Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জরা হটকে এবং অন্যান্য – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দেশের চিঠি – নবনীতা দেবসেন

    দেশের চিঠি

    মামনি সোনামণি

    নববর্ষের অনেক আশীর্বাদ, তোমাকে আর তোমার রবার্টবাবুকে। ঠাণ্ডা একটু কমেছে? ফুলটুসি টুসটুসি কী আছে—”ও বাবাগো মার এত বড় চিঠি? কখন পড়ব? কিন্তু মা এত কথা ফোনে বলতে হলে কত খরচা হত সেটা ভাব? যদিও হবুজামাই পড়তে পারবে না, কিন্তু চিঠি কি ইংরিজিতে লিখতে ইচ্ছে করে? দূর। আর আমাদের সব ব্যাপারে তো তার উৎসাহ থাকার কথাও নয়। পরিবারটি তো ছোট নয় আমাদের, ভগবানের ইচ্ছেয়? সমস্যাও বিচিত্র।

    তোমার বাবার শরীর ভালই আছে এখন। মার্কিনী জামাই প্রাপ্তির দুষ্পাচ্য সংবাদটি এতদিনে হজম হয়েছে বলেই মনে হয়। তোমরা তো জুন মাসেই আসছ। সামনাসামনি দেখা হলেই অনেক অকারণ দুর্ভাবনা ঘুচে যায়। তুমি তোমার বাবামাকে যে কত ভালবাস তা আমি জানি। মার্কিনী ছেলেই হোক, আর বাঙালি ছেলেই হোক জামাই হল জামাই, সে এসে ঘর থেকে মেয়েকে কেড়ে নিয়ে চলে যাবেই অন্য এক ঘরে। এটাই নিয়ম। জগতে চিরটাকাল এইই চলছে। বাঙালি পাত্র, পালটি ঘর, অনেক দেখেশুনে বাড়ির কাছাকাছি বিয়ে দিলে, সে জামাই যদি তারপরে মেয়েকে বগলদাবা করে টিম্বাকটু কিংবা দক্ষিণ মেরুতে বিপুল মাইনের চাকরি নিয়ে চিরদিনের মতন চলে যায়, পাঁচ বছরের একবার দেশে আসে, তার বেলায় বাবারা মনের দুঃখে ভয়ে ভাবনায় উদ্বেগে শয্যাশায়ী হল বলে কদাচ শুনিনি। অথচ এই যে ছেলেটি ভারতীয় ইতিহাস নিয়েই গবেষণা করে, কয়েক বছর কর্মসূত্রেই ভারতবর্ষে আসবে যাবে, সে মার্কিনী বলেই তোমার বাবার কেন যে এত উদ্বেগ তা আমার মাথায় ঢুকছে না। হ্যাঁ, যদি তোমার দাদু কি দিদিমা, কি ঠাকুমা এমন ছটফট করতেন আমি বুঝতাম। কিন্তু তোমার ঠাকুমা তো দেখি দিব্যি সাহেব নাত—জামাইয়ের পাঞ্জাবী পাজামা পরা চটি পায়ে ঝোলা কাঁধে ফোটো সবাইকে ফোকলা হাসি সহ গর্বভরে দেখাচ্ছেন এবং তোমরা এলে কীভাবে কী কী অনুষ্ঠান হবে তারই জল্পনা—কল্পনা করছেন পুরুতমশাই আর তোমার পিসিদের সঙ্গে। আমি অবশ্যই আউট। বলা বাহুল্য। আর আমার মা—বাবা? সে—বছর তোমার মেজমামার কাছে ওঁরা যখন গিয়েছিলেন তুমি তো ওদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলে রবার্টের—শিকাগোয় বঙ্গ সম্মেলনে যখন দেখা হয়েছিল। গর্ব করায় তাঁরা সবার ওপরে এককাঠি বাড়া, যেহেতু হবু নাতজামাই স্বচক্ষে অ্যাডভান্স দেখে এসেছেন, চেনেন। যদিও জানতেন না সে জামাই হবে, শুধু জানতেন তোমার মাস্টারমশাই। তোমার ”সায়েন্টিস্ট” বাবাটি কিছুতেই ”বিধর্মী”, ”বিদেশী”, ”বিভাষী” এবং যে তোমাকে চিরদিন প্রবাসে ধরে রেখে দেবে এমন জামাতাকে দিল খুলে পছন্দ করতে পারছেন না যা বুঝছি। আমি অনেক বোঝাচ্ছি যে ছেলেটি ব্রিলিয়ান্ট, ভাল ইউনিভার্সিটিতে পাকা কাজ করছে, দিব্যি সুদর্শন, অল্প বয়স, এই প্রথমবার বিয়ে করছে (সাহেবরা সব্বাই ডিভোর্সী, বহুবিবাহিত এবং/অথবা দুশ্চরিত্র হয় বলেই আমাদের দেশে অনেকের ধারণা?) হিন্দুধর্ম ও ভারতবর্ষ বিষয়ে তার জ্ঞান যে আমাদের চেয়ে বেশি, সংস্কৃত জানে, ভাঙা ভাঙা বাংলা বলে (আমাদের খাঁটি বাঙালি সুপাত্ররাও আজকাল ভাঙা ভাঙা বাংলাই বলে, কিন্তু তারা সংস্কৃতটা শেখেনি) ভাল রান্নাবান্না জানে (বাঙালি জামাইরা সাধারণত রান্না জানে না, একটু জানলেও বিয়ের পর ভুলে যায়), সিগারেট খায় না মাংস খায় না, কড়া মদ্যপান করে না (এটা তোর মেজমামা আমায় ফোনে বলেছেন বাবা তো শুনে অবাক। কী আশ্চর্য সাহেব, অথচ স্কচ খায় না?’ তোর দাদু মুগ্ধ এমন সৎপাত্রটিকে তাঁর নাতনি সংগ্রহ করেছে বল। এখানে তরুণ সৎ পাত্ররা সবাই মদের পিপে হয়ে যায় চল্লিশে পৌঁছোবার আগে)। তাও তো কেউই জানেন না যে রবার্ট তোকে কত যত্ন—আত্তি করে। বাসন ধুয়ে দেয়, ঘর পরিষ্কার করে দেয়। কাপড় কেচে আনে। আমি তো বাপু হাজার সম্বন্ধ করেও এমন জামাই যোগাড় করতে পারতুম না।

    তার ওপর তোমাকে শ্বশুর শাশুড়ি ননদভাজ নিয়ে ঘর করতে হবে না। আমার সংসার তো কানে শুনতেই ”স্বামী—স্ত্রী একটি সন্তান”—কিন্তু কার্যত? বাড়িতে প্রথমত শাশুড়ি আছেন, তবুও বলতে নেই তোমার ঠাকুমা আমায় যতই অগ্রাহ্য করুন, যতই চার মেয়ের দ্বারা মন্ত্রী—পরিবৃতা হয়ে থাকুন, তেমন জব্দ করতে পারেননি। বোবার শত্রুতা করবে কে? তোমার চার পিসি, পিসেমশাই বৃদ্ধ এবং তাঁদের ছেলেমেয়েরা, তোমার কাকু কাকীমা এবং আমার গুণবান দেওরপোদ্বয়কে (বড় জ্বালাচ্ছেন বাপু তাঁরা! পল্টনকে তো ড্রাগের কারণে হস্টেল থেকে রাস্টিকেট করেছে। তবুও পাটনা ছেড়ে তোমার কাকিমা এখনও কাকার সঙ্গে জামসেদপুরে আসবে না।) নিয়েই তো আমার শ্বশুরবাড়ি? তোমার বাপের বাড়ির সংসারের extended family—টি কি ছোট হল? তোমার এ ধরনের অতিরিক্ত অথচ জরুরী সমস্যা আশা করি থাকবে না, বাড়ির বড় বউ হলে এদেশে যেসব ঝঞ্ঝাট ঝেড়ে ফেলা তোমার—আমার পক্ষে শক্ত।

    সত্যি কথা বলতে কী, তোমার সিদ্ধান্তে আমি বেশ নিশ্চিন্ত হয়েছি। সম্বন্ধ করে তোমার বিয়ে দিলে কেরিয়ার—এর ক্ষতি হবে বলে ভয় ছিল, এক্ষেত্রে তোমাদের দু’জনের যেহেতু joint research, সেই হেতু তোমার কাজ বন্ধ হয়ে যাবার ভয় নেই (তাহলে জামাইবাবাজীরও কাজ বন্ধ হয়ে যাবার আশঙ্কা থাকতে পারে) এবং তোমার কাজের যথার্থ সমঝদারিও ঘরেই তুমি পাবে। যেটা অমূল্য।

    তোমার মন শক্ত রেখো—”বাবা শুয়ে পড়েছেন বিয়ের খবর শুনে”—এই কথা ভেবে মুষড়ে পোড়ো না। এখানে বাবার শুয়ে পড়াটা তাঁরই ভুল চিন্তার ফল। একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে যাবে এই শোকেই হোক, সাহেবজামাই হবে ভেবেই হোক, অথবা জামাইকে তুমি স্বয়ং পছন্দ করেছ শুনেই হোক, হয়তো নানা কারণেই তোমার বাবার এই প্রতিক্রিয়া হয়েছে। তাছাড়া উনি নিজেই এ বাড়ির সর্বময় কর্তা। যাবতীয় সিদ্ধান্তেই সব একা একা নিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। হঠাৎ তুমি তাতে বাগড়া দিলে। নিজের জীবন নিয়ে দিব্যি নিজে নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললে। তাঁর সঙ্গে একটা পরামর্শও করলে না,—অনুমতি চাইলে না, কেবল শুভ সংবাদটি পরিবেশন করলে, এজন্যও তাঁর মনমেজাজ বিগড়ে থাকতে পারে। তুমি বা রবার্ট এ নিয়ে মন খারাপ কোরো না। এটা ওঁর অহং—এর প্রশ্নে ঘটেছে। তোমাদের কোনও ত্রুটির কারণে নয়। ওঁর শুয়ে পড়াটা শারীরিক কোনও দুর্যোগের ফলে হয়নি, হয়েছে মানসিক দুর্যোগে।

    সামলে উঠবেন, তোমাকে বলেছিলাম। এবং এখন উনি দিব্যি সুস্থ। তোমার ঠাকুমা, আমার বাবা—মা আর বড়দা তো বোঝাচ্ছেনই, বলতে নেই, তোমার পিসিরাও। প্রথমে তাঁরা দু’ভাগে বিভক্ত ছিলেন মোহনবাগান আর ইস্টবেঙ্গলের মতো। বড় এবং সেজ তোমার বাবার দলে, মেজ এবং ছোট তোমার (অর্থাৎ আমারও) পক্ষে। আপাতত দেখছি তোমার বুদ্ধিমতী ঠাকুমার কল্যাণে সম্ভবত চার ভগ্নীতে একজোট হয়ে ভাইকে বোঝাচ্ছেন কেন ফুলটুসির ওপর তাঁর রাগ করা উচিত নয়। তোমরা আষাঢ় মাসেই তো আসছ—শ্রাবণে বিয়ের লগ্ন, তারিখ, ও বিবাহ বাসরের ব্যবস্থা পাঁজিটাজি নিয়ে তোমার ঠাকুমা—পিসিমারাই স্থির করছেন। যথাকালে অবশ্যই আমিও জানতে পারব। ক্যাটারার স্থির হয়ে গেছে শুনেছি। চৌত্রিশ বছর পূর্ণ হল বাড়ির বড় বউ হয়ে এ বাড়িতে এসেছি এখনও আমি সেই ”পরের মেয়ে”। তোমার কাকী তো বটেই। চার পিসি যে যাঁর নিজের বাড়িতে বসবাস করেন, কিন্তু তাঁরাই এখনও ”এ বাড়ির” প্রধান সদস্য। মেনুটা স্থির করার সময়ও ডাকবেন কি না, জানি না।

    তোমার সংসারে এই ঝামেলা হবে না অন্তত। আর মিল—অমিল? তোমার ছোট পিসির বিয়ে কি সাহেবের সঙ্গে হয়েছিল? না প্রেম করে? সে বিয়ে কেন ভেঙে গেল? অথচ অনেক দেখে শুনেই তোমার বাবা ছোট বোনের সম্বন্ধটি করেছিলেন। চোখে দেখেও যদি কেউ জীবন বিষয় শিক্ষা না গ্রহণ করেন তো তাঁর শোক দুঃখু তো অন্যের চেয়ে বেশি হবেই। বাবা বড্ড বাঁধাধরা কতগুলো সোজা লাইনে জোর করে জীবনকে চালাতে চান। কিন্তু জীবন তো জ্যান্ত, তার গতিপ্রকৃতি তার নিজস্ব,আমাদের ভবিষ্যদ্বাণীর বাইরে সে কেন রেলগাড়ী হবে? ছোট পিসির বেলায় তোমার বাবার অমন সেকেলেপনা না থাকলে এতদিনে ডিভোর্স হয়ে কবেই সব চুকে বুকে যেত, এমন বিশ্রীভাবে ঝুলে থাকত না পুরো পরিবারটা। আর তোমার কাকা—কাকীমার বিয়ের ব্যাপারেও তোমার বাবাকে তো দেখেছ? আমি যে হাসিখুশি থাকি সবাই ভাবে ”আহা, স্বামী—স্ত্রীতে কী মিল!” কিন্তু মা—মণি, তুমি তো জানো, আমরা দু’জনে দুটো ভিন্ন জগতের প্রাণী। তোমার বাবা অবিশ্যি সেটা না—ও জানতে পারেন। তোমার আর রবার্টের প্রসঙ্গে আমরা দ্বিমত হয়েছি বটে, কিন্তু সাধারণ নিয়মে আমি ওঁর প্রায় সব মতামতই সারা জীবন মেনে চলেছি, ”সংসারে শান্তি”র মুখ চেয়ে। তার চেয়ে বড় লক্ষ্য আমার চেষ্টাকৃত আয়ত্তের মধ্যে আর ছিল না। কিন্তু ফুলটুসি, ধন আমার, তোমার জীবনের কাছে প্রাপ্য আরও অনেক অনেক কিছু থাকবে—আছে। তোমার ক্ষমতা, মেধা, কৃতিত্ব শুধু ঘরেই নয়, বহির্জগতেও তোমাকে প্রমাণ করতে হবে। আমার নিজেকে প্রমাণ করার ক্ষেত্রে ছিল শুধুই সংসার। শুধু অন্দরমহল। আর ছিলে তুমি। যতদূর মনে হয় সেখানে আমি সফল হয়েছি। আজ তুমি যে Ph.D. শেষ করেই post-doctoral fellow হতে পেরেছে, পড়ানোর কাজ পেয়েছ এবং এক পণ্ডিত ব্যক্তিকে স্বামিত্বে বরণ করার স্বাধীন সিদ্ধান্তে, আমাদের সাহায্য ছাড়াই পৌঁছতে পেরেছে, এতেই প্রমাণ হচ্ছে যে সংসার ক্ষেত্রে অন্তত আমি সফল হয়েছি। তোমার আত্মবিশ্বাসের এবং মূল্যবোধের কোটায় ফাঁক নেই। এবং আমাদের ওপরেও যথেষ্ট বিশ্বাস রাখো, আশা রাখো, যে তোমার পছন্দকে আমরা নিশ্চয়ই সম্মান করব।

    এত কথা জামাইয়ের জানার দরকার নেই। তাই বাংলাতেই লিখছি। তোমার সঙ্গে ওখানে কি চামেলির ফোনে কথা হয়েছে? চামেলিরা শীতে দেশে এসেছিল মেয়ের জন্য পাত্রের খোঁজে। ওদেশেই জন্মেছে, বড় হয়েছে মেয়েটা, অথচ আমেরিকায় চামেলি ওর জন্য ছেলে পেল না। ওদেশের বাঙালি ছেলেরা এসে দেশের মেয়েদের বউ করে নিয়ে যাচ্ছে। তারা ওদেশের বাঙালি মেয়েদের বিয়ে করা পছন্দ করে না নাকি, কেননা তারা সব dating করে, নাচতে যায়, তাদের বড্ড মেমসায়েবিআনা। আর তোরা ছেলেরা বুঝি dating করিস না? তোরা বুঝি নাচতে যাস না? সায়েবিয়ানার ‘স’ করিস না—কিন্তু চামেলি বলল, ওদেশের দিশি ছেলেরা (এবং তাদের মা—বাবারাও, কি আশ্চর্য!) ওভাবে ভাবে না। আমি ভাবছি ওই সব NRI ছেলেদের কি ঘরে বোন নেই? তাদেরও তো বিয়ে থা দিতে পাত্র খুঁজতে দেশে আসতে হবে। দেশের ভাল ছেলেরা অবশ্য গ্রিন কার্ডের লোভে NRI বিয়ে করতে সর্বদাই এক পায়ে খাড়া। আর এখানে বাঙালি ছেলেমেয়েরা এদেশে নেচেকুঁদে date—এর বাবা করছে। সেটা কি ওরা ওদেশে অত হিন্দি সিনেমা দেখেও টের পায় না? তারপর যা হোক—তা হোক চামেলীর মেয়ের সঙ্গে একজনদের পাকা কথা হয়ে গেছে। কী আশ্চর্য ড্রাই কমার্শিয়াল অ্যাটিচ্যুড জীবনের প্রতি! ভেবে অবাক লাগে। ওদেশে জন্মানো বাঙালি মেয়েদের অবস্থা এদেশের মেয়েদের চেয়ে খারাপ বলেই মনে হয় ব্যাপারস্যাপার দেখে।

    একটা কথা।

    ফুলটুসি, আমি একটা মিথ্যে বলেছি। তোরা যে বিয়ে না—করে কেবল Engaged অবস্থাতেই এক সঙ্গে ঘর সংসার করছিস, বিয়েটা পরে হবে, দেশে এসে, আর ঘর সংসারটা শুরু হয়ে গেল আগেই, এটা তোর পিসিরা, ঠাকুমা কিম্বা দাদু দিদিমা কেউই মেনে নিতে পারবেন না। (বাবার শুয়ে পড়ার প্রকৃত কারণ সেটাও হতে পারে)। ওদের চোখে এটাই দুশ্চরিত্র স্ত্রী—পুরুষের লক্ষণ। (যদি ওই ছেলেটি তোমায় বিয়ে না—করে ল্যাজ গুটিয়ে ছুট দেয়?) আমি আর তোর বাবা তাই কাউকে জানাইনি যে তোর ফ্ল্যাটের কনট্রাক্ট রিনিউ না করে তুই এখনই রবার্টের অ্যাপার্টমেন্টে উঠে গেছিস। দুটো ফ্ল্যাটের ভাড়া গুণে যে লাভ নেই, কৃত্রিম সতীত্বের ছবি সাজিয়ে রেখে লাভ নেই, যার সঙ্গে সারা জীবন কাটাবি, তাকে ছ’মাস আগে বিশ্বাস না করে লাভ নেই, এসব কথা অন্যকে বোঝানো খুব মুশকিল।

    আমাদের কান মন প্রাণ, তিনটেকেই যে আমরা সংস্কারের গামছা জড়িয়ে ”কানামাছি ভোঁ ভোঁ” করে বেঁধে রেখেছি। তুই যেন ”সততার খাতিরে” এই খবরটা কাউকে লিখে ফেলিস না বাছা, কিম্বা বাঙালি বন্ধুদের ফোন করে জানিয়ে দিস না। ওখান থেকে ফোনে টোনেও সবাই কিন্তু সব কথাই কলকাতায় সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয়, পরনিন্দা পরচর্চা বিলেতে গিয়েও ছাড়ে না কেউ, খেয়াল রাখবি। জীবন এমনিতেই এদেশে আর একটুও সহজ নেই। আনন্দের মুহূর্তে, সম্মানের মুহূর্তে মানুষের শুভেচ্ছা পাওয়া কঠিন। কিন্তু দুঃখে, অপমানে সহানুভূতি করার লোক অনেক। অযথা ঘোঁট পাকাতে মুখরোচক সংবাদ যুগিয়ে লাভ নেই। মাগো, আমাকে তোরা ভুল বুঝিস না। এটা ”কপটতা” নয়। আমরা আসলে এখনও অতটা ”সত্যনিষ্ঠ’ হবার সাহস পাই না। সমাজে বাস করতে হয় তো? শুনেছি নাকি বম্বে দিল্লিতে এরকম ”লিভ—টুগেদার” আকছার হচ্ছে। খবরের কাগজে, মেয়েদের ম্যাগাজিনে তো বাঙালি মেয়েদেরও সাক্ষাৎকার পড়েছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও কলকাতাতে ব্যাপারটা এখনও বলতে গেলে কেচ্ছা কেলেঙ্কারির পর‍্যায়েই আছে। তবে আশা করছি দিনে দিনে জীবন আরেকটু যুক্তিযুক্ত, আরেকটু সরল হবে। সংস্কার মুক্তি, আর উচ্ছৃঙ্খলতা এক নয়। আশা করি সেটাও খেয়াল করে চলতে পারবে তোমরা। তোমরা তো জানো মা, সংস্কার মাত্রেই ‘কু’ নয়। কিছু কিছু সংস্কার মানুষকে মাটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। জল বাদ দিয়ে, দুধটুকু খেতে শিখতে হবে তোমাদের। কিছু সংস্কারকে আমাদের জীবনে ধরে রাখা জরুরী। আর কিছু সংস্কার ফেলে দিতে হয়। তোমাকে আর কী বলব ফুলটুসি তুমি আমার বুঝদার মেয়ে। বলবার কথা তো আরও কত আছে কিন্তু তাহলে এত টাকার স্ট্যাম্প লাগবে, যে ফোনেরই সমান হয়ে যাবে! তাছাড়া তোর বাবারও ফেরার সময় হল, আজ ভেবেছি ওঁর জন্যে আলুর পরোটা করব। এখন না উঠলেই নয়। আদর নিও।—

    —আং— তোদের মা।

    পুনশ্চ : ফেরবার সময়ে গুষ্টিশুদ্ধু সব্বার জন্যে অত প্রেজেন্ট কিনে সময় আর ডলার নষ্ট করতে হবে না। কেবল তত্ত্বে দেবার জন্যে কিছু ভাল কসমেটিকস তোর জন্যে আর জামাইয়ের জন্যে আনবি। তোকে টাকায় দাম শোধ করে দোব; নিতেই হবে। এটা তত্ত্বের ব্যাপার। জামাইয়ের জন্যে যথারীতি আংটি বোতাম গড়ানো হয়েছে, ঘড়িটা কিনিনি। তোর জন্যে আমিই নোয়া গড়িয়ে রেখেছি, (তোর মেম শাশুড়ি তো জানবে না।) তবে দামটা বলিস রবার্ট যেন দিয়ে দেয় স্যাকরাকে। (ওটা বাপের বাড়ি থেকে যাবার কথা নয়)। মহানন্দে বিয়ের বাজার করছি। মাঝে তো মাত্র একটা মাস। কার্ড ছাপতে গেছে, বুধবার আসবে। শরীরের যত্ন নিবি দু’জনে। বাবার জন্যে ভাবিস না, আজ তো অফিস যাবার সময়ে খাওয়া—দাওয়াটা ঠিকমতোই করলেন। ওঁর জন্যে বরং একটা কালো সাদা স্ট্রাইপ শার্ট আনিস। আমার জন্যে খবদ্দার কিছু আনবে না। দয়া করে শুধু নিজেদের শরীর—স্বাস্থ্য ভাল রেখো। এখানে গরম। ঠাকুরের কাছে এটুকুই প্রার্থনা, শুভ কাজটা ভালয় ভালয় হয়ে যাক। ভগবান তোমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে চলুন।

    —মা।

    বর্তমান, দশম শারদ সংখ্যা ১৯৯৩

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবাসে দৈবের বশে – নবনীতা দেবসেন
    Next Article ইহজন্ম – নবনীতা দেবসেন

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }