Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছোটদের কল্পবিজ্ঞানের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উল্কা ও ষষ্ঠীচরণ

    ষষ্ঠীচরণ পায়চারি করছিল। আর পায়চারি করতে বেশ ভালোও লাগছিল তার। তবে কাজটা যত সহজ শোনাচ্ছে ততটা নয়। আসলে সে পাহারায় আছে। পায়চারি করতে করতে তাকে বিশেষ নজরও রাখতে হচ্ছে। তার ওপর বহু মানুষের মরন—বাঁচন নির্ভর করছে। একটু ভুলচুক হলেই বা নজরদারিতে গাফিলতি ঘটলেই অতি বিপর্যয় কাণ্ড ঘটে যাবে।

    তার কানে হেডফোন লাগানো আছে। ঘ্যানাবাবু হচ্ছেন অপারেশন ম্যানেজার। ফোনে হঠাৎ তাঁর হেঁড়ে গলা শোনা গেল, বলি, ওহে ষষ্ঠীচরণ, ঘুমিয়ে পড়োনি তো!

    আজ্ঞে না স্যার, দিব্যি জেগে আছি।

    হুঁশিয়ার থেকো হে, উল্কাটার মতিগতি খুব ভালো ঠেকছে না। ব্যাটা চাঁদের পিছনে ঘাপটি মেরে আছে বলে মনে হচ্ছে। দূরেই আছে এখনও, তবে যেকোনো সময়ে এসে পড়তে পারে।

    চিন্তা করবেন না স্যার, আমি নজর রাখছি।

    তুরপুনটা রিলিজ করার সময় হলেই তোমাকে সিগন্যাল দেবো। ভগবানের নাম করে ছেড়ো হে, বড্ড সাবধানে কাজ করতে হবে।

    যে আজ্ঞে, শুধু একটা কথা স্যার।

    কথা! কী কথা বলে ফেল।

    আজ্ঞে, আমার প্রমোশনটা অনেকদিন আটকে আছে।

    আরে, ওসব নিয়ে ভাবতে হবে না। তুমি আগে রাক্ষসটাকে তো আটকাও। কাজটা উদ্ধার হলে বরদাবাবু খুশি হবেন। তখন তোমারও হিল্লে হয়ে যাবে।

    যে আজ্ঞে।

    ষষ্ঠীচরণ ফের পায়চারি করতে থাকে। অন্যমনস্ক হলে চলবে না। ঘুম পেলে চলব না। ভুলচুক হলে চাকরি যাবে। ষষ্ঠীচরণ গরিব মানুষ, চাকরি গেলে খুব সমস্যার পড়ে যাবে। আর সেইজন্য সে পায়চারির গতিবেগ বাড়িয়ে দেয়।

    অসুবিধের ব্যাপার হল, সে পায়চারি করছে মহাশূন্যে একটা বিশাল কৃত্রিম স্যাটেলাইটের পিঠের ওপর। কোমরে অবশ্য ধাতব দড়ি বাঁধা আছে স্যাটেলাইটের সঙ্গে। ছিটকে যাওয়ার ভয় নেই। আর পায়ে আছে বিশেষ ধরনের সোলওয়ালা জুতো যাতে পা স্যাটেলাইটের সঙ্গে সেঁটে থাকে। স্যাটেলাইটের ওপর একটা মাউন্ট করা হারপুন। হারপুনের ডগায় ওয়ারহেড লাগানো। এই অস্ত্র দিয়েই নচ্ছার উল্কাটাকে টিট করতে হবে। ষষ্ঠীচরণ খুবই ভালো তিরন্দাজ। উল্কাটার গতিবিধি কিছু বিচিত্র বলে শুধু যন্ত্র দিয়ে লক্ষ্যভেদের ওপর নির্ভর না করে ষষ্ঠীচরণকে ডাকা হয়েছে। হারপুনটা যন্ত্রের সাহায্যেই নিক্ষেপ করা হবে বটে, তবে ষষ্ঠীচরণ প্রয়োজনে যন্ত্রটাকে সাহায্য করবে।

    কানে লাগানো ফোনে তার গাঁ মুকুন্দপুর থেকে মায়ের গলা পাওয়া গেল। ও বাবা ষষ্ঠীচরণ, কখন থেকে আকাশে ঝুলে আছিস বাবা, বলি কিছু খেয়েছিস? পেটে দানাপানি কিছু পড়েছে?

    হ্যাঁ মা, এরা বেশ ভালো খাইয়েছে। মাংস, ভাত, রসগোল্লা।

    তবে যে শুনি, আকাশে নাকি পাতের ভাত মাছ সব পাত ছেড়ে উড়ে উড়ে বেড়ায়। খেলি কী করে?

    সে অনেক ব্যবস্থা আছে। টিউবে করে খাবার দেয়। টুথপেস্টের মতো টিপে টিপে বের করে খেতে হয়।

    ও আবার কীরকম অলক্ষুণে খাওয়া?

    সেই খাওয়া খুব মজার, গিয়ে সব বলব’খন।

    তা হ্যাঁ বাবা ষষ্ঠী, কতটা ওপরে উঠেছিস বল তো!

    সে অনেক ওপরে মা, কয়েক শো মাইল তো হবেই।,

    ও বাবা, তাহলে স্বর্গের কাছাকাছিই হবে বোধ হয়। তা ওখান থেকে স্বর্গের বাগান—টাগান দেখা যায়? শিব, দুগ্গা কাউকে দেখলি বাবা? দেখলে পেন্নমা—টেন্নাম করিস। আর আমাদের দুঃখ—দুর্দশার কথাও একটু জানিয়ে রাখিস।

    স্বর্গ বোধহয় আরও পরের দিকটায় হবে। ঠিক আছে ঠাকুর—দেবতা কাউকে দেখলে বলব’খন।

    দেখিস বাবা, পা পিছলে পড়ে—টড়ে যাসনি। অত ওপর থেকে পড়লে হাত—পা ভাঙবে।

    না মা, পড়ার কোনো ভয় নেই, তুমি নিশ্চিন্তে ঘুমোও।

    দুর্গা দুর্গা। তা সেই মুখপোড়া উল্কাটা কি এখনও আসেনি?

    না মা, তবে এল বলে, আর দেরি নেই।

    মাকে বেশি জ্ঞান দিয়ে লাভ নেই। মা জানে আকাশের ওপর দিকটায় স্বর্গ। প্রকৃত আকাশ কি বস্তু তা মা জানে না, জেনে আর দরকারও নেই।

    উদবিগ্ন মুখে আকাশের দিকে চেয়ে ষষ্ঠীচরণ উল্কাটার গতিবিধি নজরে আনার চেষ্টা করছিল। চাঁদটা খুবই কাছে। মাথার ওপর এত স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যেন হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায়। আর বিরাট বড়োও লাগছে চাঁদকে।

    হঠাৎ তার কানে লাগানো ফোনে একটা বাজখাঁই গলা একেবারে ফেটে পড়ল, বলি ষষ্ঠীচরণ, শুনলুম দেনার দায়ে জেরবার হয়ে এখন ফাঁকি দেওয়ার তালে আকাশে গিয়ে গা—ঢাকা দিয়েছো। ওতে কিন্তু ভবী ভোলবার নয়। চিরকাল তো আর ঝুল খেয়ে থাকতে পারবে না বাবা। ত্রিশ হাজার টাকার দেনা এখন সুদে—আসলে গিয়ে তেষট্টি হাজার সাতশো বাহাত্তরে দাঁড়িয়েছে। এক মাসের মধ্যে শোধ না দিলে ঘটি—বাটি চাটি করে ছাড়ব। বুঝেছো?

    ষষ্ঠীচরণ খুব বুঝেছে। বিগলিত ভাব দেখিয়ে ভারি বিনয়ের সঙ্গে বলল, ভাববেন না নগেনবাবু, টাকাটা ঠিকই দিয়ে দেবো। কয়েকটা দিন একটু অসুবিধের মধ্যে আছি। কাঁচা বাড়িতে মা—বাবার বড্ড অসুবিধে হচ্ছিল বলে বাড়িটা পাকা করতে হল কিনা।

    মনে রেখো বাপু, জমির দলিল আমার কাছে বাঁধা রেখেছো, টাকা ঠিকমতো শোধ না দিলে জমি নিয়ে নেবো। এখন আইন বহুৎ কড়া।

    যে আজ্ঞে, জমি গেলে আমরা খাবোই বা কী বলুন!

    আকাশ থেকে নেমে তো এসো, তারপর মজাটা টের পাবে।

    নগেনবাবুর কথা শেষ হতে—না—হতেই হরিপদ সাহার ফোন।

    বলি ও ষষ্ঠী, আকাশে উঠে কি হাতে চাঁদ পেয়েছো নাকি হে? আমার দোকানে কত বাকি ফেলেছো জানো? দু—হাজার তিনশো তেইশ টাকা, বুঝলে? আর বাপু, ধারবাকিতে মাল দেওয়া আমার পোষাবে না বলে দিলুম পষ্ট করে। আমার সাফ কথা, ফেলো কড়ি মাখো তেল।

    ভারি কাকুতিমিনতি করে ষষ্ঠীচরণ বলে, আর দুটো দিন সবুর করুন হরিপদবাবু, আমি ফিরে গিয়েই ধার মিটিয়ে দেবো। বাকিতে মাল না দিলে যে আমার বুড়ো বাপ—মা না খেয়ে মরবে।

    না বাপু, আমিও ছাপোষা মানুষ, মুদির দোকান থেকেই আমারও সংসার চালাতে হয়। আর বাকিতে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

    আর তিনটে দিন হরিবাবু, দেখতে দেখতে কেটে যাবে, এলুম বলে।

    দেখো বাপু, কথার নড়চড় না হয়।

    মনটা বড়ো খারাপ হয়ে গেল ষষ্ঠীচরণের। মা—বাপ আর ভাই ও বোনদের সে বড়ো ভালোবাসে। কিন্তু তারা বড়োই গরিব। সে মহাকাশ গবেষণাগারের সামান্য টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট। সামান্য বেতনে সংসার চালাতে পারে না। সে ক্রস বোতে তিরন্দাজি শিখেছিল এক সাহেবের কাছে। তাতে একসময়ে তার একটু নামও হয়েছিল।

    কিছুদিন আগে আকাশের এক কোণে একটা বড়োসড়ো উল্কার সন্ধান পায় মার্কিন আর রুশ বিজ্ঞানীরা। হিসেব—নিকেশ করে দেখা গেছে সেটা পৃথিবীতে এসে পড়বে। এবং পড়বে ভারতবর্ষেরই কোথাও। কিন্তু মার্কিনীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখন খুব খারাপ বলে উল্কাটাকে মহাকাশে অনেক দূরে ধ্বংস করে দেওয়ার ব্যাপারে মার্কিনীরা মোটেই গা করেনি। কিন্তু বহু দূরে রকেট পাঠিয়ে উল্কাটাকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার টেকনোলজি মার্কিনী ছাড়া আর কারও নেই। রুশরা একসময়ে ভারতের বন্ধু ছিল বটে, কিন্তু ইদানীং তারা ব্যবসা—বাণিজ্যে লক্ষ্মী লাভ করে সুখে—স্বচ্ছন্দে আছে। মহাকাশ নিয়ে চর্চাতেও তারা বিশেষ আগ্রহী নয়। তবে ভারত গরিব দেশ হলেও মহাকাশ গবেষণায় খুব একটা পিছিয়ে নেই। সুতরাং তারা নিজেরাই এই বিপদ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে তাদের আন্তর্জাতিক মহাকাশ দূষণ দফতর থেকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছে যে উল্কাটা ধ্বংস করতে তারা যেন বিস্ফোরক ব্যবহার না করে। কারণ মহাকাশে এখন কয়েক হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর চারদিকে নানা উচ্চচতায় ঘুরপাক খাচ্ছে। বিস্ফোরকে তাদের ক্ষতি হতে পারে। তাই আপাতত শক্তিশালী হারপুন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবং কম্পিউটার দিয়ে তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এই যন্ত্র ব্যবহারের সবচেয়ে উপযুক্ত লোক ষষ্ঠীচরণ। কারণ সে ক্রস বো তিরন্দাজিতে খুবই পাকা।

    আর সেজন্যই ষষ্ঠীচরণ আজ মহাকাশে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিযুক্ত। কিন্তু ষষ্ঠীচরণ বারবারই অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছে। বড়ো অনটনের সংসার। এ কাজটা সফলভাবে করতে পারলে হয়তো তার প্রমোশনটা হবে। কিছু পুরস্কারও পাওয়া যেতে পারে। বাড়ি বাবদ কুড়ি লাখ টাকা ব্যাঙ্কের ধার খানিকটা যদি শোধ দেওয়া যায়। তার চারদিকেই শুধু পাওনাদার।

    কানে লাগানো ফোনে অরোরা সাহেবের গলা পাওয়া গেল, আরে এই বুরবক ষষ্ঠীচরণ, তু কিয়া খোয়াব মে হো? আরে উও খতরনাক মিটিওর তো তুরন্ত আ রাহা হ্যায়। গেট রেডি ম্যান।

    ষষ্ঠীচরণ তাকিয়ে দেখে সত্যিই চাঁদের পিছন থেকে বেশ বড়ো একটা মেটে সোনালি রঙের গোলা ছুটে আসছে। তীব্র গতি। একটু বাদেই সেটা পৃথিবীর আবহমণ্ডলে ঢুকে জ্বলে উঠবে। তারপর সোজা গিয়ে মধ্যভারতের কোথাও আছড়ে পড়ে বিশাল এলাকা ধ্বংস করে দেবে। হারপুন ঠিকমতো গেঁথে দিতে পারলে ওটার মাথায় যে একটা ওয়ারহেড লাগানো আছে তাতে সোনিক বুম সৃষ্টি হয়ে উল্কাটিকে বহু খণ্ডে টুকরো করে দেবে। আর সেই টুকরোগুলো পৃথিবীতে পড়ার আগেই আবহমণ্ডলের সঙ্গে সংঘর্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।

    ষষ্ঠীচরণ তার হারপুন ঘুরিয়ে তৎপর হল। এখন একটু অন্যমনস্ক হলেই সর্বনাশ।

    উল্কাটা এত দ্রুত আসছে যে লক্ষ্য স্থির করাই কঠিন। ষষ্ঠী হারপুনে শুয়ে টেলিস্কোপিক ভিউ ফাউন্ডারে চোখ রেখে একটু অবাক হয়ে গেল। উল্কাটা সাধারণ জিনিস নয়। ঠিক অপরিশোধিত সোনার মতো পাটকিলে সোনালি রং। আড়েদীঘে প্রায় সিকি কিলোমিটার তো হবেই।

    ষষ্ঠীচরণ খুব ঠান্ডা মাথায় দূরত্বটা মেপে নিল। তারপর অপেক্ষা করতে লাগল। সে জানে সরাসরি বস্তুটাকে লক্ষ করে রিলিজ বাটন চাপলে কাজ হবে না, কারণ হারপুন গিয়ে লাগবার আগেই উল্কা জায়গাটা পেরিয়ে যাবে। সুতরাং হারপুন ছাড়তে হবে কয়েক সেকেন্ড আগে উল্কার সম্ভাব্য গতিপথের দিকে তাক করে।

    কানে লাগানো ফোনে একটা মিঠে গলা শোনা গেল, রামরাম ষষ্ঠীবাবু, ভালো আছেন তো! তবিয়ৎ তন্দুরস্ত আছে তো! বলছিলাম কী, আপনাকে আমি তিন লাখ রুপিয়া দিব, আপনি উল্কাটাকে ছোড়িয়ে দিন।

    ষষ্ঠী অবাক হয়ে বলে, সে কী! কেন বলুন তো!

    হামার ঝুনঝুনওয়ালা ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা এখুন খারাপ যাচ্ছে। ক্যালকুলেশন করে দেখলাম উল্কাটা যেখানে এসে পড়বে সেখানে হামার দশটা গো—ডাউন আছে। গো—ডাউনের সব মাল সরিয়ে নিয়ে তিন ক্রোর রুপিয়ার ইনসিওরেন্স করিয়ে দিয়েছি। উল্কাটা পড়লে হামার কিছু সুবিধা হবে। আপনার ওয়ান পারসেন্ট।

    ষষ্ঠী নিবিষ্ট চোখে উল্কাটাকে লক্ষ করতে করতে বলল, ঝুনঝুনবাবু আপনি কি জানেন যে, আপনি খুব খারাপ লোক?

    হাঁ হাঁ, কিঁউ জানব না! সবাই জানে, কিন্তু ভগওয়ানই তো আমাকে ভি পয়দা করেছেন। খারাপ লোকেরও কি দরকার নাই ষষ্ঠীবাবু? খারাপ লোকরাও তো সোসাইটিকে সারভিস দিচ্ছে, ঠিক কিনা বলুন?

    উল্কাটা ভয়ংকর গতিবেগে চাঁদ পেরিয়ে চলে আসছে। ষষ্ঠী দাঁতে দাঁত পিষে ফোনটা অফ করে দিয়ে একাগ্র হল। গতিপথটা অনুমানে স্থির হয়ে নিয়ে ক্যালকুলেশন করতে লাগল, সবটাই তার নিজস্ব পদ্ধতিতে। তিরন্দাজ হিসেবে তার পক্ষে যতটা সম্ভব নির্ভুল একটা দূরত্ব স্থির করে সে হারপুনের ট্রিগার টিপে দিল। একটা তীব্র ঝাঁকুনি দিয়ে মসৃণ গতিতে হারপুনটা বেরিয়ে গেল নিক্ষেপ যন্ত্র থেকে।

    উৎকণ্ঠায় কাঠ হয়ে চেয়ে রইল ষষ্ঠীচরণ, রুপোলি রঙের বিশাল লম্বা হারপুনটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। কালো আকাশ চিরে ছুটছে বিদ্যুতের গতিতে। ওদিক থেকে মেটে সোনার রঙের উল্কাটাও আসছে ভয়ংকর গতিতে। লাগবে তো! হে ভগবান! ক্যালকুলেশন যথাসাধ্য নির্ভুলই হয়েছে বলে তার ধারণা। কিন্তু ….

    হারপুনটা লাগল, ষষ্ঠীচরণ যেখানে অবস্থান করছে তার খুব কাছেই ঘটল ঘটনাটা, খুব বেশি হলে আধ—কিলোমিটারের তফাতে। হারপুনটা সোজা গিয়ে উল্কার পেটের মধ্যে ঢুকে গেল। আর সঙ্গে সঙ্গেই সোনিক বুম চালু হয়ে গেল। আকস্মিক আঘাতে উল্কাটা কি একটু দোল খেল? গতি ব্যাহত হল একটু? পরমুহূর্তে একটা অপূর্ব নিঃশব্দ বিস্ফোরণে কালো আকাশে যেন ছড়িয়ে পড়ল ফুলঝুরির রংবেরং। শত খণ্ডে বিচূর্ণ হয়ে নানা দিকে ছিটকে যেতে লাগল বিদীর্ণ উল্কার টুকরোগুলো।

    ষষ্ঠীচরণ ভারি তৃপ্তমুখে দৃশ্যটা দাঁড়িয়ে দেখছিল। মুখে একটু বোকাবোকা হাসি। আর ওইটেই ভুল করেছিল সে। কথা ছিল উল্কাটাকে ভেঙে দেওয়ার সময় সে সটান শুয়ে পড়বে, যাতে কোথাও বিপদ না ঘটে। খেয়াল ছিল না ষষ্ঠীর। হঠাৎ একটা বড়োসড়ো টুকরো ছিটকে এসে সে কিছু বুঝে উঠবার আগেই যেন বিরাশি সিক্কার একটা চড় মেরে শুইয়ে দিল তাকে। ষষ্ঠী জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়ল স্যাটেলাইটের পিঠের ওপর।

    যখন জ্ঞান হল তখন সে কলকাতার এক হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। চারপাশে সব হোমরাচোমরা মানুষ। এক ভারিক্কি ওপরওয়ালা বলল, বহোৎ খুব ষষ্ঠী, বাহাদুর হো।

    আর একজন বলল, জোর বেঁচে গেছ হে। শ্র্যাপনেলটা প্রায় শেষ করে দিয়েছিল তোমাকে।

    ষষ্ঠী হাতজোড় করে বলল, আজ্ঞে আমার মা—বাবার আশীর্বাদ আর ভগবানের দয়া।

    তা তো বটেই, সরকার বাহাদুর তোমাকে পঞ্চাশ লাখ টাকা পুরস্কার দেবে, বুঝেছো।

    পঞ্চাশ লাখ!

    শুধু তাই নয়। উল্কাটা ছিল পুরো সোনার। যে টুকরোটা এসে তোমার গায়ে লেগেছিল সেটার ওজন বাহাত্তর কেজি, ওটাও তোমাকে দেওয়া হবে।

    ষষ্ঠী ফের অজ্ঞান হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চাশটি কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article বিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }