Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জল পড়ে পাতা নড়ে – গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী) এক পাতা গল্প493 Mins Read0
    ⤶

    হাওয়া এলোমেলো – ১৫

    পনেরো

    একটুর জন্য ওঁরা কলকাতার ট্রেনখানা ধরতে পারলেন না। প্রায় নাকের উপর দিয়েই সেখানা বেরিয়ে গেল। সারা রাতের মধ্যে কলকাতার ট্রেন আর নেই। এর পরে আছে দার্জিলিং মেল। তা সে তো শেষরাত্রে। হতাশ হলেন মেজকর্তা। রাগ হল হতচ্ছাড়া বাসখানার উপর। ঝিনেদা থেকে চুয়াডাঙার ইস্টিশান, বাইশ মাইল তো মোটে রাস্তা। এর মধ্যে যে কতবার বিগড়ে গেল বাসখানা তার ইয়ত্তা নেই।

    এখন কী আর করা যায়! ওয়েটিং রুমে বিছানা খুলে পাতিয়ে দিলেন কুলিকে দিয়ে। গিরিবালা ঘুমন্ত ছেলেকে শুইয়ে নিজে আরাম করে বসল। শঙ্খর জন্য বোতলে দুধ আছে। দশটা নাগাদ একবার খাইয়ে ঘুমটা পাড়িয়ে দিলেই নিশ্চিন্ত। সকালের আগে সে আর উঠবে না। মেজকর্তা টাইম-টেবল দেখলেন, সকাল পাঁচটা পনেরো মিনিটে শিয়ালদহ পৌঁছে যাবে গাড়ি। সেখান থেকে গড়পারে ভূষণের দাদার বাসায় পৌঁছোতে বড়জোর আধ ঘণ্টাই লাগুক।

    মেজকর্তা দোকান থেকে কিছু লুচি তরকারি আনলেন। গিরিবালার এ-সব খাবার খেতে প্রবৃত্তি হচ্ছিল না, তবু খেল। তার মনটা বিশেষ ভাল ছিল না। চাঁপার জ্বরটা ছেড়েও ছাড়ল না। ঠিক তাদের আসবার আগেই নতুন করে জ্বর এসে গেল। ওর শরীরটা ফ্যাকাশে হয়ে উঠছে। ভাল ডাক্তার না দেখালে আর চলবে না। বাবাকে ভাল করে বলে যাবে। আবার কবে এ দেশে আসবে গিরিবালা কে জানে?

    বাপ ভাই আত্মীয় বন্ধু ছেড়ে গিরিবালা চলল কোন অকূলপাথারে ঘর বাঁধতে! এখন একমাত্র ভরসা ভূষণ। এবার যে সংসার পাতবে গিরিবালা তাতে সে-ই হবে কর্ত্রী। হ্যাঁ, তাই তো। তার মাথার উপর আর তো কেউ থাকবে না। এ-কথাটা তো আগে খেয়াল হয়নি। এই নতুন সংসারটা হবে তার আর ভূষণের। ভূষণ, সে আর শঙ্খ।

    গিরিবালা তার এই নতুন ভাবনাটাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে লাগল। বাপের বাড়িতে বড়মার জায়গা যেখানে, শ্বশুরবাড়িতে বড়জায়ের যেখানে, ডোমারে বাবার বাসাবাড়িতে তার মায়ের জায়গা যেখানে ছিল, গিরিবালা তার নতুন সংসারে একলাফে এবার সেই জায়গায় উঠে পড়বে। কারও অধীন হয়ে, খোঁটা খেয়ে, হাততোলা হয়ে আর থাকতে হবে না তাকে। সংসারে কোন জিনিস কতটা আনতে হবে, কাকে কী দিতে হবে, কে ঠিক করবে? গিরিবালা। সেই গিরিবালা যে কিছুদিন আগে পর্যন্তও সবার হুকুম মেনে চলেছে। কোথাও বিশেষ জোর খাটাতে পারেনি। ভয়ে ভয়ে থেকেছে। বিয়ে হয়ে যাবার পর বাপের সংসারে মেয়ের আর জোর থাকবে কী করে? শ্বশুরবাড়ি গেল গিরিবালা। কিন্তু সেখানেও তো জোর পেল না। কী করে পাবে? এখন গিরিবালার মনে হচ্ছে, সেটা তো তার সংসার ছিল না, সেটা যে দিদির সংসার।

    হ্যাঁ, এইবার তার জোর হবে। তার নিজের সংসার পাবে সে। ভালমন্দ যা কিছু ঘটবে, তার সব দায়িত্ব গিরিবালার। গিরিবালা ভাবতে লাগল, সে দেখিয়ে দেবে সংসার করা কাকে বলে। সে কাউকে খোঁটা দেবে না অবজ্ঞা করবে না, তার সংসারে কাউকে মনে কষ্ট পেতে দেবে না। এই অল্প দিনের মধ্যে সে যে তিক্ততার স্বাদ পেয়েছে, তার আশ্রয়ে কেউ যাতে সে আস্বাদ না পায়, প্রাণপণে তার ব্যবস্থা করবে গিরিবালা।

    আর এই প্রথম গিরিবালার মনে হল, চা-বাগানের চাকরিটা নিয়ে ভূষণ খুব খারাপ কিছু করেনি। বরং গিরিবালাকে একটা গোটা সংসারের গিন্নি হবার সুযোগ করে দিয়েছে। এখন যতই ব্যাপারটা তলিয়ে ভাবছে গিরিবালা, ততই দেখতে পাচ্ছে ভূষণ ভালই করেছে কাজটা। সে ভাগ্যিস গিরিবালার কথা শুনে তখন মেজভাশুরের আদেশটা অমান্য করেনি। ভূষণকে এখন কত কাছে কাছে সে পাবে। বিয়ের পর থেকেই তো তার এই বাসনা, ভূষণকে একান্ত করে সে পাবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত সে বাসনা তার পূর্ণ হয়নি। বিয়ের পর ভয় আর লজ্জা কাটতেই তো এক বছর গেল। তারপর আরেকটা বছর না ঘুরতেই জানতে পারলে সে মা হতে যাচ্ছে। তখন আবা, নতুন এক লজ্জা। সেটা যদিও বা সামাল দিল, তবুও সে ভূষণকে মনের মতন করে পেল না। নিজে যেমন সংসারের কাজে, শঙ্খের পরিচর্যায় দিনরাত মগ্ন হয়ে গেল, তেমনি ভূষণও যেন হারিয়ে গেল বহুজনের ভিড়ে। এই ভিড়, গুরুজনদের সদা উপস্থিতি, এসব তো আর নতুন সংসারে থাকবে না। শুধু সে আর ভূষণ। গিরিবালা হিসেব করতে লাগল। একদিকে সে বাবা বোন বড়জেঠি পিসি জা এদের সঙ্গ যেমনি হারাচ্ছে, তেমনি পাচ্ছেও কিছু। কিছু কেন, অনেক পাচ্ছে। ভূষণকে একান্ত করে পাওয়া তার যে দুমুঠি ভরে যাওয়া। কথাটা মনে পড়তেই রোমাঞ্চ জাগছে তার।

    ভস ভস ভস ভস করে একখানা গাড়ি এসে দাঁড়াল। তাদের গাড়ি নাকি? গিরিবালার মন ছ্যাঁক করে উঠল। তাড়াতাড়ি সে উঠে বসল।

    মেজকর্তা একটা বেঞ্চিতে বসে ছিলেন।

    জিজ্ঞাসা করলেন, কী রে, উঠে পড়লি যে?

    গিরিবালা থতমত খেয়ে গেল।

    বলল, ভাবলাম গাড়ি বুঝি আসে গেল।

    মেজকর্তা একটু হেসে বললেন, এখানা মালগাড়ি। আমাদের গাড়ির ঢের দেরি।

    গিরিবালা অপ্রস্তুত হয়ে চেয়ে দেখল সত্যিই মালগাড়ি। রাতের আবছা অন্ধকারে ভুতো-ভুতো লাগছে। ডোমারেও সে মালগাড়ি দেখেছে। তার মোটে পছন্দ লাগে না। সবটা মিলিয়ে কেমন যেন একটা বুক চাপা নিরেট ভাব আছে মালগাড়ির চেহারায়। আলো নেই, খোলামেলা নেই। দমবন্ধ করা ভাব। একবার এলে সহজে নড়তে চায় না। স্টেশন জুড়ে পড়ে থাকে। ঘটাং ঘটাং, ঠকাস ঠকাস কতরকম বিশ্রী শব্দ করে! এগোয় পেছোয়। ইঞ্জিনটা হঠাৎ ভস ভস করতে করতে তেড়ে-মেড়ে যেন চলে যায়। ভাব দেখে মনে হয়, আর বুঝি ফিরবে না। ওমা, পরক্ষণেই আবার বেহায়ার মতো ফিরে আসে। ওই তাদের গ্রামের সরকার মশাইয়ের মতো স্বভাব আর কী? সকালে উঠেই খুড়ির সঙ্গে খিটিমিটি বাধে। অবস্থা চরমে উঠলে হঠাৎ ছাতিখানা বগলে করে চেঁচিয়ে ওঠেন সরকার মশাই, “থাকল তোর কাঁচকলার সংসার, এই চললাম যেদিকি দু’চোখ যায়।” বেরিয়ে পড়েন বাড়ি থেকে। তারপর দুপুরবেলা খাবার সময় আবার গুটগুট করে বাড়িতে ঢুকে পড়েন। যেন কিছুই হয়নি। মালগাড়ির ইঞ্জিনগুলোর রকম-সকম সেই সরকার মশাইয়ের মতোই বটে।

    গিরিবালা শুয়ে পড়ল। কখন যে এই মালগাড়িখানা বিদায় হবে! বিরক্তি লাগল তার। কখন আসবে কলকাতার গাড়ি? অসহিষ্ণু হয়ে উঠল সে।

    তা অস্বীকার করে লাভ নেই, গিরিবালা কলকাতায় পৌঁছোবার জন্য এর মধ্যে বেশ চঞ্চল হয়ে উঠেছে। আবার ভয়-ভয়ও করছে তার। সেজভাশুর সাহেব লোক। সেজজা কলকাতায়-থাকা মেয়ে। বিয়ের সময় সেই যা গিরিবালা তাঁদের দেখেছিল। তার মনে পড়ে, সেজজা তার চুলগুলো দেখে খুব খুশি হয়েছিলেন। প্রশংসা করেছিলেন। তারপর নতুন ফ্যাশানে তার চুল বেঁধে দিয়েছিলেন নিজের হাতে। পাটি-খোঁপা না কী যেন একটা ইংরেজি নাম বলেছিলেন। গিরিবালার মনে নেই। তার বলে তখন সসেমিরা অবস্থা। ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে গিয়েছিল সে। চম্পির বিয়েতে ওঁরা কেউই আসেননি, টাকা কাপড় পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। সেই সেজজা শঙ্খকে দেখতে চেয়েছেন। যে বাউত্তারা ছেলে হয়েছে একখান, সেখানে গিয়ে কী যে অসভ্যতা করবে, গিরিবালা সেই ভাবনায় অস্থির হয়ে উঠল।

    ঘরের ভিতর বড্ড গুমোট। গরমে অস্থির হয়ে উঠল গিরিবালা। সে ঘামছে। শঙ্খ গলগল করে ঘামছে। বাবাকেও বারে বারে ঘাম মুছতে দেখছে। মাঝে মাঝে বাবা বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছেন। পাখা একখানা পেলে হত। গিরিবালা আঁচলটা দিয়ে প্রাণপণে হাওয়া খেতে লাগল।

    এর আগে গিরিবালা কখনও ইস্টিশানে রাত কাটায়নি। অদ্ভুত এক জায়গা বটে! ওয়েটিং রুমের এক খুপরি ঘরে বাক্স বিছানা নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। ঘরে ছায়া-ছায়া অন্ধকার। দেওয়ালে বড় একটা আলো। দেওয়ালগিরির পেটের লাল কালিতে লেখা চুয়াডাঙ্গা’ কথাটা সে আলোয় জ্বলজ্বল করছে। কিন্তু ঘরে ভাল আলো হয়নি। কুলি দুটো প্রথমে গিরিবালাকে আরেকটা ঘরে ঢুকিয়ে দিতে গিয়েছিল। সে ঘরের দরজায় একটা মেয়েলোকের ছবি আঁকা। তলায় লেখা ‘জেনানা’। এ আবার কী কথা? বাবা ওকে একা-একা সে-ঘরে রাখতে সাহস পাননি। তাই এই ঘরে এনে তুলেছেন। আরও দু’-তিনজন লোক আছে সে-ঘরে। তাই গিরিবালা এক কোণে গুটিসুটি মেরে ছেলেকে নিয়ে শুয়েছে।

    মালগাড়িটা একটু আগে চলে গেল। তবুও গুমোট গেল না। পিড়পড় করে বৃষ্টি পড়ছে ধারে-কাছের কোন টিনের চালে। গোটাকতক হিন্দুস্থানি খচমচ খচমচ বাজনা বাজিয়ে, গান গেয়ে কানের পোকা নড়িয়ে দিচ্ছে। বাব্বাঃ, এর নাম গান! রক্ষে করো। কাঁচা চামড়ার বিশ্রী গন্ধ মাঝে মাঝে ভেসে আসছে। গায়ে পাক দিয়ে উঠছে গিরিবালার।

    এর মধ্যেও একটু তন্দ্রা এসে গিয়েছিল গিরিবালার। হঠাৎ এক বিকট শব্দ, হইচই, চেঁচামেচিতে তার ঘুম ভেঙে গেল। শঙ্খও ভয় পেয়ে কেঁদে উঠে পড়ল। গিরিবালা দেখল একখানা প্যাসেঞ্জার ট্রেন প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়িয়েছে।”চা-গ্রাম, পাউরুটি বিস্কুট”— টেনে টেনে সুর করে করে বলতে বলতে গোটাকতক লোক এধার-ওধার যাচ্ছে। গিরিবালা আবার ধড়মড় করে উঠে বসল। তাদের গাড়ি এল নাকি?

    মেজকর্তা রাতজাগা গলায় বললেন, শো, শো, শুয়ে থাক। আমাদের গাড়ি শেষরাত্তিরে আসবে। এখনও অনেক দেরি।

    এখনও অনেক দেরি! বাবা, আর কত দেরি হবে! গিরিবালা খানিকটা হতাশ হল। জল তেষ্টা পেয়েছে তার। পেট ভুটভাট করছে। শঙ্খ খুঁতখুঁত করে কান্না জুড়ল। কিছুতেই শোবে না। বিশ্রী লাগছে গিরিবালার। কোনওমতে কলকাতায় পৌঁছোতে পারলে সে বাঁচে।

    .

    মেজকর্তা নিঃঝুম প্ল্যাটফর্মে শঙ্খকে কোলে নিয়ে ঘুরে ঘুরে অনেকক্ষণ পরে ওকে ঘুম পাড়ালেন। ঘরে যে গরম। এই কচি শিশু কি ঘুমোতে পারে! একটা পাখা আনা উচিত ছিল। মাঝে মাঝে পশলা পশলা বৃষ্টি হচ্ছে আর ততই যেন গরম বাড়ছে। একেবারে যেন সিদ্ধ করে ছাড়বে। মেজকর্তার পিঠে পেটে এর মধ্যেই বেশ ঘামাচি গজিয়ে গেল। ঘরে এসে ঘুমন্ত নাতিকে মেয়ের কোলে দিয়ে দিলেন।

    আবার বাইরে এলেন। বাইরে তবু কিছুটা আরাম পাওয়া যাচ্ছে। চারিদিক নিস্তব্ধ। শুধু তারবাবুর ঘরে টেলিগ্রাফ-যন্ত্রটা মাঝে মাঝে কিট কিট করে উঠছে, আবার থেমে যাচ্ছে। তারবাবু টেবিলে হাতের উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে নিচ্ছেন খানিক খানিক, আবার ধড়মড় করে ঠেলে উঠে চাবি টিপে টরে-টক্কা টরেটক্কা টরে-টক্কা টরে করছেন। আর দূরে, প্ল্যাটফর্মের শেষ মুড়ো ছাড়িয়েও অনেক দুরে, সিগন্যালের লাল চোখ নিষ্কম্প চেয়ে আছে। আর মাঝে মাঝে ঝুপ ঝুপ বৃষ্টি পড়ে তাঁর দৃষ্টি আবছা করে দিচ্ছে। আর মাঠ থেকে ভেসে আসছে ব্যাংদের ঐকতান: মক মক মক গ্যা গোঁ মক মক মক মক…….

    কলকাতায় পৌঁছেই আর বিলম্ব নয়, ভূষণকে নিয়ে বেরিয়ে পড়তে হবে সুধাময়ের খোঁজে। বড়বউ ভুগে ভুগে বড্ড কাহিল হয়ে পড়েছে। বড্ড উতলা হয়ে উঠেছে সুধার জন্য। ওকে বাড়িতে এবার আনতেই হবে। বড়বউয়ের ইচ্ছে, সুধার বিয়ে দেবার, দিতে হবে ওর বিয়েটা। দায়িত্ব পড়ুক ঘাড়ে। ভাবনা-চিন্তাগুলো অনেক বাস্তব হয়ে উঠবে তা হলে।

    দেশ স্বাধীন করার ব্রত নিয়েছে সুধা। বিয়ে করবে না বলে জানিয়েছে। মেজকর্তা হাসলেন। কপনি আঁটার দেশে তো জন্ম। রাতদিন ব্রহ্মচর্য, তপশ্চর্যা, এইসব জিনিস ঘুরছে। স্বাধীনতা মানে যে সমৃদ্ধি, সম্ভোগের অধিকার, সেটা আর এদের মাথায় ঢোকে না। উপোসি আত্মার কি কখনও সদ্‌গতি হয়? কিন্তু বলে দেখো এ কথা, আজকালকার ছেলেরা কেমন তেড়ে আসে, দেখো। মেজকর্তার মাথা আবার কিলবিল করে উঠল। পরনে কপনি হাতে গীতা, দেশোদ্ধারের সব নয়া ফ্যাশান চালু হচ্ছে। আরেক দিকে আসরে নেমেছেন গান্ধী মহারাজ। চরকা কাটো চরকাতেই স্বরাজ। সবাই যেন ফুসমন্তরে স্বরাজ এনে ফেলবেন। দেশের লোকের বিচারবুদ্ধি ঘোলা করে দিয়ে চোখ বুজে মন্তর জপাও। আমার কথা শোনো, এতেই স্বরাজ আসবে। লোকেরা অজ্ঞ, অবিবেচক থাকুক, তাদের চোখ ফোটাতে অনেক পরিশ্রম। তার চেয়ে কানামাছি খেলাও।

    সুধাময় বারবার কানামাছি খেলতে গেছে। মেজকর্তা বারবার তার চোখ ফোটাতে চেষ্টা করেছেন। কে জানে এবার সুধা তাঁকে আমল দেবে কি না?

    আকাশের দিকে চেয়ে মেজকর্তা আশ্বাস পেতেই চেষ্টা করলেন হয়তো। কিন্তু কোথায় আকাশ? বর্ষার মেঘে লেপ মুড়ি দিয়ে সে মুখ ঢেকে আছে।

    একসময় ট্রেন আসবার নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেল। ট্রেন এল না। শোনা গেল দার্জিলিং মেল এক ঘণ্টা লেট। ধীরে ধীরে ইস্টিশানটার ঘুম ভাঙল। সময় গড়াল। ভোর হল, তবু আলো ফুটল না। আকাশে মেঘ। আলো পলাতক। বৃষ্টি পড়তে শুরু করল। গিরিবালা অতিকষ্টে ইস্টিশানের জল দিয়ে মুখ ধুয়ে এল। শঙ্খকেও ধুইয়ে মুছিয়ে আনল। শঙ্খের ক্ষিধে পেয়েছে। দুধ নেই। যেটুকু এনেছিল গিরিবালা, সেটুকু রাত্রেই খেয়ে ফেলেছে শঙ্খ। এমন বিপত্তি হবে কে জানত? ওদের তো কাল রাত্রেই পৌঁছে যাবার কথা। শঙ্খ ক্ষিধের চোটে কান্না জুড়ে দিল।

    মেজকর্তাও বড় বিরক্ত হলেন। দুধ তিনি এখন কোথায় পাবেন? চা-ওয়ালাদের কাছ থেকে কিনতে চেষ্টা করলেন, ওরা দুধ বেচে না। মহা মুশকিল! এর উপর আবার ট্রেনটাও লেট করছে। মেজকর্তা এদিক-ওদিক ঘুরছেন দুধের সন্ধানে। দেখলেন, এক জায়গায় বেশ লোক জড়ো হয়েছে। জনাকুড়ি লোক খদ্দর-টদ্দর পরে হাতে ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে একপাশে। জনাকয়েক মুসলমানও আছে সেই দলে। কী ব্যাপার?

    বোধহয় নেতা-টেতা কেউ আসবে, কি মুক্ত রাজবন্দি। মেজকর্তা ভাবলেন, তাই সংবর্ধনা জানাবার জন্য এসেছে। শঙ্খ তাঁর কোলে। সে প্রবলভাবে কান্না জুড়েছে। কী যে তিনি করবেন, ভেবে পেলেন না। এমন বৃষ্টি শুরু হয়েছে যে, ইস্টিশানের বাইরের দোকানেও যেতে পারছেন না। কিন্তু কী আশ্চর্য, সেই বৃষ্টি মাথায় করে আরও যে লোক আসছে ইস্টিশানে। এবার যে দলটা এল, তাদের মধ্যে জনাদুয়েক খদ্দর-পরা মহিলাকেও দেখলেন মেজকর্তা। অঝোর ধারায় তাঁরা কাঁদছেন। ব্যাপারটা কী?

    শঙ্খ কেঁদে কেঁদে অস্থির হয়ে উঠল। মেজকর্তা ওকে নিয়ে আবার ইস্টিশানের ভিতরের দিকে চলে এলেন। প্ল্যাটফর্মে এর মধ্যেই আরও অনেক লোক এসে জমেছে। অনেকের হাতেই মালা। মুখ থমথমে, পা খালি।

    দুধ কি মিলবেই না নাকি? বড় মুশকিল হল। শঙ্খ কেঁদে কেঁদে একেবারে বাঁকা হয়ে যাচ্ছে। কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না তাকে। নিস্তব্ধ ইস্টিশানে শঙ্খর গোঁয়ার কান্না রীতিমতো অস্বস্তির মধ্যে ফেলল মেজকর্তাকে। গিরিবালা শেষ পর্যন্ত ওকে কোলে নিয়ে মাই খাওয়াতে বসল। কিছুতেই খাবে না শঙ্খ। এমন সময় ট্রেনের ঘণ্টা বাজল। মেজকর্তা টিকিট কিনতে গেলেন। টিকিট কিনে অগত্যা এক পাউরুটিওলার কাছ থেকে রুটি কিনে খেতে দিলেন শঙ্খকে। শঙ্খ এবারে থামল।

    দার্জিলিং মেলখানা যখন ধীরে ধীরে প্ল্যাটফর্মে এসে ঢুকল, তখন সেটা আষ্টেপৃষ্ঠে ভিজে গিয়েছে। ছাত দিয়ে গা দিয়ে জল গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে। যে লোকগুলো এতক্ষণ ফুল, মালা হাতে নিয়ে স্তব্ধ হয়ে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল, তারা হুড়মুড় করে ইঞ্জিনের দিকে ছুটল। মেজকর্তা অতিকষ্টে ভিড় ঠেলে গিরিবালা আর শঙ্খকে নিয়ে একখানা ইন্টার ক্লাস কামরায় উঠে পড়লেন। ততক্ষণে গাড়িসুদ্ধু লোক গলা বের করে চিৎকার করতে লেগেছেন, ও মশাই, সামনে নয়, সামনে নয়, পিছনে যান, পিছনে। গার্ডের গাড়ির সঙ্গে যে লাগেজ ভ্যান, সেইখানে। সেই ভ্যানেই আছেন।

    মেজকর্তা সকলের সমস্বর চিৎকারে ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেলেন। শঙ্খও দাদুর কোলে চড়ে রুটিতে কামড় দিতে দিতে অবাক হয়ে থেমে গেল।

    মেজকর্তা দেখলেন, এদের চিৎকার শুনে বাইরের সেই জনতা হন্তদন্ত হয়ে আবার পিছনে ছুট দিল। সেই মহিলা ক’জনকেও ছুটতে দেখলেন তিনি।

    অবাক হয়ে একজনকে জিজ্ঞাসা করলেন, কী হয়েছে মশাই, এত ছুটাছুটি কীসের জন্য? একজন জবাব দিলেন, সে কী, আপনি জানেন না? দেশবন্ধু যে মারা গেছেন! এই ট্রেনে ডেডবডি যাচ্ছে। লাগেজ ভ্যানে আছে।

    দেশবন্ধু মারা গেছেন! মেজকর্তা প্রথমে ধরতে পারলেন না কথাটা। কোন দেশবন্ধু? দেশবন্ধু আর ক’টা আছে বাংলায়? সি আর দাশ মারা গেছেন! মেজকর্তার বুকে কথাটা যেন বুলেট হয়ে এসে বিঁধল। সে কী, কোথায় মারা গেলেন? দার্জিলিঙে! কাল মারা গেছেন। উঃ, কী প্রোসেশন মশাই, মনে হল দার্জিলিং বুঝি ভেঙে পড়বে। যাত্রীরা বলে যাচ্ছেন যে যার কথা। দেখছেন তো কী ভিড় ইস্টিশানে ইস্টিশানে। এখানেই দেড় ঘণ্টার উপর লেট। কলকাতায় সন্ধের আগে পৌঁছোলে হয়। মেজকর্তার কানে কথাগুলোর আওয়াজ ঢুকছে, মানে বুঝতে পারছেন না। দেশবন্ধু এই গাড়িতেই যাচ্ছেন, অথচ তিনি নেই! আশ্চর্য! মুহূর্তে সব ফাঁকা হয়ে গেল যেন। যেন এই ট্রেন নেই, এই ইস্টিশান নেই, বুঝি এই যুগটাও নেই। তাঁর বুকের মধ্যে কেমন যেন শূন্যতার সৃষ্টি হল। ধপ করে বসে পড়লেন মেজকর্তা। বর্তমান কালের সীমা ছাড়িয়ে তাঁর স্মৃতি হুহু করে উড়ে চলল পিছনে, কলেজি জীবনে। এই অমিত উৎসাহী এক অগ্নিশিখার সংস্পর্শে তখন তিনি এসেছিলেন। অনেক অগ্নিগর্ভ ভাষণ তিনি তখন শুনেছিলেন। পরবর্তী জীবনে দাশ সাহেবের অনেক ভাষণ তিনি কাগজেও পড়েছেন। কিন্তু সব ছাড়িয়ে এখন হঠাৎ তাঁর মনে একটি ভাষণের গোটা লাইন ভেসে উঠল। যে ভাষণটির কথা মেজকর্তার মনে পড়ল, সেটা তাঁর কানে শোনা নয়, কাগজে পড়া। সেটাই যে কেন তাঁর মনে হঠাৎ লাফিয়ে উঠল এখন, মেজকর্তা তা বলতে পারেন না। ইংলন্ডে পড়তে গিয়ে প্রকাশ্য সভায় চিত্তরঞ্জন সেই ভাষণটি দিয়েছিলেন।

    “Gentlemen, I was sorry to find it given expression to in Parliamentary speeches on more than one occasion that England conquered India by the sword and by the sword must she keep it! England, gentlemen, did no such thing; it was not her swords and bayonets that won for her this vast and glorious empire; it was not her military valour that achieved this triumph, it was in the main a moral victory or a moral triumph. England might well be proud of it. But to attribute all this to the sword and then to argue that the policy of sword is the only policy that ought to be pursued in India is to my mind absolutely base and quite unworthy of an Englishman.

    ইংলন্ড ভারতকে তরোয়ালের জোরে নয়, বেয়নেটের জোরে নয়, জয় করেছে নৈতিক শক্তির জোরে। তাই ভারতকে তরোয়ালের জোরে দাবিয়ে রাখার কথা ইংরেজের মুখে শোভা পায় না। অতি সত্যি কথা। কিন্তু সত্য কথা বলার সাহস ক’জন রাখে?

    সারাজীবনে অনেক ভাষণ দিয়েছেন দেশবন্ধু, কিন্তু এমন কথা আর বলেননি। অন্তত মেজকর্তা আর তো শোনেননি। কী আফশোস, এ-কথাতে কোনও পক্ষই কর্ণপাত করেনি। কথাটা কেউ মনেও রাখেনি আজ। এ-কথা সম্ভবত আর-কেউ বলবেও না। যাঁদের ভাবনায় এমন কথা স্থান পেত, তাঁদের যুগ এই হয়তো শেষ হয়ে গেল।

    পরক্ষণেই মনে পড়ল, এই গাড়িতেই দেশবন্ধুর দেহ যাচ্ছে কলকাতায়। তিনিও যাচ্ছেন। তিনি যেন তাঁদের যুগের শবদেহকেই বহন করে নিয়ে চলেছেন। কী আশ্চর্য যোগাযোগ! যাত্রীরা আবার আলোচনায় মেতে উঠলেন। হ্যাঁ, এ-মৃত্যু রাজার মৃত্যু। দেশবন্ধু এখন কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলে বিরোধী দলের নেতা, স্বরাজ্য পার্টির লিডার আর বাংলার দেশবন্ধু। শুধু বাংলার নয় মশাই, উনি গোটা ইন্ডিয়ার। আরেকজন মন্তব্য করলেন। হঠাৎ মেজকর্তার প্রবল ইচ্ছে হল তাঁকে একবার গিয়ে দেখে আসেন। উঠে পড়লেন চট করে।

    বললেন, যাই, একবার দেখে আসি।

    একজন সহযাত্রী হাঁ-হাঁ করে উঠলেন, এখন কোথায় যাচ্ছেন? হুইসেল দিয়েছে গার্ড। গাড়ি ছাড়বে। পরের স্টপেজে গিয়ে দেখে আসবেন।

    একটা হ্যাঁচকা টান দিয়ে গাড়ি ছাড়ল। কয়েক ধাক্কায় বেরিয়ে এল ইস্টিশানের বাইরে। জোরে বৃষ্টি নামল। মেজকর্তার সামনের জানলা দিয়ে ছাট আসছে জোরে। যাত্রীরা পটাপট কাচের শার্শি তুলে দিলেন। একটু পরে পিছন থেকেও ছাট আসতে লাগল। সেদিককার শার্শিও তুলে দেওয়া হল। জলের ঝাপটা লেগে কাচের শার্শি অস্বচ্ছ হয়ে যেতে লাগল। হঠাৎ মেজকর্তার মনে হল, গোটা কামরাটাই, হয়তো বা গোটা ট্রেনটাই, এক বৃহৎ শবাধারে পরিণত হয়েছে।

    শূন্য মনে শূন্য চোখে মেজকর্তা অনেকক্ষণ বসে থাকলেন। হঠাৎ শঙ্খর চিৎকারে তাঁর সংবিৎ ফিরে এল। এই তো মৃতের রাজ্যে প্রাণের কোলাহল! হঠাৎ শঙ্খ দুমদাম শার্শিতে কিল মারছে, লাফাচ্ছে, চেঁচাচ্ছে: বিট্‌টি বিট্‌টি, বিট্‌টি!

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমনের বাঘ – গৌরকিশোর ঘোষ
    Next Article এই দাহ – গৌরকিশোর ঘোষ

    Related Articles

    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    এই দাহ – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    মনের বাঘ – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    গড়িয়াহাট ব্রিজের উপর থেকে, দুজনে – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    প্রতিবেশী – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    গৌড়ানন্দ সমগ্ৰ – গৌরকিশোর ঘোষ (অসম্পূর্ণ)

    August 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }