Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প831 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুর-মেকুরের গল্প

    মামা। অ মামা! দেকিচো, এরা ক্যানাল বানানও জানে না গো! ফটিক বলল, তার একমাত্র, শহুরে মামা পলানের পাঞ্জাবির পকেট আচমকা টেনে ধরে।

    কী কইরতেচিস ছোঁড়া। পাঞ্জাবিটা ছিঁড়বি নাকি?

    লজ্জা পেয়ে ফটিক বলল, না। কিন্তুক, ওই দেকো।

    একটু আগেই জাদুঘর থেকে বেরিয়েছে ওরা দু-জনে। কাকদ্বীপ থেকে কলকেতাতে এই প্রথমবার বেড়াতে-আসা বোনপোকে হাওড়া হাটের গামছার নগণ্য ব্যাপারি পলান, কলকেতা শহর দেখাতে বেরিয়েছে তাকে সঙ্গে নে। ভালো করে ঘুইরে-ঘাইরে দেখার উত্তেজনায় উত্তপ্ত হইয়ে, বাইরে বেইরেই ফুটপাতের উপরের চাকা-লাগানো বাক্সের চলন্ত দোকান থেকি কিনে লালরঙা ঠান্ডা বরফ-জল খেইয়ে গরমকে কিছুটা প্রশমিত করে মামা, ভাগনেকে নিয়ে মেয়ো রোড ধইরে হাঁটতি নেগেচে গঙ্গার উপরে যে নতুন ব্রিজ হইয়েচে সেদিক পানে।

    ইতিমদ্দে এই বিভভম।

    মামা পলান, কেলাস সেভেন অবধি পড়েছিল গেরামের ইস্কুলে। তাদের বাড়ি বদমান জেলার এক অখ্যাত গেরামে। বাগনান থেইকি প্রায় চার কোশ মতন পড়ে। বাস-টাস নাই। হেঁইটেই। যেতি হয় একনও শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায়। কষ্ট আছে অবশ্যই তবে আনন্দও কম নাই।

    পলান মানুষটা স্বাধীনচেতা এবং রগচটা। বিয়ে-থা করেনি। গামছার ব্যবসাটা তার একটা শখ। আসলে সে একটু কবি-গোছের মানুষ। নুকিয়ে কবিতা নেকে। সুহাসিনী নাট্য কম্পানির হয়ে। যাত্রার জন্যে গানও নেকে। অসতীর পাপ এবং সতীর পুণ্য এই দুইট পালারই জইন্যে গান নিকেচে পলান এবারে। সুহাসিনী নাট্য কম্পানিতে চিংড়ি নামের যে নতুন হুঁড়িটা আমদানি হইয়েছে, যে জেলেনির পার্ট কইরবে বলে রিহার্সাল দিতিচে, গাছ-কোমর করে পাছাপেড়ে ডুরে শাড়ি পরে, সে দারুণ নাচে কোমর আর বুক দুলিয়ে দুলিয়ে। কালো রঙের মদ্দি ভারি মিষ্টি চেহারা-ছিরি। সে ছুঁড়িকে দেখলিই বুকের মদ্দি কে যেন মশলা বাইটতে শুরু করে, গাবুক-গুবুক করে।

    চিংড়ির কতা ভাইবতে ভাইবতে মেয়ে রোড পেরুতি যেয়ি একটা নাল মারুতির নীচে চাপা পইড়েচেল পলান আর এটু হলেই। বোনপো ফটিকচাঁদ গেরামের ছেলে হলি কী হয়, খুবই চালাক-চতুর বটেক। সে-ই বলতি গেলি, তার সবেধন মামার হাত ধইরে হ্যাঁচকা টান মেইরি তাকে সইরে নে যায়। সাক্ষাৎ যমের হাত থেকি। সি-কারণে পলান সেই মুহূর্তে তার বোনপোর উপর খুবই প্রসন্ন ছেল। কিন্তুক সদ্য পেরাণ ফিরে পেইয়েই যেই পকিট থেইকি একটা ভুবনমোহিনী বিড়ি বের কইরে, কেরোসিনের লাইটার জ্বেইলি সবে ধইরেচে, আর অমনি ফটিকচাঁদের নতুন প্রশ্ন।

    ছোঁড়াটার জানার আকাঙক্ষা খুব। এমন ছেইলে শহরের ভালো ইস্কুলে পইড়তে পারলি জজ ম্যাজিস্টের কোন ছার সি এম ডি-র ঠিকেদার পয্যন্ত হইয়ে গিয়ে লালে লাল হইয়া যেতি পারত। তাপ্পর চাই কি এম এল এ কি এম পি-ও। অমন সব লাভজনক ব্যবসা তো দেশে একন আর কিছুই নেই!

    ইচ্চে কইরলেই পলান ফটকেকে কাকদ্বীপ থেইকি নিয়ে এসি তার নিজের কাছেই রাইখতে পারত কিন্তুক তার ভগ্নিপোত, মানে ফটকের বাবা হরিপদটা একটা নম্বরি হারামজাদা। সে শালা ভাবে যে, সে যা বোঝে তেমনি আর কেউই বোঝে না। ভাবে। গাঁড়ল, তাই ভাবে। এককানা বিয়ে দেছিল বটে একমাত্র কন্যের, পলানের বাবা গোবদ্দন! তক্কনকার দিনে র‍্যালে সাইকিল, এইচ এম টি হাতঘড়ি, ফিলিপস-এর রেডিয়ো, নেপতোষক, এমনকী ঝিং-চ্যাক জিনস-এর প্যান্ট পয্যন্ত। কিন্তুক হলি কী হয়! তাপ্পরেও তার বোন চাঁপাকে কি একটুও সুখ দিল সে? ছ্যাঃ! ছ্যা!

    এইসব কারণেই ফটিকের উপরে ভারি মায়া পলানের। ফটিকও মামাকে খুব ভালোবাসে। যেন। পলকে হারায়।

    কী মামা? বললে না তো যে ক্যানাল বানানটা ভুল নিকেচে কেন তোমার কইলকেতার পণ্ডিতেরা?

    ক্যানাল আবার কোতায় দেকলি তুই?

    হোই তো!

    আঙুল তুলে দেখিয়ে বলল এবারে ফটিক।

    পলান দেকল, তাই তো! বড়ো বড়ো হরপে ইঞ্জিরিতে নেকা আছে CALCUTTA KENNEL CLUB।

    ফটিক একটু এগিয়ে গেল গেটের দিকে। পেচনে পেচনে পলানও। দেখল একটা সাদা নেড়ি শুয়ে আছে মাটিতে। ওদের দেইকেই সে শরীরের সামনের অংশ তুলে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল ওদের। দিকে। মামা-ভাগনে তাকিয়ে থাকল তার দিকে কিছুক্ষণ। নেড়ি মাথা নামিয়ে নিজের দু-পায়ের উপরে রেখে ঘুমিয়ে পড়ল আবার।

    ভারী চিন্তাতেই পইড়ে গেল পলান। সত্যিই তো! ক্যানালের ইংরেজি বানানটা সে জানে। কারণ, তাদের গাঁয়ে দুৰ্গাপুর থেইকে যে ক্যানালটা এইয়েচে তার পাশেই মস্ত টিনের বোর্ডে নেকা আচে চুনচুনিয়া ফিডার ক্যানাল–ওপেনড বাই চিপ মিনিস্টের অব ওয়েস বেঙ্গল ছিরি জ্যোতি বসু অন…।

    ক্যানাল ওপেন করার তারিকটার উপরে কাগে হেইগি হেইগি এমন কইরে রেকিচে যে সিটা আর পড়া যায় না। কাগেরা বোর্ডের উপরে হেইগে খুব সুক পায়। মাঝে মাঝে বগেরাও হাগে। কাগা বগার হাগায় তারিক হাপিস হইয়ে গেছে।

    সেই টিনের বোর্ডে ক্যানাল বানান নেকা চেলো CANAL। কিন্তু কইলকেতার ময়দানের এই ছাইনবোর্ডে দেকতিচে নেকা আছে KENNEL। CALCUTTA KENNEL CLUB।

    পলান বলল বোনপোকে, হয়তো ভুল নিকেচে।

    কিন্তুক তার বোনপো ফটিক অত সহজে মেনে নেবার পাত্রই নই। সে বলল, হ্যাঃ, কী যে বলো মামা! ইকানে ক্যানাল কোতা? ই তো মাঠ! মাঠের পর মাঠ। তুমিই না বইলচিলে এরি কয় গড়ের মাঠ। আমরা তো সেই গড়ের পাশ দেই যাব গঙ্গার দু-নম্বর বিরিজ দেখতি, না, কি?

    তা বটে।

    চিন্তিত গলাতে বলল পলান।

    ইকানেই তো মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল কেলাব আচে বইলেচিলে না তুমি? যেতে যেতে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল কেলাবের তাঁবুও তো দেকাবে বইলেছিলে। তা, এই ক্যানাল কেলাবটা আবার কী ব্যাপার? কোন খেলা হয় ইকানে?

    বলেই বলল, এই দেকো। ইটা আবার কী মামাচাঁদু?

    জুড়ো কেলাব।

    জুড়োটা কী খেলা মামা? লুডোর দাদা নাকি?

    আরে না, নাঃ।

    তাচ্ছিল্যের গলাতে বলল পলান, গ্রাম্য বোনপোকে চুপ করিয়ে দিয়ে। লুডোর দাদা-টাদালয় রে, শুনিচি, জুড় ব্যাপারটা নাকি জাপানি কুস্তি। হাওড়া হাটের আলুর পাইকের রাখোহরি একবার বইলেচেল। কিন্তু কেনেলটা কী খেলা? ই খেলার নাম তো শুনিনি আগে।

    KENNEL শব্দর মানেটা যে ফটিক জানে না অথবা JUDOশব্দরও সঠিক মানে, তা বুঝতে পেইরে, এবং ভাগ্নের কাছে তার জ্ঞানের স্বল্পতা ধরা পইড়ে যাওয়াতে সে অত্যন্তই অস্বস্তি বোধ করল। মনে মনে ঠিক করল আজ দুনম্বর বিরিজ দেইকে ফিরে গিয়েই হাতিবাগানের হাতি মিত্তিরের কাছে যেইয়ে একেবারে বডি থ্রো দেবে।

    হাতি মিত্তিরের বাড়িতে পলান গামছা সাপ্লাই কইরতেচে আজ পেরায় গত দশ বছর হল। সে বাড়ির সব মেয়ে-মরদ গামছা পইরে চানে যায়। আহা! তাদের গায়ের রঙের কী বাহার। যেন হলুদরঙা চিনি-চাঁপা কলা। লাল গামছা যেন ফেইটি যেতি চায় রঙের জেল্লাতে।

    হাতি মিত্তির কলকেতা শহরের সব খবরই রাকেন। পাড়ার লোকে বহতই মানি-গণ্যি করে তাঁকে। তিনি KENNEL খেলার মানে অবিশ্যি জানবেন।

    পলান ঠিক করল আজ ফটিককে গঙ্গার ব্রিজ দেকানো হয়ে গেলেই তাকে হাতিবাগানের মেস-এ জিম্মে করে দিয়েই দৌড়ে যাবে মিত্তির-বাড়ি। সত্যিই তো! এত দিন কলকেতাতে বাস করছে, চৌরঙ্গি রোড আর মেয়ে রোড ধরে কত হাজার বার গেচে এইসেচে আর এই KENNEL

    CLUB-টাকী বস্তু তা জানার কৌতূহলই হয়নি কোনোদিন! নাঃ! ও সত্যিই একটা আনকালচার লোক। তবে ফটকেটার হবে! সব কিছুই ও জানতি চায়, শিখতি চায়। কাকদ্বীপের মতো ছোট্ট জায়গাতি জন্মালে কী হয়, ও একদিন নিশ্চয়ই কোনো কেওকেটা হবেই।

    হাতি মিত্তিরেরা সাত ভাই। হাতি মিত্তির মেজো। সকলে বলে মেজোকর্তা। তিনিই বাড়ির সর্বেসর্বা। যদিও বে-থা করেন নাই।

    পলান গিয়ে যখন পৌঁছোল মিত্তির-বাড়িতে, দেখল, হাতি মিত্তির যথারীতি বাইরের লাল সিমেন্ট করা রক-এ খেটো ধুতি পরে খালি গায়ে বইস্যে মুড়ি আর তেলেভাজা খেতিচেন। মানুষটার অগাধ পাণ্ডিত্য। পেকিত কেলচার মানুষ বটে। হিন্দু স্কুলে ক্লাস নাইন অবদি পড়ে যথেষ্টই। পড়েছেন বিধায়, পড়াশুনো ছেইড়ি দেন। জ্ঞান-গম্মি যাদের গজাবার তাদের মগজে স্যাঁতলার মতো এমনিতেই গজায়, স্কুল-কলেজের বেঞ্চিতে পোঁদ ঘষতি হয় না তাদের।

    হাতি মিত্তির পলানের প্রশ্ন শুনে হাসলেন একটু। বললেন, KENNEL শব্দর মানে হচ্ছে। কুকুরদের ঘর।

    কুকুরেরা কি খেলা খেলে সেকানিমানে, ময়দানে?

    অবাক হয়ে শুধোলো পলান।

    হাতি মিত্তির হেসে বললেন, কুকুরেরা কোনও খেলাই খেলে না। বছরে একদিন সেকানে ডগ শো হয়।

    ডগ-শো কাকে বলে মেজোবাবু?

    মেজোবাবুর গভীর জ্ঞানে অবাক হয়ে বলল পলান।

    কলকাতার বড়োবাবুরা, সায়েব-মেমেরা তাঁদের কুকুরদের নিয়ে আসেন সেদিন কেনেল ক্লাবে। কুকুরদের কোনো খেলা হয় না সেখানে।

    কী কুকুর? নেড়ি?

    দুস। কুকুর কি শুধু ন্যাড়া-নেড়িই হয়? কত জাতের কুকুর হয়। দাড়িওয়ালা কুকুর হয়, টোপিওয়ালা কুকুর, খুঁড়িওয়ালা কুকুর, চর্বিহীন কুকুর। মোটা মোটা বকলেস লাগানো থাকে তাদের গলায়। তারা সার সার বসে থাকে। মুকে না-বলে যারা সেই শো দেখতে আসে তাদের বলে, একবার পরীক্কা পারথনীয়।

    কীসের পরীক্কা?

    অবাক হয়ে আবারও শুধোলো পলান।

    কে কত বড়ো কুকুর, কত বড়ো বাধ্য কুকুর, কে মালিকের থুতু-পাইকানা-মুত নিপুণভাবে চাটতে পারে, কার মধ্যে কুকুরত্ব কত বেশিমাত্রায় আছে, মালিকের আজ্ঞা কে কত নিখুঁতভাবে পালন করতে পারে, লেজ নাড়িয়ে বা লেজ না-নাড়িয়ে, তারই পরীক্কা। মালিকের মুকের দিকে চেয়েই কে কত তাড়াতাড়ি তার মনের ভাব বুঝে নিতে পারে, এই সব গুণাবলিরও পরীক্কা হয় বই কী।

    কতরকমের কুকুর হয় মেজকত্তা? এক রকমের কুকুর আচে শুনেছি, তাদের আলশাসি না কী যেন–তাদের গায়ে নাকি বাঘের চেয়েও বেশি জোর?

    মেজবাবু বললেন, তুমি পলান সত্যিই বড়ো বোকা। হাতিবাগানে বাস করো, আর রবিবারে সকালে বাজারটিও কি দেখোনি কোনোদিন? সেখানে কত ও কত রকমের কুকুর আসে রবিবার সকালে। পাখপাখালি, গাছগাছালি! কনস্যুলেটের সায়েব-মেমেতে ভরে যায় বাজার। তুমি কী

    না বাবু। শুনিচি বটে। দেকিনি ককখনও। আমরা গরিব মানুষ ঘুম থেকে উঠেই হাটে দৌড়ই। তা ছাড়া পেতি রবিবার যে আমি গেরামে যাই, বাগনানে নেইম্যি। বুড়ি মাটো যে আজও বেঁইচে আচে।

    অ! তা অ্যালশাসি নয়, অ্যালসেশিয়ান।

    আর কী কুকুর আচে?

    কত্তরকম। গ্রেন ডেন, বুল ডগ, বুল-টেরিয়ার, স্প্যানিয়েল, ককার-স্প্যানিয়েল, ডালমেশিয়ান, গ্রে-হাউন্ড, পিকিনিজ, ড্যাশ-হাউন্ড, ফক্স-টেরিয়ার, রিট্রিভার–বহুরকমের হয়–শিকারিদের সঙ্গী। শিকার রিট্রিভ করে আনে জল, স্থল, অনেকসময়ে অন্তরীক্ষ থেকেও। মালিক ধরে আনতে বললে, এরা বেঁধে আনে। কোনো জাতের কুকুর আবার চেহারাতেই ভয়াবহ–আসলে তারা। ফসফস–। কিন্তু সেকথা তো জনগণ জানে না, তাদের দিয়ে ভয় দেখায় মালিকেরা জনগণকে, যারা কুকুরের জাত চেনে না, তাদের। আবার এতরকমের কুকুর আছে, তাদের নাম সালুকি। কয়েক লক্ষ টাকা দাম।

    বলেন কী বাবু? কয়েক লক্ষ?

    বিষম খেয়ে বলল পলান।

    হ্যাঁ বাপ। লক্ষাধিক।

    বলেই, মেজোকত্তা বললেন, তুমি কাঙ্গপোকপি পড়েছ?

    কাঙ্গপোকপি?

    আজ্ঞে হ্যা! একটি গোয়েন্দা উপন্যাস। কুকুর সম্বন্ধে যদি জানতে চাও, তো পোড়ো।

    আমি মুকু মানুষ মেজকত্তা। উপন্যাস-টাস পড়তি গেলে হাঁস-ফাঁস লাগে। আনন্দবাজারটা পড়ি। কিন্তুক এই ডগ-শোটা ককন হয়? কবে হয়? আর যে সাদা নেড়িটাকে দেইক্যে এলাম শুয়ে আছে। কেনেল কেলাবের মাঠে, সে কি রোজদিনই শো দেকায় সিকানে?

    ছিল বুঝি সেখানে কোনো নেড়ি? অ! তালে সে বেটি টেন্টের মালিরই হবে। গলায় বকলেশ ছিল কী?

    বকলেস? সেটা কী বস্তু মেজোবাবু?

    আরে সেটাই তো বড়োলোকের পোষা কুকুরের চিহ্ন। যাদের গলাতে বকলেস নেই, তারা হয় স্বাধীন কুকুর, নয় গরিবের কুকুর। পেডিগ্রি নেই তাদের। গলায় বকলেস এঁটে, ঠান্ডা গাড়ি চড়ে আসে। মালিকের হাতের রুপোর বা সোনার চেনে বাঁধা থাকে সে-সব কুকুর।

    পেডিগ্রিটা আবার কী ব্যাপার মেজকত্তা?

    হাঃ হাঃ।

    পলান বোকার মতো জিজ্ঞেস করল।

    যে-সব ডিগ্রিধারী কুকুরদের আমরা দেখি, আকছার দেখতে পাই নানা প্রতিষ্ঠানে, সেই সব এম এ, পি এইচ ডি মালিক-চাটা ডিগ্রিধারীদের সঙ্গে পেডিগ্রিধারী কুকুরদের অনেকই তফাত আছে। অনেকই। বুঝলে পলান। ডিগ্রি আর পেডিগ্রি এক নয়।

    পেডিগ্রি কি শুধু ককুরদেরই হয়?

    শুধু কুকুরই নয়, ঘোড়া এবং অন্য বহত জানোয়ারদের মধ্যেও পেডিগ্রি হয়।

    ইরি বাবা। অনেক ডিগ্রির কতা শোনা ছেল কি পেডিগ্রির কতা তো জন্মে শুনিনি মেজোকত্তা! তা আমাদের মতো সাধারণ মানুষেরা কি কখনো ডগ-শো দেকতে পারি না? পাইরলে, আমার বোনপোটাকে দেকাতাম একবার।

    ডগ-শো দেখতে হলে, কেনেল ক্লাবের মেম্বার হতি হয়, নইলে তাঁদের গেস্ট। আর ডগ-শো তো হয় শীতকালে। কলকাতার বাবু-বিবিরা যখন চেগে ওঠেন–ক্রিকেট, টেনিস, ফ্লাওয়ার-শো, হর্স রেস, ক্রিসমাস, নিউ-ইয়ার। শালা কবে চলে গেল সায়েবরা, তবু তাদের গু-চাটা ফুরোল না কলকাতার বাবুদের।

    তা হলে তো আমাদের দেকার কোনোই উপায় লাই মেজকত্তা, ডগ-শো?

    মেজকত্তা খুব জোরে হেসে উঠলেন।

    উপায় নেই কেন?

    তারপর বললেন, চোখ খুলে রাখো, কান খুলে রাখো, প্রতিদিনই ডগ-শো দেখতে পাবে। খবরের কাগজের পাতা খোলো সকালবেলা দেখবে পাতায়-পাতায় ডগ-শোর ছবি। কেঁদো-কেংদো বা। চিমসে-চিমসে কুকুরেরা সভা আলো করে বসে আছে। সব শালা মালিকের কুকুর। গলায় তাদের বকলেসের দাগ খালি-চোখে দেখতে পাবে না। কিন্তু তারা সব মোটা মাইনের, গাড়ি-চড়া, মেরুদণ্ডহীন পোষা কুকুর। যদি কখনো মুখ হাঁ করিয়ে দেখতে পার, তবে দেখতে পাবে, শুধুই কুৎসিত মাড়ি। কারো লাল, কারো কালো। বিষদাঁতের কথা ছেড়েই দাও, তাদের যে দাঁতই। নেই। তাদের চোখেও ঠুলি, মালিকের বোল-চাল ছাড়া তাদের কানও কিছু শোনে না। থাকার মধ্যে তাদের শুধু লেজ আছে। সেই লেজ মালিক যেদিকে নাড়তে বলে, সেদিকেই নাড়ে। সেই লেজ তুলেই মালিককে সেলাম ঠোকে। ডগ-শো দেখতে শীতকাল অবধি অপেক্ষা করতে যাবে

    তুমি কোন দুঃখে পলান? কেনেল ক্লাবেই বা যাবে কেন? চারধারে চেয়ে দেখো, কুকুরে কুকুরে ছয়লাপ। এ তো ল্যাজওয়ালা কুকুরদেরই শহর, গলায় বকলেশ লাগানো মালিকের দয়ার আর অপমানের অন্নে প্রতিপালিত হাজার কুকুরদের আর তাদের বড়োলোক, দাম্ভিক এবং ল্যাজকাটা মালিকদেরই।

    পলান একটা সহজ প্রশ্ন করতে গিয়ে বড়ো গোলমালে পড়ল। নানারকম ভাবনাতে মাথাটা ভারী হয়ে এল। বলল, আচ্ছা মেজোকা এবারে আসি। আমার বোনগোটা বইসে আচে মেস-এ।

    রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর ভ্যাপসা গরমের মদ্দি মেসের ঘরের সামনের এক চিলতে বারান্দাতে মাদুর পেইতি শুয়েচেল পলান আর ফটকে। গরমে ঘুম আইসতেচেল না। ফটকে একটা হাই। তুলল। গরম থাকলিও ক্লান্তিও কম ছেলনি। সারাদিন রোদে টো টো কইরে হেঁইটেচে। চোক বন্দ হইয়ে আইসতেচেল ফটকের।

    পলান বলল, কী রে? ঘরের মদ্দিই সেঁদোবি নাকি আবার?

    নাঃ। ইকানে তাও ভগমানের হাওয়া আচে এটু। মিষ্টি লাগে। তোমাদের ওই পাকার হাওয়াতে, মনে হয় ফোস্কা পইড়বে গায়ে।

    বলেই বলল, আমি…।

    কী?

    পলান শুধোলো।

    নাঃ।

    বল না।

    আমি ভাইবতেছিলাম সেই সাদা নেড়িটার কতা। তোমাদের ওই ক্যানাল কেলাবের।

    কেন? ক্যানাল নয়, কেনেল বল।

    ওই হল। ভাবতেচিলাম, কুকুরটা কুকুর বটে কিন্তু কারোই গোলাম করে না।

    তা ঠিক।

    একটা হাই তুলে, চটাস করে বাঁ গালে একটা মশা মেরে পলান বলল।

    তারপর বলল, নেড়িটার চোক দুটো খুব সুন্দর, নারে। দেইকেচিলি কি?

    ফটকে উত্তেজিত হয়ে বলল, তুমিও তাইলে দেইকেচিলে? আমি তো তার চোকের কতাই ভাইবতেচিলাম গো। কী উজ্জ্বল, কালো, সুন্দর নেড়িটার চোক দুটি। শুয়েচিল কাটালি চাঁপা গাছটার নীচে ছাইগাদাতে, কিন্তুক কেমন একটা রানি রানি ভাব লক্ষ কইরেচিল মামা?

    করি আর নি! হবেই বা না কেন বল? তার তো কোনো মালিক নেই। সে যে স্বাধীন। স্বাধীন মানুষকে যেমন এক আলাদা সৌন্দর্য দেয়, তেমন হয়তো কুকুরকেও দেয়। উঁচু-মাথার সেই সৌন্দর্য চাকর-বাকরেরা পাবে কোথা থেকি বল?

    হুঁ। ঠিকই বইলেচ বটে!

    ফটকে বলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচম্পাঝরন – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article মহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }