Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমার গোয়েন্দাগিরি

    রবিবারে রবিবারে প্রশান্তবাবুর বৈঠকখানায় বসত একটি তাস-দাবা-পাশার আসর৷ দুপুর বেলার খাওয়া-দাওয়ার পর সভ্যরা একে একে সেখানে গিয়ে দেখা দিতেন৷ তারপর খেলা চলত প্রায় বেলা পাঁচটা পর্যন্ত৷

    মাঝে মাঝে সেখানে গিয়ে বসতাম আমিও৷ তাস বা পাশার দিকে মোটেই ঘেঁষতাম না, কিন্তু দাবার দিকে আমার ঝোঁক ছিল যথেষ্ট৷ ওখানে জন তিনেক পাকা দাবা খেলোয়াড় আসতেন, তাঁদের সঙ্গে আমি করতাম শক্তি পরীক্ষা৷

    বলা বাহুল্য, খেলার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে নানা প্রসঙ্গ নিয়ে আলাপ আলোচনাও চলত৷ বাজারে মাছের দর ও বক্তৃতামঞ্চে চড়ে জহরলাল নেহরুর লম্ফঝম্প, গড়ের মাঠের ফুটবল খেলা ও বিলিতি পার্লামেন্টে মন্ত্রীদের বাক্যবন্দুকনিনাদ, বাংলা রঙ্গালয়ে অভিনেতাদের অভিনয় ও ধর্মালোচনা অর্থাৎ জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ পর্যন্ত কোনো কিছুই থাকত না আমাদের উত্তপ্ত আলোচনার বাইরে৷

    সেদিন তখন খেলা শুরু হয়নি, এমন সময় পুলিশ কোর্টের একটা মামলার কথা উঠল৷ সম্প্রতি একসঙ্গে তিনটে নরহত্যা হয়েছিল এবং ইনস্পেকটর সুন্দরবাবু কেসটা হাতে নিয়ে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করে আসামিকে আদালতে হাজির করেছেন৷

    একজন শুধোলেন, ‘মানিকবাবু, এ মামলাতেও আপনাদের হাত আছে তো? লোকে তো বলে, সুন্দরবাবু সব মামলার পিছনে থাকেন আপনি আর আপনার বন্ধু জয়ন্তবাবু৷’

    -‘লোকের এ বিশ্বাস ভ্রান্ত৷ অবশ্য কোনো কোনো মামলায় সুন্দরবাবু আমাদের সঙ্গে পরামর্শ করতে আসেন বটে৷ পরে সে সব ক্ষেত্রে জয়ন্তই হয় আসল পরামর্শদাতা, আমি তার সঙ্গে হাজির থাকি মাত্র৷’

    হঠাৎ পিছন থেকে প্রশ্ন শুনলাম, ‘জয়ন্তবাবুর সঙ্গে এতদিন থেকে গোয়েন্দাগিরিতে আপনার কিঞ্চিৎ ব্যুৎপত্তি জন্মেছে তো?’

    ফিরে দেখি নরেন্দ্রবাবু-সুবিখ্যাত ডাক্তার নরেন্দ্রনাথ সেন৷ বিলেত ফেরত৷ যেমন তাঁর হাতযশ, তেমনি তাঁর পসার৷ তাঁর আয়ের পরিমাণ শুনলে মাথা ঘুরে যায়৷ পাশের বাড়িতে থাকেন৷ মাঝে মাঝে হাঁফ ছাড়বার জন্যে এই আসরে উঁকিঝুঁকি মারতে আসেন৷

    নরেনবাবু আবার শুধোলেন, ‘জয়ন্তবাবুর পার্শ্বচর হয়ে গোয়েন্দাগিরিতে আপনারও কিঞ্চিৎ ব্যুৎপত্তি জন্মেছে তো?’

    আমি হেসে বললাম, ‘হ্যাঁ নরেনবাবু, জয়ন্তের সঙ্গে আমার তুলনা চলে না বটে; কিন্তু গোয়েন্দাগিরিতে সাধারণ লোকের চেয়ে আমি কিছু বেশি জ্ঞান অর্জন করেছি বই কী৷’

    নরেনবাবু একখানা কাষ্ঠাসনের উপর নিজের অঙ্গভার ন্যস্ত করে বললেন, ‘তাহলে ছোট্ট একটি মামলার কথা শুনবেন?’

    আমি বললাম, ‘আমার বন্ধু জয়ন্তের মতে গোয়েন্দাগিরিতে ছোটো বা বড়ো মামলা বলে কোনো কথা নেই৷ একমাত্র দ্রষ্টব্য হচ্ছে, মামলাটা চিত্তাকর্ষক কি না? এই দেখুন না, পুলিশ কোর্টের যে মামলাটা নিয়ে আজ গোয়েন্দাগিরির কথা উঠেছে, একদিক দিয়ে সেটা বড়ো যে-সে মামলা নয়৷ একসঙ্গে তিন-তিনটে খুন! কিন্তু অপরাধী ঘটনাক্ষেত্রে এত সূত্র রেখে গিয়েছিল যে ধরা পড়েছে অতি সহজে৷ আসলে একেই বলে ছোটো মামলা৷ কারণ এটা চিত্তাকর্ষক নয়, এর মধ্যে মস্তিষ্কের খেলা নেই৷ আবার এমন সব মামলাও আছে সেখানে অপরাধ হয়তো তুচ্ছ অথচ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করবার মতো সূত্র পাওয়া অত্যন্ত কঠিন৷ এমন সব মামলাতে সফল হলেই গোয়েন্দার প্রকৃত কৃতিত্ব প্রকাশ পায়৷’

    নরেনবাবু বললেন, ‘আমি যদি এরকম কোনো মামলারই ভার আপনার হাতে দিতে চাই, আপনি গ্রহণ করতে রাজি আছেন কি?’

    বললুম, ‘আমার আপত্তি নেই৷’ মনে মনে ভাবলুম, একবার পরীক্ষা করে দেখাই যাক না, জয়ন্তের কোনো সাহায্য না নিয়েই নিজের বুদ্ধির জোরে মামলাটার কিনারা করতে পারি কিনা!

    ঘরের অন্যান্য লোকেরা প্রশ্ন করতে লাগলেন, ‘কীসের মামলা ডাক্তারবাবু? খুনের না চুরির, না আর কিছুর?’

    নরেনবাবু বললেন, ‘এখন আমি কোনো কথাই ভাঙব না, আসুন মানিকবাবু আমার সঙ্গে আমার বাড়িতে চলুন৷’

    দুই

    নরেনবাবুর বাড়ি৷ একখানা মাঝারি আকারের ঘর৷ একদিকে দেওয়াল ঘেঁষে একখানা গদিমোড়া বড়ো চেয়ার, তার সামনে একটি টেবিল৷ টেবিলের উপরে দোয়াতদানে লাল ও কালো কালির দোয়াত, কলমদানে দু-টি কলম, ব্লটিংয়ের প্যাড-তার উপরে খানিকটা অংশ কালিমাখা, একটি টেলিফোনযন্ত্র৷ টেবিলের তিন পাশে খানকয়েক কাঠের চেয়ার৷ ঘরের দেওয়ালে একখানা অ্যালম্যানাক ছাড়া আর কোনো ছবি নেই৷ মেঝে মার্বেল পাথরের৷ কোনোরকম বাহুল্য বর্জিত পরিচ্ছন্ন ঘর৷

    এই সব লক্ষ করছি, নরেনবাবু বললেন, ‘এই ঘরে বসে প্রত্যহ সকালে আর সন্ধ্যায় আমি রোগীদের সঙ্গে দেখা করি৷ পরশু সন্ধ্যায় এখানেই একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটে গেছে৷’

    -‘কীরকম ঘটনা?’

    -‘মোহনতোষবাবুর এক বন্ধুর নাম বিনোদবাবু৷ বিনোদলাল চ্যাটার্জি৷ ভদ্রলোক কন্যাদায়ে পড়েছিলেন৷ মোহনতোষবাবুর বিশেষ অনুরোধে তাঁকে আমি পাঁচ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলাম৷’

    -‘মোহনতোষবাবু কে?’

    -‘তিনি আমার প্রতিবেশীও বটে, রোগীও বটে৷ কিন্তু তাঁর একটা বড়ো পরিচয় আছে৷ আপনি কি শৌখিন নাট্যসম্প্রদায়ের বিখ্যাত অভিনেতা মোহনতোষ চৌধুরির নাম শোনেননি?’

    -‘কারুর কারুর মুখে শুনেছি বটে৷’

    -‘তাঁর কথাই বলছি৷’

    -‘তারপর?’

    -‘পরশু সন্ধ্যার সময় আমি এই ঘরে বসে আছি, এমন সময়ে বিনোদবাবু এসে তাঁর ঋণ পরিশোধ করে গেলেন৷ পাঁচখানি হাজার টাকার নোট৷ ঠিক তারই মিনিট পাঁচেক পরে ফোনে একটা অত্যন্ত জরুরি ডাক এল৷ বসন্তপুরের মহারাজাবাহাদুর ব্লাডপ্রেসারের দরুন অজ্ঞান হয়ে গিয়েছেন, আমাকে সেই মুহূর্তেই যেতে হবে৷ তখনি যাত্রা করলুম৷ তাড়াতাড়ি যাবার সময়ে নোট পাঁচখানা ব্লটিংয়ের প্যাডের তলায় ঢুকিয়ে রেখে গেলুম৷ রাজবাড়ি থেকে যখন ফিরে এলুম রাত তখন সাড়ে নয়টা৷ এসে এই ঘরে ঢুকে দেখি, প্যাডের উপর লাল কালির দোয়াতটা উলটে পড়ে রয়েছে আর প্যাডের তলা থেকে অদৃশ্য হয়েছে হাজার টাকার নোট পাঁচখানা৷’

    আমি বললুম, ‘নিশ্চয় চোর প্যাডের তলা থেকে যখন নোটগুলি টেনে নিচ্ছিল, সেই সময়ে দৈবগতিকে তার হাত লেগে লাল কালির দোয়াতটা উলটে পড়ে গিয়েছিল৷’

    -‘খুব সম্ভব তাই৷’

    -‘কারুর উপরে আপনার সন্দেহ হয়?’

    -‘বিশেষ কারুর উপরে নয়৷’

    -‘পুলিশকে খবর দিয়েছেন?’

    -‘না৷’

    -‘কেন?’

    -‘কেলেঙ্কারির ভয়ে৷ আমি বেশ জানি পুলিশ এসে আমার বাড়ির লোকদেরই টানাটানি করবে৷ আমার পক্ষে সেটা অসহনীয়৷ কারণ আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বাড়ির কোনো লোকের দ্বারা ওই কাজ হয়নি-হতে পারে না৷ অন্দরমহলে থাকেন আমার বৃদ্ধ মাতা, পত্নী, আমার দুই বালিকা কন্যা আর শিশুপুত্র৷ তাদের কারুরই এ ঘরে আসবার কথা নয়৷ বাড়ির প্রত্যেক দাসদাসী পুরাতন আর বিশ্বস্ত৷ নোটগুলো যখন প্যাডের তলায় রাখি, তখন তাদের কেউ যে এ অঞ্চলে ছিল না, এ বিষয়ে আমি নিশ্চিন্ত৷ সুতরাং তাদের কেউ প্যাড তুলে দেখতে যাবে কেন?’

    -‘বাইরের কোনো জায়গা থেকে কেউ কি আপনার কার্যকলাপের উপরে দৃষ্টি রাখতে পারে না?’

    -‘মানিকবাবু, পরশুদিন সন্ধ্যার আগেই এই দুর্দান্ত শীতেও হঠাৎ বেশ এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গিয়েছিল, মনে আছে কি? দেখুন এই ঘরের উত্তর দিকে আছে চারটে জানলা, আর পূর্ব দিকে আছে দুটো জানলা আর দুটো দরজা৷ দক্ষিণ আর পশ্চিম দিক একবারে বন্ধ৷ রাস্তায় দাঁড়িয়ে উত্তরের জানলাগুলোর ভিতর দিয়ে এই ঘরটা দেখা যায় বটে, কিন্তু বৃষ্টির ছাঁট আসছিল বলে উত্তর দিকের সব জানালাই বন্ধ ছিল৷ খোলা ছিল খালি পূর্ব দিকের জানালা দরজা৷ ওদিকে আছে আমার বাড়ির উঠান, তারপর বারো ফুট উঁচু পাঁচিল, তারপর মোহনতোষবাবুর বাড়ি৷ আমার বাড়ির উঠানে আলো জ্বলছিল, আমি সেখানে জনপ্রাণীকেও দেখতে পাইনি৷ বৃষ্টি আর শীতের জন্যে মোহনতোষবাবুর বাড়ির জানালাগুলো নিশ্চয়ই বন্ধ ছিল, নইলে ও বাড়ির ঘরের আলোগুলো আমার চোখে পড়ত৷ সেদিন আমি কী করছি না করছি, কেউ তা দেখতে পায়নি৷’

    -‘আপনি রাজবাড়িতে যাওয়ার পর সেদিন অন্য কোনো রোগীর বাড়ি থেকে আর কেউ কি আপনাকে ডাকতে আসেনি?’

    -‘এসেছিল বই কী! হরিচরণের মুখে শুনেছি, পাঁচ জন এসেছিল৷’

    -‘হরিচরণ কে?’

    -‘সে বালক বয়স থেকেই এ বাড়িতে কাজ করে, এমন বিশ্বাসী আর সৎ লোক আমি জীবনে আর দেখিনি৷ আমার সমস্ত আলমারি দেরাজ, বাক্সের চাবি থাকে তার হাতে, আমার সমস্ত টাকা সেই-ই ব্যাঙ্কে জমা দিয়ে আসে, তাকে নইলে আমার চলে না৷ আমার অবর্তমানে সে-ই বাইরের লোকের সঙ্গে কথাবার্তা কয়৷’

    -‘হরিচরণ কী বলে?’

    -‘সেদিন পাঁচ জন লোক আমাকে ডাকতে এসেছিল৷ তাদের মধ্যে তিন জন লোক আমি নেই শুনেই চলে যায়, এক জন লোক ঠিকানা রেখে আমাকে কল দিয়ে যায়, কেবল এক জন লোক বলে, আমার জন্যে অপেক্ষা করবে৷ হরিচরণ তখন তাকে এই ঘরে এনে বসিয়ে নিজের অন্য কাজে চলে যায়৷ কিন্তু মিনিট দশেক পরে ফিরে এসে লোকটিকে সে আর দেখতে পায়নি৷ তবে এজন্যে তার মনে কোনো সন্দেহ হয়নি৷ কারণ এখানে কোনো মূল্যবান জিনিসই থাকে না, আর বাইরের লোকের আনাগোনার জন্য এ ঘরটা সর্বদাই পড়ে থাকে৷ হরিচরণের বিশ্বাস, আমার আসতে দেরি হচ্ছে দেখে লোকটি আর অপেক্ষা না করে চলে গিয়েছিল৷’

    -‘সে নাম-ধাম কিছু রেখে যায়নি?’

    -‘না৷’

    -‘তার চেহারার বর্ণনা পেয়েছেন?’

    -‘পেয়েছি৷ তার দোহারা চেহারা, শ্যাম বর্ণ, দেহ দীর্ঘ৷ শীতের জন্যে সে মাথা থেকে প্রায় সমস্ত দেহটাই আলোয়ান জড়িয়ে রেখেছিল, দেখা যাচ্ছিল কেবল তার মুখখানা৷ তার চোখে ছিল কালো চশমা, মুখে ছিল কাঁচা-পাকা গোঁফ আর ফ্রেঞ্চ কাট দাড়ি৷ বয়স চল্লিশ-বিয়াল্লিশের কম হবে না৷’

    -‘লোকটির চেহারার বর্ণনা কিছু অসাধারণ৷ আপনার কি তারই উপরে সন্দেহ হয়?’

    -‘মাঝে মাঝে সন্দেহ হয় বটে, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এও মনে হয় যে, কোনো একজন বাইরের লোক আমার ঘরে এসে হঠাৎ টেবিলের প্যাড তুলে দেখতে যাবে কেন? এরকম কৌতূহল অস্বাভাবিক নয় কি?’

    আমি নিরুত্তর হয়ে চিন্তা করতে লাগলুম৷ জয়ন্ত বলে, কোনো নতুন মামলা হাতে পেলে গোয়েন্দার প্রধান আর প্রথম কর্তব্য হচ্ছে, সকলকেই সন্দেহ করা৷ কিন্তু খানিকক্ষণ ভাবনাচিন্তার পর আমার সন্দেহ ঘনিভূত হয়ে উঠল, দুই জন লোকের উপরে৷ কে ওই আলোয়ান মুড়ি দেওয়া, কালো চশমাপরা ফ্রেঞ্চ কাট দাড়িওয়ালা, রহস্যময় আগন্তুক? নরেনবাবুর প্রস্থানের পরেই ঘটনাক্ষেত্রে তার আবির্ভাব এবং কেমন করেই বা জানতে পারলে প্যাডের তলায় আছে পাঁচ হাজার টাকার নোট? তার মূর্তি, তার প্রবেশ ও প্রস্থান, তার কার্যকলাপ সমস্তই এমন অদ্ভুত যে, যুক্তি প্রয়োগ করেও কিছু ধরবার বা বোঝবার উপায় নেই৷

    শেষটা আমি সাব্যস্ত করলুম এতটা যুক্তিহীনতা কিছুতেই সম্ভবপর নয়৷ ওই মুর্তির কোনো অস্তিত্ব নেই, ও হচ্ছে কাল্পনিক মূর্তি ঘটনাক্ষেত্রে তাকে টেনে আনা হয়েছে, অন্য কোনো ব্যক্তির স্বার্থের অনুরোধে৷

    সেই অন্য ব্যক্তি কে? নিশ্চয়ই হরিচরণ৷ তার সাধুতা আর বিশ্বস্ততা সম্বন্ধে নরেনবাবুর কোনো সন্দেহ নেই৷ কিন্তু তার সার্টিফিকেট মূল্যহীন৷ সাধুতার আবরণে সর্বদাই নিজেদের ঢেকে রাখে বলেই অসাধুরা আমাদের চক্ষে ধূলি নিক্ষেপ করতে পারে৷ আবার মানুষের মন এমন আশ্চর্য বস্তু যে, সত্যিকার সাধুও সময়ে সময়ে হঠাৎ অসাধু হয়ে ওঠে৷ হ্যাঁ, হরিচরণ, ওই হরিচরণ৷ কালো চশমাপরা মূর্তিটার সৃষ্টি হয়েছে তারই উর্বর মস্তিষ্কের মধ্যে৷ নিজে নিরাপদ হবে বলে হরিচরণই ওই রহস্যময় কাল্পনিক মূর্তিটাকে টেনে এনেছে ঘটনাক্ষেত্রে৷

    অতএব হরিচরণকে ডেকে এনে খানিক নাড়াচাড়া করলেই পাওয়া যাবে মামলার মূল সূত্র৷

    তিন

    ঠিক এই সময়েই ঘরের বাইরে থেকে ডাক শুনলাম, ‘মানিক, অ-মানিক! তুমি এখানে আছ নাকি?’

    এ জয়ন্তের কন্ঠস্বর! তাড়াতাড়ি উঠে ঘরের দরজার কাছে গিয়ে দেখি, উঠানের রোয়াকের উপরে হাস্যমুখেই দাঁড়িয়ে আছে জয়ন্ত৷

    -‘ব্যাপার কী? তুমি কেত্থেকে?’

    -‘তোমাদের রবিবাসরীয় আড্ডায় গিয়েছিলাম তোমাকে অন্বেষণ করতে৷ কিন্তু সেখানে গিয়ে খবর পেলাম তোমাদের আজকের আসর এইখানে৷’

    নরেনবাবুর সঙ্গে জয়ন্তের পরিচয় করিয়ে দিলাম৷ তিনি তাঁকে সাদরে ঘরের ভিতরে নিয়ে এলেন৷

    জয়ন্ত শুধোলে, ‘ডাক্তারবাবু আপনি হঠাৎ আমার মানিক অপহরণ করছেন কেন?’

    -‘আজ্ঞে, মানিকবাবুর হাতে আমি মামলার ভার অর্পণ করেছি৷’

    -‘বটে, বটে, বটে৷ মানিকও তাহলে আজকাল স্বাধীনভাবে গোয়েন্দার ভূমিকা গ্রহণ করতে চায়৷ বেশ, বেশ, উন্নতিই হচ্ছে, প্রকৃতির নিয়ম৷’

    আমি একটু লজ্জিতভাবে বললাম, ‘না ভাই জয়ন্ত, আমি তোমার উপযুক্ত শিষ্য হতে পেরেছি কি না, সেইটেই আমি আজ পরীক্ষা করতে এসেছি৷’

    -‘দেখেছেন ডাক্তারবাবু, বন্ধুবর মানিকের বিনয়েরও অভাব নেই৷ এ হচ্ছে আসল গুণীর লক্ষণ৷ তারপর মানিক, মামলাটার মধ্যে তুমি প্রবেশ করতে পেরেছ তো?’

    -‘মনে হচ্ছে পেরেছি৷ মামলাটার কথা তুমি শুনতে চাও?’

    -‘আপত্তি নেই৷’

    তারপর দুই চক্ষু মুদে জয়ন্ত আমার মুখে মামলার আদ্যপান্ত শ্রবণ করল৷ সেই কালো চশমাধারী মূর্তি ও হরিচরণ সম্বন্ধে আমার মতামতও তাকে চুপিচুপি জানিয়ে রাখতে ভুললুম না৷

    জয়ন্ত চোখ খুলে উঠে দাঁড়াল, তারপর টেবিলের সামনে গিয়ে ডাক্তারবাবুর নিজস্ব চেয়ারের উপর বসে পড়ল৷ তারপর পূর্ব দিকের জানালা দিয়ে বাইরে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল নিস্পলক নেত্রে৷ তারপর মুখ নামিয়ে টেবিলের প্যাডের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলে৷ তারপর মৃদু হেসে চুপ করে বসে রইল প্রায় সাত-আট মিনিট ধরে৷ তার মুখ সম্পূর্ণ ভাবহীন; কিন্তু আমি বুঝতে পারলুম, তার মন এখন অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে৷

    হঠাৎ সে জিজ্ঞাসা করলে, ‘ডাক্তারবাবু, ঘটনার দিন যখন আপনি বাইরে যান তখন এই টেবিলের প্যাডের উপরে আর কোনো কাগজপত্র ছিল?’

    -‘না৷’

    -‘তাহলে যা ভেবেছি তাই৷ মানিক, তোমার বিশ্বাস চোর যখন প্যাডের তলা থেকে নোটগুলো টেনে নিচ্ছিল, সেই সময়েই লাল কালির দোয়াতটা দৈবগতিকে উলটে গিয়েছিল?’

    -‘হ্যাঁ৷’

    -‘তোমার বিশ্বাস ভুল৷’

    -‘কী করে জানলে?’

    -‘উলটে দেখো প্যাডের উপরে ছড়ানো লাল কালির মাঝখানে রয়েছে একটা চতুষ্কোণ (কিন্তু সমচতুষ্কোণ নয়) সাদা জায়গা৷ এ জায়গাটায় কালি লাগেনি কেন?’

    -‘ওখানে বোধ হয় কোনো কাগজপত্র ছিল! কালির ধারা তার উপর দিয়েই বয়ে গিয়েছে৷’

    -‘এতক্ষণে তোমার বুদ্ধি কিঞ্চিৎ খুলেছে দেখে সুখী হলুম৷’

    নরেনবাবু বলে উঠলেন, ‘না মশাই, সেদিন ওই প্যাডের উপরে নিশ্চয়ই কোনো কাগজপত্র ছিল না৷’

    জয়ন্ত সায় দিয়ে বলল, ‘আপনিও ঠিক কথা বলেছেন ডাক্তারবাবু৷ তবু এই সাদা অংশটার সৃষ্টি হল, কেন শুনুন৷ চোর টেবিলের উপর ঝুকে পড়ে প্রথমে প্যাডের তলা থেকে নোটগুলো বার করে নেয়৷ তারপর সেগুলো প্যাডের উপরেই রেখে গুনে দেখে৷ ঠিক সেই সময়েই তার গায়ের আলোয়ান বা অন্য কিছু লেগে লাল কালির দোয়াতটা উলটে যায়৷

    আমি চমৎকৃত হয়ে বললুম, ‘তা হলে লাল কালি পড়েছিল সেই নোটগুলোর উপর?’

    জয়ন্ত আমার কথার জবাব না দিয়ে বললে, ‘ডাক্তারবাবু, নোটগুলোর নম্বর নিশ্চয়ই আপনার কাছে নেই?’

    -‘না মশাই, নম্বর টুকে নেবার সময় পাইনি৷ তবে বিনোদবাবুর কাছে খবর নিলে নম্বরগুলো পাওয়া যেতে পারে৷’

    জয়ন্ত উঠে দাঁড়িয়ে বললে, ‘আজকে এখনি খবর দিন৷ নম্বরগুলো পেলেই আমার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবেন৷ এখন আমি বিদায় নিলুম, হয় কাল সন্ধ্যার সময়ে নয় দুই-এক দিন পরেই আপনার সঙ্গে আবার দেখা করব-এটা চিত্তাকর্ষক হলেও সহজ মামলা৷ চলো মানিক৷ নমস্কার ডাক্তারবাবু৷’

    রাস্তায় এসে জয়ন্তকে জিজ্ঞাসা করলুম, ‘কে চোর সে বিষয়ে তুমি কিছু আন্দাজ করতে পেরেছ?’

    জয়ন্ত ক্রুদ্ধস্বরে বললে, ‘আমি এইটুকুই আন্দাজ করতে পেরেছি যে, তুমি হচ্ছ একটি গাড়ল, গর্দভ, ইগ্নোরেমাস৷’

    আমি একেবারে দমে গেলুম৷

    চার

    সোমবারের সন্ধ্যা৷ জয়ন্তের পিছনে গুটিগুটি যাত্রা করলুম নরেনবাবুর বাড়ির দিকে৷ দেখেছি কাল বৈকাল থেকে রাত দশটা পর্যন্ত এবং আজ সকাল থেকে বৈকাল পর্যন্ত সে বাড়ির বাইরেই কাটিয়ে দিয়েছে৷ তার কার্যকলাপ সম্বন্ধে একটি ছোটোখাটো ইঙ্গিত পর্যন্ত আমাকে দেয়নি৷ আজও তার মুখ এমন গম্ভীর যে, কোনো কথা জিজ্ঞাসা করতেও ভরসা হল না৷

    নরেনবাবু বসেছিলেন আমাদের অপেক্ষায়৷ সাগ্রহে শুধোলেন, ‘কিছু খবরাখবর পেলেন নাকি!’

    পকেট থেকে একখানা খাম বার করে জয়ন্ত বললে, ‘এই নিন৷’

    খামের ভিতর থেকে বেরুল পাঁচখানা নোট-প্রত্যেকখানা হাজার টাকার৷

    জয়ন্ত বললে, ‘দেখছেন ডাক্তারবাবু, সব নোটের উপরেই কিছু-না-কিছু লাল কালির দাগ আছে৷ একখানা নোটে একদিকের প্রায় সবটাই লাল কালিমাখা, -এখানা ছিল সব উপরে৷’

    বিস্ময়ে হতভম্ব হয়ে নরেনবাবু প্রায় আধ মিনিট নীরবে বসে রইলেন৷ তারপর বললেন, ‘নোটগুলোর উপরে লাল কালির দাগ এতটা ফিকে কেন?’

    -‘চোর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলবার চেষ্টা করেছিল৷’

    -‘কিন্তু চোর কে?’

    জয়ন্ত বললে, ‘ক্ষমা করবেন, চোরের কাছে আমি প্রতিজ্ঞা করেছি তার নাম প্রকাশ করব না৷ কেবল এতটুকু জেনে রাখুন, সে আপনার বাড়ির লোক নয়৷ ভবিষ্যতে সৎ পথে থাকবার জন্যে আমি তাকে সুযোগ দিতে চাই, কারণ এটা হচ্ছে তার প্রথম অপরাধ৷ আজ আমরা আসি, নমস্কার৷’

    পাঁচ

    বাইরে এসে জিজ্ঞাসা করলুম, ‘ভাই জয়ন্ত, আমার কাছেও কি তুমি চোরের নাম প্রকাশ করবে না?’

    জয়ন্ত হেসে বললে, ‘নিশ্চয়ই করব৷ চোরের নাম মোহনতোষ চৌধুরী৷’

    সবিস্ময়ে বললুম, ‘তাকে তুমি কেমন করে সন্দেহ করলে?’

    -‘কেবল পূর্ব দিকের দরজা-জানালা দিয়েই সেদিন নরেনবাবুর ঘরের ভিতরটা দেখবার সুযোগ ছিল৷ আর নরেনবাবুর চেয়ারে বসে পূর্ব দিকে তাকিয়ে আমি দেখতে পেলুম কেবল মোহনতোষের বাড়ির দোতলার ঘর৷ এই হল আমার প্রথম সন্দেহ৷ তারপর সেই কালো চশমাপরা ফ্রেঞ্চ কাট দাড়িওয়ালা লোকটার কথা ভাবতে লাগলুম৷ সে শীতের ওজরে আবার মাথা থেকে প্রায় সর্বাঙ্গে আলোয়ান মুড়ি দিয়ে এসেছিল৷ কালো চশমা, সর্বাঙ্গে আবরণ-এসব যেন আত্মগোপনের চেষ্টা, ফ্রেঞ্চ কাট দাড়িও সন্দেহজনক! লোকটা হয়তো ছদ্মবেশের সাহায্য নিয়েছিল! কেন? পাছে হরিচরণ তাকে চিনে ফেলে, সে নিশ্চয়ই পরিচিত ব্যক্তি৷ তার আকস্মিক প্রস্থানও কম সন্দেহজনক নয়৷ আগেই শুনেছি, মোহনতোষ একজন অভিনেতা, তার ছদ্মবেশ ধারণের উপকরণ আছে৷ এই হল আমার দ্বিতীয় সন্দেহ৷ তার বন্ধু বিনোদ যে ঘটনার দিনেই সন্ধ্যা বেলায় নরেনবাবুর টাকা শোধ দিতে যাবে, এটাও নিশ্চয়ই সে জানতে পেরেছিল৷ আমার তৃতীয় সন্দেহ৷ তারপর আমি এখানে-ওখানে ঘুরে যেসব তথ্য সংগ্রহ করলুম তা হচ্ছে এই: মোহনতোষ বিবাহ করেনি, বাড়িতে একাই থাকে৷ বাড়ির একতলা সে ভাড়া দিয়েছে৷ তার আরও একখানা ভাড়াবাড়ি আছে৷ এই সব থেকে তার মাসিক আয় প্রায় সাড়ে তিন-শো টাকা৷ ওই আয়ে তার মতো একা লোকের দিন অনায়াসে চলে যেতে পারে, কিন্তু তার চলত না৷ কারণ সে ছিল বিষম জুয়াড়ি৷ বাজারে তার কয়েক হাজার টাকা ঋণ হয়েছিল৷ সে বন্ধুবান্ধবদের কাছ থেকেও টাকা ধার করতে ছাড়েনি৷ এই ঋণ কতক শোধ করতে না পারলে শীঘ্রই তাঁকে আদালতে আসামি হয়ে দাঁড়াতে হত৷

    ‘মানিক, সব কথা আর সবিস্তারে বলবার দরকার নেই৷ ইনস্পেকটর সুন্দরবাবুকে সঙ্গে নিয়ে আজ আমি মোহনতোষের সঙ্গে দেখা করেছিলুম৷ এই তার প্রথম অপরাধ৷ আমাকে দেখেই ভয়ে তার মুখ শুকিয়ে গেল৷ তারপর আমি কীভাবে কার্যসিদ্ধি করেছি তার একটা প্রায় সঠিক বর্ণনা দিলুম আর জানালুম যে নোটের নম্বর আমরা পেয়েছি, এখন এই কালিমাখা নোটগুলো ভাঙাতে গেলেই বিপদ অনিবার্য, তখন সে একেবারেই ভেঙে পড়ল৷

    ‘তার নিজের মুখেই শুনলুম, কোনোরকম চুরি করবার ইচ্ছাই তার ছিল না, জীবনে কখনো চুরিচামারি করেওনি৷ ঘটনার দিন সন্ধ্যার সময়ে তার অত্যন্ত মাথা ধরেছিল, ঘরের আলো নিবিয়ে সে বিছানায় আশ্রয় নিয়েছিল৷ সেখান থেকেই সে দেখতে পায় তার বন্ধু বিনোদ এসে নোটগুলো দিয়ে গেল নরেনবাবুকে আর তিনিও হঠাৎ ফোনে ডাক পেয়ে সেগুলো প্যাডের তলায় গুঁজে রেখে তাড়াতাড়ি বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন৷ সঙ্গেসঙ্গে তার মাথায় গজিয়ে উঠল সস্তায় কিস্তিমাত করবার দুর্বুদ্ধি৷ কিন্তু মানিক, এটাই তার প্রথম অপরাধ বলে আমরা ক্ষমা করেছি৷’

    -‘আর সেইসঙ্গে তুমি ব্যর্থ করে দিলে আমার প্রথম গোয়েন্দাগিরি৷’ দুঃখিতভাবে আমি বললুম৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }