Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চিলেকোঠার সেপাই – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    লেখক এক পাতা গল্প595 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চিলেকোঠার সেপাই – ৩৬

    আজ তাড়াতাড়ি আসবেন। দুপুরে আপা পড়তে আসবে। দরজায় তালা লাগাচ্ছিল ওসমান, সিঁড়ির ধাপে দাঁড়িয়ে রঞ্জু বলে, তাড়াতাড়ি আসবেন।
    রঞ্জ ফিকফিক করে হাসলে ওসমানের মাথার ভেতর রক্ত ছলকে ওঠে, অফিস ছুটি না হলে আসবো কি করে?
    ‘রবিবারে অফিস?
    আজ সোমবার। অফিস করে খেয়েদেয়ে ফিরবো। দেরি হবে।

    সার্জেন্ট জহুরের রক্ত-বৃথা যেতে দেবো না; গোলটেবিল না রাজপথ-রাজপথ রাজপথ’, ‘জেলের তালা ভাঙবো –‘শেখ মুজিবকে আনবো’ –ইত্তেফাঁকের সামনে ওসমানকে রিকশা ছেড়ে দিতে হলো। এখন প্রবলেম হলো,-মিছিল সম্পূর্ণ চলে যাওয়া পর্যন্ত ওসমান কি এখানে দাঁড়িয়ে থাকবে? নাকি মিছিলের ভেতর দিয়ে রাস্তা ক্রস করে অফিসে চলে যাবে? মিছিলে কামালকে দেখে ওসমান এই সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়,
    এই কামাল, অফিস থেকে বেরিয়ে এসেছেন? অফিসে কি স্ট্রাইক নাকি?
    ‘আজ রোববার না? আজ সোমবার। ওসমান জোর দিয়ে বলে, মতিঝিলের সব অফিস থেকে সবাই বেরিয়ে এসেছে।’
    আপনি কি পাগল হলেন নাকি? আজ রোববার। কামাল এগিয়ে যায়। ওসমান বিরক্ত হয়ে মিছিলের এক পাশে দাঁড়ায়, সোমবারকে বলার মধ্যে পাগলামির কি হলো ?
    ‘আরে ওসমান ভাই? আসেন, আসেন। শাহাদতের আহ্বানে ওসমান ওর পাশে চলতে শুরু করে। সোমবারের ব্যাপারটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সে উদগ্রীব, ‘আজ তো সোমবার, না? অফিসে বোধহয় স্ট্রাইক। কিন্তু রিকশা তো চলছে।
    এই ব্যাপারে শাহাদতের কোনো মতামত আছে বলে মনে হয় না, আপনার কথা একটু আগেই জিগ্যেস করছিলাম। ঐ যে আপনাদের পাড়ায় ঐ রিকশাওয়ালা—কি নাম যেন?— ওকে জিগ্যেস করলাম।
    খিজির? খিজির এসেছে নাকি? মিছিলে আছে? ‘হ্যাঁ সামনের দিকে। শাহাদতও জোর পা ফেলে সামনে চলে যায়, পেছনে চলে যায়, পেছনে কোনো কর্মীকে সে উপদেশ দেয়, প্রসেশনে ডেড-বডি আছে। পাবলিক যেন ওয়াইল্ড না হয়ে যায়! ওসমান তখন পাশের লোককে জিগ্যেস করে, কার ডেড-বডি ভাই ?
    লোকটি জবাব না দিলে পেছন থেকে কে যেন বলে, আপনি বোধ হয় পাকিস্তানের ইনফর্মেশন মিনিস্টার। আগরতলা মামলার আসামীকে ক্যান্টনমেন্টের ভেতর গুলি করে মারে, আপনি খবর রাখেন না?
    এইবার হঠাৎ করে মনে পড়ে, এই হত্যার খবর ওসমান পেয়েছে কাল বিকালে, রেক্সে বসে চা খেতে খেতে। সেই বন্দি কি বুলেটে নিহত ? ক্যান্টনমেন্টে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া আর কি ব্যবহার করবে? মিছিল চলছে, মিছিলের সঙ্গে হাটতে হাটতে ওপরদিকে তাকালে চোখে পড়ে উড়ন্ত ইলেকট্রিক তার থেকে ঝোলে বুকে-বুলেট-বেধা লাশ। দেখতে দেখতে মৃতদেহের ২ হাত থেকে ঝোলে আরো ২টো বুলেট-বিদ্ধ লাশ। ২ জনের ৪ হাত থেকে আরো ৪ জনের লাশ। মিছিলের ভেতর দিয়ে সেই লাশের উল্লম্ব সারি চলে, মানুষের সঙ্গে যে কোনো মুহুর্তে তাদের ঠোকাঠুকি লাগতে পারে। সবাইকে সাবধান করা দরকার। কিন্তু কামাল কোথায়? শাহাদত কোথায়? খিজির কোথায়? ওদিকে বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে মাইকে দুর্বোধ্য ধ্বনি বেজে ওঠে, ওসমানের মাথা ঘুরে ওঠে বো করে, দেখতে দেখতে মৃতদেহের সারির সঙ্গে সমস্ত মিছিল অদৃশ্য হয়ে যায়। টলোমলো পায়ে ওসমান ফিরে যায় নবাবপুরে, মোহাম্মদিয়া রেস্টুরেন্টে একটু বসে চা খায়। মনে হয় ওদিকে বোধ হয় সব শেষ হয়ে গেলো। কি শেষ হলো সে সম্বন্ধে স্পষ্ট কোনো ধারণা করতে না পেরে বাইরে এসে হাঁটতে থাকে নবাবপুর রোড ধরে। নবাবপুরে অজস্র মানুষ, প্রায় সবাই যাচ্ছে বায়তুল মোকাররমের দিকে। দক্ষিণে যাচ্ছে সে একা। দোকানপাট বেশির ভাগই বন্ধ, যানবাহন খুব কম। ওসমানের হাটতে খুব কষ্ট হচ্ছে। আজ বোধহয় গোটা ঢাকা শহর জুড়ে নবাবপুর প্রসারিত, এই রাস্তা আর শেষ হয় না।
    ঘরে ঢুকে গ্লাস দুয়েক পানি খেলে গলার খটখটে ভাবটা কমে, কিন্তু পেটের ওপর দিকটা চিনচিন করে ওঠে। ভুল হয়ে গেলো, কোথাও খেয়ে নিলো ভালো হতো। রানু যদি অঙ্ক করতে আসে তো এই দারুণ খিদে নিয়ে অঙ্কের ভুলগুলো সনাক্ত করা কঠিন হবে। খিজির এলে ভালো হতো। খিজির ঘরে থাকলে রানুর অঙ্কে ভুল ধরার দায়িত্ব থেকে ওসমান অব্যাহতি পায়। আবার খিজিরের কাচ থেকে জেনে নেওয়া যেতো যে ঐ বন্দির ঠিক কোন জায়গাটায় বুলেট বিদ্ধ হয়েছিলো। দরজা বন্ধ করে শুতে শুতে খিজিরের ওপর ওসমানের রাগ হয়: মিছিলের সামনে থেকে সে দিব্যি চলে গেলো, একবার খোজও করলো না, ওসমান মিছিল থেকে একরকম বহিষ্কৃত হয়ে একা একা এই দীর্ঘ পথ হেঁটে কি রকম ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। আর রাস্তাও বটে একখানা। আজ কি নবাবপুরের ভীমরতি ধরেছিলো যে গোটা ঢাকা মহর জুড়ে শালা শুয়েছিলো গতর ছড়িয়ে? আর্মানিটোলা, পটুয়াটুলি, ইসলামপুর, তাঁতীবাজার সব কি সে দখল করে বসেছিলো আজ? নবাবপুর ধরে হাটতে হাটতে গরমে হাসফাস করে, এই হাঁটার মনে হয় আর কোনো শেষ নাই। এদিকে খিদেও পেয়েছে খুব। দূরসম্পর্কের চাচার বাড়ি থেকে পাওয়া যায় মোট ২ আনা পয়সা, তা দিয়ে বাসে করে ঘরে ফিরবে, না টিফিন পিরিওডে কিছু খাবে? কতোকাল আগেকার সেই ক্ষুধা মেশে আজকের খিদের সঙ্গে। মাথার ভেতর ভোতা ঠেকে, ভোতা মাথায় কি বর্তমান কি অতীত কাউকেই ভালো করে ধরা যায় না। মাথার ভেতরটা বড়ডো দোলে, শুধু দোলে। এই দুলুনিতে ঘোড়ার গাড়ির গড়িয়ে চলাটা বেশ বোঝা যায়। সবেধন নীলমণি ২ আনা দিয়ে স্কুলের গেট থেকে আমড়া কি চালতার আচার খেয়ে ফেলেছে, এখন বাড়ি পর্যন্ত পাড়ি দিতে হবে হেঁটে। এতোটা পথ হাটা কি সোজা কথা? ওসমান তাই উঠে বসেছে একটা ঘোড়ার গাড়ির পেছনের পাদানিতে। কোচোয়ান টের না পাওয়া পর্যন্ত যতোদূর যাওয়া যায়। ঘোড়ার গাড়ি চলেছে, ঘোড়াজোড়া ছুটছে, গাড়ি গড়িয়ে যাচ্ছে, পেছনের পাদানিতে বসে দুলছে ওসমান। ভোতা ক্লান্তি ও একঘেয়ে দুলুনিতে তার ঘুম পায়। কোনো এক পিচ্চি কেটলিতে চা নিয়ে রাস্তা ক্রস করতে করতে চ্যাচায়, গাড়িকা পিছে মানু’। গোড়ার গাড়ির ছাদ থেকে কোচোয়ানের চাবুক এসে পড়ে তার মাথায় ও বুকে। গাড়ির পাদানি থেকে লাফিয়ে নামতে নামতে চাবুক উড়ে যায় সামনের দিকে। ঘোড়ার গতি বাড়ে। কোচোয়ান পলকের জন্য মুখ ফিরিয়েছিলো। আরে এ তো খিজির! খিজির তাকে চিনতে পারলে কি তার গাড়ি থেকে এভাবে নামিয়ে দেয়? খিজির! খিজির আরে আমি। দাঁড়াও। আরে এই খিজির—।
    কিন্তু খিজির আলি ফিরেও তাকায় না। ঘোড়ার গাড়ি দেখতে দেখতে চলে যায় অনেক দূরে। ওসমান রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তাই দেখছে, এমন সময় প্যাক প্যাক করে রবারের হর্ন বাজায় মুড়ির টিন মার্ক ঝরঝরে বাস। চমকে উঠে সরে দাঁড়ালে বাসের গায়ে কণ্ডাক্টর দমাদম বাড়ি মারে। বাসের প্যাক প্যাক আওয়াজে অথবা বাসের গায়ে কণ্ডাক্টর দমাদম বাড়ি মারার ফলে ওসমান বিছানায় উঠে বসে। কিছুক্ষণ পর বোঝা যায় দরজায় কে যেন আস্তে আস্তে টোকা দিয়ে চলেছে।
    আপনের শরীর খারাপ? রানু একবার আসছিলো, রঞ্জু আসলো কয়েকবার। সারাদিন দরজা বন্ধ। কি হইছে? মকবুল হোসেনের উদ্বেগ দেখে ওসমান হাসে, না এমনি।’
    অসময়ে ঘুমান? ভাত খাইছেন? ওসমান ঘড়ি দ্যাখে। একটু পর নিচে যাবো।’ কারফ্যুর ভিতর কৈ যাইবেন? কারফ্যু? . বিছানায় বেশ জুত করে বসে মকবুল হোসেন, বসতে বসতে ওসমানকে ভালো করে দ্যাখে। আজ খুব গোলমাল হইছে, জানেন না?
    ‘হ্যাঁ ফেরার সময় রথখোলার মোড়ে লাল রায়ট কারটা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম। টিয়ার গ্যাস ছুড়লো। আনোয়ার আর আমি একসঙ্গে ফিরছিলাম।
    বলতে বলতে ওসমানের ভুল ভাঙে, রথখোলার মোড়ে রায়ট কার দ্যাখার ঘটনাটি বেশ কয়েকদিন আগেকার। ওটা কি রথখোলার মোড়ে দেখলো? নাকি জিপিওর সামনে? নাকি আর্মানিটোলা স্কুলের মাঠে? তবে আজ সে কি দেখলো? ঘোড়ার গাড়ির পেছনের পাদানি থেকে খিজির তাকে নামিয়ে দিলো কবে?—মাথার ভেতর একটার পর একটা মরা গেরো পড়ছে, সেগুলো খোলা কি সোজা?
    মকবুল হোসেন বলে, কোন মিনিস্টারের বাড়ি নাকি আগুন লাগাইয়া দিছে। দ্যাখেন তো এরকম করলে দেশে ল এ্যাঁণ্ড অর্ডার থাকে?
    কখন? কোন মিনিস্টারের বাড়ি? মন্ত্রীর বাড়ির আগুনের শিখায় ওসমানের মাথার জট পুড়ে যায়, সবগুলো গেরো খুলে গেলে চেয়ারে বসে সে সিগ্রেট ধরায়।
    ‘দ্যাখেন তো মিনিস্টারের বাড়ি পোড়াইলে লোকসান কার? এই ঘটনায় মকবুল হোসেন বেশ অসন্তুষ্ট, গভর্মেন্ট প্রপার্টি মানে পাবলিক প্রপার্টি, তাই না?
    হোস্টাইল আর এনিমি গভর্মেন্টের প্রপার্টিতে মানুষের রাইট কতোটা? এসব থাকলে মানুষের লাভ কি? নষ্ট হলেই বা কি?
    কিন্তু বাড়াবাড়িটা কি ভালো? এই যে জ্বালানো পোড়ানো শুরু হইছে—। ‘গভমেন্ট এতোদিন ধরে, এতোকাল ধরে যে অত্যাচার চালাচ্ছে, তার তুলনায় এটা কি? মানুষ যদি এটুকু না করে তো নেতাদের আপোষ করার স্কোপ থাকে, বুঝলেন? তার কথা মকবুল হোসেন বুঝলো কি-না পরোয়া না করে ওসমান বলে, ‘জ্বালানো পোড়ানো এমন অবস্থায় এসেছে যে বড়ো বড়ো নেতারা ইচ্ছা করলেও আর পিছিয়ে যেতে পারবে না। ধরেন, ইচ্ছা থাকলেও শেখ সায়েব কি এখন প্যারোলে বেরিয়ে এসে রাউন্ড টেবলে যেতে পারবে?
    ‘না, এখন আর প্যারোলে আসে ক্যামনে? আর দ্যাখেন, গভমেন্ট নিজেই আইন মানে না। কথায় কথায় গুলি করে, নিরীহ মানুষকে খুন করে তো পাবলিক সে তুলনায় কি করেছে, বলেন?
    কি করছে? প্রশ্নবোধক বাক্যটি দিয়ে মকবুল হোসেন ওসমানের ওপর আস্থা জানায়। তার নিজের বা পারিবারিক বা বড়োজোর পেশাগত ব্যাপারের বাইরে কোনো বিষয়ে মতামত পোষণ করার সুযোগ তার কোনোদিন হয়নি। ওসমানের মতামত সমর্থন জানাবার জন্য তাই সে ছটফট করে। আমার তালেবটারে দ্যাখেন না, কথা নাই বার্তা নাই-। আবার আরু তালেব এবার গোটা ঘর জুড়ে ঝুলে থাকার আয়োজন করছে? ওসমান উঠে দাঁড়ায়, ছাদে যেতে যেতে আড়চোখে ঘরের ভেতরটা তদন্ত করে। না, ঘরের শূন্যতা একেবারে নিরাভরণ।
    ছাদে পেচ্ছাব করে ঘরে ফিরতে ফিরতে সিঁড়ির কোনো ধাপ থেকে শোনা যায় রানুর গলা, আচ্ছা। মকবুল হোসেন বলে, ভাত উপরে পাঠাইয়া দিস।
    সিঁড়ির দিকের দরজা দিয়ে ওসমান দ্যাখে রানু আস্তে আস্তে নেমে যাচ্ছে। এই ঘরের আলো একটু ময়লা হয়ে পড়েছে সিঁড়ির কয়েকটা ধাপ পর্যন্ত। রানুর পিঠ জুড়ে ছড়ানো চুল। চুলের ওপর পড়ে আলো একটু সাফসুতরো হয়েছে, চুলের রাশি তাই চিকচিক করে। ওসমান ওর চুল দেখতে দেখতে মেয়েটা সিঁড়ির বাক ঘুরলো। সেখানে অন্ধকার। রানুর ঠিক পেছনের ধাপে আরু তালেবের বুলেট-বিদ্ধ শরীর। ওসমান ঐ দরজার কাছে গেলে রানুকে সতর্ক করার জন্য ছোট্রো করে কাশলে রানু পেছনে তাকায়। তালেবের শরীর তখন সলিড আকার ধারণ করেছে। তাই দেখেও রানুর চেহারা অপরিবর্তিত রয়ে যায়। রানুর পেছনে তালেবও অন্ধকারে নিচে নেমে গেলে ওসমান দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়ে, নাঃ মরে যাওয়ার পরও তালেব রানুর আস্থা এতটুকু হারায়নি।
    চেয়ারে বসে ওসমান ভদ্রতা করে, আবার ওকে খাবার আনতে বললেন কেন? ঘরে পাউরুটি ছিলো।
    ঘরে যা আছে তাই খাইবেন। ইলিশ মাছ খান তো? তালেবের মায় সর্ষা বাটা দিয়া ইলিশ মাছ রানছে।
    ‘খাই। ইলিশ আমার ভালো লাগে। ছোটবেলায় ঢাকায় এলে আব্বা রোজ ইলিশ মাছ আনতেন। গ্রামে থাকতেও পদ্মার ইলিশের নাম শুনতাম খুব।
    ‘ধলেশ্বরীর ইলিশ যদি খাইতেন তো বুঝতেন। ধলেশ্বরীর—। মকবুল হোসেন হঠাৎ খেয়াল করে যে চোখজোড়া যতোটা পারে খুলে সিঁড়ির দিকে তাকিয়ে রয়েছে ওসমান। তার ঠোঁট আবার সেই পরিমাণ চাপা। মনে হয় ভয়ে কিংবা বিস্ময়ে তার জ্বজোড়া কাঁপছে। মকবুল হোসেনও ভয় পায়, কি হইলো? কি?
    ওসমানের মনোযোগে এদিকে ফেরাতে না পেরে মকবুল হোসেন বিছানা থেকে নেমে সিঁড়ির দরজার দিকে যায়। সিঁড়ির প্রথম কয়েকটি ধাপে ঘরের আলোর ময়লা আঁচল লোটানো। ধাপে ধাপে আলো আরো ময়লা হয়। অন্ধকার গাঢ় হতে হতে নিচের ধাপগুলোকে নিজের খাপের ভেতর গায়েব করে ফেলে। ভয় পাইছেন? মকবুল হোসেন স্নেহতেলতেলে আওয়াজে তার ভয় তাড়াবার চেষ্টা করে, ভয়ের কি আছে? ঐ্যা? আমি আছি না?
    ভয় পাবো কেন? ওসমান চটচটে আদর প্রত্যাখ্যান করে, আরে ভাই ভয় পাওয়ার কি হলো? এতো সহজে ঘাবড়াই না আমি, বুঝলেন? কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মনে হয় একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলো। এর ক্ষতিপূরণ হিসাবে মকবুল হোসেনকে ধলেশ্বরী ও ইলিশের প্রসঙ্গ ফিরিয়ে দিতে চায়, ইলিশ তো জানি পদ্মারই ভালো।
    একটু আগে প্রকাশিত ওসমানের বিরক্তি মকবুল হোসেন গায়ে মাখে না। কেউ রাগ করলে বা বিরক্ত হলে তার প্রতিক্রিয়া দ্যাখানো মানে নতুন ঝামেলা তৈরি। এছাড়া ধলেশ্বরী তার বড়ো প্রিয় বিষয়। এ থেকে চট করে সরে আসা তার পক্ষে কষ্টকর। মকবুল হোসেন তাই ওসমান গনির শেষ বাক্যে সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দেয়, সেই কথা আমি কইলে আপনে মানবেন কেন? একবার চলেন। আমাগো বাড়ি ধলেশ্বরীর উপরেই। আমাগো এলাকায় যে হাঁটে যান ধলেশ্বরীর ইলিশ উঠছে তো পদ্মার ইলিশ থাইকা দাম এটু বেশি থাকবেই।’
    ‘সত্যি? মাথা থেকে অবাঞ্ছিত সব ছবি মুছে ফেলার জন্য ওসমান তৎপর, কিরকম বেশি?
    তার ঠিক আছে? আমাগো ছোটোবেলায় এক আনা ছয় পয়সা বেশি হইলেই অনেক বেশি।
    বলেন কি?’ তয়? ওসমানের বানানো-বিস্ময়ে মকবুর হোসেন অভিভূত হয়, ‘পদ্মার ইলিশ তিন আনা জোড়া তো ধলেশ্বরীরটা চাইর আনা, আঠারো পয়সা। আর মাছ পাওয়াও যাইতো! আমাগো হাঁটে বর্ষাকালে ইলিশের আমদানী হইছে এমন, কি কমু?-হাঁটের মধ্যে কুলায় নাই, জাইলারা হাই ইশকুলের ফিল্ডে বসছে চুপড়ি লইয়া – হঠাৎ বেশি কথা বলার লজ্জা বা ক্লাস্তিতে মকবুল হোসেন একটু হাসে। এরপর লজ্জা কাটাবার জন্য সে চলে আসে বর্তমানের সমস্যায়, তাইতো চিন্তা করি, বাপদাদায় কি খাইছে, আর আমরা কি খাই। সংসার চালাইতে পারি না। ছেলেমেয়ে ল্যাখাপড়ার খরচ কেমন বাড়ছে, দ্যাখেন না? এক মাইয়ারে তো আল্লা আল্লা কইরা পার করছি, আরেক মাইয়ার বিয়া দিতে হইবো। বিয়াশাদীর খরচ– ‘ –
    মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছেন না? ওসমান বেশ সিরিয়াস। কোনোদিন কারো বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া দূরের কথা, কোনো বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজনের সঙ্গে সে জীবনে কখনো জড়িত ছিলো না। এই প্রথম একটা সুযোগ পেয়েছে, এটা সে হারাতে চায় না, রানুর বিয়ের ব্যাপারে একটা কথা ছিলো।’
    রানুর বিয়ের ব্যাপারে ওসমানের উৎসাহকে বেহায়াপনা ভেবে মকবুল হোসেন বিরক্ত হওয়ার বদলে বরং লজ্জা পায় এবং ছেলেটার বেহায়াপনা আড়াল করার উদ্যোগ নেয় সে নিজেই, রানুর মায়ে আমারে কয়দিন বলছে। আপনার ফাদার তো ইন্ডিয়ায় থাকে, না? বাবাজীগো বাড়ি ওয়েস্ট বেঙ্গলের কোন জেলায়? পার্টিশনের আগে কইলকাতা গেছি কতোবার তার হিসাব নাই। গোয়ালদের জাহাজে উঠছি, সেই সময় ঐ জাহাজ–। তার ভ্রমণ কাহিনী বর্ণনা বন্ধ করে দেয় ওসমান, বাড়িওয়ালা আপনাকে কিছু বলেনি?
    জী? আমাগো বাড়িওয়ালা? মকবুল হোসেন হঠাৎ ভয় পায়। ‘জী। রহমতউল্লা সায়েব রানুর জন্য একটা প্রস্তাব নিয়ে আসেনি? অপরাধবোধ নুয়ে-পড়া গরিবের মতো চোখমুখমাথা নিচের দিকে নুইয়ে মকবুল হোসেন কৈফিয়ৎ দেয়, মাইয়া যখন আছে তখন কতো প্রস্তাব আসবো। বাড়িঅলাও একটা লইয়া আসছে। কথা বলতে বলতে সে সাহস সঞ্চয় করে, আমার মাইয়ারে আমি কৈ বিয়া দেই না দেই, সেইটা দেখুম আমি। বাড়িআলারে পরোয়া করি? আরে কতো বাড়িআলা দেখলাম। আমারে চাপ দেওয়াইয়া কাম করাইতে পারে এমন মানুষ—।
    তার সিংহপুরুষসুলভ সাহসের প্রতি ওসমান একেবারে উদাসীন, কেন? বাড়িওয়ালার প্রস্তাব খারাপ কি? ছেলেটার বাপ তো বেশ ভালো ব্যবসা করে, ছেলের নামে নবাবপুরে হার্ডওয়্যারের দোকান থাকা কি কম কথা? ঢাকায় পৈতৃক বাড়ি, আবার মার্কেট তৈরি করছে। আর কি চান?
    ভয়-পাওয়া ও সুবোধ ছাত্রের মতো মকবুল মিনমিন করে, না, আমরা মানে একটু ল্যাখাপড়ার কথা ভাবছিলাম। ছেলের যদি ল্যাখাপড়া তেমন না থাকে তো—।’
    রাখেন লেখাপড়া টাকাপয়সা রোজগারের জন্যেই তো লোকে লেখাপড়ার করে। একটু প্র্যাকটিক্যাল হতে চেষ্টা করেন।’
    ‘না, ধরেন, মেয়েটা আমার আবার একটু লাখাপড়ার ভক্ত। তারও একটা মতামত-। আপনাকে বলি, মাইল্ড করবেন না, রানু লেখাপড়ায় ভালো করতে পারবে না। অঙ্কের মাথা একেবারে ভাল। প্রোপোজালটা রিফিউজ করবেন না।
    এই সময়ে ট্রেতে করে খাবার নিয়ে আসে রানু। গামলা ভর্তি ধোঁয়া-ওঠা ভাত, ইলিশ মাছের সৰ্যে-বাটা পাতুড়ি, আলু ভর্তা এবং কুচি কুচি করে কাটা ঢেঁড়সের চচ্চড়ি। আপাতত এর কোনোটিতেই ওসমানের রুচি নাই। রানুর কপালে লাল টিপ। তার চুল এখন দুটো বেশী হয়ে সামনে এসে ঢেউ তুলে নেমে গেছে কোমরের দিকে। তার নাকে ঘামের বিন্দু নাই, সেখানে পাউডারের আভাস। ওসমান স্বচ্ছন্দে কয়েকবার তাকে দ্যাখে। কারফ্যুর ভেতর ওর এই সাজগোজ দেখতে আসবে কে? টেবিলের ওপর ট্রে ঠিক করে রাখতে রাখতে ওসমান বলে, তুমি যাও। আমার খেতে এখনো অনেক দেরি। সকালবেলা প্লেট বাটি সব পাঠিয়ে দেবো।’
    বাপের সঙ্গে রানু নিচে চলে গেলে হঠাৎ-শ্রমের ক্লান্তিতে ওসমান বড়ো বড়ো নিশ্বাস ফেলে। এইভাবে ৯/১০টা নিশ্বাস ফেললে বেশ সহজ বোধ করে। তার সমস্ত শরীরের ভার যেন পাম্প করে বার করে দেওয়া হলো। হয়তো এই কারণে তার বড়ডো খিদে পায়। হাতটাতে না ধুয়েই গপগপ করে খেতে শুরু করলো। ভাতের গামলায় আলু ভর্তা, ঢেঁড়সের চচ্চড়ি, ডাল এক সঙ্গে মেখে যতোই খায় মনে হয় পেটের সবটা বোধহয় খালিই পড়ে রয়েছে। এতো যে খাচ্ছে, শরীরের অজস্র ফাক ফোকর তবু একটুও ভরে না। ইলিশ মাছের কাটাগুলো পর্যন্ত চিবিয়ে চিবিয়ে ছিবড়ে করে ফেললো। ওসমানের বুক পর্যন্ত ফাকা, —যতোই ঠাসো আর যতোই গাদো আবক্ষউদরের চাহিদা মেটে না। গ্লাস গ্লাস পানি খেয়েও শরীরের খ খ করা আর থামে না। খিদে ভোলবার আশায় ওসমান তখন ঘরের শূন্যতার দিকে দ্যাখে। কিন্তু ঘর তার পেটের মতোই শূন্য। গুলিবিদ্ধদের খাড়া কোনো সচল ও আচল মিছিল দেওয়ালের মাঝখানের শূন্যতাকে এতোটুকু গয়না পরিয়ে দেয় না। ওসমান এখন তাহলে করবেটা কি? কোনো উপায় না দেখে তোশকের নিচে অনেকদিন আগে লুকিয়ে রাখা একটা পর্নোগ্রাফির বই বার করে। যা তা মাল নয়, গুলিস্তানের সামনে থেকে ২৮ টাকায় কেনা। আর্ট পেপারের পাতায় পাতায় সায়েব-মেমসায়েবদের এ্যাঁকশনের ছবি। কিন্তু সেসব বারবার দেখেও শরীরের কোথাও কিছুমাত্র স্পন্দন বোধ করা যায় না। নানা ভঙ্গিতে সঙ্গমরত নর-নারীর দেহ কেবল বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উদ্ভট সমাবেশ ছাড়া অন্য কোনো দৃশ্য তৈরি করতে ব্যর্থ হয়। তবে একটা ভালো লক্ষণ দ্যাখা যায়, তলপেটটা টনটন করতে থাকে। হবেই তো! যে পরিমাণ পানি খাওয়া হলো পেচ্ছাব না করে উপায় কি?
    একটা কাজ পেয়ে খুশি হয়ে ওসমান দরজা খুলে ছাদে এলো। শীত যাই যাই করছে, ফাল্গুন মাস এসে পড়লো বলে! দাঁড়িয়ে পেচ্ছাব করতে করতে ওসমাননয়ন ভরে চারদিকের কুয়াশা-ঢাকা নির্জনতা দ্যাখে। পেচ্ছাব করা হয়ে গেলে রেলিঙে ঝুঁকে নিচে খোয়া-ওঠা রাস্তা দ্যাখে, কালো রাস্তার ওপর কালো রাত্রি। এই সময় কোন এক কবিতার লাইন মাথায় আস্তে আস্তে চুলকায় কারফ্যু-দাগানো পথ, রাত্রিবেলা/ছাদের ওপরে থাকি আমি একেলা।—এটা কার লেখা? কার? কোথায় পড়েছে?—মনে পড়ার আগেই শোনা যায় কোথায় যেন গুলির শব্দ হচ্ছে। কারফ্যু ভাঙার অভিযোগে মিলিটারি কোথাও গুলি করছে। তাকেও তো গুলি করতে পারে। সে তো ঘরের বাইরে, আকাশে নিচে এসে দাঁড়িয়েছে। তাহলে? গুলি একবার তার বুকে লাগলে হয়, তখন এই ছাদে দাঁড়িয়ে থাকে কোন শালা? আগেই প্রাকটিস করার জন্য ওসমান লাফিয়ে এই ইঞ্চি চারেক ওপরে উঠলো। সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যায় ধপ করে। শূন্যে থাকতে পারলে ভালো হয়। তার গুলিবিদ্ধ দেহ উড়তে উড়তে কারফ্যুচাপা শহরের বাড়িঘর, দোকানপাট, ডিআইটি, স্টেডিয়াম, কার্জন হল, গুলিস্তান, ইউনিভারসিটি, মেডিক্যাল কলেজের সামনে এলম গাছের সারি, মালিবাগের মোড়, কমলাপুর রেল স্টেশনের ফুল মার্কা ছাদ, এয়ারপোর্টের টাওয়ার, আজিমপুর গোরস্থান-এসবের ওপর দিয়ে দিব্যি উড়ে বেড়াবে। তার ওপরে কি?-ওপরে অন্যান্য গুলিবিদ্ধদের খাড়া মিছিল। এই আবু তালেব, আবু তালেবের হাতের সঙ্গে গুলি দিয়ে গাথা খিজিরের লাশ। আরে, আনোয়ার? আনোয়ারের নিচে আলতাফ, শওকত ভাই। কিন্তু ওসমানের জায়গাটা কোথায়? ঐ মিছিলে সে অনুপস্থিত কেন? মিছিলে তার এতো চেনা লোক, আকাশ জুড়ে এরা তার নিজের মুখটা সে কি-না সনাক্ত করতে পারে না। এতো মানুষের খাড়া সমাবেশে তার ঠাই হলো না। তার শূন্য ও ফাঁকা বুকে এই দুঃখ ঢুকলে একটু বল পেয়ে ওসমান নিচের দিকে দ্যাখে। পায়ের নিচে চুন সুরকি ঢাকা কালচে খয়েরি ছাদ। ফের সামনে তাকালে সব ফাকা। এই একটু-আগে-দ্যাখা জলজ্যান্ত গুলিবিদ্ধ মানুষের লম্বা ও ঋজু প্রবাহ এভাবে মুছে যাওয়াটা ভালো কথা নয়। কিন্তু তার ভয় করে না। কিংবা করলেও তা চাপা পড়ে এই হঠাৎ-হারাবার হাহাকারের নিচে। ঘরে ঢুকে বিছানায় শুয়ে ফের উঠতে হয়, শেষবারের মতো পেচ্ছাবটা সেরেই নিই। কিন্তু পেচ্ছাব বেশি হয় না, কয়েক ফোটা পড়ার পর তলপেটও খালি। অন্নজলমুক্ত, মলমূত্রমুক্ত, রক্তমাংসমুক্ত, শুক্ৰধাতুমুক্ত ওসমান এখন অনায়াসে ঝুলে পড়তে পারে বুলেট বিদ্ধদের লম্বা ঝাকে। কিন্তু এবার আকাশ একেবারে ফাকা।
    ঘরে এসে শুতে না শুতেই শোনা যায় গুলিবর্ষণের শব্দ। ওসমান ফের ছাদে যায়। এবার আকাশ জুড়ে লাশের মিছিল, এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন মানুষের দল। কিন্তু এই সমাবেশে তার মুখ নাই। এবার আবার একটি কবিতা মনে পড়ে, এটা কি অন্য কবিতা? না ঐটারই পরের জোড়া-লাইন? বিড়বিড় করে সে আবৃত্তি করে আকাশে কারফ্যু ভাঙে সবাই মিলে। আমার শ্ৰীমুখ কৈ এই মিছিলে?-কার লেখা? কার? কিছুঁতেই মনে করতে না পারলে রাগ করে ওসমান ফের ঘরে ঢুকে বসে থাকে। ঐ কবিতার আরো সব লাইন তার একটু একটু মনে পড়ে, কিন্তু স্পষ্ট করে বুঝতে পারে না। হয়তো স্পষ্টই মনে পড়তো, কিন্তু তার আগেই অনেক দূরে কোথায় মিলিটারির গুলিবর্ষণ শোনা যায়, সে এক লাফে এসে দাঁড়ায় ছাদে।
    ওসমান এই রকম ঘর-ছাদ, ছাদ-ঘর, ঘর-ছাদ ঘর করে ওদিকে কালো ডিমের খোসা ভেঙে বেরিয়ে আসে আকাশ মহারাজ। পাতলা কুয়াশার কাফনের নিচে রাস্তার শরীরের প্রায় সবটাই একটু একটু দ্যাখা যাচ্ছে। শাহ শাহেব বাড়ির মসজিদের আজান এই রাস্তার জনশূন্য চেহারা ন্যাংটা করে ফেললে সেদিকে তাকাতে ওসমানের লজ্জা হয়। খিজির থাকলে ওসমান নির্ঘাত ওর সঙ্গে বেরিয়ে পড়তো। লম্বা লম্বা হাত পা নেড়ে খিজির অবিরাম কথা বলতে বলতে যেভাবে হাঁটে তাতে এই রাস্তার আব্রু দেওয়ার জন্য ও একাই একশো। খিজিরটা কোথায়? সারারাত ঘরে ফিরলো না কেন? তবে ওকে কোথায় যেন দেখলো? কোথায় দেখলো হাজার চিন্তা করেও ওসমান সেটা উদ্ধার করতে পারে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }