Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জাদুনল – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প115 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. সকালে ডিউটিটা ভাল লাগে না

    অধ্যায়: ৪

    সকালে ডিউটিটা ভাল লাগে না বুলটনের। বরং নাইট ডিউটি করলে সারা দিনটা সময় পাওয়া যায়, দিনে অনেক কিছু করার থাকে মানুষের। কাজ অবশ্য কিছুই না, ফালতু বসে থাকা আর মাছি তাড়ানো। আনপ্রোডাকটিভ লেবার। গালভরা নাম সিকিওরিটি গার্ড, আসলে পাতি বাংলায় চৌকিদার। চাকরির কোনও ওজন নেই, অ্যাডভেঞ্চার নেই, আর এ দেশে মানুষ সস্তা বলে যে যা খুশি বেতন ধরিয়ে দেয়। তাই হাত পেতে নিতে হয় বটে, কিন্তু মনটা গজরাতে থাকে। তার বাবা একটা তেলকলে চাকরি করে। নামকাওয়াস্তে তেলকল, আসলে সেটা মুরগি বরুণের ঘানি। ঘানির একটা পুরনো মেশিন আছে বটে, কিন্তু তা থেকে কেউ কখনও তেল বেরোতে দেখেনি। তবে মেশিনটায় পাছে মরচে ধরে যায়, সেই জন্য মাঝে-মাঝে চালানো হয়। আসলে বিক্রি হয় চালানি তেল। বোকা লোকেরা ভাবে ঘানির তেল কিনছে। কত রকমের যে দু’নম্বরি আছে চারদিকে! একটা চটি জার্মান টেক্সট বই পড়ার চেষ্টা করছিল সে প্লাস্টিকের চেয়ারটায় বসে।

    “এই, শোনো!”

    বুলটন বইটা সরিয়ে দেখে সামনে বুলা। সে টপ করে দাঁড়িয়ে বলল, “কিছু বলছেন?”

    বুলা বিপন্ন গলায় বলে, “এই, দ্যাখো না, আমাদের তিনতলার বাথরুমে জল আটকে যাচ্ছে। পাইপে জ্যাম হয়েছে বলে মনে হয়। এ বাড়ির প্লাম্বারকে ডাকতে হবে। আমি তো নতুন এসেছি, কিছু জানি না।”

    বুলটন বলে, “প্লাম্বার সঞ্জয় জেনা। আমি ফোন করে দিচ্ছি, এসে যাবে।”

    “আচ্ছা, তুমিই কি বুলটন? বাবাকে মাঝে-মাঝে ওপরে তুলে দাও?”

    “হ্যাঁ ম্যাডাম, আর আমিও আপনাকে চিনি।”

    “আমাকে আপনি করে বলছ কেন?”

    “এমনি, আপনি এসে গেল।”

    বুলা একটু হাসল। বলল, “আমাকে এখন কেউ চেনে না।”

    “আমি চিনি ম্যাডাম।”

    “শোনো, আমাকে ম্যাডাম ডাকতে হবে না। বুলা বলে ডেকো। আর আপনি আজ্ঞেও করবে না, বুঝলে? এখন ফোনটা তো করো।”

    বুলটন সঞ্জয়কে ফোন করে বলল, “তাড়াতাড়ি আয়, ইমার্জেন্সি।”

    সঞ্জয় বিরক্ত হয়ে বলে, “কী করে যাব, একটা কাজে আটকে আছি তো।”

    “তাহলে তোর বাবা বা ভাইকে পাঠা। বললাম না ইমার্জেন্সি!”

    “দেখছি দাঁড়া। ঘণ্টাখানেক দেরি হবে।”

    “আধ ঘণ্টায় ম্যানেজ কর।”

    “বললাম তো দেখছি, যত কথা বলবি তত দেরি হবে। বুঝলি?”

    “ঠিক আছে।” বলে ফোন কাটল বুলটন। বুলার দিকে চেয়ে বলল, “আধ ঘণ্টা লাগবে আসতে।”

    “বাঁচা গেল। আমি তো ভেবেছিলাম আজ আর হবেই না।”

    আজ লক্ষ করল বুলটন, বুলাকে কিন্তু বেশ দেখতে। না, সুন্দরী বলা যায় না, কিন্তু শ্যামলা রঙের মধ্যে মুখের ডৌলখানা বেশ মিষ্টি। পরনে সাদা সালোয়ার আর হালকা মেজেন্টা রঙের কামিজ, সাদা ওড়না। চুলে চিরুনি নেই, রূপটান নেই, মুখটা তেলতেল করছে। শরীরটা মেদহীন, লকলকে। চলেই যাচ্ছিল, লবির দিকে পা বাড়িয়েও ফিরে তাকিয়ে বলল, “তোমার কখন ডিউটি থাকে বলো তো!”

    “তার কিছু ঠিক আছে? কখনও সকালে, কখনও রাতে।”

    “একদিন তোমার সঙ্গে গল্প করব। বাবা তোমার কথা খুব বলে। তুমি নাকি ভীষণ ভাল ছেলে, তুমি বি কম পাশ, জার্মান শিখছ, আর বাউন্সার হতে চাও।”

    বুলটন লজ্জা পেয়ে বলে, “স্যার দিলদরিয়া মানুষ তো তাই ওসব বলেন। আচ্ছা আপনি তো ঘর থেকে একদম বেরোন না, তাই না?”

    “না, বেরোতে ইচ্ছে করে না।”

    “সারাদিন ঘরে সময় কাটে?”

    “কেটে যায়। টিভি চালিয়ে স্পোর্টস চ্যানেল দেখি, নইলে ইউ টিউবে গান শুনি। তবে খুব ভোরে আমি ছাদে যাই। এ বাড়ির ছাদটা তো খুব বড়। সারা ছাদ চক্কর মারি। তুমি কিন্তু এখনও আপনি আজ্ঞে করে যাচ্ছ, বয়সেও তো আমি তোমার ছোটই হব, তাই না?”

    বুলটন ফের লজ্জা পেয়ে বলে, “চেষ্টা করেও হচ্ছে না যে।”

    “তা বললে শুনব না, এখনই বলতে হবে। বলো, তুমি। বলো না।”

    “বুলা, তুমি খুব ভাল।”

    বুলা হেসে ফেলে বলল, “আমি মোটেই ভাল নই, তবু তো তুমি বলেছ, তাইতেই আমি খুশি।”

    বুলা চলে গেলে ল্যান্ডিংটা বড্ড ফাঁকা লাগতে লাগল বুলটনের। মেয়েটার বয়স মাত্র উনিশ, কিন্তু এই বয়সের মেয়েদের যে ছলবলানি থাকে তা নেই। যেন একজন বয়স্কা মহিলা, টিনএজারের উচ্ছলতাটা কোথায় হারিয়ে গেল! বসে-বসে আজ বুলার কথাই ভাবতে লাগল সে।

    তিন দিন বাদে দুপুরে টিফিনের কৌটো খুলে ঠান্ডা রুটি আর ঢেঁড়সের তরকারি খাচ্ছিল বুলটন, হঠাৎ দেখল সামনে বুলা দাঁড়িয়ে আছে। পরনে সবুজ রঙের কামিজ আর সাদা সালোয়ার, সাদা ওড়না।

    “কী খাচ্ছ তুমি দেখি!”

    বুলটন ফের লজ্জা পেয়ে বলে, “এই তো রুটি-তরকারি।”

    “মাছ খাবে? আমাদের ফ্রিজে আছে কিন্তু।”

    বুলটন প্রায় আর্তনাদ করে উঠল, “না, না। আমার ওসব লাগে না। আমি এটা দিয়েই বেশ খেয়ে নেব।”

    বুলা ফাঁকা একটা চেয়ারে বসে বলল, “বসছি। কেউ কিছু আবার বলবে না তো!”

    “কে কী বলবে! তুমি বোসো তো।”

    টেবিলের ওপর তার জলের বোতলটা রাখা, সেটা তুলে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে বুলা বলে, “প্লাস্টিক পুরনো হলে ইউজ় করতে নেই। বোতলটা আজই বদলে নিয়ো। এটা কিন্তু খুব ময়লা।”

    “হ্যাঁ, আজই মাকে বলতে হবে।”

    “খেতে-খেতে কথা বোলো না, বিষম খাবে।”

    খাওয়া শেষ করে বুলটন উঠে গিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে এসে বসল। বলল, “আজ আমার ডে ডিউটি শেষ, কাল থেকে নাইট।”

    “জানি। সেই জন্যই তো আজ গল্প করতে এলাম।”

    “আমাদের ক্লাবে একজন এক্স-ফুটবলার আছে, জানো! তোমার সংবর্ধনার দিন তিনি আমাকে বলেছিলেন, দেখিস, এই মেয়েটা একদিন অলিম্পিকে যাবে।”

    “পাগল! অত সস্তা নয়। আর গেলেই তো হবে না। আমরা কি সেখানে দাঁড়াতে পারব! ওদের টাইমিংয়ের ধারেকাছেও আমার টাইমিং নয়। আমাদের জন্মগত স্কিলটুকুই সম্বল। ভাল ট্র্যাক নেই, কোচ নেই, জুতো নেই, জিম নেই, সফিস্টিকেটেড ট্রেনিং নেই। বড় অ্যাথলিটদের নিজস্ব সাইকায়াট্রিস্টও থাকে তাকে মোটিভেট করার জন্য। আমরা ভেঙে পড়লে হয়তো কোচ এসে পিঠ চাপড়ে বলে, বেটার লাক নেক্সট টাইম। তার বেশি কিছু না। এখানে কোনও অ্যাথলিটের সাপোর্ট স্টাফ আছে শুনেছ? তার চেয়ে বড় কথা, ফ্যামিলিই আমাদের শেষ করে দেয়, তুমি দৌড়োবে কী করে যদি উপোসি ভাইবোনের মুখ মনে পড়ে, যদি রুগ্ণ বাবার কাতরানির শব্দ কানে আসে, যদি মায়ের ছেঁড়া শাড়ি চোখের সামনে ভাসে?”

    “তা তো ঠিকই। তবে কী জানো, তোমার তো তবু জন্মগত একটা ট্যালেন্ট আছে, আমাদের তো তা-ও নেই। বুলা মণ্ডল তো আর ডজন ডজন জন্মায় না।”

    “এদেশে না জন্মানোই ভাল, ট্যালেন্ট থেকেও যদি কিছু না হয় তার যন্ত্রণা বেশি।”

    “আচ্ছা, তুমি তো একদিন ভালবেসেই দৌড়োতে, অলিম্পিকে মেডেল পাবে বলে তো নয়!”

    বুলা উদাস মুখে বলল, “হ্যাঁ তো, স্কুলের স্পোর্টসে দৌড়োতাম পাঁইপাঁই করে। যেখানেই ওপেন টু অল স্পোর্টস হত, সেখানেই নাম দিতাম প্রাইজ়ের লোভে। ছুটতে খুব ভালবাসতাম, তবে প্রাইজ় বা ফেমের লোভ না থাকলে কিন্তু মোটিভেশন তৈরি হয় না। আর মোটিভেশন না থাকলে স্পিডও বাড়ানো যায় না। শুধু আনন্দের জন্য যদি দৌড়োও, তা হলে তুমি এক জায়গায় পড়ে থাকবে।”

    “বেশ, এখন তো তোমার আর অ্যাম্বিশন নেই। স্পিডও বাড়ানোর কোনও দায় নেই। এখন তো আনন্দের জন্যই দৌড়োতে পারো, তাই না!”

    বুলা তার দিকে বড়-বড় চোখ করে চেয়ে হঠাৎ হেসে ফেলল, “তোমার মতলবটা কী বলো তো!”

    বুলার দাঁত এত ঝকঝকে সাদা আর হাসিটা এত ভাল যে, বুলটন চোখ ফেরাতে পারল না। চেয়ে রইল।

    বুলা মুখটা ফিরিয়ে নিয়ে বলে, “আবার আমাকে ট্র্যাকে ফেরাতে চাও নাকি! সেটা আর সম্ভব নয়। দৌড় আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। বুলা মণ্ডল আর দৌড়োবে না।”

    কথাটা এমনভাবে বলল, বুকটা ধক করে উঠল বুলটনের। সে একটু অপেক্ষা করল। বুলা আনমনে চেয়ে আছে সামনের দিকে। ভাবছে।

    খানিকটা সময় ছাড় দিয়ে বুলটন খুব নরম গলায় বলে, “আমিও একসময়ে দৌড়োতাম, স্প্রিন্টার হব বলে নয়, ফিটনেসের জন্য।”

    বুলা তার দিকে হাসিমুখটা ফেরাল। বলল, “দৌড় নিয়ে আর কথা নয়, কেমন? ওটা শুনতে আমার আর ভাল লাগে না, বুঝলে?”

    বুলটন মাথা হেলিয়ে বলল, “বুঝেছি। রাগ করোনি তো?”

    বুলা মাথা নেড়ে বলে, না, “রাগ করব কেন? তুমি একটা বেশ ভাল ছেলে। এখন আমার আর বেশি বন্ধু নেই। বড্ড ফাঁকা হয়ে গেছি। ফেসবুক অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দিয়েছি।”

    বুলটন খুব সন্তর্পণে জিজ্ঞেস করল, “তোমার বয়ফ্রেন্ড নেই?”

    বুলা হেসে ফেলে বলে, “দূর, ওসবের সময় পেতাম নাকি! আর যা সব ছেলেছোকরা আশপাশে এসে জুটত, সেগুলো হেভি চালাক। আমি বাপু একটু নাকউঁচু আছি।”

    “আমারও গার্লফ্রেন্ড নেই।”

    বুলা ফের উদাস হয়ে গেছে, কথাটা শুনতে পেল বলে মনে হল না। মুডি মেয়ে, যখন-তখন মুড পালটে যায়। এ মেয়ের সঙ্গে সাবধানে মিশতে হবে।

    অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইল বুলা। তারপর মুখ ফিরিয়ে বলল, “আমি একবার দোকান থেকে গয়না চুরি করে ধরা পড়েছিলাম, জানো? হাজতবাসও করতে হয়েছে।”

    “জানি। শুনেছি।”

    বুলা একটা বড় শ্বাস ফেলে বলল, “খুব বোকার মতো কাজ হয়েছিল। প্রতিভা না থাকলে কি চুরি করে বড়লোক হওয়া যায়, বলো! হ্যাকিং করতে, সাইবার ক্রাইম করতে কত বুদ্ধি লাগে, কত কী শিখতে হয়! এটা বোকা চোরদের যুগ নয়।”

    “ঠিক কথা।”

    বুলা হঠাৎ বলল, “এই শোনো, বিকেল হয়ে আসছে লোকজন আসতে শুরু করেছে। এবার আমি যাই। নইলে কে কী ভাববে!”

    “আর-একটু বোসো না।”

    বুলা একটু হেসে বলে, “আবার আসব তো। কতদিন কারও সঙ্গে আড্ডা মারিনি বলো তো!”

    “তোমার ফোন নম্বরটা চাইলে কি তুমি রাগ করবে?”

    “না, রাগ করব কেন, তবে আমি আজকাল বেশির ভাগ সময়েই ফোনটা সুইচ অফ করে রাখি। আমি ওপরে গিয়ে তোমাকে মিসড কল দিচ্ছি। আমার ফোনটা চার্জে বসানো আছে। তোমার নম্বরটা বলো।”

    অবাক কাণ্ড হল, বুলা চলে যাওয়ার পর গোটা ল্যান্ডিংটায় হু-হু করে একটা স্পেস ঢুকে পড়ল যেন! এত ফাঁকা তো কোনওদিন মনে হয় না জায়গাটাকে! এই রে! সে কি প্রেমে পড়ে গেল নাকি মেয়েটার! সর্বনাশ!

    এবারের নাইট ডিউটিটা ভারী একঘেয়ে শুরু হল। রোজকার মতোই। তবে আর-একটু বোরিং। এমনকী, সোমবার রাতে রাঘববাবু পর্যন্ত রাত এগারোটায় ফিরে এলেন। ট্যাক্সি থেকে নামাতে এগিয়ে গিয়েছিল বুলটন, কিন্তু স্যার নিজেই দিব্যি নেমে এলেন, ডান হাতটা উঁচু করে বললেন, “ধরতে হবে না, আজ ঠিক আছি।”

    লবির দিকে না গিয়ে হঠাৎ আজ ল্যান্ডিংয়ে বুলটনের পাশের চেয়ারটায় বসে পড়ে বললেন, “তোমার তো খুব বাউন্সারের চাকরি পছন্দ, তাই না?”

    বুলটন রাঘববাবুর সম্মানে চেয়ারে বসেনি, দাঁড়িয়ে ছিল, বলল, “হ্যাঁ স্যার।”

    “একজনের সঙ্গে কথা হয়েছে, মধু খাবড়া। তার একটা বার আছে তপসিয়ায়। তাকে বলেছি। তোমাকে পছন্দ হলে নিয়ে নেবে। কাল গিয়ে একবার দেখা কোরো। এই নাও ওর বিজ়নেস কার্ড।”

    কার্ডটা হাতে নিয়ে বুলটন রাঘববাবুকে একটা প্রণাম করে ফেলল। তার বহুকালের একটা স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে! অবিশ্বাস্য।

    রাঘববাবু হেসে বললেন, “আগে চাকরিটা তো হোক, তারপরে তো প্রণাম!”

    দুপুর বারোটায় সুইনহো স্ট্রিটের অফিসে যেতে বললেন মধু খাবড়া। গলাটা বেশ রাশভারী, অথরিটেটিভ।

    ঠিক দুপুর বারোটাতেই ভিতরে যাওয়ার ডাক এল। ছোট, সাজানো চেম্বারটায় ঢুকে যে লোকটার মুখোমুখি হল বুলটন, তার চেহারাও জবরদস্ত। লম্বা-চওড়া, মজবুত শরীর, তবে একটু চর্বি আছে পেটে। পঞ্চাশের আশপাশে বয়স। তার দিকে চেয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “তুমি তো সিকিওরিটি গার্ড! বাউন্সারের কাজ কিন্তু অন্যরকম। পারবে?”

    “হ্যাঁ স্যার, পারব।”

    “তোমাকে রাঘববাবু রেকমেন্ড করেছেন, কাজেই ইউ মাস্ট বি ওকে। ঠিক আছে। আজ একুশ তারিখ, তুমি এক তারিখে জয়েন করো। কিছুদিন তোমার কাজ দেখা যাক, তারপর স্যালারি নিয়ে কথা হবে। তবে ইট উইল বি অ্যারাউন্ড টেন থাউজ্যান্ড।”

    বেতন কোনও ব্যাপার নয় তার কাছে, যা হোক একটা হলেই হবে। বাউন্সার হওয়াটাই আসল কথা।

    সোমবার ডে ডিউটি করতে এসে মনটা একটু খারাপ লাগছিল বুলটনের। জীবনের চেনা ছকটা পালটে যাবে তার। সম্পূর্ণ অজানা একটা জগতে ঢুকে যাবে সে। বার ড্যান্সার, নিবু নিবু আলো, অ্যালকোহলের মাদক গন্ধ, চড়া মিউজ়িক, উচ্চকিত ড্রামের রিদ্‌ম, মাতালদের অসংলগ্ন প্রলাপ, চোরা চাউনি, সন্দেহজনক মানুষ, মস্তান এবং তরল মহিলারা। হ্যাঁ, থ্রিল আছে, অ্যাডভেঞ্চারের আভাস আছে, রিস্কও কি নেই? ঠিক বুঝতে পারছে না বুলটন। একটু অস্বস্তিও হচ্ছে তার।

    খুব আনমনে এসব ভাবছিল বুলটন। গত এক সপ্তাহ রাঘববাবু নামমাত্র নেশা করে ফিরছেন। নিজেই উঠে যাচ্ছেন ফ্ল্যাটে, তার সাহায্যের দরকার হচ্ছে না। বুলার সঙ্গে তাই দেখাও হয়নি তার। মুডি মেয়ে, এ সপ্তাহেও দেখা হবে কি না কে জানে! সামনের সপ্তাহে নতুন কাজে চলে যাবে সে। আর হয়তো দেখাই হবে না। সেটা অবশ্য ভালই হবে হয়তো। সে বোধ হয় একটু দুর্বল হয়ে পড়ছিল মেয়েটার প্রতি। সে কোনও সম্পর্কে জড়াতেই চায় না। অফার থাকা সত্ত্বেও সে কখনও জড়ায়নি।

    বাজারে যখন যেটা সস্তা সেটাই তার টিফিন বক্সে চলে আসে। আজ দুপুরে টিফিনের বাক্স খুলে দেখল, রুটির সঙ্গে কুদরির তরকারি। খিদের মুখে কিছুই খারাপ লাগে না তার। একটু কটকটে ঝাল হলেই হল।

    “কী খাচ্ছ শুনি!”

    বুলটনের বুকটা একটা বলটান খেল। আজ পরনে একটা বুটিকের কাজ করা সাদা জমিনের শাড়ি। একই কাজ করা ব্লাউজ়, মাথায় মস্ত খোঁপা। মুখটা তেমনই রূপটানহীন, তেলতেলে। হাসিটা সম্মোহন জানে। চোখ ফেরানো যায় না। অপ্রস্তুত বুলটন তটস্থ হয়ে বলে, “এই তো দ্যাখো না, মা আজ কুদরির তরকারি দিয়েছে।”

    পাশের চেয়ারটায় আস্তে করে বসে বলল, “ঠিক তোমার টিফিনের সময়েই এসেছি ভাগ্যিস। কুদরি আমার বেশ লাগে।” বলেই মুখ টিপে একটু হেসে হঠাৎ আঁচলের আড়াল থেকে একটা স্টিলের ঝকঝকে বাটি বের করে এনে বলল, “তোমার জন্য এনেছি।”

    বুলটন ভয় খেয়ে বলে, “কী এনেছ?”

    কৌটোর ঢাকনাটা খুলল বুলা, মাংসের মোগলাই গন্ধটা যেন জড়িয়ে ধরল বুলটনকে। সে চোখ কপালে তুলে বলে, “তুমি আমার চাকরিটাই খাবে। সেক্রেটারি টের পেলে তাড়িয়ে দেবে আমাকে।”

    “আর ন্যাকামি করতে হবে না। চাকরি তো নিজেই ছেড়ে দিচ্ছ শুনলাম। কাল রাতে আমি নিজে রেঁধেছি। খেতে হবে। তোমার ফেয়ারওয়েল ট্রিট।”

    বুলটন হাসল না, বুলার দিকে চেয়ে করুণ গলায় বলল, “মনটা বেশ খারাপ লাগছে, জানো!”

    “কেন, এটাই তো তোমার অ্যাম্বিশন ছিল বলে জানতাম।”

    “হুঁ। তবু কেমন একটা লাগছে। এ তো অনেকটা এনেছ!”

    “খাও।”

    মুরগিটা এত ভাল রান্না হয়েছে যে, বুলটন অবাক হয়ে বলে, “এ তো শেফদের মতো রান্না! দারুণ!”

    বুলা উদাস হয়ে বলে, “গরিবদের রান্না ভালই হয়। না হলে চলবে কেন?”

    “বোধ হয় ঠিকই বলেছ। আমার মা তো কচু ঘেঁচু এমন রাঁধে যে, চেটেপুটে খেতে হয়।”

    “মায়ের রান্না সব ছেলেরই ভাল লাগে, ওটা মা বলেই।”

    “তা অবশ্য ঠিক।”

    “মাংস জুটে গেছে বলে আবার কুদরিটাকে ফেলে দিয়ো না। ওটাও খেয়ো।”

    “মাংস আজ কুদরির উইকেট ফেলে দিয়েছে, বুঝলে। তবে খেয়ে নেব।”

    বুলটন খেয়ে নিল। হাতমুখ ধুয়ে এসে বলল, “দাঁড়াও, তোমার বাটিটা ধুয়ে দিই।”

    বুলা ভারী বিরক্ত হয়ে বলে, “রাখো তো, তোমাকে গিন্নিপনা করতে হবে না, ওপরে বাসন মাজার লোক আছে।”

    বুলটন আর কিছু বলতে সাহস পেল না। বসে পড়ল। বুলা ফের উদাস মুখ করে অন্য দিকে চেয়ে বসে আছে। যেন পাশে বুলটন নেই, কেউ নেই। বুলটনও সাবধান হল, মুডি মেয়ে, অল্পেই বিগড়ে যায়। তাই কথা না বলে অপেক্ষা করতে লাগল।

    অনেক অনেকক্ষণ বাদে বুলা যেন স্বপ্ন থেকে জেগে উঠে চারদিকে তাকাল। তারপর হঠাৎ যেন বুলটনকে দেখে চিনতে পারছিল না এমনভাবে চেয়ে রইল। তারপর মৃদু হেসে বলল, “চাকরিটা তা হলে নিচ্ছ!”

    বুলটন কাঁচুমাচু হয়ে বলে, “কী আর করব বলো তো!”

    “কিছু যদি মনে না করো, তা হলে একটা কথা বলবে?”

    “কেন বলব না? পুছো তো সহি।”

    বুলা হেসে ফেলল। তারপর বলল, “এখানে তুমি কত পাও?”

    “সাড়ে সাত হাজার, নাইট অ্যালাউন্স ধরলে হাজার দশেকের মতো। আর চারটে গাড়ি ধুয়ে আরও চার হাজার।”

    “আর ওরা কত দেবে?”

    “বলছে তো অ্যারাউন্ড টেন থাউজ্যান্ড।”

    বুলা যেন কী একটু ভাবল। তারপর বলল, “তুমি বাউন্সার হওয়ার স্বপ্ন দ্যাখো, তাই তোমাকে বলে কোনও লাভ নেই। কিন্তু এই চাকরি কি তোমাকে মানায়? মাতাল বদমায়েশদের সামলানো, গুন্ডা মস্তানদের পাঙ্গা নেওয়া, এটা কি কোনও ভাল কাজ? বাবা বলেন, বাউন্সারদের মধ্যে অনেকে আছে যারা নাকি মাতালদের পকেট থেকে টাকা তুলে নেয়। তোমার ধারণা হয়তো বাউন্সারের চাকরিটা খুব থ্রিলিং, অ্যাডভেঞ্চারাস, কিন্তু আসলে কি তাই? তারা শুঁড়ির মাইনে করা গুন্ডা কাম দরোয়ান। আর বেশিদিন ওই পরিবেশে থাকলে ওই অন্ধকার একটু একটু করে তোমার ভিতরেও ঢুকে যাবে। আমি মাতালদের ভীষণ ভয় পাই, রিপালসিভ বলে মনে হয়। অতক্ষণ মাতালদের পরিবেশে থাকতে গেলে আমি তো পাগল হয়ে যেতাম। বাবা বলছিল, বুলটনটার খুব ইচ্ছে দেখে আমি একটা ব্যবস্থা করেছি বটে, কিন্তু ভাল ছেলেটা নষ্ট হয়ে যাবে।”

    বুলটন চুপ করে রইল। অনেকক্ষণ পরে খুব মৃদুস্বরে বলল, “এই চাকরিটাও তো খুব সম্মানজনক নয় বুলা! এখানে পড়ে থেকেই বা কী হবে বলো! এর তো কোনও ভবিষ্যৎও নেই!”

    “হুঁ, তা ঠিক। আমিও একসময়ে রেলের চাকরির জন্য পাগল হয়েছিলাম, রেল আমাকে কথা দিয়েও নেয়নি। খুব ভেঙে পড়েছিলাম। কিন্তু আবার তো উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। এই যে শাড়িটা পরে আছি দেখছ? কেমন বলো তো!”

    “শাড়ি-টাড়ি তো আমি ভাল বুঝি না, তবে তোমাকে খুব মানিয়েছে। শাড়িটা তো ভাল বলেই মনে হচ্ছে।”

    বুলা হেসে ফেলে বলল, “থাক বাবা, তোমাকে আর মতামত দিতে হবে না। তবে এ শাড়িটা আমার নিজের ডিজ়াইন করা, নিজেরই কাজ করা। বাজারে এটা সাত হাজারে বিক্রি হবে। আমাকে মা আজ সকালে জোর করে পরিয়েছে। নইলে আমি শাড়ি পরি নাকি! মা বলল, শাড়ি না পরলে ফিলিংসটা আসবে না, মাঝে-মাঝে পরতে হয়। তাই পরে আছি। এটা হল কনজ়িউমারস মার্কেট, লোকের হাতে পয়সা আছে, তারা কিনতেও চায়। ঠিকমতো জিনিস বানাও, মার্কেটিং করো, সব বিক্রি হবে। যদি ঠিকমতো চানাচুরও বানাতে পারো, তা হলেও শিল্পপতি হয়ে যাবে। তুমি সারা জীবন মাতাল সামলে সেই স্যাটিসফ্যাকশন পাবে কি?”

    বুলটন অবাক হয়ে বলে, “ওরে বাবা, সেসব তো অনেক বড় কথা!”

    “বড় কথা মনে করে ভয় পেলে কিছু করা যায় না। তুমি যে বাউন্সারের চাকরি করবে সেটা মা-বাবাকে জানিয়েছ?”

    “হুঁ। তবে তারা ব্যাপারটা ঠিক বোঝে না। তারা শুধু জানে ছেলে একটা ভাল কাজ পেয়েছে।”

    “বুঝলে মত দিত না।”

    “তা ঠিক। আচ্ছা স্যার আজকাল তেমন ড্রিংক করেন না তো!”

    “তোমাকে তো বললাম, আমি মাতাল দু’চোখে দেখতে পারি না। বাবাকে সোজা বলে দিয়েছি, তুমি যদি মাতাল হও তা হলে আমি তোমাদের বাড়ি ছেড়ে চলে যাব। তাই ভয় পেয়েছে। আমার হাতে-পায়ে ধরে বলেছে, একবারে ছাড়লে অসুখ করবে, আস্তে-আস্তে ছাড়ব। তাই কম খাচ্ছে। তবে একদম ছেড়ে দেবে, আমি জানি।”

    “তোমাকে খুব ভালবাসেন তো!”

    “ওদের তো ছেলেপুলে নেই। যখন ছোট ছিলাম তখনই আমার মা একবার কাজ করার জন্য আমাকে ওদের কাছে এনেছিল। তখন বাবা আর মা থাকত যাদবপুরে। মা আমাকে দেখেই আমার মাকে বলে, ও মা, এ কাজ করবে কেন, আমাকে দাও, আমি ওকে পুষ্যি নেব। মা রাজি হয়নি। আমরা ঢাকা জেলার মানুষ, তখন যাদবপুরে বিধানপল্লির রেফিউজি কলোনিতে থাকতাম। সেই থেকে শুরু সম্পর্ক। এখন আর ছাড়তে চায় না। জেল থেকে বাবাই ছাড়িয়ে এনেছে। আমিই-বা আর কোথায় যাব বলো? এখানে আছি বলে রোজগার হচ্ছে, মা-বাবাকে টাকা পাঠাতে পারছি।”

    “বাঃ, বেশ মজা তো! এখন তোমার দুটো বাবা আর দুটো মা।”

    বুলা হেসে বলে, “শুধু মজা নয়, ঝামেলাও আছে, দু’জোড়া বাবা-মায়েরই বেজায় ঝগড়া। সামাল দেওয়াই মুশকিল। তবে হ্যাঁ, এরা আমাকে ভালওবাসে খুব। মা নিজের হাতে আমাকে বুটিকের কাজ শেখায়।”

    “এই ব্যবসায়ে কি অনেক লাভ?”

    “খারাপ কী বলো! খাটতে হয় বটে, কিন্তু মাসে ত্রিশ-চল্লিশ হাজার টাকা হয়েই যায়। মার্কেটিংটা ঠিকঠাক হলে আরও বাড়বে। একটাই মুশকিল, লার্জ স্কেলে বুটিক করার জন্য অনেক এক্সপার্ট হ্যান্ডস দরকার। তুমি তা হলে এক তারিখে নতুন কাজে জয়েন করছ!”

    “সে রকমই কথা হয়ে আছে।”

    “আর হয়তো দেখা হবে না। ভাল থেকো।”

    চেয়ারটায় আস্তে করে বসেছিল বুলা, তেমনই আস্তে উঠে দাঁড়াল।

    “এখনই চলে যাবে? আর-একটু বোসো না।”

    “কাজ করতে করতে উঠে এসেছিলাম, ঘরময় জিনিস ছড়িয়ে আছে। হাতে অর্ডার রয়েছে, সময়মতো দিতে হবে তো।”

    বুলা চলে যাওয়ার পরই এক শূন্যতার অনুপ্রবেশ। হু হু করে একটা স্পেস যেন কোথা থেকে উড়ে এসে ডানার বিষণ্ণ ছায়ায় চারদিকের সব ঔজ্জ্বল্য ঢেকে দিল। কী যে হচ্ছে এসব!

    পরপর তিনদিন আর বুলার দেখা নেই। ফোন করতে ঠিক সাহসে কুলোয় না, ইচ্ছে করে কিন্তু।

    ডে ডিউটির একেবারে শেষের দিন সকাল থেকেই খুব ঝড় আর বৃষ্টি। আলো নেই। ল্যান্ডিং ফাঁকা। খুব একা বসে ছিল বুলটন। আর দুটো দিন, তারপর সে একটা অচেনা জগতে ঢুকে পড়বে। কেমন হবে কে জানে। তবে সে বরাবর দেখে এসেছে, যা কল্পনা করা যায় বা যা ধরে নেওয়া হয় বাস্তবের সঙ্গে তা মেলে না। চাকরিটা যতটা থ্রিলিং হবে বলে সে ভেবেছিল ততটা বোধ হয় হবে না। তাই একটু ভয়-ভয় করছে তার। তার জিগরি দোস্ত হল রাজু, সে শুনে বলেছে, তুই খরচা হয়ে যাবি। রাজু বেশি কথা কয় না, একটু কীরকম আছে যেন। নরমাল অ্যাবনরমাল।

    টিফিনের কৌটোটা খুলে আজ বুলটন অবাক। রুটির সঙ্গে আলুপোস্ত! মা পোস্ত পেল কোথায়! পোস্ত খাওয়ার ধক তো তাদের নেই! দু’-একবার রুটির সঙ্গে মাখিয়ে খেয়ে দেখল পোস্ত নয়, সাদা সরষে। দেখতে হুবহু পোস্ত। বিভ্রম! তা বিভ্রম জিনিসটাও খারাপ নয়, বিভ্রমে বিভ্রমেই জীবনটা বেশ কাটিয়ে দেওয়া যায়। খেয়ে একটু ঘুম-ঘুম পাচ্ছিল তার। প্লাস্টিকের টেবিলটায় মাথা রেখে একটু ঘুমিয়ে নিল। বৃষ্টি ছাড়া কোনও ঘটনা নেই আজ। কোনও সংবাদ নেই। ক্রমে বিকেল হয়ে গেল, বিকেল গড়িয়ে সন্ধে। রবিঠাকুরের একটা লাইন মনে পড়ছিল তার। মেঘের অন্তরপথে অন্ধকার হতে অন্ধকারে চলে গেল দিন। মনে-মনে চুপিচুপি একটা আশা ছিল আজ শেষ দিনটায় বুলা একবার আসবে। এল না। রাত-ডিউটির সুকুমার এলে নিজের ছাতাটা খুলে বেরিয়ে পড়ল সে। একা এবং বড্ড সঙ্গীহীন।

    ফোনটা করল সকালে এবং হঠাৎ, কিছু ভেবেচিন্তেও নয়।

    মধু খাবড়ার গমগমে গলাটা যেন ধমকে উঠল তার কানে, “হ্যাল্লো!”

    “স্যার, আমি ভোলানাথ সর্দার।”

    “কে ভোলানাথ?”

    “আমি স্যার, বুলটন। রাঘববাবুর রেফারেন্সে বাউন্সারের চাকরির জন্য গিয়েছিলাম।”

    “ও হ্যাঁ, বলো।”

    “স্যার, আমি চাকরিটা করব না। সরি।”

    “ইটস ইয়োর চয়েস জেন্টলম্যান। ওকে। ইউ আর ওয়েলকাম।”

    বলেই ফোনটা কেটে দিল খাবড়া। বুলটন হাঁফ ছাড়ল। কাল থেকে নাইট ডিউটি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপারাপার – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article গয়নার বাক্স – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }