Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জন্তু – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প73 Mins Read0
    ⤶

    তৃতীয় রিপু

    যে রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের গল্প বলতে যাচ্ছি, তা ২০১১ সালে আলোড়ন ফেলেছিল গোটা দেশে। মানুষের মনে ভয়ের চেয়েও কৌতূহল জাঁকিয়ে বসেছিল। কারণ একই মামলায় তিনজনকে একসঙ্গে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সাজা বিরল। আর সেই তিনজনের মধ্যে যদি একজন হয় সুন্দরী তরুণী, তবে তাকে দেখতে আদালতে যে ভিড় উপচে পড়বে, সেটাই তো স্বাভাবিক!

    আর সেই সুন্দরী খুনিই পরে জাতীয় পুরস্কার পেলে?

    অদ্ভুত এই ঘটনার পটভূমি মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহর। শ্রীনগর এলাকা। এই অঞ্চলটি অত্যন্ত অভিজাত, মূলত উচ্চবিত্তরাই থাকেন।

    ২০১১ সালের ১৯ জুন শ্রীনগরেরই এক প্রাসাদোপম বাংলোয় হঠাৎ কলিং বেল বাজল।

    টিং টং!

    এই প্রচণ্ড গরমে দুপুরবেলা আবার কে এল? বাংলোর মালকিনের নাম মেঘা দেশপান্ডে। বয়স বিয়াল্লিশ, নিজের সত্তর বছরের বৃদ্ধা মা ও একুশ বছরের কলেজপড়ুয়া কন্যাকে নিয়ে তিনি একাই থাকেন। স্বামী নিরঞ্জন দেশপান্ডে শিল্পপতি, নিজের ব্যাবসার কাজে বছরের বেশির ভাগ সময়েই থাকেন বিদেশে।

    প্রভূত সম্পত্তির মালিক মেঘা এই মধ্যচল্লিশেও অত্যন্ত সুন্দরী, এবং নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন। ইন্দোর শহরের অনেক অভিজাত ক্লাবের তিনি সদস্যা, কিটি পার্টি থেকে সপ্তাহান্তের নৈশভোজ, মিসেস দেশপান্ডে ছাড়া আসর জমে না। তিনি ব্যক্তিত্বময়ী, মিতবাক ও প্রখর বুদ্ধিমতী।

    মেঘা দেশপান্ডে সাজেনও খুব রুচিসম্মত। আগে নানারকম আধুনিক পোশাক পরলেও গত চার-পাঁচ বছর তিনি শুধুই শাড়ি পরেন। বহুমূল্য শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ ও অলংকারে তিনি যখন সেজে বেরোন, তরুণী কন্যাও মায়ের কাছে ম্লান হয়ে যায়।

    কলিং বেলটা যখন বাজল, তখন মেঘা আর তাঁর কন্যা অশ্লেষা টিভি দেখছিলেন। আজ অশ্লেষার কলেজ ছুটি, দুপুরবেলা ঠান্ডা ঘরে বসে মা-মেয়ে এই দিনগুলোয় সিনেমা দেখতে খুব ভালোবাসেন। বাড়িতে পরিচারিকার অভাব নেই, কিন্তু তারা সবাই আসে কাজ করে, আবার চলে যায়। চব্বিশ ঘণ্টার লোক বাড়িতে রাখা মিসেস দেশপান্ডে পছন্দ করেন না। প্রাইভেসি ক্ষুণ্ণ হয় তাতে।

    মেঘা দেশপান্ডের বৃদ্ধা মা রোহিণী ফাড়কে বাইরের ঘরে পুজো করছিলেন। তিনি ধীরেসুস্থে উঠে দরজার সামনে গিয়ে আই-হোলে চোখ রাখলেন।

    একটি অল্পবয়সি মেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। করিডরের অল্প আলোয় রোহিণী ফাড়কে মেয়েটিকে চিনতে পারলেন না।

    সামান্য ইতস্তত করে তিনি দরজাটা খুললেন।

    মেয়েটি খুবই সুন্দরী। তার চেয়েও বেশি চটকদার তার পোশাক। প্রসাধনে ঢাকা মাথা থেকে পা। নিখুঁত বিন্যাসে রং-করা চুল সামনে ফেলে রাখা।

    মেয়েটির কাজলে আঁকা চোখ দেখতে দেখতে রোহিণী ফাড়কে বললেন, ”কে তুমি?”

    মেয়েটি মিষ্টি হাসল। সুরেলা স্বরে বলল, ”মেঘা ম্যাডাম আছেন? উনি আমাকে আসতে বলেছিলেন!”

    ”ওহ! ভেতরে এসো।” রোহিণী ফাড়কে দরজাটা খুলে গিয়ে পিছু ফিরলেন। মেঘা নিয়মিত নামীদামি বিউটি পার্লারে গেলেও অনেক সময় পার্লারের মেয়েরা বাড়িতে আসে। এও তেমনই কেউ হবে। মেয়েকে ঘরে ডাকতে যাওয়ার রোহিণী ফিরে তাকালেন। মেয়েটা সোফায় বসুক ততক্ষণ।

    ও মা! মেয়েটা ঘরে ঢুকে তো এসেইছে, মেয়েটার পিছু পিছু ঢুকে পড়েছে দুটো লম্বা চওড়া যুবক।

    ”একী!’ রোহিণী ফাড়কে বিস্ফারিত চোখে বললেন, ”কে তোমরা?”

    সামনের ছেলেটা পকেট থেকে পিস্তল বের করল। চাপাস্বরে বলল, ”চিৎকার করবেন না। চিৎকার করলে কিন্তু মাথা ফুটো করে দেব!”

    রোহিণী ফাড়কে ভয়ে কাঁপতে লাগলেন। কিন্তু তিনি ওই অবস্থাতেও লক্ষ করলেন, ছেলেটিও কাঁপছে। বোঝাই যাচ্ছে, জীবনে কখনো সে আগ্নেয়াস্ত্র ধরেনি। রোহিণী আড়চোখে ওপাশের বন্ধ ঘরের দিকে তাকালেন। ভেতরে এসি চলছে। সঙ্গে জোর ভলিউমে টিভি।

    চিৎকার করলে কি মেঘা শুনতে পাবে না? নিশ্চয়ই পাবে!

    রোহিণী আর কিছু ভাবলেন না। যা থাকে কপালে, তিনি পরিত্রাহি চেঁচাতে লাগলেন, ”মেঘা! অশ্লেষা! জলদি আও!”

    পিস্তল ধরে ছেলেটার নাম রাহুল, সে হতবুদ্ধি হয়ে সঙ্গী মেয়েটির দিকে তাকাল। মেয়েটা ভাবল এক মুহূর্ত, তারপর আদেশ করল, ”গুলি চালাও।”

    চোরাবাজারে বিক্রি হওয়া সস্তা পিস্তল হলেও তাতে সাইলেন্সার লাগানো রয়েছে। রাহুলের অনভ্যস্ত হাত থেকে গুলি ছিটকে গিয়ে যখন রোহিণী ফাড়কের মাথা এ ফোঁড় ও ফোঁড় করে দিল, সামান্য পটকা ফাটার মতো আওয়াজ হল।

    রোহিণী ফাড়কের চোখ দুটো বড়ো বড়ো হয়ে গেল, মাথার দু-পাশ থেকে ঘিলুর কিছুটা অংশ ছিটকে বেরোল বাইরে, তারপর তার ন্যুব্জ শরীরটা পড়ে গেল দামি কার্পেটের ওপর। নাক ও কান থেকে তাজা রক্ত বেরিয়ে এসে ভিজিয়ে দিতে লাগল পশম।

    কিন্তু এরপরেও কেউ বেরিয়ে এল না। দ্বিতীয় যুবকের নাম মনোজ, সে ফিসফিস করে বলল, ”কেউ তো আসছেই না!”

    দলের নেত্রী হাত তুলে তাকে থামাল। তারপর সন্তর্পণে এগোতে লাগল ভেতরের দিকে। প্রকাণ্ড ডাইনিং-ড্রয়িং পেরিয়ে একদিকে কিচেন, অন্যদিকে বেডরুম। আপাদমস্তক ইন্টেরিয়র ডিজাইন করা বাড়ির সর্বত্র বৈভবের ছাপ স্পষ্ট। মেয়েটা এদিক-ওদিক তাকাতে তাকাতে বেডরুমের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। তারপর বন্ধ দরজায় কান পাতল।

    ভেতরে হাসির কোনো সিনেমা চলছে। কিছুক্ষণ করে সংলাপের পরই ঘরে বসে থাকা মানুষরা হেসে উঠছে। মেয়েটা তার দুই সহকারীকে ইশারা করল। তারপর দুম করে দরজাটা খুলে দিল।

    ভেতরে বিছানায় বসে রয়েছেন মেঘা দেশপান্ডে ও তাঁর কন্যা অশ্লেষা। রাহুল সোজা এগিয়ে গিয়ে পিস্তল তাক করল, ”চুপচাপ যা আছে দিয়ে দাও, না হলে এখুনি গুলি করব।”

    অশ্লেষার চোখ দুটো আতঙ্কে বড়ো বড়ো হয়ে গেলেও মেঘা স্থিতি হারালেন না। তিনি ঘরের মধ্যিখানে দাঁড়িয়ে-থাকা মেয়েটিকে চিনতে পেরেছেন।

    অস্ফুটে বললেন, ”নেহা! তুমি?”

    দলের পান্ডা নেহার সুন্দর মুখে কোনো ভাবান্তর হল না। বলল, ”ওয়ার্ডরোবের চাবি দিন চুপচাপ।”

    মেঘা দেশপান্ডে কয়েক মুহূর্ত চুপচাপ হয়ে গেলেন। কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি বোধবুদ্ধি হারান না। এই মুহূর্তে সবচেয়ে প্রয়োজন তাঁদের তিনজনের বাঁচা। তিনি তো আর জানেন না তাঁর মা ইতিমধ্যেই খুন হয়েছেন।

    দ্রুত ঝুঁকে পড়ে খাটের লাগোয়া টিপয় টেবিলের ড্রয়ার থেকে চাবি বের করে দিলেন, ”এই নাও। তোমরা যা পারো, নিয়ে যাও। কিন্তু আমাদের কোনো ক্ষতি কোরো না!”

    রাহুল আর মনোজ ক্ষিপ্রগতিতে ওয়ার্ডরোব খোলামাত্র তাদের সামনে কুবেরের ভাণ্ডার উন্মোচিত হয়ে পড়ল। আলমারির ভল্টে থরে থরে সাজানো রয়েছে টাকা আর গয়না।

    নেহার মুখে হাজার ওয়াটের আলো জ্বলে উঠল। উফ! কী দারুণ একখানা দাঁও মারতে চলেছে সে। সেদিন শপিং মলে অত দামি গাড়ি থেকে মেঘা দেশপান্ডেকে নামতে দেখেই ও বুঝে ফেলেছিল, মহিলা কোটিপতি।

    আর কিছুক্ষণের মধ্যে ও আর রাহুল এরকমই বড়োলোক হয়ে যাবে। স্বপ্নরাজ্যে বিচরণ করতে করতে নেহা দ্রুত বাস্তবে ফিরে এল। দেখল, রাহুল আর মনোজ একটা ব্যাগে টাকা, গয়নাগাটি সব পুরে ফেলেছে।

    নেহা সামনে তাকাল। অল্পবয়সি মেয়েটা আতঙ্কে কাঁপছে। কিন্তু মেঘা দেশপান্ডে শান্ত চোখে তার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

    নেহা ভেতরে ভেতরে সামান্য কুঁকড়ে গেল। ভদ্রমহিলার পেছনে গত কয়েকদিন ধরে ছিনেজোঁকের মতো পড়েছিল ও, ঠিকানা না পাওয়া অবধি হাল ছাড়েনি। কিন্তু উনি এভাবে কী দেখছেন?

    মেঘা দেশপান্ডে আবারও স্থিরচোখে বললেন, ”সব নেওয়া হয়ে গেলে তোমরা চলে যাও, কেমন?”

    আশ্চর্য! ভদ্রমহিলা এই অবস্থাতেও এত পরিশীলিত কীভাবে? ভাবতে ভাবতে নেহা জিজ্ঞেস করল, ”আ-আপনি পুলিশে খবর দেবেন না তো?”

    মেঘা দু-দিকে ঘাড় নাড়লেন, ”না।”

    ”দিমাগ খারাপ হয়ে গেল নাকি তোমার?” হাতের কাজ চালাতে চালাতে রাহুল ধমকে উঠল নেহাকে, ”আমাদের দেখে ফেলেছে, এখন কেউ জিন্দা ফেলে রেখে যায়? বাইরের বুড়িটার মতো এদেরকেও খতম করে যেতে হবে।”

    ”কী? আমার মা… আমার মা…!” মেঘা দেশপান্ডের সমস্ত সংযমের বাঁধ ভেঙে গেল। তিনি উদ্ভ্রান্তভাবে বিছানা থেকে লাফিয়ে পড়ে বাইরের ডাইনিং-এর দিকে দৌড়ে বেরোতে লাগলেন।

    ”দাঁড়াও দাঁড়াও! এক্ষুনি না দাঁড়ালে গুলি করব!” রাহুল পিস্তল উঁচিয়ে মেঘা দেশপান্ডেকে থামাতে গেল, কিন্তু তার আগেই বন্দুকটা কেঁপে উঠল। চোরাবাজার থেকে কেনা সস্তার লোকাল মেড পিস্তল, ট্রিগার জোরে না টিপতেও দুম করে গুলি বেরিয়ে গেছে। আর রাহুলের হাত কাঁপাতে সেই গুলি এসে ঢুকেছে তার নিজেরই পায়ে।

    ”আ-আ-আহ!” বিকট শব্দ করে রাহুল মাটিতে বসে পড়ল। যন্ত্রণায় তার মুখ বেঁকে যাচ্ছে। অন্যকে গুলি করার সময় সেই যন্ত্রণাটা কেউ অনুভব করতে পারে না। নিজের সময়ে বোঝা যায়।

    পরিস্থিতি হঠাৎ করে গোলমেলে হয়ে যেতে নেহা হতবুদ্ধি হয়ে গেল। তারপরেই সে নিজের পোশাকের নীচে লুকিয়ে রাখা চকচকে ছুরিটা বের করে ছুটে গেল।

    ততক্ষণে মেঘা প্রচণ্ড জোরে চিৎকার করতে শুরু করেছেন। নেহা উল্কার গতিতে গিয়ে দেওয়ালে ঠেসে ধরল মেঘা দেশপান্ডেকে, নিজের শরীরের সর্বশক্তি দিয়ে এলোপাথাড়ি ঘুসি লাথি চালাল, তারপর ছুরি দিয়ে সোজা গলার নলিটা ফাঁক করে দিল।

    ওদিকে চোখের সামনে মায়ের এই অবস্থা দেখে অশ্লেষাও চিৎকার করছিল। কয়েক সেকেন্ড হতবুদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়ে-থাকা মনোজ ছুটে গেল তার দিকে, যথেচ্ছ ঘুসি লাথি মেরে তাকে অচৈতন্য করে দিল।

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই মায়ের মতো অশ্লেষারও প্রাণবায়ু বেরিয়ে গেল। রাহুল যন্ত্রণায় কোঁকাচ্ছিল। গোটা শরীরে রক্ত মাখা অবস্থায় নেহা গিয়ে তার প্রেমিককে জড়িয়ে ধরল, ”কষ্ট হচ্ছে, সোনা?”

    ”হ্যাঁ! কিন্তু আর দেরি করা যাবে না, ডার্লিং! আমাদের এখুনি বেরিয়ে যেতে হবে!”

    প্রায় পাঁচ-ছ-লক্ষ টাকার গয়না, দু-তিন লক্ষ নগদ টাকা একটা ব্যাগে পুরে নিয়ে তারা বাথরুমে স্নান করল।

    শাওয়ারের নীচে শরীরে লেগে থাকা রক্ত ধুতে ধুতে আনন্দে নেহার চোখ বুজে এল। আর কিছুদিন মাত্র! তারপর নিজেদের বাড়িতেও ওরা এরকমই শাওয়ার লাগাবে।

    বাথটাব? হ্যাঁ, সেটাও লাগাবে।

    তিনজনে স্নান করে ধোপদুরস্ত হয়ে বেরিয়ে এল। আসার সময় কাপবোর্ডের ওপর রাখা দুটো এ. টি. এম. কার্ড দেখতে পেয়ে নেহা সেগুলোকেও হস্তগত করল। তারপর তিনজন ধীরেসুস্থে বেরিয়ে চলে গেল। কেউ তাদের দেখতে পেল না।

    নেহা বার্মা। মাত্র তেইশ বছর বয়সের উঠতি মডেল। ইন্দোর আদালত মহিলা হিসেবে তাকেই প্রথম ফাঁসির সাজা শুনিয়েছিল।

    কে এই নেহা? কেনই বা সে মডেলিং ছেড়ে এমন ভয়ংকর খুনে অংশ নিতে গেল? জানতে গেলে পিছিয়ে যেতে হবে আরও বছরখানেক আগে।

    উচ্চাকাঙ্ক্ষা ভালো, স্বপ্ন দেখা ভালো, কিন্তু সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষায় পরিমিতিবোধ না থাকলে তা সর্বনাশ ডেকে আনে। মফসসল থেকে শহরে আসা নেহারও তা-ই হয়েছিল। নজরকাড়া সুন্দরী হলেও সে ছিল নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে। কিছুটা অনীহায়, কিছুটা পারিবারিক পরিস্থিতির চাপে ক্লাস টেন অবধি পড়েই পড়াশুনোয় ইতি টানতে হয়েছে তাকে।

    কিন্তু তাতে কী? তার অনেক গুণ। সেলাইয়ের হাত দারুণ, চমৎকার সাজাতেও পারে।

    নেহা স্বপ্ন দেখে, সে একদিন বড়োলোক হবে। অনেক বড়োলোক! হবে না-ই বা কেন? তার মতো সুন্দরী কি এই মফসসলে মানায়?

    বাড়ির সঙ্গে ঝগড়া করে সে একদিন ইন্দোরে পালিয়ে এল। শুরু হল তার নতুন জীবন। প্রথম কিছুদিন মডেলিং এজেন্সিগুলোয় দৌড়োদৌড়ি করল। পোর্টফোলিয়ো বানাতে হবে শুনে নিজের সঙ্গে আনা সব টাকাপয়সা দিয়ে দামি জামা, জুতো কিনে পোর্টফোলিয়ো বানাল। মনের মধ্যে উত্তেজনা টগবগ করে ফুটছে তার, আর কিছুদিন মাত্র! তারপরই সে র‌্যাম্পে হাঁটবে, এই শহর ঢেকে যাবে তার ছবিতে। এক ঘুপচি লেডিজ হস্টেলের অন্ধকার ঘরে শুয়ে আকাশ পাতাল ভাবে নেহা।

    কিন্তু বাস্তব একেবারে অন্য। যে কটা এজেন্সিতে নেহা পোর্টফোলিয়ো জমা দিয়েছিল, ছ-সাত-মাসেও তারা কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারল না।

    ”এতদিন হয়ে গেল, আমি কোনো কল পাচ্ছি না কেন?”

    ”উই আর ট্রায়িং, ম্যাম!” এজেন্সির রিসেপশনিস্টের রুটিনমাফিক উত্তরে নেহা জ্বলতে জ্বলতে বেরিয়ে এল। এভাবে কী করে চালাবে সে? তাকে যে বড়োলোক হতে হবে। পয়সা কামাতে হবে। অনেক পয়সা!

    অতঃপর এই ধরনের শিক্ষা ও রুচি না-থাকা আকাঙ্ক্ষাসর্বস্ব মেয়েদের যা হয়, নেহারও তা-ই হল। নিজের রূপের জালে একেকজন সুন্দর পুরুষকে আকৃষ্ট করে তার সঙ্গে কিছুদিন প্রেম, হোটেলে উদ্দাম যৌনতা চলতে লাগল। তাতে নেহার কোনো সমস্যা নেই। টাকা কামানোর জন্য সে যতদূর হয়, যাবে। তাতে তার কোনো ছুঁতমার্গ নেই।

    কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। এত কিছু করেও নেহার মন ভরছিল না। এর-তার সঙ্গে প্রেম করে ভালো খাওয়াদাওয়া, জামাকাপড়, দু-দিন এদিক-সেদিক ঘোরা হয় ঠিকই, কিন্তু টাকা আয় হয় না খুব একটা।

    হতাশ নেহা একটা বিউটি পার্লারে কাজ নিল। আর সেখানে কাজ করতে করতেই একদিন তার সঙ্গে একটা পার্কে আলাপ হল রাহুলের। রাহুল স্থানীয় এক কারখানায় ওয়েল্ডিং-এর কাজ করে। এক ঝকঝকে বিকেলে রাস্তার ধারে নেহাকে আইসক্রিম খেতে দেখে রাহুল চোখ ফেরাতে পারল না।

    প্রথমে নেহা মনে মনে হেসেছিল। হাতি-ঘোড়াদের সঙ্গে প্রেম করে শেষে কি মশার সঙ্গে ও পিরিত করবে নাকি? এত নিচু রুচি নেহা বার্মার নয়।

    কিন্তু প্রেমের তো কোনো ফর্মুলা হয় না। মাসখানেক ঘোরা-বেড়ানো, সস্তা হোটেলে রাত কাটানোর পর নেহাও রাহুলের প্রেমে পড়ে গেল।

    ”আমরা বিয়ে কবে করব, ডার্লিং?” একদিন হোটেলের বিছানায় শুয়ে নেহার চুলে হাত বোলাতে বোলাতে বলল রাহুল।

    ”এই অবস্থায় বিয়ে করব নাকি? এভাবে আমি সংসার করতে পারব না।” ফুঁসে উঠল নেহা, ”আমার টাকা চাই। অনেক টাকা!”

    ”কেন, আমার কারখানার মজুরি আর তোমার পার্লারের মাইনেতে তো ভালই চলে যাবে!”

    ”এই শোনো, তুমি কোনো ভিখিরিকে বিয়ে করছ না, নেহা বার্মাকে বিয়ে করছ, ঠিক আছে?” মুখঝামটা দিল নেহা, ”এরকম গরিব হয়ে আমি বাঁচতে পারব না। তা ছাড়া…!”

    ”তাছাড়া?”

    ঠোঁট কামড়ে ধরল নেহা, ”আমার পার্লারের কাজটা চলে গেছে।”

    ”সেকী! কেন?” রাহুল ধড়মড় করে উঠে বসল।

    ”কয়েকটা জিনিস সরিয়েছিলাম, টের পেয়ে গেছে। পুলিশে ফোন করতে যাচ্ছিল, আমি হাতে-পায়ে ধরে…!” কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে ঝাঁজিয়ে উঠল নেহা, ”আমার হেয়ার ড্রায়ার, হেয়ার স্ট্রেইটনার বাড়িতে দরকার হয়। আমি আনব না? শালি শয়তান কোথাকার!”

    রাহুল চুপ করে থাকে। কী বলা উচিত সে মনস্থির করতে পারে না। দোলাচলে ভুগতে ভুগতে সুন্দরী প্রেমিকাকে সমর্থন করাটাই শেষে সে উচিত বিবেচনা করে।

    ”ঠিকই তো! বাদ দাও। তোমার কামধান্দার অভাব হবে না মেরি জান!”

    নেহা বিরক্ত মুখে বলে, ”আরে এরকম কাম আমার আর ভালো লাগছে না। মোটা দাঁও মারতে হবে, বুঝলে?”

    ”কীভাবে?”

    সেদিন হোটেলে বাকি রাতটা নেহা প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে কাটায়। দরজায় দরজায় ঘুরে কসমেটিকস বিক্রির সেলস গার্লের কাজ এখন খুব পাওয়া যাচ্ছে। ও তাতেই ঢুকবে। জাল বিছোবে।

    নিজের মুরগি খুঁজে পেতে নেহার খুব বেশি দিন দেরি হয় না। একদিন শপিং মলে দাঁড়িয়ে মহিলাদের প্রসাধনী দ্রব্যের ডেমো দেওয়ার সময় ওর চোখে পড়ে যান মেঘা দেশপান্ডে।

    ”বাপ রে! কী দামি গাড়ি!”

    নেহা মিসেস দেশপান্ডের সামনে গিয়ে আলতো ঝুঁকে অভিবাদন জানায়, ”হ্যালো ম্যাডাম!”

    ”হ্যালো!” মেঘা দেশপান্ডে ব্যস্ত পায়ে স্টোরে ঢুকতে যাচ্ছিলেন, নেহা বলে, ”একটা খুব ভালো অ্যান্টি রিঙ্কল ক্রিম এনেছে আমাদের কোম্পানি। আপনার স্কিনে ভীষণ ভালো স্যুট করবে। একবার দেখবেন ম্যাম?”

    ”নো থ্যাঙ্ক ইউ!” মিসেস দেশপান্ডে এগিয়ে গেলেন। তিনি বিদেশি প্রসাধনী ছাড়া কিছু ব্যবহার করেন না।

    কিন্তু নেহা হাল ছাড়ার পাত্রী নয়। ক্রমাগত মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে জপিয়ে ফেলল মেঘা দেশপান্ডেকে। তারপর বলল, ”আমাদের কোম্পানি থেকে আপনাদের মতো হাই ভ্যালু কাস্টমারদের জন্য বাড়ি গিয়ে ফ্রি ডেমো দিচ্ছে, ম্যাম। এই সুযোগ প্লিজ ছাড়বেন না। আপনার ঠিকানাটা দেবেন?”

    ”আমি—আমি তো বাড়িতে সেভাবে থাকি না। আমার মা আর মেয়ে থাকে!” দোনোমনা করে জবাব দেন মেঘা।

    চকিতে বিদ্যুতের ঝিলিক খেলে যায় নেহার চোখে, ”কেন ম্যাম, আপনার হাজব্যান্ড?”

    ”উনি বিদেশে থাকেন!”

    ”কোনো ব্যাপার নয়, ম্যাম! আমরা ছুটির দিন যাব। কাইন্ডলি আপনার অ্যাড্রেসটা!”

    নেহা ছুটতে ছুটতে বাড়িতে আসে। রাহুলের সঙ্গে গোটা পরিকল্পনা ছকে নেয়। কাজের সুবিধার জন্য রাহুল নিজের আরেক বন্ধু মনোজকে সঙ্গে নেয়। তারপর কী হয়, সেটা তো আগেই বলেছি।

    পুরোপুরি অনভিজ্ঞ হয়ে তিন-তিনখানা খুন, অত বড়ো ডাকাতি করেও নেহা, রাহুল, মনোজ কোনো ভুল করেনি। শুধু গণ্ডগোল পাকায় রাহুলের পায়ের গুলিটা। রাত বাড়তে থাকে। রাহুলের মুখ যন্ত্রণায় বেঁকে যায়।

    এত আনন্দের দিন, কিন্তু নেহার চোখ দিয়ে জল পড়ছে দরদর করে। রাহুলকে ও সত্যিই ভালোবাসে। টাকা-গয়নার ব্যাগ সরিয়ে রেখে ও ভাবতে থাকে, কী করা যায়।কোনো সরকারি হাসপাতাল বা ডাক্তারের কাছে যাওয়া যাবে না, তাহলেই ধরা পড়ে যাবে। তাহলে?

    ভাবতে ভাবতে হঠাৎ নেহার মনে পড়ে যায় পাড়ার এক হাতুড়ে আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের কথা। কেউ একজন অচেনা লোক রাতের অন্ধকারে গুলি ছুঁড়েছে এইসব স্তোকবাক্য দিয়ে সেই ডাক্তারকে ভোলায় নেহা।

    কিন্তু সেই ডাক্তার ক্ষত দেখে চমকে ওঠে, ”এ আমি বের করতে পারব না। অনেক ডিপে ঢুকেছে গুলি। অপারেশন করে বের করতে হবে। না হলে সেপটিক হয়ে যাবে!”

    অগত্যা কোনো উপায়ান্তর না দেখে নেহা রাহুলকে নিয়ে ছোটে এক বেসরকারি নার্সিং হোমে। সেখানে বের করা হয় গুলি।

    ওদিকে মেঘা দেশপান্ডের এক প্রতিবেশী দরজার নীচ দিয়ে রক্ত বেরোতে দেখে খবর দেন পুলিশে। ইন্দোর পুলিশ এসে দরজা খুলে ভেতরে বীভৎস দৃশ্য দেখে চমকে ওঠে।

    দিনেদুপুরে শ্রীনগর এলাকার মতো জায়গায় তিন-তিনজনকে বাড়িতে খুনের মতো ঘটনায় গোটা শহরে হইচই পড়ে যায়। সিকিউরিটি ক্যামেরা নেই, কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই, রক্তের স্যাম্পল, ফিঙ্গারপ্রিন্ট—সব কালেক্ট করেও পুলিশ কোনো ক্লু পায় না।

    ওদিকে বিধ্বস্ত নিরঞ্জন দেশপান্ডে দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তিতে টলে যাচ্ছে ইন্দোর রাজ্যের মন্ত্রীসভাও। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রবল চাপাচাপিতে পুলিশের বড়োকর্তা বিশেষ টিম গঠন করলেন। তাও কোনো কিনারা পাওয়া যাচ্ছে না। বন্দুক থেকে দুটো গুলি বেরিয়েছে, পাওয়া যাচ্ছে না দ্বিতীয় গুলিটাও।

    হঠাৎ ইনভেস্টিগেশন অফিসারের মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে যায়। তিনি আদেশ দেন, ”শহরের সব ছোটো-বড়ো নার্সিং হোম ট্র্যাক করো। গত কয়েকদিনে কি কেউ গুলি বের করতে ভরতি হয়েছিল?”

    অবশেষে খুনিরা ধরা পড়ে। রাহুলের নামে পুলিশের খাতায় আগেও ক্রাইম রেকর্ড ছিল, মিলে যায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকে রক্তের নমুনাও। নেহা, রাহুল আর মনোজ যত সতর্কতার সঙ্গেই কাজ সারুক, শেষরক্ষা হয় না। টাকাপয়সা, গয়না সব মেলে নেহার বাড়িতে।

    সুন্দরী নেহা বার্মার মতো খুনির ধরা পড়ার সংবাদে গোটা শহরে আলোড়ন পড়ে যায়। পুলিশ ৫৮ পাতার চার্জশিটে আদালতকে জানায়, তিন প্রজন্মের তিন মহিলার সারল্যের সুযোগ নিয়ে বাড়ি ঢুকে ডাকাতি ও খুন করেছে ওই তিনজন।

    সব খতিয়ে দেখে ২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর বিচারপতি ডি. এন. মিশ্র ‘‘rarest of the rare case’’ ঘোষণা করে তিনজনকেই ফাঁসির আদেশ দেন। পরে সেই সাজা বদলে যায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে।

    আদালতে নেহা বার্মার ট্রায়াল চলার সময় ভিড় উপচে পড়ত। রাহুল বা মনোজের মতো ছেলেছোকরা ঠিক আছে, কিন্তু নেহার মতো একজন ধোপদুরস্ত সুন্দরী তেইশ বছরের যুবতি যে এভাবে তিনজনের প্রাণ নিতে পারে, তা যেন বিশ্বাস করতে পারছিল না কেউ!

    চমকের আরও বাকি আছে। জেলে থাকার সময় নেহা বার্মা জারদৌসি শাড়ির কাজ শিখে আরও অনেক মহিলা বন্দিকে স্বনির্ভর করার জন্য বছর দুয়েক পর জাতীয় পুরষ্কার পায়। এছাড়া সে জেলে সবাইকে বিউটি টিপস দিত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে শেখাত। সে হল দেশের আটজন মহিলা বন্দির মধ্যে একজন, যে জাতীয় স্তরে পুরস্কৃত হয়েছে।

    তার সেই প্রেমিক রাহুল কোথায়? কে জানে!

    প্রতিভা থাকলে সেটা ভালোদিকে লাগানোও বড়ো জরুরি হয়ে পড়ে! না হলেই সর্বনাশ! আকাঙ্ক্ষা হোক বা লোভ, কোনো কিছুই যে মাত্রাহীন হওয়া ভালো নয়, তা নেহার মতো মেয়েরা বারে বারে আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে যায়।

    ***

    ⤶
    1 2 3
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃষ্ণসিন্ধুকী – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article গন্তব্য এখনো এক সভ্যতা দেরি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }