Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চিলেকোঠার সেপাই – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    লেখক এক পাতা গল্প595 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চিলেকোঠার সেপাই – ১১

    কথা বলতে বলতে শ্লোগান দিতে দিতে ওরা এগিয়ে যাচ্ছে, পার্কের ভেতর থেকে আসে বক্তৃতার আওয়াজ। আরো একটু এগোলে কথাগুলো স্পষ্ট হয়, ভাইসব, তেইশ বছর থেকে সোনার বাঙলার সম্পদে ফুলে ফেপে ওঠে পশ্চিম পাকিস্তান। বাঙলাকে শোষণ করে গড়ে তোলা হয় করাচি, লাহোর, ইসলামাবাদ। পশ্চিম পাকিস্তানের মরুভূমিতে খাল কেটে আজ ফসল ফলানো হচ্ছে, সেসব কার টাকায়? আমাদের বন্যা সমস্যার কোনো সমাধান হয় না। আমাদের কৃষক আজ পাটের দাম পায় না, বাঙলার ছাত্রসমাজ আমাদের এখানে তৈরি কাগজ কিনতে বাধ্য হয় বেশি দামে, বাঙালি বলে ভালো চাকরি থেকে আমরা বঞ্চিত। আমাদের অধিকার আদায়ের কথা বলার জন্য আমাদের নেতাকে কারাবন্দি হতে হয়, মিথ্যা ষড়যন্ত্রের মামলা চাপিয়ে তাকে নিঃশেষ করে দেওয়ার ফন্দি আঁটে আইয়ুব খান। ভাইসব, আমরা বাহান্ন সালে রক্ত দিয়েছে, বাষট্টিতে রক্ত দিয়েছি, উনসত্ত্বরের সূত্রপাত রক্তপাতের ভেতর। ভাইসব—।
    ভিক্টোরিয়া পার্ক ভর্তি মানুষ। শহীদ মিনারের বিশাল বেদীতে অনেক লোক, এদের বেশির ভাগই বিভিন্ন ছাত্র প্রতিষ্ঠানের নেতা ও কর্মী। বেদীর চারদিকে সিঁড়িতেও ছেলেরা বসে রয়েছে, কারো কারো হাতে পোস্টার-সটা বাশের চাটাই। পাশের রেলিঙটপকে উপচে পড়েছে মানুষ, দেওয়াল ঘেঁষে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে বা হাঁটতে হাঁটতে বক্তৃতা শুনছে। পূর্বদিকের গেট থেকে ফুচকাওয়ালা ঘুঘনিওয়ালাদের সরে যেতে হয়েছে ওপারে ইসলামিয়া কলেজের গেটে। এখান থেকে উল্টোদিকে ট্যাকসি-স্ট্যাণ্ডে ৩টে ট্রাক,ট্রাকে রাইফেল হাতে সদাপ্রস্তুত পুলিসবাহিনী। শীতের বিকালবেলাটা গড়িয়ে পড়েছে এই পার্কে, শেষ-রোদ লেগে শহীদ মিনারের গম্বুজ লালচে শাদা রঙে হাসছে। মাইকে এখন অন্য একটি কণ্ঠ, সাম্রাজ্যবাদী শক্তি পাকিস্তানে তাদের পা-চাটা দালাল আইয়ুব খান ও তার চেলাচামুণ্ডাদের দিয়ে এদেশের মানুষকে শোষণ করে চলেছে। এদেশের সাধারণ মানুষের পেটে আজ ভাত নাই, পরনে কাপড় নাই। অথচ সর্বহারা মানুষের শ্রমে উপার্জিত টাকায় কিছু মানুষ প্রতিদিন সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে। ঋণ ও সাহায্য নেওয়ার নাম করে সাম্রাজ্যবাদের পোষা কুকুর আইয়ুব খান দেশকে, দেশের মানুষকে বন্ধক দিয়ে রেখেছে বিদেশী প্রভুর কাছে। আজ বিশ্বের সর্বত্র, এশিয়া আফ্রিকা ল্যাটিন আমেরিকায় সর্বহারা মানুষ জেগে উঠেছে, সাম্রাজ্যবাদীদের দালাল মুৎসুদীদের দিন শেষ হয়ে এসেছে, কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষ আজ-।
    একটু গম্ভীর ও একটু হাসিহাসি মুখ করে আলাউদ্দিন সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠে। ১টি ছেলে এসে বলে, আলাতাফ ভাই, ওপরে চলেন। আলতাফ মাথা নাড়ে, ছাত্রদের মিটিং, আমরা শুনতে এসেছি।
    আলাউদ্দিন মিয়ার পেছনে খিজিরও সিঁড়ি বেয়ে ওঠে। কিন্তু বেদী পর্যন্ত না উঠে বসে পড়ে সিঁড়ির ওপরের দিকে একটি ধাপে। খিজির আলির পেছনে ছিলো মকবুল হোসেন। খিজির বসার সঙ্গে সঙ্গে লোকটা ওর পাশে দাঁড়ায়। আলাউদ্দিন উদ্যোক্তাদের একজনকে পাশে ডেকে কানের কাছে মুখ এনেকি বলে আর সেই উদ্যোক্তা দাঁড়ায় বক্তৃতারত ছেলেটির পাশে। ছেলেটি বলে, ‘ভাইসব, আর মাত্র একটি কথা বলেই আমি বিদায় নেবো। আমি কেবল এই কথা বলতে চাই যে, শুধু সরকার বদলালেই আমাদের দুঃখ কষ্টের অবসান ঘটবে না। সাম্রাজ্যবাদীরা চায় না যে আমদের ঘুণে-ধরা সামন্তবাদী ও পুঁজিবাদী সমাজে ব্যবস্থা থেকে আমরা মুক্ত হই। তারা তাই তাদের নানা রকম রঙ-বেরঙের দালাল দিয়ে—’ তার বক্তৃতা শোনা যায় না, বেদীর নিচেই একটি জটলা স্লোগান দিতে শুরু করে, জাগো জাগো’-‘বাঙালি জাগো। পণ্ডি, না ঢাকা?—‘ঢাকা ঢাকা। আগরতলা ষড়যন্ত্ৰ’-মানি না মানি না।
    এর মধ্যে অন্য একটি তরুণ মাইকের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। পাশে রঞ্জুর বাবার পিঠে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে আলাউদ্দিন মিয়া। মাইকে শোনা যায়, ভাইসব, আপনারা বসে পড়ুন, বসে পড়ুন আজ আমাদের মধ্যে উপস্থিত হয়েছেন আমাদের মহান শহীদ ভাইয়ের মহান পিতা। আপনারা জানেন, এখানে বক্তা বড়ো উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং বড়ডো তাড়াতাড়ি কথা বলতে থাকে; একই সঙ্গে মাইকে কোকো আওয়াজ শুরু হওয়ায় তার কথা কিছু বোঝা যায় না। একবার শোনা যায়, আমরা জানি, আমরা জানি, আমরা জানি- তার জানা জিনিসটা বলার সুযোগ পায় না, আরেকজন এসে মাইক দখল করে এবং বলে, গত ৮ই ডিসেম্বর পুলিশের গুলিতে নিহত ওয়াপদার তরুণ কর্মচারী শহীদ আবু তালেবের পিতা এখন আপনাদের সামনে কিছু বলবেন। তার কথা শেষ হওয়ার আগেই দক্ষিণ দিকের গেটের পামগাছের নিচে জটলা থেকে শ্লোগান ওঠে, সাম্রাজ্যবাদের দালালেরা’-‘হুশিয়ার হুঁশিয়ার। দুনিয়ার মজদুর’—এক হও’, ‘কেউ খাবে, কেউ খাবে না’– তা হবে না, তা হবে না’, ‘জোতদারের গদিতে –‘আগুন জ্বালো এক সাথে। মিল মালিকের গদিতে—আগুন জ্বলো এক সাথে।’
    এইসব শ্লোগান চলছে, তখন আবার বেদীর নিচে সেই জটলা থেকে দক্ষিণ দিকে মুখ করে কয়েকজন শ্লোগান দেয়, বাঙলার মজদুর’—এক হও, ছয় দফা ছয় দফা’-‘মানতে হবে মানতে হবে, আগরতলা ষড়যন্ত্র’—মানি না মানি না’, শেখ মুজিবের শেখ মুজিবের —মুক্তি চাই, মুক্তি চাই।’
    দুটো জটলা চিৎকার করার ভঙ্গি এমন যে, মনে হয় তারা যেন পরস্পরের দিকে শ্লোগান ছোড়াছুড়ি করছে। শ্রোতাদের বেশির ভাগই দুই দিকের শ্লোগানেই সাড়া দিচ্ছিলো। কিন্তু শ্লোগান আর থামে না দেখে লোকজন এদিক ওদিক তাকাতে শুরু করে। কিছু কিছু লোক রেলিঙের বাইরে যাবার উদ্যোগ নেয়। খিজির দাঁড়িয়ে মঞ্চে ওঠে এবং সেখান থেকে গোটা পার্কটাকে ভালো করে দ্যাখার চেষ্টা করে। মঞ্চে সবাই শিক্ষিত লোকজন। বেশির ভাগই ইউনিভারসিটি বা কলেজের ছাত্র, অন্তত ভদ্রলোক তা বটেই। কিন্তু এদের মধ্যে দাঁড়ালেও কেউ তাকে খেয়াল করে না, যেভাবে শ্লোগান-পাল্টা শ্লোগান চলছে তাতে মিটিঙের পরিণতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। আলাউদ্দিনও ঘাবড়ে গিয়েছিলো বৈকি! তার অনেক দিনের অভিজ্ঞতা, সে জানে যেন এসব ব্যাপার কেবল শব্দবাণে সীমাবদ্ধ থাকে না। ছাত্রদের মধ্যে কি ধরনের ঐক্য স্থাপিত হয়েছে কে জানে? ইউনিভারসিটিতে বছরের পর বছর ধরে ল ক্লাসে পড়ে-থাকা নেতাগুলো কি কিছুই আঁচ করতে পারে না? কৰ্মীদের অস্ত্র কখন যে মুখ থেকে হাতে সরে কোন শালা জানে?—আলাউদ্দিন তাই খিজিরকে একটু চোখ টিপে দেয়, সে যেন তার সামনেই একটু আড়াআড়িভাবে দাঁড়ায়। কিন্তু এই বাঙ্গুটার বুদ্ধি দাখো ব্যাট তার ইশারার কি বুঝলো, হাত দিয়ে মাইকের স্ট্যান্ড ধরে ফেললো। তারস্বরে খিজির চ্যাচাতে শুরু করে, ভাইসব ভাইসব, আপনেরা খালি খালি চিল্লাচিল্লি করেন ক্যালায়? খামোস মাইরা মিটিং হোনবার পারেন না? পাঁচজনে দশজনে একলগে নামছেন, খালি চিল্লাচিল্লি করবেন তো খালি হাউকাউ হইবো, কাম হইবো আপনের কেলাটা কাম করেন একলগে, হাউকাউ কইরেন না। হালার গ্যাঞ্জাম তো বহুত করছেন, অহন আল্লার ওয়াস্তে চোপাগুলিরে এটু আরাম দেন। খিজির আলির দৈর্ঘ্য ও কৃশতা, তার ভাঙাচোরা গাল, কাটখোটা মার্কা চেহারা, কালচে পুরু ঠোঁট কিংবা তার ঘোরতর স্থানীয় উচ্চারণে শ্রোতাদের মধ্যে দারুণ হাসাহসি শুরু হয়। এমনকি আলাউদ্দিনও হাসতে হাসতে তার পিঠে হাত রেখে বলে, ‘ল হইছে!’ লোকজন খুব হাসছে। যারা তাকে চেনে তারা তো হাসছেই, তারা জানে যে, কোথাও কোনো গোলমাল কি জটলা দেখলেই হাড্‌ডি খিজির সেখানে হাজির হয়ে চাপাবাজি করে। শ্রোতাদের বেশির ভাগই তাকে চেনে না, তারা আরো হাসছে। মাইকের সামনে এখন মকবুল হোসেন। কিন্তু লোকজন খিজিরের উচ্চারণ ভঙ্গি নিয়ে নিজেদের মধ্যে মুখ ভাংচাচ্ছে, মকবুল হোসেনের দিকে তাদের মনোযোগ দেওয়ার সময় কোথায়? আনোয়ার ও আলতাফ শ্লোগান ও পাল্টা শ্লোগানে আড়ষ্ট হয়ে পরস্পরের দিকে না তাকাবার চেষ্টা করছিলো। খিজিরের এই কাণ্ড দেখে তারা সহজ হলো নিজেদের মধ্যে খুব হাসাহসি করে। শ্লোগান বন্ধ করে ছেলেরা নিজেদের অজান্তেই খিজিরের আহবান মেনে নিয়েছে। খিজিরের প্রতি ঠাট্টা, কৌতুক ও বিদ্রুপের অভিন্ন প্রতিক্রিয়ায় বিভিন্ন জটলার ছেলেদের পরস্পরের প্রতি তেতো মনোভাব স্থগিত রইলো। আলাউদ্দিন মিয়া ঠোঁটে হাসি বিছিয়ে রেখেই ঘোষণা করে, এখন আপনাদের সামনে বক্তব্য রাখবেন শহীদ আবু তালেবের পিতা জনাব মকবুল হোসেন সাহেব।’ শ্রোতারা মোটামুটি চুপচাপ হয়ে মঞ্চের দিকে তাকিয়ে থাকে।
    কিন্তু মকবুল হোসেনজিভ দিয়ে ঠোঁট মোছে, বারবার মেছে। আমি বলার পর সে টোক গেলে এবং ফের শুরু হয় তার জিভ দিয়ে ঠোঁট মোছার গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তার পেছন থেকে একজন তরুণ নেতা বলে, বলেন না, বলেন না। এই গলা মাইকে বড়ো স্পষ্ট, বলেন, আইয়ুব-মোনেমের লেলিয়ে-দেওয়া পুলিসবাহিনী আমার ছেলেকে নির্দয়ভাবে হত্যা করেছে। কথাগুলো আস্তে বললেও মাইকে শোনা যায়। এবার শ্রোতাদের মধ্যে সাঙ্গাতিক নীরবতা। মকবুল হোসেনের ঠোঁট কাপে। পেছনের ছেলেটি ফের বলে, বলেন, বলেন। মকবুল হোসেন আস্তে আস্তে বলে, আমার ছেলে, আরু তালেব, আমার বড়োছেলে মোহাম্মদ আরু তালেব গত মাসের ৮ তারিখে নিউমার্কেটের সামনে নীলখেতের মোড়ে পুলিসের গুলিতে
    তরুণ ছাত্রনেতা প্রম্পট করে, বলেন মিছিল থেকে—’ মকবুল হেসেন বিড়বিড় করে,মিছিল থেকে মারা গেছে।’ ছাত্রনেতা ফের প্রম্পট করে, বলেন, আমার একটি ছেলে মারা গেছে, কিন্তু আমার ছেলের মতো লক্ষ লক্ষ ছেলেকে আজ আইয়ুব শাহী উচ্ছেদ করার জনো- ৷
    কিন্তু মকবুল হোসেনের ভারি গলায় বলা হয়ে যায়, আমার একটি ছেলে মারা গেছে, কিন্তু আমার আরেকটি ছেলে আছে। তাকে যদি না বাচাতে পারি? তাকে ক্যামনে বাঁচাই, ক্যামনে বাঁচাই? সে কাঁদতে শুরু করায় তার কথা একেবারে নেতিয়ে পড়ে। সে চোখে হাত দেয় না, নাক মোছে না। নাক থেকে চোখ থেকে পাতলা পানি গড়িয়ে পড়ছে। জনসভা নির্বাক হয়ে তার কান্নাজড়ানো ধ্বনি শোনে। মকবুল হোসেনের পাশে দাঁড়িয়ে খিজির বলে, মাহাজনে আপনেরে বেইজ্জত করছে, কন আরে কন না, কন না। কাব্দেন ক্যালায়?
    আলাউদ্দিন মকবুল হোসেনের ঘাড়ে আলগা করে হাত রাখে। লোকটি একটু ঝুঁকে পড়ে। তারপর আলাউদিনের ঘাড়ে মুখ গুঁজে সে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদে।
    খিজির বেশ উত্তেজিত। তার ঠোঁটজোড়া এমন বেসামালভাবে কাপে যে, ভয় হয় ঐ দুটো তার মুখ থেকে খসে নিচে না পড়ে। অস্থির ঠোঁটজোড়া থেকে বেরিয়ে আসে, কাব্দেন ক্যালায়? কথাটা কইবার পারলেন না? কন না। ডর কিয়ের? আমরা এ্যাঁতোটি মানুষ আছি না? কান্দনের কি হইলো? কইয়া ফালান, মাহাজনে আপনেরে ডাইকা লইয়া কেমুন বেইজ্জত করলো, কন না।’
    মঞ্চের ও সিঁড়ির লোকজন সমস্ত অডিয়েন্সের সঙ্গে মাইকে মকবুল হোসেনের ফোপানি শুনতে শুনতে তার প্রতি সহানুভূতিতে ও তার পুত্ৰশোকে বেশ বুদ হয়ে বসে ছিলো। খিজিরের এই সব উত্তেজিত অনুরোধও মাইকে ধরা পড়ায় মকবুল হোসেনের ফোঁপানি বারবার বিঘ্নিত হয়। লোকজনের মেজাজ চড়ে যায়, একজন বলে,আঃ! আরেকজন বলে, আপদটা এই দ্বিতীয়জনের গলায় শিশুদের কোলাহলে কাঁচা-ঘুম-ভাঙা মানুষের বিরক্তি, কুট্টিটার কমনসেন্স নাই!’
    মকবুল হোসেন তার বুকে মাথা রাখায় আলাউদ্দিন বড়ো অভিভূত। সমস্ত শ্রোতার চোখ এখন তার দিকে। তাকে দুই হাতে প্রায় আষ্ট্রেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরতে ধরতে কৃতজগদগদ কণ্ঠে আলাউদ্দিন ঘর্ঘর করে, ভাইসব, এটু শক্ত হইতে চেষ্টা করেন। একটু থেমে সে বলে, শক্ত হন, ডর কইরেন না, রহমতউল্লা সর্দাররে আমি সামলাইবার পারুম!’
    মিটিং শেষ হলে রিকশা আর পাওয়া যায় না। ওসমান ও আনোয়ারকে হাটতে হলো একেবারে রথখোলার মোড় পর্যন্ত। রিকশায় উঠে লাভটা কি হলো? মানুষে, গাড়িতে, স্কুটারে, রিকশায়, সাইকেলে নবাবপুর একেবারে ঠাসা। ওদের রিকশা কিছুক্ষণ চলে, ফের থামে। সামনে যানবাহনের স্রোত থামে, ওদের রিকশাও থামে, রাস্তাফের চলতে শুরু করলে রিকশাও চলে।
    মিটিং থেকে বেরুবার পর থেকেই আনোয়ারের মেজাজ চড়ে আছে, ব্যাটারা আছে খালি নিজেদের নিয়ে। নিজেদের লিডার, নিজেদের পার্টি ছাড়া কথা নেই। ওসমান বলে, নিজেদের কথা বলবে না কেন? পার্টিগুলো তো আর মার্জড হয়ে যায়নি।’
    ‘আরে ভাই, পাবলিকমিটিং তো সেমিনার নয়। সেমিনারে না হয় নিজের নিজের বক্তব্য বলতে পারে। এই পর্যন্ত বলে তাদের সামনে দাঁড়িয়ে-থাকা ১টি দোকানের সামনেসিমেন্ট আনলোড-করা ট্রাকের উদ্দেশে আনোয়ার গালাগালি করে, তারপর ফের বলে, শুধু নিজেদের কথাই বলবে তো ইউনিটি করার দরকার কি?
    বলতে দাও না’, ওসমান এমন করে বলে যেন মিটিঙে দলের বক্তব্য প্রকাশ করতে দেওয়ার মালিক আনোয়ার, বলতে দাও। দাখো মানুষ কার প্রোগ্রাম এ্যাঁকসেপ্ট করে।’
    আরে নাঃ এর মধ্যে যদি বুঝতে পারে যে, অন্য কোনো পার্টির প্রোগ্রামে মানুষ সাড়া দিচ্ছে তো ব্যাটারা নিজেরাই সেই ইসু নিজেদের নামে চালাবে।’
    তাহলে তো ভালোই। ওসমান হাসে, মনে করে তোমাদের প্রোগ্রাম ওরা এ্যাঁকসেস্ট করলো, তাহলে কি তোমাদের বিজয় হলো না?
    না। আমাদের প্রোগ্রাম ওরা নেবে শ্লোগান হিসাবে। কোনো প্রোগ্রামের পপুলারিটি বুঝে তাই নিয়ে শ্লোগান ঝাড়বে। এককালে অটোনমির নামে খড়গহস্ত ছিলো, পাকিস্তানের কনস্টিটিউশনে নাকি ৯৯% অটোনমি দেওয়া হয়েছে। আবার দাখো এরাই এখন আটোনমির চ্যাম্পিয়ন। এরপর দেখবে সোস্যালিজমকে নেবে শ্লোগান হিসাবে। অথচ কোনো ইসুকে এরা পিপলের কাছে নিয়ে যায়নি। যে কোনো পার্টির যে কোনো প্রোগ্রাম মানুষের মধ্যে পপুলার হলে সেটার শ্লোগানটা এরা পিক আপ করে নিয়েছে।
    কিন্তু একই প্ল্যাটফর্ম থেকে সবাই বললে লোকে কিন্তু বুঝতে পারে কার কথা জেনুইন, কারটা শুধু চাল মারা। এছাড়া কাজ করতে করতে ওয়ার্কারদের মধ্যে পরস্পরের মতামত সহ্য করার অভ্যাস গড়ে উঠতে পারে।’
    এখানে কি ধৈর্য পরীক্ষা আর পরমতসহিষ্ণুতার ট্রায়াল দেওয়া চলবে? কৈ, ঐ লোকটাকে তো বলতে দেওয়া হলো না?
    কোন লোক? আরে ঐ যে রিকশাওয়ালা না স্কুটার ড্রাইভার!—ঐ যে তোমাদের আলাউদ্দিন মিয়ার এমপ্লয়ি-ওকে তো বলতে দেওয়া হলো না! মতামতের আদান-প্রদান কি খালি ভদ্রলোকদের মধ্যে চালাচালি হবে?
    ওসমান এবার বিরক্ত হয়, তুমি বোঝে না! খিজিরকে বলতে দিলে বাড়িওয়ালা চটে গিয়ে আরু তালেবের বাবাকেও শহীদ করে ছাড়তো, অন্তত ঐ বাড়িতে থাকতে দিতো না।’
    কেন? বাড়িওয়ালা কি ফ্রি থাকতে দেয়? ফ্রি থাকবে? ওসমান ফিক করে হাসে, তিন তারিখের মধ্যে ভাড়া না দিলে দিনে দুবার, এক সপ্তাহ পার হলে দিনে চারবার তাগাদা দেয়।
    তাহলে এতো ভয় পাবার কি আছে? এই বাড়ি ছাড়লে আর বাড়ি পাবে না? পাবে না কেন? তবে ভাড়া বেশি দিতে হয়। বাড়ি বদলানো মানেই বেশি ভাড়ায় যাওয়া। আবার এই বাড়িতে যারা আসবে তাদেরও বর্তমান ভাড়া বেশি দিতে হবে। প্ররেমটা তুমি ঠিক বুঝতে পারবে না—। ওসমানকে কথা শেষ করতে দেয় না আনোয়ার, বুঝি। ঢাকায় বাড়িওয়ালা শালারা একেকটা থরো-ব্রেড হারামজাদা! দফায় দফায় ভাড়া বাড়াচ্ছে। এখন তো বছর বছর বাড়ে, এরপর ঈদে বাড়াবে, মহরমে বাড়াবে। শীতে বাড়াবে, গরমে বাড়াবে।’
    ওসমান হো হো করে হাসে, রোদে বাড়াবে, ছায়ায় বাড়াবে।’ তারপর ধরো বাঙালি জাতীয়তাবাদের তোড় যেভাবে আসছে তাতে মনে হয় শহীদ দিবস উপলক্ষেও বাড়াবে, পয়লা বৈশাখে বাড়াবে।’ আনোয়ার হাসতে হাসতে বললে ওসমান খুশি হয়। আনোয়ারও তো বাড়িওয়ালা। যাক, ওসমানের কথায় সে রাগ করেনি। হাসি থামিয়ে আনোয়ার বলে, আমাদের বাড়িতেও তো দেখি। আম্মা আর ভাইয়া ভাড়া বাড়াবার ব্যাপারে সব সময় একমত!
    ওসমান বিব্রত হয়, না সবাই তো একরকম নয়। তবে ধরে বাড়ি ভাড়া দেওয়াটা এখন একরকম ব্যবসা।’
    ব্যবসা কি বলছো? জমিদারী, জমিদারী!’ আনোয়ার অতিরিক্ত উত্তেজনা প্রকাশ করে, এ শালা আরেকটা পার্মানেন্ট সেটলমেন্ট। লর্ড মাউন্টব্যাটেন’স পার্মানেন্ট সেটলমেন্ট নাইন্টিন ফোর্টি সেভেন। এদিক ওদিক করে একটা বাড়ি বানাও, এক বাড়ি ভাড়ার টাকায় আরেকটা বাড়ি করো। সেকেন্ড টাইমে একটু পশ এরিয়ায়, থার্ড টাইমে গুলশান। ব্যস এক জেনারেশনেই বুর্জেয়া’
    বাড়িওয়ালাদের সম্বন্ধে কথা উঠলে আনোয়ার একটু বাড়াবাড়ি রকম চটে। অবশ্য ওদের বাড়ির বিশেষ ধরনের সুবিধা সে খুব একটা নেয় না! তার কলেজের চাকরির রোজগারের বড়ো ১টা অংশ তুলে দেয় মার হাতে। বাড়ির যে অংশে ভাড়াটেরা থাকে সেদিকে পারতপক্ষে পা মাড়ায় না। তাহলে এই বাড়িভাড়ার প্রসঙ্গ উঠলে সে এতো চড়া-গলা হয় কেন? ওসমান এ নিয়ে কোনোদিন ভাবেনি, এখনো ভাবলো না। তবে ভদ্রতা বলেও তো একটা কথা আছে। একজনের পরিবারের দুর্বল দিক যে কথায় এসে পড়ে তা এড়িয়ে চললে কি ভালো হয় না? ওসমান তাই আগের প্রসঙ্গে ফিরে যেতে চায়, খিজিরকে বলতে দিলে হতো কি, ও হয়তো রহমতউল্লা সর্দারের নামে যা তা বলতো, মিটিঙে ক্যাওস হতে পারতো!
    রাখো! বাড়িওয়ালা যতো শক্তিশালী হোক না, মানুষ যেখানে টোটাল এক্সপ্লয়টেশনের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে সেখানে তার পজিশন আর কি এমন শক্ত?
    সামনের ট্রাক সিমেন্টের বস্তা নামিয়ে দিয়ে স্টার্ট দিলো। কিন্তু আলুবাজারের মোড়ে ফের জাম। ওসমান সেই ট্র্যাফিক জামের কারণ খুঁজতে খুঁজতে বলে, না, আবু তালেবের বাবাকে যদি উৎখাত করে তো তার সমস্ত কষ্টটা বহন করতে হবে তাকে নিজেকে। আমাদের বাড়িওয়ালার যারা অপোজিট গ্রুপের লোক, তারাও তাকে কম ভাড়ায় বাড়ি দেবে না। টাকা পয়সার ব্যাপারে লোকটা একটু ট্রাবলে আছে, তালেব মারা যাবার পর—।’ ওসমানকে আনোয়ার মাঝখানে থামিয়ে দেয়, যার ছেলে মারা যায় পুলিসের গুলিতে তার আবার ভয় কি ? তার হারাবার আর কি আছে?
    আছে। আরো একটি ছেলে। দুটো মেয়ে আছে— ‘কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা নাকি? আনোয়ারের এই ঠাট্টায় ওসমান সাড়া দিতে পারে না। আনোয়ার বলে, ‘আর কি আছে, বললে না?
    ‘আর কি থাকবে, বলো? ছোটোখাটো চাকরি আছে, খেটেখুটে খায়, সাহসটা কম। ওর বলতে ইচ্ছা করছিলো যে, মবকুল হোসেন গরিব মানুষ, চট করে বিপ্লব করা তার পোষায় না। আনোয়ার একটু গম্ভীর হয়ে বলে, ঢাকা শহর বলে তোমাদের এইসব রহমতউল্লা এখন পর্যন্ত দাপটে আছে। গ্রামে অবস্থা অন্যরকম। তোমাকে বললাম, চলো একবার ঘুরে আসি। সামনের সপ্তাহে চলো।’
    ‘তোমার কলেজ? ‘আরে কলেজ তো সব সময় বন্ধ। একবার ছেলেরা স্ট্রাইক করে, একবার গভমেন্ট বন্ধ করে দেয়। বাকি সময়টা হয় রোববার, নয় ভ্যাকেশন। চলো, ঘুরে আসবে।’

    আমজাদিয়ায় এক কোণে ওদের টেবিলের সামনে রয়েছে শওকত। মাথাটা সে ঠেকিয়ে রেখেছে পেছনের দেওয়ালে। সামনে এ্যাঁশট্রেতে মোটা চুরুট থেকে পাতলা ধোঁয়া জালের মতো ছড়িয়ে পড়ে। আনোয়ার সামনে এসে বলে, একা যে?
    এর জবাব আমি কি করে দেবো? যারা আসেনি তাদের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব কি আমার? এই কথার সঙ্গে নিঃশব্দ হাসিতে তার মস্ত বড়ো মুখ ভরে যায়, চোখজোড়া ঢুলুচুলু। ওসমান জিগ্যেস করে, আপনার খবর কি?
    সার্থী হ্যাঁয় খুবসুরত-মওসম কা ইয়ে খবর হ্যাঁয়। শওকত গুনগুন করে গানটার সুর ভাজে। সুর ভাঁজতে ভাঁজতে আরো ছড়িয়ে বসে চোখ বন্ধ করে।
    চা খেতে খেতে আনোয়ার জিগ্যেস করে, ওসমান, তোমার ছুটি নেওয়ার কি করলে? ওসমান আমতা আমতা করে, একটু মুশকিল হচ্ছে দোস্ত। আমাদের সেকশনে একজন ছুটি নিয়েছে, তার আর ফেরার নাম নেই।’
    ‘আরে তোমার তো মেলা ছুটি পাওনা! একবার এ্যাঁপ্লাই করেই দ্যাখো না! ওসমান আমতা করে, না আবার একটা প্রাইভেট ট্যুইশনি নিতে হলো, এবার পরীক্ষা দেবে।
    ‘ইন্টারমিডিয়েট? না। এসএসসি, মানে ম্যাট্রিক দেবে।’ ‘এখন পরীক্ষা কোথায়? চলো তো যাই। ঘুরে এসে তৈরি করে দিও।’ ওসমান সিগ্রেট ধরাতে ধরাতে বলে, কিন্তু অঙ্কে খুব কাঁচা। তাড়াতাড়ি ম্যানেজ করা যাবে না। ওসমান ভাবে, ভালো করে দেখিয়ে না দিলে রানুট এবারও ফেল করবে। দায়িত্ব নিয়ে এভাবে কেটে পড়াটা কি ঠিক?
    এইসব গাধাগরুকে পড়াও কেন? তুমি না ভালো ছেলে না হলেতো পড়াও না। একটা ব্লান্ট ছাত্রকে পড়াতে বিরক্ত লাগে না?
    এইবার রানুর জন্য ওসমানের খুব খারাপ লাগে। মনে হচ্ছে একই অঙ্ক বারবার ভুল করার অপরাধে বাইরের একটা লোক এসে রানুকে বিশ্রীভাবে হেনস্থা করছে। খাতা থেকে মুখ তুলে রানু ওসমানের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। রানুর মুখ আস্তে আস্তে ঝাপশা হয়ে আসে, তখন রানু কি রঞ্জু কার মুখ ঠিক ঠাহর করা যায় না।
    ওসমান গম্ভীর হয়ে বলে, নিতে হলো। প্রিন্সিপলে অতোটা স্টিক করাটা আমাদের পোষায় না ভাই!’
    এদিকে ঝিমুনি বা তন্দ্রা থেকে সোজা হয়ে বসে নিভে-যাওয়া চুরুটে আগুন ধরাতে শওকত জিগ্যেস করে, এই রান্ট স্টুডেন্টটা কোন জেনডারের? উল্টোদিকের টেবিল থেকে উঠে আসে খালেদ। ঐ টেবিলটা থাকে কবিদের দখলে, খালেদও কবিতা না গল্প কি যেন লেখে। খালেদ এসেই শওকতকে বলে, কি ওস্তাদ, আউট হয়ে গেছেন নাকি?
    শওকত হাসে, এতো তাড়াতাড়ি? গুলসিতান থেকে পাঁচটা পেগ দিয়ে বউনি করে এলাম।
    পাঁচ পেগ মেরে দিলেন? পাঁচ পেগের কথা তার বিশ্বাস হয়নি। বিশ্বাস করার কোনো কারণও নাই। কি খেলেন? আনোয়ার জিগ্যেস করলে শওকত ফের হাসে, এই শীতে আর কি চলবে? দিস ওয়েদার হুইসপারস, হুইস্কি! হুইস্কি!
    খালেদ বলে, চলেন। এবার হাক্কায় একটু বঙ্গজননীর সেবা করা যাক উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে শওকত বলে,আসেন না! আনোয়ার, একটা পাইট মেরে আসি।
    আনোয়ার সরাসরি না করে, না, এক জায়গায় যেতে হবে।’
    খালেদ একটু ঠাট্টা করে বিপ্লব ত্বরান্বিত করার কাজে?
    শওকত তখন ওসমানকে আহবান জানায়, ওসমান?
    ওসমান সঙ্গে সঙ্গে রাজি। আনোয়ারের দিকে না তাকিয়েই কাল দ্যাখা হবে দোস্ত’ বলে শওকত ও খালেদের সঙ্গে সে বেরিয়ে যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }