Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চিত্রা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাধনা

    এক

    বাবাকে বারান্দায় আসতে দেখে নুযহাত বলল, ‘বাবা, সুপ্রভাত।’

    ‘সুপ্রভাত, মা,’ মেয়ের দিকে তাকিয়ে স্মিত হেসে বললেন রফিক সাদি।

    ‘কখন উঠেছিস তুই?’

    ‘অনেক আগে, ভোরে।’

    ‘ভোরে ওঠা তো তোর অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে, ভাল।’

    ‘তুমিও আগে অনেক ভোরে উঠতে। আমাকে কতবার বলেছ, সকালের প্রথম আলো শরীরে মাখলে দূর হয় সব অমঙ্গল।’

    ‘ঘুম ভেঙে যায় আগেই। কিন্তু বিছানা থেকে আর উঠতে ইচ্ছা করে না।’

    ‘বাবা, আম্মু মারা যাওয়ার পর অনেক বদলে গেছ তুমি। স্ত্রী মারা গেলে এত কষ্ট পায় পুরুষমানুষ, তোমাকে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। ‘

    ‘তোর মাকে হারিয়ে আমার মধ্যে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনও কিছুতেই পূরণ হওয়ার নয়,’ দূরে তাকিয়ে বললেন রফিক সাদি। —কিছু কষ্ট কাউকে বোঝানো যায় না।’

    ‘কষ্ট কি আমি কম পেয়েছি, বাবা? কিন্তু জীবনের প্রয়োজনে মানুষকে স্বাভাবিক হতে হয়। প্রায়ই আড়াল থেকে দেখি, মায়ের ছবি বের করে তুমি কাঁদছ।’ নরম সুরে বলল নুযহাত, ‘তুমি অফিসে ঠিকমত যাও না। আগে টেনিস খেলতে যেতে, তা-ও ছেড়েছ। আগের মত তোমাকে বই পড়তেও দেখি না। সারাদিন মুখ গম্ভীর করে বসে থাকো।’

    ‘কিছু ভাল লাগে না রে,’ অপরাধীর মত বললেন রফিক সাদি। আমাকে আরও একটু সময় দে, দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    ‘কচু ঠিক হবে,’ বলল নুযহাত, ‘গত এক বছরে যখন ঠিক হয়নি, তখন হবেই না।’

    ‘আচ্ছা, ঠিক আছে, কাল থেকেই নিয়মিত অফিসে যাব।’

    ‘হুঁ, মনে থাকে যেন।’

    ‘তুই তো দিন-দিন আমার মায়ের মত হয়ে যাচ্ছিস। কোথায় তোকে সান্ত্বনা দেব, উল্টো তুই আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছিস।’

    ‘বাবা, তোমার কালো মুখ দেখলে আমার কষ্ট হয়।’

    ‘আচ্ছা, মা। আর মুখ কালো করে রাখব না। শুধু হাসব।’

    ‘গুড বয়।’ বাবার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল নুযহাত। ‘বাবা, তোমাকে কিছু বলতে চাই।’

    ‘অনুমতি নিচ্ছিস কেন? সরাসরি বলে ফেল।’

    ‘আমার বয়স গত ফেব্রুয়ারিতে ছাব্বিশ হয়েছে,’ নুযহাতের মাথা নিচু ‘হ্যাঁ। তা তো আমি জানিই।

    ‘সব বাবার উচিত সঠিক সময়ে সঠিক পাত্রের হাতে মেয়েকে পাত্রস্থ করা।’ বাবার দিকে তাকাতে লজ্জা লাগছে ওর।

    রফিক সাদি কিছুক্ষণ মেয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন, তারপর হো-হো করে হেসে উঠলেন। মেয়ের কান ধরে বললেন, ‘এমন কথা শিখেছিস কোথা থেকে?

    ‘বাবা, হেসো না। আমার লজ্জা লাগছে।’

    ‘আমি তো বেশ কিছুদিন ধরেই তোর বিয়ে নিয়ে ভাবছি। তোর কথায় আরও একটু জোর পেলাম। তোর কোনও পছন্দ আছে নাকি?’

    ‘হ্যাঁ, আছে।’

    ‘কী করে ছেলে? নাম কী?’

    ‘আমাদের সাথেই মাস্টার্সে পড়ছে। নাম জয়।’

    ‘ওহ্। চাকরি করছে না?’

    ‘বাবা, ওর আসলে চাকরি না করলেও চলবে। ওদের প্রচুর জায়গা-জমি। নানা ধরনের ব্যবসাও আছে।’

    ‘তবু ছেলে চাকরি না করলে, কেমন যেন দেখায় না ব্যাপারটা?’

    ‘চাকরি একসময় নিশ্চয় করবে। আপাতত ওর বাসা থেকে বিয়ে নিয়ে খুব তাগাদা দিচ্ছে।‘

    ‘ও, আচ্ছা, ঠিক আছে। ছেলেটাকে নিয়ে আয় একদিন।’

    ‘কালই আনি, বাবা?’

    ‘হ্যাঁ। দুপুরে আমার অফিসে আসতে বলিস।’

    ‘অফিসে কেন?’ নুযহাতের জিজ্ঞাসা।

    ‘ওর সাথে একটু সিরিয়াস বিষয়ে কথা বলতে চাই।’

    ‘ঠিক আছে, বাবা। ওকে অফিসেই যেতে বলব।’ চেপে রাখা নিঃশ্বাসটা ফেলল নুযহাত। ‘বাবা, চা খাবে?’

    ‘হ্যাঁ, দে।’

    নুযহাত চা আনতে গেল। চোখে-মুখে খেলা করছে আনন্দ।

    রফিক সাদির একটু বিষণ্ণ লাগছে। আসলে এত তাড়াতাড়ি তিনি মেয়ের বিয়ে নিয়ে ভাবছিলেন না। মেয়েটার বিয়ে হলে বড্ড একা হয়ে যাবেন। কিন্তু সবারই একটা নিজস্ব জীবন আছে। নুযহাতেরও অবশ্যই অধিকার আছে নিজের মত করে জীবনটাকে সাজিয়ে নেয়ার।

    আবারও চোখে পানি এল তাঁর। দ্রুত চোখের পানি মুছলেন।

    মেয়েকে চোখের পানি দেখাতে চান না রফিক সাদি।

    দুই

    ছেলেটির বসার ভঙ্গিটা বেশ অদ্ভুত। একদম সটানভাবে চেয়ারে বসে আছে। মনে হচ্ছে যেন সবে মাত্র আর্মির ট্রেনিং নিয়ে ফিরেছে। গায়ের রং শুধু কালো বললে ভুল হবে, পাতিলের তলাও তার চেয়ে উজ্জ্বল। চোখে কোনও প্রশ্ন বা উত্তেজনার ছাপ নেই। তাকিয়ে আছে একদৃষ্টিতে। পেশিবহুল হাতদুটো রেখেছে টেবিলের উপর। নিশ্চয়ই নিয়মিত ব্যায়াম করে। এমন শরীর বানানো চাট্টিখানি ব্যাপার নয়। রফিক সাদির দৃষ্টি জয়ের শরীরে ঘুরে বেড়াতে লাগল।

    হাসিমুখে বলল জয়, ‘আপনি আমাকে আজ দেখা করতে বলেছিলেন।’

    ‘তুমি জয়?’

    ‘হ্যাঁ।’ কোনও সামাজিক সম্ভাষণের মধ্যে যায়নি জয়। তার কথাবার্তা একদম সরাসরি।

    রফিক সাদির কেমন যেন অন্যরকম লাগছে। ভেবেছিলেন জয় ছেলেটা নার্ভাস থাকবে, উল্টো তাঁর নিজেরই নার্ভাস লাগছে। পরিস্থিতি হালকা করার জন্য বললেন, ‘তোমার বাবা কী করেন?’

    জয়ের চোখ কিছুটা সরু হয়ে এল। ‘বাবার নানা ধরনের ব্যবসা আছে।’

    ‘ও। তোমাদের বাসা কোথায়?’

    ‘ময়মনসিংহের কাছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এলেমদারি নামে একটা ছোট বন আছে।’

    ‘এলেমদারি বনের নাম শুনেছি।’

    ‘এলেমদারি বনের মধ্য দিয়ে আধা পাকা রাস্তা চলে গেছে। সেই রাস্তা ধরে পশ্চিম দিকে ১৫-২০ মিনিট হাঁটলেই হাতের ডান পাশে আমাদের বাড়ি দেখতে পাবেন।’

    ‘বনের মধ্যে বাড়ি?’

    ‘বন এখন আর আগের মত ঘন নেই,’ আশ্বাসের ভঙ্গিতে বলল জয়। ‘আমার দাদা ইংরেজদের কাছ থেকে নিলামে এই বনের জায়গাটা কিনে নেন, তারপর সেখানে বাড়ি তৈরি করেন। গত সত্তর বছর ধরে আমরা ওখানে আছি।’

    ‘কিন্তু একদম একা-একা বনের মধ্যে থাকো, কোনও সমস্যা হয় না?’

    ‘একা কোথায়? আমাদের ওখানে আরও অনেকগুলো বাড়ি উঠেছে। বাবা বেশ খানিক জায়গা ইতিমধ্যে বিক্রিও করে দিয়েছেন। তবে সমস্যা একটা আছে।’

    ‘কী সমস্যা?’

    ‘বনবিভাগ এলেমদারি বনের বেশিরভাগ জায়গা নিজেদের বলে দাবি করছে। এজন্য আদালতে মামলা চলছে। তবে আশা করি আমরাই জিতব।’

    জয়ের আত্মবিশ্বাসটা চোখ এড়াল না রফিক সাদির। ‘তো একদিন তোমার বাবা-মাকে আমাদের বাসায় আসতে বলো।’

    ‘আমার মা-বাবা তেমন একটা বাইরে বেরুতে চান না। তার চেয়ে আপনি একদিন আসুন আমাদের বাসায়। জায়গাটা আপনার ভাল লাগবে।’

    জয়ের বলার মধ্যে কিছু একটা ছিল। রফিক সাদির মনে হলো, আসলেই সেখানে যাওয়া দরকার।

    ‘আমি তা হলে আজ উঠি।’

    ‘হ্যাঁ, ঠিক আছে। তোমার বাবার মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে যাও।’

    ‘আমাদের ওখানে মোবাইলের নেটওয়ার্কে সমস্যা আছে। তাই সবসময় মোবাইলে পাওয়া যায় না। এই নিন বাবার নাম্বার।’

    জয় পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে দিল।

    তবে কি আগেভাগেই মোবাইল নাম্বার লিখে এনেছে?

    ভাল বুদ্ধি তো ছেলেটার!

    জয় চলে যাওয়ার পর রফিক সাদি কাগজটার দিকে তাকালেন। জয় যে মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে গেছে তাতে দুটো ডিজিট কম।

    কয়েক মুহূর্ত পর রফিক সাদির মুখে ফুটে উঠল চিন্তার ছাপ।

    তিন

    ‘বাবা, তুমি এলেমদারি কবে যাবে?’

    ‘কবে যাব এখনও ঠিক করিনি। আগে জয়ের বাবা-মা’র সাথে কথা বলি।’

    ‘ইয়ে…মানে, বাবা, বিয়ের কথা একটু দ্রুত এগুলে ভাল হত।’

    রফিক সাদি কিছুটা বিরক্ত হয়ে মেয়ের দিকে তাকালেন। পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিলেন। ‘ঠিক আছে, মা। দ্রুতই করব। জয়কে বল, তার মা-বাবাকে দিয়ে আমাদের বাসায় প্রস্তাব পাঠাতে। ছেলেপক্ষ বিয়ের প্রস্তাব না পাঠালে, কথাবার্তা এগোবে কীভাবে?’

    কঠিন গলায় নুযহাত বলল, ‘বাবা, ওঁরা কেউ বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসবেন না। তোমাকেই ওঁদের বাসায় যেতে হবে।’

    ‘আমি প্রস্তাব নিয়ে যাব!’

    ‘হ্যাঁ। সেকালের ধারণা নিয়ে বসে থাকলে তো মুশকিল, বাবা। ছেলেপক্ষকেই সবসময় প্রস্তাব পাঠাতে হবে, এমন কোনও লিখিত নিয়ম আছে?’

    ‘তুই এত রেগে-রেগে কথা বলছিস কেন?’

    ‘আমি মোটেই রেগে কথা বলছি না,’ চেঁচিয়ে বলল নুযহাত। ‘তোমার স্বার্থপরতায় অবাক হচ্ছি শুধু!’

    ‘স্বার্থপরতা?’ বিস্ময়ের সাথে জিজ্ঞেস করলেন রফিক সাদি।

    ‘হ্যাঁ। তুমি মনে করো, আমার বিয়ে হলে তুমি একা হয়ে যাবে। তাই এ ব্যাপারে তোমার কোনও আগ্রহ নেই।’

    নুযহাতের কথায় খুব কষ্ট পেলেন রফিক সাদি। বললেন, ‘মা রে, তুই হয়তো ঠিকই বলেছিস, তোর বিয়ে হয়ে গেলে আমি একা হয়ে যাব। কিন্তু বিশ্বাস কর, আমি খুব দ্রুতই জয়ের সাথে তোর বিয়ে দেব।’

    নুযহাত বাবার দিকে না তাকিয়ে দ্রুত রুম থেকে বের হয়ে গেল। রফিক সাদি লক্ষ করলেন, তার হাতে বেশ কয়েকটা তাবিজ সদৃশ জিনিস বাঁধা। তিনি সেগুলো তেমন গ্রাহ্য করলেন না। নিশ্চয়ই নতুন ফ্যাশন। কিন্তু মেয়েটা হঠাৎ এত খেপে গেল কেন? সে কি কোনও সমস্যায় পড়েছে? হঠাৎ করেই নিজের স্ত্রীর কথা মনে হলো রফিক সাদির।

    .

    রাত কত হয়েছে জানেন না রফিক সাদি। ইজিচেয়ারেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। কেন জানি হঠাৎই ঘুমটা ভেঙে গেছে। মনে হলো ঘরের ভিতর কোনও ঝামেলা হয়েছে। ঝামেলাটা কী তিনি ঠিক ধরতে পারছেন না। মনের ভিতর কেমন যেন এক ধরনের অস্বস্তি। তিনি ধীর পায়ে নুযহাতের ঘরের সামনে এসে দাঁড়ালেন। রুমে বাতি জ্বলছে। নিচু গলায় নুযহাত কারও সাথে মোবাইলে কথা বলছে। লুকিয়ে মেয়ের কথা শোনা এক ধরনের অপরাধ, তবু তিনি কৌতূহল দমাতে পারলেন না।

    নুযহাত বলছে, ‘আমি বাবাকে বলেছি। বাবা দুই-একদিনের মধ্যেই তোমাদের বাসায় প্রস্তাব নিয়ে যাবেন।

    ওপাশ থেকে কিছু বলা হলো।

    নুযহাত করুণ গলায় বলল, ‘বুঝতে চেষ্টা করো, আমাদের বিয়ে হওয়াটা জরুরি। না, না, আমার বাবা কখনোই অমন মানুষ নন।’

    আবার ওপাশ থেকে কিছু বলা হলো।

    নুযহাত উত্তেজিত গলায় বলল, ‘কী? বাবা তোমার সাথে খারাপ আচরণ করেছেন? এ কথা আগে বলোনি কেন? ঠিক আছে, আমি বাবাকে কিছু জিজ্ঞেস করব না…’

    কথোপকথন চলতে লাগল।

    রফিক সাদির মনে হলো তিনি ভুল শুনেছেন। তিনি তো জয়ের সাথে কোনও খারাপ ব্যবহার করেননি। তা হলে এসব কথার মানে কী? একটু পরে তিনি নুযহাতের কান্নার শব্দ শুনলেন। নিচু স্বরে কাঁদছে মেয়েটা। রফিক সাদির মনের ভিতর ওলট-পালট হতে থাকল। ইচ্ছা হচ্ছে দরজা নক করে মেয়ের সমস্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে। কিন্তু মেয়েটা হয়তো এসব ভালভাবে নেবে না। তাই তিনি নিজ রুমে ফিরে গেলেন। কিন্তু বাকি রাত তাঁর ঘুম হলো না।

    চার

    সকালে রফিক সাদি বাসার সামনে ছোট বাগানে পায়চারি করছেন। ড্রাইভার মহসিন এসে পিছন থেকে সালাম দিল। ‘বড় ভাই, আসসালামুলাইকুম।’

    পঁচিশ বছর ধরে মহসিন এই বাসায় আছে। রফিক সাদি নীচতলার দু’রুম মহসিনের জন্য ছেড়ে দিয়েছেন। মহসিন তার স্ত্রী, দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে সেখানে থাকে। বাড়ির ড্রাইভার হলেও রফিক সাদির সাথে তার এক ধরনের বন্ধুত্ব আছে। রফিক সাদিকে সে বড় ভাই বলে ডাকে।

    ‘অলাইকুম আসসালাম,’ বললেন রফিক সাদি।

    ‘কিছু নিয়ে ভাবছেন?’

    অন্য কেউ হলে রফিক সাদি এড়িয়ে যাওয়ার কথা চিন্তা করতেন। কিন্তু মহসিনকে তিনি ছোট ভাইয়ের মতই মনে করেন।

    ‘কিছু বিষয় নিয়ে চিন্তায় আছি। তোমাকে সময় করে বলব।’

    ‘বুঝতে পারছি মামণিকে নিয়ে চিন্তা করছেন।’

    ‘মেয়ে বড় হলে বাবার চিন্তা তো বাড়েই, আর মা-মরা হলে তো বাবার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে।’

    ‘ভাই, আজ কি অফিসে যাবেন?’

    ‘মনে হয় না। অফিসের কাজে মন দিতে পারি না। ম্যানেজারই এখন সব দেখাশোনা করছে। তবে আজ বাইরে বের হব।’

    ‘কোথায় যাবেন?’

    ‘কিছুক্ষণ পরে বলছি।’

    মহসিন লক্ষ করল, নুযহাত আসছে। এজন্যই হয়তো রফিক সাদি চুপ করে গেলেন। তিনি চোখের ইশারায় মহসিনকে চলে যেতে বললেন।

    এক রাতেই নুযহাতের চেহারায় কেমন যেন একটা পরিবর্তন হয়ে গেছে। কোটরের মধ্যে ঢুকে গেছে চোখগুলো, এলোমেলো হয়ে আছে মাথার চুল, কয়েকটা ব্রণও উঠেছে মুখে। মনে হচ্ছে রাতে একটুও ঘুম হয়নি।

    রফিক সাদি মেয়েকে দেখে ভিতরে-ভিতরে চমকে উঠলেও স্বাভাবিক গলায় বললেন, ‘মা, ঘুম ভাঙল?’

    নুযহাত বাবার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। মনে হলো বাবার কথা শুনতে পাচ্ছে না।

    রফিক সাদি নিজেই আবারও বললেন, ‘আজই জয়দের বাসায় যাব ভাবছি। কিন্তু জয়ের বাবার মোবাইল নাম্বারটা আমার কাছে নেই। তুই জয়ের নাম্বারটা আমাকে দিস।’

    ‘জয়ের নাম্বার আমার কাছে নেই।’

    ‘কী? নাম্বার নেই!’ নিজের বিস্ময়টুকু লুকাতে পারলেন না তিনি।

    ‘হ্যাঁ। জয় মোবাইল ব্যবহার করে না।’

    ‘কাল রাতে না তুই জয়ের সাথে মোবাইলে কথা বলছিলি?’ ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করলেন তিনি।

    ‘তুমি কী করে জানলে?’ ভুরু কুঁচকে পাল্টা প্রশ্ন করল নুযহাত।

    ‘পানি খেতে ডাইনিং রুমে গিয়েছিলাম, তখনই মনে হলো তুই কারও সাথে কথা বলছিস।’

    ‘আমার মোবাইল কাল রাতে ড্রইংরুমে চার্জে দেয়া ছিল, আমি কাল রাতে কারও সাথে মোবাইলে কথা বলিনি,’ ঝাঁঝাল কণ্ঠে বলল নুযহাত।

    ‘ও, আচ্ছা। তা হলে হয়তো ভুল শুনেছি।’

    ‘তুমি আজই জয়দের বাসায় যাও। ওর সাথে আমার কথা হয়েছে, ওর বাবা- মা আজই তোমাকে যেতে বলেছেন। ‘

    নুযহাতের কথা কেমন যেন খাপছাড়া লাগছে রফিক সাদির। একটু আগেই বলল, জয়ের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ হয় না, আবার বলছে, জয়ের সাথে কথা হয়েছে।

    ‘ঠিক আছে, যাব, মা।’

    ‘ঠিকানা জানো?’

    ‘হ্যাঁ, জয় বলেছিল, আমি খুঁজে নেব। চিন্তা করিস না।’

    ‘বাবা, এমনভাবে কথাবার্তা ঠিক করবে, যেন এক সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে হয়ে যায়। কোনও অনুষ্ঠানের দরকার নেই।’

    ‘তুই আমার একমাত্র মেয়ে, তোর বিয়েতে কোনও অনুষ্ঠান হবে না? আর এক সপ্তাহের মধ্যেই বিয়ে হতে হবে কেন?’

    ‘আমি এত কিছুর ব্যাখ্যা তোমাকে দিতে পারব না।’

    ‘আচ্ছা, আমি আজই যাব। এক সপ্তাহ না, তার আগেই তোর বিয়ে দেব।’ রাগটা সামলানোর চেষ্টা করেন রফিক সাদি।

    ‘এলেমদারি বনে ঢুকলেই বেশ কিছু বাড়ি-ঘর দেখতে পাবে,’ বাবার ভ্রূক্ষেপে পাত্তা না দিয়ে বলল নুযহাত। ‘জঙ্গলের কিছু জায়গা সাফ করে গোটা দশেক পরিবার সেখানে বসবাস করছে। তাদের যে-কারও কাছে জিজ্ঞেস করলেই ঝমঝম কুঠি দেখিয়ে দেবে।’

    ‘ঝমঝম কুঠি?’

    ‘ওটাই জয়দের বাড়ি।’ কথা শেষ করেই ঘুরে হাঁটতে শুরু করল নুযহাত। রফিক সাদি লক্ষ করলেন পা টলছে মেয়েটার। একবারও পিছন ফিরে তাকাল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনদী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article সোনার তরী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }