Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জলঙ্গীর অন্ধকারে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প273 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জলঙ্গীর অন্ধকারে – ৩

    শীতের সকালে একটু দেরি করেই বেলা আটটা নাগাদ তাদের ঘুম ভাঙল৷ তখনও কিছুটা সাদা কুয়াশা রয়েছে নদীর দিকটাতে৷ দাওয়াতে বেরিয়েই মল্লার দেখতে পেল নিজের ঘরের সামনে তমসাময় দাঁড়িয়ে আছেন৷ মল্লারকে দেখতে পেয়ে দূর থেকে তিনি হাতজোড় করে নমস্কার জানালেন৷ মল্লারও প্রতি নমস্কার জানাল৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই মল্লারদের কাছে চায়ের কেটলি আর কাপ নিয়ে হাজির হল বুনো৷ শীতের সকালে বেশ আয়েস করে ধূমায়িত চা পান করে, সঙ্গে আনা কেক বিস্কুট দিয়ে প্রাতরাশ সাঙ্গ করে বেরবার জন্য তারা তৈরি হয়ে নিল৷ ঘরের দাওয়া ছেড়ে যখন তারা নীচে নামল তখন কুয়াশা কেটে গিয়েছে৷ সকালের সূর্যালোকে ঝলমল করছে সারা আশ্রম৷ চূর্ণী বুক ভরে শ্বাস টেনে বলল, ‘এখানকার বাতাস কী ফ্রেস, দেখেছিস! কোনও পলিউশন নেই! এমন বাতাস পেলে হয়তো মুমূর্ষ মানুষও নবজীবন লাভ করতে পারে৷’

    কথা বলতে বলতে তারা কিছুটা এগতেই একটা ঘরের পিছন থেকে বেরিয়ে এলেন তমসাময়৷ সবাইকে সুপ্রভাত জানিয়ে তিনি জানতে চাইলেন, ‘রাত কেমন কাটল?’

    চূর্ণী হেসে বলল, ‘এমনিতে ভালো, শুধু এই শিয়ালের ডাক ছাড়া৷ মাঝরাতে ওদের ডাক শুনে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল আমার৷ আসলে ওই ডাকের সঙ্গে আমি ঠিক অভ্যস্ত নই তো৷’

    তমসাময় হেসে বললেন, ‘ওরা হল রাত্রির সন্তান৷ সূর্য ডুবলেই নদীর পাড়ের গর্ত থেকে বাইরে বেরিয়ে ডাকাডাকি করে৷ অনেক সময় খাবারের খোঁজে আশ্রমের ভিতরেও চলে আসে৷ তবে কদিন এখানে যদি আপনারা থাকেন তখন দেখবেন ওদের ডাকের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন৷ শিয়ালের ডাক শুনে আর অস্বস্তি হবে না৷ সবই অভ্যাসের ব্যাপার৷’

    এ কথা বলার পর তিনি বললেন, ‘চলুন আপনাদের এবার ঘুরিয়ে দেখাই৷ আর যাদের জন্য আপনারা এসেছেন তাদের সঙ্গে অর্থাৎ বাচ্চাগুলোর সঙ্গেও আপনাদের পরিচয় করাই৷ তারপর আপনাদের জলঙ্গীর পাড়ে নিয়ে যাব৷’

    মল্লারদের নিয়ে তিনি ধীর পায়ে হাঁটতে হাঁটতে আশ্রম দেখাতে শুরু করলেন৷ বেড়ার ঘরগুলো কোনটা কী কাজে ব্যবহৃত হয় তা তিনি বুঝিয়ে দিতে লাগলেন৷ তার কোনটা বাচ্চাদের পড়ার ঘর, কোনটা প্রার্থনা কক্ষ, কোনটা খাবার ঘর, কোনটা রান্নাঘর৷ আশ্রমের সীমানার গা ঘেঁষে বেশ কিছু জায়গাতে কপি, পেঁয়াজ কলি, শাক ইত্যাদি শীতের সব্জি চাষ করা হয়েছে, সে সব জায়গাও ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাতে দেখাতে তিনি বললেন, ‘অনেক পরিকল্পনা আছে৷ যেমন বাচ্চাদের জন্য একটা পাকা ঘর তৈরি করা৷ কারণ বেশি শীত পড়লে বেড়ার ঘরে বেশ ঠান্ডা ঢোকে৷ ইলেকট্রিসিটি আনাও অত্যন্ত প্রয়োজন৷ গঞ্জের হাটটা এখান থেকে বেশ খানিকটা দূর, সেখান থেকে জিনিসপত্র কিনে আনার জন্য, রাত বিরেতে কোনও বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার জন্য একটা ছোট গাড়িরও দরকার৷ আর এসব করতে হলে বেশ মোটা টাকার প্রয়োজন যা আমার কাছে নেই৷’

    বাচ্চারা যেখানে থাকে সেখানে নিয়ে যাবার আগে মল্লারদের নিয়ে তিনি এসে দাঁড়ালেন একটা কুঁড়েঘরের সামনে৷ শনের ছাউনি দেওয়া ঘর৷ দরমার বেড়ার গায়ে আলকাতরার প্রলেপ দেওয়া দেখেই মনে হয় ও ঘরটা অন্য ঘরগুলোর তুলনায় বেশ পুরনো৷ তমসাময় তালাবন্ধ ঘরটা দেখিয়ে বললেন, ‘শ্মশানের কাছে এটাই ছিল আমার প্রথম আস্তানা৷ তারপর আশ্রমটা গড়ে ওঠে৷ আমার সাধনকার্যের বেশকিছু জিনিস এখনও এ ঘরে রাখা আছে৷’ আশ্রমের সব থেকে প্রাচীন কুঁড়েঘরটা তাদের দেখাবার পর তমসাময় মল্লারদের নিয়ে উপস্থিত হলেন ছেলেদের থাকার ব্যারাকের মতো বাড়িটাতে৷ বেশ কয়েকটা ঘর৷ দাওয়ায় উঠে তমসাময়ের সঙ্গে তারই একটাতে ঢুকল৷ সে ঘরের মেঝেতে একটা শতরঞ্চি বিছানো৷ মল্লাররা দেখা করতে আসবে বলে হয়তো বাচ্চারা অপেক্ষা করছিল৷ নানাভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসা বাচ্চা ছেলেগুলো মল্লাররা ঘরে প্রবেশ করতেই উঠে দাঁড়াল৷ তারপর বুকের কাছে হাতজোড় করে প্রণাম জানাল৷ তাদের সকলেরই উৎসুক দৃষ্টি মল্লারদের প্রতি৷ একটা বছর আটেকের ছেলেকে দেখিয়ে তমসাময় বললেন, ‘ও হল নবজীবন৷ ওকেই প্রথম উদ্ধার করে এনেছিলাম আমি৷ যার কথা কাল আপনাদের শোনালাম৷ ওর নামকরণটা আমারই করা৷ আর সে নামেই আশ্রমটাও৷’ এ কথা বলার পর তিনি বাচ্চাগুলোর উদ্দেশে বললেন, ‘এনারা তোমাদের সঙ্গে দেখা করতে, কথা বলতে এসেছেন৷’—এ কথা বলে মল্লারদের ছেলেগুলোর সঙ্গে ঘরে রেখে তিনি ঘরের বাইরে গিয়ে দাঁড়ালেন৷ মল্লার নবজীবনকে প্রশ্ন করল, ‘এখানে থাকতে তোমাদের কেমন লাগে?’ প্রশ্নটা সে নবজীবনকে করলেও, সবাই একসঙ্গে বলে উঠল, ‘ভালো৷’

    চূর্ণী অন্য একজনকে প্রশ্ন করল, ‘তোমার নাম কী? রাতে তো এখানে আলো জ্বলে না৷ অন্ধকারে ভয় লাগে না তোমার?’

    যাকে চূর্ণী প্রশ্নটা করল তার আকৃতি দেখে মনে হল ছেলেগুলোর মধ্যে সে-ই সবথেকে বয়সে ছোট৷ ছেলেটা জবাব দিল, ‘আমার নাম সঞ্জীবন৷ না, ভয় লাগে না৷ ভালো লাগে৷’

    চূর্ণী মৃদু বিস্মিতভাবে বলল, ‘অন্ধকারে তোমার ভালো লাগে?’

    বাচ্চাটা সরল মনেই জবাব দিল ‘হ্যাঁ, ভালো লাগে৷ আলো নেই বলে রাতে পড়তে বসতে হয় না৷’ এবার তার কথা শুনে হেসে ফেলল মল্লাররা৷

    তৃতীয় একটা ছেলেকে সোহম জিজ্ঞেস করল, ‘তোর নাম কী?’

    সে জবাব দিল, ‘উজ্জীবন?’

    সোহম জানতে চাইল, ‘এখানে তোদের যে খাবার দেয় তাতে পেট ভরে?’

    উজ্জীবন জবাব দিল ‘হ্যাঁ৷’

    ‘কী খেতে ভালো লাগে তোর?’ খাবারের কথা জানতে চাইল সোহম৷

    উজ্জীবন বলল, ‘মাংস৷’ আর তার কথা সমর্থন করে অন্য ছেলেগুলো বলে উঠল ‘আমারও, আমারও৷’

    চূর্ণী জানতে চাইল ‘তোমরা এখানে মাংস খেতে পাও?’

    উজ্জীবন বলল, ‘অকেনদিন পরে পরে যখন মেলে তখন খাই৷ তোমরা মাংস খাওয়াবে?’

    চূর্ণী ছেলেটার প্রশ্ন শুনে তাকাল মল্লারের দিকে৷

    মল্লার এরপর গলাটা একটু খাদে নামিয়ে একটা ছেলেকে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমাদের কেউ মারে এখানে? গায়ে হাত দেয়? কষ্ট দেয়? সত্যি কথা বললে তোমাদের মাংস খাওয়াব৷’

    ছেলেটা বলল, ‘না, কেউ মারে না আমাদের তবে দুষ্টুমি করলে ভয় দেখায়৷’

    ‘কী বলে ভয় দেখায়?’ জানতে চাইল মল্লার৷

    বাচ্চাটা বলল, ‘জীবনবাবা বলে, তাঁর কথা না শুনলে আশ্রমের বাইরে বার করে দেবে৷ তখন আমরা আর বাঁচব না৷’

    মল্লাররা বুঝতে পারল তমসাময়কে বাচ্চাগুলো জীবনবাবা বলে ডাকে৷

    মল্লাররা আরও বেশ কিছু প্রশ্ন করল বাচ্চাগুলোকে৷ তাদের মুখ থেকে তাদের জীবনবাবা তমসাময় বা তাঁর আশ্রম সম্পর্কে কোনও বিরূপ প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল না৷ প্রশ্ন-উত্তরের পালা মেটার পর যখন তারা সে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরতে যাচ্ছে তখন উজ্জীবন বলে উঠল, ‘তাহলে আমাদের মাংস খাওয়াবে তো?’

    মল্লার হেসে ফেলে বলল, ‘তোমাদের জীবনবাবা যদি অনুমতি দেন তবে নিশ্চয়ই খাওয়াব৷’ মল্লারের জবাব শুনে শিশুসুলভ ভঙ্গিতে তালি দিয়ে উঠল অনাথ ছেলেগুলো৷

    বাড়িটার বাইরে দাওয়ার নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন তমসামসয়৷ ঘর ছেড়ে বেরিয়ে তাঁর কাছে গিয়ে দাঁড়াল তিনজন৷ তমসাময় বললেন, ‘কেমন দেখলেন ওদের?’

    চূর্ণী বলল, ‘বেশ লাগল ওদের সঙ্গে কথা বলে৷ সহজ সরল সব বাচ্চা৷’

    তমসাময় বললেন, ‘ওদের মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তোলার স্বপ্ন আছে আমার৷ আপনাদের মতো মানুষরা যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তবে হয়তো সে স্বপ্ন আমার সফল হবে৷ চলুন এবার জলঙ্গীর পাড়টা আপনাদের দেখিয়ে আনি৷’

    সে জায়গা ছেড়ে তমসাময়ের সঙ্গে হাঁটতে শুরু করল৷ মল্লার হাঁটতে হাঁটতে বলল, ‘আপনার আশ্রমের ছেলেদের নামগুলো কিন্তু বেশ৷ নবজীবন, সঞ্জীবন, উজ্জীবন৷ আপনাকেও শুনলাম ওরা জীবনবাবা বলে ডাকে৷ নবজীবন আশ্রমের সবকিছুর সঙ্গেই দেখছি জীবন শব্দটা জড়িয়ে আছে!’ তমসাময় হেসে বললেন, ‘হ্যাঁ, ওদের নামগুলো সব আমারই দেওয়া আশ্রমের সঙ্গে নাম মিলিয়ে৷’ সোহম তাঁকে বলল, ‘কিছু মনে করবেন না, আপনার নামটা কিন্তু বেশ আনকমন—তমসাময়৷ এ নাম সচরাচর শোনা যায় না৷’ আপনার গায়ের রংও তো তমসার মতো নয়৷’

    তমসাময় বললেন, ‘তা ঠিক৷ আসলে আমার জন্ম হয়েছিল কালীপুজোর রাতে৷ জানেন নিশ্চয়ই দেবী কালীকে তমসাময়ী নামেও ডাকা হয়৷ অমাবস্যার রাতে তমসাময়ীর আরাধনার সময় জন্ম হয়েছিল বলে আমার নাম রাখা হয় তমসাময়৷’

    কথা বলতে বলতে তারা পৌঁছে গেল আশ্রমের পিছনের অংশে৷ বেড়ার প্রাচীরের গায়ে একটা বাখারির দরজা বা ঝাঁপ আছে বাইরে যাবার জন্য৷ তার একপাশে পড়ে আছে আধ-পোড়া কাঠের স্তূপ৷ কেমন যেন একটা পোড়া গন্ধ সে জায়গাতে৷ তমসাময় ঝাঁপ ঠেলে তাদের নিয়ে বাইরে বেরবার আগে সোহম নিছক কৌতূহল বশতই তমসাময়কে প্রশ্ন করল, ‘এই কাঠগুলো দিয়ে কী হয়?’

    তমসামসয় বললেন, ‘কাঠগুলো শ্মশান থেকে তুলে আনা৷ চিতার কাঠ৷ জ্বালানি হয়৷ কোনও সময় রান্না বা ঘর তৈরির কাজেও লাগে৷ এগুলো তুলে এনে যতটুকু পয়সা সাশ্রয় করা যায় আর কী৷’ কথাটা শুনে চূর্ণী চমকে উঠে বলল, ‘এ কাঠে রান্না হয়!’

    তমসাময় বললেন, ‘তা হয়৷ আমি প্রতিটা টাকা বাঁচিয়ে বাচ্চাগুলোর পিছনে তা ব্যয় করার চেষ্টা করি৷ ব্যাপারটা অস্বস্তিকর লাগতে পারে আপনাদের৷ কিন্তু আমি সত্যি কথাই বললাম৷ তবে আপনাদের শঙ্কিত হবার ব্যাপার নেই৷ বুনো আপনাদের রান্না তেলের স্টোভেই করছে৷ আপনাদের রান্নার জায়গাও আলাদা৷ সন্দেহ হলে যে-কোনও সময় গিয়ে দেখে আসতে পারেন, অথবা নিজেরাও রান্না করে খেতে পারেন৷ বুনো সব জোগাড় যন্তর করে দেবে৷’

    মল্লার বলল, ‘না না, ওসবের দরকার নেই৷ আপনার কথা অবিশ্বাস করব কেন? বাচ্চাগুলোকে বলেছি মাংস খাওয়াব৷ গঞ্জ বা হাটটা কোথায় তা জানাবেন৷ নদীটা দেখা হলে মাংস কিনে আনব আপনার অনুমতি থাকলে৷’

    তমসাময় ঝাঁপ সরাতে সরাতে বললেন, ‘আপত্তির কোনও কারণ নেই৷ আমি জানি ওরা মাছ-মাংস খেতে খুব ভালোবাসে৷ কিন্তু প্রতিদিন তো ওদের সে সব খাওয়ানোর ক্ষমতা হয় না আমার৷ কখনও সখনও মাংস জোটে তাদের কপালে৷ আপনারা মাংস খাওয়ালে খুব খুশি হবে বাচ্চাগুলো৷’

    আশ্রমের বাইরে বেরিয়ে তারা দেখল কিছুটা তফাতেই নদী প্রবাহিত হচ্ছে৷ নদী আর আশ্রমের মধ্যে মাত্র পঞ্চাশ কদমের ব্যবধান হবে৷ তমসাময় বললেন, ‘এই হল জলঙ্গী নদী৷ এটা পদ্মার শাখানদী৷ মুর্শিদাবাদ জেলা অতিক্রম করে দক্ষিণে এসে কৃষ্ণনগর থেকে পশ্চিমে গিয়ে ভাগীরথীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে৷’

    নদীর পাড় বরাবর ফালি জমিটাও উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত হয়েছে৷ নদীর পাড়ের দিকে এগতে এগতে উত্তর দিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে তমসাময় বললেন, ‘ওদিকে একটু এগলেই শ্মশান৷ আশপাশের গ্রামের লোক ওখানে দেহ সৎকার করতে আসে৷ গঞ্জের দিকে যাবার পথে কয়েকটা গ্রাম দেখতে পাবেন৷’

    তমসাময়ের সঙ্গে তারা এসে দাঁড়াল নদীর পাড়ে৷ মল্লাররা যেখানে এসে দাঁড়াল তার হাত পাঁচেক নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নদী৷ তার জল স্বচ্ছ নয়, বরং ঈষৎ কালচে ধরনের৷ পাড়ের গায়ে স্থানে স্থানে কলমি, ঝাঁঝি ইত্যাদি জলজ উদ্ভিদের ঝোপ৷ নদী এখানে বেশি চওড়া নয়, তবে স্রোত আছে৷ কচুরিপানা ভেসে চলেছে নদীতে৷ কয়েকটা কালো পানকৌড়ি ডুব দিচ্ছে জলে৷ তমসাময় বললেন, নদীকে এখন শীর্ণ মনে হলেও বর্ষার সময় এ নদী জেগে ওঠে৷ এদিকের পাড় ওপাশের তুলনায় উঁচু বলে জল না উঠলেও ওদিকের পাড়টা অনেকটাই জলে ডুবে যায়৷ তখন নদীর অন্য রূপ৷ আমার ঘরে বসেই রাত্রে জলপ্রবাহের শব্দ শোনা যায়৷’

    মল্লাররা শহুরে মানুষ বলেই হয়তো কচুরিপানা ভাসা এ নদীই তাদের বেশ লাগল৷ বিশেষত বেশ বাতাস নদীর পাড়ে৷ বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যায় এ বাতাসে৷

    সোহম জানতে চাইল, ‘এ নদীতে মাছ পাওয়া যায়?’

    তমসাময় বললেন, ‘হ্যাঁ৷ বোয়াল, শোল, মাগুর এসব মাছ পাওয়া যায়৷’

    এরপর একটু থেমে তিনি বললেন, ‘অনেকেই জানে না৷ এ সব মছের আসল খাদ্য কিন্তু মড়া৷ নদীর জলে যে সব মৃতদেহ ভাসে তারা ওসব খায়৷’

    চূর্ণী কথাটা শুনে জানতে চাইল, ‘মানুষেরও?’

    তমসা বললেন, ‘হ্যাঁ৷ অনেক লোক নদীতে ডুবে মারা যায়৷ গ্রামের দিকে অনেকে সাপে কাটা মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়৷ ওরা সেসব খায়৷’

    কথাটা শুনে চূর্ণী নাক সিটকে বলল, ‘এ বাবাঃ, এরপর এসব মাছ খাওয়া যাবে না দেখছি!’ সোহম চূর্ণীকে বলল, ‘তুই এবার থেকে শাকাহারী হয়ে যায়৷ তবে শুনেছি শাক, সব্জি চাষ করার সময় নাকি সার হিসাবে হাড়ের গুঁড়োও দেওয়া হয়৷’ মল্লার একটা সিগারেট ধরাল৷ বেশ কিছুক্ষণ নদীর পাড়ে থাকার পর আবার তারা আশ্রমে ফেরার পথ ধরল৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটেম্পল – ম্যাথিউ রীলি
    Next Article অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৪ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }