Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প831 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আলঝাইমার

    এ কী! তপেনদা! হঠাৎ এদিকে কী মনে করে?

    লিফট-এর সামনেই নির্মলের সঙ্গে দেখা।

    নির্মল তপেনবাবুর আমলেই এল ডি সি হয়ে ঢুকেছিল। তারপর ইউ ডি সি হল, ইন্সপেকটর এবং তারপর অফিসারও।

    হঠাৎ আবার কী? এই বাড়িতে যদিও কোনোদিন পোস্টিং হয়নি আমার কিন্তু এই ডিপার্টমেন্টেই তো জীবনের পঁয়ত্রিশটা বছর কাটিয়ে দিলাম দিনে আট ঘন্টা করে। এই তো আমার আসল বাড়ি।

    আট ঘন্টা করে!

    তা ছাড়া কী? আমাদের সময়ে তো সরকারি অফিসে এমন নৈরাজ্য ছিল না। ডিসিপ্লিন কড়া ছিল। কাঁটায় কাঁটায় দশটাতে অফিসে পৌঁছোতে হত। পাঁচটার আগে কেউ যাওয়ার কথা ভাবতও না। বড়সাহেব থেকে ছোটোসাহেব, বড়োবাবু থেকে ছোটো পিওন সকলেই আইন মানত।

    তা ঠিক। তবে তখনও তো বাঙালি জাতটা ডেলি-প্যাসেঞ্জারের জাত হয়ে যায়নি, দাদা। প্রায় সকলেই কলকাতাতেই থাকত। আর তখন কলকাতা বলতে, টালা থেকে টালিগঞ্জ, আর দমদম থেকে বালিগঞ্জই বোঝাত। তখন বর্ধমান, কৃষ্ণনগর বা ডায়মন্ডহারবারও কলকাতা বলে গণ্য হত না। আমরা যে রোজ অফিসে আসি এই যথেষ্ট।

    সেটা অবশ্য ঠিকই। আজকে ট্রেন লাইনে বসা-ধর্মঘট, কাল শোওয়া-ধর্মঘট, পরশু ট্রেনে মোষ কাটা পড়া, তার পরদিন টিকিট চেকারকে প্যাঁদানোর জন্যে রেলের স্টাফের স্ট্রাইক, তারও পরদিন টিকিট চাওয়ার অপরাধে যাত্রীদের স্ট্রাইক এই তো চলে রোজই, চাপান-উতোর। এরও ওপরে গোদের ওপর বিষফোঁড়া বনধ তো আছেই। তা ছাড়া, তোমাদের কালে কাজ না। করলেও, অফিসে না এলেও, মাইনে পাওয়া যায়, বোনাস পাওয়া যায়। ইনক্রিমেন্টও। শুধু ভোটটা দিলেই চলে। কিন্তু আমাদের সময়ে কাজ করতে হত। সলিড কাজ।

    আমরা কি সব লিকুইড বা গ্যাসি কাজ করি তপেনদা? আপনারা কী করতেন তা জানা আছে। তখন কাজ ছিলই বা কতটুকু? ক-টা ফাইল ছিল? ক-টা ডিসপোজাল দিতে হত মাসে? সব জানা আছে।

    তা ঠিক। কাজ কম ছিল আজকের তুলনাতে। কিন্তু যেটুকুই ছিল তা আমরা ভালো করেই করতাম। আমাদের সময়ে এখনকার দিনের মতো এই পদের সব উকিলও ছিল না, হাকিমও ছিল না। দেশটাই বদলে গেছে। সত্যিই আমাদের সময়টা অন্যরকম ছিল।

    তা গেছে। আপনাদের দেখেই তো সব শিখেছি।

    কী শিখেছ? ঘুষ-ঘাষ নেওয়া?

    গলা নামিয়ে, চোখ নীচু করে বললেন, নির্মলকে, তপেনবাবু।

    গলা চড়িয়ে নির্মল বলল, ঘুষ-ঘাষ আবার কী? নেতারা কোটি কোটি টাকার কাট-মানি নেবে, বড়োসায়েবরা আন্ডার দ্যা টেবল ডিল করবে, স্পিড-মানি নেবে, আর আমরা কি আঙুল চুষব? আমরা দু-পাঁচশো টাকা নিলেই তা ঘুষ-ঘাষ হয়ে যায়।

    পাশে দাঁড়ানো একটি অপরিচিত ছেলে বলল, হিয়ার! হিয়ার! ঠিক বলেছ নির্মলদা।

    তপেনবাবু আহত চোখে তাকালেন অচেনা ছেলেটির দিকে।

    আজকাল ঘুষ নেওয়াটা এফিসিয়েন্সিরই লক্ষণ। এতে কোনো লজ্জা নেই। সততা কথাটা। রিলেটিভ তা মানেন তো। ত্রেতা যুগে যাকে সততা বলত দ্বাপরেও কি তাকেই বলে? আর কলি যুগে? ঘোর কলি এখন তপেনদা। দেখছেন না কার্তিক মাসে ভরা শ্রাবণ, আর শ্রাবণে খরা ছিল।

    লিফট এসে গেল। তপেনবাবু উঠলেন। নির্মলও উঠল।

    লিফট-এর অন্য যাত্রীরা ওঁদের কথোপকথন শুনছিলেন। সরকারি অফিসের লিফট-এ ঘুষ-ঘাষ নিয়ে চিকৃত আলোচনাতে কেউই বিচলিত নন দেখে তপেনবাবু নিজেই লজ্জিত হলেন। মুখ নামিয়ে চুপ করে রইলেন। ভাবলেন দিনকাল সত্যিই বদলে গেছে। না হলে কী আর পেঁয়াজ পঁচাশি টাকাতেও কেনার মানুষের অভাব নেই, না চিংড়ি মাছ পাঁচ-শো টাকাতে, পাঁঠার মাংস দেড়-শো টাকাতে। সঞ্চয়িতার সুদ যেন লাগাতার পেয়ে চলেছেন এখন অনেকেই, যাদের আয়ের উৎস এখনও শুকিয়ে যায়নি। অবসর নেওয়া আর বাঁধা-রোজগারের মানুষদেরই বিপদ। আর বেকারদের। চাকুরিজীবীদের মধ্যে যাদেরই আয়ের কোনো সূত্র আছে, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ঘুষ-ঘাষে সামিল হয়ে গেছে। আর সরকারেরাও হয়েছে তেমন, কী বড়ে সরকার, কী ছোটে সরকার। লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত বেকার যেখানে, সেখানে চাকরি যাদের আছে তাদের ডি এ বাড়ছে, অবসরের বয়সসীমা বাড়ছে, অন্যান্য নানা সুবিধাও বাড়ছে অথচ বেকারদের জন্যে নতুন চাকরির কথা ভাবাই হচ্ছে না। তারা চুরি-ডাকাতি করতে বাধ্য হচ্ছে। যারা তা করতে পারছে না তারা আত্মহত্যা করছে। মালটিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোকে আবারও মালিকানা পুরোপুরি ফিরিয়ে দেওয়াতে তারা সব মুনাফা যার যার দেশে নিয়ে যাচ্ছে, কম্পিউটার বসিয়ে কর্মচারী ছাঁটাই করছে। তারা ভবিষ্যতে আর দিশি কর্মচারী, উপরের স্তর ছাড়া, প্রায় নেবেই না বলতে গেলে। তারও পরে দেশে একটিমাত্র শিল্প, কুটির শিল্প, যা সচল আছে, তা। হচ্ছে সন্তান উৎপাদনের ইন্ডাস্ট্রি। নিজেরা খেতে পাই নাই পাই সন্তানদের খাওয়াতে পারি আর পারি, বছর বছর সন্তান জন্মাচ্ছে। আশ্চর্য। এখনও জন্মাচ্ছে। তপেনবাবুর হাতে ক্ষমতা। থাকলে বন্দুক দেখিয়ে সকলকে জন্মনিয়ন্ত্রণ করাতে বাধ্য করতেন। দেশটার ভবিষ্যৎ দিনকে। দিন অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে কিন্তু মাথা ব্যথা কার আছে? পঙ্কেই তো পঙ্কজ জন্মায়! যত দারিদ্র, যত অশিক্ষা, যত জনসংখ্যা, ততই তো ভোট বাড়বে। সব দলেরই পক্ষে দরিদ্র আর অশিক্ষিতের ভোট পেতেই তো বেশি সুবিধা! বিহার ভারতের অন্যতম অশিক্ষিত রাজ্য বলেই লালুপ্রসাদ যাদবের মতো নেতাকে সে রাজ্য ভগবান-জ্ঞানে পুজো করে।

    ভোট না পেলে ক্ষমতাতে থাকা যাবেই-বা কী করে! সব দলই সমান। দেশের-দশের ভালোর কথা আর কে ভাবে। ভাবে না কেউই তা নয়, কিন্তু দেশের-দশের ভালো করতে গেলে যে নিজের এবং নিজেদের দলের ভালো করা যায় না!

    এত কথা তপেনবাবু ভাবলেনই। অনেক ভাবনাই ভাবা যায় চোখের পলকে কিন্তু এসব কথা বলবেন কাকে?

    লিফট পৌঁছে গেল টপ-ফ্লোরে। অন্যান্যদের সঙ্গে তপেনবাবু আর নির্মলও নামলেন।

    কার কাছে যাবেন?

    নির্মল জিজ্ঞেস করল।

    শ্যামলের কাছে।

    কোন শ্যামল? শ্যামল সেনগুপ্ত?

    হ্যাঁ। ওর চাকরি তো আমিই করে দিয়েছিলাম।

    তপেনবাবু বললেন।

    মানে?

    মানে, ইন্টারভিউর সময়ে বড়ো সাহেবকে বলে পাশ করিয়ে দিয়েছিলাম। তখনও ইংরেজদের ট্রেইনড অফিসাররা সব ছিলেন। ইংরেজীতে ভালো না হলে, ইন্টারভিউতে পাশকরা অত সহজ ছিল না। প্রশ্নোত্তর সব চোস্ত ইংরেজিতেই হত।

    তা ঠিক। কিন্তু পরীক্ষাতে তো সেনগুপ্ত সাহেব পাশ করেইছিলেন। নইলে, আর ইন্টারভুটা পেলেন কী করে! ওই ইংরেজি ফুটিয়েই তো দেশটার এই হাল।

    সেকথা কি আমি অস্বীকার করেছি।

    তা হলে আর বলছেন কেন যে, আপনিই চাকরিটা করে দিয়েছিলেন।

    তুমি আমার সব কথাতেই অমন চটে যাচ্ছ কেন বলো তো নির্মল। তুমি তো আগে অমন ছিলে না। তুমি অনেকই বদলে গেছ দেখছি।

    আপনিও বদলে গেছেন দাদা।

    তপেনবাবু বিস্ময়ের গলাতে বললেন, তাই?

    তাই তো!

    করিডর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বলল, নির্মল।

    তপেনবাবু দাঁড়িয়ে পড়ে পকেট থেকে নস্যির ডিবেটা বের করে একটু নস্যি নিলেন। উত্তেজিত হলেই…

    ইস! এখনও নস্যি নেন? ঘাস্টলি হ্যাবিট। কোনো ভদ্রলোক নস্যি নেয় নাকি আজকাল?

    আমি কি ভদ্রলোক?

    আপনিই জানেন দাদা।

    না। আমি নিজেই জানি না। মাঝে মাঝে এই প্রশ্ন আমি নিজেও নিজেকে করি। আচ্ছা নির্মল, ভদ্রলোকের লক্ষণ কী কী বলতে পার?

    আপনি জীবনানন্দ পড়েছেন?

    জীবানন্দজি মানে, বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দমঠের জীবানন্দ?

    হাঃ। কোথায় জীবনানন্দ আর কোথায় জীবানন্দ।

    নির্মল বলল।

    তারপর জীবনানন্দ আবৃত্তি করল, আবহমানের ভাঁড় এসেছে গাধার পিঠে চড়ে।

    পড়েছি বই কী। আনন্দমঠ পড়ব না?

    তপেনবাবু বললেন।

    তারপর বললেন, আরে আমাদের বাড়িই যে ছিল বিপ্লবীদের বাড়ি। আমার বড়ো জ্যাঠামশায় তো ডিনামাইট দিয়ে ইংরেজদের রেল-লাইন ওড়াতেন। আন্দামানের সেলুলার জেলে নারকোল তেল পিষে পিষে আর চাবুকের বাড়ি খেয়ে খেয়ে পচে মরলেন। যদি কোনো দিন পোর্টব্লেয়ারে যাও তবে দেখে এসো। আমার বড়ো জ্যাঠামশাইয়ের নাম খোদাই করা আছে। মুকুন্দলাল রায়। গেলে, দেখবে অধিকাংশ নামই বাঙালির। অবশ্য পাঞ্জাবিও আছে বেশ কিছু। স্বাধীনতার জন্যে কী দামই না দিল বাঙালিরা আর পাঞ্জাবিরা, আর দ্যাখো, নেহরু সাহেব তড়িঘড়ি গদিতে বসার জন্যে বাংলা আর পাঞ্জাবকেই দু-টুকরো করে দিলেন।

    নির্মল মনে মনে বলল, সেনাইল হয়ে গেলে বড়ো বেশি কথা মানুষে। মুখে বলল, অবান্তর যত কথা ছাড়ুন তো! ওই সব মান্ধাতার আমলেরকথা। তা ছাড়া জওহরলাল নেহরু কি দেশ ভাগ একা করেছিলেন নাকি?

    বাঃ। তা কেন! জিন্নাসাহেবও ছিলেন। দুই সাহেব আর এক কৌপিন-পরা ভড়ংবাজে মিলে সর্বনাশ করল বাঙালি আর পাঞ্জাবির। জিন্না তো কোনো ভারতীয় ভাষাই জানতেন না। নেহরু খদ্দর পরলে কী হয়, মতিলাল নেহরুর নাতি, সেও তো ছিল সাহেবই.ইংল্যান্ডের হ্যারো স্কুলে পড়া, ভারতীয়ত্ব-বিবর্জিত, ভারতীয় নেতা। খদ্দর আর গান্ধী টুপি চড়ালেই কি সবাই ভারতীয় হয়ে যায় নাকি?

    এত তিক্ততা কেন আপনার তপেনদা? একটা কথা বলব? কিছু মনে করবেন না তো।

    নির্মল বলল।

    না। বলো।

    আসলে আপনারা পঞ্চান্নতেই রিটায়ার করে গেলেন। তারপর রিটায়ারমেন্টের বয়স হয়ে গেল আটান্ন। ডি এ বাড়ল অনেক। অল্পদিন আগেও বেড়েছে একবার। তা থেকেও বঞ্চিত হলেন। তাই এখন আমাদের একেবারেই সহ্য করতে পারছেন না আপনি, তাই না? ভাবছেন না কেন যে, আপনারা যে সস্তার দিনে পঞ্চান্ন বছর অবধি চাকরি করলেন সেই তো যথেষ্ট। এখন নাতি কোলে করে রোদে পিঠ দিয়ে বসে জম্পেস করে ধনেপাতা দিয়ে ফুলকপি খান। কেন ফালতু উত্তেজনায় ফাঁসছেন! তা ছাড়া আপনার একমাত্র ছেলে, সে তো হিরের টুকরো ছেলে, মালটিন্যাশনাল সাহেব কোম্পানিতে মস্ত বড়ো চাকরি করে শুনেছি। আপনার চিন্তা কী?

    তারপর বলল, বাড়ি করেছেন নাকি আপনি। বাঁশদ্ৰোণীতে। দোতলা?

    কে বলেছে? আমার কলিগদের মধ্যে যারা বাড়ি করেছে, তারা তো ঘুষের টাকাতেই করেছে। তুমিও জান তা, আমিও জানি। কেউ কেউ অবশ্য বাপের টাকাতেও করেছে। যেমন নিত্যানন্দ।

    আহা নিত্যানন্দ। কোথায় ছিল নিত্যানন্দ, জলে পেয়ে মাছের গন্ধ, নাচিতে লাগিল, নাচিতে লাগিল।দুকলি গেয়ে উঠল নির্মল। তারপর বলল, ঘুষ-ঘাষের চেয়ে বড়ো বাপ আজ আর কী আছে তপেনদা? বাবার মতো বাবা। সে বাবাই তো আসল ভরসা। নিজের বাপের ওপরে আজকাল আর কেউ ভরসা করে না।

    ছিঃ ছিঃ! তোমাদের মর‍্যাল ক্যারেকটার একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে নির্মল। ইড শুড বি অ্যাশেমড অফ ইওরসেলফ!

    আস্তে বলুন তপেনদা। এ বাড়ির ইটগুলোও হাসবে। সেই মোগল আমল থেকেই তো ঘুষ-ঘাষ চলে আসছে। ভারতীয় রক্তেই বইছে ঘুষ-ঘাষ। তার কত নাম। কৃষ্ণের শতনামেরই মতো। এও তো আমাদের অজন্তা, ইলোরা, কোনার্ক, বিষ্ণুপুরের মন্দিরের মতো এক হেরিটেজ। ন্যাশনাল হেরিটেজ।

    বলেই, নির্মল বলল, চললাম। দেখা হবে। প্লে কুল দাদা। অত উত্তেজনা ভালো নয়।

    বলেই, নিজের ঘরের পর্দার আড়ালে চলে গেল নির্মল। এক কাপ চা খাবেন কি না সে কথা জিজ্ঞেস পর্যন্ত করল না।

    এক্কেরই অসভ্য হয়ে গেছে ছেলেটা। ওর বড়ো ভাই বিমল কত সভ্য, সৎ এবং ভালো ছিল। আজকালকার ছোঁড়াগুলোই এমন।

    দুঃখ ভোলবার জন্যে আর একটিপ নস্যি নিলেন তপেনবাবু টিনের কৌটোটার ঢাকনি খুলে।

    দাঁড়িয়ে পড়ে, একটু ভাবলেন, মনে করার চেষ্টা করলেন, এই চার্জ-এর কমিশনার সাহেব কে? লিফট-এর দিকে পিছিয়ে গেলেন উনি। তারপর লিফটটা অতিক্রম করে ওদিকে গিয়ে।

    কমিশনারের নামের বোর্ডটা দেখলেন। নামটা দেখেই উত্তেজনা আরও বাড়ল। দাঁত কিড়মিড় করে নীচু গলাতে বললেন, শুয়ারের বাচ্চা। হারামি একটা। ডাকাত। আর একটিপ নস্যি নিলেন। এই কমিশনার এক নম্বরের ঘুষখোর, অসৎ, দুশ্চরিত্র। মর্কট একটা। নির্মলের নামে নালিশ করবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু এ লোকের সঙ্গে তাঁর একবার ফাটাফাটি হয়ে গেছিল। তাঁর ঘাড়ে বন্দুক রেখে মোটা মাল কামাবার ধান্দাতে ছিল শুয়োরটা। বাদ সাধার পর থেকেই মর্কটটা তপেনবাবুর পেছনে লেগে গেল। আজকাল বামুন, কায়েত, সোনার চাঁদ, সোনার টুকরো সবই সমান। হরে-দরে সব এক।

    শ্যামলের ঘরের দিকে ফিরে আসতে আসতে মনে পড়ে গেল কমিশনার আশু ব্যানার্জি এই টার্ম দুটো জয়েন করেছিলেন। সিডিউল কাস্ট আর সিডিউল ট্রাইবদের চাকরিতে ঢোকার সময়ে, উন্নতির সময়ে এরকম সুযোগ-সুবিধার কারণে ব্যানার্জি সাহেবের খুবই রাগ ছিল রিসার্ভেশানের উপরে। উনি বলতেন, চাকরিতে ঢোকার সময়ে সুবিধে পায় পাক, উন্নতির বেলাতেও কেন পাবে? তা ছাড়া চাকরিতে ঢোকার সময়ে সুবিধেও বা আরও কত বছর পাবে? পঞ্চাশ বছরেও কি যথেষ্ট হয়নি?

    কিন্তু তপেনবাবু বলতেন, একবার ভেবে দেখুন দেখি কত হাজার বচ্ছর আপনারা এই উচ্চবর্ণের মানুষেরা এদের চুষে এসেছেন। কোন সুযোগটা পেয়েছে এরা এতদিন।

    ব্যানার্জিসাহেব বলেছিলেন, যান। যান। যত্ত সব সোনার চাঁদ আর সোনার টুকরো। এরা কি এই বাড়তি সুযোগ-সুবিধে পেয়ে নিজেদের অবহেলিত নিপীড়িত স্বজনদেরও কোনো উপকার। করেছে? অধিকাংশই তো সিটি-লাইফে সামিল হয়ে গেছে। অনেকে অ্যাফিডেবিট করে নাম পর্যন্ত বদলে নিয়ে যাদের তারা ঘৃণা করে, সেই আমাদের আপার ক্লাস-এ উঠেছে। যেন, থ্রি টায়ার এ সি কম্পার্টমেন্টের ওপরের বাঙ্কে চড়ল।

    তপেনবাবু ব্যানার্জিসাহেবকে বলেছিলেন, এটা অন্যায় কথা বলছেন আপনি। এমন করে বলাটা অন্যায়।

    আশু ব্যানার্জি বলেছিলেন, আপনি তো মশায় কায়েত। আপনি বামুনদের দুঃখ কী বুঝবেন?

    তপেনবাবু কিছুই বলেননি। ভেবেছিলেন, ব্যানার্জিসাহেব মিছেই প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়েছেন, আধুনিক ইতিহাসে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়ে, কমপিটিটিভ পরীক্ষাতে বসে ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিস পেয়েছেন। আসলে শিক্ষিত বলতে যা বোঝায়, তা তিনি হননি।

    ২.

    শ্যামলের ঘরের সামনে বেশ ভিড়। অনেকই মানুষ বসে আছেন। বড়ো বড়ো অ্যাসেসি। মাড়োয়ারি, গুজরাটি, বাঙালি। ভাবলেন, দরজা ঠেলে ঢুকেই যাবেন। তারপরই ভাবলেন, না। ডিপার্টমেন্ট দ্রুত বদলে যাচ্ছে। বদলে গেছে। নির্মলের ব্যবহার তাঁকে বড়োই ব্যথিত করেছে। বহু বছর এই বিল্ডিংয়ে আসেননি উনি। শুধুমাত্র তাঁর কৃপাধন্য, তাঁর অনুরক্ত শ্যামল সেনগুপ্তর সঙ্গে দেখা করার জন্যেই এসেছেন আজকে। কী এমন ঘটল, যে পৃথিবীটা এতখানি বদলে গেল এই ক-বছরে। বাড়ি বসে এসব খবর তো তাঁর রাখার কথা নয়।

    তারপরেই ওঁর মনে পড়ল, রিটায়ারমেন্টের বয়স ষাট হয়ে গেছে আটান্ন থেকে। ওঁদের সময় তো ছিল মাত্র পঞ্চান্ন। সত্যিই কি তিনি ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়েছেন? নাকি আজকালকার ছেলেরা সকলেই নির্মলেরই মতো? দুর্বিনীত। অসভ্য!

    পরক্ষণেই ভাবলেন, নাঃ। দরজা ঠেলে ঢোকাটা বোধহয় উচিত হবে না।

    মনে পড়ে গেল, তিনি নিজে যখন হাকিম ছিলেন, তখন তাঁর কাছে রায়সাহেব যখনই আসতেন, স্লিপ পাঠাতেন তাঁর ঘরে। অতবড়ো নামী উকিল। ইচ্ছে করলে তিনি স্বচ্ছন্দে দরজা ঠেলে ঢুকে আসতে পারতেন। কিন্তু সবসময়েই কার্ড অথবা স্লিপ পাঠাতেন। এমন কেন করেন সেকথা বললে বলতেন আরে স্যার! আমি আমার স্ত্রীর ঘরেও স্লিপ দিয়ে ঢুকি। কার মেজাজ কখন কেমন থাকে, কে বলতে পারে। একটি সম্পর্ক গড়ে তুলতে লাগে বহু সময়। ভেঙে যেতে পারে তা। একমুহূর্তেই, দু-জনের কারোই বিনা দোষে এই ঝুঁকি নেবার দরকার কী?

    পিয়োন একটি স্লিপ দিল তপেনবাবুর হাতে। তপেনবাবু স্লিপে নাম না লিখে একটা কার্ড দিলেন। পুরোনো কার্ড। হলুদ হয়ে গেছে। ভেবেছিলেন, কার্ডটা পেয়েই শ্যামল দৌড়ে আসবে ঘরের। ভেতর থেকে। বলবে, আরে দাদা! আপনিও স্লিপ পাঠালেন? আসুন। আসুন। ভেতরে আসুন! তখন তপেনবাবু বলবেন, না, না। তুমি কাজ করছ, কাজ সেরে নাও। নাথিং শুড কাম বিফোর ওয়ার্ক ইন আ ম্যানস লাইফ।

    শ্যামল উত্তরে বলবে, তাতে কী? আমি কাজ করব, আপনি বসে থাকবেন ইজিচেয়ারে, চা-টা খাবেন। আমার কাছে এসে আপনি বাইরের বেঞ্চে বসে থাকবেন তা কী হয়! এই বিল্ডিংয়ের ক্যান্টিনে চমৎকার ছোলার ডাল আর লুচি করে। রসগোল্লাও। আপনি তো কখনো এখানে। পোস্টেড ছিলেন না। নাকি চাইনিজ দোকান থেকে চিংড়ি মাছ ভাজা আনিয়ে দেব? মুখটা শুকনো শুকনো লাগছে। কখন বেরিয়েছেন বাড়ি থেকে?

    উত্তরে তপেনবাবু বলবেন, আরে না, না। শুধু এক কাপ চা-ই খাব। এই বয়সে অসময়ে কি কিছু খাওয়া যায়, না খাওয়া উচিত?

    কিন্তু পিয়োন কার্ডটা ঘরে সেনগুপ্তসাহেবকে দিয়ে ফিরে এসে বলল, সাহেব ব্যস্ত আছেন। বসতে হবে। দেরি হবে। অন্য কাজ থাকলে সেরে আসতে পারেন। তপেনবাবু অবাক হয়ে বললেন, উনি কি আমার নামটা পড়েছেন?

    কে?

    মানে, সেনগুপ্তসাহেব?

    হ্যাঁ। হ্যাঁ। পড়বেন না কেন? দু-বার পড়েছেন।

    ও। তাই?

    আরও অবাক হয়ে বললেন তপেনবাবু। তারপর পিয়োনের বেঞ্চে বসে পড়লেন প্রায়ান্ধকার করিডরে। ভ্যাপসা গরম। যখন নিজে হাকিম ছিলেন তখন কখনো পিয়োনের বেঞ্চে বসেননি। নীচু বেঞ্চে বসে, সামনের করিডর দিয়ে যাওয়া-আসা করা মানুষদের অনেক উঁচু বলে মনে। হচ্ছিল। সত্যি উঁচুই। যাঁরা কৃপা করেন, তাঁরা কৃপাপ্রার্থীদের চোখে চিরদিনই উঁচু।

    পিওন বলল, একটু সরে বসুন। পাখাটা আমারই জন্যে।

    তপেনবাবু আহত হলেও বললেন, ও হ্যাঁ। তাই তো। সরে বসছি।

    ভাবলেন, তপেনবাবু যদি বড়ো অ্যাসেসি অথবা মান্যগণ্য উকিল হতেন তবে সে নিজে দাঁড়িয়ে উঠেই তাঁকে বসতে দিত। বকশিশ পেত যে! বকশিশ। বকশিশই তো এখন মান্যতার সবচেয়ে বড়ো চাবি।

    তপেনবাবু ভাবছিলেন, ভারতবর্ষ যখন স্বাধীন হল, তারই আগে আগে ভারতের বডোলাট সাহেব ইংল্যান্ডের রাজাকে একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন। সেই রিপোর্টে তিনি বলেছিলেন: We have done the worst in the field of education, because, we have given them (মানে ভারতীয়দের) education of letters but not of character.

    ক্যারেকটারই তো আসল! ক্যারেকটারই একটি জাতের সঙ্গে অন্য জাতের পৃথকীকরণের উপায়। যে জাতের, যে মানুষের চরিত্র নেই, তার বা তাদের কিছুমাত্রই নেই। তাদের শিক্ষাটা শিক্ষাই নয়। কিন্তু সে তো পঞ্চাশ বছর আগের কথা। গত পঞ্চাশ বছরে কী হল? আমরা কী করলাম!

    আবারও নস্যির কৌটোটা বের করলেন। আবারও বড়ো এক টিপ নস্যি নিলেন। দূরে হলেও ওপরে পাখাটা ঘুরছিল। একটু নস্যি তাঁর আঙুল থেকে উড়ে গেল পিয়েনের দিকে। তখন সে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে পাশের ঘরের অফিসারের পিয়োনের সঙ্গে উইম্বলডন-এর টেনিসের গ্রান্ড-স্ল্যাম নিয়ে উত্তেজিত আলোচনা করছিল। তপেনবাবু ভাবছিলেন, দেশে আসল সোশ্যালিজম এনেছে এই টিভি-ই। মহারাজা আর মোমফুলিওয়ালা, পোলো, গল্ক, আর ডাংগুলি সব বরাবর হয়ে গেছে।

    দেখতে দেখতে প্রায় আধ ঘন্টার বেশি সময় কেটে গেল। চারটে বাজতে চলল। পেনসান। তুলতেই আজ দেরি হয়ে গেছিল। তারপর লুঙ্গি কিনতে গেছিলেন গ্র্যান্ট স্ট্রিটে। লুঙ্গিগুলো সব ছিঁড়ে গেছে। তাঁর স্ত্রী কামিনী চলে যাবার পরে এসব তাঁর নিজেরই দেখতে হয়। বড়ো শখ ছিল কামিনীর, নিজস্ব একটি ছোট্ট বাড়ি হবে। ছোটো হলেও নিজের মনমতো রান্নাঘর, ঠাকুরঘর। আরও অনেক অন্য অতৃপ্ত শখের সঙ্গে সেই স্বপ্ন নিয়েই মাত্র তেপ্পান্ন বছর বয়সে সেরিব্রেল অ্যাটাকে চলে গেছেন কামিনী। এখন মনে হয় যে, গিয়ে বেঁচে গেছেন! এই পৃথিবীতে, এই শহরে, মানুষের পক্ষে ক্রমশই মানুষের মতো বেঁচে থাকাটা প্রায় অসম্ভবই হয়ে যাচ্ছে। মানুষের। চেহারার প্রাণীতে গিসগিস করে পৃথিবী। কিন্তু মানুষ নেই। মানুষ দেখাই যায় না আজকাল।

    তপেনবাবু ঠিক করলেন, এবার উঠেই পড়বেন। এরপর ট্রামে-বাসে-মিনিতে ভিড় বেড়ে যাবে। ড্যালহাউসিতে গিয়ে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে মিনির জন্যে। কী করবেন ভাবতে ভাবতে একসময়ে সত্যিই উঠে পড়লেন তপেনবাবু। শ্যামল সেনগুপ্তর কাছে তাঁর তো চাইবার কিছুই ছিল না। এসেছিলেন নেহাতই ভালোবেসে দেখা করার জন্যেই। শ্যামল প্রায় কুড়ি বছর দিল্লি বম্বেতে ছিল। এখানে ফিরেছে সেই খবর পেয়েই তপেনবাবু দেখা করতে এসেছিলেন। এমন অভ্যর্থনা পাবেন জানলে, হয়তো আসতেন না। দিল্লি-বোম্বেতে গিয়েই কি মানুষটা বদলে গেল?

    উঠে দাঁড়ালেন উনি। পিয়োনটি দেখল, কিন্তু কিছুই বলল না বরং খুশিই হল কারণ সাদামাটা পোশাক এবং ছেঁড়া জুতো পরা ঘর্মাক্ত তপেনবাবু চলে গেলে তারও পরে যেসব মানুষ এসেছেন তাদের সাহেবের ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া সহজ হবে ওর পক্ষে। কিছু রোজগারও হবে দিনশেষে। থাকলে, সাহেব হয়তো এই বুড়োকেই আগে ডাকতেন।

    উনি চলে যেতে যাবেন এমন সময়ে শ্যামলের ঘর থেকে হাসতে হাসতে বেরুল বৃদ্ধিচাঁদ আগরওয়াল। তাকে দেখেই চমকে উঠলেন তপেনবাবু। এই ধুরন্ধর লোকটা একবার নিজের অ্যাসেসমেন্ট রেকর্ডটা অফিস থেকে চুরি করাবার চেষ্টা করে তপেনবাবু চাকরি প্রায় খেয়ে দিয়েছিল। তখন উনি ইউ ডি সি। নম্বরি চোর লোকটা। সে করতে পারে না এমন কাজই নেই।

    অনেক হাকিমকে মেয়েছেলেও সাপ্লাই করে। এমন ব্যবসাদারেই এখন ছেয়ে গেছে দেশ, হয়তো এমনই হাকিমেও। এঁরা নিজেরাই নিজেদের উকিল। তখন যত বড়ো ব্যবসায়ী ছিল এখন আরও অনেকই বড়ো হয়েছে। ধুতি আর শার্ট পরত, এখন সুট পরেছে, ঝিনচ্যাক টাই।

    তপেনবাবুকে দেখে চিনতে পেরে একটু বিদ্রুপাত্মক হাসি হেসে বৃদ্ধিচাঁদ বলল, কেমোন আছেন স্যার? ভালো?

    দাঁত কিড়মিড় করতে করতে তপেনবাবু অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে বললেন, ভালো।

    ভালো থাকবেন কী করে স্যার? বুদ্ধি যে আপনার চিরদিনই কম ছিল।

    তপেনবাবু তার কথার উত্তর না দিয়ে ঝট করে নস্যির কৌটোটো বের করে আর এক টিপনস্যি নিলেন।

    ঘরের কলিংবেল বাজল। তপেনবাবু ঠিক করতে পারলেন না, শ্যামলের ঘরে ঢুকবেন কি ঢুকবেন না!

    পিয়োন ঘরে গেল। তারপরে বাইরে এসে বলল, আপনি যান শর্মাসাহেব।

    অপেক্ষমানদের মধ্যে একটি ছাতার কাপড়ের মতো কাপড়ের কালো সাফারি-স্যুট পরা ছোকরা উকিল ঢুকে গেল।

    তপেনবাবু থ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন।

    পিয়োন বলল, আপনাকে কি সাহেব সত্যিই চেনেন?

    অ্যাঁ?

    অন্যমনস্ক হয়ে গেছিলেন উনি।

    একটু তুলে বললেন, হ্যাঁ। হ্যাঁ। চেনেন বই কী!

    পরক্ষণেই নিজেকে শুধরে বললেন, চেনেন মানে, চিনতেন। একসময়ে চিনতেন। বলেই, লিফট এর দিকে পা বাড়ালেন মাথা নীচু করে।

    না। আর এখানে আসবেন না উনি। কোনোদিন না।

    ৩.

    আপনার হিরের টুকরো ছেলে আছে।

    নির্মল বলেছিল আজই, যখন ওর সঙ্গে দেখা হল।

    ঠিকই বলেছিল। হিরের টুকরো অবশ্যই কিন্তু সেই হিরের ছটার ছিটেফোঁটাও আসে না তপেনবাবুর দিকে। বড়োলোকের মেয়ে বিয়ে করে প্রায় ঘরজামাই হয়ে গেছে। সল্ট লেকে। শ্বশুরের করে-দেওয়া চমৎকার লনওয়ালা বাড়িতে থাকে। মাসে এক দু-বার ফোনে খোঁজখবর নেয়।

    বউমা নস্যি এবং লুঙ্গি একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। অথচ তপেনবাবুর আজীবনের অভ্যেস। বউমা আর তপেনবাবুর উত্তর কলকাতার গলির ভাড়া বাড়িতে আসেনই না। তপেনবাবু নিজেই যেতেন সল্ট লেকে আগে সপ্তাহে একবার করে। রিলিজিয়াসলি। কিন্তু এখন প্রায় যানই না বলতে গেলে। বোঝেন যে, তিনি সেখানে বাঞ্ছিত নন।

    তপেনবাবুর বহুদিনের পুরোনো কাজের লোক প্রহ্লাদ। তারও বয়স হয়েছে। কামিনীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হবার পর থেকেই সে আছে। বলতে গেলে, আত্মীয়ের চেয়েও বেশি হয়ে গেছে। তপেনবাবুর একমাত্র সন্তানকে কোলে-পিঠে করে সেই বড়ো করেছে। হাঁপানি ছিল বলে কামিনী ভারী কাজ করতে পারতেন না। প্রহ্লাদেরও এক ছেলে। ওরা শিডিউলড কাস্ট। প্রহ্লাদের ছেলে রাম পড়াশুনা করে ভালো সরকারি চাকরি পেয়েছে। তাঁর ছেলে-বউ আর চায় না যে বৃদ্ধ প্রহ্লাদ তপেনবাবুর বাড়িতে কাজ করুক। ছেলে বলেছে, সারা জীবনই তো অনেকই কষ্ট করেছ আমার জন্যে।–ও নেই আমার। একমাত্র তুমিই আছ। আমাদের তুমিই মালিক। প্রহ্লাদের বউমাও নাকি তাই-ই বলেছে। ওরা ওড়িয়া। বউমার বাড়ি ওড়িশার অংগুলে। কটক ডিস্ট্রিক্ট-এ। বাবা, মানে প্রহ্লাদের বউমার বাবা, খুবই বড়ো ব্যবসায়ী সেখানকার। আর প্রহ্লাদের দেশ ছিল। ময়ূরভঞ্জের বেতনুটীতে।

    প্রহ্লাদ এবং তার ছেলে জানকীবল্লভও প্রহ্লাদকে নিয়ে যাওয়াটা স্থগিত রেখেছে বহুদিন শুধুমাত্র তপেনবাবুরই মুখ চেয়ে। আর পারবে না। জানকীবল্লভের সরকারি ফ্ল্যাট সল্ট লেকে। সেখানেই নিয়ে যাবে প্রহ্লাদকে ছেলে জানকীবল্লভ আগামী মাসের পয়লা তারিখে। গাড়ি নিয়ে আসবে। বলেছে, সেদিন সকালেই।

    এদিকে তপেনবাবুর বাড়িওয়ালা বহু বছর ধরে মুখে অনরোধ করার পরে নোটিশ দিয়েছেন।

    তপেনবাবুকে। উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করে জেনেছেন যে তাঁর কেস খুবই খারাপ। লড়ে কোনো লাভ নেই। তার চেয়ে দয়াপরবশ হয়ে ভদ্রলোক বাড়িওয়ালা পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে চেয়েছেন, তাই নিয়েই তপেনবাবুর খুশি থাকা উচিত। সবই বোঝেন তপেনবাবু কিন্তু করেনটা কী? অনেকই ভেবেছেন কিন্তু…

    অপরেশ, তার তাসখেলার বন্ধু বলছিল, মধুপুরে একটা ওল্ড-এজ হোম হচ্ছে। বাড়ি নাকি প্রায় তৈরিই হয়ে গেছে। এক লাখ টাকা দিতে লাগবে থোক। আর মাসে মাসে আড়াইশো করে। অসুবিধের মধ্যে একটাই যে, বড়ো অসুখ হলে ওখানে ডাক্তার-বদ্যি বিরল।

    তপেনবাবু সিরিয়াসলি ভাবছেন। মরে গেলেই তো বেঁচে যান। কলকাতার ডাক্তারদের হাতের গিনিপিগ হয়ে মরবার চেয়ে শান্তিতে বিনা-চিকিৎসাতে নির্জনে মরাই ভালো। ভাবছেন, অপরেশের সঙ্গে কালই দেখা করবেন। কিন্তু কলকাতা ছেড়ে যে থাকেননি কোথাওই। তা ছাড়া ছেলেটা…

    যখন সূর্য, তপেনবাবুর ছেলে, ছোটো ছিল, দুপুরের টিফিনের পয়সা পর্যন্ত জুটত না তপেনবাবুর। স্ত্রী কামিনী বলতেন, ছেলেকে ভালো শিক্ষা দেওয়াটা জরুরি। আমাদের বঞ্চিত করেও এটা করা আমাদের কর্তব্য। কামিনীরই এক আই এ এস দূরসম্পর্কের মামাকে ধরে সূর্যকে লা-মার্টিনিয়ার স্কুলে ভরতি করেছিলেন কামিনী।

    সেই স্কুলের যেমন মাইনে, তেমনই খরচ। কামিনী রোদে-জলে দু-বার বাস বদলে ছেলেকে স্কুলে দেওয়া-নেওয়া করতেন। বড়োলোকের ছেলেরাই পড়ে ওই স্কুলে। বড়োলোকের ছেলে যে সবাই বড়োলোকের ছেলেদের কাছ থেকে, ইংলিশ-মিডিয়াম স্কুল থেকে, ভালোর সঙ্গে খারাপও কম পায়নি সূর্য। নিজের ভালোটা কী করে করতে হয়, নিজের স্বার্থ কী করে নির্বিঘ্ন করতে হয় কী। করে জিততে হয়, বাইহুক অর বাইকুক তা অবশ্যই শিখেছিল কিন্তু মধ্যবিত্তের বিবেক নষ্ট হয়ে গেছিল। সেই থেকেই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর ওপরে বড়ো রাগ তপেনবাবুর। ওইসব স্কুলের অধিকাংশই শিকড়হীন স্বয়ম্ভই তৈরি করে, দেখেছেন তিনি। বড়োলোক তৈরি করে, বড়ো মানুষ কমই তৈরি করে।

    বাইরে বেরিয়ে দেখলেন অনেকই দেরি হয়ে গেল তাঁর। পথের আলো জ্বলে উঠেছে। দু-পাশের অফিস ও দোকানেরও। অনেকখানি হেঁটে পৌঁছোতে হবে বিবাদী বাগের মিনিবাসের টার্মিনাসে। ওখানে না গেলে বসার জায়গা পাবেন না। ডায়াবেটিসে পা-দুটো দুর্বল হয়ে গেছে। দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না বেশিক্ষণ। হাঁটতেও পারেন না স্বচ্ছন্দে।

    চারদিকে লোক। একেবারে জনারণ্য। দশ বছর আগেও অফিসপাড়ার চেহারাটা এরকম ছিল না। পথ চলতে ধাক্কা লেগে যায় গায়ে গায়ে। মুখে রং-মাখা, উৎকট গন্ধমাখা দেহপসারিণীদের ভিড়। ফুচকা, ভেলপুরী, আলুচাটের ফিরিওয়ালা আর স্মাগলড জিনিসের অবাঙালি। ফিরিওয়ালাদের ভিড়। পুরো কলকাতা শহরটাই যেন বাঙালিদের হাত থেকে কেড়ে নিয়েছে অন্যেরা। ফুটপাথে হাঁটাই দায়। তপেনবাবুর মনে হল, নেহাতই দায়ে না পড়লে এই শহরের পথে আজকাল আর কেউই সম্ভবত বেরোয় না। কী হেঁটে, কী গাড়িতে!

    দাঁড়িয়ে পড়ে, আবারও একটিপনস্যি নিলেন উনি।

    তুমুল গোলমালের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ পথ চললেন। কোথায় যাচ্ছেন বা যাবেন ঠিক করেছিলেন তা যেন ভুলে গেলেন। চারদিকে বড়োই গোলমাল।

    তাঁর ছেলেবেলার গ্রামের হাটেও গোলমাল হত কিন্তু গ্রামের হাটের গোলমাল, ধুলোর গন্ধ, সর্ষের তেলের খোলের গন্ধ, গোরু-ছাগল-হাঁস-মুরগির গায়ের গন্ধর সঙ্গে শুকনো লঙ্কা, তেলে ভাজার আর তালের বড়ার গন্ধ মিশে গিয়ে একরকম ঘোর লাগত। অত গোলমালের মধ্যেও ধুলো-পা। খেটো-ধুতি আর ছিটের ভেঁড়া-শার্ট-পরা নবীন কিশোর ডাকত বাবা-আ-আ! তুমি কোথায় গেলে?

    অন্য মানুষের কিশোর পুত্রর সেই বাবা ডাকে সেদিনও অবিবাহিত তপেনবাবুর বুকের মধ্যেটা মথিত হয়ে যেত। বাবা না-হয়েও তিনি বুঝতে পারতেন, বাবা হওয়ার আনন্দ ও গর্বর কথা। তখন বাবা হওয়ার কষ্টটার কথা একেবারেই জানতেন না। আশ্চর্য!

    এ কী! এ কোথায় চলে এলেন উনি। কিছুই যে চিনতে পারছেন না? পথ, দু-ধারের আলো-জ্বলা দোকানপাট, নাঃ। কিছুই নয়। তিনি কোথা থেকে এলেন আর কোথায় যাবেন তাও মনে করতে পারছেন না। একেবারেই না। তিনি কে? তাঁর কী নাম, তাঁর ঠিকানাকী? না? তাও নয়। অথচ তিনি তবু চলতে লাগলেন। ঘাস-বিচালি-ঘাস। ঘাস-বিচালি-ঘাস।

    কিন্তু ভারি এক শান্তি বোধ করছেন এখন। মাথাতে আর কোনো চিন্তা নেই, বুকে নেই কোনো অভিমান, অপমান। কোনো ঠিকানাতে, কোনো বিশেষ গন্তব্যতে যাওয়ার কর্তব্য নেই। সব যাওয়া-আসার, দেওয়া-নেওয়ার দায় থেকেই তাঁর ছুটি হয়ে গেছে যেন। তাঁর ওপরে দাবিও নেই কারোই কিছুমাত্রই। তাঁরও দাবি নেই কারো ওপরে। কোনো ব্যাপারেই তাড়াহুড়ো করার আর বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই। কোনোরকম টেনশানই নেই তাঁর। নস্যি নেওয়ার তাগিদও আর কোনোদিনই বোধ করবেন না যেন উনি।

    এমন সময় উলটোদিক থেকে আসা এক মহিলা বললেন, আরে। মৃগাঙ্কদা না আপনিই খড়গপুরের?

    তপেনবাবু কিছু না বলে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইলেন তাঁর দিকে। তাঁর কোনো নাম আদৌ ছিল কি? মৃগাঙ্কও হতে পারতেন। হয়তো মৃগাঙ্কই তাঁর আসল নাম। খুবই মনে করার চেষ্টা করতে লাগলেন তাঁর নিজের নামটা কী ছিল? মৃগাঙ্ক হলে বেশ হত।

    কিন্তু ভদ্রমহিলা অপ্রতিভ হয়ে চলে গেলেন উলটো দিকে। ওঁর আর কোনো বিশেষ নাম নেই। তিনি আর কোনো নাম্বারি জীব নন আর এই পৃথিবীর জেলখানার।

    উজ্জ্বল আলো-জ্বলা সামনের পানের দোকান থেকে একটি কমবয়সি ছেলে বলল, এই যে তপেনদা! কেমন আছেন?

    তপেনদাটা কে? তিনি বুঝতে পারলেন না। ছেলেটিকেও চিনতে পারলেন না। কোনোদিন দেখেছেন বলেও মনে পড়ল না।

    ছেলেটি পান হাতে করে দৌড়ে কাছে এসে বলল, কী হল? চিনতেই পারছেন না দেখি। আমি শেখর। পাশ করেছি ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দাদা।

    কোন ডিপার্টমেন্ট? কোন পরীক্ষা? কে শেখর? কিছুই বুঝতে পারলেন না উনি। ছেলেটির উচ্ছ্বাস সাগরপারের ফেনার মতো মরে গেল। অপ্রতিভ মুখে সরে গেল সে।

    ভারি শান্তি এখন। দীর্ঘদিন আগে চাকরি থেকে অবসর নেবার পর থেকে এত শান্তি আর কখনোই বোধ করেননি। অবসর যে নিয়েছেন, কোনো বিশেষ চাকরি যে করতেন, সেসব কথাও তাঁর মনে নেই আর। ভারি চমৎকার স্নিগ্ধ এক ভাব এখন তাঁর মস্তিষ্ক ঘিরে। ভারহীন, মান-অপমানহীন,। সবরকম চিন্তাভাবনাহীন এখন তিনি।

    হঠাৎই তাঁর কানের কাছে কে যেন বলল, আবহমানের ভাঁড় এসেছে গাধার পিঠে চড়ে।

    কে বলল?

    মনে পড়ছে না কিছুতেই। কে যেন বলেছিল এই পংক্তিটি কিছুক্ষণ আগে, মনে পড়ল।

    কিন্তু কে?

    কেন যে মনে পড়ল তাও বুঝতে পারলেন না। কিন্তু পংক্তিটি পড়ল মনে। কার লেখা কবিতা? কে জানে।

    একটা ট্রাম আসছে। ঢং ঢং করে ঘন্টা বাজিয়ে। তার সামনের আলোটা জ্বলছে রক্তকরবীর

    রাজার ঘরের বাইরের লাল আলোর মতন। কী করে এমন লাল হল! এক পা এক পা করে তপেনবাবু এগিয়ে যেতে লাগলেন তাঁর সমস্ত অতীত বয়ে নিয়ে এগিয়ে আসা সেই টং-টং করে ঘন্টা-বাজানো শ্লথগতি ট্রামটির দিকে–যেদিকে তাঁর নিয়তি তাঁর হাতে হাত রাখবে বলে দাঁড়িয়ে আছে।

    আবারও কার যেন উচ্চারিত সেই পংক্তিটা মাথার মধ্যে অনুরণ তুলল, আবহমানের ভাঁড় এসেছে গাধার পিঠে চড়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচম্পাঝরন – বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article মহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }