতই ভাল ফল করত, যে শিক্ষক শিক্ষিকারা ওদের বিষয়ে বিশেষ যত্ন নিতেন। যে ছাত্র বা ছাত্রী ভাল রেজাল্ট করে স্কুলের, তথা মহকুমার, তথা জেলার মুখ উজ্জ্বল করবে, তার বিষয়ে যত্ন নিতেন।

    এটাও অবাক লেগেছে, রাজনীতি ওদের কত কম আকর্ষণ করেছে। হয়তো প্রত্যেক প্রজন্মেই এমন তরুণরা থাকে,—লেখাপড়া কেরিয়ার করা, দূরে চলে যাওয়ার বাইরে ভাবতে পারে না কিছু। ভাবতে চায়ও না।

    সে সময়ে এমনটা স্বপরিবারে দেখা কিছু নৈরাশ্যজনক। যতিনাথের সতীর্থ কিশোর কলেজে পা রেখেই প্রথমে আদি কম্যুনিস্ট পার্টি, পরে মার্কসবাদী কম্যুনিস্ট পার্টি দ্বারা আকৃষ্ট হয়।

    যতিনাথ রাত জেগে কী করে তা জানতে দাদা বড় উদ্বিগ্ন হত।

    বউদি বলতেন, অর কারণে পুলিশ আইব না কোনও দিন। হেয় পরার বই পরে।

    ওঁদের কোনও সন্তানের জন্যই পুলিশ এল না কোনও দিন। ওরা আগে আগে ওদের পিতামহীর বাবার রাজনীতিক ব্যাপারটা শুনেছে। আমার কথা তো জানেই।

    কোনদিন আগ্রহ দেখিনি জানতে। আমি স্বাধীনতা সংগ্রামীর পেনশান নিলাম, কোনও আগ্রহ নেই ওদের। শুধু নিজের বাইরে সব জ্ঞাতব্য বিষয়ে এমন অনাগ্রহী কেন করে হ’ল ওরা?

    ইতিহাসে কোনও ”হঠাৎ” নেই। ”ধারাবাহিকতা” আছে। একদম আত্মকেন্দ্রিক ও কেরিয়ার—অর্থ—সাফল্য মনস্ক যে তরুণ প্রজন্ম দেখে আমরা ব্যাখ্যা খুঁজছি,—তাদের ঠিক আগের প্রজন্মে তো আমি আদিনাথ ও মৃণালের মতো দুটি অতিসাধারণ, অতি অনন্য মানুষের সন্তানদেরই দেখেছি।

    এখন মনে হ’ল, নেউগীদের ধারাবাহিকতা ওরা রক্ষা করছে না তো? হয়তো বা নেউগীরা অতীব মডার্ন ছিলেন সবাই। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তো দেখছি, গুষ্টিবর্গের তোয়াক্কা না করে একেক প্রজন্মে একেকজন বামুনপাড়া ছেড়ে দুর্গাবাড়ি, দুর্গাবাড়ি ছেড়ে নটাকোল চলে যাচ্ছেন। কাদের ফেলে এলেন, তা নিয়ে একদম ভাবিত নন?

    নেউগীরা সবাই ”দূরাকাঙ্ক্ষের বৃথা ভ্রমণ” কেন করতেন?

    যাক, ”ক” বলতে ”কামস্কাটকা” গিয়ে লাভ নেই। মোট কথা, গৃহপ্রবেশ কালে, যতিনাথ ও মাধবী কলকাতায়। বাড়িতে সুভাষ ও স্বাধীন। ওরা এসেছিল। দ্বিপ্রাহরিক ভোজে নটাকোলা স্মরণে রান্না হয়েছিল—

    ১. সুকতনি

    ২. তিতার ডাল (কাঁচা মুগের ডাল ও উচ্ছে)

    ৩. বিউলি ডাল (ভাজা বিউলি)

    ৪. পাট ভাজা (পাকা কুমড়া পোরে ভাজা)

    ৫. চাপড় ঘণ্ট (পাঁচ তরকারি কুচিয়ে মটর ডালের ভাজা চাপড়া, আদাবাটা, ঘি ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে। থোড় আবশ্যিক)

    ৬. কালো জিরা, কাঁচালঙ্কা দিয়ে পাবদা মাছের পাতলা ঝোল (গীতানাথের প্রিয়)

    ৭. বড় বড় কই মাছের জিরা—কই (শশিপ্রভার প্রিয়)

    ৮. রুইমাছের নিরামিষ (পিঁয়াজ বর্জিত) কালিয়া

    ৯. টকের ডাল (মটর ডাল ও আমসি)

    ১০. তেঁতুলের টক (পাকা তেঁতুল ও আখী গুড়ের ঘন সুমিষ্ট গোলাতে কাগজী লেবুর সুগন্ধি পাতা কচলে দেয়া। এটি কাঁচা টক এবং মৃণালের প্রিয়)।

    ১১. পায়েস (সতীনাথ এক জামবাটি খেতে পারে)

    ১২. কাঁচা গোল্লা (নাটোর থেকে আগত এক একদা উদ্বাস্তু ময়রার তৈরি)

    ১৩. কোমল পিঠা (ক্ষীরের লুচি রসে ফেলা। বড় এলাচের গুঁড়া আবশ্যিক)

    না, তেরো ব্যঞ্জনে ভোজ হয়নি। ভাত, ঘি, লবণ, সবই ধরতে হবে।

    রান্নার জন্য গদাই সান্ন্যালের জননীকে আনা হয় সাইকেল রিকশা সহযোগে। তাঁর তত্ত্বাবধানে পাচকরা ও বউদির প্রতিবেশিনীরা রান্না করেন। নটাকোলের নিয়মে তাঁকে নতুন কাপড় প্রণামী দিয়ে সাইকেল রিকশায় তুলে দেয়া হয়। নটাকোল হলে পালকিতে বা গরুর গাড়িতে বা নৌকায় আনতে হত। গদাই সান্ন্যালের মা বউদিকে আশীর্বাদ করে বলেছিলেন, এতটি সামগগিরি দিছ, তাতেই বেন্ননে স্বাদ হইছে মা!

    স্বাধীন, সুভাষ, যতিনাথ এবং যতিনাথের কলকাতার বন্ধু সবুজ দক্ষ হাতে পরিবেশন করেছিল। পরে সুভাষ বাজি ফেলে এক কড়াই পায়েসের অর্ধেকটা খায়।

    কেমন করে জানব, সুভাষ কিছু কাল বাদে সকল ভাইবোনের রেজাল্ট নিষ্প্রভ করে এক ”নক্ষত্র ছাত্র” হবে (বাংলা কাগজের রিপোর্ট, জেলার সাপ্তাহিক সংবাদপত্র),—এবং নিজের রেজাল্টকে হারিয়ে বারবার আরও ভাল করবে?

    স্বাধীন চলে যাবার পর, দাদার আবারও হাঁপানি হ’ল।

    দাদা চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়। আমি বললাম, দ্যাহ আগে, না সার্ভিস আগে?

    বউদি বললেন, আর নয়।

    —তাই হয়? পোলারা দারায় নাই?

    আমি বললাম, আমি কইতাছি, হয়।

    সে সময় চার বছর আমি খুব মন দিয়ে কেনা বেচা করি। ডাট সাহেব আমাকে অরূপের নতুন নেশার কাজে লাগান।

    ভিনটেজ গাড়ি খোঁজ করে করে আনা, কেনা এবং গাড়ি প্রতি কমিশন।

    ডাট সাহেবের অধীনে ও নির্দেশনায় সরকারি আবাসন তৈরি। এ কাজটি উনি মাঝ পথে ছেড়ে দেন। আমিও চলে আসি।

    দুর্গাপুরে কারখানার কোয়ার্টার তৈরি।

    চার বছরের পর পারিনি। বউদি লিখলেন, ”আপনাদের তো জেল খাটা—পেনশানও হইল। এবার ঘরের ছেলে ঘরে আসেন। একবার আপনার দাদারে কলকাতায় দেখাইলে ভাল হয়।”

    দাদা ও বউদিকে কলকাতায় আমার পুরাতন হোটেলের শ্রেষ্ঠ কামরায় রাখি। ডাক্তার দেখাই। ডাক্তার মিত্রর নার্সিং হোমে রাখি, ইনি কমন সেনস ও বাস্তবতা সচেতন এবং বড় ডাক্তার। ইনি বললেন, যেমন খোলামেলা জায়গায় বাড়ি করেছেন, সেখানেই থাকুন। প্রেসক্রিপশান দিচ্ছি। সকালে মাঠে সামান্য হাঁটবেন। কোনও তামাকের নেশা তো নেই?

    —নাঃ। ভাতের পরে লবঙ্গ মৌরি।

    —ঠিকই আছে। বারো মাস ঈষদুষ্ণ জল খাবেন।

    বউদি ডাক্তারকে একান্তে বললেন, কোনও আশঙ্কা তো নেই?

    —হাঁপানি….. বেশি বয়সে…… খুব যন্ত্রণাদায়ক। ওখানে অক্সিজেন ব্যবস্থা রাখা সম্ভব? মানে খুব টান উঠলে?

    —না। উপায় নাই।

    —নিয়েই যান। ওখানে ভালই থাকবেন।

    দাদাও বলল, ধোঁয়া আর ধুলা আর মটর বাসের গ্যাস। আমারে লসয়া চল সইতা।

    দাদাদের নিয়ে পৌঁছে দেয় যতিনাথ আর মাধবী। আমি কয়েক দিনেই আমার কলকাতার পাট চুকিয়ে ফিরে যাই।

    জেনসন ও নিকলসনের লাল রং কিনে নিয়ে যাই। ঘোরানো সিঁড়িটি রং করাতে দাদা খুব আনন্দ পায়। শিশুর মতো।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছিন্ন পাতার ভেলা – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article কেয়ারটেকার – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }