Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চৌধুরি বাড়ির রহস্য – অভিরূপ সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প381 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূতুড়ে টেলিফোন – ২

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    (১)

    আপিস বন্ধ করে রাস্তায় এসে আদিত্য দেখল বৃষ্টি থেমে গেছে। বাড়ি ফেরার পথে যেসব আপিসযাত্রী বৃষ্টির জন্য আটকা পড়েছিল, তারা একটু একটু করে রাস্তায় নামছে। ফুটপাথে মানুষের ট্র্যাফিক জ্যাম। আদিত্য একবার ভাবল কোনও রেস্তোরাঁতে ঢুকে কিছু খেয়ে নেবে। পকেটে আজ টাকা আছে। কিন্তু সারাদিন কিছু না খেয়ে খিদেটা যেন মরে গেছে। তাছাড়া আপিস থেকে বেরোবার আগে শ্যামলের আনা চারটে বিস্কুট সে খেয়ে বেরিয়েছে। আদিত্য বউবাজার স্ট্রিটের ভিড় ঠেলে খানিকটা এগিয়ে গিয়ে বিবাদী বাগে মিনিবাসের লাইনে দাঁড়াল। একডালিয়া রোডের মিনিবাস। সর্পিল লাইন এঁকেবেঁকে বহুদূর অব্দি চলে গেছে। একঘন্টার আগে বাস পাবার আশা নেই। আদিত্যর মেস হ্যারিসন রোড আমহার্স্ট স্ট্রিট মোড় থেকে মিনিট দুয়েক। এখন সে উল্টোদিকে যাবে। কাজ সেরে ফিরতে ফিরতে দশটা তো বাজবেই। তার মানে রাত্তিরের মিল বন্ধ হয়ে যাবে। অতএব মেসে ঢোকার আগে বাইরে কিছু খেয়ে নিতে হবে। সারাদিন না খেয়ে থাকলে শরীর টিকবে না। অবশ্য যেখানে যাচ্ছে সেখানেও খাবার জুটে যেতে পারে।

    আজ মনটা খুব হালকা লাগছে। মনে হচ্ছে কাজটা ইন্টারেস্টিং হবে। প্রথমে যখন এই লাইনে এল তখন পেটের তাগিদে যা করতে হত সেগুলো ছিল নেহাতই ছোটখাট কাজ। করতে ভালোও লাগত না। তারপর তার একটু নাম হল। কয়েকটা বড় কাজ জুটল। তবে এবারে অনেক দিন বসে থাকতে হয়েছিল তাকে। সেদিক থেকে দেখলে এখন কিছুদিনের জন্য নিশ্চিন্ত। আদিত্য ভাবল, বাবা বেঁচে থাকলে কী বলত। নিশ্চয় তার এই কাজকে খুব একটা ভালো চোখে দেখত না। গোয়েন্দাগিরি দূরে থাক তার সাতপুরুষে কেউ পুলিশেও চাকরি করেনি। শুধু পুলিশে কেন, কোনও চাকরিই তার সাতপুরুষ করেনি। হয়তো সেই জন্যই তার আজ এই অবস্থা। পুরোনো জমিদারির জমা টাকায় কতদিন চলবে?

    মাকে আদিত্যর মনেই পড়ে না। কিন্তু মায়ের অভাব বাবা তাকে কোনোদিন বুঝতে দেয়নি। ছোটবেলায় তার জীবনের সবটুকু জুড়ে ছিল তার বাবা। আর তার বাবার জীবনেও সে ছাড়া আর কেউ ছিল না। ছোটবেলায় আদিত্য জানত তারা খুব বড়লোক। বাড়িতে ঠাকুর-চাকর-দরোয়ান গিজ গিজ করত। বাড়ির গ্যারেজে দু’দু’টো বিদেশি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকত। ইস্কুলের ছুটি পড়লে ফার্স্টক্লাশ কামরা রিজার্ভ করে বেড়াতে যাওয়া হত। প্রত্যেকবার একই জায়গায়। মধুপুরে। মধুপুরে তখন তাদের একটা মস্ত বড় বাড়ি ছিল। বাইরের ঠাটবাট বজায় থাকলেও ভেতরটা যে ক্রমশ ঝাঁঝরা হয়ে আসছে সেটা সেই বয়সে তার বোঝার কথা নয়।

    বাবা তাকে কলকাতার দামি সাহেবি ইস্কুলে পড়িয়েছিল। তবে ইস্কুলের থেকেও ইস্কুলের বাইরে অনেক বেশি শিখেছিল সে। গানবাজনা, সাঁতার, শরীরচর্চা, সাহিত্যপাঠ কিছুই বাদ যায়নি। দেশ স্বাধীন হবার আগে আলোকপ্রাপ্ত জমিদার-পুত্ররা যেভাবে বড় হত ঠিক সেভাবেই সে বড় হচ্ছিল। পড়াশোনায় সে কোনোদিনই খারাপ ছিল না। ইস্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে প্রেসিডেন্সি কলেজে অঙ্ক অনার্স পড়তে ঢুকেছিল। অঙ্ক নিয়ে কলেজে ভর্তি হবার পেছনেও বাবা। অঙ্কের বাজার খারাপ, অঙ্ক নিয়ে পাশ করলে চাকরি পাওয়া যায় না, এসব কথা তার বন্ধুরা বলাবলি করত। কিন্তু বাবা বলত, যেটা ভালো লাগে সেটাই পড়। আসলে বিদ্যে বেচে পেট চালানোর কথা তাদের পরিবারে কেউ কখনো ভাবেনি। আর ছোটবেলা থেকেই অঙ্ক জিনিসটা আদিত্যর বেশ ভালো লাগত। কলেজে পড়ার সময় সে স্বপ্ন দেখত বড় হয়ে গাউস বা অয়লারের মত মস্ত ম্যাথামেটিশিয়ান হবে।

    বি এসসি পাশ করার পর যখন তার কেম্ব্রিজে পড়াশোনা করতে যাওয়া প্রায় পাকা তখন হঠাৎ বাবা মারা গেল। বাবার মৃত্যুর মাস খানেকের মধ্যেই আদিত্য তাদের আসল অবস্থাটা বুঝতে পারল। ধার, ধার, চারদিকে শুধু ধার। কলকাতার বাড়ি তিনটে, মধুপুরের বাড়িটা সবই দেনার দায়ে বাঁধা পড়েছে। বাড়িগুলো গেল, গাড়িদুটোও, স্থাবর অস্থাবর যা কিছু ছিল প্রায় সবই গেল। ছ’মাসের মধ্যে আদিত্য পথে বসল। ঈশ্বর জানেন, এ নিয়ে তার মনে বিন্দুমাত্র ক্ষোভ নেই। হয়ত ছোটবেলা থেকে প্রাচুর্যের মধ্যে বড় হয়েছিল বলে বিত্তের ব্যাপারে তার একটা নিরাসক্তি এসে গিয়েছিল। শুধু বিলেত যাওয়াটা হল না বলে তার মনের কোণে এখনও কিছুটা দুঃখ রয়ে গেছে।

    দারিদ্রের সঙ্গে মানিয়ে নিতে তার যে প্রথম প্রথম একটু অসুবিধে হয়নি তা নয়। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর বছর দুয়েক বাবার অভাবটা এমন তীব্রভাবে তার মন জুড়ে থাকত যে শারীরিক কোনও অস্বাছন্দ সে তেমন টের পেত না। যখন বাবার মৃত্যুর আঘাতটা একটু একটু করে সয়ে এল ততদিনে দারিদ্রটাও মোটামুটি অভ্যেস হয়ে গেছে। তবে মেসবাড়ির বাথরুমটা অনেকদিন পর্যন্ত তার ভীষণ নোংরা লাগত। বহুদিন পর্যন্ত বন্ধুবান্ধবের বাড়ি গিয়ে বাথরুম সেরেছে সে। এখন অবশ্য সেটাও অভ্যেস হয়ে গেছে।

    আদিত্য যে কী করে এই অদ্ভুত গোয়েন্দাগিরির লাইনে এল সেটা তার নিজেরও ভালো করে মনে পড়ে না। বাবার মৃত্যুর পর তার জীবনটা একেবারে ছন্নছাড়া হয়ে গিয়েছিল। গত দশ-পনেরো বছর সে নানা ঘাটের জল খেয়েছে। পয়সার অভাবে এম এসসি-টা পড়া হয়নি। পেট চালানোর জন্য বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ছাত্র পড়িয়েছে, একটা ইস্কুলেও বদলি হিসেবে কাজ করেছে। কিছুদিন, তা প্রায় বছর দেড়েক হবে, এক জাদুকরের সাকরেদি করেছে, এক বছর ঝাড়গ্রামের কাছে এক জঙ্গলে ফরেস্ট গার্ডের কাজ করেছে। কয়েক বছর একটা বেসরকারি আপিসে কেরানিগিরিও করেছে। কোনও কাজই তার ভালো লাগেনি। আসলে দশটা-পাঁচটা চাকরির ব্যাপারটা তার রক্তে নেই। চাকরি-বাকরি ছেড়ে দিয়ে কলকাতায় বসে আছে, এমন সময় একদিন তার সঙ্গে সুনন্দ সরকারের দেখা। সুনন্দ সরকার আদিত্যর সঙ্গে ইস্কুলে পড়ত। ওরা তিন পুরুষের ক্রিমিনাল লইয়ার। সুনন্দই তাকে একটু একটু করে এই লাইনে নিয়ে এসেছে। প্রথমে ছোটখাট কাজ। বেশির ভাগই ডিভোর্স কেস সংক্রান্ত। স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর জন্য, স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর জন্য প্রমাণ সংগ্রহ করার কাজ। করতে যে খুব একটা ভালো লাগত তা নয়। কিন্তু টুকটাক রোজগার হত। পেট চলে যেত। ইদানীং কয়েকটা জটিল সমস্যার সমাধানে পুলিশকে সাহায্য করার পর তার কিছুটা সুনাম হয়েছে। তবে টাকাপয়সার সমস্যাটা রয়েই গেছে। সুনন্দর পরামর্শমতো বছরখানেক হল এই আপিসটা ভাড়া নিয়েছে আদিত্য। সুনন্দরই এক ক্লায়েন্ট পুরোনো ভাড়ায় ঘরটা সাবলেট করেছে আদিত্যকে। মোটে দু’হাজার টাকা ভাড়া। তাও সে মাঝে মাঝে সময়মতো দিয়ে উঠতে পারে না।

    (২)

    একডালিয়া রোডের মিনিবাসটা যখন আদিত্যকে বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মোড়ে নামিয়ে দিয়ে চলে গেল তখন সোয়া আটটা বেজে গেছে। কোয়ালিটির পাশের গলিটা ধরে হাঁটতে হাঁটতে আদিত্য বালিগঞ্জ প্লেসে এসে পড়ল। বৃষ্টির জন্য রাস্তাঘাট ফাঁকা। শুধু একটা ক্যারি আউট চিনে খাবারের দোকানের সামনে দু-একজন অপেক্ষা করছে। আর একটু এগিয়ে একটা মনিহারি দোকান। আদিত্য সেখান থেকে একটা বড় চকোলেট বার কিনল। তারপর রাস্তা পেরিয়ে ঢুকে পড়ল উল্টোদিকে একটা সাততলা বাড়ির ভেতর। লিফটে উঠে ছ’নম্বর বোতামটা টিপতে যাবে তার আগেই ভীষণ মোটা একজন মহিলা অসম্ভব ছোট একটা কুকুর কোলে নিয়ে হাঁসফাঁস করতে করতে লিফটে এসে উঠলেন। তিনজন কিশোরীও কলকল করে কথা বলতে বলতে লিফটে উঠল। লিফটে এত কম জায়গা যে কুকুরের মুখটা আদিত্যের গায়ে ঠেকছে। কুকুর নিয়ে আদিখ্যেতা আদিত্য একদম পছন্দ করে না। পাঁচতলায় কুকুরসহ ভদ্রমহিলা নেমে যাওয়া অব্দি আদিত্য ভয়ে সিটিয়ে রইল। কুকুরটা যদি চেটে দেয়। ছ’তলায় আদিত্যর সঙ্গে সঙ্গে মেয়েগুলোও নামল। নেমে বাঁদিকে বেঁকে গেল। আদিত্য ডানদিকে বেঁকে করিডোর ধরে কিছুটা এগিয়ে গিয়ে ৬০২ নম্বর ফ্ল্যাটে বেল বাজাল।

    যে দশ বছরের শ্যামলা ছেলেটা কিছুক্ষণ বাদে দরজা খুলে দিল তার হাতে একটা খোলা ডটপেন। বোঝা যায় লেখাপড়া করছিল। আদিত্যকে দেখে তার মুখ উদ্ভাসিত হয়ে উঠল। সে হইহই করে উঠল,

    ‘আদিত্যকাকু এসেছে। বাবা আদিত্যকাকু এসেছে।’

    আদিত্য চকোলেট বারটা ছেলেটার হাতে তুলে দিয়ে বলল,

    ‘টুপলুবাবু এটা তোমার। ইস্কুল-টিস্কুল সব ঠিকঠাক চলছে তো?’

    চকোলেট পেয়ে টুপলুবাবুর মুখে একরাশ দাঁত বেরিয়ে পড়ল। ওপরের সারির দাঁতের দু’কোণে দু’টো গজদাঁত।

    ‘থ্যাংকিউ আদিত্যকাকু, তুমি এখন অনেকক্ষণ থাকবে তো?’

    ‘অনেকক্ষণ থাকব।’

    বাড়ির ভেতর থেকে পুরুষকন্ঠ শোনা গেল,

    ‘আদিত্য বোস। আমি আসছি। টুপলু তুমি তোমার ঘরে গিয়ে কালকের হোম-ওয়ার্কটা করে নাও। হয়ে গেলে আদিত্যকাকুর সঙ্গে গল্প করবে।’

    আদিত্য যে ঘরটায় দাঁড়িয়েছিল সেটা এই ফ্ল্যাটবাড়ির বসার ঘর। একদিকে কয়েকটা বেতের চেয়ার, টেবিল, উল্টোদিকে নিচু একটা ডিভান, তিনদিকের দেয়াল জুড়ে বইয়ের র‍্যাক ছাত পর্যন্ত উঠে গেছে। অসংখ্য বই, কিছু বইয়ের র‍্যাকে জায়গা হয়নি, তারা ডিভানের ওপরে স্থান পেয়েছে। মেঝেতে দাঁড় করানো দু’টো বাঁকুড়ার ঘোড়া, একপাশে একটা জাপানি সাউন্ড সিস্টেম, ক্যাবিনেটের ভেতর প্রচুর রেকর্ড, টেপ, সিডি। আদিত্য পায়ের কাবলি জুতোটা খুলে ডিভানের ওপর জায়গা করে নিয়ে পা তুলে আরাম করে বসল।

    ‘কী ব্যাপার, দশ-পনের দিন তোর খবর নেই, মোবাইল অফ করে রেখেছিলি কেন?’ এবার রান্নাঘরের অন্তরাল থেকে নারীকন্ঠ শোনা গেল।’

    ‘মোবাইলে পয়সা ফুরিয়ে গিয়েছিল। পকেটেও। আজ পয়সা ভরলাম।’

    ‘মক্কেল পেয়েছিস নাকি?’ বলতে বলতে যে মহিলা রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এলেন তাঁকে সুন্দরী বলবার জন্য কষ্ট করতে হয় না। কিন্তু রূপ ছাড়াও তাঁর চেহারায় একটা সহজ ব্যাক্তিত্ব আছে। অচেনা আধচেনা লোক চট করে তার কাছে ঘেঁসতে সাহস পাবে না।

    ‘আজ তুই রান্নাঘরে কেন? বিশেষ কেউ খাবে নাকি? আমি কিন্তু তাহলে কাটব।’ আদিত্য শঙ্কিত গলায় বলল।

    ‘কেউ খাবে না। তুই বোস। আমাদের কলেজের শিপ্রাদির বাড়িতে চিকেন বাগদাদি খেয়েছিলাম। রেসিপি নিয়ে আজ রাঁধছি। তুই এসে খুব ভালো হল। রাত্তিরে খেয়ে যাবি।’

    ‘নিশ্চয় খাব। তবে এখন একটা ডিম-টিম কিছু ভেজে দে। ভয়ঙ্কর খিদে পেয়েছে। সারাদিন ভারচুয়ালি কিছু খাওয়াই হয়নি।’

    ‘রত্না বলছিল তুই নাকি সন্ন্যাসী হয়ে হিমালয়ে চলে গেছিস।’ বলতে বলতে এবার বাড়ির কর্তা ভেতর থেকে বেরিয়ে এলেন। ‘শুনে টুপলুর কী কান্না।’

    কর্তা-গিন্নী দুজনেই আদিত্যর সহপাঠী। রত্না, পোশাকি নাম রত্নাবলী মিত্র, প্রেসিডেন্সিতে ইতিহাস পড়ত। গত এগারো বছর কলকাতার একটা নামজাদা মেয়েদের কলেজে মাস্টারি করছে। তার স্বামী অমিতাভ মিত্র, কলেজ থেকে আদিত্যর বুসুম বাডি, অধুনা দেশের প্রথিতযশা ঐতিহাসিকদের অন্যতম। বাংলা করে বলতে গেলে, অল্প বয়সেই বেজায় নাম করেছে। রত্না-অমিতাভ-টুপলুই আদিত্যর একমাত্র পরিবার, যদিও ভবঘুরে স্বভাবের জন্য সে সব সময় এবাড়িতে এসে উঠতে পারে না। রত্না উঠে পড়ল। আদিত্যর জন্য কিছু খাবারের ব্যবস্থা করতে গেল।

    ‘শোন একটা দরকার আছে। ভুলে যাবার আগে বলে রাখি। তোদের হাউসিং সোসাইটিতে কাজ করত, সেই যে ছেলেটা, নাম বোধহয় বিমল না কি যেন, একবার আমাকে খুব হেল্প করেছিল। সে কি এখনও আছে?’

    ‘কে? বিমল গায়েন? না সে আর নেই। নতুন কমিটি তাকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তবে আমার কাছে মাঝে মাঝে আসে। পঞ্চাশ-একশো টাকা নিয়ে যায়। কষ্টে আছে।’

    ‘একটা মোবাইল নম্বর দিয়েছিল না?’ রান্নাঘর থেকে রত্নার গলা শোনা গেল।’

    ‘হ্যাঁ, দিয়েছিল বটে। কখনও ফোন করিনি। তুই করে দেখতে পারিস।’ অমিতাভ বলল।

    ‘ঠিক আছে।’

    ‘নতুন কাজ পেলি?’

    ‘একটা পেয়েছি। আজই পেলাম। বেশ ইন্টারেস্টিং। বিমলকে লাগবে। ভাবছি ক’টা দিন গা ঢাকা দেব।’

    ‘ছদ্মবেশি গোয়েন্দা? দু’হাতে দু’টি উদ্যত পিস্তল, অপর হাতে টর্চ?’

    ‘বলতে পারিস। তবে পিস্তল-টিস্তল নেই। একটা টর্চ খোঁজাখুঁজি করলে বেরোতেও পারে। নতুন গান-টান শুনলি?’

    ‘এবার বম্বে গিয়ে সায়নি মুধোলকর বলে একটা বাচ্চা মেয়ের গান শুনলাম। আমাদের এক বন্ধুর বাড়িতে গাইল। গোয়ালিয়র, জয়পুর দুটো ঘরেই শিখেছে। বড় করে শুদ্ধ সারং গাইল, তারপর ছোট করে গৌড় সারং, বৃন্দাবনী সারং। বেশ গায়। তুই কিছু শুনলি?’

    ‘আমি আর নতুন কী শুনব? সেই পুরোনো আমীর খাঁ, আলি আকবর, নিখিল। নতুন কিছু শোনার ইচ্ছে থাকলেও হয়ে ওঠে না। তুই বিমলের নম্বরটা দে।’

    অমিতাভ নম্বর খুঁজতে ভেতরে গেল। রত্না প্লেটে একটা ডিমের পোচ, দুটো টোস্ট আর কিছু পটেটো চিপস নিয়ে এসেছে।

    ‘এটা খেয়ে নে। চা হচ্ছে। বেশি দিলাম না, তাহলে রাত্তিরে খেতে পারবি না। তুই খা, আমি রান্নাটা দেখে আসি।’

    আদিত্য খেতে খেতে বাঁ হাতে পকেট থেকে একটা সস্তার মোবাইল বার করল। তারপর পকেট হাতড়ে মন্টুবাবুর কার্ডটা। মন্টুবাবুর নম্বরটা লাগানোর কিছুক্ষণ পরে ওপাশ থেকে শব্দ শোনা গেল, ‘হ্যালুউউউ’?

    ‘আমি আদিত্য মজুমদার বলছি। কথা বলা যাবে? আশেপাশে কেউ আছে?’

    ‘কেউ নেই। আমি আপিসে একা। বলুন।’

    ‘ভেবে দেখলাম আপনার টেলিফোন রহস্য ভেদ করতে গেলে কিছুদিন আপনার বাড়িতে থাকতে হবে। বলাই বাহুল্য, ছদ্ম-পরিচয়ে। আপনার দূর সম্পর্কের ভাই-টাই কেউ আছে? যাকে আপনার স্ত্রী কখনও দেখেননি?’

    ওপারে বেশ কিছুক্ষণ স্তব্ধতা। লাইনটা কেটে গেল নাকি? আদিত্য গলা তুলে বলল,

    ‘হ্যালো?’

    ‘হ্যাঁ, একটু ভাবছিলাম। আমার দিকে তেমন কেউ নেই। তবে আমার মেয়ের এক দেওর আছে। ভিলাইতেই থাকে। আমরা কখনও দেখিনি। একবার বলেছিল কী একটা ট্রেনিং নিতে কলকাতায় আসবে। দিনকতক আমাদের বাড়িতে থাকবে। শেষ পর্যন্ত আর আসেনি।’

    ‘আপনার মেয়ের দেওর সাজতে গেলে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি সম্বন্ধে একটু জানতে হবে। কোনও ছবির এলবাম থাকলে পাঠিয়ে দেবেন। লোকগুলোকে চিনে নিতে হবে। শুধু আপনার মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকদের নয়। আপনার পাড়াপড়শিদের ছবিও দু’চারটে পাওয়া গেলে ভালো হয়।’

    ‘এলবামগুলো বকুলের জিম্মায় থাকে। বার করে আনা মুস্কিল। দেখি কী করা যায়। কবে থেকে থাকতে চান?’

    ‘সপ্তাহখানেক পর থেকে। হাতে দু’একটা কাজ আছে, সেরে আসতে হবে। আপনাকে দু’তিনদিন আগে জানাব। আপনি এখন থেকেই বাড়িতে একটু আভাস দিয়ে রাখুন।’

    ‘ঠিক আছে। আমি দেখছি ছবির কী করতে পারি।’

    ‘নমস্কার।’

    ‘নমস্কার।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসৈকত রহস্য – অভিরূপ সরকার
    Next Article চন্দ্রলেখা অন্তর্ধান রহস্য – অভিরূপ সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }