Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জবরখাকি – বর্ণালী সাহা

    বর্ণালী সাহা এক পাতা গল্প302 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ অঙ্ক

    সুন্দর বন্ধুটি আমার

    তোমার ছোট্ট সুন্দর মেসেজটা পেয়ে মন কী যে ভালো হয়ে গেল গতকাল! সেই কবে (মার্চ, ২০১৬?) পাঁচদিনের নেপালভ্রমণে এসে কাঠমান্ডুতে পরিচয় আমাদের। এতদিন পর এই শাদা বুড়োকে যে মনে রেখেছ, এ এক বিরাট আশ্চর্য। জানিয়েছ, আর ঢাকায় থাকো না তুমি। হায়, এমনিতেই সময়রেখায় আমাদের বাস দুই মেরুতে—তুমি ছত্রিশ আর আমি চুরানব্বই, ভাবতে পারো! তাও যতদিন আমি নেপালে আর তুমি বাংলাদেশে ছিলে, ততদিন একটা নৈকট্যের উষ্ণতা ভেবে নিতাম মিছেমিছি—শীতের রাতে পাগলা ঝোরার পাশে তাঁবুতে শুয়ে শুয়ে সূর্যকে কল্পনা করার মতো। তা এখন তুমি নাকি দক্ষিণ গোলার্ধবাসী! এ যে একেবারে অন্য গ্যালাক্সির ব্যাপার। নবীন গ্রহরাজিকে আলো আর উত্তাপ দিয়ে বেড়াচ্ছ বুঝি? একটু তো হিংসা হলোই। সেই ছেলেটির সাথে কি তুমি এখনো আছ? যার কাছ থেকে বিচ্ছিরি সব টেক্সট মেসেজ পেয়ে কাঠমান্ডুর সেই রিজর্টের দেয়ালঘেঁষা শিশুগাছটার নিচে বসে কাঁদছিলে একদিন? এখনো মনে আছে, তোমার হাতে একটা গল্পের বই ছিল— লেখকের নাম ভুলে গেছি, ‘দ্যা কেইভ’ নামে একটা বই মনে হয়। পড়তে-পড়তে যে পাতায় তুমি থেমেছিলে, গল্পের সেই অংশে একটা কুড়িয়ে পাওয়া পথের কুকুর অভিমানভরে তার নতুন মালিককে বলছিল, “বাট হোয়াট অ্যাবাউট মি? হোয়াট অ্যাবাউট মি?” এত দুঃখী আমি কাউকে দেখিনি কোনোদিন, জানো? জানলে ভালো লাগবে যে, আজকাল তুমি আর তত দুঃখী নও।

    আমার শরীরের অবস্থা জানতে চেয়েছ। উৎকণ্ঠা জানিয়েছ নেপালের সার্বিক অবস্থা নিয়ে। আমার শরীর নতুন করে আর কি খারাপ হবে, বলো? মনে হচ্ছে, এই সংগ্রামই শেষ সংগ্রাম। মওরিন, আমার বউ, অকালেই চলে গেছিল মেয়েটা। বলেছিলাম তো তোমাকে! পঁচাশি আর এমন কী বয়স? আজকাল মনে হচ্ছে, ওপারে ও আমাকে খুব মিস করছে। আমার সারা জীবনের সঙ্গী মওরিন – দুর্দান্ত আঁকিয়ে, বিলেত সরকারের পুরস্কার পাওয়া কবি, আহা, ওর মতো দরদি হলাম না জীবনে। আমার ছেলেরাও তেমন হলো না। আমার বড়ো ছেলে জিমকে মনে আছে তো তোমার? ওর বয়স এখন একাত্তর। বলেছিলাম বোধ হয়, মরণোত্তর দেহদান করেছিল মওরিন। ওর সমস্ত সম্পত্তি উইল করে রেখে গেছিল নেপালের দুর্ভাগা মেয়েগুলির জন্য, পাচারকারী চক্রের হাত থেকে যারা পালিয়ে এসেছে অথবা যাদের উদ্ধার করা হয়েছে। এদের কারও বয়সই আঠারোর উপর নয়। মওরিন উইলকিনসন ফাউন্ডেশন-এর কাজ শুরু করতে আর পার্টনার প্রতিষ্ঠান খুঁজতে সেই যে আমার ২০১৬-তে নেপাল আসা আর সেই যে রিজর্টের বাগানে তোমার সাথে দেখা হওয়া আর সেই যে ভ্যালি অভ লাভে একটা বেঞ্চিতে বসে আমাদের অনর্গল গল্প করা, তারপর আমি আর আমেরিকা ফিরে যাইনি, জানো? শুরুর দিকটায় জিম আমাদের প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, কর্মপরিধি-নির্বাচন, অন্যান্য এনজিওর সাথে প্রাথমিক আলাপ সারা আর মাঠপর্যায়ের কৌশল ঠিক করার কাজে আমার সাথে-সাথে ছিল। এখন প্রতিবছর দুইবার আমাকে এসে দেখে যায়। ওরও তো দেশে সংসার আছে; নিজের ব্যবসাপাতি সামাল দিতে হয়।

    সত্যি কথা বলতে, নেপালের সার্বিক অবস্থা ভালো লাগছে না। লকডাউন তো চলছেই, তার উপর বর্ডারও বন্ধ করে দিয়েছে এরা, এমনকি বাইরের দেশ থেকে আসা নেপালের নাগরিকদের জন্যও। ওদের প্রধানমন্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন, গত শুক্রবার মাত্র ছাড়া পেলেন। ট্যুরিজম ওদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি, জানোই তো। তোমার মতো করে ভাবলে আমি বলতাম যে, নেপালের প্রতি প্রকৃতি একই সাথে মায়ের মতো সদয় আর জ্ঞাতিশত্রুর মতো নিষ্ঠুর; ভূমিকম্পের কথা আর গিরিধসের কথা ভোলোনি তো? কিন্তু কথা হচ্ছে, আমি তো তোমার মতো করে ভাবি না।

    তুমি লিখেছ, এই ভাইরাস নাকি প্রকৃতির প্রতিশোধ। কেননা মানুষ অবশেষে অন্তরিন হয়েছে, তোমাদের বাড়ির সামনে আকাশিয়া গাছ হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে, তোমার মায়ের চিলতে ছাদবাগানে বুলবুলি পাখি এসে বসছে, আমার দেশ আমেরিকার প্রশান্ত উপকূলে বিলুপ্তপ্রায় সবুজ কচ্ছপ সাঁতরে বেড়াচ্ছে। আমি হেসেছি। তুমি না লিখে অন্য কেউ এসব লিখলে ভাবতাম, কী সব আবোল-তাবোল লিখেছে। মওরিনও হয়তো তোমার মতোই ভাবত। ও ছিল, যাকে বলে হোপলেস রোমান্টিক। তবে একটু ভাবো দেখি, প্রকৃতিকে নিয়ে এই যে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব রচনা করে যাচ্ছ তোমরা—স্বর্গ- নরকের ধারণা আর প্রতিহিংসাকামী-প্রতিশোধপরায়ণ এক ঈশ্বরকে জীবনভর বহন করে যাচ্ছ দেখে আর প্রকৃতিকে যে সেই ঈশ্বরের সকল লক্ষণধারী ঈশ্বরী বা কুপিতা দেবী ভেবে নিচ্ছ, তাতে মানুষের বা প্রকৃতির কতটুকু মঙ্গল? আজ বাদে কাল তুমি কাজে যাবে না? কাল বাদে পরশু তোমার-আমার অর্থনীতির চাকা আবার সচল হবে না? দূষণে ছাইবে না আকাশ? মৎস্য-পাখি-কূর্ম-বরাহ আবার নির্বংশ হবে না? প্লাস্টিকে জড়াবে না সামুদ্রিক প্রাণীদের শরীর? প্রকৃতি—যাঁকে তোমরা মা বলো, ধরিত্রী— যাঁকে তোমরা সর্বংসহা নারী বলো, সেই নারী কি চেনেন না তার অবোধ সন্তানদের? সেই নারী কি জানেন না, এই সন্তান কখনোই তার স্বল্পবুদ্ধির ভাই সরল মৌমাছির মতো হবে না? আর বলো দেখি, প্রকৃতির এই কথিত প্রতিশোধের বিরুদ্ধে যেদিন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হবে—(হবেই), জনে জনে ছড়িয়ে পড়বে তা (পড়বেই), দেশে-দেশে মানুষ প্রতিষেধক চিনবে—(চিনবেই), তখন তোমরা আর তোমাদের প্রকৃতি-মা কী বলবেন? যদি বলি, একদিন কলের চাকা ঘোরানোর অছিলায় বৃক্ষনিধন বন্ধ হবে (হবেই)? যদি বলি, একদিন সকলের জন্য স্বাস্থ্য আর আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু নিশ্চিত হবে – ( হবেই)? যে মানুষ প্রস্তর ঠুকে আগুন জ্বালাতে পারে, তার কি নেই সমগ্র জীবজগতের জন্য মঙ্গলদীপ জ্বালানোর শুভবুদ্ধি? তো সেসব যেদিন ঘটবে, তোমাদের প্রকৃতি-মা কি তখন পরাজয় বরণ করে মুখ লুকিয়ে ফিরে যাবেন? নাকি সন্তানগর্বে গর্বিত হবেন?

    প্রিয় বন্ধু, আমি মন্ত্র-তন্ত্র জানি না, (গ্রহ-নক্ষত্র নিয়ে যদিও আমার কিছু কৌতূহল আছে) দেব-দেবী চিনি যতটুকু, তাও একটা মহাকাব্যকে জোরপূর্বক সংকোচন করে ছোটো একটা একাঙ্কিকা দৃশ্যায়িত হলে নট-নটীদের যতটুকু চেনা যায়, ততটুকু। নেপালের অলিতে-গলিতে মন্দির, তার ভিতর সিঁদুরে লেপা শঙ্খ আর ঘণ্টা আর আকাশ ফুঁড়ে পর্বতের যে কন্যা মাথা তুলেছেন, তিনি দক্ষের আদরিণী সতী নন, কিম্বা পর্বতের দুহিতা পার্বতীও নন, তিনি অন্নপূর্ণা। তাঁর হাতে অন্নের পাত্র। প্রলয়কাণ্ডের অধিনায়ক ভিখারি শিবের নৃত্য দেখে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে ভিক্ষার পাত্রে দুটো ভাত দিয়েছিলেন যিনি, তাঁকেই অন্নপূর্ণা বলে। তাই না? তুমি ভালো জানবে। স্মৃতি আজীবনই আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, আর এই বয়সে আমাকে একদম পেয়ে বসেছে। তোমার সনাতনী সমাজে আমি বড়ো হইনি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ দেখে বড়ো হয়েছি। বাবা-কাকাদের কূটবুদ্ধিকে ধন্যবাদ, আমাকে সম্মুখসমরে যেতে হয়নি, কিন্তু যুদ্ধে খাদ্যাভাবে-মন্দায় জরাজীর্ণ একটা জীবনের স্মৃতি যে কঠিন বুকে, সে বুকের বরফ ঠিকই গলে গেছিল পোখারার এক পল্লিগায়কের মুখে অন্নপূর্ণার ওই মিথ শুনে। কিন্তু ওই পর্যন্তই; আমার মুখ দিয়ে তুমি বলাতে পারবে না যে, ধরিত্রী আমার মা। আমাদের পুনর্বাসনকেন্দ্রের ওই মেয়েগুলির দুঃখী চোখের কসম, ওরাও আমাদের মা নয়। আমাদের বোন নয়। ওরা মানুষ। আর প্রকৃতি মানুষও নয়; প্রকৃতির পানপাতা মুখ, পটোলচেরা চোখ, গোলাপের আভার মতো গাল আর অন্নপূর্ণার মতো স্তনভার কল্পনা করা থামাও তোমরা, প্লিজ। আমি বলব, তোমরা মানুষ দেখেই শ্রেষ্ঠত্বের কল্পনায় তোমরা এত উদ্ধত। যা কিছু তোমাদের বোধের অগম্য, যেমন বাতাসের শনশন, পাখির কলগান, সমুদ্রের শোঁ-শোঁ—সবকিছুই তোমাদের নিজেদের ভাষায় তরজমা করে নেওয়ার একটা বোকামি আছে। আমার দুনিয়ার শাদা মানুষগুলিও ভীষণ অ্যানথ্রোপমর্ফিক-জিমের বউটা ওর পোষা কুকুরকে মানুষের জামা পরায়, ওইসব আমার দুই চোখের বিষ। যা বলছিলাম… স্যরি, বন্ধু, ধরিত্রী আমার মা নয়। ধরিত্রী আমার ঘর। আমি এখানে থাকি, আনন্দে-শোকে-দুঃখে- শঠতায়-মৌনতায়-হিংস্রতায়-বাকি সকলেও থাকে এই ঘরের বাসিন্দা হয়ে, হোক সে এক নারীর কাছে আজীবন বিশ্বস্ত থাকা অ্যান্টার্কটিক পেঙ্গুইন, কিম্বা হোক সে সঙ্গমের পর সঙ্গীর মুণ্ডু চিবিয়ে খেয়ে ফেলা মেয়ে প্রেয়িং ম্যান্টিস।

    দেখো দেখি, ঝোঁকে পড়ে কত কথা বলে ফেললাম। প্রকৃতি, প্রাকৃতিক নির্বাচন আর বিবর্তনবাদ নিয়ে আমার কিছু নির্মোহ বিচার আছে—আমার তরুণ বন্ধুবান্ধব, এমনকি মওরিন যতদিন বেঁচেছিল, ততদিন মওরিনও বলত আমি নাকি সারা ক্ষণ ডারউইনিয়ান ক্যালকুলেটর নিয়ে ঘুরি, যদিও ওটা একটু অত্যুক্তিই। আমার এইসব চিন্তা কিছু-কিছু আমার ছেলেদের সাথেও শেয়ার করেছি, নাতি-নাতনিদের সাথেও। ওরা বোর হয়ে যায়। জিমের ছোটো মেয়েটা যেমন একদিন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে দেখছিল, কীভাবে খুব সন্তর্পণে বেঙ্গল বাঘ এসে চিত্রল হরিণের পালের মধ্যে থেকে একটা হরিণকে লক্ষ্য করে এগোয় আর শরীরটাকে একটা সপসপে সরলরেখার মতো অনুভূমিকভাবে লম্বিত করে দৌড়ায় আর অবশেষে হরিণটাকে ঘাড়ের কাছে কামড়ে ধরে অবশ করে নেয় আর তারপর তার মাংশ টেনে ছিঁড়ে নেয় প্রকৃতিদত্ত অভ্যস্ততা আর দক্ষতায়, অর্থাৎ সহজে। খুব কেঁদেছিল নাতনিটা আমার সেদিন। ওর বয়স তখন বছর বারো। প্রায় টিনেজার। ও যখন আরও ছোটো ছিল, তখন রাস্তায় কোনো একটা ইলেকট্রিক পোলের গায়ে বিপদজনক চিহ্ন—করোটি আর জোড়া হাড়, যাকে ‘স্কাল অ্যান্ড ক্রসবোন’ বলি আমরা, দেখে ভয়ে কেঁদে ভাসিয়েছিল। কিন্তু এখন তো ওরা আর ছোটো নয়। আমরাও তো আর ছোটো নই। কতদিন আর ছোটো থাকব? প্রাপ্তমনস্ক না হলে কীভাবে নেব আমাদের সভ্যতা, আমাদের পরিবেশ, আমাদের জীবন এবং আমাদের সাথে সংশ্লিষ্ট আরও অনেকের জীবন নিয়ে সমধিক জরুরি সিদ্ধান্ত, বলো?

    যাক, অনেক বকলাম। সব হয়তো তোমার পছন্দও হলো না। মনে আছে, ভ্যালি অভ লাভে বসে তুমি আর আমি কত কথা বলেছিলাম জীবনের অর্থ ও উদ্দেশ্য, সম্মান- লজ্জা-অপমানের ধারণা, ত্যাগ আর নিঃশর্ত ভালোবাসার সীমা-পরিসীমা ইত্যাদি নিয়ে? তুমি জিজ্ঞেস করেছিলে, বিশ্বযুদ্ধ আর অন্যান্য বড়ো-বড়ো মানবিক ট্র্যাজেডি না ঘটলে আমরা এতদিনেও অন্ধকার থেকে বের হতে পারতাম কি না। মওরিন কবিতা লিখত, ওর মাথায়ও এমন চিন্তা আসত। কিছু মনে করো না, আবারও মওরিনের প্রসঙ্গ টানছি; ব্যাকব্রাশ করে টেনে চুল বাঁধলে তোমার আর মওরিনের কপালের রেখা অবিকল এক। সেই কানের কাছে চুলের গুচ্ছের রিং-রিং, সেই তৃতীয় নয়নের ঠিক উপরে ছোট্ট ভি-আকৃতির উইডোজ পিক; শুধু তোমার চুল কালো আর মওরিনেরটা সোনালি। আমার চেহারা কতটুকু তোমার মনে আছে, কে জানে? হয়তো ভাবছিলে, “উটকো বুড়োর মতলবটা কী?” হয়তো বয়স্ক মহিলাদের মতো চর্বিতে ঝুলে পড়া, ময়লা নীল টি-শার্টে ঢাকা আমার বুক দেখে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলে। মনে আছে, ব্যক্তিগত দুঃখে তুমি কুঁকড়ে ছিলে, কিছুটা যেন ভাঙাচোরাও ছিলে। “ছেলেটা আমাকে ভুল বুঝেছে। যে মেয়েটা ওকে ভুল বুঝিয়েছে, সে আমার বন্ধু” – এমন কিছুই বোধ হয় বলেছিলে তুমি। কী করে কেউ তোমাকে অমন কষ্ট দিতে পারে, সেটা আমার বোধে কুলায় না। আরে, আমার বয়স নব্বই পেরিয়ে না গেলে সেইদিনই তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতাম! হাহা… তুমি লিখতে খুব—গল্প-টল্প। এখনো কি লেখো? ইংরেজিতে কিছু লেখা হয়েছে কি? বা বাংলা লেখার কোনো অনুবাদ? থাকলে পাঠিও। খুব খুশিমনে পড়ব।

    ওহ, তুমি আরও জানতে চেয়েছ, সোশ্যাল আইসোলেশনের সময়টা কীভাবে কাটাচ্ছি আমি। লকডাউন আমার কাজ কমায়নি মোটেও, শুধু কাজ সমাধা করার বিষয়টাকে আগের থেকে কঠিন করে তুলেছে। জানোই তো, অনাথ-আশ্রমের মেয়েগুলির দৈনন্দিন সেবা আর খাবারের বড়ো সংকট। দাম বাড়ছে অবিশ্বাস্য গতিতে। যে মাস্কের দাম ছিল আশি সেন্ট, তার দাম বেড়ে হয়েছে দেড় ডলারেরও বেশি। তোমাকে নিশ্চয়ই বলতে হবে না, দেড় ডলার এই দেশে আসলে কত টাকা। ফাউন্ডেশনের টাকা দিয়ে আশ্রমের সকলের প্রয়োজনের প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলে নিয়েছি। ফেসবুকে দেখেছ হয়তো, একটা ডোনেশন ক্যাম্পেইন শুরু করেছি, যা দিয়ে আমাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলিকে সাথে নিয়ে ফিল্ডে সকলের জন্য আরও মাস্ক, সাবান, স্যানিটাইজার, মাল্টিভিটামিন আর প্যারাসিটামল কেনা হবে। চাইলে তুমিও এতে অংশ নিতে পারো। তোমার বন্ধুবান্ধবের মাঝে কেউ আগ্রহী থাকলে জানিও।

    ভাবছি এর মাঝে দুটো বই পড়ে শেষ করব। একটার নাম ‘টির‍্যানি অভ ডিসট্যান্স’ দূরত্বের পীড়ন। ভুলে ভেবেছিলাম, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের সাথে বুঝি এই বইয়ের মূল বক্তব্যের কোনো সংযোগ আছে। আসলে নেই। বইটা তোমার নতুন দেশ অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে লেখা—কীভাবে পশ্চিমের বাকি দেশগুলি থেকে ভূরাজনৈতিকভাবে বহুদূরে থাকার কারণে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় মানস পাশ্চাত্যের গড়পড়তা জাতীয় মানস থেকে বহুলাংশে ভিন্ন। ভাবছি এটা পরে পড়ব। আরেকটা বই এর মাঝেই প্রায় শেষ করে এনেছি। জ্যারেড ডায়মন্ডের ‘দ্যা ওয়ার্ল্ড আনটিল ইয়েসটারডে’। বইটা অনেক ব্যাপারে আমার চোখ খুলে দিয়েছে; তোমার সাথে আলোচনা করার লোভ হচ্ছে ভীষণ। কিন্ডল থাকলে ঘরে বসে কিনে নিও। গত পাঁচশ বছরের পাশ্চাত্যের আধিপত্য মানবসভ্যতাকে আদৌ কি কাজের কিছু শিখিয়েছে, বিশেষত শিশুপালন, বয়স্ক ও বৃদ্ধদের যত্ন, পঙ্গু ও অশক্তের প্রতি দায়িত্ব এবং সার্বিক জীবনমান বিষয়ে? সনাতনী সমাজের কিছু-কিছু চর্চা কি এই ক্ষেত্রে আমাদেরকে আরও নতুন বোধ দিয়ে ঋদ্ধ করতে পারে? আমাদের গুহাবাসী, যূথবদ্ধ পূর্বপুরুষ এবং পূর্বনারীদের কাছে কি আজও আমাদের অজস্র ঋণ স্বীকার করার আছে? এইসব প্রশ্ন নিয়ে ডীল করেছে বইটা। এই সময়ে এই বই খুব প্রাসঙ্গিক।

    করোনা-ভাইরাসের কারণে ইতালিতে একটা প্রজন্মকে মরতে দিতে হলো। ওরা তো আমার প্রজন্মেরই মানুষ। এই বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা তো আদতে আমরাই। ৯২ নম্বর ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের হয়ে যদি আমার যুদ্ধে যাওয়া হতো, হয়তো এদের কারও- কারও বুকে আমি নিজেও গুলি চালাতাম, নয় কি? কয়েকটা দিন এই ভেবে-ভেবে খুব অস্থির ছিলাম। আমাদের পশ্চিমের রীতি তো তুমি জানোই-বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদেরকে রাষ্ট্র কোথাও-কোথাও দেখে, কিন্তু সমাজ, পরিবার কিম্বা কমিউনিটি সেভাবে দেখে না। বয়স্ক চাকরিপ্রার্থী চাকরি পায় না; বয়স্ক রোগীর জন্য চিকিৎসাসেবা অপ্রতুল ও ব্যয়বহুল। তার উপর তারুণ্য নিয়ে পশ্চিমা সংস্কৃতির অবসেশন তো সকলেরই জানা। এ অনেকটা ক্ষমতাধরের পায়ে ক্ষমতাহীনের নিবেদনের চক্র – আমাদের সিস্টেমটা এভাবেই সাজানো, এভাবেই চলছে। তার উপর শারীরিক পরিশ্রমের সামর্থ্য ফুরালে অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধাই নিজেদের মানসিক বল হারিয়ে ফেলেন, কেউ-কেউ নিজেকে অনাকাঙ্ক্ষিত মনে করতে থাকেন; এদিকে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য থেকে যে ব্যক্তিগত অহংয়ের জন্ম, সেটাকে খর্ব করে ছেলেমেয়ের সংসারে গিয়েও উঠতে পারেন না। আগের যুগে, যখন প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে এতখানি সহজ করেনি, যখন চাইলেই হাতের নাগালে তথ্য এবং ঐতিহাসিক ঘটনার চাক্ষুষ বিবরণ পাওয়া যেত না, তখন ভরসা করতে হতো বয়স্ক মানুষের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার উপর; আস্থা রাখতে হতো অভিজ্ঞ লোকের মুখেমুখে বিস্তৃত জ্ঞানকাণ্ড এবং ভূয়োদর্শনের পরম্পরার উপর। বয়স্ক মানুষের সেই নৃতাত্ত্বিক গুরুত্ব আজকের জগতে কোথায়? একটি সভ্যতার সকল সঞ্চিত অভিজ্ঞান এখন পাবে বইয়ের পাতায় কিম্বা ইন্টারনেটে। কড়ি আর শতকিয়া দিয়ে অঙ্ক শিখবে? কেন? ক্যালকুলেটর তো আছেই। মায়ের কি দিদিমার মুখ থেকে রেসিপি শুনে রাঁধবে? কেন? ইউটিউব তো আছেই। এখন বলো, আধুনিক সমাজ, যেখানে আমরা রাষ্ট্র আর সরকারের ধারণার নিচে দলবদ্ধ হয়ে দাঁড়াই, সে সমাজ যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসাদ হিসাবে আমাদের পাতে তুলে দিচ্ছে আশি-নব্বই-একশ বছরের দীর্ঘ জীবন আর তার ফলে অল্প সংখ্যক উপার্জনক্ষম তরুণ-তরুণীর হাতে তুলে দিচ্ছে ক্ৰমবৰ্ধমান বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীকে দেখভালের দায়িত্ব, সেই অপ্রস্তুত সমাজে মারি আর ব্যাধি অকস্মাৎ থাবা বিস্তার করলে আমাদেরকে পরিত্যাগ করা ছাড়া আমাদের সমাজের আর কী-ই বা করার আছে?

    অথচ জানতে চাও, সনাতনী সমাজ বুড়া-বুড়িকে কীভাবে দেখত বা দেখে? নিশ্চয়ই ভাবছ, “জানি তো, বুড়াদের মাথায় করে রাখে।” তোমার অনুমান ভুল। সনাতনী মানেই আধুনিক প্রপঞ্চের বিপরীত অক্ষের—এই ধারণা কিন্তু একদম ঠিক নয়। আর সনাতনী তো তেমন মনোলিথিক কোনো ধারণাও নয়। সমাজ যত সনাতনীই হোক, সম্পদ তো আসলে সীমিত। কৃষিভিত্তিক সমাজে অবশ্য নেতৃত্ব ও মর্যাদার অবস্থানে বয়স্করাই আসীন; একান্নবর্তী পরিবারব্যবস্থার কারণে বৃদ্ধদের সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্নও হতে হয় না। নতুন সম্পদ সৃষ্টি কিম্বা পুরানো সম্পদ সংরক্ষণ কিম্বা নতুন প্রজন্মকে বড়ো করা আর দেখভাল করার কাজে বয়স্কদের উল্লেখযোগ্য অবদান থাকে—এতে সমাজের দৃষ্টিতে তাদের কখনো বোঝা হতে হয় না। কিন্তু জানো তো? কোনো-কোনো যূথবদ্ধ সমাজে রেওয়াজ ছিল বুড়া-বুড়িদের খেতে না দেওয়ার, যাতে ওরা অনাহারেই মরে যায়। কিছু-কিছু বেদুইন সমাজে বুড়াদের পিছে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার রীতি ছিল—বৈরি পরিবেশে যখন সমূহ বিপদ, যখন তাঁবু গুটিয়ে নিতে হচ্ছে, বুকের মানিক শিশুদেরকে কোলে তুলে নিয়ে এগিয়ে যেতে হচ্ছে অজানা কোনো নিরাপদ স্থানের উদ্দেশে, তখন চাইলেও দুর্বল বৃদ্ধদের বয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। মরু বা মেরু অঞ্চলে খাদ্যের অনিশ্চয়তা দেখা দিলে এমনকি বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মেরে ফেলা কিম্বা আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার নজিরও আছে। লেখকের নিজের বয়ানেই আছে, তাঁর এক বন্ধু যিনি দক্ষিণ- পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের কোনো এক গোষ্ঠীর জ্যেষ্ঠ, একটা ডিঙিনৌকায় চড়ে বসেন, পরিবার-পরিজনকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দেন, তারপর ডিঙি নিয়ে গভীর সমুদ্রে চলে যান, সেই যাওয়াই তাঁর শেষ যাওয়া, প্রত্যাবর্তনের ইচ্ছাকে কূলে ফেলে রেখে চিরতরে যাওয়া। এরকম কত গল্প! ব্যাংকস আইল্যান্ডের এক অসুস্থ বৃদ্ধ তাঁর ভাইকে অনুনয়-বিনয় করে বলেন যে, তিনি তাঁর ভোগান্তির পরিসমাপ্তি চান। গোত্রের বিধিমোতাবেক তাঁকে যেন জ্যান্ত কবর দেওয়া হয়। এতটুকু দয়া কি তাঁর ভাই তাঁকে করবে না? আর সেই ভাই—আহা রে, আলগা মাটির একটা-একটা চাপড়া তাঁর জ্যান্ত দেহের উপর ফেলতে থাকে আর কাঁদতে-কাঁদতে ক্ষণে-ক্ষণে জিজ্ঞেস করতে থাকে, “ভাই, বেঁচে আছ?”, “ও ভাই, বেঁচে আছ?” ভাবতে পারো?

    খুব মন খারাপ করে দিলাম তোমার? ভাবছ, আমি বুঝি এমন নিষ্ঠুর, অমানবিক তরিকার সুপারিশ করছি? স্যরি। আমাকে ভুল ভেবো না। আবার কখনো কথা হলে এসব আরেকটু গুছিয়ে বলতে পারব, ততদিনে আমার চিন্তাটাও হয়তো দানা বাঁধবে। এর মাঝে আমি ভেবে দেখব, কৃষিভিত্তিক সমাজব্যবস্থা থেকে শিক্ষণীয় কী কী বিষয় আমরা আধুনিক সমাজে গ্রহণ করতে পারি, যাতে তরুণ-বৃদ্ধ-সবল-অশক্ত সকলের ঐকতান সম্ভবপর হয়। অনেক কিছুই হয়তো realm of speculation-এ পড়ে যাবে, যেটা অনুমান ও প্রতি-অনুমানের একটা দুনিয়া, যেখানে জল্পনাই সার। আচ্ছা… বরং আর কিছু না হোক, ৯২ নম্বর ইনফ্যান্ট্রিতে যুদ্ধ করে আমার যে প্রতিবেশী জ্যান্ত ফিরেছিল, তার গল্প বলতে পারি তোমাকে। তুমি তাই নিয়ে লিখতে পারো। বাংলাতেই লিখো না হয়!

    আমার মনে পড়ে, তুমি আমাকে বাংলায় একটা বাক্য শিখিয়েছিলে: “ইবাদত করমু বুড়া হইলে।” তোমার মনে আছে? আমার এক বাঙালি সহকর্মীকে ভাঙা-ভাঙা উচ্চারণে শুনিয়েছিলামও এই লাইনটা। আগে জানতাম না, একজন বুড়া মানুষের মুখে এই লাইনটা শুনতে কত হাস্যকরই না লাগে!

    আজকে আর লিখতে পারছি না। আমাদের অ্যাডমিন-প্রধানকে কিছু বিষয়ে নির্দেশ দিতে হবে। আজ সারা দিন বাড়ি গোছাব, আমার পাশের রুমটাকে স্টোররুম করা হবে বলে ঠিক করা হয়েছে, ওখানে আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন কেনা মাস্ক, সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এসবের বাক্স রাখা থাকবে। দেয়ালে ভীষণ ড্যাম্প ধরে আছে, ইউনিকর্নের আদলে চাপড়া-চাপড়া চুনা ঝরে গেছে; কিছু করার নেই। ভয় পেও না, ভারী কিছু ওঠাব না। শুধু সোফাগুলোকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে রাখব।

    কথা হবে আবার। ভালো থেকো। সাবধানে থেকো। নিজের যত্ন নিও।

    ইতি

    টেড
    শুভম কুটির, রানিবাড়ি মার্গ
    কাঠমান্ডু, নেপাল

    —

    * করোনা-ভাইরাসের সংক্রমণসন্দেহে টেড উইলকারসনকে কাঠমান্ডুর টেকু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর সর্বশেষ অবস্থা অজানা। কল্পিত চিঠিটি অতীতের বিভিন্ন পত্রালাপের (ইমেইল ও এসএমএস) উপর ভিত্তি করে লেখা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআদিম সমাজ – লুইস হেনরি মর্গান
    Next Article সুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }