Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একরত্তি মাটি

    প্রাতরাশের পর মানিক উচ্চস্বরে খবরের কাগজ পাঠ করতে লাগল এবং জয়ন্ত একমনে শুনতে লাগল খবরগুলো৷

    ভৃত্য মধুর প্রবেশ-সঙ্গে তার এক পাহারাওয়ালা৷

    জয়ন্ত শুধোলে, ‘ব্যাপার কী?’

    পাহারাওয়ালার মুখে শোনা গেল, ইনস্পেকটর সুন্দরবাবু এই পাড়ায় তদন্তে এসেছেন, জয়ন্তের সঙ্গে তিনি পরামর্শ করতে চান৷

    জয়ন্ত বলল, ‘চলো মানিক, নিশ্চয় কোনো নতুন মামলা৷ একঘেয়ে কাগজ শোনার চেয়ে নতুন মামলা নিয়ে নাড়াচাড়া করা ভালো৷’

    মানিক বলল, ‘হ্যাঁ, তাতে আমাদের সময়ও কাটে, আর সুন্দরবাবুরও হাতযশ বাড়ে৷’

    গঙ্গার ধার৷ রেল লাইনের সামনেই একখানা মাঝারি আকারের তিনতলা বাড়ি৷ সদর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে দুই পাহারাওয়ালা৷

    বৈঠকখানায় কয়েক জন লোকের সঙ্গে বসে আছেন সুন্দরবাবু৷ একগাল হেসে বললেন, ‘এসো জয়ন্ত, এসো মানিক৷’

    জয়ন্ত বলল, ‘আবার কোনো নতুন মামলার হামলা সামলাতে এসেছেন বুঝি?’

    -‘হুম, তা ছাড়া আর কী? সেই জন্যেই তো আজকে তোমাদের চায়ের আসরে যাওয়া হল না৷’

    মানিক বলল, ‘না গিয়ে ভালো করেননি৷ মধু আজ একটি চমৎকার খাবার বানিয়েছিল৷’

    -‘কী খাবার?’

     

     

    -‘চকোলেট স্যান্ডউইচ৷’

    সুন্দরবাবু ফোঁশ করে একটা নিশ্বাস ফেললেন বিরসবদনে৷

    জয়ন্ত জিজ্ঞাসা করল, ‘মামলাটা কীসের?’

    -‘কাল এই বাড়ি থেকে পঁচিশ হাজার টাকা চুরি গিয়েছে, আর সঙ্গে সঙ্গে হয়েছে হত্যার চেষ্টা৷’

    -‘তাহলে সামান্য মামলা নয় দেখছি৷ গোড়া থেকে সব খুলে বলুন৷’

    সুন্দরবাবু যা বললেন, মোটামুটি তা হচ্ছে এই-

    অনন্তচন্দ্র পাইন হচ্ছেন বিখ্যাত লৌহ-ব্যবসায়ী৷ তাঁর দোকান কলকাতার লোহাপট্টিতে এবং তাঁর বসতবাড়ি গঙ্গার ধারে৷ তিনি বিপত্মীক ও নিঃসন্তান৷

    তাঁর পিতার দুই বিবাহ৷ তিনি প্রথম পক্ষের পুত্র৷ দ্বিতীয় পক্ষের পুত্রের নাম নবীনমাধব, বয়স ছাব্বিশ বৎসর৷ তার পিতা পরলোকে৷ তার বিমাতা ইহলোকেই বিদ্যমান বটে, কিন্তু বাস করেন পিত্রালয়ে, কারণ অনন্তবাবুর সঙ্গে তার বনিবনা নেই৷ তবে সপত্নী-পুত্র তাকে মাসোহারা থেকে বঞ্চিত করেননি৷

    অনন্তবাবুর সম্পত্তি স্বোপার্জিত এবং তার অবর্তমানে সেই সম্পত্তির অধিকারী হবে নবীনমাধবই৷ বিমাতার সঙ্গে না বনলেও অনন্তবাবু তার বৈমাত্রেয় ভাইটিকে ভালোবাসেন যার-পর-নাই এবং এনে রেখেছেন নিজের কাছেই৷

    অনন্তবাবুর ম্যানেজারের নাম সুবোধ কুমার বসু, লোহার কারবারে তিনিই তার দক্ষিণ হস্তের মতো৷ দশ বছরের বিশ্বাসী লোক, প্রভুর অনেক টাকা নিয়ে নাড়াচাড়া করেন৷

    ঘটনার দিন কার্যসূত্রে অনন্তবাবুকে যেতে হয়েছিল আসানসোলে৷ সেইদিন সন্ধ্যার সময়ে দোকান বন্ধ করে সুবোধ পঁচিশ হাজার টাকা নিয়ে অনন্তবাবুর বাড়িতে আসে এবং দোতলার ঘরে লোহার সিন্দুকে টাকাগুলি রাখে৷ তারপর ঘরের দরজায় তালা দিয়ে সিন্দুকের ও দরজার চাবি নবীনমাধবের হাতে অর্পণ করে নিজের বাসায় চলে যায়৷ সে বাস করে গঙ্গার অপর পারে, ঘুষুড়ীতে৷

     

     

    নবীন সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়, ফিরে আসে ভোর বেলায়৷ রাত্রি বেলায় বাড়িতে ছিল এক জন দারোয়ান, একজন ভৃত্য৷ আরও একজন দারোয়ান ও এক জন ভৃত্য অনন্তবাবুর সঙ্গেই আসানসোলে গিয়েছিল৷ পাচক ও দাসী ঠিকা, তারা রাত্রে বাড়িতে থাকে না৷

    সকালে নবীন বাড়ি ফিরে আসবার আগেই ভৃত্য রঘুর নিদ্রাভঙ্গ হয়৷ সে বাইরে এসে দেখে, উঠোনের উপরে পড়ে আছে দারোয়ানের অচৈতন্য দেহ, তার মাথায় প্রচণ্ড আঘাতের চিহ্ন, মাটির উপরে রক্তের ধারা৷ আর একগাছা রুপো-বাঁধানো, মোটা রক্তাক্ত লাঠি৷

    তার চিৎকারে যখন লোকজন জড়ো হয়েছে, সেই সময়েই নবীন বাড়িতে ফিরে আসে৷ তারপর দেখা যায়, দোতলায় অনন্তবাবুর ঘরের দরজা খোলা, লোহার সিন্দুকেরও দরজা খোলা, পঁচিশ হাজার টাকা অদৃশ্য৷ নবীন তৎক্ষণাৎ পুলিশে খবর দেয়৷

    পুলিশ-তদন্তে এই তথ্যগুলি প্রকাশ পেয়েছে:

    দরজার ও লোহার সিন্দুকের চাবি কাল থেকে আজ পর্যন্ত নবীন একবারও কাছছাড়া করেনি৷ অথচ দরজার তালা ও সিন্দুকটা যে চাবি দিয়েই খোলা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনোই সন্দেহ নেই৷

    রাত্রে সে কোথায় ছিল, এই প্রশ্নের উত্তরে নবীন বলে, এক বন্ধুর বাড়িতে৷ কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও তার কাছ থেকে বন্ধুর নাম ও ঠিকানা আদায় করা যায়নি৷

    দারোয়ানের দেহের পাশে যে মোটা লাঠিগাছা পাওয়া গিয়েছে, তার অধিকারী যে স্বয়ং নবীন সেটাও প্রমাণিত হয়েছে৷

    ভৃত্য রঘু বলে, রাত্রে সে কোনো শব্দ শোনেনি৷ দারোয়ান তাকে সিদ্ধি খাইয়ে দিয়েছিল৷ সিদ্ধি খেতে সে অভ্যস্ত নয়, ঘুমিয়ে একেবারে বেহুঁশ হয়ে পড়েছিল৷

     

     

    অপরাধী যে কেমন করে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেছিল, এ সমস্যার কোনোই সমাধান হয়নি৷ সদর দরজা রঘু নিজের হাতে বন্ধ করেছিল৷ বাইরে থেকে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করবার দ্বিতীয় কোনো উপায়ই নেই৷

    দারোয়ানই কি কড়া নাড়া শুনে অপরাধীকে দরজা খুলে দিয়ে পরে তার দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে? এ প্রশ্নেরও জবাব পাবার উপায় নেই৷ কারণ, দারোয়ান এখনও অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে পড়ে আছে৷

    সমস্ত শুনে জয়ন্ত মুখে কিছু বলল না৷ বাড়ির বাইরে গিয়ে খানিকক্ষণ এদিকে-ওদিকে ঘোরাঘুরি করে, আবার ফিরে এসে সদর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলল, ‘সুন্দরবাবু, আপনি ঠিকই বলেছেন৷ বাইরে থেকে এ বাড়ির ভিতরে আসবার কোনো উপায় নেই৷’

    -‘তাহলে অপরাধী বাড়ির ভেতরে এল কেমন করে?’

    -‘এই সদর দরজা দিয়ে৷’

    -‘দরজা তো ভেতর থেকে বন্ধ ছিল!’

    জয়ন্ত জবাব দিল না৷ নীচের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ সে উবু হয়ে বসে পড়ল৷ তারপর মাটির উপর থেকে কী একটা তুলে নিয়ে চোখের কাছে এনে পরীক্ষা করল৷ তারপর পকেটের ভিতর থেকে এক টুকরো কাগজ বার করে জিনিসটা মুড়ে রাখল৷

    সুন্দরবাবু শুধোলেন, ‘কী ওটা?’

    জয়ন্ত উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘একরত্তি মাটি৷ সে নতমুখে এদিকে-ওদিকে চোখ বুলোতে বুলোতে অগ্রসর হল৷ উঠোনের উপরে আবার বসে পড়ল৷ আবার কী তুলে নিয়ে মোড়কের ভিতরে রেখে উঠে দাঁড়াল৷

    সুন্দরবাবু বললেন, ‘আবার কী পেলে হে!’

     

     

    -‘আবার একরত্তি মাটি৷’

    -‘খালি খালি মাটি কুড়িয়ে ছেলেখেলা করছ কেন? কাজের কথা বলো৷’

    -‘দোতলায় চলুন৷ যে ঘর থেকে টাকা চুরি গিয়েছে সেইখানে৷’

    কিন্তু সেখানে নুতন কিছুই আবিষ্কৃত হল না৷

    জয়ন্ত বলল, ‘এ মামলায় একটা মস্ত সূত্র হচ্ছে নবীনের রক্তাক্ত লাঠিগাছা৷’

    -‘হুম, আরও দুটো বড়ো সূত্র আছে৷ প্রথম, নবীনের কাছে ছিল দরজার আর সিন্দুকের চাবি৷ দ্বিতীয়, কাল কোথায় রাত্রিবাস করেছিল, সেকথা সে বলতে নারাজ কেন?’

    জয়ন্ত মাথা নেড়ে বলল, ‘উঁহু, ওর চেয়ে বড়ো সূত্র হচ্ছে ওই লাঠিগাছা৷’

    -‘হ্যাঁ, ওই সূত্র ধরে আমি নবীনকে গ্রেফতার করতে পারি৷’

    -‘আপাতত সে চেষ্টা করবেন না৷’

    -‘যদি সে পালায়?’

    -‘আমি নবীনের মুখ দেখেছি৷ বুদ্ধিমানের মুখ৷ বোকার মতন এখন পালিয়ে গিয়ে সে নিজের পায়ে কুড়ুল মারবে না৷’

    -‘ওই নবীন আর সুবোধ এইদিকে আসছে৷ ওদের কিছু জিজ্ঞাসা করবে কি?’

    নবীন ও তার পিছনে পিছনে সুবোধ এসে দাঁড়াল জয়ন্তর সামনে৷ নবীনের মুখশ্রী, দেহের গঠন ও গায়ের রং চমৎকার৷ চোখের চাহনি শিশুদের মতন সরল৷ কিন্তু কারুর মুখ দেখে পুলিশ ভোলে না৷ কারণ, এমন অপরাধীর সংখ্যাও অল্প নয়, যাদের মতো দেববাঞ্ছিত চেহারা পেলে মুনি-ঋষিরাও নিজেদের ভাগ্যবান মনে করতেন৷

     

     

    সুবোধের চেহারাও নিরীহ গোছের, শ্যামবর্ণ, দোহারা দেহ, মাথায় মাঝারি, মুখ হাসি-হাসি৷ চেহারায় কোনো বৈশিষ্ট্য না থাকলেও মানুষটিকে মন্দ বলে মনে হয় না৷

    জয়ন্ত বলল, ‘আসুন নবীনবাবু৷ বলতে পারেন, দারোয়ানের দেহের পাশে আপনার লাঠিগাছা পাওয়া গেছে কেন?’

    শুষ্ককন্ঠে নবীন বলল, ‘কেমন করে বলব মশাই; আমার নিজের মনেও বার বার জাগছে ওই প্রশ্নই৷ আমি হতভম্ব হয়ে গেছি৷’

    সুবোধের দিকে ফিরে জয়ন্ত বলল, ‘শুনলাম আপনার বাড়ি ঘুষুড়ীতে৷ আপনি কি রোজ সেখান থেকে আনাগোনা করেন, না কলকাতাতেও কোনো বাসা রেখেছেন?’

    সুবোধ বলল, ‘গঙ্গার এপারে কলকাতা, ওপারে ঘুষুড়ী৷ দূর তো বেশি নয়, তাই ঘুষুড়ী থেকেই আনাগোনা করি৷’

    -‘অনন্তবাবু আপনাকে অত্যন্ত বিশ্বাস করতেন?’

    সুবোধ ভাঙা ভাঙা গলায় বলল, ‘কিন্তু কালকের ঘটনার পরও তিনি কি আর আমাকে বিশ্বাস করবেন?’

    নবীন বলল, ‘আমিও কেমন করে দাদার কাছে মুখ দেখাব জানি না৷’

    জয়ন্ত বলল, ‘আপনাদের বেয়ারা রঘুকে একবার আসতে বলুন৷’

    রঘু এলে জয়ন্ত জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমাদের সদর দরজা থেকে উঠোন পর্যন্ত রোজ ধোয়া-মোছা, ঝাঁট দেওয়া হয়?’

    রঘু হাত জোড় করে বলল, ‘হ্যাঁ হুজুর, দু-বেলাই৷ কর্তাবাবু কোথাও এক তিল ধুলো দেখলে রেগে আগুন হয়ে ওঠেন৷’

    সদরের জানলা দিয়ে গঙ্গার দিকে তাকিয়ে জয়ন্ত বলল, ‘এত কাছে গঙ্গা, তোমরা নিশ্চয়ই রোজ গঙ্গাস্নান কর!’

     

     

    -‘না হুজুর, গঙ্গায় স্নান করতে যাই কালেভদ্রে৷’

    -‘কাল সকালে কি বৈকালে তোমাদের কেউ গঙ্গাস্নান করতে যায়নি?’

    -‘না, হুজুর৷’

    -‘সুন্দরবাবু, আমার আর কিছু জিজ্ঞাস্য নেই৷ এসো মানিক৷’

    জয়ন্ত ও মানিকের সঙ্গে সুন্দরবাবুও নীচে নেমে শুধোলেন, ‘কী হে ভায়া, উঠোন ঝাঁট দেওয়া, গঙ্গাস্নান করার সঙ্গে টাকা চুরির সম্পর্কটা কোনখানে?’

    -‘এখন বুঝবেন না৷’

    -‘নতুন কোনো সূত্র পেয়েছ বুঝি?’

    -‘পেয়েছি৷ সবচেয়ে বড়ো সূত্র৷’

    -‘সূত্রটা কী?’

    -‘একরত্তি মাটি৷’

    জয়ন্তর দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থেকে সুন্দরবাবু বললেন, ‘হুম, তুমি একটি আস্ত বাতুল৷’

    পথ দিয়ে যেতে যেতে মানিক বলল, ‘আমিও একরত্তি মাটির মানে বুঝলাম না৷ তুমি এখন কী করবে?’

    -‘তথ্যানুসন্ধান৷ আমার বিশ্বাস এটা জটিল মামলা নয়৷ চোর ধরা পড়তে বেশি বিলম্ব হবে না৷’

     

     

    -‘কারুকে তুমি সন্দেহ করছ?’

    -‘কারুকে না, কারুকে না৷ অর্থাৎ সকলকেই৷ নবীন, সুবোধ থেকে শুরু করে, এ বাড়ির পাচক, দারোয়ান, বেয়ারা, দাসী, সকলকেই৷ অথবা চোর হচ্ছে কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তি, কিন্তু তা হলেও বাড়ির কেউ-না-কেউ যে তাকে কোনো সাহায্য করেছে, সে বিষয়ে সন্দেহ নাস্তি৷ আর কোন দিক থেকে সে এসেছে, তাও আমি বুঝতে পেরেছি৷’

    -‘কী দেখে বুঝলে?’

    -‘একরত্তি মাটি৷’

    -‘জয়ন্ত, তোমার নাগাল পাওয়া ভার৷’

    এক, দুই, তিন দিন কেটে গেল৷ জয়ন্ত মাঝে মাঝে বেরিয়ে যায়, ফিরে আসে, কিন্তু মুখে কিছু বলে না৷

    চতুর্থ দিনের প্রভাতি চায়ের আসরে সুন্দরবাবু যথারীতি উপস্থিত৷

    টেলিফোনের ঘণ্টি বেজে উঠল৷ রিসিভার ধরে জয়ন্ত বলল, ‘হ্যালো! হ্যাঁ, আমি জয়ন্ত৷ নমস্কার৷ কী বললেন? যাকে খোঁজা হচ্ছে, তাকে পেয়েছেন? অতিশয় সুসংবাদ৷ তার নাম কী?-রামলাল? বেশ, বেশ তাকে আজ দুপুরেই আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে পারবেন? আচ্ছা, ধন্যবাদ৷’

    সুন্দরবাবু শুধোলেন, ‘কীসের সুসংবাদ জয়ন্ত?’

    জয়ন্ত বলল, ‘সুন্দরবাবু, আজ বৈকালে অনন্তবাবুর বাড়ির সকলেই যেন এক জায়গায় হাজির থাকে, এমনকী, পাচক পর্যন্ত৷’

    কৌতূহল প্রদীপ্ত মুখে সুন্দরবাবু বললেন, ‘কেন জয়ন্ত, কেন?’

     

     

    -‘সকলের সঙ্গে আমি রামলাল নামে এক ব্যক্তির পরিচয় করিয়ে দিতে চাই৷’

    -‘কে রামলাল?’

    -‘ব্যস, এখন আর কোনো প্রশ্ন নয়৷’ এই বলে জয়ন্ত একেবারে বোবা হয়ে গেল৷

    বৈকাল৷ অনন্তবাবুর বাড়ির সবাই বৈঠকখানায় হাজির৷ টেবিলের সামনের চেয়ারখানা দখল করেছেন সুন্দরবাবু৷

    জয়ন্ত ও মানিকের আবির্ভাব৷ তাদের পিছনে আর একজন লোক৷ তার খালি পা, কোমর-বাঁধা কাপড়, গায়ে গেঞ্জি, জাতে সে বোধ হয় বেহারি৷

    জয়ন্ত বলল, ‘সুন্দরবাবু, এই লোকটির নাম রামলাল?’

    -‘হুম!’

    -‘নবীনবাবু, ঘটনার দিন আপনি কোথায় রাত্রিবাস করেছেন, বলবেন না?’

    নবীন কাঁচুমাচু মুখে বলল, ‘আমাকে মাপ করুন৷’

    -‘বেশ, আপনাকে তা আর বলতে হবে না, কারণ আমি আপনার গুপ্তকথা জানতে পেরেছি৷’

    নবীনের মুখ হয়ে উঠল উদবিগ্ন!

    জয়ন্ত বলল, ‘রামলাল, সে রাত্রে এই নবীনবাবু কি তোমার নৌকা ভাড়া করেছিলেন?’

    রামলাল বলল, ‘না হুজুর৷’

     

     

    -‘তবে?’

    রামলাল অঙ্গুলিনির্দেশে দেখিয়ে দিল সুবোধকে৷

    জয়ন্ত বলল, ‘সুবোধবাবু, ঘটনার দিন রাত্রে আপনি রামলালের নৌকো ভাড়া করে কলকাতায় এসেছিলেন কেন?’

    সুবোধের চেহারা তখন আর নিরীহের মতো দেখাচ্ছিল না৷ সে গর্জন করে বলে উঠল, ‘মিথ্যে কথা, মিথ্যে কথা!’

    -‘কিন্তু রামলাল আপনাকে শনাক্ত করছে৷’

    -‘ও ভুল দেখেছে৷’

    -‘বেশ, আদালতে গিয়ে এই কথাই বলবেন৷ সকলে এখন আমার কথা শুনুন৷’

    জয়ন্ত বলতে লাগল:

    ‘সুন্দরবাবু, আগেই আপনাকে বলেছিলুম, এ মামলায় একটা মস্ত সূত্র হচ্ছে, নবীনবাবুর রক্তাক্ত লাঠিগাছা৷

    ‘সুন্দরবাবু, আপনি যদি লাঠি দিয়ে দারোয়ানকে আঘাত করতেন, তাহলে নিশ্চয়ই নিজের বিরুদ্ধে অতবড়ো প্রমাণটা একটা নির্বোধের মতো ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যেতেন না৷

    ‘এখানেই বোঝা যায় তাঁর বিরুদ্ধে হয়েছিল একটা নিষ্ঠুর চক্রান্ত৷ নবীনবাবুর দিকে পুলিশের সন্দেহ আকৃষ্ট করে অপরাধী নিরাপদে বাস করতে চেয়েছে যবনিকার অন্তরালে৷ নবীনবাবুর রক্তাক্ত লাঠি পাওয়া গেছে ঘটনাস্থলে৷ ঘরের দরজার চাবিও তাঁর কাছে৷ পুলিশ সহজেই ভ্রমে পড়তে পারত৷

    ‘তার উপরে নবীনবাবু নিজের ব্যাপারটাকে আরও ঘোরালো করে তুলেছিলেন৷ তিনি কিছুতেই বলতে রাজি নন, ঘটনার দিন রাত্রে তিনি ছিলেন কোথায়? সে গুপ্তকথা আমি জানতে পেরেছি তাঁর মায়ের কাছে সন্ধান নিয়ে৷ তিনি ছিলেন তাঁর মায়ের কাছে৷ অনন্তবাবু তাঁর বিমাতাকে একেবারেই পছন্দ করতেন না৷ তাঁর সঙ্গে মেলামেশা করলে নবীনবাবু সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবেন, এই ছিল অনন্তবাবুর কঠিন নির্দেশ৷ নবীনবাবু রক্তের টানে দাদার অনুপস্থিতির সুযোগ গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু ভয়ে সেকথা স্বীকার করতে পারছিলেন না৷

     

     

    ‘নবীনবাবুর সম্বন্ধে নিঃসন্দেহ হয়ে আমি আর একটা সূত্র নিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগলুম৷ ঘটনাস্থলে বাড়ির সদর দরজার আর উঠোনের উপরে পেয়েছিলুম দু-টুকরো মাটি৷ পরীক্ষা করেই বুঝতে পারলুম, তা গঙ্গামাটি ছাড়া আর কিছুই নয়৷ রঘু বেয়ারা বলল, ঘটনার দিন বাড়ির কেউ গঙ্গাস্নানে যায়নি৷ সে দু-বেলা বাড়ির উঠোন প্রভৃতি ঝাঁট দিয়ে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে রাখে, তবু ওখানে দু-টুকরো গঙ্গামাটি এল কেমন করে? তুচ্ছ মাটির টুকরো, কিন্তু সূত্র হিসাবে অসামান্য হয়ে উঠল৷

    -‘করলুম কল্পনাশক্তি প্রয়োগ৷ মন বলল, অপরাধী এসেছে রাত্রে নৌকোয় চড়ে জলপথে৷ নদীতে তখন ভাঁটা ছিল, তাকে নামতে হল ভিজে মাটির উপরে৷ তার জুতোর তলায় লেগে গেল এঁটেল মাটি৷ সেই মাটির কিছু কিছু শুকিয়ে ঝরে পড়েছে ঘটনাস্থলে৷

    ‘গঙ্গার অপর পারে ঘুষুড়ীতে বাস করে সুবোধ৷ সে কেমন লোক? ঘুষুড়ীর পুলিশ সন্ধান নিয়ে সে-খবর আমাকে জানিয়েছে৷ সুবোধ হচ্ছে বিষম জুয়াড়ি৷ ঋণে সে ডুবে আছে৷ তার নৈতিক চরিত্রও ভালো নয়৷ হাতে পঁচিশ হাজার টাকা, অনন্তবাবু অনুপস্থিত, এ সুযোগ হয়তো সে ছাড়তে পারেনি৷ তার পক্ষে সিন্দুকের তালার দ্বিতীয় চাবি তৈরি করে নেওয়াও কিছুমাত্র কঠিন নয়৷ সে যদি নৌকো ভাড়া করে ঘুষুড়ী থেকে এসে থাকে; তবে নৌকোর মাঝিরও সন্ধান পাওয়া যেতে পারে সেইখানেই৷ তাই পাওয়া গেল৷ ঘুষুড়ীর পুলিশই খুঁজে বার করেছে মাঝি রামলালকে৷

    ‘কিন্তু সুবোধ বাড়ির ভিতরে ঢুকল কেমন করে? আমার অনুমান, রঘু বেয়ারাও ষড়যন্ত্রের মধ্যে আছে৷ সেই সুবোধকে সদর দরজা খুলে দিয়েছে৷ সে কাজ সেরে যখন সরে পড়ছে, সেই সময়েই দারোয়ানের ঘুম ভেঙে যায়৷ তার পরের কথা আপনারাই অনুমান করুন৷

    -‘সুন্দরবাবু, একরত্তি মাটি কি বড়ো ফ্যালনা!’

    সুন্দরবাবু বললেন, ‘উহুম, উহুম!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }