Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    চৌধুরি বাড়ির রহস্য – অভিরূপ সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প381 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূতুড়ে টেলিফোন – ৯

    নবম পরিচ্ছেদ

    (১)

    আদিত্যর ছোটবেলায় কলকাতা সহরের ভাল রেস্তোরাঁগুলো সবই ছিল পার্ক স্ট্রীটে। তার মধ্যে সাহেবি পার্ক স্ট্রীটের একেবারে শেষ প্রান্তের একটি রেস্তোরাঁ ছিল আদিত্যর বাবার সব থেকে পছন্দসই। পার্ক স্ট্রীটে খেতে যাওয়া হলে সেখানেই যাওয়া হত। অনেকদিন হল রেস্তোরাঁটি উঠে গেছে। তবে আদিত্যর বাবার আমলে সচরাচর বাইরে খেতে যাওয়া হত না। আদিত্যর বাবা কলকাতার অভিজাত ক্লাবগুলির সবকটিরই মেম্বার ছিলেন। রাত্তিরে মাঝে মাঝেই ক্লাব থেকে খাবার আসত। সেসব খাবারের স্বাদ এখনও আদিত্যর মুখে লেগে আছে। বিশেষ করে সনাতন রোস্ট, স্টেক, সুফ্লে বা পুডিং জাতীয় সাহেবি খাবার বানানোয় ক্লাবগুলোর জুড়ি ছিল না। বহু বছর হয়ে গেল আদিত্য কোনও ক্লাবে যায়নি।

    আজকাল অবশ্য দক্ষিণ কলকাতায় বেশ ভাল ভাল রেস্তোরাঁ হয়েছে। অমিতাভ-রত্না-টুপলুর সঙ্গে অনেকবার আদিত্য সেসব রেস্তোরাঁতে খেয়েছে। তাদের কয়েকটাকে মন্দ লাগেনি। তবে আদিত্য অবাক হয়ে খেয়াল করেছে, যেসব রেস্তোরাঁর খাবার তার ভাল লেগেছিল তার কোনটাই খুব বেশি দিন চলেনি। নিশ্চয় তার যেটা পছন্দ সেটা আমজনতার পছন্দ নয়। আদিত্যর চিন্তাসূত্র ছিঁড়ে গেল, একটা লাল গাড়ির পেছনের সীট থেকে বকুল তাকে ডাকছে।

    ‘তাড়াতাড়ি উঠে পড়ুন, এখানে একেবারে দাঁড়াতে দেয় না, পার্কিংও নেই। তাড়াতাড়ি উঠুন।’

    পেছনের দরজা খুলে আদিত্য বকুলের পাশে বসল। বলল,

    ‘কোথায় যাওয়া হবে আপনিই ঠিক করুন। আমি এসব পাড়ার কিছুই জানি না।’

    ‘লেকের কাছে একটা নতুন জাপানি রেস্টোরান্ট হয়েছে। খুব দূরে নয়। ওখানেই যাই। আপনার মাথায় ভাল মতন কাঁঠাল ভাঙা যাবে।’

    ‘আমার তাতে কোনই আপত্তি নেই।’

    বকুল একটা হালকা ছাই রঙের কুর্তা-চুড়িদার পরেছে। চোখে মস্ত গোল গোল রোদ-চশমা। গাড়িতে উঠে আদিত্য আবার সেই হালকা পারফিউমটার গন্ধ পেল। বকুলই ড্রাইভারকে বলল কোথায় যেতে হবে। মিনিট দশেকের মধ্যে আদিত্য দেখতে পেল তারা টেম্পুরা গার্ডেন বলে ছিমছাম একটা রেস্তোরাঁর সামনে পৌঁছে গেছে। পাড়াটা নির্জন, বিশেষ করে এই কাজের দিনের দুপুরে রাস্তায় একটাও লোক নেই। আদিত্যর বেশ নার্ভাস লাগছে। কোনও মহিলাকে নিয়ে সে কখনো কোনও রেস্তোরাঁতে আসেনি। তার ওপর এই মহিলা বিবাহিত এবং তার মক্কেলের স্ত্রী।

    ‘সুসি দিয়ে শুরু করা যাক, না কি? তারপর না হয় এদের একটা প্রন টেম্পুরা মিল আছে সেটা নেওয়া যাবে। আপনার কাঁচা মাছ চলবে তো?’

    ‘কাঁচা মাছ? আপনার চললে আমারও চলবে। আপনিই মেনুটা ঠিক করুন। আমি জাপানি খাবারের কিছুই জানি না। আপনার হাতে নিজেকে সঁপে দিচ্ছি।’

    আদিত্যর মনে পড়ল, কলকাতার যে অভিজাত ক্লাবটি থেকে তাদের বাড়িতে প্রায়শই খাবার আসত সেখানে বছরে অন্তত দুবার জাপানি ফেস্টিভাল পালন করা হত। সেই উপলক্ষে সুসি বা টেম্পুরা সে বহুবার খেয়েছে। কিন্তু এখানে সেসব কথা বলার উপায় নেই।

    ‘গতকাল আমার এক পরিচিত আপনার দাদার ট্র্যাভেল এজেন্সি ‘পান্থজনের সখা’র খুব প্রশংসা করছিল। ‘পান্থজনের সখা’র মাধ্যমে তারা সম্প্রতি ইটালি ঘুরে এসেছে। খুব স্যাটিসফায়েড। আপনি কখনও ওদের সঙ্গে বেড়াতে যাননি?’

    ‘গেছি তো। বলতে গেলে প্রত্যেক বছরেই যাই। কোনও কোনও বছরে একাধিকবারও গেছি। আমার কর্তামশাই অবশ্য কখনো যাননি। ভ্রমণে তাঁর কোনও উৎসাহ নেই, বিদেশ ভ্রমণে তো একেবারেই নেই। তবে আমার যাবার ব্যাপারে তিনি কখনও বাধা দেননি, বরং উৎসাহ দিয়েছেন। একবার ভেবেছিলাম দাদার এজেন্সিতে একটা চাকরি নেব। একা একা বাড়িতে ভাল লাগে না। দাদাকে বললেই রাজি হয়ে যেত। কিন্তু এই একটা ব্যাপারে আমার কর্তাটি ভীষণ কনজারভেটিভ। তাঁর ধারণা বাড়ির বউ-এর কখনও বাইরে চাকরি করতে যাওয়া উচিত নয়। সে যাক। আপনার কথা বলুন। আপনার সম্বন্ধে তো জিজ্ঞেসই করা হয়নি। আপনার বাড়িতে কে কে আছেন?’

    ‘বাড়িতে কেউ নেই। একা থাকি। মাঝে মাঝে সুলতা-বৌদিদের বাড়িতে যাই। তবে সেও ন-মাসে ছ-মাসে।’

    আদিত্য নিজেই অবাক হয়ে গেল কী অনায়াসে সে মিথ্যে কাল্পনিক একটা জীবন বানিয়ে নিচ্ছে।

    ‘বিয়ে করেননি?’

    প্রশ্নটা করতে গিয়ে বকুলের গলাটা একটু কেঁপে গেল কি? আদিত্যর মনের ভুল হতে পারে। সে বলল,

    ‘হয়ে উঠল কই?’ তারপর নিরীহভাবে বলল,

    ‘আমার কখনো বিদেশ যাওয়া হয়নি, জানেন। তবে যেতে খুব ইচ্ছে করে। ব্যাঙ্ক থেকে চার বছরে একবার বেড়াতে যাবার টাকা দেয়। তাতে বিদেশ যাওয়া যায় না, তবে দেশের মধ্যে দিন কতক বেশ ঘুরে আসা যায়।একবার গোয়া গেছি। একবার কেরালা। একাই।’

    ‘দেশের মধ্যে আমার কোথথাও যাওয়া হয়নি। মেয়েরা তো আর একা বেড়াতে যায় না। আমার কর্তা কিছুতেই কলকাতা ছেড়ে নড়বেন না। দাদার এজেন্সি ছাড়া আমার কোথাও যাবার উপায় নেই। ওরা দেশের মধ্যে ঘোরায় না।’

    খাবার এসে গেছে। কিছুক্ষণ দুজনেই চুপ। বকুল জিজ্ঞেস করল,

    ‘কাঁচা মাছ কেমন লাগছে?’

    ‘বুঝতেই তো পারলাম না কাঁচা মাছ। তবে চিংড়িটা সত্যিই ভাল। এটাই বুঝি টেম্পুরা?’

    ‘এটাই টেম্পুরা। আর ওই ভাত দিয়ে মোড়া মাছের টুকরোগুলো সুসি।’

    ‘আপনি খুব রান্না করেন, না?’

    ‘রোজের রান্না মালতীই করে। আমি কখনও-সখনও সখ করে রান্না ঘরে ঢুকি। তবে আমার কর্তার পছন্দগুলো একেবারে সাবেকি। ডাল, ঝোল, তরকারি। এর অন্যথা হলে মুখ ভার। কার জন্য আর নতুন নতুন পদ রাঁধব?’

    ‘একটা চাদর ঢাকা তানপুরা দেখলাম আপনাদের বৈঠকখানায়। আপনার কি গান-বাজনার চর্চা আছে?’

    ‘তানপুরা আমার নয়, সুলতার। সুলতা খুব সুন্দর গান গাইত। ওর বিয়ে হয়ে যাবার পর থেকে তানপুরাটা ওইভাবেই পড়ে আছে। ভিলাইতে সুলতা গান করে না?’

    ‘কখনো শুনিনি। মনে হয় সংসারের চাপে বৌদি গান-টান একেবারে ছেড়ে দিয়েছে। ফিরে গিয়ে একবার জিজ্ঞেস করব।’

    বকুলের রোদ চশমাটা কপালের ওপর তোলা। চশমার আয়নায় মেঘের ছায়া পড়েছে।

    ‘সময় কাটান কেমন করে? বই পড়েন? টিভি?’

    ‘সময় কাটতেই চায় না। বই পড়ার অভ্যেস নেই। টিভিও বেশিক্ষণ ভাল লাগে না। ছাদে একটা বাগান করেছি। সেদিন অন্ধকারে দেখানো হয়নি। বাগানের পেছনে খানিকটা সময় কাটে। মাটির টবে একটা জুঁই গাছ হয়েছে। খুব কুঁড়ি ধরেছে। এবার ফুল ফুটবে।’

    আদিত্য জানলা দিয়ে দেখল একটা গাড়ি অনেকক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। দুটো লোক সামনের সীটে বসে অপেক্ষা করছে। একজন ড্রাইভারের সীটে, একজন তার পাশে। কার জন্য অপেক্ষা করছে? একটা বড় মেঘ এসে আস্তে আস্তে সূর্যটাকে ঢেকে দিচ্ছে। রাস্তাটা আঁধার হয়ে গেল। বকুলের মুখের ওপরেও কি অন্ধকারের ছায়া পড়ল? ভারি সুন্দর দেখাচ্ছে বকুলকে। আদিত্য অনেকক্ষণ বকুলের দিকে তাকিয়ে ছিল। বকুলের ভেতরে কী ঘটছে বোঝার চেষ্টা করছিল। ওয়েটার কফি দিয়ে গেছে।

    (২)

    সন্ধের দিকে গৌতমের ফোন এল। আদিত্য তখন আপিসে। গৌতম বলল,

    ‘কালকের আয়োজন মোটামুটি কমপ্লিট। কাল ভোর-রাত্তিরে সুশান্তর দোকান, আব্দুলের আড্ডা, মন্টুবাবুদের পাড়ার পরিত্যক্ত কারখানা সব এক সঙ্গে রেড হচ্ছে। আমি আমার টিমকে জানিয়ে দিয়েছি। যে নামটা তুই বললি তাকে বলেছি যেন পুরোটা কোঅরডিনেট করে। আমরা আর একটু পরে অপরেশনে যাব। এটা অবশ্য কেউ এখনও জানে না। আমরা যখন অপরেশনে যাব তখন সাইমাল্টেনিয়াসলি ‘পান্থজনের সখা’র অফিস রেড করা হবে। এটাও তুই আমি ছাড়া আর কেউ আগে থেকে জানছে না। তোর কী খবর?’

    ‘খবর ঠিকই আছে। সকালে রত্নাদের কলেজে গিয়েছিলাম। প্রথম ছবিটা কেউ চিনতে পারল না। কিন্তু দ্বিতীয় ছবিটা, যেটা তোদের আর্টিস্ট একটু মডিফাই করে দিয়েছেন, দেখানো মাত্রই আইডেন্টিফাইড হয়ে গেল। অর্থাৎ যা সন্দেহ করেছিলাম ঠিক তাই। নতুন কিছু ঘটলে তোকে সঙ্গে সঙ্গে জানাব।’

    ‘ও কে। কাল তাহলে তোকে সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ তুলে নিচ্ছি।’

    ‘ও কে।’

    আদিত্য মোবাইল বন্ধ করে টেবিলে রাখল। আরও দুএকটা ফোন সেরে নিতে হবে। প্রথমে বিমল।

    ‘গুড ইভিনিং স্যার। প্ল্যান সব ঠিক আছে তো?’

    ‘সব ঠিক আছে। তুমি এখন কোথায়?’

    ‘ক্যামাক স্ট্রীটে, একটা রাস্তার চায়ের দোকানে বসে আছি স্যার। যে বিল্ডিং-এ পান্থজনের আপিস, তার ঠিক উলটো দিকে। রজনীবাবু এখনও বেরোননি। বেরোলে আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে জানিয়ে দেব।’

    ‘ঠিক আছে, বসে থাক।’

    আদিত্য ফোন ডিসকানেক্ট করে আরেকটা নম্বর লাগাল।

    ‘আদিত্যবাবু, বলুন।’ ওপার থেকে মিহি কণ্ঠ ভেসে এল।

    ‘চারদিকে নজর রাখছেন তো?’

    ‘আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন। আমার দৃষ্টি এড়িয়ে একটা মাছিও গলতে পারবে না।’

    ‘সন্দেহজনক কিছু দেখলেই জানাবেন।’

    ‘সঙ্গে সঙ্গে জানাব। আপনার কোনও চিন্তা নেই।’

    ‘ঠিক আছে। হয়ত কালই দেখা হয়ে যেতে পারে।’

    ‘ঠিক আছে।’

    এখন অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছু করার নেই। আদিত্য আপিস বন্ধ করে রাস্তায় নামল। বউবাজার স্ট্রীটে জনস্রোত চলছে। সে ভাবল, এখনো সে এই রাস্তাটাকে বউবাজার স্ট্রীটই বলে। এর আধুনিকতর নাম যে বিপিনবিহারি গাঙ্গুলি স্ট্রীট সেকথাটা মনেই থাকে না। কেন যে কর্পোরেশনের কর্তারা পুরোনো নামগুলো পালটে দেন। ইতিহাসের প্রতি কিছুমাত্র শ্রদ্ধা থাকলে এটা ঘটত না। অন্নদাশঙ্করের লাইন মনে পড়ল ”দ্বিধা হও দ্বিধা হও ওগো মা ধরণী/ চিতুরের নাম হল রবীন্দ্র সরণী”।

    আদিত্য এখন কলেজ স্ট্রীট ধরে হাঁটছে। পুরোনো বইয়ের দোকানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে বই দেখল। তারপর কফি হাউসে গিয়ে বসল। তার ভেতরে ভেতরে একটা দারুণ উত্তেজনা রয়েছে। এক কাপ কালো কফি নিয়ে আদিত্য অনেকক্ষণ বসে রইল। তারপর আরও এক কাপ। যখন বেয়ারারা ফাঁকা চেয়ারগুলোকে টেবিলের ওপর তুলে দিয়ে কফি হাউস বন্ধ করার ইঙ্গিত দিচ্ছে, আদিত্য উঠে পড়ে ঘরমুখো হল। সে মেসবাড়ির সিঁড়ি দিয়ে তিনতলায় উঠছে, তখন প্রথম ফোনটা এল। দ্বিতীয় ফোনটা এল তার অনেক পরে, প্রায় রাত একটায়। আজ রাত্তিরে আদিত্যর ঘুম হবে না।

    (৩)

    ঠিক সাড়ে পাঁচটাতেই গৌতমের ফোন এল, ‘নীচে নেমে আয়, আমরা এসে গেছি।’

    পৌনে ছটার মধ্যে তারা চিত্তরঞ্জন হাসপাতালের সামনে। স্করপিও গাড়ির মাঝের সীটে গৌতম আর আদিত্য, পেছনের সীটে তিনজন আর্মড পুলিশ, সামনে ড্রাইভারের পাশে গৌতমের খাস বডিগার্ড। পিছনে আর একটা গাড়ি ভরতি পুলিশ। চিত্তরঞ্জন হাসপাতাল অব্দি যেতে হবে ড্রাইভার এইটুকুই জানত। জিজ্ঞেস করল, ‘এবার কোনদিকে স্যার?’

    ‘আদিত্য, রাস্তা বলে দে।’ গৌতম আদিত্যকে বলল।

    কলকাতা সহর এখনও ঘুমের মোড়ক থেকে বেরোয়নি। শুধু রুগির বাড়ির দু’চারজন যারা কাল সারারাত হাসপাতালে রাত জেগেছিল, চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছে। আদিত্য লক্ষ করল সেই টেলিফোনের বুথটা খোলা রয়েছে, যদিও এই মুহূর্তে কেউ সেখান থেকে টেলিফোন করছে না। উলটো দিকের কচুরির দোকানটা এখনও খোলেনি। পুলিশের গাড়ি দুটো যখন মন্টুবাবুর বাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়াল তখন ঘড়িতে ছটা বেজে কয়েক মিনিট। আদিত্যরা গাড়ি থেকে নামতেই ভোজবাজির মতো হঠাৎ কোথা থেকে যেন একটা লোক আবির্ভূত হল।

    ‘কাল সাড়ে আটটা নাগাদ ম্যাডাম ফিরেছেন। ম্যাডামের স্বামী ফিরেছেন আরও আধঘণ্টা পরে। তারপর বাড়িতে আর কেউ আসেনি, বাড়ি থেকেও কেউ বেরোয়নি। আমি সারারাত্তির নজর রেখেছি স্যার।’

    ‘এটা কে?’ আদিত্য গৌতমের দিকে তাকাল।

    ‘এ আমাদের লোক। খুব হুশিয়ার ছেলে। সারা রাত্তির মন্টুবাবুর বাড়ির ওপর নজর রেখেছে।।’

    ‘ও, তাই বুঝি।’

    গৌতম লোকটিকে বলল, ‘তুমি এখন বাইরেই থাক। ভেতরে যাবার দরকার নেই। আদিত্য, তুই অবশ্য উইটনেস হিসেবে আমার সঙ্গে যাচ্ছিস।’

    বার তিনেক বেল বাজানোর পর চোখ মুছতে মুছতে মালতী এসে দরজা খুলে দিল। পুলিশ দেখে স্পষ্টতই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে তার মুখে। তারপর আদিত্যকে চিনতে পেরে ব্যাকুল হয়ে বলল,

    ‘এসব কী হচ্ছে দাদাবাবু? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। পুলিশ কেন?’

    ‘তোমাকে বুঝতে হবে না। তুমি দাদা-বৌদিকে খবর দাও।’

    খবর অবশ্য দিতে হল না। তার আগেই লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে মন্টুবাবুকে দোতলার সিঁড়ি দিয়ে নামতে দেখা গেল, তাঁর পেছন পেছন রাত্রিবাসের ওপর একটা চাদর জড়িয়ে বকুল। মন্টুবাবুই প্রথম কথা বললেন,

    ‘কী ব্যাপার? আপনারা এত ভোরবেলা?’ তাঁর গলাটা কাঁপছে।

    গৌতম এগিয়ে গেল, পুলিশি কায়দায় বলল,

    ‘আপনার নাম জিতেন্দ্রনাথ দত্ত?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ।’

    ‘আমরা লালবাজার থেকে আসছি। আমি জয়েন্ট কমিশনার ক্রাইম, গৌতম দাশগুপ্ত। আর ইনি আদিত্য মজুমদার, সাক্ষী হিসেবে আমার সঙ্গে এসেছেন। আপনার বাড়ি সার্চ করা হবে। ওয়ারেন্ট আছে।’

    ‘সার্চ করা হবে? কেন? আদিত্যবাবু, আমি কী করেছি?’ মন্টু দত্তর গলার আওয়াজটা প্রায় আর্তনাদের মত শোনাল।

    ‘সেটা একটু পরেই বুঝতে পারবেন।’ গৌতমের বাহিনী ইতিমধ্যে বাড়ির ভিতর ঢুকে পড়েছে। এত কাণ্ডের মধ্যে বকুল কিন্তু প্রায় অবিচলিতই আছে।

    খুব বেশি খুঁজতে হল না। মন্টু দত্তর আলমারির পেছন থেকে গোটা দশেক প্যাকেট বেরোল। একজন উর্দিপরা পুলিশ একটা প্যাকেট থেকে এক চিমটে গুঁড়ো জিভের ডগায় লাগাল, তারপর বলল, ‘খাঁটি কোকেন স্যার। সব মিলিয়ে পাঁচ কোটি টাকার কম হবে না।’

    ‘কোকেন!’ মনে হল মন্টু দত্ত এবার অজ্ঞান হয়ে যাবেন।

    গৌতম এক পা এগিয়ে এল। গম্ভীর গলায় বলল,

    ‘মিসেস বকুল দত্ত, কোকেন ট্র্যাফিকিং-এর চার্জে আপনাকে গ্রেপ্তার করা হল। তাছাড়া ইন্সপেক্টার কানুনগোকে খুন করার চার্জও আপনার ওপর আছে। এই কাজে আপনার মূল সহযোগী সুশান্ত হালদারকে কিছুক্ষণ আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আপনাকে সাবধান করে দিই, এখন থেকে আপনি যা কিছু বলবেন তা আপনার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে।’

    ভোজবাজির মতো একজন উর্দিপরা মহিলা পুলিশ আবির্ভূত হয়েছে। আদিত্য লক্ষ করেনি, নিশ্চয় দ্বিতীয় পুলিশের গাড়িটাতে ছিল। মহিলা বকুলের কাঁধে হাত রাখল। বকুল এখনও নির্বিকার। শুধু খুব ঠাণ্ডা চোখে আদিত্যর দিকে তাকিয়ে রয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসৈকত রহস্য – অভিরূপ সরকার
    Next Article চন্দ্রলেখা অন্তর্ধান রহস্য – অভিরূপ সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }