Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প35 Mins Read0
    ⤶

    ০৪. চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – শেষ পর্ব

    মহালয়ার পর থেকেই রাইটার্স বিল্ডিংয়ে গা ছাড়া ভাব চলে আসে। ছুটির মেজাজে থাকেন সবাই। বেশির ভাগ মন্ত্রীরাই চলে যান জেলার বাড়িতে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা জরুরি বৈঠকে আসতে পেরেছেন কলকাতা এবং কাছাকাছি জেলার মন্ত্রীরা। ইতিমধ্যে শহরে পুলিশের গুলিতে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। তৃণমূল দাবি করেছে নিহতরা তাদের পার্টির সমর্থক, পুলিশ দোষীদের আড়াল করতে নির্দোষদের মেরেছে। একাদশীর পর বন্‌ধ ডেকেছে তারা। পুলিশ কমিশনার তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে ঘোষণা করেছেন যে, নিহতরা সমাজবিরোধী। নিজেদের মধ্যে লুঠ করা জিনিসের ভাগাভাগির সময় মারামারি করে মারা গেছে। সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করেছিল যে, ‘তা হলে আপনি বলছেন গুলি চালায়নি পুলিশ?’ পুলিশ কমিশনারের মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকটি চেঁচিয়ে উঠেছিলেন, ‘আপনি আমাকে পেঁদিয়ে বৃন্দাবন দেখাবার কথা ভাবছেন?’ কমিশনার বলেছেন, ‘মানুষের ভাবনার স্বাধীনতা আছে। আমার ভাবনা আমি ভাবব না, কে ভাববে? পি ডব্লিউ ডি?’
    টিভিতে এই সাংবাদিক সম্মেলন দেখানো হয়েছে। সব ক’টা চ্যানেল পুলিশ কমিশনারের মুণ্ডু চটকাচ্ছে। তারা পুলিশ গুলি ছুড়ে মানুষ মারছে এই দৃশ্য বারংবার দেখিয়ে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। কলকাতার বুদ্ধিজীবীরা টেলিভিশনে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, রাস্তায় নামলে পুলিশ এবং সমাজবিরোধীদের হাতে মার খেতে হবে বলে নামছেন না। কিন্তু পাবলিক খেপে গিয়েছে।
    মুখ্যমন্ত্রী বসেছিলেন। তাঁর পাঞ্জাবি এবং ধুতির চেয়ে মাথার চুল বেশি সাদা হয়ে গিয়েছে এই ক’বছরে! মন্ত্রীদের দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন, ‘আমি মার্ক্সবাদী। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি গত রাতের পর থেকে আমরা সবাই এক বিদিকিচ্ছিরি ক্ষমতা পেয়েছি, যা আমাদের সম্পর্ক নষ্ট করছে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, যখন কথা বলবেন না তখন জীবনানন্দের কবিতা মনে মনে আবৃত্তি করে যান। তাতে সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকবে।’
    মুখ্যমন্ত্রী হাসলেন। ঠিক তখনই এক মন্ত্রী আর এক মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘জীবনানন্দ কে? পার্টির কোনও কবি?’
    মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি গান জানেন?’
    ‘একটু আধটু। শ্যামাসংগীত।’
    ‘তাই মনে মনে গান।’
    ভদ্রলোক মনে মনে গাইতে লাগলেন, বল মা তারা দাঁড়াই কোথা?
    মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ‘আপনারা জানেন কলকাতা এখন বিপন্ন। আমরা র্যাফ নামিয়েছি, মিলিটারি কার্ফু জারি করেছে। কিন্তু তারাও এখন নিজেদের মধ্যে ঝামেলায় পড়েছে। একমাত্র যাঁরা বাংলা জানেন না তাঁরা ঠিকঠাক কাজ করছেন। অদ্ভুত ব্যাপার, আপনি আমার সামনে এলে যেমন আমি বুঝছি, তেমনই আপনিও আমার মনের কথা বুঝে ফেলছেন। এই অবস্থা বেশি দিন চলতে দেওয়া যাবে না।’
    মুখ্যমন্ত্রী থামতেই এক জন প্রবীণ মন্ত্রী বললেন, ‘ইতিমধ্যে সাত জন মারা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কি জানেন, ওরা কী ভাবে মারা গেল?’
    ‘দেখুন, লোকগুলো মারা গেছে এটাই সত্যি। কী ভাবে মারা গেল সেটা বড় কথা নয়।’ মুখ্যমন্ত্রী বলতেই এক জন টাকমাথা মন্ত্রী হাসলেন। মনে মনে বললেন, মার্ক্সবাদী মন্ত্রী পুলিশকে আড়াল করছে!
    মুখ্যমন্ত্রী চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘কী ভাবলেন? বলুন কী ভাবলেন? আমি পুলিশকে আড়াল করছি? আপনাকে বলেছিলাম জীবনানন্দের কবিতা মনে করতে আর তার বদলে আপনি আমার চরিত্রহনন করছেন?’
    টাকমাথা মন্ত্রী উঠে দাঁড়ালেন, ‘সেটাই তো অবাক করছে আমাকে যে, আপনি ছাত্রাবস্থায় স্লোগান দিতেন: পুলিশ তুমি যতই মারো মাইনে তোমার একশো বারো, সেই আপনি টিভিতে বারংবার দেখানো সত্ত্বেও পুলিশ কমিশনারের মিথ্যাভাষণকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এ সব কংগ্রেসি আমলে হলে মানাত। মানুষের কাছে আমরা কী কৈফিয়ত দেব?’
    ‘আশ্চর্য! পুলিশ কমিশনারকে আমি কেন প্রশ্রয় দেব?’ মুখ্যমন্ত্রী হাসলেন।
    এ বার টুপি পরা মন্ত্রী মুখ খুললেন, ‘কারণটা আপনি ভাল জানেন। সি এ বি ইলেকশনে আমি দাঁড়াতে চেয়েছিলাম, আপনি ওকে জেতাবেন বলে আমাকে দাঁড়াতে দেননি!’
    ‘মাফ করবেন, ভুল বললেন। আমি না। পার্টি নিষেধ করেছিল।’
    টুপি পরা মন্ত্রী বললেন, ‘এক জন পার্টির প্রতি অনুগত কর্মী হিসেবে সেটা আমি মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে পি ডব্লিউ ডি মন্ত্রী বসে আছেন। তাঁর দফতরকে অপমান করার সাহস পুলিশ কমিশনার কী করে পেল?’
    পি ডব্লিউ ডি মন্ত্রী জিজ্ঞাসা করলেন, ‘লোকটা কি আপনার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে?’
    মুখ্যমন্ত্রী হাত তুললেন, ‘এখন আমাদের সামনে দুটো ইস্যু। এক, যে করেই হোক মানুষের মন বোঝার ক্ষমতা লোপ পাওয়াতে হবে। আমি ইতিমধ্যে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু তাঁরাও কোনও উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না।’
    এক জন বৃদ্ধ মন্ত্রী বললেন, ‘আপনারা হয়তো বিশ্বাস করবেন না। মা দোলায় চেপে এসেছেন। প্রলয় তো হবেই। কিন্তু একমাত্র মা-ই আমাদের রক্ষা করতে পারেন। প্রত্যেকটা পুজো কমিটিকে নির্দেশ দিন, উদ্বোধনের আগে যেন প্রতিটি মণ্ডপে যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। মা দশভুজার স্বামী মহাদেবের কাছে এই যজ্ঞ বর প্রার্থনা করবে, যাতে প্রত্যেকটা কলকাতাবাসীকে মানুষ করে দেন তিনি।’
    মুখ্যমন্ত্রী অসহায় ভঙ্গিতে মাথা নাড়লেন। তার পর জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনারা সবাই কি ওঁকে সমর্থন করেন?’
    বৃদ্ধ মন্ত্রী বললেন, ‘যদি পুত্রার্থে যজ্ঞ করা যায়, যদি অশ্বমেধ যজ্ঞ সম্ভব হয়ে থাকে, তা হলে এটাও অসম্ভব নয়।’
    অন্যান্য মন্ত্রীদের অনেকেই মাথা নেড়ে সমর্থন করলেন। মুখ খুললেন না।
    মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ‘বুঝলাম। কিন্তু আপনাদের কথা দিতে হবে এই আলোচনার কোনও কথা মিডিয়া যেন না জানে। এমনকী কেউ আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন না। হলেই তারা আপনাদের ভাবনা বুঝে ফেলবে। কি, রাজি?’
    সবাই মাথা নেড়ে সম্মতি দিলেন।
    মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ‘আমি চাই শহরে শান্তি ফিরে আসুক। বিদেশি লগ্নিকারীদের কাছে যেন ভুল বার্তা না পৌঁছয়। তা যদি এ ভাবে শান্তি ফিরে আসে তা হলে আমি সমঝোতায় রাজি আছি।’ তিনি টুপিমাথা মন্ত্রীর দিকে তাকালেন, ‘আপনি তো তারাপীঠে গিয়ে পুজো টুজো দিয়ে এসেছেন। পুজো কমিটিগুলোকে নির্দেশ দেওয়ার দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হল।’
    ভদ্রলোক প্রতিবাদ করতে গেলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ‘না। আপত্তি করবেন না। আপনি তো বলেছেন, একমাত্র মরা মানুষকে বাঁচানো ছাড়া সব কাজ করতে পারেন। কলকাতা এখনও মরেনি, আপনি বাঁচান।’
    মণ্ডপে মা এবং তাঁর সন্তানেরা তখনও পর্দার আড়ালে। কিন্তু কলকাতার সমস্ত মণ্ডপে পুরোহিতরা যজ্ঞ শুরু করে দিলেন। এই ব্যাপারটার জন্যে কোনও বাজেট ছিল না। ফলে এলাকার ধনপতিদের কাছ থেকে মন্ত্রীর নির্দেশবলে বাড়তি টাকা নিয়ে আসা হল।
    যজ্ঞ শুরু হলে মানুষ মজা পেয়ে ভিড় জমাল। টিভি চ্যানেলগুলো জানিয়ে দিল, মুখ্যমন্ত্রী সি আই ডি-কে দায়িত্ব দিয়েছেন সাত জনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত করতে। কিন্তু লোক আপত্তি জানাল। পুলিশ কখনও পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত করে সত্যি কথা বললে কাকেরা কাকের মাংস খাবে। তৃণমূল সি বি আই দিয়ে এনক্যুয়ারি দাবি করল। সারা দিন যজ্ঞ চলছিল, কিন্তু সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নানান দাবি পৌঁছেছিল। শেষ তক সন্ধের মুখে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, সি আই ডি তাদের কাজ করবে, কিন্তু তিনি বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিচ্ছেন। অবসরপ্রাপ্ত এক জন হাইকোর্টের বিচারককে দিয়ে তদন্ত করানো হবে। টুপিপরা মন্ত্রী তাঁর বাড়ির সামনের পুজোমণ্ডপে যজ্ঞ দেখতে দেখতে খবরটা শুনে বললেন, ‘দিল জল ঢেলে।’
    সামনে পর্দা। ইচ্ছে করলেও শিবানী সেটা সরাতে পারছেন না। কিন্তু তাঁরা টের পাচ্ছেন পর্দার ও পাশে মণ্ডপে হইহই করে কিছু হচ্ছে। ডালডা পোড়ার গন্ধ পাচ্ছেন, কাঠ পুড়ছে। সংস্কৃত মন্ত্র ভেসে আসছে।
    সরস্বতী ব্যাপারটা বুঝতে পেরে ভাবল, ‘মা। এটা কী হচ্ছে? এখন তোমার পুজো, আমরা তাই এসেছি, কিন্তু বাইরে বাবাকে আরাধনা করা হচ্ছে কেন? অত্যন্ত অনৈতিক কাজ।’
    লক্ষ্মী ভাবল, ‘বাবা তো আর মহিষাসুরের সঙ্গে যুদ্ধ করেননি। মায়ের হাতে ত্রিশূল দিয়ে কৈলাসেই শুয়ে ছিলেন। তা হলে?’
    কার্ত্তিক ভাবল, ‘এক বার যদি দেখে আসতে পারতাম।’
    এই সময় গণেশ দেখল একটা নেংটি ইঁদুর তার মাটির ইঁদুরের সঙ্গে ভাব জমানোর চেষ্টা করছে। ওটা নিশ্চয়ই কাছাকাছি কোনও গর্তে থাকে। গণেশ মনে মনে জিজ্ঞাসা করল: ‘এই তুই কে?’
    সঙ্গে সঙ্গে নেংটি মুখ তুলল, ‘আজ্ঞে আমি নেংটি।’
    ‘তুই দেখছি আমার ভাবনা বুঝতে পারছিস!’
    ‘আগে পেতাম না। কাল মাঝ রাত থেকে—।’
    ‘মানে?’
    ‘হঠাৎ একটা ফুল এসে পড়ল আমার গর্তের সামনে। সেই ফুলের গন্ধ পাওয়া মাত্র সবার মনের কথা বুঝতে পারলাম। ফুলটা তুলে খেতে গিয়ে টের পেলাম অনেক দূরের দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। তাই না খেয়ে গর্তে ঢুকিয়ে রেখেছি।’ খুশি খুশি গলায় বলল নেংটি।
    শিবানীও না বলা কথাগুলো শুনছিলেন। উত্তেজিত হয়ে বললেন, ‘বাইরে ও সব কী হচ্ছে?’
    ‘আজ্ঞে, মা, যজ্ঞ করছে। বাবা যদি তুষ্ট হয়ে ওদের ক্ষমতা কেড়ে নেন। হে হে, লোকে আগে বর চাইত, এখন এরা ছাড়তে চাইছে।’
    ‘তার মানে এখানকার সবাই সবার মন বুঝতে পারছে এখন?’
    ‘হ্যাঁ মা। তাই তো মারপিট লেগে গেছে।’
    শিবানী ভাবলেন, ‘গণেশ, বল তো ও কৈলাসের কিছু দেখতে পাচ্ছে কি না, বড্ড চিন্তা হচ্ছে রে।’
    নেংটি ভাবল, ‘পাচ্ছি মা। বাবা ঘুমাচ্ছেন। এই চোখ খুললেন। উঠে বসলেন। তার পর তাকালেন। একটু হাসলেন। সামনের বাগানে মা মনসা ফুল তুলছিলেন। এম্মা! না। আর বলতে পারব না। দেখতে চাই না আর।’
    মা ছটফটিয়ে উঠলেন, কিন্তু প্রতিমা নড়ল না। সর্বনাশ। মনসা তো ওঁরই মেয়ে। কোনও দিন দেখেনি বলে চিনতে পারবে না। এই জন্যে আমি আসতে চাই না কৈলাস ছেড়ে। গণেশ, ওকে বল, গর্ত থেকে ফুলটা আমাকে এখনই এনে দিক। আমি স্বচক্ষে তোর বাবার পতন দেখব।
    নেংটি দৌড়াল ফুল আনতে।
    সন্ধের পরে বৃষ্টি আরম্ভ হল। আবহাওয়া দফতর ঘোষণা করল এটা নিম্নচাপের বৃষ্টি নয়, কিছু ক্ষণের মধ্যেই থেমে যাবে। যজ্ঞের আগুন বৃষ্টির জলে নিভে গিয়েছিল। উদ্যোক্তারা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল উদ্বিগ্ন হয়ে। বৃষ্টির ভেতর উদ্বোধন হবে কী করে? মুম্বইয়ের স্টাররা এসেছেন কিনা। তাঁরা জানালেন, অপেক্ষা করতে হবে। মুম্বইয়ের স্টাররা ঠিক সময়ে এসে হোটেলে উঠেছেন। কলকাতায় পা দিয়েই ওঁদের চেহারা বদলে গেল। তাঁদের সঙ্গে তো বটেই, নিজেদের মধ্যেও ঝগড়া শুরু করেছেন। মূলত কে কত পাচ্ছেন, তাই নিয়ে ঝগড়া। মন বুঝতে পেরে জেনে গেছেন কে কত বেশি বা কম পাচ্ছেন। ওঁদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে। একটা কিছু ব্যবস্থা হবেই।
    বৃষ্টি থামলে নেংটি ফুল নিয়ে এল। শিবানী ভাবছেন, ‘তুমি ওই ফুল নিয়ে আমার নাকের সামনে ধরো।’
    ‘মা, তা হলে যে তোমার শরীরে পা রাখতে হবে’, নেংটি ভয়ে ভয়ে বলল। ‘বাচ্চার পা মায়ের শরীরে তো লাগেই। এসো।’
    সিংহের ওপর উঠে মায়ের পা বেয়ে কোমর পেরিয়ে দশ হাতের একটা হাত দিয়ে কানের গহনায় দুই পা রেখে মুখের ফুল মায়ের নাকের সামনে শেষ পর্যন্ত ধরতে পারল নেংটি। মা শ্বাস নিতেই দিব্যদৃষ্টি খুলে গেল। সঙ্গে সঙ্গে স্বামীর কথা ভাবতেই দেখতে পেলেন মহাদেব গাঁজা খাচ্ছেন। মনসা কোথাও নেই।
    মা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি একটু আগে কী করছিলে?’
    মহাদেব চমকে তাকালেন, ‘ও, তুমি! এত ক্ষণে ফুলটাকে পেয়েছ? ভাল। এই তো, একটু সেবন করছি।’
    ‘তুমি কি মনসার দিকে তাকিয়েছিলে?’
    ‘অ্যাঁ, কে বলল? তুমি দেখেছ?’
    ‘শুনেছি। সে তোমার মেয়ে।’
    ‘জামাই মনে করিয়ে দেওয়া মাত্র পিতৃস্নেহে তাকিয়েছি।’
    ‘মরণ!’
    বলা মাত্র কৈলাসের ছবি চলে গেল সামনে থেকে। আবার ঘ্রাণ নিলেন শিবানী। না। যেন টিভির চ্যানেল অফ হয়ে গেছে। ভাবলেন, ‘এটা কী হল? গণেশ, নেংটিটাকে জিজ্ঞাসা কর, সে দেখতে পাচ্ছে কি না?’
    কিন্তু গণেশের ভাবনা বুঝতে পারলেন না তিনি। নেংটি নেমে গেল নীচে। শিবানী বুঝতে পারলেন তাঁদের কেউ কারও মনের কথা বুঝতে পারছেন না।
    বাইরে তখন উল্লসিত উদ্যোক্তারা। কেউ বুঝতে পারছেন না সামনে দাঁড়ানো লোকটা কী ভাবছে। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের লোক এল, ‘মুম্বইয়ের স্টারদের ঝামেলা মিটে গেছে। সবাই নর্মাল। পাঁচ মিনিটের বেশি আপনাদের মণ্ডপে থাকব না। তাড়াতাড়ি রেডি হন।’
    পাবলিক বলতে লাগল যজ্ঞ করার ফল হাতে হাতে পাওয়া গেল। মণ্ডপে মণ্ডপে একের পর এক উদ্বোধন হয়ে গেল। কার্ত্তিক ফ্যালফ্যাল করে চিত্রাভিনেত্রীদের দিকে অপলক তাকিয়ে থাকল। এক জন অভিনেত্রী হেসে তাকে বললেন, ‘হাই হ্যাণ্ডসাম।’
    রাত তিনটে থেকে ভোরের মধ্যে সব পুজোর উদ্বোধন হয়ে গেল।
    শিবানীর কান্না পাচ্ছিল। মহাদেব মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার জন্যে ওই শক্তি ফুলে ভরে তাঁর হাতে দিয়েছিলেন। কী অসভ্য লোক। কিন্তু সামনের পর্দা সরে গেছে বলে তাঁকে হাসি হাসি মুখে মহিষাসুরকে মারার পোজ দিতে হল।
    ঘুম ভাঙতেই মেঝেতে কার্পেট পেতে শোওয়া স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে সতর্ক হলেন সপ্তর্ষি। না। ভাববেন না। তিনি মনে মনে গান ধরলেন। চোখ মেলে বিরক্ত গলায় উর্বশী বললেন, ‘এ রকম বোকা বোকা চোখে কী দেখছ?’
    সপ্তর্ষি চেষ্টা করেও না ভেবে পারলেন না, আমি বোকা? তুমি কি?
    ‘তুমি কী ভাবছ গো?’ পাশে উঠে এল উর্বশী।
    ‘কেন তুমি বুঝতে পারছ না?’
    ‘একদম না। আচ্ছা, আমি যা ভাবছি তা বোঝ তো?’ বলে মনে মনে ভাবলেন, টেকোটা মিথ্যে বলছে না তো?
    সপ্তর্ষি মাথা নাড়লেন, ‘এ কী! কিছুই বুঝতে পারছি না।’
    ‘সত্যি?’
    ‘সত্যি।’
    সঙ্গে সঙ্গে উর্বশী স্বামীকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘আমাকে দশ হাজার টাকা দিও, প্লিজ। তুমি ব্ল্যাক টাকা কোথায় সরিয়েছ বুঝতে পারিনি।’
    ‘থাক ও কথা। মুখ ধোও। আজ পুজো। চলো, মাকে সেলাম করে আসি।’ সপ্তর্ষি উঠলেন।
    ‘ছিঃ। সেলাম বলতে নেই। বলো, প্রণাম।’ উবর্শীর সর্বাঙ্গে এখন আনন্দ।

    [শেষ]

    সৌজন্যে: আনন্দবাজার পত্রিকা, ২০ আশ্বিন ১৪১৪ রবিবার ৭ অক্টোবর ২০০৭ থেকে ১১ কার্তিক ১৪১৪ রবিবার ২৮ অক্টোবর ২০০৭

    ⤶
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার
    Next Article সুকুমার রায় রচনাবলী ২য় খণ্ড

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }