Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছোটগল্প – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প745 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনালি বাঘ

    সোনালি বাঘ

    আগে ছিল শুধু কালো পাহাড় আর সবুজ জঙ্গল। বাঘের ডাকে নিস্তব্ধ রাত্রির আকাশ গমগম করে উঠত। ঝরনার পাশে হরিণের পায়ের দাগ, ভালুকের থাবা আর এখানে-ওখানে মরকত মণির ছিটের মতো টকটকে তাজা রক্তের বিন্দু। চেরাপুঞ্জির পাহাড়ে যখন ঘন নীল মেঘে বর্ষণ নামত, তখন এখানকার অরণ্যও তৃষ্ণার্ত ঊর্ধ্বমুখে আকাশের দিকে অঞ্জলি বাড়িয়ে দিত। ঝরনার জল ঘোলা হয়ে যেত, পাথরের চাঙড় নামত, বন্যার প্রচন্ড তোড়ে উপড়ে পড়া শালের গাছ আছড়ে পড়ত নীচের উপত্যকায়।

    মানুষ থাকত অনেক দূরে। এ তো মৃত্যুর রাজত্ব। শুধু বাঘই নয়। সকালে-সন্ধ্যায়-লক্ষ কোটি আরণ্য মশার বিকট গুঞ্জনে বাঘের ডাক চাপা পড়ে যায়। কাচমণির মতো মনোরম আর সুন্দর ঝরনার জল, কিন্তু এক আঁজলা খেলেই হাড়ের মধ্যে ম্যালেরিয়ার কাঁপুনি ধরে। তারপরে ব্ল্যাক-ওয়াটার ফিভার।

    কিন্তু অরণ্যের ধ্যান একদিন ভাঙল। এল দুঃসাহসিক অভিযাত্রীর দল। চায়ের বাগান হিসেবে জায়গাটা আদর্শ। এল শাবল-গাঁইতি আর কুড়ল। পাহাড়ের নীচে বিরাট কলোনি বসে গেল। কাঁটাতারের বেড়া, লোহালক্কড়, টিনের শেড, যন্ত্রপাতি, বাংলো, তিরিশ মাইল দূরে রেল স্টেশন পর্যন্ত কালো পিচের পথ। ম্যালেরিয়া, সাপ আর বন্য জন্তুর মুখে বহু প্রাণ বলি দিয়ে শেষপর্যন্ত মানুষের জয় হল। বুভুক্ষু বাঘেরা বন্দুকের ভয়ে আজ আর নীচে নামতে সাহস করে না। ম্যালেরিয়ার মৃত্যু নিয়ন্ত্রিত হয়েছে কুইনিনে আর ইঞ্জেকশনে।

    এ প্রায় চল্লিশ বৎসরের ইতিহাস। আজ এখানে সোনাঝুরি চা-বাগান। যুদ্ধের বাজারে এ বাগান এবার শতকরা তিনশো টাকা ডিভিডেণ্ড দিয়েছে। মোহিনী সরকার এ বাগানের প্রবলপ্রতাপান্বিত ম্যানেজার। এ পর্যন্ত ভূমিকা।

    কিন্তু মাঝখানে এমন দিনও গেছে যখন দেনায় দেনায় একেবারে ডুবে যেতে বসেছিল বাগানটা। তখন যুদ্ধ দেখা দেয়নি, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল, তিন আনা পাইকারি দরে বিক্রি হত চায়ের পাউণ্ড। তারপরে আগুন জ্বলে উঠল ইউরোপে। তারও পরে রেঙ্গুনে বোমা পড়ল। যাদুকরের হাতে ভেলকি লাগল বনমানুষের হাড়ে। সরকারি প্রচারপত্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঝকঝকে নোট ছাপা হওয়া শুরু করল, সোনাঝুরি চা-বাগানে রাতারাতি দেখা দিল সোনার খনি।

    সুযোগটা নিলে গুজরাতি ব্যবসায়ী কানহাইয়ালাল। রেঙ্গুনের বিরাট কারবারের মোহ কাটিয়ে তাকে পালিয়ে আসতে হয়েছিল কোহিমার দুর্গম পথ দিয়ে। কিন্তু একেবারে নিঃস্ব হয়ে আসেনি। পেট কাপড়ে বেঁধে যে পরিমাণ কাঁচা সোনা আর ব্যাঙ্কনোট সে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল, তারই একটা বড়োরকম অংশ জুয়া খেলার মতো ছড়িয়ে দিয়ে কানহাইয়ালাল কিনলে সোনাঝুরি বাগানের বারো আনি শেয়ার।

    অনুমানে ভুল হয়নি কানহাইয়ালালের। স্পেকুলেশনে শেয়ার মার্কেটে সে কোনোদিন ঠকেনি, আজও ঠকল না। তিন বছরে সোনাঝুরির চা-বাগান বিপুল গৌরবে ঠেলে উঠেছে। সমস্ত দেনা শোধ করে দিয়ে ঘরে এসেছে প্রচুর ডিভিডেণ্ড। তার বারো আনা গেছে কানহাইয়ালালের পকেটে; আর বাকি চার আনা মিলেছে অন্যান্য ছোটোখাটো শেয়ার হোল্ডারের ভাগে।

    টাকা—টাকা—টাকা। যুদ্ধের পরে ভারতবর্ষের শিল্পবাণিজ্য নাকি উৎসারিত হয়ে উঠবে সহস্র ধারায়। দেশের কোটিপতিদের বিস্তৃত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বেরোয় খবরের কাগজে। তাই নিয়ে আন্দোলন আর আলোড়নের অবধি নেই। ভবিষ্যতের ভারতবর্ষ কবে একদা ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা হয়ে উঠবে, তারই সোনালি স্বপ্ন শিল্পনায়কদের চোখে।

    খবরের কাগজ পড়ে হাসি পায় মোহিনী সরকারের। তিনশো টাকা ডিভিডেণ্ডের ব্যাপারে সেও নিতান্ত উপবাসী থাকেনি, চুরির বিরাট সমারোহের মাঝখানে তার অংশটাই বরং সিংহভাগ। তবু খবরের কাগজে এই সুবর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলো তারও বিবেককে যেন আঘাত করে। কত ধানে কত চাল, তার চাইতে সেটা বেশি আর কে জানে।

    ডিরেক্টরদের আবির্ভাব প্রায়ই ঘটে বাগানে। উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই সাধু। কিন্তু ইনস্পেকশন ফি র আকর্ষণ না থাকলে এসব মহৎ উদ্দেশ্য শুকিয়ে গিয়ে বহুকাল আগেই খটখটে বালি বেরিয়ে যেত।

    কত দৃষ্টান্ত চোখের সামনে। বাংলায় দুর্ভিক্ষ-কাপড় নেই, চাল নেই, সব নাকি যুদ্ধের দাবি মেটাবার জন্যে রাতারাতি ফ্রন্টে চালান হয়ে গেছে। তা যাক, কিন্তু বাগানের জন্যে চাল ডাল-কাপড়-জামার কমতি নেই কিছু। ওয়াগন বোঝাই কয়লা যায়, চিনি যায়, কাপড় যায়। কুলিদের অভাব দূর করো, তাদের গায়ে বস্ত্র এতটুকু কমতি না হয় সেদিকে কড়া নজর দাও–এই হচ্ছে ম্যানেজিং ডিরেক্টরের আদেশ।

    অতএব বাগানে কোনো অভাব নেই। কাগজপত্রে সমস্ত হিসেব ঠিক আছে। ডিরেক্টরেরা কাগজ দেখেই খুশি, বেশি না ঘাঁটানোই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করেন তাঁরা। তবু তাঁদের একজন কী ভেবে বলে বসলেন, চলুন বাগান দেখা যাক। একটা ঢোঁক গিলে মোহিনী বললে, চলুন।

    বাগানের ভেতর কালো কালো কুলি মেয়েরা কাজ করছে। অদ্ভুত ক্ষিপ্রগতিতে হাত চলছে তাদের, পিঠের ঝুড়িটা ভরে উঠছে সবুজ সরস চায়ের পাতায়। কিন্তু ওরা সামনে এগিয়ে আসতেই তারা টুপ টুপ করে চা-গাছের আড়ালে বসে পড়ল। যেন কী মন্ত্রবলে এতগুলো মাথা একসঙ্গে অদৃশ্য।

    ডিরেক্টর বললেন, ওরা ওভাবে লুকাল কেন বলুন তো? মোহিনী ঠোঁট দুটো চেটে বললে, ওদের পরনে যে কাপড় আছে তাতে শরীরের সবটা ঢাকে না বলেই…

    বিস্মিত ডিরেক্টর বললেন, কেন? এত কাপড় এল বাগানে…!

    মানে, ইয়ে, বুঝলেন না? যা ডিম্যাণ্ড তার অর্ধেকও…

    ডিরেক্টর এক বার তীক্ষ্ণচোখে মোহিনীর দিকে তাকালেন। চোখাচোখি হল ক্ষণিকের জন্যে এবং তারই মধ্যে প্রচুর ভাববিনিময় হয়ে গেল।

    তাই কী? হবে।

    খানিকটা এগোতেই কুলি বস্তি। খুব খানিকটা হাউমাউ কান্না শোনা গেল সেখান থেকে। মড়াকান্নার একটানা দীর্ঘস্বর।

    কেউ মরেছে নাকি?

    হ্যাঁ, একটা কুলি।

    কী হয়েছিল জানেন?

    মোহিনী নিরুত্তর। উত্তরটা তার সর্বাঙ্গ ঘিরে অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অথচ রাশি রাশি চাল এসেছে বাগানে, এসেছে খাদ্য।

    ডাক্তার বলেছে ম্যালনিউট্রিশন।

    ডিরেক্টর ঠোঁট কামড়ালেন। বললেন, ওর বউটাকে এক বার ডাকতে পারেন?

    ডাকলেও আসবে না।

    কেন?

    আবার দৃষ্টি বিনিময়। অনাহারে মরবে, তবু লজ্জা ছাড়তে পারবে না। স্বামীর মৃতদেহ আঁকড়ে ধরে কান্না জুড়েছে ভাঙা গলায়, কিন্তু নগ্ন দেহে বেরিয়ে আসবে কেমন করে?

    ডিরেক্টর খানিক্ষণ গুম হয়ে রইলেন। তারপর ফেরবার পথে বললেন, কাপড়চোপড় কিছুই নেই একেবারে?

    না। গুদামে গিয়ে এক বার দেখুন-না স্যার। গাঁট বাঁধবার কতগুলো ছেঁড়া টুকরো ছাড়া…

    বেশ, বেশ। ওই টুকরোগুলোই যা পারেন বিলিয়ে দেবেন ওদের। তবু তো হবে কিছুটা। একটা মহৎ কাজ করতে পারায় ডিরেক্টরের মুখ প্রসন্ন হয়ে উঠল। বিবেককে নিরঙ্কুশ করে ফেলেছেন তিনি।

    এইতো সত্যিকারের অবস্থা। মৃদু হেসে মোহিনী খবরের কাগজটা নামিয়ে রাখল। শিল্পপতিদের বোম্বাই পরিকল্পনা! দেশটা সত্যি সত্যিই আমেরিকা হয়ে যাবে!

    সামনে প্যাকিং বাক্সের একটা হিসাব। দশ হাজার বাক্স এসেছে বাগানে। সত্যিই কি দশ হাজার! কাগজের অঙ্ক বাদ নিলে গোনাগুনতি দাঁড়াবে সাত হাজারে। বাকি তিন হাজার যে কোথায় যায়, কলকাতায় নানা কাজ কারবারে ব্যস্ত ম্যানেজিং ডিরেক্টর কানহাইয়ালালের সেটা জানবার কথা নয়।

    রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ করল মোহিনী সরকারের স্ত্রী অমলা। অজ পাড়াগাঁয়ের মেয়ে, কিছুদিন আগেও নাকে নোলক পরত। হালে তার পদোন্নতি হয়েছে। অমলা আজকাল সারাদিন চা খায়, তেলেভাজা জিলিপির চাইতে পাম কেকে তার রুচি বেশি। কোকো ভালোবাসে, তবে কফির কেমন একটা পোড়াগন্ধ তেমন পছন্দ করতে পারে না। পুরু পাউডারের প্রলেপে নাকের ছিদ্রটা প্রায় অদৃশ্য হতে বসেছে।

    খট খট শব্দ করতে করতে এল অমলা। একটা উদ্ধত ভঙ্গিকে আবিৰ্তত করে তোলবার চেষ্টা করলে সর্বাঙ্গে।

    সারাদিন কী একরাশ রাবিশ নিয়ে বসে আছ। একটু বেড়াতে বেরোবে না? চোখ তুলে মোহিনী এক বার তাকাল অমলার দিকে। বেশ তৈরি হয়ে উঠেছে, আর দু বছরের মধ্যে কোথাও একটু ফাঁক খুঁজে পাওয়া যাবে না। রঙিন কাপড় দিয়ে পুতুল সাজিয়ে ছেলে-মেয়েরা যেমন সৃষ্টির আনন্দ অনুভব করে, অমলা সম্বন্ধে মোহিনীর মনোভাবটাও সেই-জাতীয়।

    নাঃ, আজ আর বেরোনো চলবে না। এরোড্রোমের ওরা সন্ধ্যায় চা খেতে আসবে, সব ঠিক করে রাখতে বলো গে।

    মাই গড! অমলা বললে, এতক্ষণ বলনি! দ্রুত পদক্ষেপে হিলের জুতো প্রস্থান করলে।

    আরও খানিকক্ষণ কাজকর্ম করবার পরে মোহিনী কাগজপত্রগুলোকে রাখল সরিয়ে। বেলা পড়ে আসছে। সোনাঝুরি চা-বাগানের দেবদারু গাছগুলোর মাথা রাঙিয়ে দিয়ে সোনার রং পিছলে পড়ছে সবুজ পাতার সমুদ্রে। সেই রঙের দীপ্তি দেখা যাচ্ছে কালো কালো কুলি মেয়েদের মুখে। চায়ের পাতাগুলো যেখানে পেষা হচ্ছে ওখান থেকে আসছে নিরবচ্ছিন্ন লোহার কলরব। পাহাড় আর অরণ্য দিনান্তের সোনা মেখে রাত্রির জন্য প্রতীক্ষা করছে, অন্ধকার নেমে এলেই জেগে উঠবে ওখানকার হিংস্র জীবন। ঝরনার জলে সোনা, সোনাঝুরি চা-বাগানে সোনা ফলছে।

    মাথার ওপরে এরোপ্লেনের পাখার শব্দ। মাইল তিনেক দূরে মাঝারি গোছের একটা এরোডস্লাম বসেছে, পূর্ব সীমান্তে প্রতিরোধ ব্যবস্থা। শাল গাছের উদ্ধত মাথাগুলোর ওপরে যেন পাখার ঝাপটা দিয়ে গেল।

    মন দিয়ে মোহিনী অপস্রিয়মাণ যন্ত্র ইগলটাকে লক্ষ করতে লাগল। পাখার গায়ে তিনটে নানা রঙের সমুজ্জ্বল বৃত্ত। উদীয়মান সূর্যকে ডুবিয়ে দেবার জন্যে অভিযান করেছে। চলুক, চলুক, যুদ্ধ চলুক। শুধু বোমারই বুম নয়, ব্যবসায় বুম, চায়ের বাজারে বুম। যুদ্ধ-দেবতার কুঠার মানুষকে হত্যা করে, কিন্তু তার ফলাটা সোনায় তৈরি।

    ঝাড়নের একটা শব্দ অত্যন্ত প্রকট হয়ে কানে এল। যতটুকু প্রয়োজন তার চাইতে অনেক বেশি, যেন মোহিনীর মনোযোগটা আকর্ষণ করতে চায়। বারান্দা ঝাঁট দিতে ঝি এসে উপস্থিত হয়েছে। অমলা সংশোধন করে বলে, আয়া।

    চোখ-কান তীক্ষ্ণকরে আয়া অনুভব করে নিলে অমলা কোথায় এবং কতদূরে। তারপর মোহিনীর টেবিলের সামনে এসে স্থির হয়ে দাঁড়াল।

    আরার চুল থেকে সৌখীন তেলের গন্ধ মুহূর্তে জাগিয়ে দিলে মোহিনীকে। মোহিনী সোজা ওর দিকে তাকাল, চোখের দৃষ্টি উঠল ঘন আর গভীর হয়ে। কে বলে সাঁওতাল মেয়েরা কালো এবং কুশ্রী? প্রসাধনের মায়াস্পর্শে আয়াকে এখন সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র বলে মনে হয়।

    স্বপ্নাবিষ্টের মতো মোহিনী হাসল, কী চাই?

    কিছু না। একটা আকস্মিক ঝাপটা দিয়ে সরে গেল মেয়েটা। এ শুধু খেলা—তপস্বীর ধ্যান ভঙ্গ করবার জন্যে একটুখানি লঘু কৌতুক।

    নিরাপদ সীমানায় দাঁড়িয়ে আয়া মারাত্মক একটা ভঙ্গি করলে। চমক লাগল মোহিনীর চেতনায়। কিন্তু এখন সময় নয়। বাইরে দিনের আলো, সোনাঝুরি চা-বাগানের ওপর অস্ত যাচ্ছে সোনার সূর্য। যখন-তখন এসে পড়তে পারে অমলা।

    আমাকে একটা গাউন কিনে দিতে হবে বাবু।

    গাউন?

    হুঁ। ওই যে মেম সায়েবেরা পরে।

    বটে! মোহিনী বিস্ময় বোধ করলে, মেমসায়েব হওয়ার ইচ্ছে হয়েছে নাকি?

    হুঁ। আয়া সশব্দ হাসি হাসল। সঙ্গে সঙ্গে আর একটা তির্ষক দৃষ্টি। এটা অধিকন্তু অনুরোধটা জোরালো হবে এতে।

    আচ্ছা যা, দেখা যাবে।

    আশ্চর্য লাগছে মোহিনীর। মানভূমের কোনো এক শালবনের ছায়া আর লালমাটির টিলা থেকে আমদানি হয়েছিল এই কালোকোলো হাবা মেয়েটা। ওর স্বাস্থ্য সুঠাম শরীর মোহিনীকে আকর্ষণ করেছিল, তাই বাগান থেকে তুলে এনে সোজা নিজের কাজে লাগিয়েছিল। এই ক বছরেই কী দ্রুত প্রগতি হয়েছে। আর শুধু ওরই-বা দোষ কী। অমলাও তো ঠিক তালে তালেই এগিয়ে চলেছে।

    ক্রিং করে লাল সাইকেলের ঘণ্টির শব্দ। টেলিগ্রাম।

    ক্ষিপ্রহাতে লেফাপা ছিঁড়ে টেলিগ্রাম পড়ল মোহিনী। কাল সন্ধ্যার ট্রেনে কলকাতা থেকে আসছে শঙ্করলাল, কানহাইয়ালালের ভাইপো।

    ধড়মড় করে করে উঠে পড়ল সে। সকলকে এখনই ডাকা দরকার। কাগজপত্র, গুদাম সমস্তই রাতারাতি ঠিক করতে হবে। আর যে তিনশো বস্তা অতিরিক্ত চা গুদামে মজুত আছে, তাদেরও নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে ফেলতে হবে এক্ষুনি। খাতাপত্রে ওই তিনশো বস্তার হিসেব নেই কিছু।

    সন্ধ্যায় বাংলোতে ফিরে মোহিনী দেখলে অনুষ্ঠানের ত্রুটি নেই কোথাও। আতিথেয়তার ব্যাপারে অমলা তাকে অনেক পেছনে ফেলে গেছে আজকাল। বেতের চেয়ারে, টেবিলে আর ফুলদানিতে সুন্দর করে সাজিয়েছে বারান্দাকে। আর এমনভাবেই প্রসাধন করেছে যে দেড় মাইল দূর থেকেই তার কসমেটিকের গন্ধ যেন মাথা ঘুরিয়ে দেয়। গলার খাঁজে পুরু পাউডারের আস্তর দিয়ে সেটাকে একেবারে সাদা করে ফেলবার একটা মর্মান্তিক দুশ্চেষ্টা করেছে অমলা।

    অমলা বললে, ননসেন্স। এত দেরি করলে। ওদের যে আসবার সময় হয়ে গেল।

    ক্লান্ত গলায় মোহিনী বললে, তুমি একাই তো যথেষ্ট।

    ভ্রূ কুঁচকে অমলা বললে, মানে?

    মানে কিছু নেই মোহিনী মন্থর অবসন্ন গতিতে ভেতরে চলে গেল। কেন কে জানে, আজকে অমলার এই অতি প্রসাধনটা তার ভালো লাগল না। মোহিনীর হাতের তৈরি পুতুলটা কার মায়াবলে জীবন্ত হয়ে উঠল? তার সৃষ্টি যেন তাকেই ছাড়িয়ে যেতে চায়। বড়ো বেশি এগিয়ে গেছে অমলা, এখন এক বার রাশ টানা দরকার।

    বাথরুমের সামনে অনুজ্জ্বল নীল আলোতে দেখা গেল আয়াকে। মুখে একটা জ্বলন্ত সিগারেট। মোহিনীকে দেখে মুহূর্তে সিগারেটসুদ্ধ হাতটাকে পেছনে লুকিয়ে ফেললে।

    কী রে, গাউন পরবার আগেই সিগারেট ধরেছিস? আয়া অপ্রতিভ হয়ে গেল অনেকটা। বললে, না, ওরা দিলে তাই…।

    কারা দিলে?

    ওই… উত্তরটা অসমাপ্ত রেখেই আয়া দ্রুত প্রস্থান করলে।

    মোহিনী চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল খানিক্ষণ।

    সমস্ত চিন্তা চকিত আর সন্ত্রস্ত হয়ে উঠেছে। আজ সন্ধ্যায় সব কিছু বিরক্ত আর বিস্বাদ করে দিচ্ছে মনকে। অমলা আর আয়া দুজনেই বড়ো বেশি এগিয়ে গেছে, এত বেশি এগিয়েছে যে মোহিনী যেন আর তাদের নাগাল পাচ্ছে না। হয়তো এমন দিনও আসবে যখন দূর থেকে অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করবার থাকবে না মোহিনীর। নিজের তৈরি অস্ত্র আজ কি তার নিজের বুক লক্ষ করেই উদ্যত হয়ে উঠল?

    হঠাৎ নিস্তব্ধ রাত্রির আকাশে গমগম করে বাঘ ডেকে উঠল। পাহাড়ে বাঘ ডাকছে। ক্ষুধিত বাঘ আজ আর স্বচ্ছন্দে নীচে নেমে আসতে পারে না মানুষের ভয়ে—তার অস্ত্রের ভয়ে। তাই দুর্গম পাহাড়ের জটিল লতাগুল্মের আড়ালে গর্জন করে অসহায় আক্রোশে। কচিৎ কখনো দু-এক বার নেমেও এসেছে, প্রাণ নিয়েছে মানুষের, তারপরে নিজের প্রাণ দিয়েছে। সোনাঝুরি চা-বাগানে সোনার শস্য দেখা দিয়েছে, প্রাচুর্যের সঞ্চয় মানুষের বিশ্বব্যাপী মুষ্টির ভেতর থেকে উপছে পড়ে যাচ্ছে, শুধু বাঘই বঞ্চিত। ওই গর্জনের ভেতর দিয়ে সে কি নিজের দাবিকেই জানাতে চায়?

    বাইরে জিপ গাড়ি থামবার শব্দ। অমলার কলকণ্ঠ, পুরুষের মোটা গলা। এরোড্রোমের আমন্ত্রিতেরা এসে পড়েছে।

    প্রায় পনেরো মিনিট পরে অনিচ্ছুক দেহ আর আড়ষ্ট মন নিয়ে মোহিনী বেরিয়ে এল বাইরের বারান্দাতে। আসর ভালো করেই জমে উঠেছে, তার অভাবে কোনোখানে এতটুকু ত্রুটি নেই কিছুর। এরোড্রোমের দুজন ভারতীয় কর্মচারী এসে আসর জাঁকিয়ে বসেছেন, একজন সিন্ধি আর একজন পাঞ্জাবি। সিগারের কড়া গন্ধ বাতাসকে ঘনীভূত করে তুলেছে। শুধু সিগারের গন্ধই নয়, মোহিনীর অভ্যস্ত নাক তার ভেতর মদের অস্তিত্বও অনুভব করল।

    মোহিনীকে দেখবামাত্র খানিকটা অট্টহাসি বিদীর্ণ হয়ে পড়ল।

    দ্য ম্যানেজার ইজ অলওয়েজ লেট।

    ও, হি ইজ এ লেট লতিফ।

    নট লতিফ বাট সিরকার।

    আবার খানিকটা উচ্ছ্বসিত হাসি। পাঞ্জাবি আর সিন্ধির চোখের দিকে তাকালে স্পষ্ট বোঝা যায় প্রকৃতিস্থ নেই ওরা। হাসির ধমকে পাঞ্জাবির প্রকান্ড শরীরটা দুলে উঠছে ঢেউয়ের মতো। সিন্ধির বাহুমূলে অভিজাত ইউনিফর্মের ওপরে জ্বলজ্বল করছে সোনালি ইগল। তাদের অত্যন্ত কাছ ঘেঁষে বসেছে অমলা। কী বুঝেছে কে জানে, তারও সমস্ত মুখ নির্বোধ হাসিতে উদ্ভাসিত। পাঞ্জাবির অনামিকায় জ্বলছে একটা হিরের আংটি। ওদের নেশার ছোঁয়াচ যেন রং ধরিয়েছে অমলার গালে, অমলার মনেও। পাঞ্জাবির চেয়ারের হাতল ধরে ঝুঁকে দাঁড়িয়েছে আয়া, সেও হাসছে। পলকের জন্যে এক বার অমলা আর এক বার আয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখল মোহিনী। কী-একটা জিনিস মুহূর্তের মধ্যে ওর মনের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠল, এরা দুজনে যেন আজ পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী।

    কুঞ্চিত করে মোহিনী চেয়ারে এসে বসল। চায়ের সঙ্গে চলতে লাগল উদ্দাম হাসি, অকারণ কৌতুক, সুলভ রসিকতা। অমলা যেন রাতারাতি বিলাতি ছবির নায়িকা হয়ে উঠেছে। আয়ার চোখেও যেন তারই প্রতিবিম্ব।

    মোহিনীর অস্বস্তি লাগতে লাগল, অতি তীব্র অস্বস্তিতে জ্বালা করতে লাগল সমস্ত শরীরটা। এখানে সে অনধিকারী, তার উপস্থিতিতে যেন এখানকার উচ্ছ্বসিত আনন্দের মধ্যে ছন্দপতন ঘটে যাচ্ছে। এখান থেকে এখন তার সরে যাওয়াই উচিত। মোহিনী হাতঘড়িটার দিকে। তাকাল। রাত নটা বাজে। অফিসের কাগজপত্র এলোমেলো, গুদামের বাড়তি তিনশো বস্তা রিমুভ করবার কোনো বন্দোবস্ত এখনও হয়নি। ওদিকে কাল সন্ধ্যার ট্রেনেই শঙ্করলাল এসে পড়বে। বোম্বাইয়ের পাকা ব্যাবসাদার লোক, আর যা-ই চলুক, ফাঁকি চলবে না।

    মোহিনী উঠে দাঁড়াল। এক্সকিউজ মি, অফিসে জরুরি কাজ পড়ে আছে, আমাকে এখুনি উঠতে হবে।

    দ্য স্কাউন্ট্রেল সিরকার ইজ অলওয়েজ বিজি।

    লেট হিম গো।

    উই হ্যাভ গট আওয়ার বিউটি। পাঞ্জাবি জিভ কাটলে, আওয়ার সুইট হোস্টেস।

    মুখ লাল করে মোহিনী উঠে পড়ল। চা-বাগানের ম্যানেজার, ছোটোখাটো জিনিসকে গায়ে মাখলে বহুদিন আগেই এসব ছেড়েছুড়ে দিয়ে বানপ্রস্থ নিতে হত তাকে। কিন্তু এখানকার এই আবহাওয়া মোহিনীর পক্ষেও অসহ্য হয়ে উঠছে, নিজেকে বড়ো বেশি অপমানিত বলে বোধ হচ্ছে। আয়া আর অমলার চোখে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বহ্নিছটা, ছলনাতে কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে তারই প্রতিযোগিতা চলছে যেন। মোহিনীর সৃষ্টি আজ মোহিনীকে অতিক্রম করে যাওয়ার দাবি রাখে।

    জোর করেই ওখান থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিলে সে, দ্রুতপায়ে বাংলোর লন পেরিয়ে চলল এগিয়ে। যা করে করুক ওরা। এখনই অফিসে গিয়ে বসতে হবে স্তুপাকার কাগজপত্র নিয়ে। কাল সন্ধ্যায় শঙ্করলাল আসবার আগেই সমস্ত ছিদ্রগুলোকে বেমালুম জুড়ে দিতে হবে।

    বাংলোর বারান্দা থেকে আসছে উচ্ছসিত হাসি আর দূরে পাহাড়ের কোলে বাঘের ডাক। হঠাৎ থেমে দাঁড়িয়ে কান পেতে শুনল মোহিনী। ওই দুটো শব্দ একসঙ্গে মিলে গিয়ে যেন একটা ঐকতানের সৃষ্টির হয়েছে। ওদের মধ্যে কোথাও একটা সাদৃশ্য আছে কি?

    চিন্তাটাকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে সে অফিসে এসে ঢুকল। কাজ চলছে পুরোদমে। ঠেলাগাড়িতে করে বস্তাগুলো সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। একটা ফাইল টেনে নিয়ে মোহিনী কাজের মধ্যে ডুবে গেল। ঘড়ির কাঁটায় ঘুরতে লাগল সময়।

    নিস্তব্ধ রাত, প্রায় বারোটা! শুধু টেবিল-ফ্যানটা ঘুরছে কট কট করে। মোহিনী খস খস করে উলটে চলেছে ফ্ল্যাট ফাইলের শিটগুলো। হঠাৎ একটা উচ্চন্ড আর উদ্দাম চিৎকারে রাতের পৃথিবী উঠল জেগে। কুলি বস্তিতে দারুণ কোলাহল, মর্মান্তিক আর্তনাদ।

    মোহিনী চমকে দাঁড়িয়ে উঠল।

    কী হয়েছে? আগুন লাগল নাকি?

    প্রবল চিৎকার। ভয়ার্ত কলরব। ঢন ঢন করে ঘা পড়ছে ক্যানেস্তারায়। পাঁচ-সাতটা গলার উতরোল কান্না।

    একজন কেরানি বললে, আগুন নয়, নিশ্চয় কোনো জানোয়ার নেমেছে পাহাড় থেকে!

    সঙ্গে সঙ্গেই দশ-বারো জন লোক খোলা দরজার পথে এসে আছড়ে পড়ল মোহিনীর পায়ে। হাউমাউ করতে করতে বললে, হুজুর বাঘ এসেছিল বস্তিতে।

    বাঘ?

    হ্যাঁ হুজুর। মংরুকে খাঁটিয়া থেকে তুলে নিয়ে গেল।

    মোহিনীর শিরা-স্নায়ুর মধ্যে উত্তেজিত হয়ে উঠল শক্তি আর তেজের তরঙ্গ। গায়ের কোটটা ছুড়ে ফেলে দিলে চেয়ারের ওপর। বললে, যতগুলো পারিস মশাল জ্বালিয়ে দে চারদিকে। আমি বন্দুক নিয়ে আসি।

    ক্ষিপ্রগতিতে মোহিনী এগিয়ে গেল বাংলোর দিকে। লোহার গেটটা এক ধাক্কায় খুলে ফেলে দিয়ে উঠে দাঁড়াল বারান্দাতে। দুটো ঘরের দরজাই বন্ধ। অমলার ঘরে আলো জ্বলছে। এত রাতেও কি ঘুমোয়নি অমলা!

    দরজায় ঘা দিতে গিয়েই খড়খড়ির ফাঁকে যা চোখে পড়ল তা মুহূর্তের মধ্যে স্তব্ধ করে দিলে মোহিনীকে। অসম্ভব বা অস্বাভাবিক হয়তো নয়, কিন্তু এতখানির জন্যে সে তৈরি ছিল না। এ ঘরের মালিক এখন সে নয়, তার জায়গা দখল করেছে সিন্ধি!

    রাগ নয়, দুঃখ নয়, স্ত্রীর এই রূপ দেখে উগ্র হিংস্রতার চিরন্তন প্রেরণাতেও শরীর জ্বালা করে উঠল না। মোহিনী শুধু অভিভূতের মতো তাকিয়ে রইল। কেন সে এসেছিল, কোথায় এসে সে দাঁড়িয়েছে, কয়েক মুহূর্ত কিছুই আর মনে পড়ল না। সব যেন শূন্য আর মিথ্যে হয়ে গেছে।

    মন্ত্রমুগ্ধের মতো মোহিনী পাশের ঘরের দরজায় এসে দাঁড়াল। এ ঘরও বন্ধ, ভেতর থেকে পাঞ্জাবির গলার আওয়াজ। তবে এ ঘরে আলো জ্বলছে না, অমলার চাইতে আয়ার লজ্জাটা কিছু বেশি—গৃহিণীর মতো অতটা সে এগিয়ে যেতে পারেনি। তবে তারও দিন আসছে।

    নিজের ঘরেই ঢোকবার অধিকার আজ আর নেই মোহিনীর। নিঃশব্দে পা টিপে সরে এল সে, একটু জুতোর শব্দ না হয়, এতটুকু রসভঙ্গ না হয় কোনোখানে। বারান্দার রেলিং মুঠোর মধ্যে শক্ত করে চেপে ধরে ঝুঁকে দাঁড়াল সে। শনশন করে হাওয়া দিচ্ছে, শরীরটা মৃদু শীতের স্পর্শে উঠছে শিউরে। বাংলোর টালি-দেওয়া ছাতের ওপর টুপ টুপ করে পড়ছে রাত্রির শিশির। পাহাড়ের গায়ে ঘুমিয়ে পড়েছে কালো অরণ্য। নীল-লাল আলোর দুটো সরু রেখা অন্ধকার আকাশের গায়ে বুলিয়ে বিমান উড়ে যাচ্ছে।

    ওদিকে কুলি বস্তিতে কোলাহলের বিরাম নেই। অনেকগুলো মশালের আলো, ক্যানেস্তারার শব্দ, নারীকন্ঠের কান্না—মংরুর স্ত্রীই নিশ্চয়। পাহাড়ের রাজত্ব থেকে ক্ষুধার্ত বাঘ হানা দিয়েছে ওখানে। বাঘ—সোনাঝুরি বাগানের সোনালি বাঘ। যুদ্ধদেবতার কুঠার সোনায় তৈরি। কিন্তু কুঠার তো চিরদিনই কুঠার, সে শুধু হত্যাই করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটেনিদা সমগ্র – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article সমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    সমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    September 2, 2025
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    টেনিদা সমগ্র – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    September 2, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }