Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প831 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্রন্টি

    দিনের কাজ প্রায় শেষ, এবার উঠব অফিস থেকে। ঘড়িতেও সাড়ে পাঁচটা বাজে। গজেন আর ঘোষ ছাড়া আর কেউই নেই এখন। আমি উঠলেই জমাদার ঘর পরিষ্কার করবে। দারোয়ান আজকের মতো তালা-টালা লাগিয়ে দিয়ে যাবে বাইরে।

    এমন সময় ইন্টারকম-এ ঘোষ বলল, একজন ভদ্রলোক আপনার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন, স্যার। বলছেন, আপনার বন্ধু। নাম বরুণ চ্যাটার্জি। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই।

    বরুণ চ্যটার্জি? আমার বন্ধু?

    মনে পড়ছে না ওই নামের কোনো বন্ধুকেই। রাত সাড়ে সাতটাতে বলা নেই কওয়া নেই অফিসে এসে হাজির হল কে? কী দরকার? আমি চিনিই না। বলে দাও, এমন অসময়ে দেখা হবে না। আমি এক্ষুনি বেরিয়ে যাব। পরে একদিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে যেন আসেন।

    পরমুহূর্তেই আবার ইন্টারকম চ্যাঁ চ্যাঁ করে উঠল।

    উনি যেতে চাইছেন না স্যার। বলছেন, কোনো কাজে আসেননি, এমনিই এসেছেন। আপনার সঙ্গে কলেজে পড়তেন নাকি। ওঁর ডাকনাম ব্রন্টি।

    ব্ৰন্টি? ও হো ব্রন্টি। তাই বল।

     

     

    আচ্ছা, দু-মিনিট লাগবে আমার। আমি ডিকটেটেড ম্যাটারগুলো দেখে, সই করে দিয়েই ডাকছি। একটু বসতে বলো।

    এমিলি ব্রন্টির উইদারিং হাইটস পড়া আর ব্রন্টির সঙ্গে পরিচয় আমার প্রায় একই সময়। তাই-ই ওর নামটি এ জীবনে ভোলার নয়। টাইপ করা চিঠিগুলোতে চোখ বোলাতে বোলাতে ভাবছিলাম। ব্রন্টি। ব্রন্টির ভালো নাম যে বরুণ চ্যাটার্জি, তা ভুলেই গেছিলাম। মনে থাকার কথাও ছিল না। আমরা সকলেই ওকে ব্ৰন্টি বলেই ডাকতাম।

    বন্ধু বলতে ঠিক যা বোঝায়, ও তা ছিল না। শুধু আমারই নয়। ও কারোই বন্ধু ছিল না। কারো বন্ধু হওয়ার যোগ্যতা বা মানসিক সমতা ওর ছিল না। ক্ষমতাও বোধহয় ছিল না। কলেজে প্রথম দুবছর শুধু একসঙ্গে কতগুলো কমন ক্লাস করেছি। ব্ৰন্টিচিরদিনই ভুলে-ভালা। ট্রাউজারের মধ্যে এমনভাবে শার্টটাকে ঔজত যে, পিছন দিকে অথবা সামনে দিকেও অনেকখানি শার্ট বেরিয়ে। থাকত। যতদূর মনে আছে, খুব বড়ো পরিবারের অবস্থাপন্ন ঘরের ছেলে ছিল ও। ওদের। প্রাসাদের মতো পৈতৃক বাড়িতেও গেছিলাম একদিন। চমৎকার অ্যাকসেন্টে ডান হাতের তর্জনী নাড়িয়ে কথা বলত। বেশিই ইংরেজিতে। কিন্তু ওর বেশিরভাগ কথারই কোনো মানে ছিল না। মনে হত, ও কাল্পনিক কোনো সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলছে।

    আমার আর-এক সহপাঠি, রুদ্র, গত সপ্তাহে একদিন ফোন করেছিল বম্বে থেকে। নানা কথার পর বলছিল, ব্রন্টির নাকি মাথা খারাপ হয়ে গেছে। অবশ্য জানি না, কবেই বা ওর মাথার ঠিক ছিল।

     

     

    –তোর সঙ্গে দেখা হয়েছে কি রিসেন্টলি?

    –না তো! কলেজ ছাড়ার পর আর দেখাই হয়নি। কী করে রে ব্রন্টি এখন? রুদ্রকে শুধিয়েছিলাম।

    –করার মতো কিছুই তো করত না। বি-এ পরীক্ষাটাও তো দিল না শেষ পর্যন্ত। কোথায় যেন নিরুদ্দেশ হয়ে গেছিল, হঠাৎ, মনে নেই তোর?

    টাইপ-করা চিঠিগুলো সব সই করে, গজেনকে ডেকে বললাম, কাল সব যাবে ডাকে। আর যিনি ঘোষবাবুর কাছে বসে আছেন, তাঁকে এবারে ডাক। ঘোষবাবুকেও চলে যেতে বল। তুইও ব্রিফকেসটা ড্রাইভারকে নামিয়ে দিয়েই বাড়ি চলে যা। আমি একটু পরই উঠব। দারোয়ানকে বলে যাস।

    চেয়ার থেকে উঠে দরজা খুলে দেওয়ার আগেই ব্রন্টি ঢুকল। চেহারাটা অবিকল সেইরকমই আছে, তবে রোদে জলে ময়লায়, তেলচিটে তেলচিটে এই-ই যা। চুলে ও জুলপিতে পাক ধরেছে যদিও, কিন্তু বয়সের ছাপ পড়েনি এখনও তেমন। ননাংরা শার্ট আর ট্রাউজার। শার্টটা ঠিক সেইরকমভাবে গোঁজা। সামনে পেছনে খাবলা খাবলা বেরিয়ে আছে।

     

     

    ব্ৰন্টি বলল, হ্যাল্লো নাটু, হাউ নাইস টু হ্যাভ মেট উ্য আফটার এইজেস। বললাম, বোসো, বোসো।

    ও বসে বলল, থ্যাঙ্কস। হাউ ইজ লাইফ?

    –চলে যাচ্ছে। নাথিং টু গ্রাম্বল অ্যাবাউট।

    –খুব সুখী তাহলে। ইস সুখী হওয়া কী কঠিন! আমি যদি হতে পারতাম।

    –তুমি কি করছ এখন ব্রন্টি?

    –আমি? সেইমথিং–। সেইম ওল্ড থিং।

    –কোথায় আছ তুমি? আই মীন, কোন কোম্পানিতে? না-কি ব্যবসা-ট্যাবসা বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী?

    ব্ৰন্টি সেই ছেলেবেলারই মতো আমার দু-চোখে ওর দু-চোখ রেখে নির্ভেজাল গলায় বলল, আছি মানে, আছি ঠাকুরদারই বাড়ির দোতলার বারান্দারই এক কোণে। এখন সবই ভাগাভাগি হয়ে। গেছে। থাকার ঘর, ভালোবাসা, মন, রান্নাঘর, হৃদয়ের তাপ, সব। ছোটোকাকার সখের কুকুরের নাতির নাতি আর আমার জায়গা হয়েছে একই কোণে। ফারস্ট ক্লাস আছি নাটু। কুকুরের ক্যারেকটার স্টাডি করছি, এক্কেবারে খুবই কাছ থেকে। কুকুরটা একেবারে ডোসাইল। লেজ মাড়ালেও কাউকে কামড়ায় না, অনেকটাই মিডল-ক্লাস ডোসাইল মানুষদেরই মতো। একটা থিসিস তৈরি করব ঠিক করেছি। আ কমপ্যারেটিভ স্টাডি।

     

     

    এক মুহূর্ত চুপ করে থেকেই ও বলল, এক গ্লাস জল হতে পারে? বিব্রত হয়ে বললাম, ইস, সকলেই চলে গেল যে! আচ্ছা, আমিই দিচ্ছি। দাঁড়াও–

    ঘরের কোণের ছোট্ট ফ্রিজ খুলে ওকে জল ঢেলে দিলাম।

    ফ্রিজটা যখন খুললাম, তখন ব্রন্টি বলল, কিছু খাবার হতে পারে? যা হোক কিছু? আমি জেনারেলি লাঞ্চটা ফিরপোতেই করি। আজ করা হয়নি। সময়ই হয়নি।

    ফিরপো? অবাক হলাম, আমি। মনটাও খারাপ হয়ে গেল ফিরপোর কথাতে। এখন একটা বাজার বসেছে সেখানে। কলকাতা যদিও ফিরপো ছাড়া কানা হয়ে গেছে। কিন্তু কবে বন্ধ হয়েছে ফিরপো। বছর কয়েক হতে চলল ব্রন্টির মাথা সত্যিই খারাপ।

    লজ্জিত গলায় বললাম, খাবার? না, খাবার তো রাখি না ফ্রিজে। শুধু চিজ আছে একটু, খাবে?

    –চিজ খাই না। আরে। মাখন আছে দেখছি এক প্যাকেট। হতে পারে?

     

     

    –আমাদের ক্যান্টিনের মাখন। শুধুই মাখন।

    এগিয়ে দিতে দিতে, অ্যাপোলজিটিক্যালি বললাম আমি।

    –খাব, খাব। রোজই মাখন খাওয়া উচিত আমার।

    জান, নাটু, শরীরে খুবই লাবণ্যর অভাব ঘটেছে। লাবণ্য তো বিয়েও করল না আমাকে। সে-সব ছোটোবেলার কথা। তোমাকে কি কখনো বলেছিলাম লাবণ্যের কথা? জানি না। লাবণ্যর কোনো সাবস্টিট্ট হয় না, হল না। দাও, মাখন দাও। লাবণ্য। হাঃ হা। আমাদের ছিল কাফ-লাভ। আজকাল তো ডগ আর বিচদের যুগ। কী বল? হিঃ। হিঃ। ডোন্টু থিংক সো?

    একমুহূর্ত চুপ করে থেকেই বলল, একটু প্রেম, ভালোবাসা, হতে পারে?

    একথার উত্তর হয় না। চুপ করে রইলাম।

    ব্লন্টি মাখনের প্যাকেটটা খুলে, চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে উঠেই, বলতে গেলে প্রায় চুষেই পুরো প্যাকেটটা একেবারে সড়াৎ করে খেয়ে ফেলল, আমি ডিশ চামচ বের করার আগেই। তারপর। যেটুকু মাখন হাতে লেগেছিল, সেটুকুও দু-গালে মেখে নিয়ে বলল, ন্যাপকিন দেবে নাকি একটা?

     

     

    ড্রয়ার খুলে ন্যাপকিন দেওয়ার আগেই ও জামাতে ও ট্রাউজারে হাত মুখ সব মুছে ফেলল। চোখ কুঁচকে বলল, শার্ট আর ট্রাউজারটাও একটু লাবণ্যময় হোক। কী বল? হোক। লাবণ্য-নির্মূল জীবন অন্তত আমূল লাবণ্যে ভরে থাকুক। আ-মূল। মাই ফুট। ওয়াট আ সাবস্টিচ্যুট। দ্যাট লাবণ্য, অ্যান্ড দিস।

    মনে পড়ে গেল, কলেজে থাকাকালীন ব্রন্টি আধুনিক কবিতা লিখত। ও একবার লিখেছিল, প্রিয়তমা, দেখা হবে আমাদের নিশ্চয়ই গতকাল।

    গ্রেট পোয়েট! আমাদের ব্রন্টি! প্রমিস ছিল, কারণ ওর মধ্যে দুর্বাধ্যতার গ্রেটনেস ছিল।

    মনে পড়ে গেল, একদিন লাইটহাউস সিনেমার উলটোদিকের বইয়ের দোকান থেকে দা ফ্লাইট অফ দা পাইড হর্নবিলস বলে একটা পেপাকব্যাক বই হঠাৎ কিনে তাতে ও নিজে হাতে লিখে। দিয়েছিল টু ডিয়ার নাটু। আই কুড ডু নো বেটার এন্ড দিস আই বিলিভ।

    ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, piedhornbills সম্বন্ধে তোমার বুঝি খুব ইন্টারেস্ট।

     

     

    ও বলেছিল, দুস। কে জানে? কোনো পাখি-টাখি হবে হয়তো। শিংওয়ালা কোনো জানোয়ারও হতে পারে। হু কেয়ারস?

    -সে কী? তাহলে, হঠাৎ আমাকে এই বইটি কিনে প্রেজেন্ট করলে?

    –জান না? আজ বোদলেয়ারের জন্মদিন যে। প্রত্যেক কবিকেই আজ উদার হতে হয়। দিস ইজ মাই ওয়ে অফ রিমেম্বারিংদা পোয়েট।

    আড়াইশ গ্রাম মাখন খেয়ে লাবণ্যময় হয়ে উঠেব্ৰন্টি বলল, তোমার ছেলে-মেয়ে কী?

    -মেয়ে বড়ো। ছোটো ছেলে।

    –মেয়ে কত বড়ো? বিয়ে দিয়েছ?

    –বয়স হয়নি মেয়ের। মাত্র এগারো বছর। তাছাড়া, বিয়ে তো আস্তে আস্তে উঠেই যাচ্ছে। এখন তো লিভ-টুগেদারের দিন।

    –জানি। তবু, আমি পুরোনো দিনের লোক। আমি বিয়েতে আজও বিশ্বাস করি। আমি কিন্তু বিয়েই করব। এবং করলে, তোমায় নেমন্তন্ন করব। তোমার মেয়েকেও।

     

     

    –কবে হবে? তোমার বিয়ে?

    –হাঃ? দ্যাটস আ মিলিয়ন ডলার কোয়েশ্চেন। লাবণ্য নেই। নো হোয়্যার ইন দা ওয়ার্লড। আই হোপ, য়ু নো, হোয়াট আই মিন। লাবণ্য, ইজ আ মাচ ওয়াইডার, ডিপার, ওয়ার্ড। লাবণ্য, বুঝলে নাটু শি ইজ আ সিম্বল। শি ইজট জাস্ট মাই গার্ল। অর, ফর দ্যাট ম্যাটার, এনিবডিজ এলস গার্ল ইদার, শি ইজ আ সুপারলেটিভ এলিমেন্ট, আ কনসেপ্ট, হু মুভস আওয়ারসেলভস ফ্রম উইদিন। মুভস হেভেন অ্যান্ড আর্থ।

    একটু চুপ করে থেকে আরেক ঢোক জল খেয়ে বলল, বাই দা ওয়ে, নাটু, আমার এক বোন বলছিল তুমি নাকি আজকাল গল্প লেখা বাংলায়? ফিকশান? বই লেখ? তুমি? নাটু সেন? অফ ওল পার্সনস?

    হেসে বললাম, বাংলা সাহিত্য কোন পর‍্যায়ে নেমে এসেছে তাহলে বুঝতেই পারছ! নইলে, নাটু সেনও গল্প লেখে?

    –হাঃ। আই লাইক ইট। তোমার সেন্স অফ হিউমার এখনও ঠিক সেইরকমই আছে। ভেরি ফিউ উইল পুল সাচ আ ফাস্টওয়ান অন হিমসেলফ। গ্রেট। বাই দা ওয়ে! হোয়াটস ইওর নেক্সট প্রজেক্ট? অ্যান অটোবায়োগ্রাফি অফ অ্যান ইডিয়ট? অর ফর আ চেঞ্জ, দ্যাট অফ আ মেগালোম্যানিয়াক?

     

     

    এরও উত্তর হয় না। প্রজেক্ট দু-টিই ভেবে দেখার মতো। চুপ করে রইলাম।

    গাড়ি কিনেছ?

    কোম্পানি দিয়েছে। বহুদিন।

    –ফ্ল্যাট কিনেছ?

    –না। বাড়িই তৈরি করছি, সল্ট লেকে।

    –নিজের বাড়ি? বাঃ।

    –ফরেনে গেছ?

    –গেছি একবার।

     

     

    –কোথায়?

    –ব্যাংকক।

    –বাঃ। তবে তো গেছই।

    –ক্লাবের মেম্বার হয়েছ?

    –হ্যাঁ। অনেকদিন।

    –কোন ক্লাব?

    –ক্যালকাটা ক্লাব।

    –তোমার বিয়ের তারিখে ইংরিজি কাগজের পার্সোনাল কলামে তোমার শালির শুভেচ্ছা ছাপা হয়?

     

     

    –হ্যাঁ। হয় বই কী। শালি ছাড়া আরও অনেকেরই হয়।

    এবার মনে মনে আমি বিরক্ত হয়ে উঠছিলাম।

    –বাঃ। তবে তো তুমি একজন সম্পূর্ণ মানুষ। টোটাল। সাকসেস তো একেই বলে। কনগ্রাচুলেশনস। জীবনে তোমার আর কীই-বা চাইবার থাকতে পারে? বাঙালির বাচ্চাদের পক্ষে ঢের করেছ। যুগ যুগ জীও। তোমাকে দেখে ছোটোকাকার পেডিগ্রি গ্রেট-ডেন কুকুরের নাতির নাতি পর্যন্ত লজ্জা পাবে। সাববাশ।

    কথা ঘুরিয়ে বললাম, তুমি কী কর ব্রন্টি, এখনও খুলে বললে না তো?

    –সেইমথিং। বললাম তো। ওঃ খুলে বলিনি বুঝি এখনও? আউচ। দ্যাট বাটার অফ ইয়োরস, রিয়্যাল গুড।

    ব্ৰন্টি আরেকটা ঢেকুর তুলল।

    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, একটা জেলুসেল হতে পারে?

    না। নেই। সরি।

    ডোন্ট বদার। তোমরা যাকে করা বল তেমন কিছুই করি না আমি। আই অ্যাম সিম্পলি স্যাম্পেলিং লাইফ। গত পঁচিশ বছর ধরে এইই করছি। গ্রেট ফান। নিজের জীবন কুরে কুরে খেয়ে দেখছি ভুট্টার দানার মতো। স্বাদ চাখছি। দেখছি। নোন্তা না মিষ্টি। এক্সপেরিমেন্ট করে। দেখছি, জীবন সলিড, না লিকুইড না গ্যাসি? আই রিয়ালি ডু স্যাম্পল মাই ও-ওন লাইফ। ঠিক কীভাবে বলব জানি না, ধরো যদি বলি, অ্যাজ আ টি-টেস্টার স্যাম্পলস টি। সামথিং ভেরি মাচ অ্যাকিন টুদ্যাট। বুঝলে নাটু। আই এনজয় মাইসেলফ, থরোলি এনজয়, এভরি মিনিট অফ মাই লাইফ। একটা শামুকের মতো, দার্জিলিং-এর রেলগাড়ির মতো। আর তোমরা?

    তোমরা সবাই জেট প্লেন। টাকা, নাম, যশ, সিকিওরিটি এসবেরই পেছনে দৌড়ে বেড়াচ্ছ। তাই না? তোমাদের করুণা করি আমি। তোমরা সকলেই–তুমি, রুদ্র, শ্যামল, আ প্যাক অফ স্টুপিড উস।

    –আর তুমি? নিজে? তুমি নিজে কি করছ, করলে জীবনে?

    –নাটু। আমি রেললাইনেরপাশের টেলিগ্রাফের তারে বসে থাকা ছোট্ট, ননডেসক্রিপ্ট ফিঙে। করার মতো কিছুই করি না আমি। তোমাদের দেখে মজা পাই। তোমরা কেউই জান না, জানবার সময়ই পেলে না যে, লাইফ ইজ ফর লিভিং। তোমাদের জীবন, জীবনই নয় যে, সে একটা অভ্যেস। ইয়েস। ইয়োরস ইজ ওনলি অ্যান অ্যাপলজি ফর আ লাইফ। হোয়াট আ শেম।

    বলেই ব্ৰন্টি বলল, কুড়িটা টাকা হতে পারে? খুবই ক্ষিদে পেয়েছে। লাবণ্য তার অস্তিত্বে এবং অনস্তিত্বে মাঝে মাঝেই আমার মধ্যে বড়ো ক্ষিদের উদ্রেক করে। কী দারুণ বাংলা বললাম, দেখলে। তোমার সঙ্গগুণেই কি? গ্রেট।

    কুড়ির জায়গায় ওকে এক-শোটা টাকা দিলাম। বললাম, তোমাকে বেশিই দিলাম, যাতে তোমার বার বার না আসতে হয়। সত্যিই আমি খুবই ব্যস্ত থাকি। উইদাউট অ্যাপয়েন্টমেন্টে কারো সঙ্গেই দেখা করতে পারি না। কিছু মনে কোরোনা ব্রন্টি।

    ফেয়ার এনাফ। বলল, ব্রন্টি। ফেয়ার এনাফ। তুমি কী বলতে চাইছ বুঝেছি। আর হয়তো আসব না। কিংবা কী জানি, আসতেও-বা পারি। তোমার মাখন বড়ো ভালো। লোকে মাখন দেয়, আমি নেব।

    তারপরই বলল, পঁচিশ বছর পর কলেজের বন্ধুর সঙ্গে দেখা হল। আরও জাস্ট দেড়শটা টাকা কী হতে পারে? পার ইয়ারে তাহলে দশ টাকা করে হবে। হিসেবে গোলমাল কোরো না। আমার অ্যাডিশনাল ম্যাথস ছিল। অঙ্কে ভুল হয় না।

    –আজই ব্যাঙ্ক থেকে হাজার টাকা তুলেছিলাম। তাই-ই দিতে পারছি তোমাকে।

    ব্ৰন্টি হাসল। বলল বড়োলোকেরা এমন বলেই থাকে। দু-নম্বর কী এক নম্বর টাকা, তাতে ভিখিরির কী এসে যায়? দু-নম্বর টাকা হাত বদলালেই তিন নম্বর হয়ে যায়, তাও জান না? নাও, দাও, দাও, আরও দেড়-শোটা টাকা দাও, ফর ওল্ড টাইমস সেক। হতে পারে?

    টাকা তুলেছিলাম প্রয়োজন ছিল বলেই। তবু, নাও।

    টাকাটা যেই দিলাম, অমনি তা পকেটে পুরে হঠাৎই উঠে পড়ল ব্রন্টি। ডান হাতের তর্জনী নেড়ে বলল, নেভার এক্সপ্লেইন ইওর কনডাক্ট। ন্যো। নট ইভিন টু ইওরসেলফ।

    পরমুহূর্তেই, যেমনই আচমকা এসেছিল তেমনই আচমকা উধাও হয়ে গেল ও।

    অনেকক্ষণ হতভম্বর মতো চেয়ারে বসে রইলাম। বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করছিল না। সত্যিই কি ব্ৰন্টি? আমাদের কলেজের বন্ধু ব্রন্টিই?

    নীচে নেমে যখন আমি গাড়িতে উঠলাম, তখন দেখি ব্ৰন্টি আমারই অফিসের নীচের জিলিপি সিঙাড়ার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে শুকনো শালপাতার দোনায় দু-হাতে রস আর আলু প্রায় মাখামাখি করে সিঙাড়া জিলিপি খাচ্ছে। পাশে দাঁড়িয়ে একটা ষাঁড় ওকে নিবিষ্টমনে লক্ষ করছে।

    ষাঁড়টা হঠাৎ চলি-কি-চলি না করে চলতে আরম্ভ করল, রাস্তা থেকে আবর্জনা কুড়িয়ে খেতে খেতে। জনস্রোত তাকে ধাক্কা দিতে লাগল। ধাক্কা দিতে লাগলব্ৰন্টিকেও। ব্ৰন্টি তখন তার। টুকরো করে ভেঙে-খাওয়া নিজের জীবনেরই একটি টুকরোর মতো সিঙাড়া-জিলিপি স্যাম্পলিং করছিল। আমি যেন শুনতে পেলাম বাঁ-হাতের চেটোয় শালপাতার দোনা ধরে ডান হাত দিয়ে খেতে খেতে ও বলছে, লিভিং ইজ গ্রেট ফান। উ্য ওনলি হ্যাভ টু ফ্লোট উইথ ইট। নেভার ট্রাই টু স্যুইম এগেইনস্ট লাইফ।

    ষাঁড়টা চলেছে সোজা। এবার সেন্ট্রাল এভিনিউতে গিয়ে পড়বে। তার মুখ বড়োবাজারের দিকে।

    বি আ ফ্লোটসাম।

    কে যেন বলল, কানের পাশে।

    তাড়াতাড়ি মুখ ফিরিয়ে নিলাম। টাকাটা, কোনো ব্যাপারই নয়। ও আবারও টাকা চাইবে, শুধুমাত্র এই ভয়েই ব্ৰন্টিকে আমি আসতে বারণ করিনি। ও আসলে ভীষণ, ভীষণই খারাপ লোক।

    দারোয়ানকে বলে দিতে হবে যাতে ওকে আর কোনোদিনও ঢুকতে না দেয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচম্পাঝরন – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article মহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }