Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চার্লসের স্বর্ণসম্পদ – অনিল ভৌমিক

    লেখক এক পাতা গল্প90 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চার্লসের স্বর্ণসম্পদ – ৪

    ৪

    একটু কেশে নিয়ে রাজা পিটার বলতে লাগলেন–খুব বেশিদিনের কথা নয়। বছর পঞ্চাশের আগে–এখান থেকে দক্ষিণদিকে আনজুনামে একটা জায়গা আছে। সেখানে ছিলেন চার্লস নামে একজন ভূস্বামী। পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে চার্লস প্রচুর স্বর্ণমুদ্রা অলঙ্কারের অধিকারী হয়েছিলেন। সকলেই একথা জানতো কিন্তু কেউ কখনো চোখে দেখে নি। চার্লসের স্ত্রীও জানতেন না। তারা নিঃসন্তান ছিলেন। স্ত্রী আগেই মারা যান। চার্লস পিসায় গিয়েছিলেন। সেখানেই তিনি মারা যান। স্বর্ণমুদ্রা অলঙ্কার তিনি কোথায় রেখে গেছেন তাও তিনি কাউকে বলে যান নি।

    –চার্লস কি কোনো সূত্র রেখে যান নি? ফ্রান্সিস জিজ্ঞেস করল।

    –না–কোনো সূত্র রেখে যান নি। নানাভাবে গত পঞ্চাশ বছর ধরেই খোঁজাখুঁজি চলছে। কেউ কোনো সূত্র বের করতে পারেনি। রাজা পিটার বললেন।

    –তাহলে আমাকে একবার আনজু যেতে হবে। ঐ জায়গায় খোঁজখবর করে বলতে পিরবো চার্লসের ঐ ধনভাণ্ডার উদ্ধার করতে পারবো কি না। ফ্রান্সিস বলল।

    -ঠিক আছে। এই ব্যাপারে তোমাদের আমি সমস্ত সুযোগ-সুবিধে করে দেব। দেখো–যদি উদ্ধার করতে পারো। রাজা পিটার বললেন।

    এই সময় হ্যারি বলল–গ্রীক ভাষায় অভিজ্ঞ একজনকে আমাদের চাই রাজা পিটার তার কাছে-বসা একজন প্রৌঢ় ব্যক্তিতে দেখিয়ে বলল–ইনি সাজ্জিও–পাঁচটা ভাষা ইনি অনর্গল বলতে পারেন লিখতেও পারেন। সারা মাল্টাদ্বীপে সাজ্জিওর মতো ভাষাভিজ্ঞ বিদ্বান কেউ নেই। ফ্রান্সিস আর হ্যারি সাজ্জিওকে মাথা একটু নুইয়ে সম্মান জানাল। সাজ্জিও এতক্ষণ চুপ করে বিছানার একপাশে বসেছিলেন। এবার হেসে তিনিও একটু মাথা ঝোকালেন। ফ্রান্সিস বলল–প্রয়োজনে আমরা সাজ্জিওর সাহায্য নেব।

    সাজ্জিও ফ্রান্সিসদের দেশীয় ভাষায় বললেন–আমি আনন্দের সঙ্গে আপনাদের সাহায্য করবো। ফ্রান্সিস আর হ্যারি অবাক। তারা আবার মাথা নুইয়ে সাজ্জিওকে সম্মান জানাল।

    এবার ফ্রান্সিস রাজা পিটারকে বলল–আমার বন্ধুরা এখানে বন্দি অবস্থায় রয়েছে। তাদের মুক্তি দিন এই আর্জি জানাচ্ছি।

    রাজা পিটার বললেন–এসব পরে ভাববো। আগে চার্লসের গুপ্ত ধনসম্পদ উদ্ধার করো। তারপরে তোমার বন্ধুরা মুক্তি পাবে। রাজা বলেন।

    –সমুদ্রতীরে আমাদের জাহাজ রয়েছে। সেখানে আমাদের দেশের রাজকুমারী রয়েছে। কিছু বন্ধুও সেই জাহাজে রয়েছে। তাদের কী ব্যবস্থা করবেন?

    রাজা পিটার সেনাপতি মালোকে ইশারায় ডাকলেন। দু’জনে কী কথা হল। রাজা পিটার বললেন–তোমাদের রাজকন্যা ও বন্ধুদের জাহাজেই বন্দি করা হয়েছে।

    ফ্রান্সিস বললেন–মান্যবর রাজা–আনগোভিনের হয়ে লড়াই করতে গিয়ে আমাদের দুই বন্ধু মারা গেছে, একজন আহত হয়েছে। এই যুদ্ধে আমরা ইচ্ছে করে জড়াই নি। অথচ দুই বন্ধুকে হারিয়েছি। তাই অনুরোধ ঐ জাহাজেই বন্দি করে রাখুন। এখানে উন্মুক্ত আকাশের নীচে থাকতে গিয়ে হয়তো আরো বন্ধুকে হারাবো। আপনি দয়া করে আমার বন্ধুদের ঐ জাহাজেই বন্দি করে রাখুন। এতে ওদের শারীরিক ক্ষতি হবে না।

    -বুঝলাম–রাজা পিটার মাথা নেড়ে বললেন–কিন্তু তোমরা যারা ধনসম্পদ খুঁজবে তোমারা তো সুযোগ বুঝে বন্দি বন্ধুদের নিয়ে জাহাজ চালিয়ে পালাতেও পারো।

    ফ্রান্সিস বুঝল–রাজা পিটারের মনের সন্দেহ কিছুতেই দূর করা যাবে না। ফ্রান্সিস বলল ঠিক আছে। আমার বন্ধুদের কয়েদঘরে রাখুন। মাথার ওপর একটা ঢাকা তো থাকবে।

    –এবার যাতে আমরা আনজু যেতে পারি তার ব্যবস্থা হলে ভালো হয়। হ্যারি বলল। রাজা পিটার সেনাপতি মালোকে কাছে ডাকলেন ফ্রান্সিসদের সাহায্য করার কথা বললেন।

    ফ্রান্সিস ও হ্যারি মাথা একটু নুইয়ে রাজা পিটারকে সম্মান জানিয়ে দুর্গের বাইরে এলো।

    দুর্গের বাইরে এসে দেখল–একটা শস্যটানা ঘোড়ার গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। সেনাপতি মান্দো গাড়ির কাছে দাঁড়িয়েছিল। ফ্রান্সিসরা কাছে আসতে বলল, এই গাড়োয়ান আপনাদের আনজু নিয়ে যাবে। চার্লস-এর বিরাট অট্টালিকা গীর্জা গ্রন্থাগার দেখতে পাবেন ওখানে।

    ফ্রান্সিস আর হ্যারি গাড়িতে উঠল। গাড়ি চলল আনজুর দিকে। পথের দুপাশে! গাছপালা টিলা ঝর্ণা।

    হ্যারি বলল–ফ্রান্সিস দেখো কী সুন্দর প্রকৃতি।

    ফ্রান্সিস বলল–হ্যারি–প্রকৃতি দেখার মতো মনের অবস্থা আমার নেই। অনেক চিন্তা মাথায়।

    বিকেল নাগাদ ফ্রান্সিসরা আনজু পৌঁছল। দু’জনে উঠল গিয়ে এক সরাইখানায়। গাড়ির গাড়োয়ানকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে নিল।

    দু’জনে যখন চার্লস-এর অট্টালিকার সামনে এলো তখন সন্ধে হয় হয়। দেয়াল ঘেরা অট্টালিকা। দেয়ালের মধ্যে প্রধান প্রবেশ পথ। ফ্রান্সিসরা প্রবেশ পথের সামনে এসে দেখল দুজন পাহারাদার বর্শা হাতে দাঁড়িয়ে আছে।ফ্রান্সিসরা একজন পাহারাদারকে বেশ কষ্ট করে বোঝাল যে ওরা চার্লস-এর অট্টালিকা গীর্জা দেখতে এসেছে। একথাও বলল যে ওরা বিদেশি।

    প্রহরী একজন ফ্রান্সিসদের ইশারায় সঙ্গে আসতে বলল। ফ্রান্সিস হ্যারি প্রহরীর পেছনে পেছনে চলল। ঢুকেই বিরাট হলঘর। হলঘরের মাঝখানে শ্বেতপাথরের গোল টেবিল। চারপাশের দেয়ালে কয়েকজনের ছবি। বোঝা গেল চার্লস ও চার্লসের পূর্বপুরুষদের ছবি। প্রহরী ওদের নিয়ে হলঘরের কোণায় একটা পাথরের ঘরে ঢুকল। ফ্রান্সিসরা ঘরটায় ঢুকে দেখল একটা কালো কাঠের বাঁকা পায়াওয়ালা চেয়ারে বসে আছেন টাকমাথা একজন প্রৌঢ়। প্রহরী প্রৌঢ়কে কী বলল। প্রৌঢ়টি হেসে গ্রীক ভাষায়, বলল–মান্যবর চার্লসের এই অট্টালিকা গীর্জা গ্রন্থাগার এসব আমিই দেখাশুনো করি। আমার নাম গাইদা। হ্যারি ফ্রান্সিসকে কথাটা বুঝিয়ে বলল।

    ফ্রান্সিস বলল–বলল যে আমরা চার্লসের গুপ্ত ধনভাণ্ডার খুঁজে বের করতে এসেছি। রাজা পিটার আমাদের অনুমতি দিয়েছেন।ওরা কথা বলছেতখনই ঘরে সাজ্জিও ঢুকলেন। হেসে ফ্রান্সিসদের দিকে তাকিয়ে সাজ্জিও বললেন–রাজা পিটার আপনাদের সাহায্য করবার জন্যে আমাকে পাঠিয়েছেন। দেখা গেল গাইদা চেয়ার ছেড়ে উঠে সাজ্জিওকে সম্মান জানাল।

    সাজ্জিও গাইদাকে বলল–আপনি আপনার কাজ করুন। আমিই এদের সব দেখাচ্ছি। তারপর ফ্রান্সিসদের দিকে তাকিয়ে বললেন–চলুন–আমিই আপনাদের সব দেখাচ্ছি।

    তিনজনে ঘর থেকে বেরিয়ে হলঘরে এলো। পাথরে তৈরি হলঘরে পাথরের গায়ে কুঁদে কুঁদে ফুল লতাপাতার কাজ করা। দেয়ালে টাঙানো একটা ছবির সামনে এসে সাজ্জিও বললেন–এই ছবিটা হচ্ছে মান্যবর চার্লসের ছবি। ফ্রান্সিসরা দেখল–এক প্রৌঢ়ের ছবি। সাধারণ পোশাক পরনে। মুখটা হাস্যোজ্জ্বল নয়। কেমন বিষাদময়।

    ফ্রান্সিস বলল–সাজ্জিও–একটা কথা বলি।ছবিটা দেখে মাননীয় চার্লসকে কেমন বিষাদগ্রস্ত মনে হচ্ছে।

    সাজ্জিও বললেন–ঠিকই ধরেছেন। এই ছবি আঁকার সময় চার্লসের এক পালিতা কন্যা মারা গিয়েছিল। তারপরই চার্লস তার জাঁকজমকের জীবন ত্যাগ করে প্রায় সাধুর জীবন কাটাতে লাগলেন। একটা গীর্জাঘর তৈরি করালেন। সেই গীর্জাতেই তিনি যীশুর আরাধনায় বেশিসময় কাটাতেন। গীর্জা চালাবার জন্যে একজন ধর্মযাজককে আনতে জেনিভা গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর শেষ ইচ্ছামতো এই গীর্জার প্রাঙ্গণেই তাকে সমাহিত করা হয়।

    -মৃত্যুর পূর্বে তিনি তাঁর ধনসম্পদের কথা কাউকে বলে যাননি এটাই শুনেছি। ফ্রান্সিস বলল।

    –হ্যাঁ–এটা রহস্যময়ই থেকে গেল। তার মৃত্যুর পর অনেকেই তার ধনসম্পদ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছে কিন্তু কেউ সেই বিপুল ধনসম্পদের হদিস করতে পারে নি। সাজ্জিও বললেন।

    মনে হয় ভালো করে খুঁজলে কোনোনা কোনো সূত্র পাওয়া যেতই। হ্যারি বলল।

    এবার সাজ্জিও হেসে বললেন–তাহলে সত্যি কথাটা বলি। প্রায় এক বছর ধরে মান্যবর চার্লসের অট্টালিকা গ্রন্থাগার গীর্জা আমি তন্নতন্ন করে খুঁজেছি। কিন্তু কোনো সূত্র পাই নি।

    ফ্রান্সিস বলল–তাহলে তো আপনি অনেক কিছুই জানেন।

    –তা কিছু তো জানিই। যেমন গ্রন্থাগারে রক্ষিত সমস্ত গ্রন্থ আমি পড়েছি। বাসস্থান অট্টালিকা গীর্জা সব জায়গা খুঁজেছি। কিন্তু সবই ব্যর্থ। সাজ্জিও বলল।

    –এই খোঁজাখুঁজি কি নিজের ইচ্ছেয় করেছেন? হ্যারি বলল।

    -না–মান্যবর চার্লসের ধনসম্পদের ওপর আমার বিন্দুমাত্র লোভ নেই। রাজা পিটারের নির্দেশেই আমাকে খোঁজাখুঁজি করতে হয়েছিল। রাজা পিটার বলেছিলেন মান্যবর চার্লসের গ্রন্থাগারের গ্রন্থগুলো সব পড়ে যদি কোনো সূত্র আমি পাই সে জন্যেই আমাকে খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    –আপনি কোনো সূত্রই পান নি। হ্যারি বলল।

    –না–কিচ্ছু না। সাজ্জিও বললেন।

    কথা বলতে বলতে তিনজনে চার্লসের গ্রন্থাগারে এলো। পাথরে তৈরি গ্রন্থাগারটি বেশি বড় না। গ্রন্থাগারের প্রহরী সাজ্জিওকে দেখে মাথা নুইয়ে সম্মান জানাল।

    গ্রন্থাগারে ঢুকল তিনজনে। প্রহরী একটা মোটা হলুদ রঙের মোমবাতি জ্বেলে দিয়ে গেল। ফ্রান্সিসরা দেখলকাঠের পাটাতনের ওপর চামড়া বাঁধানো গ্রন্থ রাখা। গ্রন্থ বেশি নেই। সব মিলিয়ে আট-দশটা হবে।

    হ্যারি বলল–সাজ্জিওগ্রন্থগুলো সবই কি গ্রীক ভাষায় লেখা।

    –না– আরবী ভাষায়ও আছে। লাতিন ভাষায়ও আছে। সাজ্জিও বললেন।

    –গ্রন্থগুলো কী বিষয় নিয়ে লেখা? হ্যারি বলল।

    নানা বিষয়ে–অঙ্ক জ্যোতিষ মানুষের জীবনমৃত্যু এরকম বিভিন্ন বিষয়ে লেখা। সাজ্জিও বললেন। হ্যারি কয়েকটা গ্রন্থের পাতা উল্টে দেখল। আরবী আর গ্রীক ভাষায় লেখা।

    হ্যারি বলল–গ্রন্থগুলো থেকে চার্লসের ধনসম্পদের কোনো হদিশ পান নি?

    না–তবে পুরোনো গ্রীক ভাষায় লেখা একটা বাইবেল পেয়েছি। গ্রন্থটার নানা রকম জায়গায় দাগ দেওয়া। বোঝা যায় যে মান্যবর চার্লস খুব মনোযোগ দিয়ে ঐ বাইবেলটা পড়তেন। সাজ্জিও বললেন। ফ্রান্সিস গ্রন্থাগারটা ঘুরে দেখল। সাধারণ পাথরের ঘর। মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে এমন কিছু নেই।

    –চলুন–গীর্জাটা দেখবেন। সাজ্জিও বললেন।

    গীর্জাটা একটু দূরে। গীর্জাটা পাথরের। তবে চূড়োটা কাঠের। তাতে ফুল পাতার কাজ।

    তিনজনে গীর্জায় ঢুকল। ঢুকেই ফ্রান্সিস আর হ্যারি অবাক হয়ে গেল। দেখল মানুষের মতোই যীশুর মূর্তি। এত বড়ো ধীশুর মূর্তি ওরা কখনো দেখেনি। ওক কাঠ কুঁদে কুঁদে মূর্তিটা তৈরি করা হয়েছে। ক্রুশে বিদ্ধ যীশুর মূর্তি। এত সজীব মূর্তি বড়ো একটা দেখা যায় না। ক্রুশের গায়ে হাত পা পেরেকে বিদ্ধ। মাথায় কাঁটার মুকুট।

    মুখটা একটু ঝুঁকে পড়েছে। ফ্রান্সিস আর হ্যারি দু’জনেই মন্ত্রমুগ্ধের মতো কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল।

    সাজ্জিও বললেন–মূর্তিটা দেখে একটু অবাক হয়েছেন–তাই না।

    –হ্যাঁ–সত্যি এত বড়ো আর এত সজীব মূর্তি আমরা কখনো দেখিনি। হ্যারি বলল।

    –মান্যবর চার্লসের নির্দেশেই এই মূর্তি নির্মিত হয়েছে। তিনি শুধু খ্রীস্ট ভক্তই ছিলেন না। তার শিল্পবোধেরও প্রশংসা করতে হয়। সাজ্জিও বললেন।

    তিনজনে বেদীর সামনে এসে দাঁড়াল। সাজ্জিও বললেন–কাঠের বেদীতে কত কারুকাজ দেখুন। সত্যিইফ্রান্সিসরা দেখে অবাক হল কত সূক্ষ্ম কাজ কাঠের বেদীটাতে। কাঠ কুঁদে কুঁদে তোলা হয়েছে নকশা। ফুল লতাপাতা দেখি। কাঠের মধ্যে এমন সূক্ষ্ম কাজ খুব কমই দেখা যায়।

    হঠাই ফ্রান্সিস লক্ষ্য করল–ফুল পাখি লতাপাতা যেখানে শেষ হয়েছে তার নীচে বাঁদিকে আর ডানদিকে কিছু যেন কথা কুঁদে তোলা। ফ্রান্সিস বলল–সাজ্জিও লক্ষ্য করেছেন বোধহয় নীচের দিকে কিছু লেখা আছে।

    আপনি ঠিকই ধরেছেন। প্রাচীন গ্রীক ভাষায় লেখা বাইবেলের ‘নিউ টেস্টামেন্ট থেকে দুটো উদ্ধৃতি। সাজ্জিও বললেন।

    –উদ্ধৃতি দুটো কী? হ্যারি জানতে চাইল।

    সাজ্জিও বললেন–

    -বাঁ দিকের উদ্ধৃতিটি হচ্ছে–”দুঃখ কষ্ট ব্যথা বেদনারূপে ক্রুশ বহন যে না করে সে আমার অনুগামী হতে পারে না।”

    ডানদিকে আছে–”জীবনটা কেবল খাওয়াপরা নয় তার থেকে আরো অনেক বেশি।”

    ফ্রান্সিসরা বুঝল বড়ো গভীর অর্থময় উদ্ধৃতি দুটি। চার্লস সত্যিই একজন চিন্তাশীল মানুষ ছিলেন। শুধু খ্রীস্টভক্তই ছিলেন না।

    ওদিকে দুর্গের চত্বরে বন্দি শাঙ্কো বিস্কোরা ভাবছে কী করে ওখান থেকে পালানো যায়। পালিয়ে ওদের জাহাজে যাবে। বরং জাহাজেই বন্দি হয়ে থাকবে। এখানে এই উন্মুক্ত আকাশের নীচে এভাবে দিনের পর দিন থাকা চলে না। কিন্তু পালাবে ভাবলেই তো হবে না। কীভাবে পালাবে সেটাই আগে ভাবতে হবে। শাঙ্কো বিস্কোর সঙ্গে এই নিয়ে মৃদুস্বরে কথা বলছিল। শাঙ্কো বিপদ আঁচ করলেই যা করে এবারও তাই করেছে। কোমর থেকে বড়ো ছুরিটা বের করে ঢোলা জামার মধ্যে ছুরিটা ঢুকিয়ে রেখে দিয়েছে। প্রয়োজনের সময় বের করবে।

    শাঙ্কো তাই বলল–দেখো হাতে দড়ি কেটে ফেলা যাবে। কিন্তু দুর্গের দেয়াল ডিঙোবে কী করে? পাহারাদার সৈন্যরা তো ঘোরাফেরা করছে। ওদের একটাকে ঘায়েল করে তলোয়ার ছিনিয়ে আনা যায়। কিন্তু এত সৈন্যদের সঙ্গে লড়াই–অসম্ভব।

    –দেখা যাক–রাতের খাবার দেবার সময় কতজন সৈন্য থাকে। বিস্কো বলল।

    রাত হয়েছে তখন। চারজন পাহারাদার সৈন্য বন্দিদের খাবারদাবার জল নিয়ে এলো। হাত খোলা হবে না। সবার সামনে লম্বাটে পাতা পেতে দেওয়া হল। তাতে আধপোড়া। রুটি আর সবরকম আনাজপত্রের ঝোলমতো দেওয়া হল। সঙ্গে একটা করে মুরগির সেদ্ধ ডিম। হাত বাঁধা অবস্থাতেই সবাই খেতে লাগল। শাঙ্কো বিস্কো দু’জনেরই মনে পড়ল এরকম বন্দি অবস্থায় ফ্রান্সিসের উপদেশ–পেট পুরে খাও–খেতে ভালো না লাগলেও খাও। দুজনেই পেট পুরে খেল। একজন পাহারাদার কাঠের জালামতো জায়গায় জল নিয়ে এসেছিল। সে সবাইকে জল খাওয়াতে লাগল। শাঙ্কো সতর্ক দৃষ্টিতে লক্ষ্য রাখল। মশালের আলোয় দেখল বেশ কিছুটা দূরে সদর দেউড়িতে এখন সৈন্য সংখ্যা কম। যারা খাবার দিতে এসেছিল তারা খাবারের বড়ো বড়ো কাঠের এঁটো পাত্রগুলো নিয়ে চলে গেল। রইল শুধু যে পাহারাদারটি জল দিচ্ছিল–সে একা।

    শাঙ্কো ফিস ফিস করে ডাকল–বিস্কো। বিস্কো ওর দিকে তাকাল। শাঙ্কো মাথা নিচু করে বলল–আমার পোশাকের মধ্যে থেকে ছোরাটা বের করো। বিস্কো সঙ্গে সঙ্গে শাঙ্কোর ঢোলা গলা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে ছোরাটা তুলে আনল। তারপর নিজের দড়িবাঁধা দু’হাত দিয়ে ছোরাটা ধরে শাঙ্কোর হাতের দড়ি কাটতে লাগল। ছোরার খোঁচা লেগে শাঙ্কোর হাতের কয়েকটা জায়গা কেটে গেল। রক্ত পড়তে লাগল। জ্বালা করতে লাগল। শাঙ্কো মুখ বুজে সহ্য করল। ছোরার ঘষা লেগে একসময় দড়িটা কেটে গেল। খোলা হাতে শাঙ্কো ছোরাটা নিয়ে বিস্কোর হাতের দড়ি কেটে ফেলল। এবার বিস্কো বাকি বন্ধুদে হাতের দড়ি কাটতে লাগল। জল দিচ্ছিল যে পাহাদারটা সে তখন জলের পাত্র নিয়ে চলে যাচ্ছে।

    শাঙ্কো তখন বিস্কোকে ছোরাটা দিল। তখন সৈন্যটি ওদের সামনে দিয়েই যাচ্ছিল। বিস্কো অন্ধকারে এক লাফে সৈন্যটার কাঁধে ঝুলে পড়ল। পেছন থেকে ছেঁড়া দড়িটা দিয়ে সৈন্যটার গলায় ফাঁসমতো পরাল। তারপর দড়ি টানল। পাহারাদারটি টাল খেয়ে পাথর বাঁধানো চত্বরে পড়ে গেল। অজ্ঞান হয়ে গেল। শাঙ্কো কিছুক্ষণ চাপাগলায় বলল ছোরাটা দাও। আমার সঙ্গে এসো।

    দু’জনে হামাগুলি দিয়ে পাথরের দেওয়ালের দিকে চলল। সদর দেউড়ির মশালের নি আলো এত দূর আসে নি। দেয়ালের নানা জায়গায় খোঁদলে মশাল জ্বলছে। শাঙ্কো হামাগুড়ি দিয়ে অমনি একটা জ্বলন্ত মশালের কাছে এলো। বিস্কোও এলো। দুজনেই ভীষণ হাঁপাচ্ছে তখন। শাঙ্কো একবার দুর্গের দেউড়ির দিকে তাকিয়ে নিয়ে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে মশালটা নিয়েই দেওয়ালের গায়ে চেপে ধরল। ধোঁয়া বেরোল। মশালটা নিভেও গেল, এবার শাঙ্কো ফিস ফিস করে বিস্কোকে ডেকে বলল–বিস্কো এসোতোমার কাঁধে উঠে আমি দেয়াল ডিঙোবো।

    –পারবে? বিস্কো বলল।

    –পিরবো। মশাল রাখার আর একটা খোঁদল রয়েছে ওপরে। শিগগিরি এসো। শাঙ্কো বলল। বিস্কো এগিয়ে এসে দেয়াল ঘেঁষে বসল। শাঙ্কো ওর দুকাঁধে দু’পা রেখে দাঁড়াল। দেয়াল ধরে ধরে বিস্কো আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়াল। দেয়ালের মাথায় শাঙ্কো পৌঁছাতে পারল না। তখনও হাত তিনেক বাকি। শাঙ্কো অন্ধকারে এদিক-ওদিক তাকিয়ে দেখল মশাল রাখার খোদলটা একটু উঁচুতে ডানদিকে রয়েছে। শাঙ্কো দেয়ালে শরীর চেপে খোঁদলটায় ডান পা-টা রাখল। তখন শাঙ্কো ভীষণ হাঁপাচ্ছে। নাক মুখ দিয়ে একসঙ্গে শ্বাস টানছে। দেয়ালে শরীর চেপে খোঁদলে পায়ের চাপ দিয়ে আস্তে আস্তে শাঙ্কো চেপে দেয়ালের মাথায় উঠে বসল। বিস্কো চাপা গলায় বলল-সাবাস্ শাঙ্কো। হাঁপানির ঠ্যালায় তখন শাঙ্কো কথাও বলতে পারছে না। অবশ্য এখন কথা বলার সময়ও নয়। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল–বিস্কো–দেয়ালের ওপাশে এটা ন্যাড়াগাছ দেখেছি আমি। আমি ঐ গাছ বেয়ে বেয়ে নেমে যাবো। আমাদের জাহাজে যাবো। মোটা দড়ি নিয়ে আসবো। ঐ গাছটায় বেঁধে দেয়ালের এপাশে দড়ির অন্য মাথাটা ফেলে দেবো। তোমরা দড়ি বেয়ে বেয়ে দেয়াল ডিঙোবে। তোমরা একজন একজন করে যখন এপাশে দড়ি ধরে নামতে থাকবে তখন দেয়ালের ওপাশে অন্যেরা দড়িটা টান ধরে ধরে রাখবে। তাহলেই এপারে সহজে নেমে যাবে।

    শাঙ্কো এবার অন্ধকারে পা বাড়িয়ে ন্যাড়া গাছটার মগডালে শরীরের ভর রাখলো। তারপর শরীরে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে গাছটার কাণ্ড জড়িয়ে ধরল। দেখল–দুর্গের দেউড়িতে অনেক মশাল জ্বলছে কিন্তু সৈনসংখ্যা কম।

    শাঙ্কো আস্তে আস্তে গাছটার ডাল ধরে ধরে কাণ্ড বেয়ে মাটিতে নেমে এলো। তারপর অন্ধকারেই পাথর ভরা পথটায় চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ল। হাঁপানি তখন ছেড়ে গেছে।

    কিছুক্ষণ এমনি করে শুয়ে থাকায় হাঁপানি একটু কমল। এবার শাঙ্কো উঠে দাঁড়াল। ঐ হাঁপধরা অবস্থায় যতটা দ্রুত সম্ভব চলল ওদের জাহাজ যেখানে আছে সেই তীরভূমির দিকে।

    যেখানে জাহাজটা ছিল সেখানে শাঙ্কো এলো। জাহাজের কাছাকাছি আসতেই দেখল জাহাজ থেকে তীরভূমিতে পাতা কাঠের পাটাতনটা তুলে ফেলা হয়েছে। জাহাজের ডেক-এ একদল সশস্ত্র সৈন্য। দেখেই বুঝল ওরা রাজা পিটারের পাহারাদার সৈন্য। মুস্কিল হল। সোজা পথে দড়ি জোগাড় করা যাবে না। শাঙ্কো তাই ঠিক করল নোঙরের দড়িটাই নেবে।

    শাঙ্কো জলের ধারে এলো। আস্তে আস্তে জলে নেমে নিঃশব্দে জল ঠেলে চলল। জাহাজের সামনের দিকে অন্ধকারে এগিয়ে এবার নোঙরের কাছিটা ধরে ডুব দিল। অনেকটা নীচে নেমে ছোরাটা কোমর থেকে খুলল। তারপর ছোরা চেপে ধরে কাছিটা পোচ দিয়ে কেটে ফেলল। তারপর আস্তে আস্তে জলের ওপর ভেসে উঠল। এরপর জলের ওপরে কাছিটা কেটে ফেলল। এবার কাছিটা বাঁ হাতে ধরে ডান হাতে নিঃশব্দে সাঁতরাতে সাঁতরাতে তীরে উঠে এলো। পেছনে তাকিয়ে দেখল ওদের জাহাজটা তো এখন নোঙরহীন। হাওয়ার ধাক্কায় আস্তে আস্তে ভেসে চলেছে। জাহাজে বাড়তি নোঙর থেকে যে বন্ধুরা জাহাজে বন্দি আছে তারাই নতুন নোঙর লাগাবে। এখন দুর্গ থেকে বন্ধুদের মুক্ত করাই আসল কাজ। নোঙর থেকে কাটা কাছিটা গোল করে পেঁচিয়ে নিয়ে শাঙ্কো অন্ধকারে চলল দুর্গের দিকে।

    দুর্গের দেয়ালের কাছাকাছি গাছটার ওপর উঠল। গাছটার মাঝামাঝি কাণ্ডটার সঙ্গে কাছির একটা মুখ ভালো করে গেরো দিয়ে বাঁধল। গাছ থেকে নেমে এলো। কাছির অন্য মুখটায় একটা পাথর বাঁধল। এবার সেটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেয়ালের ওপর দিয়ে দুর্গের ভেতরে ছুঁড়ে দিল। শাঙ্কোর ভাগ্য ভাল। পাথরটা ভেতরের চত্বরে বন্দি কারো মাথায় পড়ল না। পড়ল চত্বরের ওপর। শব্দ হল। তবে খুব জোর শব্দ নয়। বিস্কো অন্ধকারে শব্দটা লক্ষ্য করে এগিয়ে এলো। পাথর বাঁধা কাছিটা দেখল। বুঝল শাঙ্কোই ছুঁড়েছে দড়ির মুখটা। বিস্কো বন্ধুদের ফিস ফিস করে বলল–শাঙ্কো কাছি ঝুলিয়ে দিয়েছে। একে একে পালাও। বন্ধুদের একজন কাছিটার কাছে এলো। কাছিটা টেনে দেখে বুঝল কাছিটা দেয়ালের ওপাশের গাছটার সঙ্গে বেশ শক্ত করে বাঁধা হয়েছে। বন্ধু যখন দেয়ালের কাছে গিয়ে কাছি দিয়ে বেয়ে উঠছে নীচে বিস্কো ওরা কয়েকজন কাছিটা টান টান করে টেনে ধরে রাখল। বন্ধুটি দেয়ালের মাথায় বসল। তারপর টান টান কাছিটা ধরে ধরে এগিয়ে গেল। শাঙ্কো এসে বন্ধুটিকে জড়িয়ে ধরল। মুক্তি।

    এবার বিস্কো সব বন্ধুকে একে একে দেয়ালের ওপাশে পার করে দিল। তারপর আনগেভিনের সৈন্যরা কাছি টেনে ধরে বিস্কোকে পার করাল। এরপর নিজেরা দেয়ালে উঠে পার হতে লাগল।

    বিস্কো দেয়ালের ওপর উঠে দেখেছিল দেউড়ির দিকে তাকিয়ে। সৈন্যরা দু’তিনজন জেগে আছে। তবে পাহারা দিচ্ছে না। গল্পগুজব করছে। মশাল জ্বলছে। এদিকে কারো দৃষ্টি নেই।

    বিস্কো পার হতেই ভাইকিংরা এবার ছুটল জাহাজ যে দিকে বাঁধা আছে সেদিকে। অন্ধকারে ছুটে চলল সবাই।

    সমুদ্রতীরে পৌঁছে দেখল নোঙরহীন ওদের জাহাজটা বেশ দূরে ভেসে গেছে।শাঙ্কো বলে উঠল–সবাই সাঁতরে চলো। সমুদ্রের সঙ্গে ভাইকিংদের নাড়ির টান। ওদের কাছে এই দূরত্বটুকু সাঁতরে যাওয়া কিছুই না।

    আস্তে আস্তে জলে নামল সবাই। শাঙ্কোর হুঁশিয়ারি শোনা গেল–কোনো শব্দ নয়। ভাইকিংরা নিঃশব্দে সাঁতরে চলল ওদের জাহাজের দিকে।

    জাহাজের কাছাকাছি এসে বিস্কো একটু গলা চড়িয়ে বলল–আমরা রাজা পিটারের পাহারাদার সৈন্যদের সঙ্গে লড়াই করবো। না। ওদের ধরে ধরে জলে ফেলে দেব।

    জাহাজের হালের কাছে এসে জড়ো হল সবাই। হালের খাঁজে খাঁজে পা রেখে রেখে প্রথমে শাঙ্কো উঠল। ডেক-এ নেমে এলো না। হালের পাশে অপেক্ষা করতে লাগল। আস্তে আস্তে প্রায় সবাই উঠে এল। দেখল ডেক-এ চার পাঁচজন রাজা পিটারের সৈন্য ঘুরে ঘুরে পাহারা দিচ্ছে। তবে তলোয়ার কোমরে গোঁজা।

    মুহূর্তে শাঙ্কো ছুটে এসে একজন পাহারাদার সৈন্যকে রেঙিলের দিকে ঠেলে নিয়ে এক ধাক্কায় জলে ফেলে দিল। শাঙ্কোর দেখাদেখি আর সবাইও তখন। ছুটে এসে বাকি পাহারাদার সৈন্যদের ঠেলে জলে ফেলে দিল।

    এতে একটু হৈ চৈ হল। নীচের কেবিনঘরের অস্ত্রঘরের পাহারাদার সৈন্যরা সিঁড়ি বেয়ে ওপরের ডেক-এ উঠে এলো। তাদেরও একই দশা হল। শুধু একজন পাহারাদার সৈন্য তলোয়ার চালিয়ে শাঙ্কোর কাঁধে ঘা মারতে পেরেছিল। শাঙ্কো আঘাতের কষ্টের মধ্যেও বলে উঠল–ওকে মেরো নাজলে ফেলে দাও। সবাই তাই করল। ওকে দোলাতে দোলাতে জলে ছুঁড়ে ফেলে দিল।

    এ সময় নীচের কেবিনঘর থেকে বাকি বন্ধুরা উঠে এলো ডেক-এ। পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে ধ্বনি তুলল–ও-হো-হো। মারিয়া ডেক-এ উঠে এলো। ওর আশা ছিল হয় তো ফ্রান্সিস হ্যারিও মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু দেখল মুক্ত ভাইকিংদের মধ্যে ফ্রান্সিস আর হ্যারি নেই।

    ওদিন ভেন শাঙ্কোর চিকিৎসা করতে লাগল। মারিয়াও শাঙ্কোর শুশ্রূষায় লেগে পড়ল। বিস্কো শাঙ্কোর কেবিনঘরে এলো। দেখল–শাঙ্কোর কাঁধ থেকে রক্ত পড়া বন্ধ। হয়েছে। শাঙ্কো এখন অনেকটা ভালো। ভেন আর মারিয়া শাঙ্কোর পাশে বসে আছে।

    বিস্কো বলল–শাঙ্কো তুমি যেভাবে আমাদের মুক্ত করলে তা প্রশংসনীয়। শাঙ্কো হেসে বলল–এসবই আমার ফ্রান্সিসের কাছ থেকে শেখা। ফ্রান্সিস বলে–বিপদের সময় মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হয়। কার্যকরী কোনো পন্থা বের করতে হয়, তারপর সেটা কাজে লাগাও।

    –ঠিক তাই–বিস্কো বলল–কিন্তু আমি ভাবছি পালিয়ে তো এলাম এবার ফ্রান্সিস আর হ্যারির না কোনো বিপদ হয়। মারিয়া বলল–বিপদ আর কী হতে পারে। বড়ো জোর ওদের দুজনকে বন্দি করে রাখতে পারে। তবে দু’জন তো, ফ্রান্সিস ঠিক হ্যারিকে নিয়ে পালাতে পারবে। ওদের জন্য ভেবো না। এখন আমরা কী করবো সেকথা ভাবো। শাঙ্কো বলল–আমি নোঙরের কাছি কেটে নিয়ে গেছি। আমাদের জাহাজ এখন নোঙরহীন। বিস্কো বলল–নতুন নোঙর কাছির ব্যবস্থা করা যাবে। কিন্তু আমাদের জাহাজটা কোথায় রাখবো? শাঙ্কো বলল–বেশ কিছুটা পুবে সমুদ্রতীরে চলো। দেখা যাক–জাহাজ লুকিয়ে রাখার কোনো জায়গা পাই কিনা।

    বিস্কো বলল–ভোর হবার আগেই আমাদের এই তল্লাট ছেড়ে পালাতে হবে। রাজা পিটারের জাহাজগুলো থেকে বেশ দূরে। আমাদের জাহাজ যেন ওরা দেখতে না পায়। ওরা সকালেই জেনে যাবে যে আমরা পালিয়েছি। আমরা যেসব পাহারাদারকে জলে ফেলে দিয়েছি তাদের কাছেও আমাদের জাহাজের খবর পাবে তখন আমাদের জাহাজ লক্ষ্য করে কামানের গোলা ছুঁড়লেই আমরা বিপদে পড়ে যাবো। কাজেই এক্ষুণি এই তল্লাট ছেড়ে পালাতে হবে। বন্ধুদেরও এই কথা বলেছি। বিস্কো এবার ডেক-এ উঠে এলো। বন্ধুদের ডেকে-এর কাছে আসতে বলল। তারপর বলল–এক্ষুণি একদল দাঁড়ঘরে চলে যাও। আমাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই এলাকা ছেড়ে পালাতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে একদল ভাইকিং দাঁড়ঘরে চলে গেল। অন্যদল পাল খুলে দিতে চলল। এবার বিস্কো জাহাজচালক ফ্লেজারকে বলল–জাহাজ পূর্বদিকে চালাও। ফ্লেজার হুইল ঘোরাল। বিস্কো পেড্রোকে বলল–তোমার জায়গায় উঠে যাও। লক্ষ্য রাখো তীরে কোনো ঘন জঙ্গলঘেরা জায়গা পাও কিনা। পেলেই বলবে। পেড্রো মাস্তুল বেয়ে নিজের নজরদারির জায়গায় চলে গেল।

    জাহাজ পুবমুখো চলল। বেশ দ্রুতই চলল।

    রাত শেষ হয়ে এলো। পুবদিকের আকাশ লাল হয়ে উঠল। সূর্য উঠতে দেরি নেই। পেড্রে মাস্তুলের ওপর থেকে চেঁচিয়ে বলল–তীরে একটা জংলা জায়গা দেখা যাচ্ছে। রেলিং ধরে বিস্কো আর মারিয়া দাঁড়িয়ে আছে। বিস্কো দেখল ওখানে একটা খাঁড়ি মতো। অনায়াসে জাহাজ খাঁড়িতে ঢোকানো যাবে।খাঁড়ির দুপাশে গভীর জঙ্গল। বাইরে থেকে জাহাজটাকে দেখা যাবে না।

    বিস্কো গিয়ে ফ্লেজারকে বলল–জাহাজ খাঁড়িটায় ঢুকিয়ে দাও। ওখানেই থাকবে জাহাজটা। ওখানেই আমরা ফ্রান্সিস আর হ্যারির জন্যে অপেক্ষা করবো।

    জাহাজটা বেশ দ্রুতই খাঁড়িটায় ঢুকে পড়ল। তখনই সূর্য উঠল। ভোরের নিস্তেজ আলো ছড়ালো সমুদ্রের জলে। জঙ্গলটার মাথায়।

    শাঙ্কোরা সারাদিন শুয়ে বসে কাটাল।

    বিকেলে শাঙ্কো ভাবল–কোথায় এলাম একটু দেখে আসি।

    শাঙ্কো জাহাজের পাটাতন দুটোর কাছে এলো।একভাইকিং বন্ধুকে বলল-পাটাতনটা পাতবো চলো।

    বন্ধুটি বলল–এসব জাংলা জায়গা। জাহাজ থেকে নামা কি ঠিক হবে?

    –আরে কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করে চলে আসবো। এখন তো আমাদের ফ্রান্সিস আর হ্যারির জন্যে প্রতীক্ষা করা ছাড়া কোনো কাজ নেই। এসো। শাঙ্কো বলল।

    শাঙ্কো আর বন্ধুটি মিলে জাহাজ থেকে দুটো পাটাতন ফেলল। পাটাতন দুটো পড়ল তীরের ঝোঁপঝাড়ের ওপর। বন্ধুটি বলল–তোমার একা নামা ঠিক হবে না। চলো আমিও তোমার সঙ্গে যাই।

    শাঙ্কো আর বন্ধুটি পাতা পাটাতন দিয়ে তীরে ঝোঁপজঙ্গলের মধ্যে নামল। শাঙ্কো ঝোঁপঝাড় দু’হাতে সরিয়ে হেঁটে চলল। পেছনে বন্ধুটিও শাঙ্কোর দেখাদেখি ঝোঁপজঙ্গল দু’হাতে সরিয়ে সরিয়ে চলল।

    কিছুক্ষণ হেঁটে এগোতেই দেখল এখানে ঝোঁপজঙ্গল কম। বিরাট বিরাট সব গাছ।

    শাঙ্কো চারিদিকে তাকিয়ে দেখছে তখনই নজরে পড়ল একটা পায়ে চলা পথ উত্তরদিকের জঙ্গলে ঢুকে গেছে। শাঙ্কো আশ্চর্য হল। এরকম জায়গায় তাহলে লোকজন যাওয়া-আসা করে। শাঙ্কোর বন্ধুটিও তখন অবাক। বলল–শাঙ্কো, মনে হচ্ছে এখানে লোকবসতি আছে।

    –ভাবছি রাস্তাটা ধরে যাবো কিনা। শাঙ্কো বলল। বন্ধুটি চারদিকেতাকিয়ে বলল শাঙ্কো–দেখো অন্ধকার নেমে আসছে। আর না এগিয়ে চলো জাহাজে ফিরে যাই।

    “তুই একটা ভীতুর ডিম। তুই চলে যা। আমি একাই যাবো। শাঙ্কো বলল।

    না-না। বন্ধুটি বলল-শাঙ্কো জীবনের ঝুঁকিনিও না। ফিরে চললা। বন্ধুটি শাঙ্কোকে বারবার সাবধান হতে বলল। কিন্তু শাঙ্কো কথা শুনলো না। পায়েচলা পথটা ধরে এগোতে লাগল। অগত্যা বন্ধুটিও শাঙ্কোর পেছনে পেছনে চলল। একটু এগোতেই জঙ্গল শুরু হল। জঙ্গল খুব ঘন নয়। ছাড়া ছাড়া গাছপালা।

    সন্ধে হতে দেরি নেই।পাখপাখালি বাসায় ফিরেছে। পাখির ডাকে এলাকাটা ভরে উঠেছে।

    কিছুটা এগিয়ে গেল দু’জনে। হঠাৎ শাঙ্কো দাঁড়িয়ে পড়ল। কয়েকটা গাছের ফাঁক দিয়ে দেখা গেল একটা পাথরের বাড়ি। বন্ধুটি বলল–শাঙ্কো কী হল? শাঙ্কো নিঃশব্দে আঙ্গুল তুলে পাথরের বাড়িটা দেখাল। বন্ধুটিও অবাক হল। এই জঙ্গলে পাথরের বাড়ি? শাঙ্কো বলল–তুমি এখানে থাকো। আমি আড়াল থেকে দেখে আসি এটা পোড়ো বাড়ি না লোকজন থাকে। বন্ধুটি দাঁড়িয়ে রইল।

    শাঙ্কো গাছপালার আড়ালে আড়ালে বাড়িটার কাছে গেল। কান পাতল। অস্পষ্ট কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। শাঙ্কো বুঝল বাড়িটায় লোজন আছে। এরা কারা? বাড়িটা পাথরের। মাথায় পাথরের ছাদ। দরজা জানালা ভাঙা। পাথরের কালচে দেয়াল এখানে ওখানে ধসে পড়েছে। একটা জানালা দিয়ে মশালের আলো দেখা যাচ্ছে।

    আর একবার ভালো করে চারদিক দেখে নিয়ে শাঙ্কো বন্ধুর কাছে ফিরে এলো। বলল–যতটা পারলাম দেখলাম। এখানে কিছু লোক রয়েছে। তারা কারা বুঝতে পারলাম না। চলো–আর কিছু দেখার নেই।

    দু’জনে ফিরে চলল। কিছুটা গিয়ে ওরা পায়েচলা পথ ছেড়ে ডানদিকের ঝোঁপঝাড়ে ঢুকল। গাছ ঝোঁপঝাড় পার হয়ে ওরা খাঁড়ির ধারে এলো। দেখল ওদের জাহাজটা বেশ কিছুটা উত্তরদিকে জলে ভাসছে।

    দু’জনে তির ধরে ঝোঁপজঙ্গলের মধ্যে দিয়ে তীরে এলো যেখানে ওদের জাহাজটা রয়েছে।

    পাতা পাটাতনে দিয়ে দু’জনে যখন জাহাজে উঠল তখন সন্ধে হয়ে এসেছে।

    বিস্কো আর কয়েকজন ভাইকিং ছুটে এলো। বিস্কো বলল–শাঙ্কো তোমাদের জন্যে আমাদের খুব ভাবনা হয়েছিল। কোথায় গিয়েছিলে?

    জাহাজ থেকে নেমে একটু ঘুরেফিরে দেখছিলাম। শাঙ্কো বলল।

    কী দেখলে? শুধু ঝোঁপজঙ্গল? বিস্কো বলল।

    –হ্যাঁ ঝোঁপজঙ্গলের মধ্যে একটা পাথরের বাড়ি। শাঙ্কো বলল।

    -বলো কি? এই ঝোঁপজঙ্গলের মধ্যে বাড়ি? তবে পোড়ো বাড়ি থাকতেও পারে। বিস্কো বলল।

    পোড়ো বাড়ি নয়। লোকজনও রয়েছে। শাঙ্কো বলল।

    আশ্চর্য! কারা থাকে ওখানে? বিস্কো বলল।

    –সেটাই তো বুঝতে পারলাম না। শাঙ্কো বলল।

    বোধহয় চোর ডাকাতের দল। বিস্কো বলল।

    “উঁহু-চোর ডাকাতরা অত গলা তুলে খোশগল্প করে না। শাঙ্কো বলল।

    –কোন্ ভাষায় ওরা কথা বলছিল? একজন ভাইকিং জানতে চাইল?

    –ওরা এখানে প্রচলিত গ্রীক ভাষাতেই কথা বলছিল। শাঙ্কো বলল।

    –ভাগ্যিস তোমাদের ওরা দেখতে পায় নি। বিস্কো বলল।

    –হ্যাঁ আমরা গাছের আড়াল থেকে সব দেখেশুনে দ্রুত চলে এসেছি।শাঙ্কো বলল।

    –তাহলে ওরা কারা তা তো বোঝা গেল না।

    –ওরা এই দেশেরই নোক এটা বোঝা গেল। এখন এরা আমাদের সম্পর্কে বা আমাদের জাহাজ সম্পর্কে কিছু জানে কিনা জানি না। এরা আমাদের শত্রু বা মিত্র তাও জানার উপায় নেই। শাঙ্কো বলল।

    –ঠিক আছে। আমরা কিন্তু এই জায়গা ছেড়ে যাবো না। বিস্কো বলল।

    দেখা যাক–আমাদের আবার কোনো বিপদ হয় কি না। শাঙ্কো বলল।

    ভাইকিংদের রাতের খাওয়া শেষ হল। সবাই জাহাজের ডেক-এ কেবিনঘরে ঘুমিয়ে পড়ল। শাঙ্কো, জঙ্গলের মধ্যে বাড়ি। লোকজন থাকে–ওখানে যারা থাকে তারা কারা। এসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে শাঙ্কোর দু’চোখ ঘুমে জড়িয়ে এলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরূপোর চাবি – অনিল ভৌমিক
    Next Article মাজোরকা দ্বীপে ফ্রান্সিস – অনিল ভৌমিক

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }