Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জরুরি কিছু লেখা – সুভাষচন্দ্র বসু

    সুভাষচন্দ্র বসু এক পাতা গল্প388 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শ্রমিক ইউনিয়ন ও বেকার সমস্যা

    কলকাতায় অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ

    ৪ জুলাই ১৯৩১

    বিগত আঠেরো বছরে শ্রমিক ইউনিয়ন আন্দোলনের শক্তি কিংবা আকার বৃদ্ধি পেয়েছে, এমন দাবি আমরা করতে পারি কিনা সে বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে। বরং আমার মনে হয়, ওই সময়ে সে আন্দোলন পিছিয়েই পড়েছে। পিছিয়ে পড়ার কারণ অনেক, কিন্তু আমার ক্ষুদ্রবুদ্ধিতে মনে হয়, প্রধান দুটি কারণ হল প্রথমত, নাগপুরে আন্দোলনের বিভক্ত হয়ে যাওয়া, এবং দ্বিতীয়ত, আইন-অমান্য আন্দোলনের দরুন শ্রমিক-ইউনিয়ন আন্দোলনের একাগ্রতার হানি। আমাদের কমরেডদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো ভাবতে পারেন বিভক্ত হওয়ার ফলে আমাদের শক্তি কমেনি, কিন্তু আমি তা মনে করি না। আমার মনে কোনও সন্দেহ নেই, অন্তত এখনকার মতো বিভাগের ফলে আমরা দুর্বল হয়েছি। সেই কারণে, যাঁরা আন্তরিকভাবে এই বিভাগের জন্যে দুঃখিত, আমি তাঁদের অন্যতম, এবং আমাদের মধ্যে ঐক্য যদি স্থাপিত হয়, আমি সর্বান্তঃকরণে তাতে খুশি হব। দ্বিতীয় কারণটির কথা বলতে গেলে, আমার মনে হয় আইন অমান্য আন্দোলনের আকর্ষণ যেহেতু প্রবলতর, সারা দেশের মনোযোগ শ্রমিক ইউনিয়ন আন্দোলনের দিক থেকে সরে গিয়েছে। পরিস্থিতি অন্য রকম হলে আইন অমান্য আন্দোলনের দরুন শ্রমিক ইউনিয়ন আন্দোলনের লাভই হত, তার শক্তি বৃদ্ধি পেত। কিন্তু এখন যা হয়েছে, শ্রমিক ইউনিয়ন আন্দোলন তার স্বাভাবিক অগ্রগতিতে বাধা পেয়েছে।

    শ্রমিক ইউনিয়ন আন্দোলনের ভিতর থেকেই নানা ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী ঐক্য স্থাপনের চেষ্টা করেছেন। অতএব, কোন কোন প্রশ্ন নিয়ে আমাদের বিবাদ এবং বর্তমান অবস্থায় ঐক্য-স্থাপনের শ্রেষ্ঠ উপায় কী, আমি মনে করি এ-সব কথা স্পষ্ট করে বললে ভাল হয়। প্রধান বিচার্য বিষয়গুলি হল (১) বিদেশী সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন, (২) জেনিভাতে প্রতিনিধি প্রেরণ, (৩) শ্রমিক ইউনিয়ন কংগ্রেসের প্রস্তাব অবশ্যপালনীয় কি না।

    প্রথম প্রস্তাবটির বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মত, বিদেশী কোনও সংস্থার সঙ্গে এখনই সম্পর্ক স্থাপনের দরকার নেই। ভারতের শ্রমিক ইউনিয়ন আন্দোলন নিজের দেখাশোনা নিজেই করতে পারবে। যে কোনও মহল থেকেই শিক্ষা নিতে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, এমন কি পৃথিবীর যে কোনও জায়গা থেকে সাহায্য এলে তাও গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু আমস্টারডাম কিংবা মস্কোর হুকুমের কাছে আমাদের আত্মসমর্পণ করা উচিত নয়। ভারতকে উদ্ভাবন করতে হবে তার নিজস্ব পদ্ধতির, তার নিজের পরিবেশ, নিজের প্রয়োজনের মতো করে তৈরি করতে হবে নিজেকে।

    জেনিভাতে প্রতিনিধিত্ব সম্পর্কে বলি, আমার মনে হয় এই বিষয়টিকে অনাবশ্যক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের পক্ষে সবচেয়ে ভাল হবে মন খোলা রাখা, এবং প্রতি বছর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। জেনিভাতে প্রতিনিধি পাঠাব কি না সে বিষয়ে আগেভাগে চিরকাল বহাল থাকবে এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। ব্যক্তিগতভাবে জেনিভার ওপর আমার কোনও আস্থা নেই। তা সত্ত্বেও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিয়ে বছর বছর সিদ্ধান্ত নিলে আমাদের বন্ধুরা যদি কেউ সন্তুষ্ট হন, আমার কোনও আপত্তি নেই তাতে।

    শ্রমিক ইউনিয়ন কংগ্রেসের প্রস্তাবগুলি যে অমান্য করা চলে না, সে বিষয়ে বলি, শ্রমিক ইউনিয়ন কংগ্রেসের অস্তিত্ব যদি বজায় রাখতে হয়, এবং তাকে যদি কাজ করতে হয়, তা হলে, আমার মনে হয়, কোনও রকম আপস চলবে না। দেশে শ্রমিকশ্রেণীর মধ্যে ঐক্য স্থাপনের জন্য যদি তাকে কাজ করতে হয়, শ্রমিক ইউনিয়ন কংগ্রেসের সমস্ত প্রস্তাব কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সমস্ত ইউনিয়নকে মানতে হবে। শ্রমিক ইউনিয়ন কংগ্রেসকে এক শিথিল ফেডারেশনে, কিংবা সর্ব-দলীয় সমাবেশ জাতীয় কিছু একটাতে পর্যবসিত করলে তা হবে আত্মহত্যা।

    শ্রমিক ইউনিয়নের ঐক্য সম্পর্কে আমার বক্তব্য পরিষ্কার। আমি ঐক্য চাই এই কারণে যে, তা হলে আমরা একটি শক্তিশালী সংঘ গড়ে তুলতে পারব। কিন্তু আবার যদি আমরা ঝগড়াঝাঁটি করি, আলাদা হয়ে যাই, তা হলে এখন জোড়া-তাড়া দিয়ে একটা ঐক্য স্থাপন করার দরকার নেই। শ্রমিক ইউনিয়ন কংগ্রেস সর্ব-সাধারণের সম্পত্তি, সমস্ত ইউনিয়ন তাতে যোগ দিতে পারত, তাদের উপস্থিতি যাতে টের পাওয়া যায়, তা করতে পারে। তার ফলে কংগ্রেসের পদাধিকার যদি কোনও একটি দলের হাতে চলে যায়, ন্যায্যত কেউ আপত্তি করতে পারবেন না। অতএব আমি সমস্ত ইউনিয়নকে আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ করছি শ্রমিক ইউনিয়ন কংগ্রেসে যোগ দিতে, ইচ্ছে করলে তার কার্যকরী সমিতি দখল করতে।

    মহাত্মা গান্ধী এবং লর্ড আরউইনের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে তাতে আমাদের কর্মীরা কেউ কেউ অতিশয় বিচলিত। সেই চুক্তির সমালোচনা আমি করতে চাই না, কারণ সেটা হবে পোস্টমর্টেম করার মতো কাজ। চুক্তি যা হবার হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে সেটাকে আমরা অগ্রাহ্য করতে পারি। গত বছর আইন অমান্য আন্দোলনের সঙ্গে শ্রমিক ইউনিয়ন কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশেষ কোনও সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু ভবিষ্যতের আন্দোলনে ইচ্ছে করলে তারা অপেক্ষাকৃত বড় অংশ গ্রহণ করতে পারে। তা করতে গেলে প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করা দরকার।

    ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস করাচি অধিবেশনে এক প্রস্তাব গ্রহণ করে, মৌলিক অধিকার প্রস্তাব নামে সেটি পরিচিত। সেই প্রস্তাব সম্বন্ধে নানা মত ব্যক্ত হয়েছে। এক দিকে, কেউ কেউ তাকে সর্বাংশে ধিক্কার দিয়েছেন, যথেষ্ট নয় বলে, অসন্তোষজনক বলে। আবার, অন্য দিকে, অন্যেরা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কিন্তু আমার মনে হয়, এই দুই মতই একদেশদর্শী। প্রস্তাবটি যতই অসন্তোষজনক হোক, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে চিরাচরিত ধারা থেকে স্বতন্ত্র নতুন একটি ধারার সূত্রপাতের, শ্রমিক ও কৃষকদের একটা স্বীকৃতিদানের, সমাজতন্ত্রের অভিমুখে এক সুনিশ্চিত পদক্ষেপের সাক্ষ্য দিচ্ছে প্রস্তাবটি। প্রস্তাবটিতে কী আছে না আছে, আপাতদৃষ্টিতে তার মূল্য বোঝা যাবে না, দেখতে হবে এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য। আমাকে যেটা আকৃষ্ট করে, সেটা প্রস্তাবের বিষয়বস্তু নয়, সেটা তার অন্তর্নিহিত সম্ভাবনা। প্রস্তাবটির বিষয়বস্তুকে আরও ভাল করতে হবে, ভাল করে বুঝিয়ে বলতে হবে, তা হলেই সেটি সন্তোষজনক হবে। একটি কমিটি ইতিমধ্যেই সে কাজ আরম্ভ করেছে দেখে আমরা খুশি হয়েছি।

    এ দেশের লোক এখন গোলটেবিল বৈঠকের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছেন। ব্রিটিশ গভর্নমেন্টের এখনকার যা মনোভাব, যা মানসিকতা, তাতে আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারি না যে সে বৈঠক থেকে প্রকৃত কোনও ফলোদয় হবে। তা ছাড়া গোলটেবিল বৈঠকটি এমনই বস্তু যে সেখানে জনসাধারণের দৃষ্টিভঙ্গি, তাদের দাবি জোর দিয়ে হাজির করা অত্যন্ত কঠিন, বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হলে তখন জনসাধারণের, তাঁরা যা উপযুক্ত মনে করবেন, তাই করবার সময় আসবে। সেই মনস্তাত্ত্বিক মুহূর্তটি এলে জনগণ যেন তাকে বৃথা যেতে না দেন।

    কংগ্রেসের নাগপুর অধিবেশনে হুইটলি কমিশনকে বয়কটের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সে কমিশন সদ্য তাদের রিপোর্ট পেশ করেছে। ঠিক ন্যায়শাস্ত্র অনুযায়ী কাজ করতে গেলে সে রিপোর্ট আমাকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করতে হয়। কিন্তু তা আমি করব না। সে রিপোর্ট ভাল হোক, মন্দ হোক, ভালো-মন্দ কিছুই না হোক, ওই রকম দলিল, জনসাধারণের সামনে যা এখন উপস্থিত, জনসাধারণ যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে, যার সমালোচনা করতে বাধ্য, তাকে অগ্রাহ্য করা উচিত নয় আমাদের।

    প্রথমেই আমি বলতে চাই, কোনও একটি কমিশনের একটি রিপোর্টের মূল্য কাগজে-কলমে তাতে কি আছে তার ওপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে শেষ পর্যন্ত তার ফল কী হবে, তার ওপর। কমিশনের পিছনে যে অর্থ ব্যয় হয়েছে তা কি যুক্তিযুক্ত বলে প্রমাণিত হবে? এক, সাধারণ লোকেই সে প্রশ্ন করবে। আমরা ভারতীয়েরা এত রিপোর্ট দেখেছি যে, একমাত্র রিপোর্ট দাখিল করা ছাড়া, অন্য কোন বাস্তব সুফল আমরা কোনও কমিশনের কাছ থেকে পাব কি না সে বিষয়ে অবিশ্বাস এবং সন্দেহ আমাদের মনে থাকতে বাধ্য। এমন কি, বলতে পারি, অতীতে কোনও কোনও কমিশন সর্বাংশে লোকের নিন্দাই কুড়িয়েছে, কেন না তাদের রিপোর্টে ভাল যা ছিল তাকেও গভর্নমেন্ট কাজে পরিণত করতে পারেনি।

    বর্তমান রিপোর্টে শ্রমিক-কল্যাণ কর্মসূচীর সমস্যার ওপর যথেষ্ট জোর দেওয়া হয়েছে, এবং যদিও আমি হুইটলি কমিশনকে বয়কটের পক্ষেই ভোট দিয়েছিলাম, এ কথা বলতে আমার কোনও দ্বিধা নেই, এ বিষয়ে কমিশনের সুপারিশগুলি যদি কার্যকর করা হয়, বর্তমান অবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হবে। তবু আমি বলতে বাধ্য, কতকগুলি বৃহত্তর এবং বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বিবেচনা করা হয়নি। আজকের শ্রমিক দাবি করে কাজের অধিকার। রাষ্ট্রের কর্তব্য নাগরিকের কর্মে বিনিয়োগের সুযোগের সংস্থান করা। যদি কাজের সংস্থান না করতে পারে, রাষ্ট্রকে তার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে হবে। অর্থাৎ, শ্রমজীবী নাগরিককে নিয়োগকর্তা যখন খুশি রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দেবেন, তার ফলে সে না খেয়ে থাকবে, এ হতে পারে না। এ দেশের শিল্প ব্যয়-সংকোচের ফলে এক সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে। নিয়োগকর্তার নানা অসুবিধার কথা আমি খেয়াল করছি না, তা নয়। তখনকার সব শ্রমিক-কর্মচারীকে কাজে বহাল রাখা এক অসম্ভব ব্যাপার তাঁদের পক্ষে, ছাঁটাই করতে তাঁরা বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু সে-রকম ক্ষেত্রেও রাষ্ট্র সব দায়িত্ব অস্বীকার করতে পারে না। নিয়োগকর্তাকে বলা দরকার, যখন সুদিন ছিল, দরিদ্র শ্রমজীবীদের সাহায্যে তিনি যদি লাভের পাহাড় জমিয়ে তুলে থাকেন, আজ দুর্দিনে তাদেরকে ভাগ্যের হাতে সমর্পণ করবেন, তা চলবে না। এই ছাঁটাইয়ের সমস্যার যত দিন না সন্তোষজনক সমাধান হচ্ছে, দেশে শিল্পক্ষেত্রে শান্তি আসতে পারে না।

    প্রত্যেক শ্রমিক যেমন কাজ দাবি করতে পারেন, তেমনই জীবনধারণের উপযোগী মজুরিও দাবি করতে পারেন। আজ ভারতে কারখানা-শ্রমিক কি বেঁচে থাকার মতো মজুরি পান? চটকল, কাপড়ের কল, এ-সবের দিকে তাকান। তাদের বিপুল মুনাফার কতটুকু অংশ ব্যয় করে তারা দরিদ্র নিপীড়িত শ্রমিকদের জন্যে? আমি জানি তারা বলবে, ইদানীং তারা দুরবস্থায় পড়েছে। কিন্তু সে কথা মেনে নিলেও, আমরা কি প্রশ্ন করতে পারি না, অতীতে সংরক্ষিত খাতে তারা কত জমিয়েছে? এ প্রসঙ্গে ভারতীয় রেলপথের কথাও আমি ভুলব না। তারা এখন যে খুব তৎপরতার সঙ্গে ছাঁটাই করছেন, তাঁদের অবশ্যই কর্তব্য আছে সেই শ্রমিকদের প্রতি, যাঁদের সাহায্যে অতীতে তাঁরা মুনাফার অঙ্ক স্ফীত করেছেন, সংরক্ষিত খাতে টাকা জমিয়েছেন। আমাদের চা-বাগানের মালিকদের কথাও আমরা বলতে পারি। তাঁরা মুনাফা কী রকম করছেন? আর তাঁদের শ্রমিকদের প্রতি কী আচরণ করছেন? এ কথা কি ঠিক নয়, যে অন্তত কোথাও কোথাও দরিদ্র শ্রমিকদের এমন অবস্থা যে প্রাচীন দাসপ্রথার সঙ্গে তার অনেক সাদৃশ্য? শ্ৰম কমিশনার তা হলে কী সুপারিশ করেছেন, যাতে ভারতীয় শ্রমজীবী জীবনধারণের উপযোগী মজুরি পান, ভাল ব্যবহার পান? তাঁরা পাটশিল্পে ও বস্ত্রশিল্পে ন্যুনতম মজুরির কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ন্যূনতম মজুরি মানে যে জীবনধারণের উপযোগী মজুরি, সে বিষয়ে কি আমরা নিশ্চিন্ত হতে পারি?

    হুইটলি কমিশনের বিভিন্ন সুপারিশের খুঁটিনাটি নিয়ে বিচার করবার আমার দরকার নেই। শুধু তার একটি বিষয়ের কথা আমি বলতে চাই। আপাতদৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হলেও ভারতে শ্রমিক ইউনিয়ন আন্দোলনের উন্নতির প্রশ্নে তার তাৎপর্য সাংঘাতিক। রিপোর্টে আছে, শ্রমিক ইউনিয়ন আইনের ২২ নং ধারার সংশোধন প্রয়োজন, যাতে কোনও রেজিস্টার্ড শ্রমিক ইউনিয়নের পদাধিকারীদের অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশকে, যে শিল্পের সঙ্গে সেই ইউনিটটি সম্পৃক্ত, তাতে নিযুক্ত অথবা কর্মরত থাকতে হবে এমন ব্যবস্থা থাকে। কমিশনের জানা উচিত ছিল, ভারতে সাধারণত শ্রমিক ইউনিয়নের পদাধিকারী হিসাবে বহিরাগত, অথবা যাঁরা শ্রমিক নন, তাঁদের নির্বাচন করা হয় এই কারণে যে শ্রমিক কর্মচারী যাঁরা পদাধিকারী হিসাবে কাজ করতে রাজি হন, নানা ছুতোয় নিয়োগকারীরা তাঁদের উৎপীড়ন করে থাকেন। কাজেই, শ্রমিক-কর্মচারীরা যদি নিজেরাই পদাধিকারী হিসাবে কাজ করতে বাধ্য হন, এমন ব্যবস্থা থাকা উচিত যাতে তাঁরা নিয়োগকর্তাদের হাতে নিগৃহীত না হন। না হলে, এখনকার নিগ্রহনীতি যদি চলতে থাকে, শ্রমিক-কর্মচারীদের পক্ষে পদাধিকারী হওয়া অসম্ভব হবে।

    সংক্ষেপে বলতে গেলে, বেকারী, ছাঁটাই এবং জীবনধারণের উপযোগী মজুরির সমস্যায় ঠিকমতো হাত দেওয়া হয়নি। শ্রমিক-কর্মচারীদের দুর্দশা লাঘবের যে কর্মসূচী কমিশন রচনা করেছেন অনেকাংশে সেটি আকর্ষক কিন্তু সে কর্মসূচীকে কার্যকর কে করবে? বর্তমান গভর্নমেন্ট সুনিশ্চিতভাবে শ্রমিক-বিরোধী। তাঁদের কাছ থেকে কি কিছু আশা করা যায়? অতএব, শেষ পর্যন্ত দেখতে গেলে শ্রমিক সমস্যা হল রাজনৈতিক সমস্যা। যত দিন ভারত স্বাধীন না হচ্ছে এবং একটি সমাজতান্ত্রিক, কিংবা অন্তত গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না করছে, শ্রমিকদের দুর্দশা মোচনের কর্মসূচী কার্যকর করা সম্ভব হবে না। রিপোর্টে একটি জিনিস বলতে গেলে পরিষ্কার, সব কিছুই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে গভর্নমেন্টের হাতে। সরকারি শাসনযন্ত্র শ্রমিকেরা কী করে হস্তগত করবেন, কী করে তাকে প্রভাবিত কববেন, সে কথা কিছুই নেই রিপোর্টে। কিন্তু তা যতক্ষণ না হচ্ছে, শত রিপোর্টেও শ্রমিকের প্রকৃত কোনও উপকার হবে না। নতুন সংবিধানে কমিশনের উচিত ছিল প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার সুপারিশ করা। তার ওপরে, কিংবা সেই সঙ্গে, কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক আইনসভার সদস্যপদের একটি নির্দিষ্ট শতকরা ভাগ শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের জন্য সংরক্ষিত রাখার সুপারিশ কমিশন করতে পারতেন।

    শ্রমিক ইউনিয়নের যে আন্দোলন—তার শক্তি এবং আকার অবশ্যই বৃদ্ধি পাবে, অতীতে সাময়িকভাবে যতই সে অগ্রগতি ব্যাহত হয়ে থাক। নানা দিক থেকে নানা রকম পরস্পর-বিরোধী চিন্তার ধারা শ্রমিক-ইউনিয়নের শ্রমজীবীদের বিভ্রান্ত করে, তাঁরা বুঝতে পারেন না কোন পথে যাবেন, কোন পদ্ধতি অবলম্বন করবেন। এক দিকে আছেন দক্ষিণপন্থীরা, তাঁরা সংস্কারবাদী কর্মসূচীর পক্ষে। অন্য দিকে আমাদের কমিউনিস্ট বন্ধুরা আছেন। তাঁরা, যদি আমি তাঁদের কথা সঠিক বুঝে থাকি, মস্কোর অনুগত এবং অনুসারী। এই দুই গোষ্ঠীর কোনওটির সঙ্গে আমরা একমত হই বা না হই তাঁদের কথা আমরা বুঝতে পারি। এই দুইয়ের মাঝখানে আর একটি গোষ্ঠী আছে, যাঁরা পুরোদস্তুর সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা, কিন্তু চান ভারত তার নিজের ধরনের সমাজতন্ত্রের, তার নিজস্ব পদ্ধতির বিকাশ করুক। আমি সবিনয়ে দাবি করি, আমি শেষোক্ত দলের অন্তর্ভুক্ত।

    আমার নিজের মনে কোনও সন্দেহ নেই, যে ভারতের এবং বিশ্বেরও মুক্তি নির্ভর করে সমাজতন্ত্রের ওপর। অন্য দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা ভারতকে গ্রহণ করতে হবে, তার দ্বারা লাভবান হতে হবে। কিন্তু নিজের অবস্থা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের পদ্ধতি তাকে গড়ে তুলতে হবে। বাস্তবক্ষেত্রে তত্ত্বের প্রয়োগ করতে গেলে ইতিহাস এবং ভূগোলকে বাদ দেওয়া চলবে না। সে চেষ্টা যে করবে, সে বিফল হবেই। অতএব ভারতকে তার নিজস্ব ধরনের সমাজতন্ত্রের বিকাশ করতে হবে। সারা দুনিয়াই যখন সমাজতন্ত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে, আমরাই বা তা করব না কেন? এমনও হতে পারে, ভারত যে ধরনের সমাজতন্ত্র বিকশিত করে তুলবে—তার মধ্যে এমন নতুন কিছু অভিনব কিছু থাকবে, সারা বিশ্ব যারা দ্বারা লাভবান হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article রায় পিথৌরার কলমে – সৈয়দ মুজতবা আলী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }