Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প831 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গন্ধী

    গন্ধী

    একটু আগেই এক পশলা জোর বৃষ্টি হয়ে গেছে। কাক আর শালিকেরা গলা তুলে ডাকাডাকি শুরু করেছে। প্রবোধবাবু দোতলার জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন।

    ঘোষেদের বাড়ির কার্নিশে একটি অশ্বত্থ চারা গজিয়েছে বেশ কবছর হল। বাড়ির দেওয়াল আস্তে আস্তে ফেটে যাচ্ছে, প্রবোধবাবুর ভেতরটা যেমন ভাবে ফেটে যাচ্ছে গত কয়েক বছর। এখন তিনি তাকান কিন্তু দেখতে পারেন না। এসবই আগে দেখার স্মৃতি। বৃষ্টির পর রোদ ওঠাতে বাগবাজারের ওই গলির মধ্যেও সোনা ঢেলে দিয়েছে আকাশ রৌদ্রস্নাত দুপুরে। বিন্তিদের বাড়ির দোতলার বারান্দাতে বিন্তির বউদি চান করে শাড়ি মেলে দিতে এসেছে। শাড়ি মেলার আগে জল-ঝরাবার ফতফত শব্দ কানে আসছে তা থেকেই বুঝতে পারছেন যে মহিলা শাড়ি মেলতে এসেছেন। সম্ভবত একটা খড়কে-ডুরে শাড়ি পরে ভেজা-চুল পিঠের উপরে মেলে দিয়ে মহিলা অন্য একটি খড়কে-ডুরে শাড়ি মেলে দিতে এসেছেন।

    এখন অল্পবয়সি বাঙালি মেয়েরা শাড়ি পরা প্রায় ছেড়েই দিয়েছে অনেকেই। তারা জিনস আর টপস পরে, ছোটো করে চুল কাটে, গটগট করে হেঁটে যায় এক হাতে মোবাইল ফোন কানের পাশে চেপে ধরে। কলকাতা এখন খুবই কর্মব্যস্ত নগরী হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন একটি অজগর সাপের মতো ঘুমোচ্ছিল কলকাতা। হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে এক সাংঘাতিক প্রতিযোগিতাতে সামিল হয়েছে। প্রবোধবাবুদের ধীর, শান্ত দিন-রাত হারিয়ে গেছে।

    বিন্তির বউদির কী যেন নাম? নাম মনে নেই। কোনো কিছুই মনে রাখার ক্ষমতা হারিয়ে। ফেলেছেন প্রবোধবাবু। বিয়ের সময়ে তন্বী ছিলেন মহিলা। বেশ একটা আলগা সৌন্দর্য ছিল। মুখে। প্রবোধবাবু বিয়ে করলে তাঁর স্ত্রীর যেমন বয়স হত ওই মহিলারও তেমনই বয়স। বিয়ের সময়ে বেশ ফর্সাও ছিলেন। এখন মোটা হয়ে গেছেন অনেক। একটু কালোও। হাঁটুতে বোধ হয়। ব্যথা, একটু খুঁড়িয়ে হাঁটেন। মেয়ের ভালো বিয়ে হয়ে গেছে অনেকদিন হল। প্রবোধবাবু কি। বিয়েতে নিমন্ত্রিত ছিলেন? মনে নেই। জামাই যেন বাইরে কোথায় থাকে, ব্যাঙ্গালুরু বা মুম্বাই বা চেন্নাই-প্রবোধবাবুর ঠিক মনে নেই। এই গলিতে কাক চড়াই শালিখ যেমন এখনও আছে তেমন পুরোনো দিনের সব বাড়ির জানলাতে পাখিও আছে। সত্যি পাখিরই মতো জানালার পাখিদেরও আর দেখা যায় নানাকি দক্ষিণ কলকাতাতে। জীবেন বলছিল।

    প্রবোধবাবু চোখে প্রায় দেখেনই না আজকাল। নিজের পাড়ার মধ্যে বহুদিনের পরিচিত সব দৃশ্য এখনও প্রায় আন্দাজেই দৃষ্টিগোচর হয়। অন্য কিছু নতুন কিছু দেখতে পেলেও আবছা দেখেন। ঠিকমতো ঠাওর করতে পারেন না। কথাও আজকাল বলতে পারেন না। খেতেও খুব কষ্ট হয়। গলা ভাত আর তরল ছাড়া গিলতে পারেন না। গানও একেবারেই গাইতে পারেন না। কথা বন্ধ হয়েছে মাস খানেক হল। নিজের গলাতে আঙুল ঠেকিয়ে আত্মীয়পরিজন, বন্ধুবান্ধবদের বোঝান যে তিনি কথা বলতে পারেন না। দু-চোখ দিয়ে জল ঝরে। দু-টি হাত জড়ো করেন প্রণাম করার মতো করে। আসলে, তাঁর চরম অসহায়তা বোঝাতে চান। হয়তো সহানুভূতিও প্রার্থনা করেন। ঠিক বোঝা যায় না। অনেকদিন হয়ে গেল বই পড়তে পারেন না। টিভিও দেখতে পারেন না। চোখের সামনে নানা রঙা মেঘ খেলা করে শুধু। প্রবোধবাবুর ঘরে রবীন্দ্রনাথের একটি বেশি। বয়সের ফোটো আছে। সম্ভবত ওঁর অসুস্থতার সময়ে তোলা। খুবই ক্লিষ্ট চেহারা। চোখ দুটির নীচে গাঢ় কালি। দু-টি হাত নমস্কারের অথবা ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিতে বুকের সামনে ধরা। কে। জানে! হয়তো রোগের যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হবার জন্যেই ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছেন কবি। ওই ছবিটির দিকে অনেকক্ষণ ধরে চেয়ে থাকতেন প্রবোধবাবু, যখন দেখতে পেতেন। এবং তাঁর দু চোখ বেয়ে ঝরঝর করে জল গড়াত। ছবিটি এখন আর দেখতে পান না তবে তার বহু পুরোনো অর্গানটির ওপরে ফোটোটি রাখা ছিল। ফোটোটি কোথায় যে আছে, সেটা আন্দাজ করতে পারেন। এখন তাঁর জগৎ শুধু শব্দের জগৎ। আন্দাজের জগৎ। চোখদুটি ছুটি নিয়েছে। চিরদিনের মতো। কিন্তু চোখ ছুটি নেওয়ায়, কান দুটি মনে হয়, অত্যন্তই সজাগ হয়েছে।

    প্রতিবেশিনী রেশমি প্রতি শনিবারে বাপের বাড়ি আসে (শনিবারই কি? দিন তারিখ সব হারিয়ে গেছে জীবন থেকে) তখন একবার আসেই তাঁর কাছে। পাশের বাড়ির রেশমির সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল দুর্দম যৌবনে। রেশমির স্বামী মারা গেছেন। কবে যেন? ঠিক মনে নেই। কিন্তু মারা যে গেছেন সেটা ঠিক। মানুষটি একটি ঠক ছিল। মিথ্যা কথা বলে বিয়ে করেছিল রেশমিকে। রেশমির তার সঙ্গেও প্রেম ছিল। প্রেম করেই বিয়ে করেছিল। মানুষটি বাইরে খুব সপ্রতিভ, ঝকঝকে ছিল। চিবিয়ে চিবিয়ে ইংরেজি বলত। রেশমি তার বাইরেটা দেখে মজেছিল ভিতরের। খোঁজ পায়নি। হয়তো নেয়ওনি। মানুষটা মাতাল ছিল। একটি একটি করে বাপের সম্পত্তি বিক্রি করত আর দু-নম্বরি টাকাতে ফুটুনি করত। বিয়ের পরে প্রথম প্রথম রেশমি তার টাকাতে। মজেছিল। পরে যখন বুঝল যে শুধুমাত্র টাকাই একজন পুরুষের পরিচয় নয়। আরও অনেক কিছু লাগে একজন পুরুষকে পুরুষ হয়ে উঠতে, তখন খুব দেরি হয়ে গেছিল।

    রেশমির এক ছেলে। ছেলেটি মেধাবী হয়েছে। তার বাবা মেধাবী ছিল না। হয়তো অন্য কারো জিন এর গুণেই হয়েছিল। বাবার মৃত্যুর পরে ব্যাঙ্ক থেকে ধার নিয়ে বিদেশে গিয়ে কী সব পড়ে টড়ে এসে এখন একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে মস্ত চাকরি করছে।

    বিয়ে করলেও প্রবোধবাবুকে ত্যাগ করেনি রেশমি। সে এক গভীর অপরাধবোধে ভুগত। প্রবোধবাবুর সারাজীবন অবিবাহিত থাকার পেছনে সেই যে মূল কারণ, তা সে বুঝত এবং স্বীকারও করত, বিশেষত নিজের কাছে এবং সেই কারণেই দু-ঘন্টার জন্যে বাপের বাড়ি এলেও সে একবার প্রবোধবাবুর কাছে আসতই। দীর্ঘ দুই যুগের মধ্যে মাত্র দু-দিন রেশমি প্রবোধবাবুকে তার শরীর দিয়েছিল। সেই স্মৃতিটুকুও ছিল প্রবোধবাবুর মাথায়। ছিল, কিন্তু এখন যেন নেই। সেসব মনে করতে গেলেও মনে করতে পারেন না। দমকা হাওয়া এসে স্মৃতির মেঘ উড়িয়ে নিয়ে যায়। তবে একটা বোধ বেঁচে আছে মাথার মধ্যে। শরীরই সব নয়, প্রেম শরীরের চেয়ে অনেক। গভীর ব্যাপার। মনকে জড়িয়েই প্রেম বেঁচে থাকে। রেশমি যখন আসে, তখন তার পাটভাঙা শাড়ির খসখসানি আওয়াজেই প্রবোধবাবু বুঝতে পারেন যে রেশমি এল। আর তার আসার বার্তা বয়ে আনে তার সুগন্ধ। পারফিউমের নাম জানে না সে কিন্তু গন্ধটি চেনে। সেই গন্ধের পতাকা উড়িয়ে আসে রেশমি। সেই সুগন্ধিই ঘোষণা করে তার আগমন বার্তা।

    রেশমি তার সামনের চেয়ারে বসে ফিসফিস করে বলে, কেমন আছ? প্রবোধবাবু বলেন, আছি একরকম কিন্তু একে কি থাকা বলে? রেশমি চুপ করে থাকে। উত্তরে কিছু বলার থাকে না বলেই নীরবে থাকে। পরম সোহাগে তার মুখ ও বুক দুটি সঁপে দেয় প্রবোধবাবুর বুকে। প্রবোধবাবু স্থবিরের মতো বসে থাকেন। সবরকম ভাবাবেগহীন হয়ে।

    রেশমির চোখের জল গড়িয়ে পড়ে দু-গাল বেয়ে প্রবোধবাবুর বুকে। প্রবোধবাবু দু-হাত দিয়ে রেশমির দুটি হাত ধরে থাকেন। অনেকক্ষণ। দুজনেই নির্বাক থাকেন। একজন নিরুপায়ে, অন্যজন স্বেচ্ছায়।

    একসময়ে রেশমি ওঠে চেয়ার থেকে। প্রবোধবাবুর কপালে একটি চুমু খেয়ে বলে, আজ চলি। ভালো থেকো। তুমি ছাড়া এই সংসারে আমার আপনজন কেউ নেই। মা চলে যাবার পরে দাদা বউদিদের কাছে আসি, আসতে হয় বলে। শ্বশুরবাড়ি বলে তো আমার কিছুই নেই। আমার দুই ভাসুরই অমানুষ, জানোয়ার, তুমি তো সবই জানেনা। আমার মুখ চেয়েই তুমি থেকো।

    প্রবোধবাবু বলতে চান আমি যে চাইতে পারি না রেশমি। কতদিন তোমার মুখটা দেখিনি। তাঁর ঠোঁট দুটি শুধু দু-বার নড়ে ওঠে। কোনো কথা সরে না।

    রেশমি তাড়াতাড়ি ডান হাত দিয়ে প্রবোধবাবুর মুখ চাপা দেয়। ফিসফিস করে বলে, চলি। প্রবোধবাবু রেশমির চলে যাওয়ার শাড়ির শব্দ কান-খাড়া করে শোনেন। অবোধ পশুর মতো। রেশমির গায়ের সুগন্ধ মিলিয়ে যায় হাওয়ায়।

    ২.

    ছোটকুই চা দিয়ে এসে প্রথমে লক্ষ করে যে প্রবোধবাবু ঘরে নেই। তখন সকাল সাতটা। দৌড়ে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে ছোটকু দেখে যে সদর দরজাটি খোলা। কাজের ঠিকে মেয়ে মন্দাকিনীকে চেঁচিয়ে বলে ছোটকু, মন্দা, তুমি ঢুকে দরজাটা দাওনি আজ?

    মন্দাকিনী লজ্জায় জিভ কাটে। বলে, একদম ভুলে গেছিলাম রে। ছোটকু অবিবাহিত প্রবোধবাবুকে খুব ভালোবাসে। তাঁর এই বৈকল্যর পরে তার প্রবোধবাবুর প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হয়েছে। ঘোড়ার মতো টগবগে মানুষটার কী অবস্থা হয়েছে। বহুদিনের কাজের লোক ছোটকু বাবুর এই অবস্থা চোখে দেখতে পারে না।

    বাড়িতে সোরগোল পড়ে গেল। মন্দাকিনী সকাল সাড়ে পাঁচটাতে আসে। প্রবোধবাবু চোখে দেখতে পান না বলে বেশ কিছুদিন হল সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতেও পারেন না। যদি কখনো নামেন তাহলে সিঁড়ির রেলিংয়ে হাত রেখে নামেন। কিন্তু তাঁর তো জানার কথা নয় যে, মন্দাকিনী দরজা বন্ধ করেনি। তিনি জানলেন কী করে যে দরজা খোলা আছে? মাস ছয়েক আগে ওই রকমই একবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছিলেন বাবু। তখনও একটু একটু কথা বলতে পারতেন, চোখেও দেখতে পেতেন একটু একটু। বড়োরাস্তাতে পৌঁছে পথ পেরুতে গিয়ে ট্যাক্সি চাপা পড়তে পড়তে বেঁচে যান। মানুষে চেঁচিয়ে উঠে বলেন, কী আহাম্মক মানুষ। তারপর তাঁকে ধরে ফুটপাথে এনে দাঁড় করাবার পরে তাঁরা বুঝতে পারে যে মানুষটা প্রতিস্থ নন।

    কোথায় থাকেন? কী নাম আপনার?

    প্রবোধবাবু জবাব দিতে না পেরে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থকেন। এমন সময়ে পাড়ার একটি ছেলে বাজারে যাওয়ার জন্যে বেরিয়ে প্রবোধবাবুকে দেখতে পেয়ে তাঁকে হাত ধরে নিয়ে এসে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যায়। এর আগেও বার দুয়েক বাড়ি থেকে বেরোবার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

    প্রবোধবাবুর ছোটো ভাই, কাস্টমস-এ চাকরি করা সুবোধ জিগগেস করেন তুমি কোথায় যেতে চাও দাদা? আমাকে বললে তো আমিই তোমাকে ট্যাক্সি করে নিয়ে যেতে পারি। কোথায় যাবার আছে তোমার?

    প্রবোধবাবু অনেক সময় নিয়ে, তুতলে বলেছিলেন, নিমতলা।

    সুবোধ পাড়াতে প্রবোধবাবুর যেসব বন্ধুবান্ধব আছেন এবং অফিসের সহকর্মীদেরও খবর দিয়েছিলেন প্রবোধবাবুর এই কুচিন্তার কথা। তাঁরা পর পর ক-দিন এসে তাঁকে অনেক করে বুঝিয়েছিলেন। বলেছিলেন তোমাকে আমরা সকলেই ভালোবাসি প্রবোধ। তুমি এমন আর কোরো না। তাতে যে প্রবোধবাবুর মন কিছু প্রবোধ পেয়েছিল এমন মনে হয়নি।

    কয়েকদিন হিতার্থীদের ভিড় ছিল বাড়িতে। তারপর একে একে সকলেই আসা বন্ধ করলেন। সকলেরই কাজ আছে। তা ছাড়া, প্রায় বোবা ও প্রায়-অন্ধ এক জন মানুষ যার সঙ্গে কোনোরকম যোগাযোগই প্রায় অসম্ভব, তাঁর কাছে রোজ রোজ এসে করবেনই-বা কী তাঁরা। আবার সেই একা ঘরের অভিশপ্ত জীবনে ফিরে যান প্রবোধবাবু।

    সুবোধবাবুর স্ত্রী নমিতা সময় পেলেই আসে দাদার ঘরে। কিন্তু সে একটি স্কুলে পড়ায়। তার স্কুল, পরীক্ষার খাতা দেখা এসব নিয়ে সেও খুবই ব্যস্ত থাকে। ইচ্ছে থাকলেও সে বেশি আসতে পারে না। কারোকেই দোষারোপ করেন না। প্রবোধবাবু শুধুমাত্র নিজেকেই দোষারোপ করেন। নিরুচ্চারে। তাঁর পরিবারের সকলের জীবন, পাড়ার সকলের জীবন, বেগবতী নদীর মতো বয়ে যায় তাঁর সামনে দিয়ে, তিনি একা দাঁড়িয়ে থাকেন তীরে। জলরাশি দেখতে পান না। জলের শব্দ শুনতে পান, জলের গন্ধ পান। সব নারীর, রেশমির যেমন, আলাদা আলাদা গন্ধ আছে। নদীর, জীবনের নদীরও আলাদা গন্ধ আছে।

    ছোটো ভাই সুবোধ, সুবোধের স্ত্রী নমিতা এবং ছোটকু তিনদিকে বেরিয়ে পড়ে প্রবোধবাবুকে খুঁজতে। যে মানুষ চোখে দেখেন না তিনি কতদূরেই বা যেতে পারেন। মন্দাকিনী নিজের কপাল চাপড়ায়। সুবোধ আর মিনতির একমাত্র মেয়ে, যার বয়স চার, জ্যাঠাযজ্যাঠা করে বিলাপ করতে থকে। প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে যাবার পরে তাঁদের মধ্যেও কেউ কেউ বেরিয়ে পড়েন। প্রবোধবাবুকে খুজতে। বেলা দশটা নাগাদ সকলেই ফিরে আসেন। থানাতে ফোন করেন। কাছাকাছি সব হাসপাতালেও ফোন করা হয়। কেউই কোনো খবর দিতে পারে না। যে মানুষ। নিজের নাম বলতে পারেন না, নিজের ঠিকানা বলতে পারেন না তাঁকে তো খুঁজে পাওয়াও। মুশকিলই। দুর্ঘটনা ঘটলে হাসপাতালে কেউ নিয়ে গেলেও তো নাম ঠিকানা বলতে পারবেন না উনি। সঙ্গে নিজের পরিচয়ের কোনো প্রমাণও নেই। বাড়িতে কাচা পায়জামা আর ফতুয়া পরে। বেরিয়ে গেছেন উনি।

    দিন পেরিয়ে রাত কাটল। তারপর রাতও পোহাল কিন্তু প্রবোধবাবুর কোনো খোঁজ পাওয়া গেল না। পরদিন সকালে সবকটি খবরের কাগজ কিনলেন সুবোধ। যদি কোনো খবর পাওয়া যায় না। কোনো কাগজেই কোনো খবর নেই। নমিতা বলল, দূরদর্শনের সবকটি চ্যানেলে, মানে যারা এসব খবর দেয়–নিরুদ্দিষ্টদের খবর তাদের ফোন করে জানানো হোক দাদার একটি ছবি দিয়ে।

    সুবোধ বললেন, ঠিক আছে। তাই করব। ছোটকু নমিতাকে বলল, বউদি, রেশমিদিদির বাড়িতে একটা ফোন করলে হয় না?

    নমিতা রেশমিকে পছন্দ করত নাবিশেষ। মেয়েতে মেয়েতে নানাধরনের বৈরিতা থাকে যা পুরুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। এই বৈরিতার কারণ ছোটকুও বুঝতে পারত না। নমিতা, বলল, ওঁকে ফোন করে কী হবে? তোর রেশমি মাসি কি মন্ত্র জানে? না গুনতে জানে?

    তারপর সুবোধকে বলল, আজকে স্কুল ইনসপেক্টর আসবেন, আজকে কামাই করলে চাকরিটাই নট হয়ে যাবে।

    ৩.

    রেশমি খুব সকালে চান করে। তারপর পিঠের উপরে খোলা চুল মেলে দিয়ে পুজো করে ঠাকুর ঘরে। তারপর ছেলের সঙ্গে বসে প্রাতঃরাশ খায়। ছেলে আটটা সোয়া আটটাতে বেরিয়ে যায়। আসেও রাত করে। ওদের অফিসেরই একটি মেয়ের সঙ্গে খুব ভাব। হয়তো তাকেই বিয়ে করবে। মেয়েটি মাঝে মাঝে আসে বাড়িতে। বেশমিষ্টি মেয়ে এবং উচ্চ শিক্ষিতা এবং প্রতিষ্ঠাতা হলেও দুর্বিনীত নয় এবং বাঙালিয়ানা পুরোপুরি আছে।

    রেশমি পুজো করছিল, তখনই দরজার কলিং বেলটা বাজল। অবাক হল রেশমি। দুধওয়ালা, কাগজওয়ালা, ফুলওয়ালা তো এসে গেছে অনেক আগেই। এখন তো কারো আসার কথা নেই। একটু পরে সবসময়ের কাজের মেয়ে মীনা হাঁপাতে হাঁপাতে সিঁড়ি দিয়ে দোতলাতে উঠে পুজোর ঘরের ভেজানো দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলে উত্তেজিত গলাতে বলল, মা! তের নম্বরের বাবু। এসেছেন। অবাক হয়ে চেয়ে রইল রেশমি। মনে মনে বিড় বিড় করে বলল, তেরো নম্বরের বাবু? প্রবোধবাবুদের বাড়ি এবং ওদের বাড়ি গলির একই ফুটপাথে। প্রবোধবাবুর বাবা এবং রেশমির বাবা বন্ধু ছিলেন। প্রায় একই সময়ে দুজনেই বাড়ি করেছিলেন যতু মিত্তিরের কাছ থেকে জমি। কিনে। তবে প্লট দুটো পাশাপাশি হয়নি। প্রবোধবাবুদের বাড়ি তেরো নম্বর আর রেশমিদের বাড়ি দু-নম্বর।

    রেশমি সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নীচে নেমে দেখে নীচের বসার ঘরের সোফাতে আধশোয়া হয়ে বসে। আছেন প্রবোধ। আহা! বেচারা কতদিন বাইরে বেরোন না। না-হেঁটে হাঁটার ক্ষমতাই চলে গেছে। শারীরিক কষ্টর চেয়েও তাঁর মানসিক কষ্ট যেন অনেক বেশি। চোদ্দো বছর বয়স হয়ে যাওয়া। কুকুর মৃত্যুর আগে নীরবে যেমন করে ভালোবাসার মনিবের মুখে চেয়ে থাকে, ঠিক তেমন করে প্রবোধবাবু চেয়ে রইলেন। রেশমির মুখ তো দেখতে পারেন না! মুখটি শুধু তুললেন রেশমির দিকে।

    রেশমির ছেলে, প্রযত এসে বলল, প্রবোধ মামা! তারপর রেশমির দিকে চেয়ে বিস্মিয়াভিভূত হয়ে বলল, এলেন কী করে!

    জানি না।

    অস্ফুটে বলল রেশমি।

    তারপর বলল, বোধহয় দেওয়াল ধরে ধরে এসেছেন। জানি না, কী করে এলেন।

    প্রযত বলল, মা আজ আমাদের এক ডিরেক্টর আসছেন ব্রাসেলস থেকে, আমি এখনই বেরুচ্ছি। তুমি প্রবোধ মামাকে ভালো করে দেখাশোনা কোরো।

    ব্রেকফাস্ট খাবি না?

    খেয়েছি। পদুদা ডিমের পোচ আর টোস্ট করে দিয়েছিল আর কফি, তুমি যখন চান করছিলে। প্রত চলে গেলে রেশমি এসে প্রবোধবাবুর হাত ধরে ধীরে ধীরে দোতলাতে উঠে গেলেন। যেতে যেতে বললেন, সারাদিনে তোমাকেও অনেক ওষুধ খেতে হয়। সেই সব ওষুধ না খাওয়ালে তোমার বাড়ির মানুষেরা আমাকে বকবেন না।

    দোতলাতে রেশমির ঘরে ঢুকে বিছানাতে শুয়ে পড়লেন প্রবোধবাবু। ভাবছিলেন, প্রত্যেক মেয়ের গায়ে যেমন আলাদা গন্ধ, তাদের ঘরেও আলাদা গন্ধ। রেশমির ভেজা চুল থেকে জবাকুসুমের। গন্ধ বেরুচ্ছিল। উত্তর কলকাতার মেয়েরা আজও চুলে তেল মাখে, শাড়ি পরে, বাঙালি রান্না খায়, পিৎজা আর চাওমিয়েন আর ম্যাকড়োনাল্ড-এর বিজাতীয় সংস্কৃতি এখনও গ্রাস করেনি উত্তর কলকাতা এবং মফস্বলের বাংলাকে। প্রবোধবাবুর এই কথা ভেবে ভালোলাগে।

    রেশমির বালিশে জবাকুসুম তেলের গন্ধ, তার বুকের খাঁজে মা-মাসিমারা যে পাউডার মাখতেন সেই কিউটিকুরা পাউডারের গন্ধ। তার উরুসন্ধিতে তুহিনার গন্ধ।

    প্রবোধবাবু পকেট থেকে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনটা বের করে দিলেন রেশমিকে। রেশমী বলল, বাঃবুদ্ধি করে এটা ভাগ্যিস এনেছ। তোমাকে আমি এমন করে লুকিয়ে রাখব, আমার মধ্যে যে, তোমাকে আর কেউই খুঁজে পাবে না। দেখো তুমি।

    তারপরই বলল, কিন্তু সত্যি কথা বলোতো, তোমাকে কি কেউ পৌঁছে দিয়ে গেল আমার বাড়িতে?

    প্রবোধবাবু নিজের ডান হাতের তিনটে আঙুল নাকে ছোঁয়ালেন।

    রেশমি বুঝল যে উনি বোঝাতে চাইছেন যে উনি গন্ধ চিনে এসেছেন এখানে। ভাগ্যিস তার নাক আর কান এখনও তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। রেশমির ঘরের মেঝে কোনো সুগন্ধ তরল সাবানে মোছা হয় নিশ্চয়ই। ভারি মিষ্টি গন্ধ বেরুচ্ছে। বিছানা ও বালিশের ওয়াড়ও ধোওয়া হয় কোনো সুগন্ধি সাবানে। ভারি আবেশ লাগছে সেই সুগন্ধে।

    প্রবোধবাবু রেশমির বুকে মুখটি নামিয়ে প্রাণ ভরে তার শরীরের, তার বুকের খাঁজের গন্ধ নিলেন। হৃদয়ঙ্গম করলেন যে, ডাক্তারের লম্বা প্রেসক্রিপশনের ওষুধ নয়, পুরুষের যে কোনো শারীরিক এবং মানসিক অসুস্থতার নিরাময় একমাত্র নারীসঙ্গই করতে পারে, প্রিয় নারীর সঙ্গ। পুরুষের বিশল্যকরণী নারীই।

    রেশমি বলল, তুমি একটু একা থাক, আমি কিছু খাবার করে নিয়ে আসি।

    প্রবোধবাবু গলাতে আঙুল ঠেকিয়ে বোঝালেন যে তিনি কিছু খেতে পারেন না।

    তোমার জন্যে পাতলা সুজির হালুয়া করে আনছি, কিসমিস দিয়ে। পারবে খেতে। আর চা, কম দুধ, কম চিনি দিয়ে, তুমি যেমন পছন্দ করো। রেশমি চলে গেলে প্রবোধবাবু উঠে বসলেন। ঘরের জানালাগুলির পাখিগুলো অর্ধেক খোলা। আলো-ছায়ার জাফরি ঘরের সাদা পাথরের মেঝেতে। অনেক দিনের পুরোনো সিলিং ফ্যানটা খুব আস্তে ঘুরছে। পাখির মধ্যে দিয়ে আসা আলোকে মন্থন করছে সেই আলো। মৃদু কিসমিস শব্দ করে চড়াই ডাকছে জানালার বাইরে। মোবাইল ফোনেরা এখনও কলকাতার সব চড়াইকে মারতে পারেনি। ভারি সুগন্ধ এই ঘরে, ভারি স্নিগ্ধতা, ভারি শান্তি। প্রবোধবাবুর খুব ইচ্ছে করল যে, রেশমি তার জন্যে পাতলা সুজির হালুয়া করে নিয়ে আসার আগেই রেশমির খাটে, রেশমির ঘরে তার নিঃশ্বাস যেন থেমে যায়। তবে এখানেও তাঁর চিরঘুম আসবে না। একেবারে নিমতলাতে গিয়েই চিরঘুম ঘুমোবেন।

    আঃ। ভারি শান্তি। মরবার সময়ে এমন প্রগাঢ় শান্তি তো প্রত্যেক মানুষেরই কাম্য। কিন্তু সেই মরণ ক-জনের ভাগ্যে থাকে? প্রবোধবাবুর মন বলছে, তিনি সত্যিই ভাগ্যবান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচম্পাঝরন – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article মহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }