Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জলঙ্গীর অন্ধকারে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প273 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জলঙ্গীর অন্ধকারে – ১০

    অতিরিক্ত উত্তেজনা আর পরিশ্রমের ফলেই হয়তো শেষ পর্যন্ত ঘুম নেমে এসেছিল তার চোখে৷ একসময় সে স্বপ্ন দেখল সোহমের পিছন পিছন সে হেঁটে চলেছে কুয়াশা মাখানো অন্ধকার জলঙ্গীর পাড় ধরে৷ স্বপ্নের মধ্যে মল্লার সোহমকে জিগ্যেস করল, ‘তুই কোথায় যাচ্ছিস?’ সোহম কেমন একটা অদ্ভুত গলায় জবাব দিল, ‘শ্মশানে যাচ্ছি৷’

    মল্লার বলল, ‘এত রাতে শ্মশানে যাচ্ছিস কেন? সেখানে গিয়ে কী হবে?’

    সোহম উত্তর দিল, ‘ওখানে গেলেই ব্যাপারটা বুঝতে পারবি৷’

    মল্লার বলল, ‘না, আমি ওখানে যাব না৷’

    হাঁটতে হাঁটতে সোহম যেন অস্পষ্ট হাসল৷ তারপর বলল, ‘আজ হোক বা কাল তোকেও তো ওখানেই যেতে হবে৷ শ্মশানই তো মানুষের শেষ ঠিকানা৷ তবে সময় নষ্ট করে কী লাভ? যেতে যখন হবে এখন আজই চল৷’

    মল্লার এরপর থমকে দাঁড়িয়ে বেশ বলিষ্ঠ কণ্ঠে বলল, ‘না, আমি এখন কিছুতেই ওখানে যাব না৷ আমি ফিরে যাচ্ছি৷’

    মল্লার দাঁড়িয়ে পড়তেই সোহমও দাঁড়িয়ে পড়ে ফিরে তাকাল মল্লারের দিকে৷ চমকে উঠল মল্লার৷ সোহম কই? তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে মাংস-চর্মহীন ভয়ঙ্কর একটা মুখ৷ তার হিংস্র দাঁতগুলো মুখের বাইরে বার করা, চোখ দুটো আগুনের মতো জ্বলছে! মল্লারের দিকে তাকিয়ে সেই ভয়ঙ্কর মুখমণ্ডলে একটা পৈশাচিক হাসি ফুটে উঠল৷ সেই ভয়ঙ্কর মূর্তি বলে উঠল, ‘এত দূর যখন আমার পিছনে এসেছিস এখন আর তোকে ফিরতে দেব না৷’—একথা বলে সে মল্লারে হাত চেপে ধরে তাকে শ্মশানের দিকে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করতে লাগল৷ আর মল্লার চেষ্টা চালাতে লাগল হাতটা ছাড়িয়ে নেবার৷ আর তার সঙ্গে বলতে লাগল, ‘আমি যাব না, কিছুতেই সেখানে যাব না৷’

    এই পর্যন্ত স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে গেল মল্লারের৷ চোখ মেলে সে দেখল তার হাত ধরে ঝাঁকাচ্ছে চূর্ণী৷ ভোর হয়ে গিয়েছে৷ তুই কোথায় যাবি না বলছিস?’

    হঠাৎ এই প্রশ্নে সত্যি কথাটা বেরিয়ে এল মল্লারের মুখ থেকে৷ সে বলে ফেলল ‘শ্মশানে৷’ জবাব শুনে চূর্ণী প্রশ্ন করল, ‘তার মানে? কে তোকে শ্মশানে যেতে বলেছে?’

    মল্লারের এবার হুঁশ ফিরল৷ গতরাতের ঘটনা বা সেই ভয়ঙ্কর লোকটার কথা শুনলে চূর্ণী ভয় পাবে৷ কথাটা বলা যাবে না তাকে৷ তাই মল্লার উঠে বসে বলল, ‘না, কিছু না৷ একটা স্বপ্ন দেখছিলাম৷’

    চূর্ণী আর মল্লারকে প্রশ্ন করল না তার স্বপ্ন নিয়ে৷ সে বলল, ‘আমি ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই উঠে পড়েছি৷

    তোকে এর আগে কয়েকবার ডাকলাম, কিন্তু তোর হুঁশ ছিল না৷ সোহমের ঘুম এখনও ভাঙেনি বোধহয়৷ তাকে বাইরে দেখছি না৷ তবে তমসাময় আর বুনো উঠে পড়েছে দেখলাম৷ তমসাময় নদীর দিকে গেলেন৷’

    এ কথা বলে একটু থেমে চূর্ণী বলল, ‘সোহমের মুখ থেকে আজ কী শুনব কে জানে! তবে ও যাই করে থাকুক না কেন আমি ওর পাশে থাকব৷’

    মল্লার বলল, ‘ও যাই বলুক না কেন, আমাদের মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে৷ দেখা যাক কী হয়৷’

    সকাল সাতটা বেজে গিয়েছে৷ মল্লার এরপর চটপট উঠে ফ্রেশ হয়ে নিল৷ বুনো এসে উপস্থিত হল চা নিয়ে৷ চূর্ণী তাকে জিগ্যেস করল, ‘সোহম কি ঘুম থেকে উঠেছে?’

    বুনো জবাব দিল, ‘আমি ওদিকে যাইনি৷ তবে ছেলেরা সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠে৷’ এ কথা বলে সে জানতে চাইল, ‘আপনারা কি দুপুরে খাবেন? তবে সেই মতো খাবারের ব্যবস্থা করব৷’

    মল্লার জাবাব দিল, ‘এখনও ঠিক বলতে পারছি না৷ তোমাকে জানিয়ে দেব৷’

    বুনো এরপর গত রাতের এঁটো বাসন নিয়ে চলে গেল৷ মল্লার আর চূর্ণী এরপর চা শেষ করে কিছুক্ষণের মধ্যেই বাইরে বেরিয়ে নীচে নেমে দাঁড়াল৷ সকাল সাড়ে সাতটা বাজে, কুয়াশা কেটে গিয়ে সকালের মিষ্টি রোদ ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশে৷ কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে আছে সেই বাড়িটা, যেখানে ছেলেগুলো আর সোহম আছে৷ তবে সে বাড়িটাকে তখনও যেন ঘুমন্ত বলেই মনে হল৷ দাওয়াতে কোনও ছেলে দাঁড়িয়ে নেই, কোনও শব্দও আসছে না সেখান থেকে৷

    সেদিকে তাকিয়ে চূর্ণী বলল, ‘গিয়ে দেখবি নাকি সোহম উঠেছে কি না?’

    মল্লার বলল, ‘না, দরকার নেই৷ ও নিশ্চয়ই বাইরে বেরবে৷ চল আমরা বরং আশ্রমের মধ্যে ঘুরে বেড়াই৷’

    চূর্ণী একটা আক্ষেপের স্বরে বলল, ‘আমি ভেবেছিলাম ও রাতে একবার আমার সঙ্গে দেখা করতে আসবে! কিন্তু এল না৷’

    চূর্ণীকে সঙ্গে নিয়ে মল্লার মাঠের মধ্যে হাঁটতে হাটতে ভাবতে লাগল গত রাতের ঘটনাটা নিয়ে৷ ওই ভয়ঙ্কর মুখমণ্ডল কার? নাকি সে ভুল দেখেছ? আর সে যদি ভুলও দেখে থাকে তবে কে ওই লোক?

    সকালের আলোতে আশ্রমের চারপাশে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে আগের থেকে এবার কোনও তফাত চোখে পড়ল না মল্লারদের৷ ঘরগুলো একইভাবে আগের মতোই নিজেদের জায়গাতে দাঁড়িয়ে আছে৷ ঘুরতে ঘুরতে একসময় তারা এসে উপস্থিত হল সেই কালো রঙের বেড়ার ঘরের কাছে৷ যে ঘরে সোহমকে তুলে এনে তার জীবন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তমসাময়৷ ঘরের দরজাটা আগের মতোই বাইরে থেকে বন্ধ৷ সকালের আলোতে আশ্রমের জন্য জায়গাগুলোতে পাখির ডাক শোনা গেলেও ঘরটার চারপাশে কেমন যেন অদ্ভুত নিস্তব্ধ ভাব৷ ঘরটার দিকে তাকিয়ে চূর্ণী বলল, ‘আমি যতবারই এই ঘরটার দিকে তাকাই ততবারই আমার গা যেন কেমন ছমছম করে ওঠে৷ ব্যাপারটা আমি ঠিক তোকে বোঝাতে পারব না৷’

    চূর্ণীর কথা শুনে মল্লার বলতে যাচ্ছিল, ‘হ্যাঁ, আমারও তেমনই একটা অনুভূতি হয়৷’ কিন্তু ঠিক সেই সময় তারা দেখল সোহম আসছে৷

    সোহমকে দেখে তারা সে জায়গা ছেড়ে এগলো তার দিকে৷ সোহমও এসে দাঁড়াল তাদের সামনে৷ তাকে যেন প্রথম দর্শনে বেশ গম্ভিরই লাগল মল্লারের৷ কিন্তু এরপর সোহম তার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটিয়ে বলল, ‘রাতে তোদের ঘুম ভালো হয়েছিল তো?’ চূর্ণী জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, হয়েছে৷ কিন্তু তুই রাতে একবার আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এলি না কেন?’ মৃদু অনুযোগের সুর ফুটে উঠল চূর্ণীর কণ্ঠে৷

    সোহম জবাব দিল, ‘আসব ভেবেছিলাম৷ কিন্তু ছেলেগুলো গল্প করার নেশায় কিছুতেই আমাকে উঠে আসতে দিল না৷’

    এ কথা বলার পর সোহম বলল, ‘চল নদীর পাড়ে গিয়ে কথা বলি৷’

    তার কথা শুনে নদীর পাড়ে যাবার জন্য এগলো মল্লাররা৷ সোহম আর কোনও কথা বলল না নদীর ধারে যাবার পথে৷ আশ্রমের বেড়ার আগল ঠেলে তিনজনে বাইরে বেরিয়ে এল৷ তারপর গিয়ে দাঁড়াল নদীর কিনারে৷

    সকালের আলোতে একইভাবে বয়ে চলেছে জলঙ্গীর কালো জল৷ ভেসে চলেছে কচুরিপানা৷ নদীর পাড়ে জলজ উদ্ভিদের ঝোপে ঘুরে বেড়াচ্ছে ডাহুক পাখি৷ একটা মাছরাঙা গাছ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সম্ভবত কোনও ছোট মাছ মুখে নিয়ে আবার ডালে গিয়ে বসল৷ নদীর ওপারে অনেক দূরে ছোট একটা ডিঙি নৌকা ভাসতে দেখল তারা৷ সম্ভবত মাছ ধরতে নেমেছে কেউ৷ নদীর জল ঘোলা বা কালচে হলেও তার স্থানে স্থানে ভোরের আলো পড়ে চিকচিক করছে৷ সব মিলিয়ে চারপাশের পরিবেশ প্রভাতী আলোতে মল্লার আর চূর্ণীর ভালোই লাগল৷ মল্লার একবার তাকাল শ্মশানের দিকটাতে৷ মল্লাররা যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে সেখান থেকে ওদিকের বেশ কিছুটা অংশ দেখা যাচ্ছে৷

    মিনিট খানেক তারা সেখানে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল৷ হয়তো প্রত্যেকেই ভাবছিল কীভাবে কথা শুরু করা যাবে!’

    সোহমই প্রথম মুখ খুলল৷ চূর্ণীদের দিকে তাকিয়ে যে প্রশ্ন করল, ‘তোরা কী বলবি বল?’ চূর্ণী নরম স্বরে বলল, ‘তোর কী হয়েছে এবার আমাদের খুলে বল।’

    সোহম জবাব দিল, ‘কিছুই হয়নি৷ আমি তো ঠিকই আছি৷’

    চূর্ণী বলল, ‘না, নিশ্চয়ই তোর কিছু হয়েছে৷ তুই রাত বিরেতে কলকাতার শ্মশানে ঘুরে বেড়াচ্ছিলি কেন? তোর পরিচয় কেউ জেনেছে কি না জানি না৷ তবে তোকে টিভিতে দেখিয়েছে, খবরের কাগজে ছবিও বেরিয়েছে৷ তা দেখে আমরা তোকে চিনেছি৷ তুই যে পুলিসের ভয়ে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিলি সে কথাও কাগজে লিখেছে৷ আমাকে এবার সত্যিটা বল? এর কারণ কী?’

    চূর্ণীর কথা শুনে সোহম বলল, ‘শ্মশানে ঘুরে বেড়ানো কি অপরাধ? কত মানুষই তো শ্মশানে ঘুরে বেড়ায়৷’

    মল্লার এবার বলল, ‘না, ঘুরে বেড়ানো কোনও অপরাধ নয় ঠিকই৷ কিন্তু সবকিছুর পিছনে তো একটা কারণ থাকে৷ সেটাই আমরা জানতে চাইছি৷ তুই বুঝিয়ে বললে আমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারব৷ হঠাৎ তোর আচরণে এমন পরিবর্তন হল কেন?’

    মল্লারের কথা শুনে সোহম একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘সব কথা সবসময় মানুষের পক্ষে বলা সম্ভব হয় না৷ তবে এটুকু বলতে পারি আমি কোনও অন্যায় বা অপরাধ করিনি৷’

    চূর্ণী বলল, ‘আমি জানি তুই নিজে কোনও অপরাধ করতে পারিস না৷ কিন্তু তুই নিজের অজান্তে কোনও খারাপ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়িসনি তো৷ নইলে তুই হঠাৎ এমন পাল্টে গেলি কেন? দেখ, দু-দিন পর আমাদের বিয়ে হতে চলেছে৷ আমার থেকে তুই কিছু গোপন করিস না৷ যাই হোক না কেন আমরা সবাই মিলে সামলে নেব৷ সব কথা খুলে বল।’

    মল্লার এরপর বলল, ‘তুই যদি শুধু চূর্ণীর সঙ্গে কথা বলতে চাস বল৷ আমি সরে দাঁড়াচ্ছি৷’

    এ কথা বলে মল্লার অন্যদিকে এগতে যাচ্ছিল, কিন্তু সোহম বলে উঠল, ‘না, তোর অন্যদিকে যাবার দরকার নেই৷ চূর্ণীকে আমার আলাদাভাবে কিছু বলার নেই৷’

    মল্লারের মনে হল চূর্ণী যেন সোহমের এ কথা শুনে মনে মনে একটু আহত হল৷ ছলছল চোখে সে তাকিয়ে রইল সোহমের দিকে৷

    মল্লার একটা সিগারেট ধরাল৷ আর তার পরই মল্লারের মাথায় একটা সম্ভাবনার কথা উদয় হল৷ সে বলল, ‘তুই তমসাময়ের থেকে কোন তন্ত্রসাধনার শিক্ষা নিচ্ছিস না তো? সে জন্য কি তুই শ্মশানে ঘুরে বেড়াচ্ছিস? কাল রাতেও তো তোকে আমি তমসাময় আর ছেলেদের পিছন পিছন এখানেও শ্মশানের দিকে যেতে দেখেছি৷ তারপর ঘন্টাখানেক বাদে সেখান থেকে একসঙ্গে ফিরেও এলি তোরা৷’

    মল্লারের মুখে একথা শুনে চূর্ণী মৃদু চমকে উঠল৷ তবে সোহমের মুখমণ্ডলে তেমন কোনও ভাবান্তর দেখা গেল না৷ মল্লারের কথার জবাব না দিয়ে সে চেয়ে রইল জলঙ্গীর ঘোলা জলের দিকে৷ বেশ কিছুক্ষণ নিস্তব্ধ ভাবে কেটে গেল৷ চূর্ণী এরপর সোহমকে বলল, ‘কী রে, চুপ করে আছিস কেন? কিছু তো বলবি৷’

    সোহম এবার জবাব দিল, ‘তোরা ফিরে যা৷’

    ‘ফিরে যা মানে?’ সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করল চূর্ণী৷

    একটু চুপ করে থেকে সোহম বলল, ‘আমি এখন এখানেই থাকব৷ চিন্তার কিছু নেই, ভালোই থাকব৷ তোদের কাজকর্ম আছে৷’

    ‘কেন, তোর কোনও কাজ নেই?’ আবার প্রশ্ন করল চূর্ণী৷

    ‘না, কলকাতায় আমার এখন তেমন কোনও কাজ নেই৷ চাকরিটা আমি ছেড়ে দিয়েছি৷’ সোহম এই প্রথম মল্লারদের কাছে সত্যি কথাটা স্বীকার করল৷

    মল্লার এবার জানতে চাইল, ‘তুই ক’দিন থাকবি এখানে?’

    সোহম জবাব দিল, ‘ঠিক বলতে পারছি না৷ এক মাস, দু-মাস, হয়তো বা তারও বেশি৷’ কথাটা শুনেই চূর্ণী এবার একটু ঝাঁঝিয়ে উঠে বলল, ‘তুই কি ইয়ার্কি মারছিস, নাকি তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে?’

    সোহম বলল, ‘না, কোনওটাই নয়৷ আমি যে এখন এখানে থাকব, এ কথাটাই তোদের বলার ছিল৷’

    মল্লার বলল, ‘কিন্তু দেখতে দেখতে তো তোদের বিয়ের সময় কাছে চলে আসছে৷ তুই এখানে থাকলে কাজগুলো কীভাবে হবে? একটা বিয়ের জন্য অনেক প্রস্তুতি লাগে৷’

    কথাটা শুনে সোহম তাদের চমকে দিয়ে বলল, ‘আমি তিন মাসের মধ্যে কলকাতা ফিরব কি না জানি না৷ হয়তো এখানেই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিলাম৷’

    চূর্ণী এরপর আর নিজেকে সংযত রাখতে পারল না৷ চিৎকার করে সে বলে উঠল, ‘তুই পাগল হয়ে গেছিস! নিশ্চিত পাগল হয়ে গেছিস! নইলে এমন কথা কেউ বলতে পারে? নিশ্চয়ই তমসাময় তোকে কোনও তুকতাক করেছেন! তোকে আমি এখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে যাব৷ এবং আজই যাব৷ দেখি তোকে কে এখানে আটকে রাখে?’

    ‘আমি তো কাউকে এখানে আটকে রাখিনি৷’ তমসাময়ের কণ্ঠস্বর ভেসে এল কিছুটা তফাত থেকে৷ কখন যেন তিনি এসে দাঁড়িয়েছেন তাদের কাছে৷ কথা থামিয়ে সকলে তাকাল তাঁর দিকে৷ মল্লারের মনে হল তিনি বাইরে থেকে আশ্রমে ফিরছিলেন৷ তার হাতে একটা থলে৷ চূর্ণীরা তাঁর দিকে তাকাতেই তিনি বললেন, ‘আমাকে মার্জনা করবেন৷ হয়তো আপনাদের কথার মাঝে আমার কথা বলা উচিত নয়, কিন্তু কথাটা কানে এল বলে বলছি৷ আমি কিন্তু কাউকে আটকে রাখিনি৷ উনি নিজের ইচ্ছায় এসেছেন, ইচ্ছা হলে যখন খুশি চলেও যেতে পারেন৷ আপনাদের কাছ আমি কৃতজ্ঞ৷ আপনারা যে কেউ এখানে এসে যতদিন খুশি থাকতে পারেন, আবার চলেও যেতে পারেন৷’—এ কথা বলে তিনি ধীর পায়ে হাঁটতে শুরু করলেন আশ্রমের দিকে৷

    তমসাময় আশ্রমের ভিতর অদৃশ্য হয়ে যাবার পর চূর্ণী বলল, ‘চল তবে আর দেরি করে লাভ নেই৷ আমরা তিনজন ফেরার জন্য রওনা হয়ে যাই৷’

    ‘তোরা যা৷ আমি যাব না৷ আমাকে জোর করিস না, লাভ হবে না৷’ গলার স্বরে কাঠিন্য ফুটে উঠল সোহমের৷

    চূর্ণী বলে উঠল, ‘আমাদের এত দিনের সম্পর্ক৷ তোর ওপর কি কোনও জোর নেই, অধিকার নেই আমার?’

    সোহম তার কথার কোনও জবাব দিল না৷ চূর্ণী এবার বুঝতে পারল তাকে এভাবে জোর করে কোনও লাভ হবে না৷ তাই সে বলল, ‘ঠিক আছে তুই যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছিস এখানে থাকবি তখন আমিও এখানে থাকব৷ তোকে না নিয়ে আমি কলকাতা ফিরব না৷ দেখি তুই ক’দিন এখানে থাকিস?’

    চুর্ণী এ কথা বলে মল্লারের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তুই বরং ফিরে যা। কতদিন আর তুই কাজ নষ্ট করে আমাদের জন্য এখানে পড়ে থাকবি?’

    হয়তো দুটো দিন সোহমকে বোঝালে সে মত পরিবর্তন করতে পারে৷ তাছাড়া সোহমের আচরণও স্বাভাবিক নয়৷ এ আশ্রমের যে একটা রহস্যময়তা আছে মল্লারের তা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না৷ এই আশ্রমে চূর্ণীকে ফেলে রেখে যাওয়া মল্লারের কিছুতেই উচিত হবে না৷ এ কথা দ্রুত ভেবে নিয়ে মল্লার পরিস্থিতি এই মুহূর্তে কিছুটা স্বাভাবিক করার জন্য হেসে বলল, ‘আজকের দিনটা তো থাকি এখানে৷ তারপর ফেরার কথা ভাবব৷ কাছে-পিঠে কোনও ঘোরার জায়গা থাকলে ঘুরে আসা যেতে পারে৷ গঞ্জের হাটেও যাওয়া যেতে পারে৷’

    সোহম বলল, ‘তোদের ইচ্ছা হলে তোরা ঘুরে আয়৷ রাতে আমার ঘুম ভালো হয়নি৷ ঘুম পাচ্ছে৷ আমি বরং একটু ঘুমোই গিয়ে৷’ এ কথা বলে সোহম এগলো আশ্রমের দিকে৷

    সে আশ্রমে প্রবেশ করার পর কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল মল্লার আর চূর্ণী৷ মল্লার দেখল চূর্ণীর চোখের কোণে চিকচিক করছে৷ কান্না চাপার চেষ্টা করছে সে৷ তাকে ভরসা দেবার জন্য মল্লার বলল, ‘ভেঙে পড়িস না। আমি আছি৷ আবারও আমরা ওকে বোঝাবার চেষ্টা করব৷ হয়তো শেষ পর্যন্ত ও মত পরিবর্তন করবে৷ দেখা যাক কী হয়? তারপর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা৷’

    চূর্ণী কান্না ভেজা গলাতে বলল, ‘ও তো ভালোভাবে কথাই বলল না৷ ওর কী হয়েছে তা জানাই হল না আমাদের৷ ওকে না নিয়ে আমি সত্যিই ফিরব না এখান থেকে৷ তেমন প্রয়োজন বোধ করলে পুলিশ ডাকব৷ তাদের বলব সোহমের মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক নয়৷ ওর চিকিৎসার প্রয়োজন৷ যে ভাবেই হোক ওকে কলকাতা ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে৷’

    মল্লার চূর্ণীর এ কথায় কোনও মন্তব্য করল না৷ বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর তারা আশ্রমে ফেরার পথ ধরল৷

    ভিতরে প্রবেশ করে কাউকে দেখতে পেল না তারা৷ সোহম নিশ্চয়ই তার ঘরে ফিরে গিয়েছে৷ ছেলেদের ঘুম ভেঙেছে কি না কে জানে? তাদের ঘরের দাওয়াতে কেউ নেই৷ মল্লাররা ধীর পায়ে নিজেদের ঘরের দিকে ফিরতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় গাড়ির হর্নের শব্দ শুনে বুনো রান্নাঘর ছেড়ে বেরিয়ে এগলো গেটের দিকে৷ গেট খুলে দিল বুনো৷ অনেকটা পুলিশ ভ্যানের মতো দেখতে বেশ বড় একটা গাড়ি প্রবেশ করল আশ্রমের ভিতর৷ গাড়িটা সোজা এসে দাঁড়াল মল্লারদের কাছাকাছি৷ সরকারি গাড়ি, গায়ে অশোকস্তম্ভ আঁকা৷ গাড়ি থেকে প্রথমে যিনি নামলেন তাকে চিনতে পারল মল্লাররা৷ তিনি সেই শিশুকল্যাণ বিভাগের সরকারি অফিসার মিস্টার বক্সী৷ তার দুই সঙ্গীও নামলেন গাড়ি থেকে৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটেম্পল – ম্যাথিউ রীলি
    Next Article অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৪ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }