Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জলকন্যা – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প206 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চোর

    রিকশায় ওঠার সময় পায়ে কী যেন বাধলো। মবিন প্রায় উল্টে পড়ে যাচ্ছিল। নিজেকে সামলে নিয়ে দেখে পায়ের কাছে মেয়েদের একটা বাহারি হ্যান্ডব্যাগ। অষ্টম আশ্চর্যের কাছাকাছি ঘটনা। ঢাকা শহরে রাস্তায় এমন সুন্দর একটা হ্যান্ডব্যাগ পড়ে থাকবে আর কেউ কুড়িয়ে নেবে না তা হয় না। হাত থেকেই টেনে ব্যাগ নিয়ে যায়। আর এটাতো পড়ে আছে রাস্তায়। মবিন নিচু হয়ে ব্যাগ হাতে নিলো। বেশ ভারি ব্যাগ। ঈদের বাজার শুরু হয়েছে। মেয়েরা এখন ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে বের হয়। হাইজ্যাকারের ভয়ে গায়ের গয়না টয়নাও খুলে ব্যাগে রাখে। ভারি হওয়াই স্বাভাবিক। মবিন বেশ স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রিকশায় উঠে বসলো। নিজেকে খানিকটা চোর চোর লাগছে। মনে হচ্ছে, এই বুঝি তীক্ষ্ণ মেয়েলী গলায় কেউ একজন চেঁচিয়ে বলবে–আপনি আমার। ব্যাগ নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন?

    কেউ কিছু বলল না। যার জিনিস সেকি দূর থেকে ব্যাপারটা লক্ষ্য করছে? অবাক হয়ে দেখছে নিতান্ত ভদ্র চেহারার একটা ছেলে ব্যাগ নিয়ে রিকশা করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় আছে। সে বিস্ময়ে হতভম্ব বলে কিছু বলতে পারছে না। হতভম্ব ভাবটা কাটলেই চোর চোর বলে চেঁচিয়ে উঠবে। মেয়েদের ভীত গলার চিৎকার সাইরেনের চেয়েও ভয়াবহ। নিমিষের মধ্যেই লোকে লোকারণ্য হয়ে যাবে।

    সময়টা ভর সন্ধ্যা। সন্ধ্যা হচ্ছে অস্থির ধরনের সময়। এই সময় লোকজন এক ধরনের অস্থিরতার ভিতর থাকে। চারপাশে তেমন করে দেখে না। মবিন মোটামুটি নিশ্চিত হলো, যার ব্যাগ সে আশপাশে নেই। থাকলে এতক্ষণে চেঁচিয়ে উঠতো। চুপচাপ অপেক্ষা করার মতো ধৈর্য কোনো মেয়ের নেই। মবিনের ধারণা, শুধু শিশু পালনের ক্ষেত্রেই মেয়েরা ধৈর্যশীলা–অন্য কোনো ক্ষেত্রে নয়।

    রিকশাওয়ালা বলল, যাইবেন কই?

    মবিন ঠিক মনে করতে পারল না কোথায় যাওয়ার জন্যে সে রিকশায় উঠেছে। মনে হচ্ছে টেনশানে তার ব্রেইন শর্টসার্কিট হয়ে গেছে। সে বলল, সামনে চলো—সামনে। রিকশা সামনে এগুচ্ছে না। চেইন পড়ে গেছে। রিকশাওয়ালা চেইন নিয়ে ঘটঘট করছে। তাড়াতাড়ি এখান থেকে সরে পড়া উচিত। সরে পড়া যাচ্ছে না। একটা

    সামান্য চেইন ঠিক করতে রিকশাওয়ালা দেখি বুড়ো হয়ে যাচ্ছে। মবিন আশপাশে। তাকালো। তার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কেউ তাকে অস্বাভাবিক চোখে দেখছে কিনা তা লক্ষ্য করা। সবার চোখই তার কাছে অস্বাভাবিক লাগছে। মবিনের তীব্র ইচ্ছা করছে। রিকশা থেকে নেমে লম্বা লম্বা পা ফেলে। যাকে বলে ক্রাইম স্পট থেকে পগার পাড়।

    মবিন রাগি গলায় বলল, রিকশায় কী হয়েছে?

    চেইন ছিলিপ কাটছে।

    ছিলিপ কাটলে ছিলিপ ঠিক কর।

    করতাছি।

    যে সময় নিচ্ছ এই সময়ে তো একটা প্রমাণ সাইজের চেইন বানিয়ে ফেলা যায়।

    বানাইতে পারলে বানান।

    অন্য সময় হলে ফাজলামি ধরনের কথার কারণে রিকশাওয়ালা কঠিন ধমক খেতো। আজ মবিন ধমক দিতে পারল না। অপরিচিত একজনকে ধমক দিতে হলে রাগের একটা বিশেষ মাত্রা পর্যন্ত উঠতে হয়। রাগ সেই মাত্রায় উঠছে না। চোররা সহজে রাগ করতে পারে না। চোর টাইপের সব লোকই এই কারণে বিনয়ী। অত্যন্ত অপমানসূচক কথা শুনলেও তারা দাঁত কেলিয়ে হাসবে। ভাবটা এ রকম–যেন। অপমানটা সে ধরতে পারছে না।

    রিকশার চেইন ঠিক হয়েছে। রিকশা চলতে শুরু করেছে। এখনো কেউ চোর চোর বলে চেঁচাচ্ছে না। আশ্চর্য ব্যাপারতো। মবিন কপালে হাত দিয়ে দেখলো তার কপাল ঘামছে। রিকশা যতই এগুচ্ছে ততই শরীর হালকা লাগছে। ফুরফুরে ভাব চলে আসছে। বৈশাখ মাসের দারুন গরমের পর হঠাৎ যেন দক্ষিণ দিক থেকে খানিকটা হাওয়া চলে এসেছে। এই ব্যাপারটা নিশ্চয়ই হাইজ্যাকারদেরও হয়। তাদের আরো বেশি হওয়ার কথা। হাইজ্যাকিং এর সময় ওদের টেনশান নিশ্চয়ই মবিনের টেনশানের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। টেনশান মুক্তির আনন্দও সে কারণেই বেশি হবার কথা।

    .

    ট্রাফিক সিগন্যালে রিকশা থেমেছে। রাস্তার মোড় বলে আলো বেশি। ট্রাফিক পুলিশের পাশে একজন সার্জেন্টকে বিরস মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। মবিনের বুকের ভেতর কোনো এক জায়গায় সিরসির করে উঠলো। পুলিশ দেখার কারণে বোধ হয়। তার কোলে ভ্যানিটি ব্যাগ চকচক করছে। চাদর গায়ে থাকলে ভালো হত। চাদরের নিচে ব্যাগ লুকিয়ে ফেলা যেত। লাল বাতি নিভে গিয়ে সবুজ বাতি জ্বলছে। রিকশাওয়ালা তবু রিকশা টানছে না। মবিন বলল, দাঁড়িয়ে আছ কেন? চলো।

    রিকশাওয়ালা বলল, যাইবেন কই?

    মবিন বলল, কোথাও যাব না। খানিকক্ষণ ঘুরব।

    রিকশাওয়ালা ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালো। যে সব যুবক রিকশায় করে অকারণে ঘুরতে চায় তাদের বিষয়ে সব রিকশাওয়ালাই সাবধান। দিনকাল ভাল না।

    সব রিকশা গাড়ি চলছে আর তারটা দাঁড়িয়ে আছে। অস্বস্তিকর অবস্থা। ট্রাফিক পুলিশ তাকিয়ে আছে তাদের দিকে। এইবার সার্জেন্টও তাকাচ্ছে। তাদের দৃষ্টি যেন কেমন কেমন। মবিন রিকশাওয়ালাকে বলল, কী হলো?

    রিকশাওয়ালা নির্বিকার গলায় বলল, চেইন ছিলিপ কাটছে।

    মনে হচ্ছে চেইন ছিলিপ কাটায় সে আনন্দিত। পুলিশ সার্জেন্ট এগিয়ে আসছে তাদের দিকে। সে কি মবিনের দিকে তাকিয়ে সন্দেহজনক ভঙ্গিতে বলবে–আপনার হাতে মেয়েদের ব্যাগ কেন?

    বলার কোনো কারণ নেই। পুরুষের হাতে মেয়েদের ব্যাগ থাকা নিষিদ্ধ কিছু না, থাকতে পারে। সে যদি মেয়েদের মতো ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে বসে থাকতো তাহলে চোখে পড়ার মতো ব্যাপার হতো। পুরুষ মানুষ ভাজ করা শাড়ি হাতে নিয়ে যেতে পারে কিন্তু শাড়ি পরে যেতে পারে না।

    সার্জেন্ট এসেই রিকশাওয়ালার গালে ওজনদার এক চড় বসিয়ে দিয়ে বলল, হারামী চেইন ফেলনের জায়গা পাও না। রিকশা নিয়া দূরে যাও।

    সার্জেন্ট অতঃপর যে কান্ডটি করলো তার জন্যে মবিন ঠিক প্রস্তুত ছিল না। সার্জেন্ট রিকশার পেছনে গিয়ে আচমকা একটা ধাক্কা দিলো। মবিন প্রায় হুমড়ি খেয়ে পড়তে গিয়ে নিজেকে সামলে নিলো। দু’টা কাজই ঘোরতর অন্যায়ের পর্যায়ে পড়ে। পুলিশ ব্রুটালিটি। মবিনের উচিত সার্জেন্টের সঙ্গে কিছু উত্তপ্ত কথাবার্তা বলা। পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি করলে মানবিক দিক দিয়ে তৃপ্তি পাওয়া যায়। মনে হয় একটা সকাজ করা হয়েছে। মবিন সে রকম কিছুই করলো না। বরং সার্জেন্টের দিকে তাকিয়ে এমন ভঙ্গিতে হাসলো যার অর্থ, স্যার খুব ভালো করেছেন। ঢাকা শহরটা রিকশাওয়ালারা নষ্ট করে ফেলছে। ব্যাটাকে আরো চড় দেন। এক চড়ে ওর শিক্ষা হবে না। গোটা পাঁচেক চড় দরকার।

    মবিনের রিকশা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে। রিকশাওয়ালা গেছে ইটের সন্ধানে। ইট দিয়ে বাড়ি না দিলে নাকি চেইন ঠিক হবে না। মবিন অস্বস্তি নিয়ে বসে আছে, কারণ সার্জেন্ট কাছেই দাঁড়িয়ে। কয়েকবার দেখলো মবিনকে। সরু চোখে দেখা। তার মনে কি কোনো রকম সন্দেহ দেখা দিয়েছে? মবিনের চেহারায় কি চোর চোর ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে? যে ছাপ শুধু পুলিশের পক্ষেই বোঝা সম্ভব। সাপের হাঁচি বেদেয় চেনে। ঈদের বাজারে প্রচুর ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। তার হাতে মেয়েদের ব্যাগ দেখে পুলিশের সন্দেহ হওয়া স্বাভাবিক যে সে ব্যাগ ছিনতাই করে রিকশা নিয়ে পালাচ্ছে। সার্জেন্ট যদি কাছে এসে জিজ্ঞেস করে, আপনার হাতের ব্যাগটা কার? তাহলে সে কি বলবে? এমনো তো হতে পারে যে, ব্যাগে প্রচুর টাকা পয়সা গয়না-টয়না ছিল। যার ব্যাগ সে ব্যাগের বর্ণনা দিয়ে থানায় ডাইরী করিয়েছে। ওয়াকিটকির মাধ্যমে সে খবর সব পুলিশ সার্জেন্টের কাছ চলে গিয়েছে। বাংলাদেশের পুলিশ বড় চোর ধরতে পারে না। ছোট চোর চট করে ধরে ফেলে। তাছাড়া মবিন আয়নায় নিজেকে না দেখেই পরিষ্কার বুঝতে পারছে, তার চেহারায় একটা কাচুমাচু ভাব চলে এসেছে।

    মাসখানেক আগে এ রকম একটা ব্যাপার হলো। দুপুর বেলা তার ঘরে কয়েক বন্ধু মিলে অনেকক্ষণ আড্ডা দিল। বন্ধুদের মধ্যে ছিল রশীদ। বিরাট মালদার। বাপের কন্ট্রাকটারিতে নেমে ভাল পয়সা কামাচ্ছে। আটমাসের গর্ভবতী মেয়েদের মতো পেট মোটা মানিব্যাগ পকেটে নিয়ে সে ঘোরে। কৃপণের হাড্ডি। একটা পয়সা বের করে না। বন্ধুরা চলে যাওয়ার পর বিস্ময় ও আনন্দ নিয়ে মবিন দেখলো রশীদের গর্ভবতী মানিব্যাগ মেঝেতে পড়ে আছে। সে ইচ্ছা করলেই রাস্তা থেকে ডাক দিয়ে রশীদকে। নিয়ে আসতে পারতো। তা করলো না। মানিব্যাগ খুলে ভেতরটা দেখলো। কাগজপত্রে ঠাসা, আসল জিনিস তেমন নেই। চারটা ৫০০ টাকার নোট, একটা ১০০ টাকার। নোট। তিনটা অতি ময়লা দু টাকার নোট। মবিন মানিব্যাগটা তোষকের নিচে ঠেলে দিল। তার প্রায় ঘন্টা খানিক পর রশীদ এসে উপস্থিত। মুখ চোখ শুকনা।

    দোস্ত, তোর এখানে মানিব্যাগ ফেলে গেছি।

    মবিন অবাক হওয়ার ভঙ্গি করে বলল, কই? না তো।

    মবিনের চেহারায় তখন নিশ্চয়ই কাচুমাচু ভাব কিংবা চোর ভাব ছিল। কারণ রশীদ বলল, দোস্ত টাকা পয়সা কোনো ব্যাপার না। জরুরি কিছু কাগজপত্র ছিল।

    অত্যন্ত অপমানসূচক কথা। প্রকারান্তরে বলে দেয়া–টাকাগুলো রেখে মানিব্যাগ ফেরত দাও। এ রকম কঠিন অপমানও মবিন গায়ে মাখলো না। সে ক্ষীণ গলায় বলল, এখানে ফেলিসনি–বাইরে কোথায় ফেলেছিস।

    খুব জরুরি কিছু কাগজ ছিল।

    তুই নিজেই পরীক্ষা করে দেখ। থাকলে তো মেঝেতেই থাকবে।

    এই বলেই মবিন মাথা নিচু করে মেঝেতে মানিব্যাগ খুঁজতে লাগলো। মবিনের বুক এমন ধক ধক করছিল যে মবিনের মনে হলো রশীদ তার বুকের ধক ধক শব্দ পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছে।

    .

    এখনো মবিনের বুকে ধক ধক শব্দ হচ্ছে। এটা তার বুকের শব্দ, না রিকশাওয়ালা যে ইট দিয়ে চেইন বাড়ি দিচ্ছে তার শব্দ, মবিন ঠিক বুঝতে পারছে না। সার্জেন্টটা তাকিয়ে আছে তাদের দিকে। মবিনের, অস্বস্তি লাগছ। একটা সিগারেট ধরাতে পারলে ভালো হতো। সঙ্গে সিগারেট আছে। ধরাতে গেলে হ্যান্ডব্যাগটা খুলে রিকশার সিটে রাখতে হয়। তাতে ব্যাগটার উপর সার্জেন্টের নজর পড়ার সম্ভাবনা। তা করা ঠিক হবে না।

    শেষ পর্যন্ত চেইন ঠিক হয়েছে। রিকশা চলতে শুরু করেছে। মবিন সিগারেট ধরালো। ভালো সিগারেট। বেনসন। রশীদের মানিব্যাগ পাওয়ায় রক্ষা। কিছুদিন ভালো সিগারেট খাওয়া গেল। ক্ষতি একটা হয়েছে–রশীদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেছে। সে ঠিক সন্দেহ করেছে। ভুলেও আর মবিনের বাসায় আসে না। সেদিন তার বাসায় কী একটা খাওয়া দাওয়া ছিল। বন্ধু বান্ধব সবাইকে বলেছে, মবিনকে বলেনি। পথে ঘাটে দেখা হলে এমনভাবে তাকায় যেন চিনতে পারছে না।

    রশীদের মানিব্যাগ না নিয়ে তার উপায় ছিল না। প্রতিটি পয়সা বাবার কাছে চেয়ে নিতে হয়। চুল কাটতে হবে, ১০ টাকার কমে চুল কাটা যায় না। মবিন যদি তা মা’র কাছে চায় তিনি খুবই অবাক হয়ে বলেন, আমার কাছে টাকা চাচ্ছিস কেনরে? আমি টাকা পয়সার কী জানি? তোর বাবার কাছে থেকে নে। ক্লাস থ্রী ফোরে পড়ার সময় বাবার কাছ থেকে চুল কাটার টাকা চাওয়া যায়। কিন্তু তিন বছর আগে এম, এ পাস করে বসে থাকা একজনের পক্ষে বাবার কাছে চুল কাটার টাকা চাওয়া ভয়াবহ ব্যাপার।

    মবিন চুল কাটার জন্যে টাকা চাইলে তিনি টাকা দেন। তবে চাওয়া মাত্র দেন না। অনেক জেরাটেরা করেন।

    চুল কাটতে দশ টাকা লাগবে কেন? এয়ার কন্ডিশন্ড সেলুনে বসে চুল কাটবি? দু টাকা দিলেই তো চুল কেটে দেয়।

    টাকা দেয়ার পর শুকনো গলায় বলেন, আর কত দিন এভাবে চলবে? ডু সামথিং ইয়াং ম্যান। শো মি সাম ফায়ার।

    ফায়ার দেখানোর চেষ্টা মবিন করছে না তা না। তিন বছর ধরে করছে। তার কাঠ ভেজা। তিন বছরেও আগুন জ্বলছে না, শুধু ধোয়া বেরুচ্ছে। সে করবে কি?

    .

    মবিনের বাবা মোবারক হোসেন ঢাকার একটা মেয়ে কলেজের ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক। সাহিত্যের অধ্যাপক মানেই আবেগ টাবেগ আছে বলে ধারণা। করা হয়। এ ধারণা যে কত ভুল তা মোবারক সাহেবকে না দেখলে বোঝা মুশকিল। বাসায় তিনি কখনো হাসেন না। পরিবারের সবার সঙ্গে যে ব্যবহার করেন তা শুধু ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্য কেন যে কোনো বিষয়ের অধ্যাপকের জন্যেই মানান সই নয়। তরকারীতে তেল বেশি হয়ে গেলে স্ত্রীকে ডেকে শান্ত গলায় বলেন, এক মাসের তেল একদিনে খরচ করার জন্যে কেনা হয়নি। তোমার হাতে তেল মশলা বেশি খরচ হয় এই কথা আমি এ পর্যন্ত এক লাখ বার বলেছি। আর বলব না। আবার তেল বেশি হলে ঘর থেকে বিদায় করে দেব। স্ট্রেইট ইন দি স্ট্রিট। অ্যান্ড দিস ইজ ফাইন্যাল।

    মোবারক হোসেন সাহেবের রোজগার খারাপ না। কলেজের বেতন ছাড়াও প্রাইভেট টিউশানি করে ভালো টাকা পান। সপ্তাহে তিনদিন বিকেলে তার বাসায় রীতিমতো ক্লাস বসে–রবি, সোম আর মঙ্গল। শুধু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একজন ছাত্রী পড়তে আসে। বড়লোকের কোনো মেয়ে হবে। লাল রঙের গাড়িতে করে আসে, গাড়ি করে যায়।

    তিনি ইস্ত্রি করা পাঞ্জাবি পরে হাসি মুখে ছাত্রীদের পড়ান। এই সময় তিনি গায়ে খানিকটা সেন্টও মাখেন। পড়াতে গিয়ে মাঝে মাঝেই মজার মজার কিছু কথাও বলেন বলে মনে হয়। কারণ প্রায়ই তার ছাত্রীদের কুটিকুটি হাসি শোনা যায়। যতক্ষণ পড়ান ততক্ষণই তার স্ত্রী পর্দার ওপাশের বারান্দায় ঘোরাঘুরি করেন। স্বামীর হাসির কথায় ছাত্রীরা হাসে, তিনি হন বিস্মিত। তিনি কখনো স্বামীর কোন কথায় হাসতে পারেননি।

    মবিন বাসায় ফিরে দেখে গেটের কাছে লাল গাড়ি। বসার ঘরে আলো জ্বলছে। তার মানে আজ বৃহস্পতিবার। বাবার কাছে ছাত্রী এসেছে। বাবার এই ছাত্রীর নাম মীরা। সে অসম্ভব রূপবতী। এই সময় তাদের সামনে দিয়ে ঘরে ঢোকা যাবে না। মোবারক হোসেন সাহেব তাকে দেখলেই অদ্ভুত ভঙ্গিতে তাকাবেন এবং অতি অবশ্যই বলবেন–কোত্থেকে ফিরলি? ডু সামথিং ইয়াংম্যান। শো মি সাম ফায়ার। রূপবতীদের সামনে অপমানিত হতে ভাল লাগে না।

    মবিন বাড়ির পেছনে রান্নাঘরের কাছের দরজা দিয়ে চুপিচুপি ঘরে ঢুকলো। বাসায় কোনো চোর ঢুকলে এভাবেই হয়তো ঢুকতো। মবিনের মা রান্নাঘরের বারান্দায় বসেছিলেন। তাকে পাশ কাটিয়ে মবিন নিজের ঘরে চলে গেল। একজন কেউ যে ঘরে ঢুকেছে মবিনের মা বুঝতেও পারলেন না।

    মবিনের ঘর বসার ঘরের পাশে। সে বাতি জ্বালালো না। বাতি জ্বালালেই উপস্থিতি জানান দেওয়া হবে। দরকার কি? মেয়েদের বাহারী হ্যান্ডব্যাগটা সে খাটের নিচে লুকিয়ে ফেলল। ভিতরে কী আছে তা এখনি দেখার দরকার নেই। এক সময় দেখলেই হবে। কিছু না কিছু তো থাকবেই। কপাল ভালো থাকলে বেশ কিছুদিন বাবার কাছে সেলুনে চুল কাটার টাকা চাইতে হবে না। বাবা তাকে বলতে পারবেন না–শো মি সাম ফায়ার, ইয়াং ম্যান।

    মবিন তার বিছানায় লম্বা হয়ে শুয়ে পড়েছে। পাশের ঘরে বাবা ছাত্রী পড়াচ্ছেন। বাবার গলার স্বর পরিষ্কার। ঝন ঝন করে বাজছে। তিনি বলছেন–শোন মীরা, এক্সপ্রেশনিস্টরা কাজ করে ডিস্টরশন আর এক্সাজারেশন নিয়ে। এক্সপ্রেশনিজম হলো জার্মানদের আন্দোলন। ফিউচারিজম হলো ফরাসীদের। বাঙালী কবিদের কেউ কেউ এক্সপ্রেশনিস্ট ধারায় কবিতা লিখেছেন। যেমন ধর আমাদের জীবনানন্দ। আট বছর আগের একদিন কবিতাটার কথা মনে আছে?

    শোনা গেলো লাশ কাটা ঘরে
    নিয়ে গেছে তারে
    কাল রাতে ফাল্গুনের রাতের আধারে…

    মোবারক হোসেন সাহেব কবিতা আবৃত্তি করে যাচ্ছেন। বাবার ছাত্রীর সঙ্গে মবিনও কবিতা শুনছে। তার কবিতা শুনতে বেশ ভালো লাগছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিশুসাহিত্য – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article বলপয়েন্ট – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }