Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প186 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জন্মভূমি মাতৃভূমি – ৬

    ৬

    ভারতবর্ষে নতুন স্কুল সেশন শুরু জানুয়ারিতে। আসতে আসতে সুদীপদের কিন্তু মার্চ হয়ে গেল। অন্তত শ্বশুর-শাশুড়ির জন্যেও নিউ ইয়র্কের শীতটা এড়াতে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু এত বিলিব্যবস্থা করার ছিল যে শেষ পর্যন্ত সেটা সম্ভব হয়ে উঠল না। ফলে, পুরো শীতটা ওঁরা অ্যাপার্টমেন্টে বন্দী হয়ে কাটালেন। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ-এ একেবারে সরাসরি যাত্রার বন্দোবস্ত করতে হল। ওঁদের স্বাস্থ্যে কুলোচ্ছে না। ইউনাইটেড স্টেটস, মেক্সিকো, কানাডার কিছু কিছু ঘুরেই ওঁরা ক্লান্ত। সুদীপের ইচ্ছে ছিল ইউরোপের কিছু কিছু ঘুরে যাবেন, হল না। বাবু বলে প্রকৃত উত্তর আমেরিকা মহাদেশ ছড়িয়ে আছে মাইলের পর মাইল কৃষিজমি, খামার আর গ্রামাঞ্চলে। মরুভূমি, প্রেইরি, অরণ্য আর পর্বতে। এসব না দেখলে শুধু কয়েকটা স্কাই-স্ক্রেপার আর মিউজিয়াম দেখলেই উত্তর আমেরিকা দেখা হয় না। মনুষ্যসৃষ্ট বিস্ময়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হল ল্যান্ড আর প্রকৃতির বিস্ময়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নায়াগ্রা। তা এই দুই বিস্ময়বিন্দু সোমনাথ আর যূথিকা দেখে এসেছেন। ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক আমেরিকা এমন কি ইয়োরোপ পরিদর্শন করবারও উৎসাহ তাঁদের নেই।

    —‘চেষ্টা করলেও বিশাল এই পৃথিবীটার কতটুকু দেখতে পারবো বল তো?’

    —‘যেটুকু দেখার সুযোগ পেলে সেটুকুও তো দেখলে না’, দাদাইয়ের কাছে অনুযোগ করেছিল মণি।

    —‘আমার হল বিন্দুতে সিন্ধুদর্শন ভাই!’

    —‘মানে?’ দাদাই ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিতে মণি বলল— ‘ওসব কুঁড়েদের একসকিউজ। তোমাদের সমস্ত শাস্ত্র ভর্তি শুধু কুঁড়ে আর অকর্মাদের জন্যে এক্সকিউজ লেখা আছে।’ যূথিকা কিছু বলেন না, খালি হাসেন।

    —‘দেখো দিদিমা, দেখো, কত রুমাল উড়ছে।’ আরাত্রিকা বলল। এতক্ষণে নড়ে চড়ে বসলেন দিদিমা। সারাক্ষণই ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন। যাবার সময়ে নাকি কোল্ড ড্রিঙ্কস্ ছাড়া কিছুই খাননি। প্লেনে উঠলেই দিদিমার গা-বমি করে, কেমন গন্ধ লাগে। এবারে তাই কমলিকা সন্দেশ, বিস্কিট এইসব শুকনো খাবার নিয়ে এসেছেন। আরাত্রিকা বলল— ‘দেখো দিদিমা, অ্যাবাউট দা মিড্‌ল্ যে রুমালগুলো উড়ছে ওইগুলো আমাদের।’ হাসিমুখে দিদিমা বললেন—‘কী করে বুঝলি?’

    —‘গেস।’

    ছবছর আগে যখন এসেছিল তখন দাদু, বড় জ্যাঠা, টুলটুলদি, বড় পিসি, রূপকদা, ন কাকা, ন কাকী, ছোট কাকা অনেকে এসেছিল। দুটো গাড়ি ভর্তি করে। মামা-মামীও ছিলো সেবার। লাউঞ্জে ওদের ঘিরে রীতিমতো জনতা। তখন শীতকাল। সে হলুদ রঙের স্ন্যাকস্, ডাফ্‌ল্ কোট আর হলুদ টুপি পরে প্লেন থেকে নেমেছিল। ন কাকিমা জড়িয়ে ধরে বলেছিল— ‘সেজদিভাই তোমার মেয়েটা তো দিব্যি গাবলুগুবলু হয়েছে!’

    মা হেসে বলেছিল—‘ওরা শীতকালে মোটা হয় রীণা, কোট খুলে নিলেই পাঁজরা বেরিয়ে পড়বে।’

    সত্যি তখন আরাত্রিকা ভীষণই রোগা ছিল। ন কাকিমার গায়ে কি সুন্দর গন্ধ একটা। ভারতবর্ষের গন্ধ। ন কাকিমাকে আর টুলটুলদিকে দেখতে পাবে বলে উত্তেজনায় ওর পেটের ভেতরটা কেমন করছে। আগেরবারে অবশ্য আনন্দে কোনও খাদ ছিল না। এবারে সামান্য, খুব একটু মন খারাপ। ব্যাথশেবা ফ্যাঁচফ্যাঁচ করে কেঁদেছিল—‘আমরা একসঙ্গে ডিগ্রি নিতে যাবো না স্কুল গ্র্যাজুয়েশনের? হাউ জুয়েল অফ য়ু!’ স্টীভ বলেছিল—ওর স্কুল ডেজগুলো নাকি মাটি হয়ে গেল আরাত্রিকার জন্য।

    জীবনে এই দ্বিতীয়বার উৎপাটিত হল আরাত্রিকা। হিউসটনে ওয়েস্টবেরি স্কুলে ছোট থেকে শিক্ষা-দীক্ষা। সবরকম স্কুল-অ্যাকটিভিটিতে যোগ না দিলেও খুব জনপ্রিয় ছিল ও ক্লাসে। নাইন্‌থ্ গ্রেডে চলে এলো নিউ ইয়র্ক সেন্ট্রাল। মানিয়ে নিতে সময় গেছে। টীচাররা কেউ কেউ গোলমেলে ছিলেন। মিঃ স্যামুয়েল ছিলেন দারুণ উন্নাসিক। অঙ্ক দ্বিতীয়বার বুঝিয়ে দিতে বললে নাকে কি রকম একটা শব্দ করতেন। ওরা নাম দিয়েছিল ‘স্মর্টিং স্যাম।’ একদিন রেগে মেগে স্কুল কাউন্সেলর এমিলি ফার্গুসনের কাছে চলে গিয়েছিল ও। তারপর থেকে বরাবর মিসেস ফার্গুসন ওকে রক্ষা করে এসেছেন। অন্য টীচারের ক্লাসে পাঠিয়েছেন ওকে। একটু দেরি হলেও নিউ ইয়র্ক সেন্ট্রালের বন্ধুত্বগুলো আরও পাকা। বিশেষত স্টীভ আর ব্যাথশেবার সঙ্গে সম্পর্ক কোন দিনই নষ্ট হবে না। মিসেস ফার্গুসনের ঠিকানাও নিয়ে এসেছে ও।

    নামতে নামতে আরাত্রিকা বুঝতে পারল সে খুব উত্তেজিত হয়ে আছে। সে একা নয়। মা-ও, বাবা-ও। দিদিমা আর দাদাই খালি ওসব অনুভূতি থেকে মুক্ত। চুপিচুপি সে দিদিমাকে জিজ্ঞেস করল কেমন লাগছে এখন।

    দিদিমা বললেন—‘হাঁপ ছেড়ে বাঁচলুম আর কি!’

    —‘কেন দিদিমা ও দেশ তোমার ভালো লাগেনি?’

    —‘ভালো লাগবে না কেন ভাই! তবে বেড়িয়ে-টেড়িয়ে তোমাদের আঁচলে বেঁধে নিজের জায়গায় ফিরে আসতে আরো ভালো লাগছে।’

    কাস্টম্‌স্ চেকিং, কাগজপত্র দেখাদেখি, লাগেজ ক্লিয়ারেন্স, ছোটকাকা, ছোট কাকিমা, টুলটুলদি, ইস্‌স্ কি বড় হয়ে গেছে! পুঁচকে মতন ওটা কে রে? ছোটন? আগেরবারে ওনার পৃথিবীতেই আগমন হয়নি। আরাত্রিকা একছুটে গিয়ে টুলটুলের হাত ধরল। ‘হা-ই!’

    সুদীপ বললেন, ‘বাবা কই?’

    —‘বাবা আসতে চাইলেন না। টাইমটা অড তো! কতক্ষণে তোমরা ছাড়া পাবে, ফিরতে কত রাত হবে! ন বউদিও বারণ করল। চলো ও বাড়িতে, বুড়ো-বুড়িদের সঙ্গে দেখা করে, তারপর আমার ওখানে যাবে।’

    সুদীপ বললেন—‘তোর ওখানে বলতে?’

    সুকৃত বলল—‘বালিগঞ্জে ওনারশিপ ফ্ল্যাট কিনেছি। মাস দেড়েক হল শিফট করেছি। তোমাকে সারপ্রাইজ দোব বলে আর বলিনি।’

    সুদীপ বললেন—‘ভালো করেছিস। বউবাজারে তো আগে চল। তারপর কোথায় থাকবো না থাকবো দেখা যাবে।’

    বউবাজারে দোতলায় কোণাকুনি ঘরটা সুদীপদের। দক্ষিণ খোলা। জানালার শার্শিগুলো লাল, নীল, সবুজ। কাচের মধ্যে দিয়ে রোদ ঘরে ঢুকলেই ঘরটা সমুদ্রের তলা। সুদীপের বিয়ের আগে ওটা মা বাবার ঘর ছিল। খুব ছোটবেলায় পালঙ্কের ওপর উপুড় হয়ে শুয়ে মা বাবার চিঠি পড়ছেন, জেল থেকে আসা চিঠি। লাল নীল সবুজ আলোয় ঘরটা ভাসছে, দুলছে। মা তার মধ্যে দুঃখিনী জলকন্যা।

    আরাত্রিকা জিজ্ঞেস করলো ‘বাবা গরুর গাড়ি দেখছি না তো! আর রিক্সা!’ সুকৃত হেসে বললেন—‘ভি-আই পি রোডটা পার হতে দাও। তারপর শুধু গোরুর গাড়ি আর রিকশাই দেখবে মা! আমাদের এই গাড়িটাও গরুর গাড়িই হয়ে যাবে মন্ত্রবলে।

    সুদীপ বললেন—‘কেন রে, জ্যাম নাকি?’

    —হচ্ছে রোজই। দেখো তোমাদের লাক কি বলে!’

    কমলিকা ছিলেন মা-বাবার সঙ্গে পেছনের ট্যাকসিতে। সুকৃত বলেছিলেন একেবারে ওঁদের ভবানীপুরের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে বউবাজারে যাবেন। সোমনাথবাবু ঘোর আপত্তি জানালেন। অতটা পথ উজিয়ে গিয়ে আবার ফিরতে হবে। বেয়াই-মশাই জেগে থাকবেন। কমলিকার একবার মনে হল বলেন মা-বাবা একা একা অতদূর যাবেন। তিনি না হয় আজ মণিকে নিয়ে ওঁদের সঙ্গেই চলে যান। ইচ্ছেটা প্রকাশ করতে সোমনাথবাবু বললেন—‘না খুকি, সেটা ঠিক হবে না।’ মানিকতলার মোড়ে পৌঁছে পেছনের ট্যাকসি থেকে কমলিকা সামনে সুকৃতের গাড়িতে চলে এলেন। বেশ ঠাসাঠাসি হয়ে গেল। তিনি কল্পনায় দেখছিলেন বউবাজারের চকমিলোনো বাড়ির কোথাও একটা পাঁচিল উঠেছে। পঁচিলটা ঠিক কোথায় উঠতে পারে এই স্থাপত্য সমস্যাটা আপাতত তাঁকে খুব ভাবাচ্ছিল। তাঁর ঘরটা কি রীণা এখনও গুছিয়ে, তালা দিয়ে রাখে? সুদীপ জেদ ধরলে ওখানেই থেকে যেতে হবে। বাথরুম একতলায়। গাড়িটা দুতিনবার লাফিয়ে উঠল। মাথার তালুতে ঘা খেয়ে প্রথমটা আরাত্রিকা হেসে উঠেছিল, দ্বিতীয়বার ‘আউচ্’ বলে থেমে গেল। বেশ চোখ গোল গোল করে চারিদিকে চেয়ে চেয়ে দেখছে মেয়ে। পেভমেন্টে খালি ঝুড়ি মাথার কাছে নিয়ে চিৎপাত হয়ে ঘুমোচ্ছ মাথায় বিঁড়ে এক মজুর। সার্কুলার রোড আড়াআড়ি পার হয়ে গেল কুঁজঅলা হাতির মতো একটা ষাঁড়। জানলা দিয়ে গলা বাড়িয়ে সেটার গতিপথ খুব কৌতূহলের সঙ্গে নিরীক্ষণ করল আরাত্রিকা। মানুষের ভারে একদিকে কাত হয়ে কাতরাতে কাতরাতে গেল একটা বাস। আরাত্রিকা বলল—‘হাউ ডেঞ্জারাস! বাবা, বাসটার কী হবে?’

    সুকৃত বললেন—‘ভয় নেই রে! অ্যাকসিডেন্ট হবে না, কলকাতার ড্রাইভাররা দারুণ এক্সপার্ট!’ ট্রাফিক লাইটে গাড়ি থেমে। একদম নাঙ্গা একটা জটাজুটধারী পাগল হাতে একটা বাঁখারি নিয়ে লাফিয়ে গাড়ির জানালার কাছে এসে দাঁড়াল, বাঁখারি নেড়ে নেড়ে চিৎকার করে করে বক্তৃতা দিতে আরম্ভ করল—‘দিদিরা, মায়েরা, এ দেশের জন্যে কিস্যু করবেন না আর। কি না করেছে এ শর্মা। গঙ্গার ওপরে ক্যান্টিলিভার পুল, ময়দানে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল, জনতা কাপড়, সয়াবীনের মাংস, মাদারের দুধ ··· তবু এদেশের আম-জনতা আমায় ভোট দিলে না। ধারে কাঠ হয়ে বসেছিলেন কমলিকা। সুকৃত মুখ না ফিরিয়ে বললেন—‘ভয় পাবেন না সেজ বউদি, যা হোক কিছু পয়সা-টয়সা হাতে ফেলে দিন, এই ভোট পাগল আসলে খুব নিরীহ।’ ব্যাগ থেকে কিছু বার করবার সাধ্য কমলিকার ছিল না। তিনি ভয়ে সিঁটকে ছিলেন। ওদিক থেকে সুকৃতের স্ত্রী নীতা হাত বাড়িয়ে একটা দশ পয়সার কয়েন দিল, পাগলের হাতে সেটা দেবামাত্র সে নোংরা দু হাত বাড়িয়ে কমলিকার হাত দুটো জড়িয়ে ধরল—‘দিলেন দিদি? ভোটটা শেষ পর্যন্ত দিলেন তাহলে? রে রে রে রে ···’ বাঁখারি হাতে ট্রাফিকসঙ্কুল রাস্তার মাঝখানে পাঁই পাঁই করে ছুটে গেল পাগল। কমলিকা কাঁদো-কাঁদো গলায় বললেন—‘সুকৃত তুমি যে বললে ও নিরীহ পাগল!’ আরাত্রিকা এতক্ষণ অবাক হয়ে দেখছিল, এখন বলল—‘মম্‌স্, ওনলি লুক অ্যাট দ্যাট ট্র্যাজিক কমেডিয়ান। হাতটা ধুয়ে নিলেই তোমার হাতের ময়লা চলে যাবে। বাট দ্যাট ম্যান! কাকু! ওর একটা ব্যবস্থা করা যায় না?’

    সুকৃত হেসে বললেন—‘ওর ব্যবস্থা হয়েই আছে মা।’

    —‘কী ব্যবস্থা কাকু?’

    নীতা বলল,—‘তুমি চুপ করো তো! না রে মণি, ওর কিছু হবে না। ও নিজে নিজেই আবার নিজের আস্তানায় ফিরে যাবে।’

    আরাত্রিকা চুপ করে গেল। টুলটুল বলল—‘তুমি আমার হাতটা এত জোরে চেপে ধরেছো কেন মণি? ভয় পেয়েছো?’

    হাতের মুঠো আলগা করে আরাত্রিকা জানাল—না।

    বিবর্ণ দরজার ঠিক মুখটাতে বাঁ ধার ঘেঁষে একটা ছোটখাটো জঞ্জালের ঢিবি।

    দুটো তিনটে বেশ সবল নেড়িকুত্তা সেখানে ঘনঘন ল্যাজ নাড়তে নাড়তে মনোমত খাবার-দাবার খুঁজছে। আশপাশের বাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। সহদেববাবু রোয়াকে দাঁড়িয়েছিলেন। কমলিকার ইঙ্গিতে আরাত্রিকা নেমে দাদুকে প্রণাম করল।

    সহদেববাবু বললেন—‘তোমরা তো তাড়াতাড়িই এসে গেছ।’

    সুকৃত বললেন—‘হ্যাঁ, ফরচুনেটলি।’

    গাড়ির শব্দে ভেতর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে এসেছিল কয়েকজন। আরাত্রিকা দেখল বাবলুদা অনেক রোগা আর লম্বা হয়ে গেছে, চিনতে পারা যাচ্ছে না এত বদলে গেছে। সুমনের ঠোঁটের ওপর পাতলা গোঁফের আভাস। ও-ও পাল্টে গেছে।

    সুদীপ দেখছিলেন তাঁর ছেলেবেলা, কৈশোর এবং যৌবন। শীতকালের দুপুরে ক্রিকেট খেলা হত রাস্তায়। মুস্তাফিদের বাড়ির বারান্দার ওপর কাচ আজও তেমনি ভাঙা। সুদীপের বাউন্সারে পুলকের ওভার-বাউণ্ডারি। দোতলার কার্নিশ থেকে লম্বা হাত বাড়িয়েছে বেশ পুষ্ট একটা অশথ। বারান্দাটা এত সরু আগে কখনও মনে হয়নি। ঝুলিয়ে কাপড় শুকোতে দেবার কর্মটি ছাড়া আর কোনও ব্যবহারিকতা নেই এ বারান্দার। সিমেন্ট চটা ভাঙা উঠোনের এক ধারে এঁটো বাসন। রোয়াক থেকে উঠোনে যাবার সময়ে দরজার মাথা থেকে ঘুণ ধরা কিছু বালি, কাঠের গুঁড়ো মাথার ওপর ঝরে পড়ল। এই ষোল বছরে বোধহয় একবারও বাড়ির গায়ে হাত পড়েনি। রীণা বেরিয়ে এলো, পেছনে সুমিত, খুব সম্ভব খাচ্ছিল, ডানহাতটা মুঠো করে আছে।

    রীণা বলল, ‘মণি কই? আরে ওই তো মণি? এত্তো লম্বা!’

    টুলটুলকে হাত বাড়িয়ে ধরে আরাত্রিকা বলল, ‘টুলটুলদিও তো লম্বা হয়ে গেছে কাকিমা।’ ওর মুখে লজ্জা। অনেকদিন পর পুরনো মানুষদের নতুন করে দেখার লজ্জা।

    সুদীপ বললেন, ‘বড়দা মেজদাকে দেখছি না?’

    রীণা বলল, ‘আছেন কোথাও। রাত তো মন্দ হল না।’

    সহদেববাবু বললেন, ‘যাও, বড়মার সঙ্গে দেখা করে এসো খোকা।’

    রীণা বলল, ‘মণি, জুতো খুলে যেও, হ্যাঁ!’

    ‘ও হ্যাঁ’, আরাত্রিকা নীচু হয়ে জুতো খুলতে লাগল।

    বড়মা ছিলেন ভাঁড়ার ঘরে। উঁচু তক্তাপোশের একদিকে বিছানা; চারপাশে কৌটো-বাটা, খবরের কাগজের তাড়া। শুয়ে ছিলেন ওপাশ ফিরে। কমলিকা ভয়ে ভয়ে বললেন, ‘রীণা, ঘুমটা না-ই বা ভাঙালাম।’

    এইটুকু শব্দেই এ পাশ ফিরলেন বৃদ্ধা। আস্তে আস্তে উঠে বসে চশমা তুলে নিলেন।

    ‘এসো, এসো, থাক থাক,’ সবাইকার প্রণামের উত্তরেই ওই একই কথা।

    সুদীপ বললেন, ‘বড়মা, চিনতে পারছো তো!’

    ‘পারছি বই কি! যাও বিশ্রাম করো গিয়ে।’

    বাইরে বেরিয়ে রীণা চুপি চুপি বলল, ‘আমাদের সঙ্গে রিলেশন ভালো না সেজদিভাই, কিছু মনে কর না।’

    ‘তাই বড়দা মেজদা, দিদিদের কাউকে দেখছি না?’ আরাত্রিকার কান বাঁচিয়ে বললেন কমলিকা।

    ‘তাই-ই।’

    সুদীপের দিকে তাকিয়ে দেখলেন মুখটা কালো হয়ে গেছে। মনে কেমন একটা আত্মপ্রসাদ হল তাতে। বোঝ এখন! দূর থেকে ভূগোলক খুব নিটোল সুন্দর মনে হয়। কাছে এলে বোঝা যায় কত খানা-খন্দ, কত বিপজ্জনক ঢাল!

    দোতলায় রীণার ঘরে এসে বসলেন সবাই। আরাত্রিকাকে দেখা গেল না। টুলটুলদের সঙ্গে কোথায় অদৃশ্য হয়েছে। সুদীল বললেন, ‘তোরা তো এসব কিছু লিখিসনি, সুমিত?’

    ‘এসব ফ্যামিলি পলিটিকস নিয়ে তোমাদের বিব্রত করতে কি ইচ্ছে করে? আসলে বরাবরের মতো আসছো শুনে ওদের ভয় হয়েছে ভাগীদার আরও একজন বাড়ল।’

    ‘অর্থাৎ?’

    সহদেববাবু বললেন, ‘দাদা আমি উভয়ে বাড়িটা করেছিলাম। ইদানীং পার্টিশনের ব্যাপারে দাদার কাগজপত্র নাড়াচাড়া করতে করতে দাদার হাতে লেখা একটা উইল পাই। উইলে দাদা তাঁর নিজের অংশ পুরোপুরিই আমাকে লিখে দিয়ে গেছেন। আমি যা ভালো বুঝব তাই করব এই ছিল তাঁর শেষ ইচ্ছা। উইল মিথ্যা প্রমাণ করতে সুধী মামলা করে। পারেনি কিছু করতে। আমি বৌঠানকে বহুবার বলেছি ওঁদের কোনও ভাবনা নেই। আমি এ বাড়ি সমান পাঁচ ভাগ করে দিয়ে যাবো। কিন্তু তাতে ওদের ভীষণ আপত্তি। দাদার আর আমার অংশ সমান দু ভাগ হলে ওরা দুজন, আর তোমরা তিনজন, সুতরাং ওরা সামান্য কিছু ইট-কাঠ বেশি পায়, এই আর কি।

    সুদীপ বললেন, ‘জ্যাঠামশাই এরকম অদ্ভুত কাণ্ডটাই বা করতে গেলেন কেন?’

    সহদেববাবু থেমে থেমে বললেন, ‘বাড়িটা তো বলতে গেলে আমারই করা। তোমাদের ঠাকুর্দাদার আমলে এখানে একটা মাঠকোঠা ছিল, সেটা বন্ধক ছিল ওঁর কাছে। সে ধার শোধ হয়নি। বন্ধকও ছাড়াতে পারেনি খাতক। সেই সূত্রে জমিটা আমরা পাই। একটু একটু করে এই বাড়ি তুলি আমরা। সে সময়ে আমার বিয়েও তো হয়নি। রোজগারের সমস্ত টাকা দাদার হাতে তুলে দিয়েছি। বাড়ি করবার জন্যে ইনসিওরেন্স থেকে লোন নেওয়া, প্রভিডেণ্ট ফাণ্ড ভাঙানো, উপরি রোজগারের জন্য শেয়ার মার্কেটের দালালি করা সবই করেছি। উপরন্তু তোমার মায়ের গয়না পর্যন্ত দিয়েছি। দাদার কনট্রিবিউশন খুব সামান্যই ছিল।’

    ‘বড়মা এটা জানেন?’ সুদীপ বললেন।

    ‘জানেন না? ভিত্ হল তোমাদের ঠাকুরমার গয়না-বিক্রির টাকা দিয়ে। তিনিই সে সময়ে বলেছিলেন বউঠানকে “বাড়ি লক্ষ্মী, দরকার হলে তোমার গয়না দিও ছেলেদের, আমি যেমন দিলুম।” তখনও তো তোমার মা আসেননি। দোতলাটা যখন টাকার অভাবে আটকে গেল, দাদা গয়নাটা আগে বউঠানের কাছেই চেয়েছিলেন। তখনকার বাজারে লাখ দেড়েক টাকার গয়না তো বউঠানের ছিলই। উনি তো কিছুতেই দ্যাননি! তোমাদের মা দিলেন। সে যাই হোক, আমি ওঁদের ইচ্ছেমতো ভাগাভাগি করতে চেয়েছি। কিন্তু ছেলেরা আমায় করতে দ্যায় না।’

    সুজিত বললেন, ‘যা হকের, বাজে চাপে পড়ে তা ছাড়ব কেন? আমার মায়ের গয়না ইঁট কাঠে কনভার্টেড হয়ে গেছে, আমরা তাই-ই নেবো। ওদের মায়ের দেড় লাখ টাকার গয়না আজকের ভ্যালুয়েশনে কত দাঁড়ায়, ভেবে দ্যাখো তো! বেশি ত্যাণ্ডাই-ম্যাণ্ডাই করলে আমি বড়দিকে, ছুটকিকেও ইনভল্‌ভ্ করবো, জ্যাঠামশাইয়ের সম্পত্তিতে ওদেরও লীগ্যাল শেয়ার আছে, কি বলো দাদা!’

    সুদীপ খুব বিষণ্ন মুখে বললেন, ‘এখুনি এতো সব ভাবতে পারছি না। আমি ওদের একবার ডেকে দেখি। এতদিন পর এলুম।’

    সুমিত মুখ নীচু করে আছে। সুদীপ, কমলিকা দুজনেই দালানে বেরিয়ে গেলেন। সুদীপ চেঁচিয়ে ডাকলেন, ‘বড়দা! মেজদা! বউদি সব কোথায় গেলে?’

    বেশ কিছুক্ষণ পরে ঘুম চোখে উঠে এলেন সুধীন, কোমরে লুঙ্গি। খালি বুকে কাঁচাপাকা চুল।

    ‘আরে সুদীপ যে! তোরা আসছিস জানতুম না তো! তাই কিছুক্ষণ আগে একটা গাড়ির আওয়াজ পেলুম?’

    ‘মেজদারা কোথায়? বউদি?’

    ‘সুবীররা সিমলেয় গেছে। মেজ বউয়ের মায়ের খুব বাড়াবাড়ি। তোর বউদির শরীরটা খারাপ। শুয়ে পড়েছে।’

    সুদীপ কমলিকা দালানের বাঁকে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।

    সুমিত বললেন, ‘এটা মেজদা ঠিক করল না।’

    সহদেববাবু বললেন, ‘কি জানি। হয়ত এর থেকে তোমাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে যেতে পারে।’

    সুদীপ অস্বস্তির সঙ্গে দেখলেন বউদির কিরকম থপথপে ফোলা ফোলা চেহারা।

    ‘কি খবর বউদি! কতদিন চিঠিপত্র দাও না।’

    ‘আমাদের আর থাকা!’ সুধীন বললেন, ‘বেঁচে আছি এই পর্যন্ত।’

    মাধুরী বললেন, ‘দ্যাখো না শরীর, সমানে জল হয়। এখানে ওখানে টিউমারের মতো। ভালোয় ভালোয় বুলিটার বিয়ে হয়ে গেছে, এইটুকুই ভালো খবর। তা তোমরা কি এখানেই থাকবে?’

    কমলিকা দৃঢ় গলায় বললেন, ‘না, আমরা সুকৃতের ওখানে যাচ্ছি।’

    সুদীপ একবার তাঁর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘তাহলে আপাতত আমরা আসছি বউদি। আপনার শরীরে জল হবার ব্যাপারটা আমাকে ভাবাচ্ছে। শীগগিরই এর একটা ব্যবস্থা করতে হবে।’

    ডালহৌসিতে পড়ে সুদীপ সুকৃতকে বললেন, তুই ফ্ল্যাট ট্‌ল্যাট করলি কি এই জন্য?’

    যাক, বুঝেছ তাহলে! ফ্যামিলি পলিটিকস অতি মারাত্মক জিনিস সেজদা। বাড়ির ছোটদের, বউদের কুরে কুরে খেয়ে দেয়। তাই বাড়ি ভাগ-টাগের ব্যাপারে বোকামি করছি জেনেও দূরে সরে গেছি। সুদীপ মৃদুস্বরে বললেন, ‘আস্তে বল, একজন আছে।’

    ‘ওসব কথা এখন থাক না’, গলা চড়িয়ে সুকৃত বললেন, ‘মণি, কলকাতা কীরকম লাগছে মা?’

    আরাত্রিকা বলল, ‘বড্ড গরম কাকু! আর বড্ড ধুলো।’

    ‘মেট্রো রেল হচ্ছে তো! একটু আধটু ধুলো টুলো উড়বেই। পরে শুনেছি বিলেত-আমেরিকাই হয়ে যাবে।’

    ‘কোনদিকে মেট্রো হচ্ছে কাকু!’

    ‘এখান থেকে দেখতে পাবে না। আমরা এইবার রেডরোডে ঢুকছি, বাঁ দিকে বেশ খানিকটা গেলে দেখা যেত।’

    সুদীপ মেয়েকে আকাশবাণী ভবন আর ফোর্ট উইলিয়াম চিনিয়েছেন। এখন ফ্লোরেসেণ্টের আলোয় দেখা গেল দুদিকে কৃষ্ণচূড়ায় ফুল এসেছে। রং ভালো বোঝা যাচ্ছে না, কিন্তু ফুলে ভরে গেছে দু পাশের গাছ। ফাল্গুনের হাওয়া দমকা ঝড়ের মতো কমলিকার বুকের মধ্যে ঢুকে গেল। সুদীপের সঙ্গে প্রথম যেদিন একলা দেখা হয়েছিল, মেট্রো সিনেমার টিকেট কাউণ্টারের কাছ থেকে হাঁটতে-হাঁটতে রেড রোড। সুদীপ জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কমলিকা নাম কে দিয়েছিল?’ ‘রবীন্দ্রনাথ।’ ‘আচ্ছা! কি করে!’ ‘দিদিমা ছিলেন ওঁর পরিচিত, তখন উনি বারবারই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। দিদিমার আবদার রেখে বলেছিলেন, “অস্তাচলে যাবার আগে রবিকর যে কমলটিকে ফুটিয়ে দিয়ে গেল, রবির ক্লান্তি তাকে যেন স্পর্শ না করে।”

    ‘বাঃ, মুখস্থ করে রাখা হয়েছে!’

    ‘ছোটবেলা থেকে শুনছি, আপনা থেকেই মুখস্থ হয়ে গেছে।’

    ‘তা মহামানবের আশীর্বাদ সফল করা হবে তো!’

    ‘তা কী করে বলব? তবে আপনি আমাকে তুমি করে বললেও কেউ কিছু মনে করবে না।’

    দুজনেই হেসে ফেলেছিলেন। ঠিক সেই গাছগুলোই কি এখনও রেড রোডে পুষ্পবৃষ্টি করছে? ‘কৃষ্ণচূড়ার ফুলে বনানী গিয়েছে ছেয়ে, শিমূল পলাশ আগুন লাগাল বনে বনে’। ঠোঁটের আগায় উঠে আসা সুরকে প্রাণপণে থামিয়ে কমলিকা নীতাকে বললেন, ‘বসন্তকালটা কলকাতায় এখনও সুন্দর, না নীতা?’

    নীতা বলল, ‘শুধু বসন্ত কেন, সেজদিভাই, একটু ফাঁকা প্ল্যানড জায়গায় কলকাতার সব ঋতুই সুন্দর। এমন কি গ্রীষ্মও।’

    সুদীপ বললেন, ‘আমার ফ্ল্যাটের কদ্দূর রে?’

    ‘জানলা-দরজার রঙ শেষ। ইলেকট্রিসিটি এসে গেল বলে। খালি লিফটা দেখছি এখনো হয়নি।’

    ‘না হোক, শিফট করতে পারবো তো?’

    ‘ইলেকট্রিসিটি এসে গেলে এনি ডে। কিন্তু আগে তো ফার্নিশ করে নেবে? কটা মাস আমার কাছেই থেকে যাও না! না কি ভয় করছে? সেজবউদি?’

    কমলিকা অন্যমনস্ক ছিলেন, বললেন, ‘আমায় বলছো?’

    হ্যাঁ। আমার বাড়িতে কটা মাস কাটাতে হলে কি ভয়টয় করবে না কি আপনার? আপনাদের?

    ‘কিসের ভয়?’

    ‘এই বাথরুম-টাথরুম। কিচেন-টিচেন! ভয় নেই বউদি “ফোরেন” না হলেও ও ব্যাপারগুলো আমার বাড়িতে পরিষ্কারই। কিরে মণি, ছোট্ট ভাইটার সঙ্গে থাকতে পারবি না!’

    ‘হাউ সিলি।’ ছোটনকে জড়িয়ে ধরে বলল, আরাত্রিকা, ‘পারবো না কেন, কাকু?’

    সুদীপ বললেন, ‘সেট্‌ল্ যখন করতেই হবে, যত তাড়াতাড়ি করা যায় ততই ভালো। আমি কালই তোর সঙ্গে কমলিকাকে নিয়ে পার্ক স্ট্রীট যাবো একবার। অবশ্য যদি তুই সময় দিতে পারিস। ফার্নিচারগুলোর ব্যবস্থা হয়ে গেলেই শিফ্‌ট্ করবো। আমার জয়েন করতে আছে মাসখানেকেরও কম। তারই মধ্যে যা করবার করে ফেলতে চাই। পাখাগুলো কিনেছে সুমিত?’

    ‘আমিই কিনেছি। আমার বাড়িতেই রাখা আছে। দেখবে গিয়ে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঝড়ের খেয়া – বাণী বসু
    Next Article গান্ধর্বী – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }