Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চৌধুরি বাড়ির রহস্য – অভিরূপ সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প381 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূতুড়ে টেলিফোন – ৬

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    (১)

    সকালটা ইচ্ছে করেই আদিত্য হাতে রেখেছিল। বকুলকে সে বলেছে রাত্তিরের ট্রেন, অতএব বিকেলে বেরোতেই হবে। তার আগে কয়েকটা কাজ সেরে নেওয়া দরকার। মন্টুবাবু আটটা বাজতে না বাজতেই বেরিয়ে গেছেন। আদিত্য যখন বেরোল তখন সাড়ে নটা। বকুলকে বলল, টুকিটাকি কিছু কেনাকাটা আছে। বকুল বলল, ‘তাড়াতাড়ি ফিরবেন, দুপুরে একসঙ্গে খাব।’

    কিছুটা হেঁটে, কিছুটা অটোতে চড়ে আদিত্য থানায় পৌঁছল দশটা নাগাদ। দেখল, একজন দোহারা চেহারার অফিসার ডেস্কে বসে আছেন।

    ‘বড়বাবু, মানে বলাইবাবুর সঙ্গে দেখা করতে পারি?’ আদিত্য জিজ্ঞেস করল।

    ‘বড়বাবু সাড়ে এগারোটা বারোটার আগে আসেন না, দরকার থাকলে আমাকে বলতে পারেন।’

    আদিত্য ইতস্তত করল। তারপর বলল, ‘বড়বাবুর ফোন নম্বরটা আমার সঙ্গে আছে। আমি ওঁকে একটা ফোন করে নিই?’

    ‘যাকে ইচ্ছে ফোন করুন। তবে এই জায়গাটা ছেড়ে ওই বেঞ্চিটাতে বসে ফোন করুন।’

    আদিত্য বেঞ্চিতে বসে বড়বাবুর নম্বরটা লাগাল। একটা গম্ভীর পুলিশি গলায় ‘হ্যালো’ শুনতে পেয়ে বলল, ‘আমি আদিত্য মজুমদার বলছি। আমার কথা জয়েন্ট কমিশনার গৌতম দাশগুপ্ত মনে হয় আপনাকে বলেছে।’

    কিছুক্ষণ স্তব্ধতা। আদিত্যর মনে হল ওপারে যিনি ফোন ধরে আছেন তিনি স্মৃতি হাতড়াচ্ছেন। আধ মিনিট পরে ভেসে এল,

    ‘নিশ্চয়, নিশ্চয়। আপনার কথা জয়েন্ট কমিশনার সাহেব অবশ্যই বলেছেন। সাহেব বলেছেন আপনাকে সব রকমের সাহায্য করতে। আপনি বলুন আমি আপনার জন্য কী করতে পারি?’ বড়বাবুর গলায় এখন মধু ঝরে পড়ছে।

    ‘আমি আপনার জন্য থানায় অপেক্ষা করছি। আপনি কখন আসবেন?’

    ‘এই মিনিট পনেরোর মধ্যে চলে আসছি স্যার।’

    ‘আসুন। এলে কথা হবে।’

    ফোন রাখার কিছুক্ষণ পরেই আদিত্য লক্ষ করল ডেস্কের অফিসার বাবুটির কাছে একটা ফোন এসেছে। এবং তার খানিকটা পরে যখন থানার বাবুদের জন্য কেটলি করে চা এল, ডেস্কের বাবুটি আদিত্যর সামনে এক ভাঁড় চা নিয়ে এসে একগাল হেসে বললেন,

    ‘খেয়ে নিন স্যার। বড়বাবু এসে পড়লেন বলে।’

    নিশ্চয় বড়বাবু ফোন করে আদিত্যকে আদর-আপ্যায়ন করার কথা বলে দিলেন। আদিত্যর মনটাও চা-চা করছিল। চা শেষ করে সে একটা সিগারেট খেতে সবে বাইরে বেরিয়েছে, দ্যাখে বড়বাবুর জিপ থানার সামনে এসে দাঁড়াল।

    বড়বাবু মানুষটি নাতিদীর্ঘ, স্থূলকায়, কৃষ্ণবর্ণ ও বিরলকেশ। ভারসাম্য রাখার জন্যই বোধহয় নাকের নীচে প্রকাণ্ড গোঁফ রেখেছেন। মানুষটি প্রয়োজন বিশেষে বিনত বা উদ্ধত হতে পারেন। এককথায়, আদিত্যর মনে হল, বড়বাবু লোকটি অতিশয় ঘোড়েল। আবার চা এল, সঙ্গে সিঙ্গাড়া-মিষ্টি। আদিত্য একে সকালে কম খায় তার ওপর একটু আগে ভারি ব্রেকফাস্ট খেয়ে বেরিয়েছে, আর কিছু খাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব। চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দিয়ে সে কাজের কথায় এল,

    ‘গৌতম নিশ্চয় আপনাকে বলেছে কেন আমি এখানে এসেছি। তবু আর একবার বলছি, আপনার অঞ্চলে ড্রাগ পেডলারদের যে গ্যাংটা বেশ কিছুদিন ধরে দৌরাত্ম করে বেড়াচ্ছে তাদের ধরার জন্য গৌতমকে আমি সাহায্য করছি। এ-ব্যাপারে আপনারও আন্তরিক সাহায্য চাই।’

    ‘আমি তো স্যার একশ ভাগ সাহায্য করতে রাজি। দাশগুপ্ত সাহেব বললে আমি করতে পারি না এমন কাজ নেই। অমন সৎ দক্ষ অফিসার আর হয় না। তবে কিনা, যেটা আমি দাশগুপ্ত সাহেবকেও বারবার বলছি, এ তল্লাটে ড্রাগ পেডলারদের কোন গ্যাং আর নেই স্যার।’

    ‘গ্যাং-ই নেই?’

    ‘না স্যার। গ্যাং-ই নেই। আগে ছিল। সেই গ্যাংটা সুশান্ত হালদার বলে একজন চালাত। দেবীরঞ্জন বসাক ছিল তার ডানহাত। কিছুদিন আগে তাদের জেল হয়। জেলের ভাত খেয়ে ছেলে দুটো একেবারে বদলে গেছে। দেখবেন, দুজনে মিলে একটা সাইবার কাফে চালাচ্ছে। ভালোই চলছে। আমাদের তো স্যার এইসব দাগী আসামীদের ভালো হতে সাহায্য করা উচিত। তাই না স্যার?’

    ‘আপনাদের এখানে যদি ড্রাগ পেডলাররা না থাকে তাহলে দুমাস অন্তর রেললাইনের ধারে লাস পড়ে কেন? আব্দুলের ঠেকে পাতাখোররা ভিড় করে কেন?’

    ‘স্যার, আব্দুল কোথা থেকে তার মাল নিয়ে আসে আমরা এখনো ধরতে পারিনি। তবে আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি এই অঞ্চলে এখন আর কোনও গ্যাং নেই স্যার। আর লাস পড়ার কথা যদি বলেন, এদিকটায় এখনও অনেক ওয়াগন ব্রেকার আছে। জায়গাটা রেল লাইনের ধারে তো। তাদের মধ্যে বখরা নিয়ে মারামারি লেগেই থাকে। এসব কথা কর্তারা লালবাজারে বসে ঠিক বুঝতে পারেন না স্যার। সমস্ত ঝামেলা, গণ্ডগোল ড্রাগওলাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়।’

    বড়বাবু চুপ করলেন। আদিত্য আর কী জিজ্ঞেস করবে ভেবে পেল না। লোকটা, সন্দেহ নেই, ড্রাগওয়ালাদের টাকায় আকণ্ঠ ডুবে আছে। খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে আদিত্য বলল,

    ‘আমাকে সাহায্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।’

    ‘আপনাকে সব রকম সাহায্য করা তো আমার কর্তব্য স্যার। বিশেষ করে জয়েন্ট কমিশনার সাহেব যখন আপনার কথা এত করে বলেছেন।’

    বড়বাবুর কণ্ঠে একটা প্রচ্ছন্ন শ্লেষ আছে। একটা চ্যালেঞ্জ। আদিত্য আর কথা না বাড়িয়ে থানা থেকে বেরিয়ে পড়ল।

    (২)

    ফেরার পথে মন্টুবাবুর পড়শি রামানুজ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা। ভদ্রলোকের হাতে বাজারের থলে। পুঁইশাক, কুমড়োর ফালি উঁকি মারছে।

    ‘আসুন না আমার বাড়িতে, এক কাপ চা খেয়ে যাবেন।’ ভদ্রলোক বললেন, ‘একাই থাকি, আসুন না কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলা যাবে।’

    আদিত্য ঘড়ি দেখল, সাড়ে এগারোটা। বকুল একসঙ্গে খাবে বলেছিল। নিশ্চয় সেটা সাড়ে বারোটার আগে নয়। হাতে সময় আছে। কিছুক্ষণ রামানুজবাবুর সঙ্গে কাটালে মন্দ কী?

    রামানুজবাবুর বাড়িটা ছোট, কিন্তু সাজানো। একদিকে রান্নাঘর। রামানুজবাবু বাজার নামিয়ে রেখে চায়ের জল চাপালেন।

    ‘আপনার মতো আমিও পশ্চিমের লোক। আমার ঠাকুরদাদা লাহোরে ওকালতি করতেন।’ রামানুজবাবু টি পটে দু চামচ চা পাতা দিতে দিতে বললেন, ‘দেশভাগের পর আমার বাবা আর পশ্চিমবঙ্গে ফেরেনি। তবে দুই কাকা এই কলকাতাতেই সেটল করেছিলেন। তাঁদের একজন এখনও বেঁচে আছেন। এই দুই কাকার পরিবারই এখন আমার আপনার জন।’

    আদিত্য লক্ষ করল রামানুজবাবুর সেই কমিকাল ভঙ্গীটা আর নেই। গলার আওয়াজ যদিও সেইরকমই মিহি, কিন্তু তার মধ্যেই একটা সিরিয়াস ভাব রয়েছে।

    ‘আমি জয়পুরে বড় হয়েছি। বাবা-মায়ের এক সন্তান। কলেজ থেকে বেরিয়ে রাজস্থান পুলিশে চাকরি পেলাম। বছর দশেক সেখানেই চাকরি করলাম। তারপর একটা বেসরকারি কোম্পানির সিকিউরিটি অফিসার হয়ে আরও পঁচিশ বছর। সংসার করা হয়ে ওঠেনি। ভাবলাম শেষ জীবনটা শিকড়ে ফিরে যাব। কলকাতায় ফিরে এলাম। তাও ছয় বছর হল। এখানকার আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে মিলে-মিশে ভালই আছি। এই দেখেছেন, নিজের কথাই বলে যাচ্ছি। আপনার কথা বলুন। আপনার কথা শুনব।’

    ‘আমার তো বলার মতো তেমন কিছু নেই। মধ্যপ্রদেশে জন্ম-কম্ম। এখন সেখানেই একটা ব্যাঙ্কে চাকরি করি। আমার জীবনে উল্লেখযোগ্য কিছুই নেই যা বলা যায়।’ আদিত্য সাবধান হয়ে বলল।

    ‘সবার জীবনেই কিছু না কিছু থাকে। আপনারও নিশ্চয় আছে। তবে বলতে না চাইলে অন্য কথা।’ রামানুজবাবু একটু থামলেন, তারপর আস্তে আস্তে বললেন,

    ‘আপনি যদি আপনার কথাটা বলতেন তাহলে আমিও আমার কিছু কথা আপনাকে বলতে পারতাম।’

    আদিত্য একটু ঘামছিল। খুব তাড়াতাড়ি একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রামানুজবাবুকে কি বিশ্বাস করা যায়? আদিত্য ভাবছে কী করবে। মনে পড়ল, কলেজে তার প্রিয় মাস্টারমশাই প্রফেসর শান্তনু মিত্র বলতেন, একজন চিন্তাশীল মানুষের সব থেকে বড় অস্ত্র তার ইন্টুইশন, এমন একটা অনুভূতি যেটা সাধারণ বুদ্ধি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। কথাটা যে কতটা দামী গোয়েন্দাগিরি করতে এসে আদিত্য পদে পদে টের পায়। এখানেও তার ইন্টুইশনকেই কাজে লাগাতে হবে। তার মন বলছে, রামানুজ চাটুজ্জেকে বিশ্বাস করা যায়। অনেকক্ষণ চুপ করে থাকার পর সে বলল,

    ‘আমিও আপনার সঙ্গে কিছু কিছু জিনিস আলোচনা করতে চাই। সময় নষ্ট করে লাভ নেই। আপনার সন্দেহটাই ঠিক। আমি একজন বেসরকারি গোয়েন্দা। মন্টুবাবু আমাকে ভূতুড়ে টেলিফোন রহস্য সমাধান করার জন্য নিয়োগ করেছেন। তবে আমার এখানে আসার আর একটা উদ্দেশ্য আছে। এই অঞ্চলে একটা ড্রাগ ডিলারদের গ্যাং বেশ কিছুদিন ধরে দৌরাত্ম্য করছে। পুলিশ হাজার চেষ্টা করেও তাদের মাথাটাকে ধরতে পারছে না। এই গ্যাংটাকে ধরার ব্যাপারে পুলিশকে আমি সাহায্য করছি। কিন্তু স্থানীয় থানা থেকে কোনও সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে মনে হচ্ছে না। একটু আগে ওসির সঙ্গে কথা বলে মনে হল তিনি ড্রাগ পেডলারদের থেকে নিয়মিত টাকা পেয়ে থাকেন। তিনি বলার চেষ্টা করলেন, এই অঞ্চলে ওই ধরনের গ্যাং-ট্যাং কিছু নেই। আপনি তো এখানে বেশ কিছুদিন আছেন আপনার কিছু চোখে পড়েছে? মানে অন্য কারো চোখে না পড়লেও আপনার ট্রেনড চোখে অনেক কিছু নজরে আসতে পারে।’

    ‘আপনি আমার সঙ্গে খোলাখুলি কথা বললেন, এতে আমার খুব ভাল লাগছে। আপনার মতো কারও সঙ্গে কথা বলার জন্য আমি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে আছি। আমি পুলিশকে সাহায্য করতে চাই। কিন্তু চেষ্টা করে দেখেছি সেটা সম্ভব নয়। আপনি একেবারে ঠিক কথাটা বলেছেন। এই অঞ্চলের পুলিশরা সব বিক্রি হয়ে গেছে। আমার কথা তারা শুনবে কেন?’ রামানুজবাবুকে বেশ উত্তেজিত মনে হল।

    ‘আপনি পুলিশকে কী বলতে গিয়েছিলেন?’ আদিত্য জিজ্ঞেস করল।

    ‘তিনটে জিনিস আমার বলার ছিল। আমার ধারণা মন্টুবাবুর বাড়ির পেছনের গলিটাতে কোনও রহস্য আছে। ঠিক কী বলতে পারব না, গলিটা আমার বাড়ি থেকে দেখাও যায় না, পুরোনো কারখানাটার ভাঙা একটা পাঁচিলে আড়াল পড়ে যায়। কিন্তু কয়েকবার ওখান দিয়ে আসার সময় দেখেছি কারা যেন রয়েছে। আমাকে দেখে যেন সরে গেল। সব মিলিয়ে আমার মনে হয়েছে গলিটার ওপরে পুলিশের নজর রাখা উচিত।’

    ‘এটা তো একটা জিনিস হল। আর কিছু?’

    ‘হ্যাঁ, দ্বিতীয়ত আমার মনে হয়েছে আমাকে এই বাড়ি থেকে কেউ তাড়াবার চেষ্টা করছে। রাত্তিরে নানারকম শব্দ শোনা যায়। দিন দুপুরেও ছোটখাট উৎপাত লেগে থাকে। জানলায় ঢিল পড়ে, কাচ ভাঙে, ছাতে কারা যেন পায়চারি করে। আমি এই বাড়িতে থাকলে যেন কাদের খুব অসুবিধে হচ্ছে। আমার বাড়িওলা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই অবশ্য আমাকে বারবার অভয় দিয়েছেন। বলতে গেলে ওদের ভরসাতেই এখানে রয়ে গেছি। তাছাড়া একটা জেদও চেপে গেছে।’

    ‘আর কিছু?’

    ‘হ্যাঁ, তৃতীয় যেটা বলতে চাই সেটা বলার জন্য খানিকটা পিছিয়ে যেতে হবে। জয়পুরে থাকার সময় আমরা একটা বাঙালি পরিবারকে চিনতাম। খুব বেশিদিনের জন্য নয়। মাস আটেক ওরা আমাদের সামনের বাড়িতে ভাড়া ছিল। সেই পরিবারে একটি মেয়ে ছিল তার নাম ছিল আলপনা, আলপনা দত্ত। আমি যখন ওদের চিনতাম তখন আলপনা খুবই ছোট, ফ্রক পরে ইশকুলে যায়। ওই আটমাসের পর তাকে আর কোনোদিন দেখিনি। মন্টুবাবুর বাড়িতে আসার পরে শুনলাম সুলতার এক মাসি, তার নামও আলপনা, বিয়ের আগে আলপনা দত্তই নাম ছিল, এখানে আসত, কখনো কখনো থেকেও যেত, সুলতার দেখাশোনা করত, হঠাৎ সে উধাও হয়ে গেছে। আমার মনে হল এই আলপনা সেই জয়পুরের আলপনা নয়ত? তারপর যখন শুনলাম সুলতার মাসিও জয়পুর থেকে এসেছিল, তখন আমার কৌতূহল আরও বাড়ল। কিন্তু আমার কৌতূহল নিরসনের কোনও উপায় ছিল না। তারপর বছর দুয়েক আগে আমার এক খুড়তুতো ভাইয়ের পুরোনো অ্যালবাম থেকে একটা ছবি বেরিয়ে পড়ল। খুড়তুতো ভাইরা যখন জয়পুরে আমাদের কাছে বেড়াতে গিয়েছিল সেই সময়ের তোলা ছবি। দেখলাম সেই ছবিতে অনেকের সঙ্গে আলপনাও আছে। আমার কী মনে হল, ছবিটা আমি চেয়ে নিলাম। পুরোনো ছবি, কোনও নেগেটিভ নেই, ভেবেছিলাম ছবিটার একটা কপি করে নিয়ে আমার খুড়তুতো ভাইকে ফেরত দিয়ে দেব। করছি করব করে কপিটা আর করানো হয়নি। ছবিটা একদিন মন্টুবাবুদের দেখালাম। একটা রবিবারের দুপুরে ওদের বাড়িতে নেমন্তন্ন হয়েছিল, সেখানে তখন রজনীবাবুরাও ছিলেন। মন্টুবাবুর দ্বিতীয় স্ত্রী তো অবশ্যই ছিলেন। পুরোনো কথা হচ্ছিল। কথায় কথায় সুলতার মাসির প্রসঙ্গ উঠল। আমার তখন ছবিটার কথা মনে পড়ে গেল। ভাবলাম ছবিটা এনে দেখাই, যদি কেউ চিনতে পারে। বলাই বাহুল্য ছবিটা আমার সঙ্গে ছিল না। আমি বাড়ি থেকে ছবিটা নিয়ে এসে সকলকে দেখালাম। কেউই ছবিটাকে চিনতে পারল না। আমি নিশ্চিত হলাম, আমার দেখা আলপনা দত্ত আর সুলতার মাসি আলপনা দত্ত সম্পূর্ণ আলাদা লোক। তারপর, সত্যি বলতে কি, ব্যাপারটা ভুলেই গিয়েছিলাম। কিছুদিন আগে আবার ছবিটার কথা মনে পড়ল। মনে হল, একটা কপি করে নিয়ে ছবিটা ফেরত দেওয়া দরকার। একটা অ্যালবামের মধ্যে আলগাভাবে ছবিটা রাখা ছিল। কিন্তু অ্যালবামটা খুলে দেখি ছবিটা সেখানে আর নেই। তন্নতন্ন করে খুঁজলাম, ছবিটা কোথাও নেই। আমি কিন্তু ঠিক জিনিসপত্র হারিয়ে ফেলার লোক নই। গোছানো লোক বলে আমার একটু গর্বই আছে। তাই সমস্ত ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত।’

    ‘ছবিটা হারিয়ে যাবার কথা কাউকে বলেছিলেন?’

    ‘বোধহয় মন্টুবাবুকে বলেছিলাম। ঠিক মনে পড়ছে না।’

    ‘আপনার তিনটে জিনিসই বেশ ইন্টারেস্টিং। আমি মাথায় রাখব।’

    আদিত্য ঘড়ি দেখল। সোয়া বারোটা। বকুলের সঙ্গে দুপুরে ভাত খেতে হলে এখনই উঠতে হবে।

    (৩)

    রাস্তায় নেমেই রজনী বসাকের সঙ্গে দেখা।

    ‘আপনার সঙ্গে তো ভাল করে আলাপই জমল না সেদিন।’ আদিত্যই এগিয়ে গিয়ে কথা বলল।

    ‘কে? ও সূর্যবাবু? কেমন আছেন? আমি এই একটু বকুলের সঙ্গে দেখা করে গেলাম। রোজই অফিস যাবার পথে একবার দেখা করে যাই। আসবেন নাকি একদিন আমাদের অফিসে? দেখাতাম, কত বিচিত্র জায়গায় আমরা বাঙালিকে বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছি।’

    ‘আমি তো আজ রাত্তিরের ট্রেনেই ভিলাই ফিরে যাচ্ছি। যেতে হলে এখনই যেতে হয়। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে আপনারা কোথায় কোথায় নিয়ে যান। ভিলাইতেও অনেকে ইন্টারেস্টেড হতে পারে। আপনাদের ব্রোশিয়র বা ফ্লায়ার গোছের কিছু পেলে নিয়ে যেতাম।’

    ‘এখনই চলুন না আমার সঙ্গে।’

    আদিত্য একটু ভাবল। বকুল একসঙ্গে লাঞ্চ খাবে বলেছিল। এখন রজনীবাবুর সঙ্গে গেলে সেটা হবে না। সে ঠিক করল রজনীবাবুর সঙ্গেই যাবে। কিন্তু বকুলকে কথাটা জানানো দরকার। আদিত্য রজনীবাবুকে একটু দাঁড়াতে বলে মন্টুবাবুর বাড়িতে ঢুকল।

    মালতী বলল, ‘বৌদি এইমাত্র চান করতে ঢুকেছে। আধঘণ্টার আগে বেরোবে না।’

    ‘বেরোলে বৌদিকে বলে দিও আমি বৌদির দাদার সঙ্গে ওঁদের আপিসে যাচ্ছি। দুপুরের খাওয়া বাইরে খেয়ে নেব। আমার জন্য অপেক্ষা না করে যেন খেয়ে নেন।’

    ‘পান্থজনের সখা’র আপিসটা ক্যামাক স্ট্রীটে। একটা দশতলা বাড়ির সাততলায়। রজনীবাবুর গাড়ি যখন বাড়িটার পার্কিং লটে দাঁড়াল তখন সোয়া একটা বেজে গেছে। ছিমছাম আপিস। কয়েকজন সুবেশ, সুদর্শন তরুণ-তরুণী ডেস্কে কাজ করছে। ভেতর আপিসে আরও অনেক কর্মচারী। ডেস্কের এপারে ভ্রমণপিপাসুদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

    রজনীবাবুর নিজস্ব চেম্বারটি চমৎকার। একদিকে দেয়াল জুড়ে জানলা, ক্যামাক স্ট্রীট লোয়ার সার্কুলার রোডের মোড় পর্যন্ত দেখা যায়। অন্য দিকের দেয়ালে বরফের ওপর সটান দাঁড়ানো একটা মস্ত গ্রিজলি বেয়ারের ছবি, নীচে লেখা ইয়ালোস্টোন ন্যাশানাল পার্ক। রজনীবাবু নিজের চেয়ারে বসে বেল বাজালেন। বেয়ারাকে বললেন,

    ‘অশোককে আসতে বল, আর দু’কাপ কফি দাও। কফি খাবেন তো?’ শেষ প্রশ্নটা আদিত্যকে।

    কফি এল। অশোককে ‘পান্থজনের সখা’র আগামী ট্যুরগুলির খবর-সম্বলিত প্রচারপত্র আনতে বলা হল। আদিত্য জানতে পারল, আগামী ছ’মাসে ‘পান্থজনের সখা’ ইয়োরোপ, ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যে এগারোটি সফরের আয়োজন করেছে। মাথাপিছু খরচ দেড় থেকে দুলাখের মধ্যে। দামটা আদিত্যর বেশ কমই মনে হল।

    ‘এত কম খরচে নিয়ে যান কী করে?’ আদিত্য রজনীবাবুকে জিজ্ঞেস করল।

    ‘ইচ্ছে থাকলে, বুঝলেন, সবই হয়। এটা আমার ব্যবসা নয়, প্যাশান।’

    ‘আপনাদের সব ট্রিপগুলোই দেখছি দুবাই বা লন্ডন দিয়ে যাচ্ছে। ওখানে কি আপনাদের আপিস আছে?’

    ‘ঠিক ধরেছেন। দুটো জায়গাতেই আমাদের ব্রাঞ্চ আছে। তাই হয় দুবাই, না হয় লন্ডন দিয়ে রুটটা হলে আমাদের সুবিধে হয়। তাছাড়া এমিরেটস এবং ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ দুটো কোম্পানির সঙ্গেই আমাদের চুক্তি আছে। ওরা টিকিটের দামে আমাদের ভাল ছাড় দেয়।’

    আরও কিছুক্ষণ কথাবার্তার পর আদিত্য উঠে দাঁড়াল।

    ‘আজ চলি। ভিলাই থেকে কয়েকজনকে জুটিয়ে নিয়ে আপনাদের সঙ্গে ঝুলে পড়ব। অনেক জায়গায় যেতে ইচ্ছে করে। তবে সবার আগে আফ্রিকা।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসৈকত রহস্য – অভিরূপ সরকার
    Next Article চন্দ্রলেখা অন্তর্ধান রহস্য – অভিরূপ সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }