Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঘোরানো সিঁড়ি – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প109 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘোরানো সিঁড়ি – ৬

    ছয় – আমি

    আমি আর বউদি, সে পাঁচ বছরই হবে, দুজনে রইলাম।

    বউদিকে সান্ত্বনা দেবার জন্য একটা কথাও বলা যেত না। ঠোঁট টিপে হেসে উনি যেতেন। শোকটা, শূন্যতাটা এতই ওঁর নিজস্ব, তাকে যেন সযত্নে রক্ষা করে চলতেন।

    দাদা গেল ষাট বছরে।

    বউদির তখন পঞ্চান্নই হবে। পঞ্চান্ন বছরের বিধবা স্ত্রীলোককে আন্তরিক সৎপ্রস্তাব দ্বারা আক্রমণ করে চলাও সমাজের নিয়ম।

    বউদি আবার খাওয়া দাওয়া, ওঠা বসা, জীবনচর‍্যা, সব কিছুতে খুব স্বতন্ত্র ও প্রাইভেট পারসন। এটাকে দাদা মর‍্যাদা দিত আজীবন। তাই প্রতিবেশিনীরা খুব নিরুৎসাহিত হন।

    —চলেন যতির মা, আমাগো বারি কীর্তন হইব। প্রতি বছরই হয়, যাইতেন না। এখনে চলেন। মন শান্তি পাইব।

    —না দিদি। ঘর ছাইরা ভালো লাগেনা।

    —ব্রজবাবুর মা অনন্ত চতুর্দশী ব্রত উদযাপন করবেন, ডাকতে এলাম।

    —শরীলে দেয় না দিদি।

    —কেদারবদ্রীর প্রসাদ যতির মা!

    বউদি কপালে ঠেকিয়ে রেখে দিলেন। একদিন কাতর হয়ে বললেন, কুনো দিন পারা বেড়াই নাই, ইচ্ছাও হয় নাই। অহনে ওনাদের লগে কী কথা কমু বলেন?

    —বলবেন না। যেমন মনে লয়, তেমন চলবেন। আপনেরে টোকাবো কে?

    —শুধা ছাওয়ালরা আসে না কি, টাকা পাঠায় না কি, মাইয়া কবে আইব…

    —শুনবেন না।

    —আপনে তো জীবন ছইকা নিছেন। চা খাইলেন, হাটতে গেলেন, বাজার করলেন, ফিরা চা খাইলেন, বাগানের কাজ করলেন,—দুপারে স্নানাহার সারলেন, কাগজখান খুটাইয়া পরলেন,—বিকালে চা খাইয়া হাটতে গেলেন,—লাইব্রেরি গেলেন, আইসা ন্যালারে যুক্তাক্ষর শিখাইতে খানিক যুদ্ধ করলেন,—রেডিও শুনলেন,—খাইয়া দাইয়া বই লইয়া শুইলেন।

    —রুটিন মাইপা চলি বউদি! কইতে পারেন, আপনেরে সময় দেই না। কিন্তু সময় তো আপনের কাইটা যায়।

    —হ ঠাকুরপো! কুনঅ অভাব বোধ করি না। সারাদিনই ত হে আমার মনের মধ্যে থাকে। কই, দেখ! ফুল সাজাইলাম…অহনে ঘর গোছাইতেছি…কই, তুমি দুঃখ করতা, মিরনাল বই পরতে সময় পায় না! দেহ, আমি মন দিয়া কত বই পরি অহনে। যতিনাথ আমারে বিভূতি বাঁড়ুজ্জার রচনাবলী আইনা দিছে।

    ঠাকুরপো হেমচন্দ্র—নবীনচন্দ্র—মাইকেল—রমেশ দত্ত—গ্রন্থাবলী কিনতেছেই। ”সঞ্চয়িতা” খানও পরি। পইরা পইরা ন্যালারে গল্প শুনাই। কাপর ছারলে বলি, সেই কালা চিকন পার পরাইয়া ছারলা! অর লগে কথা কইয়াই সময় কাটে।

    বউদি নির্মল হাসলেন। ছিপছিপে শরীর,—সাদা সিঁথি ও নিরাভরণ দেহ,—ধপধপে সাদা শাড়ি, সাদা জামা,—গুচ্ছ গুচ্ছ চুলে ঘেরা মুখ, ছোটোবেলার মৃণাল নয়, বিবাহিতা বউদি নয়। এ আরেক রকম শুচিতাময় কুমারী সৌন্দর্য। শুধু রং যেন ফর্সা লাগে।

    —ফর্সা হইতাছেন, না এনিমিয়া ধরল?

    —হা রে পুরুষের বুদ্ধি। জীবনে প্রথম সংসার নাই, রোগীর সেবা নাই। রাইত জাগা নাই, সময়ে খাই, সময়ে ঘুমাই,—রং তো ফর্সাই আছিল এককালে, আছিল না? শ্বাশুড়ি কইতেন, আমার সোনার প্রতিমা জ্বইলা গেল।

    —মায়ে বলত?

    —খুব বলত। আপনের দুর্ভাগ্য, অমন মা—বাপেরে স্যাবা করতে পারলেন না। মায়েই ত কইত, পরবা। পইরা পইরা শিখে মানুষ।

    —আপনে যা পরতেছেন, বাংলার মাস্টারেও পরে না এখন।

    —আপনের দাদায় বলত, পরো, ভিত পাকা হইব। আর ভিত পাকা! পরি, ভালো লাগে, মনটা ভইরা থাকে।

    বউদি যাদুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের ”বিপ্লবী জীবনের স্মৃতি” ভূপেন্দ্রকিশোর রক্ষিত রায়ের ”ভারতে সশস্ত্র বিপ্লব” আর উপেন্দ্রচন্দ্র ভট্টাচার্যের (শ্রী অরবিন্দের সহযোগী বিপ্লবী অবিনাশচন্দ্র ভট্টাচার্যের ভাই) ”আমার এলোমেলো জীবনের কয়েকটি অধ্যায়” বারবার পড়ত। বলত, দেখেন। উপেন ভটচাজ আপনের মাতামহের কথা লেখছেন।

    আর পড়ত ”ভ্রমণ’। বলত, যাইতে তো পারি না সর্বত্র, মনে মনে ঘুইরা লই। ইশ! আপনে তো পাশ পান, যান না?

    —আপনে যাইতেন?

    —না ঠাকুরপো! এই বারি অহনে আমার হিমালয় হইতে কন্যাকুমারিকা। ছাইরা গেলে তার কাছে পাতকী হইতাম! হে যা যা দেখে নাই…

    —দাদা কিন্তু আমার সঙ্গে একটু বেড়ালেই খুশি হত।

    —হইব না? তারে নিত কে?

    —যাক, আমার সৌভাগ্য যে দাদাকে কিছু কাছে পেলাম!

    —একদিন কইছিলাম…আপনে দুঃখ দিবেন…দুঃখ পাইবেন…দেখলেন তো, সত্য হইল?

    —আপনেও তো পাইছেন।

    —হে তো জন্ম থিকাই। ডাকাইতা মাইয়া আছিলাম, মায়ে বলত, এমুন ঘরে দিমু, যে তারা বারিন্দায় বারাইতে দিব না। মায়েরে জিভ দেখাইয়া পলাইতাম।

    —রাতদিন ফল টোকাইতেন!

    —না টোকাইয়া উপায়?

    বলছেন আর হাসছেন বউদি। হাতে ন্যালার জামা, বোতাম বসাচ্ছেন।

    —কী পরিবর্তন মিরনালের! পোলাদের বলছি, বোতাম টাইকা লও, ছিরা ফাটা সিলাও, জুতায় রং দাও, বিছানা পাইতা লও আর আজ…তা ভাদুড়ীবাড়িতে কর্তা কইতেন, সকালে সকল ছোটোদের ক্ষীর, মুড়ি, বাতসা দাও। উনার বোন কইত, তোরা আলাদা বসগা যা! অর্থাৎ, আমাগো গুড় মুড়ি। ভাত খাইব তো মা’র লগে তেতপ্পর বেলায়। তাই জাম, জামরুল, ফলসা, টোপাকুল, কাচা আম, খুব খাইতাম।

    —জানতাম না সব কথা।

    —আগে তো কাঁদি নাই। কানছি বিয়ার পর। ঘুরাফিরা এক্কেরে বন্ধ! তহনে শাশুড়ি মাটির পুতুল। মাটির রান্নাবাটি কিন্যা দিছে, শ্বশুরে রোজ সন্দেশ আইন্যা দিছে। অত যত্নেন না বুনা টিয়া পোষ মানল?

    —আর দাদা?

    —হেয় কী দিব? বাপ—মা আছে না? পাবনা হইতে ”বর্ণপরিচয়” আইনা দিছে,—হাতের ল্যাখা লেখাইছে। রাতে পরাইত। তবে শাসন করে নাই।

    .

    খারাপ খবরটা আমিই এনেছিলাম। আমাদের চক্ষু হাসপাতালের উদ্বোধনে কলকাতা গেলাম। বউদি বলে দিলেন, বিনির তো পরসব হইবার কথা! খবরটা লইবেন।

    খবরটি ভালো ছিল না। সুভাষের তখন একটাই ফ্ল্যাট।

    পাশেরটিও যে ওর। তা জানতাম না।

    নবজাতিকার আগমনে বাড়ি উৎসব মুখর থাকবে। বাড়ি থমথম করছিল। যতিনাথ, সুলতা, স্বাধীন ও তপাকে দেখলাম। দেখলাম না সুভাষকে।

    যতিনাথ আমাকে বলল, সুভাষ খুব দাপাদাপি করে ঘুমোচ্ছে, ঘুমের ইনজেকশানে।

    —কী হইছে, বলবি তো?

    —অগো মাইয়া…মংগোলয়েড বেবি।

    —তার মানে?

    —বিনিকেও ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। বেবিকে দেখছে নার্স।

    —মংগোলয়েড বেবি কী?

    ওরা নিচু গলায় যা বলল, তার সারাংশ যা, এও এক অর্থে গেনি পিসির মেয়ের মতোই ভার ও বোঝা।

    এমন শিশু শান্ত হয়, কাঁদে না বললে হয়। শরীর ও মনের বৃদ্ধি একেবারে রিটার্ডেড। নাক চেপটা, চোখ মঙ্গোলিয়ান, মুখ হাঁ, জিভ বেরিয়ে থাকে। হাত বেঁটে ও চওড়া, আঙুলও তাই। পায়ের পাতায় দেখা যায় বুড়ো আঙুল ও পরের আঙুলের মাঝে ফাঁক।

    তপা নিচু গলায় বলল, মংগোলয়েড বেবিদের জন্মগত হার্টের রোগ থাকে,—লিউক্যেমিয়াও হয়। বেশিদিন বাঁচে না।

    —সুভাষ…খুব বিচলিত?

    —উন্মাদের মতো। সে তো ও বেবি আনতেই চায়নি। বিনি বলেছে, ও আমার সন্তান। আমি নিয়ে যাব।

    সুলতা বিষণ্ণ হেসে বলল, বিনি বলছে, ও আমার গর্ভজাত, আমারই ক্রুশ, আমিই বহন করব।

    —ঈশ! এতো বরো আঘাতটা পাইল অরা!

    যতিনাথ সদুঃখে বলল, মেয়ে হলে রুমা, ছেলে হলে রূপক, কত আলোচনা! জানাব কী! এই জন্যেই জানাইনি। এমন শিশু ক্বচিৎ কদাচ, কোটিতে গোটিক, বেশি দিন বাঁচে।

    সুলতা সদুঃখে মাথা নাড়ল। বলল, দ্বিতীয় সন্তানও মংগোলয়েড হবে, তা বলে না ডাক্তার। কিন্তু বিনি বা সুভাষ…!

    —এই শিশুর নিরন্তর ডাক্তার দেখানো দরকার হবে না যেদিন,—সেদিন বউদির কাছে বিনি ওকে নিয়ে যেতে পারে। আমি চলি আজ! বড়ো ভারাক্রান্ত হয়ে গেল মনটা! সুভাষ আর বিনি যে এমন চোট পাবে, কে ভেবেছিল!

    অতীব আলোকপ্রাপ্তা তপা গভীর দুঃখে বলল, নিশ্চয় ওরা কোনও পাপ করে থাকবে পূর্বজন্মে!

    আমি চোরের মতো বেরিয়ে এলাম। গেনিপিসির ভাগ্য যা, বিনিরও তেমন হবে?

    পরদিন ডাক্তার মুখার্জির মাধ্যমে এক তরুণ শিশু চিকিৎসকের কাছে গেলাম।

    সে বলল, মায়ের বয়সও কম। তারপর…এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা যা পাই…

    কিছুই আমার মাথায় ঢুকল না। বললাম, এই শিশু চুয়াত্তর বছর অবধি বাঁচতে পারে? (গেনি পিসির মেয়ে হাবি তো বেঁচেছিল।)

    ডাক্তার খুব সুপিরিয়র হেসে বললেন, এটা স্পোরেডিক বা ট্রাইসোমিক মংগোলিজম মনে হচ্ছে। হার্ট ঠিক থাকলে, যা খুবই বিরল, যৌবন, বা প্রৌঢ় বয়স অবধি বাঁচতে পারে। নিরানব্বই ভাগ কেসে তাড়াতাড়ি চলে যায়।

    মন বলল, তাই যাক! মন আরও বলল, সুভাষের উপরে ওঠার, বাজি জিতবার দুরন্ত জেদ! বিনি এখন এই মেয়েকে নিয়ে…

    বউদি সব শুনে স্থির হয়ে গেলেন। পাথর পাথর। বললেন, আপনে জাপানে এটম বোমার গল্প করছিলেন। তখন নাকি অনেক শিশু…..বিনিদের কেন এমন হইল?

    —আরও হয় বউদি। আমরা জানতে পারি না। আমাদের ঘরে হইছে বইলা….

    এই একটি ঘটনা নানাভাবে বউদির বাঁচার ইচ্ছা কমিয়ে দেয়, তাতে আমার সন্দেহ নেই। খবরটা পেয়ে থেকে যেন নিভে গেলেন।

    একদিন বললেন, ”কেন” জিগ্যাসা কইরা তো লাভ নাই। আমার নাকাল কতজনা খাইয়া না—খাইয়া, অসুমার খাইটা, অন্য পোলাপানদের ঝক্কি সামলাইয়া সন্তান বিয়াইছে। এমুন তো হয় নাই। শুনছি আপনেগো গেনি পিসির …. আর ….

    —এমন শিশু দীর্ঘজীবী হয় না বউদি।

    —হেই ভাবতেও তো বুক ফাটে। সন্তান মরলে তয় মা বাপে শান্তি পাইব?

    দাদার মৃত্যুর ঠিক পাঁচ বছর বাদে বউদি ১৯৮৫ সালে মারা যান। একদিন বললেন, মন দিয়া পূজাপাট করলে কি শান্তি মিলে ঠাকুরপো? কুনো দিন তো করি নাই….

    —বউদি! করেন নাই, করেন নাই! আজ মনে করেন তো করেন। কয়েন কী করতে চান?

    —ন্যালার মা কয় সত্যনারায়ণরে সিন্নি দেন গো কত্তা মা! দোষ আপাই কাইটা যাইব।

    —ন্যালার নিশ্চয় খুব আগ্রহ?

    —খাওনদাওন, যগ্যিপূজা, হে তো পাইলেই নাচে। আহা। অর মায়ের বা কী কষ্ট!

    —হয়তো মেনে নিয়েছে।

    —মায়ে মাইনা নিতে পারে না কুনো দিন!

    —সুভাষও কম ঘা খায় নাই।

    —জানি! তাতেই ক্ষ্যাপা ক্ষ্যাপ্ত হইয়া কাম বারাইতেছে। বিনি ত’ লেখছে, মা! অরে কই, আমারে ছাইরা তুমি এট্টা বিয়া করো। হে শুনে না। কয়, কারো পাপে এমুন হইলে দুজনে পাপ করছি। তুমি একা অরে লইয়া থাকবা, আর মানুষ আমারে থুথু দিব,—তা হইতে দিমু না।

    ততদিনে বিনি ডাক্তার, স্বপ্নাদ্য ওষুধ, কোনও কিছুই বাকি রাখেনি। এখানে আসত ওর মাদ্রাজী আয়া আর রুমাকে নিয়ে। বউদির কাছে এলে শান্তি পেত। বলত, শান্তি পাই মা!

    —তয় থাকো ক’দিন। এহানে খাও, ঘুমাও। রুমারে লইয়া তো কোনও অশান্তি নাই।

    —হ্যাঁ….. এখানে সব কেমন মাপের মধ্যে…..এখন আমার আর রুমার তো আরেকটা ফ্ল্যাট…..তিনটে শোবার ঘর, চারটে বাথরুম, সব কলকাতার লিডিং ডেকোরেটারের সাজানো। আমি, রুমা আর কনকাম্মা তো একটা ঘরেই থাকি।

    তারপর বলত, বিবাহিত জীবন বলে কিছু নেই। তবু ও আমাকে ছাড়বে না।

    স্থির হয়ে এখানেও থাকতে পারত না, আবার ও চলে যেত।

    বউদির মৃত্যুর দশ বছর পর মাধবীর আসাটা শুধু বউদির জন্য নয়। মাধবীর দিল্লির ফ্ল্যাটটা সুভাষই কিনে দেয় ব্যবস্থা করে। সুভাষই রুমার বিষয়ে সব বিশদ লিখে পাঠিয়েছিল। জানলে মাধবী জানবে, বিনি যদি রুমাকে ওখানে কোথাও ভর্তি করে নিজেও থাকতে পারে।

    .

    সুভাষ এই স—সে—মি—রা অবস্থাটা মেনে নিতেও পারছিল না। বিনি আর রুমাকে অন্য কোথাও বাড়ি কিনে দিয়ে টাকা পয়সা দিয়ে থিতু করে দিতেও পারছিল না।

    যতিনাথ বলত, নিঃসন্তান জীবন মেনে নেয়া যায়, এমন সন্তান নিয়ে…

    স্বাধীন আর তপা ছেলেমেয়েকে ঋষিভ্যালি সে জন্যেই পাঠায়। সুভাষ আর বিনির সামনে ওরা যেন কুণ্ঠা বোধ করত।

    বউদি সত্যনারায়ণ একবার নয়, দু’তিন বার করেন। বলেন, কইরা তো যাই। ফলাফল কী হইত কে জানে।

    রুমার মতো না হলেও ন্যালা যে অসহায়, সেটা ওঁর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ন্যালা, হিসেব করে দেখেছি, বউদির কাছে খুব কাছের মানুষ হয়ে ওঠে। দাদার জন্যে বউদি যেসব সোয়েটার বুনেছিলেন, ন্যালাই সেগুলো পরে।

    এ সময়টা, কয়েক বছর ধরে মাঝে মাঝে বলতেন, চলেন ঠাকুরপো নটাকোলের কথা কই।

    —কুন কথা বউঠান?

    —ন্যালা জানে! ঠাকুর বানাইতে কুমার আসত, কুন গ্রাম থিকা?

    —আদ্যাবাড়ি।

    —দেবীপক্ষে নৌকায় গাদা কইরা শত শত বঙ্গলক্ষ্মী আর মোহিনী মিলের শাড়ি—ধুতি থান আইত। আপনেরা দেখেন নাই। ভাদুরীবাড়ির দালানে ঢালা হইত। উনি তো সগলরে কাপড় দিত।

    —উনি অন্য মাপের মানুষ আছিলেন গো!

    —হ। উনি বলত, পূজায় নটাকোলে কী আমার নাতি, কী বেন্দা জাউলার বেটা, সব এক কাপড়। বিজয়ার দিন ঠাকুর ভাসাইয়া সকলে নূতন কাপড় পরবা।

    —হ বউদি, আমরাও ধুতি পাইছি।

    —বেটা ছেলেদের সবুজ, খয়েরি আর লাল পার ধুতি। বউগো লাল পার, গিন্নি গো লাল আর কালা পার। বিধবা গো থান, আর আমাদের, মাইয়া গো লাল আর সবুজ নকশা পাড়। নকশা তো শঙ্খ পদ্দ, নয় রেল পার। আমরা হা কইরা থাকতাম। সবাই দু’খান কইরা পাইতাম তো!

    কখনো বলতেন, ঠাকুরপো আছিলেন ডাকাত! ঠাকুর জলে পড়ল, উনি ঝাপ দিয়া ঠাকুরের মটুক, হাতের খারা, নিবই নিব।

    এ সবই মৃণালের কথা, বালিকা মৃণাল।

    আবার আপন মনেই বলতেন, যতি কুনোদিন জিদ করে নাই, শুধা সুজির পায়েস রানলে কইছে, মা আরটু দিবা? জিদ কি স্বাধীনের! ক্যান তুমি সুভাষরে কোলে নিবা? ক্যান তারে আগে খাওয়াইবা?

    একদিন বললেন, অগো নামে নামে থালা—বাটি—গেলাস! ভাবতাম অগো মাইয়া পোলারে দিমু। কারে দিমু। আমার মাইয়া পোলাদেরই নাগাল পাই না! কী আছিল আমার দুধে, যে তারা সকলার হইল, আমাদের হইল না?

    তারপরই বলতেন, ভাল থাক, শান্তিতে থাক। আমাগো শান্তি ছিল যৎসামান্যে। অগো শান্তি … অরা বুঝুক!

    বই পড়াও কমিয়ে আনলেন। কাগজটা উলটেও দেখেন না। কেমন উদাস উদাস ভাব। বললাম, বউদি! কলকাতা যাইবেন? অরাদের দেখবেন?

    —কেমনে? আজকাল তো বেশি কইরা শুনি, সে যাইতে নিষেধ করে। ঠাকুরপো!

    —কয়েন।

    —এত টাকা সুভাষের। একখান ঘর তুইলা ঘুরাইন্যা সিঁড়িটা বসাইলে তার বাপ শান্তি পাইত। সে সাধ তো মিটে নাই?

    —এই কথা বউদি? ঘুরাইন্যা সিঁড়ি আমি বসামু। কথা দিলাম।

    —কোথায়।

    —যেখানেই দেই, সে দাদা আর আপনের বারিই হইত।

    বউদি গভীর, গভীর চোখে চাইলেন। আমার চোখ নিচু।

    তারপর বললেন, সাধে কি দাদা ভাই বইলা মরত? হ, আপনের বারি তো আমাদেরি। তিনজনার।

    —হ। আপনে যেয়েন না বউদিদি।

    —কনে যাইতাম? দাদাই কি গিছে? দিনে দিনে যেমুন কাছে আইতাছে।

    তারপর বললেন, চলেন তো। চা কইরা খাই দু’জনে। ন্যালারে পাঠান। এই সময়ে কুচা নিমকি ভাজে। না, আমার লিগ্যা ভাইবা ভাইবা আপনে…

    তয় কয়েন, ডাক্তার দেখাই আপনারে?

    —শান্তি পায়েন, তো ডাকেন। রোগ তো নাই ঠাকুরপো, কেমুন জানি মনে হয়, দূরে চইলা যাইত্যাছি।

    —আমিও পাছ ল’মু।

    —আর বারিতে বট অশথ গজাইত।

    —তয় কী করুম?

    —আমাগো বাসায় হাত দেন। ঘুরাইন্যা সিঁড়ি তো বসাইবেন।

    —টাকা কোথা?

    —তা জিগাইবেন মিরনাল ঠাকুরানীরে। পাসবুক ফালাইয়া দিমু। দ্যাখবেন, সংসার চালাইয়াও দু’জনের পেনসানে কত বাচছে, —কতটি ফিকছে রাখছি,—পোলারা বৎসরে মাঝে মাঝে পাঠায়,—সব রাইখা দিছি। অরা টাকা পাঠায়, অপরাধী বোধ করে ত! টাকা পাঠায়।

    —আপনের টাকায় হাত দিতে দেই না, আমার টাকা হইতেও বাচান?

    —অত কৈফিয়ৎ দিতে পারি না। ন্যালারে ডাকেন।

    .

    না, অসুখ কিছু ছিল না। কিন্তু, খাওয়া কমে যাচ্ছিল, দুর্বল হয়ে পড়ছিলেন। ন্যালার মা বলল, কী বোঝেন? রাতে ঘোম নাই। শুধা কথা কয়, বরো কত্তার লগে, কার কার লগে, বুঝি না। কিন্তুক চক্ষু বন্ধ। ডাকলে ধরমরাইয়া উঠে।

    সদর থেকে প্রবীণ ও বিচক্ষণ ডাক্তার অনন্তবাবুকে আনলাম। বললাম, জ্বর নেই, পেচ্ছাপ, পায়খানা, রক্তপরীক্ষায় কিছু পাওয়া যায়নি। কিন্তু খাওয়া কমে আসছে, হাঁটা চলা প্রায় বন্ধ। বাগানে অনেকদিন নামেন না।

    অনন্তবাবু ভাল করে দেখলেন। রক্ত পরীক্ষা আবার হ’ল। হেমোগ্লোবিন বড় কম। এনিমিক হয়ে যাচ্ছেন। বললেন, এই ইঞ্জেকশান, সুখাদ্য, টনিক, এগুলো চলুক। দুর্বল যথেষ্ট, কিন্তু ভয়ের কিছু দেখলাম না।

    আমি ধমক দিয়েই বললাম, দাদার সময়ে আমি, আপনি, ন্যালার মা! অহনে আমি আর ও পারি।

    ভোরের চাঁদের মতো ম্লান হাসলেন বউদি। বললেন, একা আপনে আমাগো কষ্ট দিয়া পার পাইয়া যাইতেন? আমরা অহনে দিতেছি।

    —আপনি আর কে?

    —ক্যান, আপনের দাদা?

    বউদি খুব স্বাভাবিক ভাবে বললেন।

    —দাদা আজ পাচ বৎসর নাই বউদি।

    —হে তো আমি জানি। কিন্তু আমার মনের মধ্যে বইসা কথা কয়। চক্ষু বুজলে খুব ভাল থাকি ঠাকুরপো। আমার মা, তোমার মা, শিউলিরে মনে পরে না। আমাগো লগে খেলাইত? হে’র লগেও কথা কই।

    —কী কথা কন?

    —এই ঘর….. সংসার…..ছাওয়াল মাইয়া…..এই সকল সইত্য নয় ঠাকুরপো… আমি পাগল হই নাই…. কিন্তু সইত্য মনে হয়…

    —পোলাদের খবর দিমু?

    —অরা….ব্যস্ত…..

    বউদি পাশ ফিরে শুলেন।

    আমার ধমক ধামকে বেশ খাচ্ছিলেন একটু একটু। স্বাভাবিক ঘুমও হচ্ছিল। কিন্তু বাথরুমে যেতে গিয়ে শোবার ঘরেই শুকনো মেঝেতে আছাড় খেলেন যেদিন, সেদিন ন্যালার মা চাল বাছছে, ন্যালা দোকানে, আমি বাজারে।

    খুব, খুব পরিশ্রম হয় আমার। আমার বয়সও তো পঁয়ষট্টি। ছুটোছুটি করে টাউন হাসপাতালেই নিলাম। পায়ে ফ্র্যাকচার, এক্স—রে প্লাস্টার, হেনতেন। ন্যালার মাকেই বসিয়ে রেখে এলাম।

    গৌরাঙ্গদের বাড়ি থেকে কলকাতায় যতিনাথকে ফোন করলাম। অন্যদের খবর দিতে বললাম।

    ওরা এসেছিল, দু—চার দিন করে থেকেও যায়। সুভাষ বলল, হাসপাতাল নয়, কলকাতা নিয়ে যাই…..নার্সিং হোমে রাখি।

    বউদি মাথা নাড়লেন।

    বললাম, এখানে ডাক্তার পালের নার্সিং হোমও ভাল।

    বউদি মাথা নাড়লেন।

    —বারি নেন ঠাকুরপো। বারি নিলেই আমি ভাল হইয়া উঠুম।

    বারি নেন আমারে।

    অগত্যা বাড়ি। অগত্যা ডাঃ পালের সাহায্যে নার্স সীমা। ছেলেরা ফিরেও গেল। বলল, এখন তো শুধু শুয়ে থাকা।

    —অহনে তোমরা ভার নেও।

    —মা কলকাতা যাবেন না। এখানে নার্সিং হোমেও থাকবেন না। আমরা কতদিন কাজ ফেলে থাকব?

    সুভাষ বলল, টাকার জন্য ভেবো না কাকা। ডে অ্যানড নাইট নার্স রাখো। এই টাকাটা রাখো।

    বউদি ক্ষীণ স্বরে বললেন, টাকাই কি সব? নার্স রাখলে তাদের খেজমত খাটে কে? অরাদের সময় নাই, ছাইরা দেন।

    ওদের বললাম, চান মানুষের সঙ্গ।

    —বুঝি……বুঝি….. প্রবেলমটা খুব হিউম্যান। তোমার শরীর ভাল তো কাকা?

    —১৯২০ সালে, তোমার বাবার সাত মিনিট বাদেই জন্ম। আমার জন্য ভাবতে হইত না।

    —এই বয়সেও……

    ন্যালার মা বলল, ছোটকত্তারে চলতে হইব, তাই চলতাছে। যার চারপাশে কেও নাই, মাথায় আছে বোঝা, তারে চলতেই হয় রে দাদা। ভগমানে চালায়। কত্তা মা আর থাকত না। হে নিজেরে তুইলা নিতেছে।

    আমি বললাম, থাক ন্যালার মা।

    —ক্যান? থাক থাক করো ক্যান? বলি নাই। যে বড় কত্তার লগে কথা কয়, চক্ষু বুইজা কথা কয়? তিনিই কত্তা মারে লইয়া যাত্যাছে।

    সুভাষ বলল, সুপারস্টিশান যত! ডেথ ইজ ন্যাচারাল এনড অফ লাইফ।

    আমি বললাম, পলিথিনের বেডপ্যান আর ইউরিন্যাল পাঠিয়ে দিও।

    —তুমিও নাইট নার্স রাখো একজন।

    ওরা চলে গেলে বউদি বনমালীর বোন সিদ্ধেশ্বরীকে ডাকলেন। বললেন, অ পাকসাক করুক, ন্যালার মা আমারে দেখব। কাম বেশি হয়, তো বনমালীর বউ বাগান—বাসন—কাপড় কইরা দিব।

    ন্যালা বলল, আমি নেই কত্তা মা?

    —হ, আমার ন্যালা তো আছে। তুই ছোট কত্তাদাদারে দেখবি। আর ঠাকুরপো। এই নাসরে ছুটি কইরা দেন। নাস্যে তো হাগাইব না, মোতাইব না, এমন নয় যে জ্বরো রোগী, জ্বর দেখব, ঔষধ দিব।

    বউদির এই গোপন ষড়যন্ত্রের ফলে আমরা আমাদের চেনা জগতে ফিরে এলাম। বউদিকে ব্যথা না দিয়ে সযত্নে তুলতে ন্যালা,—আমাকে চা করে দিতে ন্যালা,—বউদি বললেন, যান। হাটাহাটি করেন যেমুন করতেন!

    আমি খুব স্বস্তি পেলাম।

    আর বউদি ধীরে ধীরে নিভতে থাকলেন। খাওয়া কমাতে কমাতে….

    —শুইয়া শুইয়া কত খাওন যায়?

    —তবে ফুটবল খেলেন?

    —বাতাপি লেবু লাথাইতেন, মনে পরে?

    —মায়ে জাইন্যা….

    —মায়ের শাসন ছিল কি। চুল যখন বাইধা দিছে, একটু মাথা নড়ছে তো ধমক দিছে।

    —চরও তো খাইছেন!

    —বিয়ার পরে নয়। তহনে তো খুব আদর। তবে কষ্ট দিছে বরো পোলারে। য্যান, তার দোষেই আপনে জেলে গেলেন।

    আমি নীরব।

    —কতদিনের কত কথা ঠাকুরপো।

    —নেন ঘুমান।

    —এট্টা কথাই কইয়া যাইতাম।

    কথাটি না বলেই ঘুমিয়ে পড়লেন।

    না, বউদির বিষয়ে এটাই বলা যায়, বাঁচার ইচ্ছা ছিল না আর। থাকলে বাঁচতেন। যথাসাধ্য সবাই করেছিলাম। বনমালীর বউ কি ঝুক্তি ফুলের পাতা বেটে দিত, তিতা খাইলে জিভের সোয়াদ ফিরব।

    ডাক্তার বলেছিলেন, সিমপল ফ্র্যাকচার। একটু হাঁটাবেন। পায়ে রক্ত চলাচল হবে।

    ন্যালার মা দিকে দিকে মানত করেছিল।

    কিছুতেই কিছু কাজ হয়নি।

    শেষে ন্যালা বলত, কত্তা মা! আমি গপ্প বলব? তুনি যেমন বলতে?

    —ঠাকুর পাটে ফুল জল দে’ ন্যালা।

    —সকালে দিয়েছে মা!

    —কচুর শাক বেশ কইরা ভাপাইয়া—জল নিস্যরি কইরা—তা বাদে নাইরকেল কুইরা…

    —তুমি খাবে?

    —ঝর উঠছে… জানলা বন্ধ কর…..

    সব অসংলগ্ন কথা। শেষটা খুব ধীরে আসে। আমাকে বললেন, এট্টা কথা…. পোলারা….মাইয়া…. বারির ভার নিলে তবে যেয়েন…

    —কথা…. দিলাম বউদি।

    কয়েক দিনের মাথাতেই চলে যান বউদি। তখন ভরা সকাল, প্রসন্ন নীল আকাশ, সাদা মেঘের পালে মন্থর বাতাস, শরতের ফুল শিউলি তুলেছিল ন্যালা। আমি বুঝলাম বউদি ঘুমোচ্ছেন না।

    আমি একা হয়ে গেলাম।

    এমন নিঃশব্দ প্রস্থান দেখিনি। যেন পর্দা সরিয়ে পা টিপে টিপে চলে গেলেন।

    মৃণাল, মিরনাল, বউদি। আমি অনেকক্ষণ চুপ করে বসেছিলাম। এক সময়ে আবিষ্কার করলাম, সবাই ঘাটে।

    বাড়িতে শুধু আমি আর ঘোরানো সিঁড়িটা।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছিন্ন পাতার ভেলা – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article কেয়ারটেকার – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }