Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জিম করবেট অমনিবাস (অখণ্ড) – মহাশ্বেতা দেবী সম্পাদিত

    জিম করবেট এক পাতা গল্প1380 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. লাল ফিতের আগেকার আমল

    ৪. লাল ফিতের আগেকার আমল

    হিমালয়ের পাদদেশে যে অনুচ্চ ভূ-খণ্ডকে তরাই বলে, একবার শীতকালে সেখানে আমি আণ্ডারসনের সঙ্গে এক ক্যাম্পে ছিলুম। জানুয়ারির গোড়ার দিকে একদিন ভোরবেলা জল খাবার পর আমরা বিন্দুখেরা ছেড়ে আমাদের পরবর্তী ক্যাম্প বোকসার-এর দিকে বেরিয়ে পড়লুম। চাকর-বাকররা যাতে বাঁধা-ছাঁদা করে মাল-পত্র নিয়ে গিয়ে সেখানে আমরা পৌঁছবার আগেই তাবু ফেলতে সময় পায়, এইজন্যে আমরা অনেকটা ঘুরপথে গেলুম।

    বিন্দুখেরা আর বোকসারের মধ্যে পুল-শূন্য দুটি নদী পার হতে হয়। দ্বিতীয় নদীটিতে পৌঁছে, আমাদের তাবু-বওয়া একটা উট কাদার মধ্যে হড়কে গিয়ে নদীর মধ্যে তার পিঠের বোঝা ফেলে দিল। ফলে আমাদের লোকদের যেতে অনেক দেরি হয়ে গেল। সারাদিন ধরে সাধ মিটিয়ে পাখি শিকার করে বোকসারে এসে দেখি যে তখনও উঠের পিঠ থেকে মাল-পত্র নামানো চলছে।

    বোকসার গ্রাম থেকে মাত্র কয়েকশো গজ দূরে তাবু ফেলা হল। অ্যাণ্ডারসনের সেখানে আসাটা তো একটা বড় ঘটনা, তাই সারা গাঁয়ের লোক তাকে সম্মান দেখাবার জন্যে আর শিবির স্থাপনে যথাসাধ্য সাহায্য করবার জন্যে সেখানে চলে এসেছিল।

    স্যার ফ্রেডারিক অ্যান্ডারসন সে সময়ে ছিলেন তরাই আর ভাবরের সরকারী মহলের সুপারিন্টেন্ডেন্ট। মানুষটি সহৃদয় ছিলেন বলে তাঁর শাসনাধীন বহু সহস্র বর্গমাইল এলাকার বাসিন্দা সব জাতি আর সব ধর্মের লোকদের তিনি প্রিয় পাত্র হয়ে উঠেছিলেন। দয়ালু ছাড়াও তিনি দক্ষ শাসকও ছিলেন, এবং তার মত স্মরণশক্তি আমি মোটে আর একজনেরই দেখেছি–তিনি হলেন জেনেরাল স্যার হেনরি র‍্যামজে। আটাশ বছর ধরে তিনি এই একই ভূখণ্ডের শাসনদণ্ড পরিচালনা করেছিলেন। চাকরিতে থাকার সময় আগাগোড়া তাঁকে লোকে জানত ‘কুমায়ুনের মুকুটহীন রাজা’ বলে।

    র‍্যামজে আর অ্যাণ্ডারসন–দুজনেই ছিলেন স্কটল্যাণ্ডের লোক। তাদের বিষয়ে লোকে বলত যে একবার কারও নাম শুনলে কিংবা মুখ দেখলে তারা কখনও তা ভুলে যেতেন না। সরল, অশিক্ষিত লোকদের সঙ্গে যাঁদের কারবার আছে শুধু তারাই বুঝবেন যে ভাল স্মরণশক্তির মূল্য কত। কেননা, সাধারণ একজন লোকের নামটা যদি কেউ মনে করে রাখে, কিংবা কী পরিস্থিতিতে এর আগে তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল সে-কথা যদি কেউ বলতে পারে, তাহলে তার যেমন ভাল লাগে, এমন আর কিছুতে নয়।

    ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের উত্থান ও পতনের ইতিহাস যখন লেখা হবে, তখন এ কথা বিবেচনা করতে হবে যে তার পতনের ব্যাপারে ‘লাল-ফিতে’র প্রভাব কতখানি ছিল। র‍্যামজে আর অ্যাণ্ডারসনের আমলে ভারতে সে জিনিসটা অজানা ছিল, এবং তাদের জনপ্রিয়তা এত অধিক হয়ে উঠেছিল এবং তাঁদের শাসনও এতটা সফল হতে পেরেছিল।

    কুমায়ুনের জজ ছাড়াও র‍্যামজে ছিলে সে অঞ্চলের ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশস, বন-পাল এবং ইঞ্জিনীয়ার। তার অসংখ্য এবং দুরূহ কাজগুলির মধ্যে অনেকগুলিই তিনি এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে হেঁটে যেতে-যেতেই সেরে ফেলতেন।

    এইসব পদ-যাত্রার সময়ে দলে-দুলে লোক তার সঙ্গ নিত। সেই সময়েই তিনি তার দেওয়ানী আর ফৌজদারী মামলার বিচার করতেন। বাদী আর তার সাক্ষীদের কথা আগে শোনা হত, আর তারপর শোনা হত বিবাদী আর তার সাক্ষীদের কথা। তারপর রীতিমত ভেবে-চিন্তে র‍্যামজৈ তাঁর রায় দিতেন। হয় জরিমানা, নয় তো কারাদণ্ড হত। সে রায় নিয়ে কখনও কেউ প্রশ্ন তুলেছে বলে জানা যায় নি। আর, যাকে তিন জরিমানা করতেন বা কারাদণ্ড দিতেন, সে সরকারী খাজাঞ্চিখানায় গিয়ে জরিমানাটা দিয়ে দিত, কিংবা সবচেয়ে কাছের জেলে নিজেই গিয়ে হাজির হয়ে, র‍্যামজের হুকুম-মত বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে কখনও গাফিলতি করেনি।

    আগে র‍্যামজে যা করতেন, তরাই আর ভাবর অঞ্চলের সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে অ্যাণ্ডারসনকে তার খানিকটা মাত্র করতে হত বটে, কিন্তু তার প্রশাসনিক ক্ষমতার ক্ষেত্র যথেষ্ট বিস্তৃত ছিল। সেদিন বিকেলবেলা যখন বোকরে আমাদের তাঁবু ফেলা হচ্ছিল, তখন অ্যাণ্ডারসন জমায়েত-হওয়া লোকদের বসে পড়তে বললেন। তিনি এ কথাও বললেন যে কারও যদি কোনো নালিশ থাকে শুনবেন কিংবা কেনো দরখাস্ত থাকে তা নেবেন।

    প্রথম আবেদন জানাল বোকসারের পাশের এক গ্রামের মোড়ল। জানা গেল, যে সেই গ্রাম ও বোকরের লোকরা একটা যৌথ জলসেচের নালা থেকে জল নেয়। নালাটা বোকসারের ভিতর দিয়েই গিয়েছে। সেবার ভাল বৃষ্টি না হওয়ায় নালায় দু-গ্রামের পক্ষে পর্যাপ্ত জল হয় নি। সব জলটাই বোকসার নিয়ে নিয়েছে। ফলে নিচের গ্রামে ধানের ফসল নষ্ট হয়েছে। বোকরের মোড়ল স্বীকার করল যে নালার জল নিচের গ্রামে যেতে দেওয়া হয় নি, কিন্তু সাফাই হিসেবে সে বলল যে, জলটা ভাগাভাগি করে নিলে দুই গ্রামেরই ধান নষ্ট হত। ফসলটা আমাদের আসার কয়েক দিন আগে কাটাই আর মাড়াই হয়ে গিয়েছিল।

    দুই মোড়লের বক্তব্য শোনার পর অ্যাণ্ডারসন হুকুম দিলেন যে দুই গ্রামের জমির পরিমাণের অনুপাতে সমস্ত ধান ভাগাভাগি করে দেওয়া হবে। বোকরের লোকরা মেনে নিল যে বিচারটা ন্যায্য হয়েছে, কিন্তু তারা ফসল কাটাই আর মাড়াইয়ের মেহনতের মজুরি দাবি করল। নিচের গ্রামটি এই বলে এই দাবিতে আপত্তি করল যে সে সময়ে তাদের সাহায্য করতে ডাকা হয় নি। এই আপত্তি ন্যায্য বলে অ্যাণ্ডারসন মেনে নিলেন। অমনি দুই মোড়লে ধান ভাগ করতে চলে গেল, আর এর পরের দরখাস্ত অ্যাণ্ডারসনের কাছে পেশ করা হল।

    এটা করল ছেদী। তার বউ তিলনীকে কালু ভুলিয়ে নিয়ে গেছে, এই তার নালিশ। দিন-কুড়ি আগে নাকি কালু তিলনীকে প্রেম নিবেদন করে। ছেদী আপত্তি করলেও সে ক্ষান্ত হয় নি। শেষে তিলনী তার ঘর ছেড়ে কালুর সঙ্গে গিয়ে বাস করে। অ্যাণ্ডারসন যখন জিগ্যেস করলেন যে কালু হাজির আছে কি না, তখন আমাদের সামনে গোল হয়ে বসে-থাকা লোকদের একপাশ থেকে একটি লোক উঠে দাঁড়িয়ে বলল যে সে-ই কালু।

    ধানের ব্যাপার নিয়ে যতক্ষণ কথা চলছিল ততক্ষণ জমায়েত-হওয়া মেয়েরা আর বউরা আগ্রহ দেখায় নি, কেননা তার মীমাংসা করবে পুরুষরা। কিন্তু এখন তাদের মুখের ভাব আর দমবন্ধ অবস্থা দেখে বেশ বোঝা গেল যে এই ফুসলানোর মামলায় তাদের বেজায় আগ্রহ আছে।

    অ্যাণ্ডারসন যখন কালুকে জিগ্যেস করলেন, নালিশটি সত্যি কি না, তখন সে স্বীকার করল যে তিলনী তার দেওয়া একখানা কুটিরেই থাকে বটে, কিন্তু ফুসলে আনার কথাটা সে জোর করেই অস্বীকার করল। যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হল যে সে তিলনীকে তার বৈধ স্বামীর কাছে ফিরিয়ে দিতে প্রস্তুত আছে কি না, তখন কালু জবাব দিল যে তিলনী তার কাছে স্বেচ্ছায় এসেছে-ছেদীর কাছে ফিরে যেতে তাকে বাধ্য করতে সে পারবে না।

    অ্যাণ্ডারসন জিগ্যেস করলেন, ‘তিলনী হাজির আছে?’

    স্ত্রীলোকদের দল থেকে এগিয়ে এসে একটি মেয়ে বলল, ‘আমিই তিলনী। আমার উপর হুজুরের কী হুকুম?’

    তিলনী মেয়েটি অল্পবয়সী, তার বয়স বছর আঠার হবে। তার গড়নটি পরিষ্কার, চেহারাটি চটকদার। তরাইয়ের মেয়েদের চিরাচরিত প্রথায় তার মাথার চুলগুলো, ফুটখানেক উঁচু একটা বিড়ে করে বাঁধা, তাতে একখানা সাদাপাড়ের কাল শাড়ি : জড়ানো। তার দেহে একটা আঁট লাল রঙের কাঁচুলি আর খুব ঘের-ওয়ালা একটা রঙচঙে ঘাগরা এই তার সাজ।

    যখন অ্যাণ্ডারসন তাকে জিগ্যেস করলেন যে সে তার স্বামীকে কেন ছেড়ে গিয়েছে, তখন সে ছেদীর দিকে দেখিয়ে বললে, ‘ওর দিকে তাকান। ও যে শুধু নোংরা তাই নয়, তা তো দেখতেই পাচ্ছেন, তার উপর আবার হাড়-কেপ্পনও। বিয়ে হওয়া থেকে এই দুবছরের মধ্যে ও আমাকে কাপড় কিংবা গয়না কিচ্ছু দেয় নি। আমার জামাকাপড় এই যা দেখেছেন, আর.এইসব গয়না’–এই বলে সে তার হাতের কয়েকগাছা রুপোর চুরি আর তার গলার কয়েক ছড়া পুঁতির মালায় হাত দিল-কালু আমাকে দিয়েছে। ছেদীর কাছে ফিরে যেতে সে রাজী আছে কি না সে কথা জিগ্যেস করায় সে মাথা ঝেকে বলল যে কিছুতেই সে যাবে না।

    অস্বাস্থ্যকর তরাই অঞ্চলের বাসিন্দা এই আদিবাসী জাতটি দুটি মস্ত গুণের জন্য বিখ্যাত–তা হল পরিচ্ছন্নতা, আর স্ত্রী-স্বাধীনতা। ভারতের আর কোনো অংশে গ্রাম আর ঘরবাড়ি তরাই অঞ্চলের মত এমন নিখুঁতভাবে পরিষ্কার রাখা হয় না। আর, ভারতের অন্য কোথাও অল্পবয়সী মেয়ে নিজের পক্ষ সমর্থন করবার জন্যে স্ত্রী-পুরুষের সমাবেশের মধ্যে দু-জন সাহেবের সামনে দাঁড়াতে সাহস পেত না–তাকে তা করতে দেওয়াই হত না।

    এবার অ্যাণ্ডারসন ছেদীকে জিগ্যেস করলেন যে সে কিছু বুদ্ধি দিতে পারে কি না। তার উত্তরে সে বললে, হুজুর আমার মা, হুজুরই আমার বাপ। সুবিচার পাবার জন্যে আপনার কাছে এসেছিলুম, এখন হুজুর যদি আমার বউকে আমার কাছে ফিরে যেতে বাধ্য করতে না চান, তাহলে আমি ওর বদলে খেসারত চাই।

    অ্যাণ্ডারসন জিগ্যেস করলেন, সেটা কত চাও?

    ছেদী উত্তর দিল, ‘আমি দেড়শো টাকা চাই। এবার চারদিক থেকে আওয়াজ শোনা গেল, ‘লোকটা বেশি চাইছে!’ ‘বড্ড বেশি!’ ‘মেয়েটার দাম অত নয়! ইত্যাদি।

    তিলনীর জন্যে সে দেড়শো টাকা দিতে ইচ্ছুক কি না অ্যাণ্ডারসন সে কথা কালুকে জিগ্যেস করায় সে বললে যে দাবিটা বড়ই বেশি, কেননা এ কথা সেও জানে, বোকরের সবাই জানে যে তিলনীর জন্যে ছেদী মোটে একশো টাকা দিয়েছিল। সে যুক্তি দেখাল যে এই দামটা যখন দেওয়া হয়, তখন তিলনী ‘টাটকা’ ছিল এখন তো আর তিলনী তা নেই, কাজেই তার জন্যে সে বড়জোর পঞ্চাশটি টাকা দিতে পারে।

    সমবেত জনতা এবার পক্ষাবলম্বন করতে লাগল। কেউ কেউ বললে যে দাবির পরিমাণ নিতান্তই বেশি, অন্যরা তেমনি জোট করে বলতে লাগল যে যা দিতে চাওয়া হয়েছে সে-টাকাটা একেবারেই কম। সপক্ষে-বিপক্ষে সমস্ত যুক্তিই যথাযোগ্যভাবে বিবেচনা করে (সে-সব যুক্তি নিতান্ত সূক্ষ্ম এবং একান্ত ব্যক্তিগত খুঁটিনাটি-ঘটিত, এবং তিলনী তার সুন্দর মুখখানায় হাসি মাখিয়ে তা সব শুনল) অ্যাণ্ডারসন তিলনীর দাম পঁচাত্তর টাকা ধার্য করে কালুকে হুকুম করলেন ছেদীকে টাকা দিয়ে দিতে।

    কোমরবন্ধ খুলে কালু তা থেকে একটা সুতোর থলি বের করে অ্যাণ্ডারসনের পায়ের কাছে সেটাকে ঝেড়ে খালি করে দিল। তাতে ছিল মোট বাহান্নটি টাকা। তারপর কালুর দুই বন্ধু তাকে সাহায্য করে আরও তেইশ টাকা তাতে যোগ করল। তখন ছেদীকে টাকাটা গুনে নিতে বলা হল। সে গুনে বলল যে টাকাটা ঠিক আছে। খানিকক্ষণ আগেই আমি লক্ষ করেছিলুম য়ে সবাই বসে পড়ার পর একটি স্ত্রীলোক গ্রামের দিক থেকে অত্যন্ত যন্ত্রণাকাতরভাবে খুব ধীরে-ধীরে এসে একটু তফাতে বসে ছিল। সে এখন অতি কষ্টে উঠে দাঁড়িয়ে বললে, “আমার তবে কী হবে, হুজুর?

    অ্যাণ্ডারসন জিগ্যেস করলেন, তুমি আবার কে?

    সে জবার দিল, ‘কালুর বউ।’

    তার চেহারা লম্বা আর হাড়-বের করা। হাতির দাঁতের মত সাদা মুখখানায় একফোঁটা রক্ত নেই। পেটজোড়া পিলেতে তার চেহারা বিক্রিত হয়ে গিয়েছে, তার পা দু-খানাও ফুলে উঠেছে। তরাই অঞ্চলের অভিশাপ যে ম্যালেরিয়া, এ-সব হল তারই ফল।

    ক্লান্ত, একঘেয়ে গলায় স্ত্রীলোকটি বলল যে কালু এখন আর-এক বউ কিনল, কাজেই সে আর ঘর করতে পারবে না। গ্রামে তার আপন জন কেউ নেই, আর অসুস্থ বলে সে কাজ করতেও পারবে না। কাজেই তাকে অবহেলায় আর অনাদরে মরতে হবে। এই বলে তার মুখ শাড়ি দিয়ে ঢেকে নিঃশব্দে কাঁদতে লাগল। রুদ্ধ আবেগে তার জীর্ণ দেহ কাঁপতে লাগল, তার ভাঙা শরীর বেয়ে টপ-টপ করে চোখের জল পড়তে লাগল।

    এই এক উড়ো ফ্যাসাদ এসে জুটল। অ্যাণ্ডারসনের পক্ষে এটা মেটানো শক্ত, কেননা ব্যাপারটা যখন আলোচনা করা হচ্ছিল, তখন ঘৃণাক্ষরেও এ-কথা ওঠে নি যে কালুর এক বউ আছে।

    স্ত্রীলোকটির করুণ বিলাপের পর খানিকক্ষণ ধরে একটা অস্বস্তিকর স্তব্ধতা চলল। তিলনী দাঁড়িয়ে ছিল। সে হঠাৎ দৌড়ে সেই দুঃখী ক্রন্দনরতা স্ত্রীলোকটির কাছে গিয়ে নিজের সবল দুখানা হাত দিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে বলে উঠল, ‘কেঁদো না দিদি, কেঁদো না। তোমার ঘর নেই, একথাও বলো না। কালু আমাকে যে ঘরখানা বানিয়ে দিয়েছে, সেটা আমি তোমার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেব। আমিই তোমার সেবা-যত্ন করব। কালু.আমাকে যা দেবে, তার অর্ধেক আমি তোমাকে দেব। তাই বলি, দিদি, আর কেঁদো না। আমার সঙ্গে এস। চল তোমাকে আমাদের ঘরে নিয়ে যাই।

    রুগ্ন স্ত্রীলেকাটিকে নিয়ে তিলনী যখন চলে যাচ্ছে, তখন অ্যাণ্ডারসন উঠে দাঁড়িয়ে সজোরে নাক ঝাড়তে ঝাড়তে বললেন যে, পাহাড়ের হাওয়া লেগে তাঁর বিচ্ছিরি রকমের সর্দি হয়েছে, তাই সব কাজ সেদিনকার মত মুলতুবী হল। দেখা গেল যে পাহাড়ী হাওয়াটার ছোঁয়া অ্যাণ্ডারসনের মত অনেকেরই লেগেছে। কেননা, নাক ঝাড়বার বেজায় দরকার যে একা তাঁরই হয়েছিল; এমন নয়।

    কাজ কিন্তু তখনও শেষ হয় নি, কেননা এবার ছেদী অ্যাণ্ডারসনের কাছে এসে তার দরখাস্তখানা ফেরত চাইল। সেটাকে নিয়ে টুকরো-টুকরো করে ছিঁড়ে ছেদী পকেট থেকে সেই পঁচাত্তর টাকা বাঁধা ন্যাকড়াটা বের করে তা খুলে বললে, কালু আর আমি একই গাঁয়ের মানুষ। তাকে এখন দুটো মুখে ভাত যোগাতে হবে, তার মধ্যে একটার জন্যে আবার বিশেষ খাদ্য চাই। এ টাকাটা সবই তার দরকার হবে। তাই বলি, হুজুর, আপনার হুকুম হলে এই টাকাটা তাকে ফিরিয়ে দি।

    নিজেদের এলাকায় ট্যুর করবার সময় অ্যাণ্ডারসন আর তার পূর্ববর্তীরা লাল ফিতের আগেকার আমলে এইভাবে, সকলের সন্তোষ-মতে, শত-শত কেন, হাজার-হাজার এই ধরনের মোকদ্দমার ফয়সালা করে দিতেন–তাতে কোনো পক্ষের একটি পয়সা খরচ হত না।

    কিন্তু এখন ‘লাল ফিতের ব্যবস্থা হবার পর থেকে মামলাগুলো আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে বাদী-প্রতিবাদী দুজনেরই রক্ত চুষে খাওয়া হয়। আরও বিবাদের বীজ বোনা হয়। তা থেকে অনিবার্যভাবে ক্রমেই বেশি-বেশি করে আদালতে মামলা হতে থাকে যাতে আইন-ব্যবসায়ীদের ধনবৃদ্ধি হয়, আর গরিব, সরল, সৎ, পরিশ্রমী চাষীরা ছারখার হয়ে যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরামায়ণের উৎস কৃষি – জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জীবনযাপন – জীবনানন্দ দাশ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }