Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জিম করবেট অমনিবাস (অখণ্ড) – মহাশ্বেতা দেবী সম্পাদিত

    জিম করবেট এক পাতা গল্প1380 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উপত্যকার পাদদেশে মানুষখেকো বাঘ

    গুংগি (অপ্রকাশিত রচনা)

    [এটি জিম করবেটের একটি অপ্রকাশিত রচনা। এটির উল্লেখ ভূমিকায় পাওয়া যায়। করবেটের বন্ধু এবং অক্সফোর্ড য়ুনিভার্সিটি প্রেসের প্রাক্তন সর্বাধ্যক্ষ আর. ই. হকি আমাকে লেখাটির কথা জানান। “মাই ইন্ডিয়া” বইয়ের জন্য করবেট এটি লেখেন এবং পরে বই থেকে বাদ দেন। লেখাটি আমরা অক্সফোর্ড য়ুনিভার্সিটি প্রেসের সৌজন্যে পেয়েছি। গুংগি’ মানে বোবা। ১৯১৪ সালে নৈনিতালের কাছে একটি মেয়েকে পাওয়া যায়। তখনকার খবরের কাগজে তাকে ‘নেকড়ে শিশু’ বলা হয়েছিল। এ তারই কাহিনী-সম্পাদিকা।]

    যে উপত্যকার পাদদেশে মানুষখেকো বাঘটির তল্লাস করেছিলাম বলে আগের অধ্যায়ে বলেছি, সেখান দিয়ে একটি মোটর চলাচলের রাস্তা আলমোড়া আর রাণীক্ষেতের সঙ্গে মিটারগেজ রেলের টারমিনাস কাঠগুদামের সংযোগ ঘটিয়েছে। এই রাস্তাতেই, রতিঘাট থেকে তেমন দূরের নয়, একদিন একদল লোক কাজ করছিল। তারা দেখতে পেল রাস্তার ওপরে পাহাড়ে, দেখে মনে হল একটা অদ্ভুত জন্তু, একটা ঝোপের আড়াল থেকে আরেকটায় যাচ্ছে। গাঁইতি-শাবল ফেলে দিয়ে তোকগুলো সে ঝোপটা ঘিরে ফেলে আর ঘিরে কাছে এগোতেই দেখে একটি উলঙ্গ মানুষ একটা ঝোপের নিচে গুটিসুটি মেরে আছে। লোকেরা কাছে যেতেই সে চার হাত-পায়ে জোরসে ছুটে মানুষের গণ্ডী পেরিয়ে চলে যায়। অনেক দূর তাড়া করে তাকে ধরে কাবু করে কেবল দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে একটা কাণ্ডীতে (পাহাড়ীদের মাল বইবার কোনাচে ঝুড়ি) করে নৈনিতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    আমি তখন মোকামাঘাটে ছিলাম। যাকে নেকড়ে-শিশু বলা হচ্ছে, নৈনিতালের কাছে তাকে পাওয়া যাবার খবর কাগজে পড়েছিলাম। কাগজে পড়ে আমি পেশাদারী ফোটোগ্রাফার লরীকে টেলিগ্রাম করে আমার জন্যে ওই শিশুর অনেকগুলো ছবি তুলতে বললাম। যে হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, লরী সেখানে গেল বটে, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে কোনো ছবিই তুলতে পারল না। কারণ যে ঘরে শিশুটিকে আটকে রাখা হয়েছিল, তার এক কোণে খড়ের গাদার নিচে সে লুকিয়ে থাকে। সেখান থেকে তাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে বের করতে পারে নি লরী। পরের কয়েক সপ্তাহ ধরে শিশুটি খবর হয়ে রইল। ও নেকড়ে শিশু না বানর-শিশু তা নিয়ে প্রচুর জল্পনা-কল্পনা চলল। কালে উৎসাহে ভাটা পড়ল। সবাই ভুলে গেল তাকে।

    কয়েক মাস বাদে যখন নৈনিতালে গেলাম, একটি চিঠি পেলাম। সেটি ইংলন্ডের একটি অ্যাসোসিয়েশনের ভারত-সরকারকে লেখা। সংস্থাটির সভাপতি স্যার বামফিল্ড ফুরাল। সে চিঠিতে নৈনিতালের নেকড়ে শিশু বিষয়ে সব খবর চাওয়া হয়েছিল।

    এ চিঠি পেয়ে, গত পনের বছরে রতিঘাটের দশ মাইলের মধ্যে কোনো গ্রাম থেকে কোনো শিশু হারিয়েছে কি না তার তদন্ত করতে; আর নেকড়ে-শিশুর বর্ণনার সঙ্গে মেলে এমন কিছু ও অঞ্চলের কোনো লোক কোনো দিন দেখেছে কি না তারও খোঁজ নিতে আমার বন্ধু মোতি সিংকে পাঠালাম। ও আমার সঙ্গে বিশ বছর আছে।

    মোতি সিং যখন খোঁজখবর চালাচ্ছে, আমি গেলাম নৈনিতালের তহশীলদারের অফিসে। সেখানে সব নথিপত্র রাখা হয়। নৈনিতাল জেলায় কোনো শিশু হারাবার রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হবার জন্যে তহশীলদারের সহায়তায় ওর পনের বছরেরও বেশি সময়ের নথিপত্র দেখলাম। কি মোতি সিংয়ের, কি আমার তদন্তে কিছুতেই, কোনো শিশু হারিয়েছে অথবা ও অঞ্চলের জঙ্গলে শিশুর মত দেখতে, কোনো কিছু দেখতে পাওয়া গেছে বলে জানা গেল না।

    তারপর আমি গেলাম ক্ৰসথোয়েইট হাসপাতালে। সেখানে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়েছিল। ভারপ্রাপ্ত লেডী মিস মিশ্র আমাদের পরিবারের পুরনো এবং প্রিয় বন্ধু। যখন তাঁকে আমার উদ্দেশ্যের কথা বললাম, তিনি অসীম অনুগ্রহে যতভাবে পারেন সাহায্য করতে চাইলেন। মিস মিশ্র ছাড়া একজন নার্স আর একজন ওআর্ড অ্যাটেনডেন্ট শিশুটিকে দেখাশোনা করছিলেন। এই তিনজন মহিলার কাছ থেকে আর হাসপাতালের নথিপত্র থেকে আমি নিচের খবরগুলো বের করতে পারলাম :

    ১৫.৭.১৯১৪ তারিখে আন্দাজ ১৪ বছরের একটি মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল গুংগি। দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায়, একজন পাহাড়ীর পিঠে কাণ্ডীতে চাপিয়ে মেয়েটিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার সঙ্গে ছিল একটি পুলিস আর বেশ বড়সড় এক জনতার ভিড়। মেয়েটিকে দেখে মনে হয়েছিল মানুষে ও ভয় পাচ্ছে। ওকে একটি খালি ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। যে দড়িতে বাঁধা ছিল তা যখন ভোলা হচ্ছে, ও নার্সকে কামড়ে দেয়, ভীষণ গর্জন করে তিনটি মহিলাকেই ভয় খাইয়ে দেয়। ছাড়া পেতেই চার পাত-পায়ে ছুটে মেয়েটি ঘর পেরিয়ে চলে গিয়ে এক কোণে গুটিসুটি মেরে থাকে।– মিস মিশ্র নার্স আর ওআর্ড অ্যাটেনডেন্টের কাছ থেকে আমি এই সব খুঁটিনাটি জানতে পারলাম।

    (১) মিস মিশ্র ওকে গুংগি (বোবা নাম দিয়েছিলেন, কেননা মেয়েটি কথা বলতে পারত না)।

    (২ ) ওর বয়ন্স আন্দাজ চোদ্দ বছর।

    (৩) ও বেশ সরল আর স্বাস্থ্যবতী। অপুষ্টির কোনো লক্ষণ দেখা যায় নি।

    (৪) শরীর খুব নোংরা আর ঘনলোমে ভরা।

    (৫) মাথার চুল ছোট আর জটপরা।

    (৬) কাঁধে আর শরীরের উপর দিকে অনেক গভীর আঁচড়ানি। কতকগুলো সেরে যাচ্ছিল, কতকগুলো শুধু জখমের দাগ।

    (৭) যে সব জামাকাপড় ওকে ছুঁড়ে দেওয়া হয়, তা ও দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছিল। কিন্তু এক বোঝা খড় খুশি হয়েই নিয়েছিল। সেটি ঘরের এক কোণে ঠেলে নিয়ে গিয়েছিল মেয়েটি তারপর থেকে তার নিচেই লুকিয়ে থেকে গিয়েছিল।

    (৮)সব রকম রান্না খাবারই খেতে ও নারাজ হয়েছিল। তবে কাঁচা মাংস ফল শাকসবজি খেত।

    (৯) ও সন্তোষ জানাত পাখির কুজনের মত এক রকম শব্দ করে অসন্তোষ জানাত গর্জন করে।

    (১০) ঘরে যে কাঁচা মাংস, ফল অথবা তরিতরকারী ছুঁড়ে দেওয়া হত, তা মুখে ঢোকাবার জন্যে মানুষ আর বাঁদর যেমন হাত ব্যবহার করে, ও তা করত না। তবে হাতের পেছন দিয়ে ওগুলো ওর সমানে জড়ো করত। তারপর ঘরের যে কোণটিতেও বাসা বানিয়ে নিয়েছিল সেখানে ওগুলো দাঁত দিয়ে তুলে তুলে নিয়ে যেত।

    (১১) চার হাত পায়ে অর্থাৎ হাত ও পায়ের চেটো ও পাতায় ভর করে ও খুব তাড়াতাড়ি চলাফেরা করত, কনুই আর হাঁটুর ভরে চলত না।

    (১২) অভ্যাসগুলোর খুব নোংরা ছিল ওর, মলমূত্র ত্যাগের আর শৌচের শিক্ষা ওর হয় নি। যখন ঘর ধোয়ার দরকার হত ওর কোমরে দড়ি বেঁধে টেনে বারান্দায় নিয়ে যাওয়া হত। কাঠের খামের ঠেকনোর ওপর বারান্দার ছাত। থামগুলোর একটায় শক্ত করে দড়িটা বাঁধা হলে পরে তখনি, দেখে মনে হত যেন বিনা আয়াসেই ও থামের ওপর অব্দি বেয়ে উঠে যেত। আবার টেনে না নামানো অব্দি ও ওখানেই থাকত।

    ১৩) মিস মিশ্র, নার্স আর ওয়ার্ড অ্যাটেনডেন্ট, তিনজনই পাহাড়ী মেয়ে। মেয়েটির গায়ের রং, মুখচোখ আর গড়ন পেটন দেখে ওদের স্থির বিশ্বাস হয়েছিল ও পাহাড়ী মেয়ে। ওদের সুনিশ্চিত অভিমত হল, সব বন্য প্রাণী যে অর্থে নিরীহ আর বন্য, মেয়েটিও সে অর্থে নিরীহ আর বন্য। তা বাদ দিলে মেয়েটি সম্পূর্ণ প্রকৃতিস্থ আর বুদ্ধিমতী।

    ওর ক্রসথোয়েইট হাসপাতালে থাকার শেষের দিকে, গুংগি আর ওর অ্যাটেনডেন্টদের কামড়ে দিতে চেষ্টা করত না। ওকে স্নান করাত, চুল আঁচড়ে দিত, নখ কাটতে দিত। প্রতিবার কয়েক ঘণ্টার জন্যে একে একটা ঢিলে এককাটের জামা পরতে দিত। সদয় ব্যবহারে এতখানি কাজ হয়েছিল ওর। তবে বিছানা বা কম্বল ব্যবহার করতে ওকে মোটে রাজী করানো যায় নি। কোণের সেই খড়ের নিচেই সর্বক্ষণ থাকত। ওর সন্তোষের রকমফের জানাবার জন্য সেই কুজন ধ্বনিটিরই রকমফের করে করে সন্তোয় জানাত

    ২৫-৭-১৯১৪ তারিখে প্রহরাধীন অবস্থায় গুংগিকে বেরিলির পাগলা গারদে পাঠানো হয়। ভর্তি হবার অল্পদিন বাদেই ও সর্দিগর্মি লেগে মারা যায়। সভ্যতার সঙ্গে অল্প কয়েকদিনের পরিচয়ের পরই এমনি করেই নেকড়ে-শিশু পুংগি বিদায় নিল। ও কে, কোথা থেকে ও এসেছিল। এই জল্পনা-কল্পনাটুকু শুধু রেখে গেল পেছনে।

    শুধু নৈনিতালে, আর চারপাশের পাহাড়েই নয়, গুংরির আবির্ভাব সারা ভরতরর্ষেই স্বাভাবিকভাবেই দারুণ আগ্রহ জাগিয়ে তুলেছিল। ওর আবির্ভাবকে ব্যাখ্যা করার জন্যে অনেক তত্ব গড়ে উঠেছিল। শ্বেতাঙ্গ অধিবাসীদের মত হল, ও নেকড়ে-শিশু, নয় তো বানর শিশু! ভারতীয়দের মত হল ও নেকড়ে-শিশু।

    গুংগি যে বানর শিশু, সে তত্ত্বটি এই সব কারণে খারিজ করা চলে– মুখে খাবার পোরার জন্যে গুংগি হাত ব্যবহার করত না; ও কাঁচা মাংস খেত, ও যদি দীর্ঘদিন বানরদের দলে থাকত,  তাহলে নিঃসন্দেহে ওকে বানরদের সঙ্গে দেখা যেত; কেন না পাহাড় অঞ্চলে বানররা কখনো আবাদী জমি থেকে বেশি দূরে থাকে না। ওদের অভ্যেসগুলো এমন যে সেজন্যে ওরা খুবই চোখে পড়ে, কিন্তু কখনোই বানরদের দলে দেখা যায়নি।

    তাহলে রইল এই কথাটি, ও তবে নেকড়ে-শিশু। নেকড়েরা যে শিশুদের লালন-পালন করে, সেই বমুলাস আর রেমাসের কাল থেকেই এই অতি প্রাচীন বিশ্বাসটি চলে আসছে। ভারতবর্ষের আগাগোড়া জুড়ে এ বিশাসটি আজও প্রচলিত। এমন কি যেসব জায়গায় শত শত বছর আগেই নেকড়ে লোপ পেয়েছে, সেখানেও। এই বিশ্বব্যাপী বিশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমি যদি বলি যে কোনো নেকড়ে কোনো শিশুকে চুরি করে নিয়ে গিয়ে লালন-পালন করেছে এরকম একটি ঘটনাও বাস্তবে ঘটেছে বলে আমি বিশ্বাস করি না, তাহলে আমি যে শুধু তামাশার পাত্রই হব, সে আমি জানি।

    এমন কি ইদানীংকার বছরেও নেকড়ের বাসা বলে পরিচিত মাটির গর্ত থেকে শিশুদের খুঁড়ে বের করে আনার ঘটনার রিপোর্ট মিলেছে। কিন্তু আমি যতগুলো ঘটনা জানি, তাতে প্রতিবারই দেখা গেছে শিশুটি অপ্রকৃতিস্থ। আর মাটির বুকে কোনো অপ্রকৃতিস্থ শিশুকে পাওয়া গেলে তাতে এই প্রমাণ হয় না, যে কোনো নেকড়েই শিশুটিকে গর্তে রেখেছিল, তাকে খাইয়েছিল।

    নেকড়ে শিশুদের এইসব গল্প আমি এই কারণে বিশ্বাস করি নাঃ

    (ক) ভারতীয় নেকড়ে একটি নিরীহ প্রাণী। অমন এক নিরীহ প্রাণীকে জনবসতিতে ঢুকে শিশুকে তুলে নিয়ে যেতে হলে সে তা করবে চরম উপবাসের অবস্থায় পৌঁছে। তাই যদি হয়, তাহলে উপসী জানোয়ারটি পেটের খিদে না মিটিয়ে বাচ্চাটাকে নিয়ে গিয়ে নিজের ছানাদের উপহার দেবে, অথবা ছানা না থাকলে ওকে পোষার জন্যে রাখবে, এ ধারণা করা যায় না। আমি যা জানি, বন্যজগতে জীবনযাত্রা এমনই কষ্টকর এক ব্যাপার যে, বন্য জন্তুরা খেলার জন্য বা পোষার জন্য কোনো কিছু রাখতে পারে না। তাছাড়া সে অবস্থায় শিশুটিকে যে খদ্য খেতে হবে তা খেলেই সে বাঁচবেই না।

    (খ) ভারতীর শিশুদের মধ্যে যারা খানিকটা গরিব ঘরের, তারা তাঁদের মা-বাবার সঙ্গেই ঘুমোয়। নেকড়েরা সেই গরিব ঘরের শিশুদের তুলে নিয়ে গেছে বলেই বারবার শোনা যায়। যখন গায়ে দাঁত বসিয়ে তাকে জ্যান্ত তুলে নিয়ে যাচ্ছে নেকড়ে, তখন কোনো শিশু চুপ করে থাকবে; সে শিশুর বাবা-মা, অথবা পাড়াপড়শি, অথবা প্রতি ভারতীয় গ্রামে যে নেড়ি কুকুরদের দল থাকে তারা কি হচ্ছে তা জানতেই পারবে না, এ আমি বিশ্বাসই করব না।

    (গ) ভারতীয় নেকড়ে শেয়ালের চেয়ে সামান্যই বড় হয়। সে কিছুদূর পর্যন্ত কোনো শিশুকে মাটি দিয়ে টেনে নিয়ে যেতে পারে বটে; কিন্তু কোনো শিশুকে মাটি থেকে তুলে তাকে বহুমাইল দূরে নিজের বাসায় জ্যান্ত বয়ে নিয়ে চলে যাবে, তত গায়ের জোর নেকড়ের আছে বলে আমি মানি না।

    (ঘ) আর শেষ কথাটি বলি। হয়ত নিজের অজান্তেই জাহির করছি একথা বলে। যেখানে নেকড়ে বিরল এবং আকারে ছোট, সেই ভারতবর্ষে কেন নেকড়ে-শিশু দেখা যায়? যেখানে নেকড়ে সংখ্যায় অনেক, আর আকারেও– বড়, সেই রাশিয়া আর কানাডায় নেকড়ে-শিশু দেখা যায় না কেন?

    গুংগি যদি অপ্রকৃতিস্থ হত; জনবসতির কাছাকাছি গর্ত থেকে বের করে আনা শিশুদের যেরকম শরীর স্বাস্থ্যের অবস্থায় পাওয়া যায় বলে বলা হয়–ওকেও যদি তেমনি অবস্থাতেই পাওয়া যেত; মোতি সিংয়ের তদন্ত আর তহশীলদারের নথিপত্র সত্ত্বেও আমি তাহলে কোনো ইতস্তত না করে বলতাম, ও হচ্ছে ভারতের অবাঞ্ছিত মেয়েদের একজন। নিজে যেমন পারে করে খাক গে, বলে ওকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

    কিন্তু গুংগি অপ্রকৃতিস্থ ছিল না। ওর শরীর স্বাস্থ্যের অবস্থা খুবই ভাল ছিল। ওর চেয়ে ভাল হয় না। ও ধরা পড়েছিল জনবসতি থেকে অনেক দূরে। বহুদিন ও মানুষের থেকে দূরে ছিল, মানুষদের দেখে বন্য প্রাণীদের অমনি আচরণ করতেই দেখেছিল। এইসব কারণ দিয়ে ওর নিরীহতা, বন্যতা আর মানুষ-ভীতিকে ব্যাখ্যা করা যায়।

    যেসব কারণ দেখানো হল সেজন্য তো বটেই, তাছাড়ও গুংগিকে যেখানে পাওয়া যায় তার একশো মাইলের মধ্যেও নেকড়ে নেই,–এই কারণেও বানর আর নেকড়ে বাদ যাচ্ছে। তাহলে রইল একটি অত্যন্ত সুদূর সম্ভাবনা। ও হয়তো জংলী কুকুর অথবা ভাল্লুকদের দলে ভিড়েছিল। তারা ওকে লালনপালন করেছিল এত বড় কথা আমি বলব না। যে অঞ্চলে ওকে পাওয়া যায় সেখানে ওই দুটি প্রাণীই দেখা যায়। দুটি প্রাণীই ওকে কাঁচা মাংস খেতে শেখাতে পারত।

    গুংগি যখন রাস্তার কুলিদের হাতে ধরা পড়ে, ওর পরিচয় ঠিক ঠিক জানবার জন্যে, পরে আমি যে খোঁজখবর করি তা ছাড়া কোনোরকম তদন্তই করা হয় নি এ খুবই দুঃখের কথা। পাহাড়ী মেয়ে গুংগি, ঠাণ্ডা আবহাওয়ার দেশে বুনো হয়ে গিয়েছিল। একটা গরম সমতলের শহরে চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দী রাখার জন্যে তাকে পাঠানো হল, এও খুবই দুঃখের কথা।

    এজন্য ক্রসথোয়েইট হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত লেভী ডাক্তারকে দোষ দেবার কিছু নেই। গুংগির কোনো ডাক্তারী চিকিৎসার দরকার ছিল না। ও ছিল বলে শত শত লোক কৌতূহলে সেখানে যেত। তারা হাসপাতালের নিয়মিত কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল। তাই গুংগিকে সরিয়ে নিতে বলা মিস মিশ্রের পক্ষে ঠিকই হয়েছিল।

    তবে, কুমায়ুনে যেসব জীবজন্তু পাওয়া যায় তাদের কোনোটির সঙ্গে গুংগি মিশেছিল কি না তা জানবার এটি সুযোগ হারিয়ে গেল। এমন সুযোগ আর না মিলতেও পারে। সবচেয়ে কাছের চিড়িয়াখানায় ওইসব জানোয়ারের সঙ্গে ওকে মুখোমুখি রাখলে পরে এ খবরটি জানা যেত। তাছাড়াও, গুংগি যে কথা কইতে পারত না, তার মানে এই নয় যে, ও একেবারে বোবা।

    ওকে কথা কইতে শেখানো যেত এ খুবই সম্ভব। লিখতে শেখানো তো যেতই। সত্যি সত্যিই বন্য প্রাণীরা শিশুদের লালন করবার ভার নেয় কি না, ওদের সঙ্গে কাছাকাছি হয়ে শিশুদের বাস করতে দেয় কি না, গুংগির কাহিনী তাহলে সে ব্যাপারটির পাকাপাকি ফয়সালা করে দিত।

    কেন না, অত্যন্ত ভালোভাবে ট্রেনিং পাওয়া যে তিনজন মহিলা ওকে দেখাশোনা করেছিলেন, তাদের সাক্ষ্য অনুসারে গুংগি ছিল সম্পূর্ণ প্রকৃতিস্থ, খুবই বুদ্ধিমতী। তাহলে ওর ধরা পড়বার আগের জীবনের অভিজ্ঞতাটি গুংগির তরুণ স্মৃতিতে এমন করে ধরা থাকত, যা মুছে যায় না কিছুতে। ওকে যখন কথা কইতে বা লিখতে শেখানো যেত, তখন সে অভিজ্ঞতার একটা রেকর্ডও থাকত। সে রকম কোনো রেকর্ড তৈরি হলে পরে আমি আশা করতাম, গুংগি বলবে, ও ভাল্লুকদের দলেই মিশেছিল। তার কারণ হল এই :

    ভাল্লুকরা সামনের থাবা দিয়ে ওদের খাবার কাছে টেনে আনে, তারপর দাঁতে কামড়ে মাটি থেকে খাবার তুলে নেয়। গুংগি তাই করত।

    ভাল্লুকরা কাঁচা মাংস, ফল, আর তরিতরকারী খায়। গুংগিকে যখন প্রথম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, ও শুধু ওইসব খাবারই খেত।

    হিমালয়ের সব জায়গায় ভালুকরাই মেয়েদের জখম করে বলে একটা কথা চালু আছে। এ বিশ্বাসটি এমন জোরদার, যে কয়েক রকম ফলের মরসুমে মেয়েরা গ্রামের কাছের জঙ্গলে যায় না। গুংগির কাঁধ আর শরীরের ওপরভাগের আঁচড়ের ব্যাখ্যা মেলা দরকার। কাঁটাবন দিয়ে যাবার সময়ে যদি ওর গায়ে আঁচড়গুলো লাগত, তাহলে ওর শরীরের নিচের দিকে হাতে আর পায়েও আঁচড় থাকত।

    একজন ফরেস্ট গার্ড একটা কথা চালু করেছিল। একজন ফরেস্ট অফিসার একটি ভাল্লুককে গুলি করে মারেন। ভাল্লুকটির পেছন পেছন চার হাতে পায়ে গুংগিকে নাকি যেতে দেখা গিয়েছিল। যে ফরেস্ট অফিসারের কথা বলা হয়, তিনি হলেন আইদি। আগের অধ্যায়ে যে মানুষখেকো বাঘের কথা বলেছি। সেটিকে উনি মেরেছিলেন। স্মাইদি আমাকে বলেন, যে অঞ্চলে গুংগিকে পাওয়া যায়, সেখানে একটি ভাল্লুক তিনি মেরেছিলেন বটে, তবে তিনি যতদূর জানেন, ভাল্লুকটিকে মারার সময়ে তার সঙ্গে কোনো শিশু ছিল না।

    আর তাই, গুংগি যে কে ছিল; কারা ছিল ওর সঙ্গী, যতদিন না চোদ্দ বছর বয়স হল, ততদিন ও জঙ্গলে টিকে রইল কি করে; সে কাহিনী এক রহস্যই থেকে যাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরামায়ণের উৎস কৃষি – জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জীবনযাপন – জীবনানন্দ দাশ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }