Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প831 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুঃসময়

    রাত তখন সাড়ে এগারোটা। ফোনটা বেজে উঠল। রিসিভারটা তুলে বললাম, বলছি।

    অনিমেষ বলছিস?

    শুভ্রর গলা। শুনেই বুঝেছিলাম। ওরা টাঙাইলের বাঙাল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গীয় উচ্চারণেই শুধু নয়, একেবারে ঠাকুরবাড়ির উচ্চারণে কথা বলার চেষ্টা করে। কিন্তু উচ্চারণটা অস্পষ্ট। শুনলেই বোঝা যায় যে, এক কেঠো বাঙাল আপ্রাণ চেষ্টা করছে, কলকাতার ঘটি হওয়ার। এই প্রচেষ্টার মধ্যে এক ধরনের গভীর হীনম্মন্যতা আছে বলেই মনে হয় শুভ্রর।

    বাঙালরা কোন অংশে ঘটিদের চেয়ে নিকৃষ্ট তা বুঝে উঠতে পারি না আমি। বললাম, বল শুভ্র, কী ব্যাপার? এত রাতে?

    আর বলিস না। হরিপদকে বোধ হয় আর বাঁচানো যাবে না।

    কী হল? হঠাৎ–

    ব্যাপারটা হঠাৎ হয়নি। জানিসই তো, ওর স্ত্রী চলে যাওয়ার পর থেকে ও বড়োই একা হয়ে গেছে। রিটায়ারও করেছে বছর তিনেক। ছোটো ভাইয়ের সংসারে থাকে বৈষ্ণবঘাটা, পাটুলিতে। একমাত্র মেয়ে থাকে লখনউতে, শিবাজি নগরে। তাঁর কাছে বছরে একবার করে গিয়ে থাকে মাসখানেক। জামাই মস্ত বড়ো কাজ করে। একটি মালটিন্যাশনাল কোম্পানিতে। দু-খানা গাড়ি, লনওয়ালা বাড়ি…।

     

     

    আরে! এত রাতে হরিপদর জামাই-এর ইতিহাস শুনে কী হবে? মোদ্দা কথাটা বল না।

    হ্যাঁ। মোদ্দা কথাটা হচ্ছে হরিপদ আজই লখনউ থেকে এসেছে, শয্যাশায়ী হয়ে, হাঁটা-চলার ক্ষমতাও নেই। হাওড়াতে স্টেশনের স্টাফ ওকে ওয়েটিং রুমে শুয়িয়ে রেখে তাঁর ভাইকে মোবাইলে খবর দেয়। ট্রান্সপোর্টেশন ম্যানেজার অনেক করেছেন। তিনি নিজে এবং তাঁর। অফিসের দুজন ভদ্রলোককে নিয়ে ওকে সোজা পার্ক ভিউ নার্সিং হোমে ভর্তি করে, হরিপদর ভাই শ্যামাপদর নাড়ি ছেড়ে যাওয়ার জোগাড়। রাইটার্স-এর কাকে নাকি ধরে পিজি-তে ট্রান্সফার করে। ঘন্টাখানেক হয়েছে।

    আরে হরিপদর কী হয়েছে তা তো বলবি।

    কী হয়নি তাই বল? ওর দুটো কিডনিই ফেইল করে গেছে। হার্ট আর লাংস-এর যা অবস্থা তাতে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টও করা যাবে না। ডাক্তাররা বলছেন, কাল থেকে ডায়ালিসিস শুরু হবে। কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা গেলেও তার যা খরচা, তা তো জানিসই। ডায়ালিসিসও কতদিন করতে হবে, কে জানে। ওর ছোটো ভাই সামান্য একটা চাকরি করে রাইটার্সে। তবে ছেলেটা ভারি ভালো। কে জানে, অত টাকা আসবে কোথা থেকে?

     

     

    মেডিক্লেম ছিল না ওর?

    ধুস, নামই শোনেনি।

    তুই আর একটু ছোটো করে বলবি শুভ্র? আমাকে কাল সকাল আটটার মধ্যে অফিসে পৌঁছোতে হবে।

    কী আর বলব? এখন বন্ধুবান্ধবদেরই খরচ জোগাতে হবে। ওর দেখাশোনাও করতে হবে। তুই কি কাল আসতে পারবি হাসপাতালে?

    সকালে তো পারব না। অফিসে তো আগে বলা নেই তবে অফিস ছুটির পরে অবশ্যই যাব।

    সব বন্ধুদেরই খবর দিচ্ছি একেক করে বাড়িতে ফিরে। তা ছাড়া, কাল রাতে আমার বাড়িতে একটা মিটিংও ডেকেছি। ভবানীপুর, সেন্ট্রাল জায়গা, হাসপাতালেরও কাছে, সকলেরই সুবিধা হবে। সকলকেই ফোন করে করে জানাচ্ছি। সেই মিটিং-এ কী করা যায় না যায়, তা নিয়ে সকলে আলোচনা করব। তুই কাল হাসপাতালে না আসতে পারলেও আমার বাড়িতে অবশ্যই আসিস।

     

     

    জামাই এত বড়ো কাজ করে, তা ছাড়া একমাত্র জামাই, সে কী করছে?

    সবই বলব, কাল আসিস কিন্তু।

    ২.

    দিল্লি থেকে ডিরেক্টর এসেছিলেন একদিনের জন্যে। সারাদিনই খুব ব্যস্ত ছিলাম অফিসের সকলেই, লাঞ্চ খাওয়ারও সময় পাইনি। তাঁকে এয়ারপোর্টে ছাড়তেও যেতে হয়েছিল। শুভ্রর বাড়ি পৌঁছোতে পৌঁছোতে ন-টা বেজে গেল। তখন সকলেই প্রায় চলে গেছে। শুধু হারিত আছে।

    হরিতও ভবানীপুরে শাঁখারিপাড়া রোড-এ থাকে, পথের নাম বদলে এখন কী ঘোষ রোড হয়েছে যেন।

    শুভ্রর স্ত্রী সীতা খুব ভালো মেয়ে। হাসিখুশি, বাচ্চাদের একটি স্কুলে বাংলা পড়ায় কিন্তু তারপরও সংসারের সব কাজ হাসিমুখেই করে। কাজের একটি মেয়ে আছে বছর পনেরোর। তাঁকেই নিজের সন্তানজ্ঞানে দেখে। ওদের সন্তান নেই।

     

     

    কিছু খাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করল সীতা। আমি বললাম, এত রাত হয়ে গেছে, একেবারে বাড়ি ফিরে চান করে খেয়ে নেব। সারাদিন খুব হুজ্জোত গেছে।

    শুভ্র সব বলল সংক্ষেপে। তবে সংক্ষেপে বলাটা ওঁর স্বভাববিরুদ্ধ। বলল, বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিং হোম আমাদের জন্যে নয়। কী সাংঘাতিক খরচ। একবেলা থেকেই যা বিল হয়েছে তাতেই হরিপদর ছোটো ভাই শ্যামাপদর অবস্থা কাহিল। আমার অবস্থাও তো অনিমেষের চেয়ে কিছু ভালো নয়। আমারও তো মেডিক্লেম পলিসি নেই। হারিত বলল, থাকলেও খুব সুবিধা হত না। আমার বড়ো বউদির হঠাৎ প্রচণ্ড শ্বাসের কষ্ট হওয়াতে বড়দা নার্সিংহোমে ভরতি করেছিল। বউদির মেডিক্লেম পলিসি ছিল। কভারেজ ছিল তিন লাখ টাকার। তাতেও কত হ্যাপা।

    কেন? তাতেও হ্যাপা হবে কেন?

    আরে হ্যাপাই হ্যাপা। ক্যাশলেস পলিসি। হাসপাতালে ভরতি করেই কার্ডটা জমা দিয়ে দিতে হয়। তাতে পেশেন্টের কোনো টাকাই দিত হয় না যদি খরচ পলিসিতে কভার করে যায়। সব বড়ো বড়ো হাসপাতালেই এই ব্যবস্থা আছে। সরাসরি সব খরচ পেশেন্টের নামে চার্জড হতে থাকে। পনেরো দিনে তিন লাখের আড়াই লাখ বেরিয়ে গেল। দাদা বলছিল, এ বছরে বউদির পলিসি রিনিউ করার সময়ে তেইশ হাজার টাকা প্রিমিয়াম নিয়েছে।

     

     

    কোন কোম্পানি?

    ঠিক জানি না। সব ইন্সিয়য়ারেন্স কোম্পানিই নাকি বয়স্ক মানুষদের বেলাতে প্রিমিয়াম বাড়িয়ে দিয়েছে এই বছর থেকে। অথচ উলটোটাই হওয়ার ছিল। তাই নয়? মানুষের বয়স যখন কম। থাকে তখন তো আর তেমন অসুখ বিসুখ করে না। সারাজীবন ধরে প্রিমিয়াম গুনে যখন অসুখের চিকিৎসাতে সাহায্যের দরকার তখনই প্রিমিয়াম বাড়িয়ে দিচ্ছে কোম্পানিরা।

    যত বড়োলোকই হোক না কেন, বুড়ো হলে তো তাঁর রোজগার কমেই যায়। তা ছাড়া, বড়োলোকও তো কেউ কারো দয়াতে হয় না, নিজেরাই প্রচণ্ড পরিশ্রম করে কামাতে হয়–কারোরই তো পড়ে-পাওয়া ধন নয়। ইন্সিয়োরেন্স কোম্পানির দয়াতেও তো আর কেউ বড়োলোক হয় না।

    শুভ্র বলল, শুধু তাই নয়। হাসপাতাল বা নার্সিং হোম থেকেই নার্স ঠিক করে দেয় অথচ পোস্ট অপারেটিভ বা পোস্ট-ইলনেস পিরিয়ডের ওষুধপত্র এবং নার্সিং-এর সব খরচ রিইমবার্স করতেও প্রচুর ঝামেলা করে।

    শুভ্র বলল, এটা অত্যন্ত অন্যায় না? বল?

     

     

    আমি বললাম, নামি হাসপাতালে বা ইন্সিয়য়ারেন্সের স্বীকৃত বড়ো নার্সিংহোমে বা হাসপাতালে ভরতি না হলে টাকা দেয় না। হাসপাতালে যাওয়ার আগে বাড়িতেও তো প্রচুর খরচ হয়, ডাক্তারদের ফিজ, ওষুধপত্রের খরচ, তা নিয়েও কম টালবাহানা করে না ইন্সিয়োরেন্স কোম্পানিরা।

    শুভ্র বলল, ইন্সিয়োরেন্স কোম্পানিদেরও তেমন দোষ নেই। আসলে লুটেপুটে খায় ডাক্তারেরা আর হাসপাতাল এবং নার্সিং হোমেরা। তাঁরা যে খরচ আদায় করে ইন্সিয়োরেন্স-এর কাছ থেকে, সেই সব ক্লেমই খুব ভালো করে অডিট করা প্রয়োজন। এই ব্যাপারটা নিয়ে তদন্ত হওয়া খুবই উচিত জরুরি ভিত্তিতে। সব বোঝাটাই অসুস্থদের ঘাড়ে এসে পড়ে। তা ছাড়া, ডাক্তারদের কেমন রবরবা হয়েছে দেখিস না? এখন ডাক্তারদের অবস্থা দেখেছিস? কার গাড়িবাড়ি নেই বল তো? কে প্রতিবছর বিদেশে যাচ্ছে না বেড়াতে, কার ছেলে-মেয়ে পড়ছে না বিদেশে? স্কলারশিপের টাকায় নয়, অধিকাংশই বাবার টাকাতে।

    হারিত বলল, তা ছাড়া প্রফেশনাল এথিকস বলেও কিসসু নেই। আগেকার দিনের ডাক্তারদের নেমপ্লেট হত চার ইঞ্চি লম্বা আর ফুট খানেক চওড়া। সাদা বা কালো কাঠের প্লেটের উপরে কালো বা সাদা দিয়ে লেখা থাকত ডাক্তারের নাম। আর এখনকার ডাক্তার এবং সার্জনরা মস্ত বড়ো বড়ো সাইনবোর্ড টাঙান। যেন মুরগি পালিয়ে যাবে অন্যের কাছে। লাজ-লজ্জা সব গেছে।

     

     

    শুভ্র বলল, আমার অফিসের বড়োসাহেব ক্যালকাটা ক্লাবের পুরোনো মেম্বার। ক্লাবের যে নিউজ বুলেটিন আসে তাতে এ মাসে আর পি মারিকের মৃত্যুসংবাদ ছাপা হয়েছে। বড়সাহেব। বলছিলেন, মারিক সাহেব ডোভার রোড আর বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের মোড়ের দ্বারকানাথ মিত্তিরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন একসময়ে। লাগান জুট কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর। ছিলেন। পরে ওল্ড বালিগঞ্জ রোডের হিমাদ্রি বিল্ডিং-এ ফ্ল্যাট কিনে থাকত, তাও প্রায় পঁচিশ বছর হল। ওই বুলেটিনে তাঁর মৃত্যুর খবর জানতে পেরে উনি মিসেস মারিককে ফোন করেছিলেন

    আমার সামনেই। জিজ্ঞেস করলেন, বউদি, দাদার কী হয়েছিল? প্রতিদিন ভোর চারটেতে উঠে ক্যালকাটা ক্রিকেট অ্যান্ড ফুটবল ক্লাবের মাঠে হাফ-প্যান্ট পরে পাঁচ চক্কর হাঁটতেন, শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা। দারুণ ফিট ছিলেন। সি সি এফ সি এবং ক্যালকাটা ক্লাবে নিয়মিত যেতেন। কী হল হঠাৎ।

    মিসেস মারিক যা বললেন, তা হল, কলকাতাতে রবিবারে কোনো ডাক্তারকে পাওয়া যায় না। যদি কাউকে পাওয়া যেত তবে এমন ঘটত না। দুপুরে বুকে ব্যথা হয়েছিল। আমরা যখন বি এম বিড়লাতে নিয়ে গেলাম বিকেলে, তখন ওঁরা বললেন, কিছুক্ষণ আগে আনলেও বাঁচানো যেত। কলকাতাটা গ্রামেরও অধম হয়ে গেছে।

     

     

    হারিত বলল, উনি যা বলেছেন তা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। ব্যতিক্রম কিছু আছেন হয়তো কিন্তু তাঁরা অতি সামান্য। অধিকাংশ ডাক্তারই হায় টাকা, হায় টাকা করে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন।

    আগেকার দিনে ডাক্তারেরা, এলএমএফ ডাক্তারেরাও ডাক্তারিকে জীবনের একটা ব্রত বলে মনে করতেন। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী সব উপন্যাসের নায়কেরা হতেন হয় ডাক্তার, নয় মাস্টার। আর সেই কারণেই সমাজের সব শ্রেণির অবিমিশ্র শ্রদ্ধা ও ভক্তি তাঁদের জুটত। ডাক্তারেরা কি। মার্কেন্টাইল ফার্মের কেরানি? না অফিসার? তাঁরা জীবনের কারবারি-তাঁদের যে চোখে আমরা দেখে এসেছি, ঈশ্বরের মতো, তাঁরা সেই আসন থেকে নিজেরাই নিজেদের টেনে নামিয়েছেন। ধুলোতে। বলার কিছুই নেই।

    বললাম, আজ আমি উঠলাম রে। কালকে যাওয়ার পথেই হরিপদকে দেখে যাব। আমার কী করণীয় তা জানাস। আমার সাধ্যমতো নিশ্চয়ই করব।

    বলে বেরিয়ে এলাম।

     

     

    রাতে ভালো ঘুম হল না। হরিপদ আমার স্কুলের বন্ধু। তখন আমরাও ভবানীপুরেই থাকতাম। সব পাড়াতেই তখন অনেক ফাঁকা মাঠ ও বড়োবড়ো বাড়ির মধ্যে মাঠ ছিল। আমরা একসঙ্গে ফুটবল খেলেছি। ও রাইট-ইন এ খেলত। চমত্তার হেড করত। বিপক্ষের গোলের সামনে কর্নার পেলে ও হেড করে অবশ্যই গোল করত। ড্রিবলও করত চমৎকার। ড্রিবল মাস্টার চুনী গোস্বামী একদিন কলেজে ওর খেলা দেখে খুবই সুখ্যাতি করেছিলেন।

    স্কুলের পর্ব শেষ করে আমি প্রেসিডেন্সিতে গেলাম আর হরিপদ আশুতোষে। আশুতোষ কলেজের হয়েও ও ফুটবল খেলেছে। ছেলেবেলা থেকেই ভারি সুন্দর স্বভাব ছিল ওঁর। খুব পরোপকারীও ছিল। ওঁদের অবস্থা খুবই সাধারণ ছিল। হরিপদর বাবা দেশভাগের পরে বরিশাল থেকে কলকাতাতে এসে একটি সলিসিটর্স ফার্মে টাইপিস্টের চাকরি করে সংসার পালন করতেন।

    অধিকাংশ সলিসিটর্স, চাটার্ড অ্যাকাউন্টস ফার্মের মালিকেরা তখন খুব বড়োলোক হলে কী হয়, কর্মচারীদের খুবই খারাপ অবস্থা ছিল। জানি না, এখন অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়েছে কিনা। কিন্তু চরম দারিদ্র্য হরিপদর মুখের হাসিকে কোনোদিনও ম্লান করতে পারেনি। অসম আর্থিক। অবস্থার মানুষদের মধ্যে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা খুব মুশকিল। বন্ধুত্বও। তাতে দু-পক্ষের হৃদয়ের প্রশস্ততার প্রয়োজন হয়। যার অবস্থা খারাপ তার তো আরও বেশি। দেখি, হরিপদর এই বিপদে কতটুকু করতে পারি। শুভ্রর মতো মানুষও আজকাল কম দেখা যায়। সেও ভবানীপুরে থাকে। বলেই যেন সব দায় তাঁরই। আসলে দায়িত্ব যে নেয়, সব ঝামেলা তার কাঁধেই এসে পড়ে। কিন্তু সেজন্য শুভ্রর আনন্দই হয় যেন। বন্ধুর জন্যে টাকাপয়সা দিয়ে তেমন করতে না পারলেও গতর দিয়ে যা করছে, সব বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ও যা করছে তার কোনো তুলনা এই স্বার্থপর পৃথিবীতে আজকাল খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়।

     

     

    ড্রাইভারকে বলেই রেখেছিলাম তাড়াতাড়ি আসতে। ড্রাইভারই বাজার করে। কী বাজার হবে তা অবশ্য প্রতিমাই বলে দেয়। ও আটটাতে আজ এসে বাজারে গেছে। আমিও তৈরি হয়ে ব্রেকফাস্ট করে ঠিক পৌনে ন-টাতে বেরিয়ে পড়েছিলাম। ঠিক ন-টার সময়ে পিজি-র উডবার্ন ওয়ার্ডে পৌঁছে গেলাম। কোনোদিনও আসিনি আগে। মস্ত চওড়া বারান্দা-বড়ো বড়ো কাঠের ইজিচেয়ার বারান্দাতে, যাতে পা তুলে দিয়ে ঘুমোনো যায়। আগেকার দিনের ডাকবাংলো ও বন-বাংলোতে যেমন ছিল, আজকাল দেখা যায় না।

    গিয়ে দেখি, হরিপদ বাইরের বারান্দাতে লুঙ্গি পরে ইজিচেয়ারে বসে আছে। হারিত আমার আগেই পৌঁছে গেছে। হরিপদর পাশেই একটি চেয়ারে বসে আছে। আমি যেতেই হারিত বলল, তোর জন্য ঘর থেকে আরেকটা চেয়ার নিয়ে আসি।

    আমি বললাম, বসে বসেই তো জীবনটা গেল। হাঁটা-চলাও তো হয় না একটুও। আমি দাঁড়িয়েই থাকি–একটু ক্যালরি বার্ন করি।

    হরিপদকে বললাম, কী রে! কী বাধালি।

    ও বলল, ক-দিন পরেই তো ছুটি হবে। বাড়ি চলে যাব তার পরে। বৈষ্ণবঘাটা-পাটুলিতে শ্যামাপদ আর আমি যাওয়ার পরে তুই আর প্রতিমা তো একদিনও আসতে পারলি না। হাসপাতালে এসেছিস এই।

     

     

    ক্ষমা চাওয়ার গলাতে আমি বললাম, কী করব বল? আমি তো মাসের মধ্যে কুড়িদিন কলকাতার বাইরে থাকি। অনেক ইচ্ছেই অপূর্ণ রাখতে হয়।

    তারপর বললাম, তোর কোনো চিন্তা নেই। আমরা সবাই আছি। তা ছাড়া শুভ্রর স্ত্রী সীতা তোর জন্য দু-বেলাই রান্না করে পাঠাবে। দুপুরে সীতা নিজে নিয়ে আসবে, রাতে শুভ্র।

    কী দরকার ছিল কষ্ট করার। হাসপাতালের খাবার তো খারাপ নয়। তা ছাড়া সবাই তো খায়।

    সবাই তো হরিপদ নয়। তুই আমাদের কত প্রিয়জন তা কি জানিস?

    জানি।

    কী করে এমন হল?

    দ্যাখ লখনউ যাওয়ার আগে পরীক্ষা করে গেছিলাম শুধু ক্রিয়োটিনি করিনি। আর দ্যাখ।

    তা ওখানে করলি না কেন গিয়েই। তোর জামাই এমন কেওকেটা।

    আরে ও যা ব্যস্ত থাকে। ভারতেই তো থাকে না বলতে গেলে। তা ছাড়া স্ত্রী বা স্বামী ছাড়া তেমন। কাছের মানুষ আর কেউই হয় না রে। আমার ঝগড়া করার মানুষটা চলে যাওয়ার পর থেকে বড়ো অসহায় আর একলা হয়ে গেছি।

    জামাই না হয় ব্যস্ত। মেয়েও তো ছিল।

    মেয়ের সময় কোথায়? জামাইয়ের দেখাশোনা করে, তার স্যুট-টাইয়ের দেখভাল করে, বেয়ারা, বাবুর্চি, ড্রাইভার সকলকে সামলে ওঁরও উদবৃত্ত সময় নেই কোনো। যখনই যাই তখনই লনওয়ালা বাংলোর একটি ঘর ছেড়ে দেয়, চারবেলা দারুণ খাওয়া-দাওয়া, একজন বেয়ারা আমার দেখভাল করে–আর কী করবে? তা ছাড়া কাছেই বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন, তাদের ভালো লাইব্রেরি আছে। প্রবাসী বাঙালি মানুষরাও খুবই ভালো। ওখানে দু-বেলা করে যেতাম। অরুণ ব্যানার্জি সেক্রেটারি, এনাক্ষী সিনহা লিটারারি সেক্রেটারি খুবই সাহিত্য-মনস্ক মানুষ। আমার লিটল ম্যাগ সম্বন্ধেও ওরা জানেন। অথচ তেমন বিখ্যাত কাগজ তো নয়।

    বলেই, হারিতের দিকে তাকিয়ে বলল, ঘটনার কথা অনিমেষকে বলেছিস?

    কী ঘটনা?

    আরে ঘটনার মতো ঘটনা। চিফ মিনিস্টার হরিপদর অসুস্থতার কথা জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে অন্য ওয়ার্ড থেকে উডবার্ন ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করেছেন। চিকিৎসার সব খরচের ভারও সরকার নিয়ে নিয়েছে।

    বললাম বাঃ। এটা তো দারুণ খবর!

    হরিত বলল, খরচের মধ্যে নার্স-এর খরচ আর ওষুধপত্র। থাকা এবং ডায়ালিসিসের খরচ লাগবে না। ডা. পান্ডের আন্ডারে আছে। নেফ্রোলজি ডিপার্টমেন্টের হেড এসে দেখে গেছেন। আমাদের গোবিন্দগোপালবাবুর ছেলে দিব্যনারায়ণও আছে।

    বললাম, কষ্ট আছে কিছু?

    কষ্ট তো থাকবেই। সকালে ডায়ালিসিস হয়েছিল। বেশ কষ্ট। তবে পয়সা লাগলে কষ্টটা আরও বেশি লাগত। মনের উপর থেকে মেঘ সরে যাওয়ায় কষ্ট অনেকই কমে গেছে। টাকা লাগলে, অনির্দিষ্টকাল ডায়ালিসিসে কী সাংঘাতিক খরচ হত বল? আর আমার নিজের তো সামর্থ্য নেই। সব তো তোদের ঘাড়েই পড়ত।

    হরিপদকে দেখে কে বলবে যে ওঁর এত যন্ত্রণা। বরং মনে হচ্ছে পোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের স্কুলের কেষ্টধন কর্নার কিক করবে এক্ষুনি। খুব ভালো কিক করত, আর হরিপদ মিটিমিটি হাসছে, বল উড়ে এলেই লাফিয়ে উঠে হেড করে বলটাকে বিপক্ষের গোলে ঢুকিয়ে দেবে। ওকে ঠেকায়, এমন সাধ্য কারোরই নেই।

    আরও কিছুক্ষণ থেকে, ওর পিঠ চাপড়ে দিয়ে বললাম, আজ চলি রে হরিপদ।

    ও হেসে বলল, আয়।

    হরিতও বলল, আমিও চলি। কালকে বড়োবাবু খুব ঝেড়েছে। তবে বিকেলে অনেকে আসবে। শনিবার যে আজ। আর সীতা আসবে তোর খাবার নিয়ে। আর রাতে শুভ্র নিজে আসবে। আমি অফিস ফেরতাই আসব।

    উঠে আসার সময়ে হরিপদ আমার হাতে হাত রেখে বলেছিল, ডা. পান্ডেকে জিজ্ঞেস করিস তো কবে বাড়ি যেতে পারব। আমার পত্রিকা দিগন্তর পূজোসংখ্যা আমি ভালো হয়ে বাড়ি না যেতে পারলে কে বের করবে বল?

    বলেছিলাম, বলব।

    নীচে নামতে নামতে, হারিতকে জিজ্ঞেস করলাম, হরিপদর মেয়ে কলকাতায় আসবে না?

    কারোকে বলিস না। গলা নামিয়ে বলল হারিত। শ্যামাপদ লখনউতে ফোন করেছিল। হরিপদর মেয়ে সোমা ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলেছে ওঁর স্বামী এক পয়সাও দিতে পারবে না। নতুন মাল্টিপ্লেক্সে বারো তলার উপরে চারহাজার স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাট বুক করেছে। তার দাম প্রায় কোটি টাকা। সেই টাকা জোগাড় করতে রাতের ঘুম চলে গেছে জামাইয়ের। তবে সোমা বলেছে, কাকা, তোমরা কেউ আগে জানিয়ে এখানে আসতে পারলে আমি আমার গয়না বিক্রি করে যা পারি তার হাতে তুলে দেব। বাবাকে বোলো আমার অসহায়তার কথা। আমি তো স্বাবলম্বী নই। আমার রূপ দেখেই তো বিয়ে হয়েছিল। রুপো তো বাবা দিতে পারেনি বিয়ের সময়। কাকা, পড়াশোনাতে দারুণ ভালো হলেই সবাই শিক্ষিত হয় না।

    আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, বলিস কী রে হারিত। এমনও হয়?

    –এমনই তো হয় আজকাল।

    ৩.

    টাকা পয়সা যে দিতে হবে না সেজন্যে খুব হালকা লাগছে। আগামীকাল রবিবার। বহুদিন পর কালকে তাস খেলতে যাব দুপুরে। হরিপদর খবর শুভ্র অথবা হারিতকে ফোন করে জেনে নেব। ইচ্ছা আছে সোমবার অফিস ফেরত যাব পিজি-তে।

    সোমেনের বাড়ি গিয়ে সকলের খপ্পরে পড়ে অনেকগুলো হাত খেলে বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায়। তিনটে। রবিবার অফিসের ড্রাইভার থাকে না। ট্রাক্সি নিয়ে সোমেনের বাড়ি গেছিলাম।

    লিফটে উঠে ফ্ল্যাটে পৌঁছোলাম প্রতিমার প্রচণ্ড রাগারাগির জন্যে প্রস্তুত হয়ে। কিন্তু বেল টিপতেই ছোটু দরজা খুলল। খুলেই বলল, মেমসাহাবসে মিলিয়ে সাব। গালাগালি খাওয়ার জন্যে তৈরি হয়েই এসেছি, তা আবার ঘরে ডেকে গালাগালি কেন?

    মেমসাহাব খানা খায়ী?

    নহি।

    ভয়ে ভয়ে প্রতিমার ছবি আঁকার স্টাডির দরজা খুললাম। ঝিরঝির শব্দ করে এয়ার কন্ডিশনারটা চলছে। প্রতিমা ইজেলের সামনে তুলে হাতে বসে আছে।

    বললাম, কী ব্যাপার? খাবে না?

    প্রতিমা আমার উপরে একটুও রাগ করছে না দেখে অবাক হলাম।

    আর কিছু বলার আগেই প্রতিমা বলল, হারিতবাবু ফোন করেছিলেন, শুভ্রবাবু হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন আড়াইটার সময়ে। তোমাকে মোবাইলে ফোন করেছিলাম। মোবাইল বন্ধ ছিল।

    বল কী? আচ্ছা, আমি যাচ্ছি।

    খেয়ে গেলে পারতে না?

    না। খাওয়ার ইচ্ছে নেই।

    আমি লিফটে নেমে একটা ট্যাক্সি নিয়ে শুভ্রর বাড়ি পৌঁছে দেখি অনেকেই পৌঁছে গেছে।

    সীতা বলল, সকাল থেকেই শরীরটা খারাপ বলছিল। তাও হরিপদবাবুকে দেখতে গেল। ফিরে আসার পরে বুকের মধ্যিখানে ব্যথা হতে লাগল। ও কখনও ডাক্তারের কথা বলে না, আজ নিজেই বলল শিগগিরি ডাক্তার ডাকো।

    আমাদের পাড়ার ডাক্তারবাবুকে ফোন করলাম। তাঁর স্ত্রী বললেন, রবিবার তো উনি রোগী দেখেন না। চেম্বারও করেন না। নিজের পরিচয় দিয়ে বললাম, আমার স্বামীর বুকে খুব ব্যথা হচ্ছে।

    উনি বাড়ি নেই। মোবাইল বন্ধ।

    অন্য কোনো ডাক্তারের কথা বলতে পারেন?

    আজ রবিবার। সব ডাক্তাররাই ছুটি কাটান আজকে।

    তারপর শুভ্রর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া শরীরের দিকে চেয়ে সীতা বলল, একজনও জেনারেল প্রাকটিশনারকে পাওয়া গেল না।

    হারিত বলল, জি পি-রা আজকাল উধাও। আজকাল সব স্পেশালিস্ট পাবে। নানা রোগের স্পেশালিস্ট। প্রয়োজনে জেনারেল প্র্যাকটিশনার একেবারেই পাবে না।

    অনন্তও এসে পৌঁছেছে। ও ইনকাম ট্যাক্সের অ্যাডিশনাল কমিশনার। বলল, ওই ব্যাপারে একটা গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। ডাক্তারেরা যে মাছের ব্যবসায়ী নয়, স্মাগলার নন, নার্সিং হোমের আর ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির অর্থগৃধু জন্তু জানোয়ার নন, তাঁদের যে এক মহৎব্রত। থাকার কথা ছিল, তাঁদের যে মনুষ্যত্ব থাকার কথা ছিল, একথা তাঁরা ভুলে গিয়ে থাকলে তাঁদের ঘাড় ধরে বোঝাতে হবে। যাঁরা আত্মবিস্তৃত তাদের ধোলাই দিয়ে জ্ঞান ফেরাতে হবে।

    সীতা কাঁদতে কাঁদতে বলল, কলকাতা শহরে বাস করেও চারঘন্টা সময় পেয়েও কিছু করতে পারলাম না। কোনো ডাক্তার না পেয়ে রামকৃষ্ণ মিশন হাসপাতালে নিয়ে গেলাম দেড়টার সময়ে। ওঁরা বললেন দু-ঘন্টা আগে আনলে বাঁচাতে পারতাম।

    অনন্ত বলল, কলকাতা শহরে আমরা স্রেফ ঈশ্বরের দয়াতে বেঁচে আছি। কী গরিব, কী বড়োলোক, সকলেরই সমান অবস্থা। সরকারের এ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা উচিত। কেন রবিবারে, কী রাতে, কোনো ডাক্তার পাওয়া যাবে না?

    হারিত বলল, এর চেয়ে মফসসল শহরের ডাক্তারেরা অনেক ভালো। তাঁদের বিবেক এখনও মরেনি। টাকার লোভ এখনও তাদের সকলকে অমানুষ করেনি।

    ডাক্তারেরা যে আমাদের শ্রদ্ধার মানুষ, আমাদের প্রণম্য মানুষ একথা কি ওঁরা বোঝেন না। কলকাতা শহরে বাস করেও কি আমাদের প্রত্যেককে ঈশ্বরের দয়াতেই বেঁচে থাকতে হবে?

    সীতার অসহায় বিলাপ মনকে এই সময়ের উপরে বড়োই বিরক্ত ও ক্রুদ্ধ করে তুলল। সায়েন্স নিয়ে পড়লে আমিও হয়তো ডাক্তার হতাম। হলে কি আমিও আজকালকার অধিকাংশ। ডাক্তারদের মতোই বিবেকরহিত হতাম? আর যদি তাই-ই হতাম, তাহলে ডাক্তার আদৌ হতামই-বা কেন?

    যে সময়টা পেরিয়ে এসেছি, আমাদের ছেলেবেলার সময়, তা সত্যি অনেকই ভালো ছিল। মানুষের মনুষ্যত্ব ছিল, মূল্যবোধ এমনভাবে নষ্ট, ভ্রষ্ট হয়ে যায়নি আজকের মতো।

    খবর পেয়ে একে একে আরও অনেকে আসছেন। আমি ঘর ছেড়ে বারান্দায় এলাম। যে, সকলের বিপদে সবচেয়ে আগে দৌড়ে এসেছে চিরদিন তাকেই একটু পরে সাদা ফুলের তোড়া আর মালা দেওয়া কাচের গাড়ি করে নিয়ে যাব আমরা কেওড়াতলায়। আজকে হরিপদকেও কেউই হয়তো দেখতে যেতে পারবে না। কী করা যাবে? হরিপদ নয়, শুভ্রই আজকে প্রায়োরিটি নাম্বার ওয়ান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচম্পাঝরন – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article মহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }