Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছোটদের ২৫টি মজার গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প162 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাটুর ঘরবাড়ি

    লাটু নস্কর মোটেই তেজালো লোক নয়। তাকে মেনিমুখো বললেও বেশি বলা হয় না। চেহারাখানা লম্বা চওড়া বটে, কিন্তু ভিতুর ডিম। তার তিন কুলে কেউ নেই। জমিজমা নেই, বাড়ি—ঘর নেই। বদন ঘোষের জমিতে খেতমজুরি করে পেট চলে তার। আর খালধারে যে খাপড়ার ঘরটায় সে থাকে তাও নাকি কে একজন গিরিবাবুর জমিতে।

    বছর চারেক আগে তার বাবা গত হয়। তার আগে বাবার মুখেই শুনেছে, গিরিবাবু নাকি তার বাবাকে বলে গেছে জমিটা দেখেশুনে রাখিস, আমি ফিরে এসে দখল নেব। তা গিরিবাবু এসে যদি কান ধরে লাটুকে তুলে দেয় তাহলে লাটুর চারদিক একদম ফর্সা। গিরিবাবু না এলেও তার ছেলেমেয়েরাও তো এসে দখল নিতে পারে! তাই লাটু বড়ো ভয়ে ভয়ে থাকে।

    আর ঘরখানারই বা কী বাহার। খাপড়ার ছাউনি আর হোগলার বেড়া। বর্ষাকালে সাপখোপ, বিছে, ব্যাঙ, কেঁচোর অবিরল যাতায়াত। তাদের সঙ্গেই মিলেমিশে থাকা। তেমন বাদলা হলে খালের জল এক লম্ফে ঘরে উঠে আসে। আর খাপড়ার ফাঁক দিয়ে জল পড়া তো আছেই। একটা বাঁশের মাচায় বস্তা পেতে তার বিছানা। খাওয়ার কোনো ঠিক—ঠিকানা নেই। রাতে মেটে হাঁড়িতে ভাত রেঁধে নুন লঙ্কা দিয়ে ফ্যানা ভাত খায়, খানিকটা ভিজিয়ে রেখে পরদিন পান্তা খেয়ে কাজে যায়। অসুরের মতো খাটুনি।

    তাও তার চেহারাখানা বেশ তাগড়াই। তার কারণ, যে মাঠপুকুরের জঙ্গলে আর ঝোপঝাড়ে ঘুরে যখন যেমন ফলপাকড় পায় তা গোগ্রাসে খেয়ে নেয়। কখনো ফলসা, কখনো ডাঁশা পেয়ারা, করমচা, বুনো কুল, ডেউয়া, আঁশফল, যা পায়।

    এক—একদিন আস্ত মৌচাক পেয়ে গেলে তাকে আর পায় কে? ভেজা খড়ে আগুন দিয়ে ধোঁয়া তৈরি করে মৌমাছিদের তাড়িয়ে আস্ত চাকটা নামিয়ে আনে।

    এক—একদিন মেটে আলু বা মানকচু পেয়ে গেলে সেটা কোটালপুরের হাটে নিয়ে বেচে দেয়। ইটাগঞ্জের গোপাল কবিরাজমশাইয়ের জন্য মাঝে মাঝে ঘৃতকুমারী, নিমগুলঞ্চ, বিশল্যকরণী, অর্জুনছাল এনে দেয়। গাছপালা সে খুব ভালো চেনে। কবরেজমশাই দু—চার টাকা দেন মাত্র। তবে বড্ড স্নেহ করেন।

    তা এইভাবেই টিকে আছে লাটু। খুব খারাপ আছে, এমন কথা তার মনে হয় না। শুধু এখন একটাই ভয়, গিরিবাবু কবে এসে ঘর থেকে তাকে তাড়ান। তবে এটাও সত্যি কথা যে, এই ঘর আর জমিটুকু থেকে উচ্ছেদ হয়ে গেলেও তার অবস্থার খুব একটা হেরফের হওয়ার নয়। তখন হয়তো হাটখোলার চালার নীচে বা কারও গোয়ালঘরে, নিদেন গাছতলায় গিয়ে জুটতে হবে। তার মতো মনিষ্যির আর এর চেয়ে বেশি কিই বা হবে!

    কানু মণ্ডলের স্যাঙাৎ চিকুর ম্যালেরিয়া। তাই কানু এসে লাটুকে ধরল বড়োখালে তার সঙ্গে নৌকোয় মাছ ধরতে যেতে। লাটুর আপত্তি নেই। সে সব কাজেই রাজি। সারারাত বৃষ্টি, নৌকো খানিক বেয়ে, খানিক ঠেলে খাল তোলপাড় করে কানু মাছ ধরল মন্দ নয়। দুটো মাঝারি বোয়াল, কিছু পাঙাস, মৃগেলের বাচ্চচা আর চুনো মাছ মিলে চার—পাঁচ কিলো হবে। কানু হিসেবি লোক। লাটুকে একখানা বোয়াল আর কিছু চুনোপুঁটি দিয়ে বিদেয় করল। অবিশ্যি তাতে লাটুর তেমন আপত্তি হল না, তার কিছু হলেই হয়।

    ভোরবেলা ঘাটে নেমেই সোজা আশু পালের বাড়ি গিয়ে পাল গিন্নিকে মাছ গছাল সে। কুড়িটা টাকা পেল। তার মনে হল, এই তো যথেষ্ট।

    বাড়ি এসে ঘরের ঝাঁপটা খুলতে যাচ্ছিল, পিছন থেকে কে যেন সাড়া দিল, বলি গয়েশ নস্কর বাড়ি আছে?

    লাটু ফিরে দেখে ছাতা হাতে এক আধবুড়ো বাবুমতো লোক দাঁড়িয়ে আছে। এ বাড়িতে এমন মানুষের আসার কথাই নয়।

    সে বলল, আজ্ঞে গয়েশ নস্কর আমার বাবা। তিনি তো গত হয়েছেন, তা তিন—চার বছর হল বোধহয়।

    অ! তা এখানে তুমিই থাকো বুঝি?

    যে আজ্ঞে, আমি হলুম গে লাটু নস্কর।

    লোকটার পরনে একটা কালো পাতলুন, গায়ে হাফহাতা সাদা শার্ট। বলল, হ্যাঁ, বাবা বলেছিল বটে এ জমির দেখভাল করার জন্য যাকে বহাল করে গিয়েছিল সেই গয়েশ নস্করের একটা কচি ছেলেও আছে। আমি হলুম গিরি নায়েকের ছেলে যদু নায়েক। বুঝলে কিছু?

    বুকটা একটু ধক করে উঠল লাটুর। না বুঝবার কথাও তো নয়। বৃত্তান্ত তো জানাই। গিরিবাবুর জমির দখল নিতে তার ছেলে এসে গেছে। লাটু ঘাড় কাত করে বলল, যে আজ্ঞে। বুঝেছি। তা আমাকে কবে ভিটে ছাড়তে হবে?

    লোকটা একটু চিন্তিত ভাবে তার মুখের দিকে চেয়ে ছিল। বলল, এখানে কতটা জমি আছে বলো তো?

    লাটু মাথা চুলকে বলে, আজ্ঞে কাঠার হিসেব তো ঠিক জানা নেই। তবে উত্তরে ওই যে কাঁঠালগাছটা দেখছেন এখান থেকে দক্ষিণের খালধার পর্যন্ত, আর পুবের ওই বাঁশঝাড়টা থেকে পশ্চিমের কাছে মিয়ার বাড়ির কাঁটাতারের বেড়া অবধি।

    তাহলে তো বেশ অনেকটাই জমি, কী বলো হে!

    তা মন্দ নয়। আমার আন্দাজ বিঘে দুই হবে।

    জমিটা চারদিকে তাকিয়ে ভালো করে দেখল যদু নায়েক। তারপর তার দিকে চেয়ে বলল, তা জমিটি খামোখা পড়ে আছে কেন? একটু চাষ—বাস করতে পারলে না?

    আজ্ঞে, আমি অন্যের জমিতে খাটতে যাই তো, তাই আর ফাঁক পাই না। তারপর ধরুন, আমার হালগোরু নেই, চাষের পয়সা নেই। গিরিবাবু এলেই জমি ছেড়ে দিতে হবে বলে বাবা বুঝিয়ে গেছে। তাই আর হাঙ্গামা করিনি। তা আমাকে কী আজই উঠে যেতে হবে?

    কেন, তুমি কি আরও সময় চাও?

    লাটু মাথা নেড়ে বলে, আজ্ঞে না, সময় নিয়ে হবেই বা কী! আমার তো গেরস্থালি নেই, জিনিসপত্রও নেই। আজ বললে আজই বেরিয়ে পড়ব।

    যদু নায়েক গম্ভীর হয়ে বলে, হুঁ!

    তা বাবু, আপনি কি এখন গাঁয়েই থাকবেন?

    ভাবছি। হেতালডুবিতে আমাদের খানিকটা চাষের জমিও আছে। বহুকাল আদায় উসুল হয় না।

    যে আজ্ঞে! বারো বিঘে জমি। পরশুরাম হেলা চাষ করে। আপনার বাবার আমলের বর্গা, পরশুরাম খুব টেটিয়া লোক।

    হ্যাঁ। তাই ভাবছি গাঁয়ে আমাদের এত কিছু থাকতে গঞ্জ শহরে পচে মরি কেন? ও জায়গা আমাদের সয় না।

    যে আজ্ঞে। তা আমার তো বাঁধাছাঁদার কিছুই নেই। সামান্যই জিনিস। বেরিয়ে গেলেই হয়।

    তুমি তো আচ্ছা লোক হে বাপু! একজন উটকো লোক এসে বলল, আমি গিরিবাবুর ছেলে, এ জমি আমার, আর অমনি তুমি ভিটে ছেড়ে চলে যেতে পা বাড়িয়েছ!

    লাটু খুব ভাবনায় পড়ে গেল। তাই তো! সে না চেনে গিরিবাবুকে, না চেনে তার ছেলেকে, এ জমির দলিল—দস্তাবেজ কোথায় তাও সে জানে না। শুধু তার বাবা বলেছিল, এ হল গিরিবাবুর জমি, একদিন ছেড়ে দিতে হবে।

    মাথা—টাথা চুলকে লাটু বলে, আজ্ঞে, সে কথা ঠিক, তবে বাবু মানুষেরা তো আর ভুল কথা বলেন না।

    তুমি তো দেখছি মানুষ বড়ো জব্বর চিনেছ! বাবুদের বুদ্ধি বেশি বলে তারা বদমাইশিও খুব মাথা খাটিয়ে করে।

    বাবু, তাহলে কি আপনি গিরিবাবুর ব্যাটা নন?

    হলেই বা। প্রমাণ ছাড়া আমাকে জমি ছেড়ে দিতে যাবে কেন?

    লাটু শুকনো মুখে বলে, আজ্ঞে ধরা—ছাড়ার কথাই তো ওঠে না। জমি যে মোটেই আমার নয় মশাই!

    দখলি স্বত্ব বলে একটা কথা আছে, জানো! জমি যখন যার দখলে থাকে, তখন তাকে পট করে উচ্ছেদ করা যায় না।

    লাটু বলে, আমি কী আইনের মারপ্যাঁচ জানি বাবু? হুড়ো দিলেই আমরা ভয় খেয়ে যাই। নিজের জমিই রাখতে পারে না কতজন! আর এ তো পরের জমি।

    পেটে বিদ্যে আর মগজে বুদ্ধি না থাকলে ওরকমই হয়।

    লাটু হেসে মাথা নেড়ে বলে, আজ্ঞে ও বড়ো জব্বর কথা! আমি কী আর মনিষ্যির মধ্যে পড়ি!

    তা বাপু, তোমার চলে কীসে? ঘরদোরের যা লক্ষ্মীছাড়া দশা দেখছি তাতে তো মনে হয় তোমার নুন আনতে পান্তা ফুরোয়।

    লাটু একটা শ্বাস ছেড়ে বলে, সে তো ঠিক কথা বাবু। তবে কিনা এভাবেই তো এতটা বয়স অবধি কেটে গেল।

    বলি, তোমার বয়স কত?

    বছর কুড়ি—বাইশ হবে বোধহয়। দু—চার বছর এদিক—ওদিক হতে পারে।

    তা বেশ কথা। এখন এ ঘর যদি ছেড়ে দাও তাহলে যাবে কোথা? বলি যাওয়ার কোনো জায়গা আছে?

    লাটু একগাল হেসে বলে, তা দু—একটা খোঁজ যে নেই তা নয়। একজনের গোয়ালে একটু থাকার বন্দোবস্ত করে নেওয়া যাবে। নইলে শেষ অবধি গাছতলা তো আছেই।

    ভারি অবাক চোখে তার দিকে চেয়ে যদু নায়েক বলে, তুমি একজন তাজ্জব লোক হে। কিছুতেই কোনো হেলদোল নেই দেখছি।

    লাটু একটা শ্বাস ফেলে বলে, আজ্ঞে, মনটা খারাপ লাগছে ঠিকই। বাবার আমল থেকেই এই ঘরে আছি কিনা। এখানেই জন্ম। কিন্তু তা বলে তো আর অধর্ম করতে পারি না।

    যদু নায়েক গম্ভীর হয়ে বলে, হুম, তোমার ঘরে একটু উঁকি মেরে দেখলাম, তুমি সত্যিকারের দিগম্বর মানুষ। বিষয়বুদ্ধিতে লবডঙ্কা।

    লাটু হতাশ হয়ে বলে, আজ্ঞে বিষয়ই তো নেই, বুদ্ধি থাকবে কী করে?

    যদু নায়েক একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে, এবার সত্যি কথাটা বলেই ফেলি বাপু। মন দিয়ে শোনো।

    লাটু একটু তটস্থ হয়ে বলে, যে আজ্ঞে।

    গিরিধারী নায়েকের কোনো ছেলেপুলে ছিল না। তার আসল ওয়ারিশানও কেউ নেই। বুঝলে! আমার নাম যদু নায়েক হলেও আমি কিন্তু গিরি নায়েকের ছেলেও নই, ভাতিজাও নই। সোজা কথা হল, গিরি নায়েকের বিষয়—সম্পত্তি সবই এখন বেওয়ারিশ। ইচ্ছে করলে সরকার বাহাদুর এসব দখল করলেও করতে পারে। কিন্তু একটা বিপদ হল, অনেকেই গিরি নায়েকের ওয়ারিশান সেজে হাজির হতে পারে। তেমন তোড়জোড় হচ্ছে বলেই শুনেছি আর আমি তাই ব্যাপারটা সরেজমিনে দেখে যেতে এসেছি।

    চোখ গোল গোল করে লাটু যদু নায়েকের কথাগুলো শুনছিল। সে বুদ্ধিতে খাটো হলেও একথাগুলো বেশ বুঝতে পারল। খুব চিন্তিত মুখে বলল, তাহলে এখন কী হবে বাবু?

    সেটাই বুঝতে আসা। কিন্তু তুমি তো দেখছি বড্ড বোকাসোকা লোক। যে—কেউ এসে তোমাকে তাড়িয়ে জমি দখল করতে পারে। আর একবার দখল নিয়ে গেড়ে বসলে সরানো ভারি কঠিন।

    কাঁচুমাচু মুখে লাটু বলে, আজ্ঞে, তা তো বটেই।

    তুমি উচ্ছেদ হয়ে যাও, এটাও আমার ইচ্ছে নয়।

    কিন্তু কেউ এসে হুড়ো দিলে?

    তুমি কি খুব ভিতু লোক?

    যে আজ্ঞে।

    চেহারাটা তো বেশ তাগড়া, তবে অমন মেনিমুখো কেন?

    আজ্ঞে আমি এমনধারাই। নিজেকে আমার নিজেরও তেমন পছন্দ হয় না।

    যদু নায়েক বলে, বলি ঘরে লাঠিসোটা কিছু আছে?

    লাটু একগাল হেসে বলে, তা আর নেই! সাপখোপ, শেয়াল বাগডাশার সঙ্গে ঘর করতে হয় তো! তাই একখানা পাকা বাঁশের লাঠি আছে বটে। বাবা বলেছিল, ঠাকুরদার জিনিস। তিনি মস্ত লেঠেল ছিলেন। আর আগাছা কাটবার একখানা হেঁসো আছে। একখানা দা—ও আছে।

    বাঃ! তাহলে আর চিন্তা কী? কেউ যদি এসে জমি বাড়ি দখলের কথা বলে তাহলে তুমি বাপু নেড়ি কুকুরের মতো লেজ দেখিয়ো না। লাঠি হাতে নিয়ে একখানা হাঁকাড়ে ছেড়ে বাইরে এসে বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে। তাহলেই দেখবে কাম ফর্সা।

    লাটু মিটমিট করে চেয়ে বলল, সে কী আমি পারব? আস্পদ্দী হয়ে যাবে না?

    তাহলে বাপু, তোমার পাততাড়ি গোটানোই ভালো। তোমার দ্বারা এ কাজ হওয়ার নয়। ভগবান তোমাকে একখানা দিব্যি লম্বা চওড়া শরীর দিয়েছেন। এ জিনিস ক—জনার কাছে বলো তো! তা ভগবান যখন দিয়েছেনই তখন তার একটা দাম তো দিতে হয় বাপু! এরকম একখানা ডাকাতে চেহারা নিয়ে ভেড়ার মতো হাবভাব করলে যে স্বয়ং ভগবানও খুশি হবেন না! যা ভালো বোঝো বাপু তাই করো। আমার যা বলার বলেছি, এখন তোমার কপাল।

    যদু নায়েক চলে যাওয়ার পর অনেকক্ষণ বসে বসে ভাবল লাটু। যদু নায়েকের কথাগুলো তার যেন ন্যায্য বলেই মনে হচ্ছে। ভগবান যখন চেহারাখানা দিয়েছেন, তখন সেটা কাজে না লাগানোর মানে হয় না। তবে তার বুকের জোর কম। সাহস মোটেই নেই।

    দিন তিন—চার পরের কথা। লাটু কাজে বেরোবে বলে পান্তা খাচ্ছিল। এমন সময় বাইরে জনাকয়েক লোকের আগমন টের পেল সে। কারা যেন বাইরে নিজেদের মধ্যে কথা কইছে। লাটু শেষ দুটো গরাস গোগ্রাসে গিলে জল খেয়ে উঠে পড়ল।

    বাইরে বেরিয়ে দেখল, জনা চারেক মানুষ। ভদ্রলোকের মতোই চেহারা। সবচেয়ে বয়স্ক গুঁফো লোকটা তার দিকে কটমট করে তাকিয়ে বলল, তুই কে রে? এ জমিতে বেআইনি ঘর তুলে রয়েছিস যে বড়ো?

    লাটু অন্যসময়ে হলে ভয় খেয়ে গুটিয়ে যেত। মিউ মিউ করত। কিন্তু যদু নায়েক যেমন শিখিয়ে দিয়েছে, সে তেমনটাই করল। হঠাৎ বুক টান করে দাঁড়িয়ে বলল, তাতে আপনার কী দরকার? আপনি কে?

    এ জমি আমাদের। এক ঘণ্টার মধ্যে জমি ছেড়ে পালা। নইলে পুলিশ এসে পিছমোড়া করে বেঁধে নিয়ে যাবে।

    লাটু ঘরে ঢুকে পাকা বাঁশের লম্বা লাঠিটা হাতে করে বেরিয়ে এসে বাঘা গলায় বলল, এটা দেখেছ? সব ক—টাকে এ জমিতে পুঁতে ফেলব! বেরোও! বেরোও…

    মাত্র দু—পা এগিয়ে গিয়েছিল লাটু।

    আর তাইতেই ভয় খেয়ে লোকগুলো এমন দুদ্দাড় পালাল যে লাটু হাসি চাপতে পারল না। এই কায়দায় যে ভালো কাজ হয় তা বুঝতে তার একটুও দেরি হল না।

    আরও দিন দুয়েক পর লাটু যখন খেতে কাজ করছিল, তখন কালী স্যাঁকরার ছেলে বিশু দৌড়ে এসে তাকে খবর দিল, ও লাটু। কারা যেন তোর ঘর ভাঙছে! শিগগির যা।

    লাটুর আজকাল সঙ্গেই লাঠিগাছ থাকে। গাছের গায়ে ঠেসান দিয়ে দাঁড় করানো ছিল। লাঠিগাছ নিয়ে সে কয়েক লম্ফে তার ঠেক—এ পৌঁছে দেখে চার—পাঁচজন মুনিশ লোক তার ঘরের অর্ধেক ভেঙে ফেলেছে। একজন মুরুব্বি গোছের লোক কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ানো।

    লাটুর দোষ নেই। ঘরখানা গেলে তার কিছুই থাকে না। সুতরাং আগুপিছু চিন্তা তার মাথায় এল না। সে সোজা লাঠি চালিয়ে চারজন মুনিশকে এমন ঘায়েল করল যে তারা ‘বাপ রে, মা রে’ বলে দৌড়। মুরুব্বি লোকটা ‘অ্যাই, অ্যাই’ বলে চোখ পাকিয়ে তেড়ে আসতেই লাটু লাঠিটা আপসে বলল, জমি দখল করতে এসেছ? এই জমিতেই তোমাকে শুইয়ে দেব, বুঝলে!

    কেন, দেশে থানা—পুলিশ নেই? গুন্ডামি করে পার পাবে ভেবেছ?

    গুন্ডামিটা কে করল বলো তো বাবু? আমি না তুমি? কোন আইনে তুমি আমার ঘর ভেঙেছ? তোমার বাপের জমি?

    আমার দলিল আছে।

    আমারও আছে। এখন বিদেয় হও। আর কখনো যেন আমার জমির ত্রিসীমানায় না দেখি!

    লোকটা গায়েব হয়ে গেল।

    দুদিন পর যদু নায়েক সকালবেলায় এসে বলল, সাবাস! এটাই তো চেয়েছিলুম। এখন গতরে খেটে বাঁশ বাখারি ডালপালা দিয়ে জমিটি ঘিরে ফেলো। সীমানা থাকা দরকার। আর সেই সঙ্গে একজন পাহারাদারও যে চাই। সবচেয়ে ভালো পাহারাদার হল বউ। একটা বউ নিয়ে এসো হে।

    লাটু লজ্জায় অধোবদন।

    যদু নায়েক বলল, গিরি নায়েকের কাছে আমার কিছু টাকা দেনা ছিল। হাজার দশেক। সুদ সমেত পনেরো হাজার হয়েছে। শোধ না দিতে পারায় মনস্তাপে ভুগছি। টাকাটা তুমি রাখো। এও একরকম শোধ দেওয়াই হল। কী বলো?

    লাটু হঠাৎ মুখ তুলে বলে, বাবু, আপনি আসলে ছদ্মবেশে ভগবান নন তো?

    তা কে জানে বাপু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পার্থিব – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }